নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পেশায় ভূতত্ত্ববিদ ।ভালো লাগে কবিতা পড়তে। একসময় ক্রিকেট খেলতে খুব ভালবাসতাম। এখন সময় পেলে কবিতা লিখি। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হল ভালো লাগে খুব। ভালোলাগে রবীন্দ্র সংগীত আর কবিতা । সবচেয়ে ভালো লাগে স্বদেশ আর স্বাধীন ভাবে ভাবতে। মাছ ধরতে

সেলিম আনোয়ার

[email protected] Facebook-selim anwarবেঁচে থাকা দারুন একটা ব্যাপার ।কিন্তু কয়জন বেঁচে থাকে। আমি বেঁচে থাকার চেষ্টা করি।সময় মূল্যবান ।জীবন তার চেয়েও অনেক বেশী মূল্যবান।আর সম্ভাবনাময়।সুন্দর।ঢাকাবিশ্বদ্যিালয়ের পাঠ চুকিয়ে নিরস চাকুরীজীবন। সুন্দরতর জীবনের প্রচেষ্টায় নিবেদিত আমি সেলিম আনোয়ার।

সেলিম আনোয়ার › বিস্তারিত পোস্টঃ

বান্ধবী- চ্যাপ্টার -৬

১৪ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ৮:২৩

(কবিগুরু মৃত্যুর আগে আঁকা আঁকি শুরু করেন। হুমায়ূন আহমেদও। আমি ডিজিটাল কবি। আমিও আঁকছি তবে ডিজিটালি :))



বি সি এস মডেল টেস্ট চলছে ।যে যার মত লিখে চলছে।মৌ মৌমাছির মতন প্রশ্নের উত্তর খুজতে বেঞ্চ ভ্রমনে ব্যস্ত।রাতুল মাঝখানে বসা।তার দুইপাশে সুমন আর জনি বসেছে।সামনে রুমকি।প্রশ্ন হয়েছে যা তা ধরণের। করোরই কমন পড়েনি। এই ধরণের পরীক্ষায় রাতুল অপ্রতিদন্ডি।সমান তালে লিখে চলছে।তার সঙ্গে তাল মেলাতে হিমসিম খাচ্ছে জনি আর সুমন।পরীক্ষার মধ্যে ডিসকাশন ব্যাপারটাও চলছে ।পারস্পরিক সমঝোতায় বেশ চলছে পরীক্ষা। প্রশ্ন কর্তার চৌদ্দগুষ্ঠী উদ্ধার করা হচ্ছে।জনির মত করে কেউ একাজ করতে পারছে না।এই পরীক্ষায় রাতুল আর মৌমাছি মৌ এর মধ্যে একজন প্রথম হবে।



রসালো সমালোচনায় সন্দেহাতীত ভাবে নাম্বার ওয়ান জনি।তার ক্ষোভ গুলো প্রশ্নকর্তার নানী ,মা , বোন,মেয়ে সবার উপর দিয়ে সুষম ভাবে যাচ্ছে।মুখের কোন ট্যাক্স নাই।রাতুল বেশ কয়েকবার তাকে থামালেও সে নতুন উদ্যমে শুরু করে আর সবাই তাকে সমর্থন করে প্রতিবাদের দায়িত্ব পালন করছে।



রাতুলের লেখা শেষ। পরীক্ষার পনের মিনিট বাকী।মৌ রাতুলের খাতা নিজের কাছে নিয়ে লেখতে শুরু করলো।কোনভাবেই তার কাছ থেকে সেটি সুমন জনি ছিনিয়ে নিতে পারেনি।তাই পরীক্ষা হল থেকে ওয়াক আউট করে জনি আর সুমন।বাইরে গিয়ে বেনসনে আগুন ধরায়।



সুমন একাজটি খুব আর্টিস্টিক উপায়ে করতে সক্ষম।সিগারেটটা মুখে নিয়ে দিয়শলাই ধরিয়েই নিমিষে সিগারেট ধরিয়ে ফেলে। ম্যাজিশিয়ানের মত।লোকজন বিস্ময়ে তার এই সৃজনশীল কর্মকান্ড প্রত্যক্ষ করতে থাকে।সুমনকে আর পায় কে।এ মহানকীর্তির পর নিজেকে মহানায়ক ভাবতে থাকে।



রুমকির মামা বাসা থেকে খাবার নিয়ে এসেছে। সেগুলো থেকে সুঘ্রাণ আসছে।খাবারের সুঘ্রাণ খাবারের চেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।সুমন রুমকি,জনি আর রাতুল খাবার খাচ্ছে আর কথা বলছে।রাতুল বরাবরই বক্তা। বাকীরা শ্রোতা।

