| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সেজুতি_শিপু
লেখালেখি করা হয়ে ওঠে না। কিন্তু মাথার ভিতর তাগিদ অনুভব করি। কত কী দেখছি চারপাশে, কত কত অনুভব বুদ্বুদের মত জেগে ওঠে, ইচ্ছে করে রেখে দেই শব্দ মালা গেঁথে। কিন্তু শব্দগুলো ফুল হয়ে ফোটে না। কেন কে জানে?
সন্ধ্যেবেলার অপসৃয়মান আলোটুকু
আর একটু সময় টিকিয়ে রাখার ইচ্ছেয়
দরজা- জানালাগুলো হাট করে খুলে দিয়েছিলাম,
ঘরের আলোগুলোও মুলতবি থাক -
এমনকি সন্ধ্যা প্রদীপটুকুও-
কেননা, আরোপিত আলোর ঝাঁকুনি লাগতেই
প্রায়ান্ধকার আলোর শেষ মায়াটুকু
মুহূর্তে লোপাট হয়ে যায়-
আকষ্মিক মৃত্যু হয় একটি দিনের।
এই মৃত্যু ব্যথিত করে বড় ।
তার আগে তুমি বরং আরেকটু এগিয়ে এসে
দাঁড়াও মুখোমুখি -
আধো দেখা - আধো না দেখায়
এদিনের হিসেবগুলো মিলিয়ে ফেলি চল।
একেকটা দিন কী মনে হয় না -
যেন একটা একটা পুরো জীবন ?
শৈশবের মত আলো ফোঁটা সকাল-
স্বচ্ছ আলোর নীচে ক্রম প্রকাশমান
অথচ যাদুর বাক্সের মত রহস্যময় !
যেন বাক্স খুললেই একে একে বেরিয়ে আসবে-
অশেষ ভেলভেট মসৃণ পথ,
অশ্বমেধের ঘোড়া, যুদ্ধ মানেই বিজয়,
সাদা কবুতর, রাশি রাশি স্বর্নমুদ্রা।
ঠিক দুপুরের গা পোড়ানো রোদ
আসতে না আসতেই -
আকাশ ঢেকে যাবে বহুবর্ণ মেঘে-
মন্থন ছাড়াই উঠে আসবে
রাশি রাশি অমৃত ।
একেকটা দিন হয়তো কিছুটা অন্যরকমও।
তবু দুর্বোধ্য সন্ধ্যা নেমে এলে
কোথায় কতটা ভ্রান্তি ছিল
রাখব না মনে।
অপসৃয়মান আলোর সিঁড়ি বেয়ে উঠে যাব
স্বপ্নের পাহাড় চুড়োয় যেখান থেকে
নামছে ধীরে আঁধারের মুখ
আলোর বুকের কাছে মায়াময়, নত ,মগ্ন।
বিভাজন টানার মত
আলো-অন্ধকার যখন আর থাকবেনা-
তখন আমরাও অবিভাজ্য মায়া
রচনা করতে করতে পরবর্তী আলো
জ্বলার আগ পর্যন্ত আমাদের অপ্রাপ্তির বিষাদ
ভুলে মগ্ন হব অনিন্দ্য সরোবরে ।
///////
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭
সুব্রত দত্ত বলেছেন: সত্যি বলতে বেশ সুন্দর হয়েছে। আপনার শব্দচয়ন দারুণ লাগলো। তবে শুরু থেকে যে ভাবের আর্বিভাব হয়েছিল, তার পূর্ণতা প্রসারিত হওয়ার আগেই যবনিকা হয়েছে বলে মনে হলো। মানে আমার কাছো লাগলো আরকি। এমনিতে চমৎকার।