নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তোমার আর আমার দূরত্ব রাস্তার এপার ওপার।তুমি দাড়িয়ে আছো আমার আশায়আমি অপেক্ষায় আছি যাবো কখন!waiting for a loyal heart!

মেঘ প্রিয় বালক

একটা কৃষ্ণচূড়া গাছ। শুষ্ক অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে কৃষ্ণচূড়ার পাতা ঝরে গেলেও, নাতিষীতোষ্ণ অঞ্চলে এটি চিরসবুজ।

মেঘ প্রিয় বালক › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রিয় অচেনা অর্ধাঙ্গীনি

১৭ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:১৭


চিরকুট : ১৮
তারিখ:৫ শ্রাবণ ১৪২৬ বাংলা
প্রিয় অচেনা অর্ধাঙ্গীনি বাম পাঁজরের হাড়।
পত্রের শুরুতেই জানাই আষাঢ়ের শেষ বিকেলে বিবর্ণ কাননে ফুটে থাকা কতিপয় বারো মিশালী সৌরভ্য শুভেচ্ছা। কেমন আছো জানার অনেক আগ্রহ! জানি জবাব নিয়ে আসবেনা তোমার বিলুপ্ত ডাকপিয়ন। অামি কেমন আছি তা জানতে চেয়ে আর লজ্জা নিও না। আজ কয়েকদিন যাবৎ ধরে অনেক সর্দি,কাশি,রাতের বেলা চোরা জ্বরের আক্রমণ, সবমিলিয়ে কেমন আছি তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে। অসুস্হতাও একটি নিয়ামত তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। এই অসুস্হতার সন্ধিকালে আমার বাম পাঁজড়ের হাড় তোমাকে অনেক স্বরণ করছে। তুমি পাশে থাকলে হয়তো আমার অসুস্হ শরীর নিয়ে রান্না ঘরে যেতে হতো না। আমার সুস্হতা কামনা করে প্রার্থনার জায়নামাযে একটু চোখের পানি ঝরাবে বিধির কাছে? প্রিয় দর্পিণী।
দেশে নাকি এখন ১০০ টাকা লোড দিলে ২৭ টাকা ভ্যাট দিতে হবে,কি দরকার লোকসানের পাল্লা ভারি করার। তোমাকে একটি পদ্ধতি শিখিয়ে দেই,কাল কলেজের সামনের কোন দোকান থেকে ১২ টাকার এক দিস্তা কাগজ কিনে নিবে,পোস্ট অফিস থেকে ৩০ টাকায় ১০ টি সরকারী মহর লাগানো হলুদ খাম জোগাড় করবে। রোজ চিঠি লিখবা। কথা হবে চিরকুটে। চলো কিছু দিনের জন্য তথ্য প্রযুক্তিকে ভুলে যাই।মুঠোফোনের বিভীষিকাময় জাল কেটে কল্পলোকের ভাবনা নিয়ে তোমার ডাকপিয়নের অপেক্ষায় থাকিব। কারণ আমি কল্পনা করতেই ভালবাসি। আমি যে স্বপ্ন বিলাসী। জানোই তো আমার ভাবনা কেমন?বাই সাইকেল করে ডাকপিয়ন আসবে,ক্রিং ক্রিং বেল দিয়ে হাক ডাক দিয়ে বলবে হোসাইন ভাই আপনার জন্য চিরকুট আছে! আমি একছুটে তোমার চিরকুটের খামের সেই নব খুশবুতে বিমোহিত হবো।
বহুল প্রতিক্ষত চিঠি আমার,হলুদ খামে সরকারী মহরের পাশে তুমি-আমি প্রাপক প্রেরকের নাম।।ভিতরের কাগজের বুকে লাল, নীল,কালো রঙের তুলিতে রাঙানো প্রতিটি বাক্যর লাইন। সুপ্ত -সুর থেকে তোমার তস্কর করা অনুরাগের ছন্দ। কিন্তু কিসের যেন পিছুটান রয়ে গেছে তোমার,সে কারণেই স্বপ্নেরা আমার স্বপ্নতেই হারায়,আসে না,হয় না পূরণ। ঘড়ির কাটা টিক টিক করে বয়ে চলা সময়ও ফেরেনা পিছনে। যদি কোনদিন আমার স্বপ্নের বিলুপ্ত ডাকপিয়ন সত্যিই যদি আসে তোমার চিরকুট নিয়ে?
পরিশেষে বলব তোমার আগমন আমি অতি দ্রুত চাই আমার হৃদয়ের বিচরনশীল সমতল সবুজ বেলা ভূমিতে। একা আর রান্না করতে চাই না,রুম গুছানো,চাকরী,কাপড় ধোয়া ইত্যাদি মিলিয়ে বুঝইতো কত কষ্টে আছি এই আমি।
তার মাঝে অসুস্হতা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আজ আর দীর্ঘ করবোনা আলোচনা।
আজ চিরকুট বা চিঠি এখানেই ইতি চায়।
ভালো থাকো ভালবাসার মানবী।
ইতি
তোমার রূপের মাতাল প্রেমিক।

