নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মজুমদারের হাড়ি

সাধারন একজন...

আল আমিন সজল

সাধারন একজন...

আল আমিন সজল › বিস্তারিত পোস্টঃ

বর্ষা মৌসুম আসার আগেই শুষ্কমৌসুমে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় গড়াই নদীর বেড়িবাধে দেখা দিয়েছেব্যাপক ভাঙ্গ...

০৭ ই মে, ২০১৪ দুপুর ১:৪৪

বর্ষা মৌসুম আসার আগেই শুষ্কমৌসুমে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় গড়াই নদীর বেড়িবাধে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে । বাধ এলাকার ২শতাধিক বাড়ি-ঘর, মাঠের পর মাঠ চাষাবাদের ফসলী জমিও নদী গর্ভে বিলিন হচ্ছে। এমনিতে নদীর ভাঙ্গনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর পদক্ষেপ নেই বলে ভাঙ্গন কবলিত নদপাড়ের বাসিন্দা ও কৃষকদের অভিযোগ। তার উপর ৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় আতঙ্কে রয়েছে নদী পাড়ের মানুষ। স্থায়ী বাধ বা টি চ্যানেলের মাধ্যমে ভাঙ্গন রোধের দাবি এলাকাবাসীর । পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন ভাঙ্গনরোধে স্থায়ী প্রতিরক্ষামুলক কাজের জন্য বাজেট প্রস্তাব দেয়া হয়েছে তবে বরাদ্ধ মিলছে না।



পদ্মার শাখা গড়াই নদী কুষ্টিয়া থেকে ভাটিতে ঝিনাইদহের শৈলকুপা থেকে লাঙ্গলবাধ পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার অংশে প্রবাহিত। বর্ষা মৌসুমে খর¯্রােতা গড়াই এর ভাঙ্গনে সারুটিয়া ইউনিয়নের বড়–লিয়া, কৃষ্ণনগর, কৃত্তিনগর, গোসাইডাঙ্গা, সারুটিয়া, ও শাহবাড়িয়া গ্রামের মানচিত্র বদলে যায়।এখন নতুন করে বেড়িবাধ ভেঙ্গে যাওয়ায় আতঙ্ক সবার মাঝে। হাকিমপুর ও ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের গ্রাম,স্কুল-কলেজ, হাটবাজারসহ নানা স্থাপনা ভেঙ্গে চলেছে, নতুন করে যোগ হয়েছে ৫কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়া



শুধু বাড়ি-ঘর নয় প্রায় দেড় হাজার বিঘা ফসলী জমি বিলিন হয়েছে নদ গর্ভে। এসব জমিতে কৃষকেরা কলা, আখ, ধান, হলুদ, পিয়াজ বিভিন্ন ফসলের আবাদ করে আসছে। বাড়ি-ঘর, জমা-জমি সব হারিয়ে তারা এখন নিঃস্ব ভ’মিহীন



স্থায়ী প্রতিরক্ষা মুলক ব্যবস্থা না নিলে বেড়িবাধ সহ ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব নয় এবং জিকে( গঙ্গা-কপোতাক্ষ) সেচ প্রকল্পের প্রধান খাল বিলিন হতে পারে বলে জানান পানিউন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারাও। এব্যাপারে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টে অর্ধশত কোটি টাকার ২টিপ্রকল্প জমা দেয়া হয়েছে, তবে অর্থ বরাদ্ধ মিলছে না



রিপোর্ট-

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.