রুমকি পাবলিক লাইব্রেরীতে সবসময় একটা গ্রুপ পাবা।যারা চাকুরীর পরীক্ষার প্রস্তুতিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে ।তাদের কখনো চাকরীর অভাব হয় না। তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলে দেখবা তারা সবাই একাধিক চাকুরীতে কোয়ালিফাই করেছে এবং বেটার যব করার জন্য পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ।দুপুরের খাওয়া ওই লাইব্রেরীতেই ।কষ্টে কেষ্ট মিলে বুঝলা।



তাদের সঙ্গে স্টাডি করতা তাহলে বুঝতা পড়ালেখা কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি?চাকরী ওদের হবে নাতো কাদের হবে?কিছু পাবলিক আছে সামান্য দুই এক ঘন্টা পড়ালেখা করে পরীক্ষায় এটেইন করে ভাবে চাকুরি তার হবেই।



আসলে চাকুরী হয়না।এ ভাবে একের পর এক চাকুরী দিয়ে চাকুরী না পেয়ে হতাশ হয় আর মনে মনে মন কলা খায়।চাকুরী পেতে মামা বা ভাই লাগে আর লাগে টাকা। এসব বলে মনের দুঃখ মেটায়।চাকুরী আর জোটে না।হতাশ হয় নিজে। আর হতাশা ছড়ায় অন্যের মাঝে।আর যে পড়া লেখা করে পরিশ্রম করে নিজে ও গেইনার হয় অন্যের জন্য উৎসাহের কারণ হয়।জনি তার কথায় বেঘাত ঘটায়।

রাতুল এত লেকচার মেরোনা। আজকের পরীক্ষায় ও প্রথম হবে জনৈক মেজর সাহেবের হবু বউ ওরফে মৌ।তোর খাতাটা ওকে দিলি কেন?মেয়ে মানুষ পেলে আর না বলতে পার না শালা।নির্ঘাত ফেল করব।

সুমন ও রাতুলকে চেপে ধরে।রুমকি কে দিলেও তো পারতি।

রুমকি মুচকি হাসে।রাতুল কৌতুক ছলে একবার সুমনের পা ধরে আরেকবার জনির পা ধরে।জনি সুমন দুজনেই তাকে শেষ বারের মত ক্ষমা করে।এরপর এমন হলে কোন ক্ষমা নাই। আজকের ক্ষমার শর্ত হলো ড্রিংকসের টাকা দিতে হবে রাতুলের ।

কথা এগুতে থাকে। ভাল পরীক্ষা দিলেই চাকরী হবে এটির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে রুমকি।সে যুক্তি দিয়ে বলে রাতুল ৫০০ পোস্টে ৪৪% মেধায় কোয়ালীফাই করে।মানে যার কোটা নাই সে ২২০ জনের মধ্যে থাকতে না পারলে তার কপালে চাকরী নাই।অথচ ৭ হাজারতম পজিশন নিয়ে কোটার একজন পুলিশ ক্যাডার পাবে। ২২১ তম ব্যক্তি কতটা ভাগ্য বঞ্চিত?



সুমন রুমকির কথার সঙ্গে এ্ড করে।৪২ বছর হলো দেশ স্বাধীন হয়েছে।মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিল ১০% সেটা সামপ্রতিক সময়ে হলো ৩০%। কোন যুক্তিতে।ওটাতো সময়ের সঙ্গে কমা উচিৎ।মুক্তিযোদ্ধার নাতি নাতনিরাও কোটা সুবিধা পাবে এটা কেমন?সুষ্পষ্ট বৈষম্য।দেশের সাধারণ মানুষের ভূমিকা কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে কম নয়। তারাও কম নির্যাতনের শিকার হয়নি।দেশের মানুষ সহযোগিতা না করলে দেশ স্বাধিীন এত সহজে হত না। এখন সেই দেশের মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে।



রাতুল আরও যোগ করে বিসিএস লেভেলে কোন কোটা যৌক্তিক মনে করিনা।বিশ্ববিদ্যালয়ের শতকার ৯৫ জন ছাত্র ই এটাকে অভিশাপ মনে করে।তাদের হতাশার কারণ বলে মনে করে।অনেকে দুঃখে নিজেদের রাজাকার বলে থাকে।সর্বোচ্চ ১০% কোট থাকা উচিৎ। নারী কোটাও কমানো উচিৎ।