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:২৫

মোগল সম্রাট বলেছেন: অসাধারন, চিঠি লেখা আর ফিরে আসবেনা তবুও আশায় থাকি হলুদ খামে চিঠি আসবে আগের ঠিকানায়।।। নামাজ আদায়ের জন্য গোটা পৃথিবীর সমস্ত জমিনকে আমাদের জন্য মসজিদ স্বরূপ করে দেয়া হয়েছে। যেখানে খুশি নামাজ আ :(( ায় করা যাবে।

১৭ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৩৫

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ধন্যবাদ নব পাঠক মোগল সম্রাট।

২| ১৭ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:২৭

মোগল সম্রাট বলেছেন: অসাধারন, চিঠি লেখা আর ফিরে আসবেনা তবুও আশায় থাকি হলুদ খামে চিঠি আসবে আগের ঠিকানায়।

৩| ১৭ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: হুম।

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:০৯

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: হুম ২

৪| ১৭ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৪২

এমজেডএফ বলেছেন:
প্রিয় প্রবাসী ভাই,

আষাঢ়ের বৃষ্টি ভেজা ও কদম ফুলের সৌরভ মাখা শুভেচ্ছা নিবেন। দেশের প্রেমিকার কাছে প্রবাসী প্রেমিকের প্রেমপত্র চমৎকার হয়েছে। বাংলাদেশের প্রাগৈতিহাসিক যুগের পোস্টকার্ড দেখে অতীতবিধুরতায় মনটা ছেয়ে গেল। সেই সাথে মনে পড়লো প্রমপত্র লেখার হারানো সেই নানা রংয়ের দিনগুলো।

"শ্রাবণের শেষ বিকেলে বিবর্ণ কাননে ফুটে থাকা কতিপয় বারো মিশালী সৌরভ্য শুভেচ্ছা।"
চিঠির শুরুতে আপনার প্রিয়তমাকে শ্রাবণের শেষ বিকালের বিশেষ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এখনতো মাত্র আষাঢ়ের ৩ তারিখ! আপনি চির-বৈশাখের দেশে থাকেন, সেখানে আষাঢ়-শ্রাবণ কিছু নেই। তাই হয়তো ভুল হয়েছে।

"প্রিয় অচেনা অর্ধাঙ্গীনি বাম পাঁজরের হাড়"
চিঠির শুরুতে "প্রিয় অচেনা অর্ধাঙ্গীনি" সংবোধন করেছেন। যাকে এখনো ভালো মত চেনা হয় নাই তাকে "অর্ধাঙ্গীনি" বানিয়ে ফেলেছেন। বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি - মানুষ সারা জীবন দেখে-চিনে 'প্রিয়তমা' করার পরও ধরা খায়, পস্তায়। আপনি মনে হয় ঝুঁকিটা একটু বেশি নিয়ে ফেলেছেন।

"একা আর রান্না করতে চাই না,রুম গুছানো,চাকরী,কাপড় ধোয়া ইত্যাদি মিলিয়ে বুঝইতো কত কষ্টে আছি এই আমি।"
চিঠির পরিশেষে দুঃখ-কষ্টের যে ফিরিস্তি দিয়েছেন, তাতে আপনার প্রতি প্রিয়তমার ভালোবাসা যেটুকু আছে তাও কর্পূরের মতো উড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। তাছাড়া বর্তমান কালের প্রিয়তমারা আপনার উল্লেখিত দুঃখ লাঘবের কোনো কাজে আসবে না।

"তোমার রূপের মাতাল প্রেমিক।"
ভালো হউক আর খারাপ হউক কোনো কিছুর প্রতি মাতাল হওয়া ভালো নয়। শুধুমাত্র রূপের মাতাল হলে চলবে না, গুণও খুঁজতে হবে। পৃথিবীটা কঠিন জায়গা। এখানে টিকে থাকতে হলে রূপ ও গুণ দুটিরই প্রয়োজন।

আপনার প্রবাস জীবনের সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করে -

ইতি
আপানারই চিঠিমুগ্ধ দেশি ভাই
এম জেড এফ

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৪১

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: প্রিয় এমজেডএফ ভাই,আপনার দীর্ঘ মন্তব্য পড়লাম,অনেক হাসলাম,কিছু যুক্তিসংগত এডভাইস ও দিয়েছেন, চেষ্টা করবো দেশি ভাইয়ের এডভাইস গুলো মেনে চলার।
১/শ্রাবণের শেষ বিকেলে বিবর্ণ কাননে ফুটে থাকা কতিপয় বারো মিশালী সৌরভ্য শুভেচ্ছা:- এখন দেশে আষাঢ় মাস,আমি লিখেছি শ্রাবন মাস,আসলে যখন লিখতে বসি তখন এতকিছু ভাবিনা,মস্তিস্কে বেশী চাপ দেয় না। তাই চিঠিতে কখনো শ্রাবন,কখনো ভাদ্র,কখনো আশ্বিন,কখনো বৈশাখ,কখনো বসন্ত,ইত্যাদি ভাবনার শুরুতে যা আসে,তা লিখে ফেলি অকপটে। আশা করি সামনের বার থেকে চিরকুটে এ বিষয়গুলো খেয়াল করবো। তবে বর্তমান ভুলগুলো সংশোধন করে নিয়েছি।

২/প্রিয় অচেনা অর্ধাঙ্গীনি বাম পাঁজরের হাড়",লাইফে ঝুকি নিয়েছি,আসলে লিখার সময় ভাবনার সাগরে এতটাই তলিয়ে যাই, যে তলানিতে ঝুকির দিকটা বেশী না কম খেয়াল করি না। আমি যখন চিরকুট লিখি তখন কল্পনা করি আমার সামনে কোন রমণি আমার চিরকুট পড়ছে মনযোগ দিয়ে। সেই ভাবনা থেকেই চিরকুটে শব্দ প্রয়োগ করি। আকর্ষন বাড়ানোর চেষ্টা করি। অচেনা অর্ধাঙ্গীনি বলেই হয়তো তার প্রতি এত মোহ।
"

৩/একা আর রান্না করতে চাই না,রুম গুছানো,চাকরী,কাপড় ধোয়া ইত্যাদি মিলিয়ে বুঝইতো কত কষ্টে আছি এই আমি।" হাজারো রমণিদের ভীড়ে একজন হয়তো আছে,যে এসব বিষয়েও ভালবাসা খুজে নিবে।
নারীর মন পাথরের মত,যদি পাথরে ফুল ফুটে যায়,তবে সে ফুল হবে ভালবাসার অমর ফুল। সেখানে ভালবাসা থাকবে সীমাহীন। বুঝেনয়ি তো ভাবনা গুলো কেমন।

৪/ "তোমার রূপের মাতাল প্রেমিক। এ জায়গায় দুর্বলতা সব পুরুুষেরয়ি আছে কম বেশী। শুধু আমি একা নই। গুণের কথা উল্লেখ করিনি,আপাতত আমার চিরকুটের ভাষা বুঝতে পারার গুনটা থাকলেই চলবে। বাকী গুন বৈশিষ্ট্য লক্ষ্যনীয়। তবে একটি কথা কি জানেন,প্রত্যেকটি নারীর পেন্সিলে আকা পরীর মত,তাদের ভিতরে ভালো-খারাপ উভয় গুনয়ি রয়েছে। গুন ছাড়া রমণি নেই।
পরিশেষে খুব খুশি হলাম, আপনি আমার চিরকুট মগ্ধ পাঠক।
ভালবাসা নিরন্তর। দেশী ভাইয়ের প্রতি আরো বেড়ে গেল সম্মানের মাত্রা।

৫| ১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: বাহ সুন্দর চিঠি

প্রিয় এম জেড এফ এর চিঠিখানিও সুন্দর

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:০৫

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ধন্যবাদ কাজী ফাতেসা ছবি। ভালো মন্তব্য লেখকের মনে উৎসাহ সৃষ্টি করে।

৬| ১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ ! ভালোলাগা।

১৭ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ১৭ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

বলেছেন: বাহ বেশ বেশ।

ভালোলগলো এজেডএফের কমেন্ট।।


শুভ কামনা নিরন্তর।।

১৭ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় ল,এমজেডএফ দেশী ভাইয়ের মন্তব্যর সাথে আমি সহমতম।

৮| ১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:১০

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: হা হা হা।
হৃদয়ের গভীরের লুকানো কথাগুলো উপস্থাপন করলেন।

১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৪১

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় মাহমুদুর রহমান ভাই। হৃদয়ের ভিতর থেকে ভালবাসা জানিবেন । চিরকুট পাঠ করে আপনার মুখে হাসি ফুটেছে , ব্লগে স্বাগতম

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.