জনি নারী বিষয় আসার সঙ্গে সঙ্গে অতি আগ্রহী আলাপ জুড়ে দেয়্ ।রুমকি তোর চেয়ে কম যোগ্য কোন ছেলেকে বিয়ে করবি?রুমকি উত্তর দেয় না।জনি নিজেই বলে অবশ্যই করবি না।তোরা অদ্ভুত তোরা নারী কোটায় বড় চাকরী পেলে তোদের বিয়ে করবে কে রে? ওই মুক্তিযোদ্ধা কোটার ৭০০০ তম সিরিয়ালের গর্দভ।তোরা সমান অধিকার চাস তাহলে কোটার বিরুদ্ধে বল।



রাতুল নারী কোটার পক্ষে কথা বলে।নারীরা অনেকক্ষেত্রে অনগ্রসর সংবিধানে ওদের উন্নয়ন কল্পে কোটা রাখার ব্যাপার উল্লেখ করেছে। আর মা সুশিক্ষিত না হলে জাতি শিক্ষিত হতে পারে না।সে ক্ষেত্রে এখনো নারী কোটা রাখা যায়।১ম শ্রেণীর ক্যাডার পোস্টগুলোকে কোটার খপ্পর থেকে রেহাই দেয়া উচিৎ।এর মধ্যে উত্তম প্রসাধ পাঠক উপস্থিত ।দূর থেকে আলোচনা শুনে এক প্রকার তেরে এসেছে।আমার বাবা মুক্তিযুদ্ধ করেছিল বলে দেশ স্বাধীন হয়েছে।তোরা সব রাজাকার।তোদের এদেশে থাকার অধিকার নেই। রাতুল তাকে থামায়। মুক্তিযোদ্ধার দেশ স্বাধীন করেছে নাকি দেশটা কিনে নিয়েছে।দেশটা ভাগে যোগে ভোগ করার ঘৃণ্য অভিলাষ থাকলে তারা কতটা সৎ দেশপ্রেমিক আর মহান।ঘটনা ঝগড়ার দিকে মোর নেয়ায় জনি নতুন ইস্যু পারে।







জনি মৌ আর রাতুলকে নিয়ে রসালো আলাপ জুড়ে দেয়।বানোয়াট কাহিনি।দুজনকে কোন হোটেলে জনি আর সুমন ধরে ফেলেছে।কিভাবে তাদের ছাড়িয়ে এনেছে।সুমন রবোটিক স্টাইলে সম্মতি জানায়।রুমকি অবাক হয়ে রাতুলকে দেখে।রাতুল লজ্জায় লাল।রাতুল প্রসঙ্গ পাল্টায়। রুমকি একটি গান শুনা প্লিজ।সুমন ও নড়েচড়ে বসে।

রুমকি গান ধরে......একটুকু ছোয়া লাগে একটুকু কথা শুনি তাই দিয়ে মনে মনে রচি মম ফালগুনী.............গান শেষে সুমনের ওয়ান মোর চিৎকার নতুন গান শুরু।

আকাশ যখন মেঘলা যেয়ো নাকো একলা

এখনই নামবে অন্ধকার…………………

আকাশে প্রচন্ড মেঘ।সেই সঙ্গে অন্ধকার।ঝড়ো হাওয়া সহ।প্রবল বৃষ্টি পড়তে থাকে।বৃষ্টির থান্ডা আবেশে আর রিমঝিম শব্দে দারুন উপভোগ্য পরিবেশের সৃষ্টি হয়।রাতুল হাত দিয়ে বৃষ্টির ফোটা ধরার চেষ্টা করে।বৃষ্টির পানি দুহাতে নিয়ে মুখে দেয়।টিনাকে ফোন দেয়।টিনা কল কেটে দেয়।বৃষ্টির সঙ্গে তার অনেক স্মৃতি।সব গুলোই টিনাকে নিয়ে।আজ এমন বাদলদিনে টিনার কথা বারবার মনে পড়ে।



স্মৃতি তুমি বেদনা

হোক না সে সুখস্মৃতি

স্মৃতির পাতায় লেখা কত কথা

আসে না ফিরে সে সকল বারতা।

হৃদয় পানে ভেসে ওঠে

থাকে সে যে কল্পনাতে

আসে না ফিরে

যায় সে দূরে

মনের গহীনে নিঠুর যাতনা

স্মৃতি তুমি বেদনা।

--------------------------------------------------->>>>>চলবে

এই অধ্যায় উৎসর্গ করলাম সুপ্রিয় ব্লগার শায়মা আর অপসরাকে ।

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ৯:০২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: চলুক , তবে একখান কথা আছে ,

কবিগুরু মৃত্যুর আগে আঁকা আঁকি শুরু করেন। হুমায়ূন আহমেদও।
সেলিম ভাই এক্ষুনি আঁকা আঁকি বন্ধ করেন , আমরা এত তাড়াতাড়ি চমৎকার একজন ডিজিটাল কবিকে হারাতে চাইনা । :P

১৪ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ৯:২৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: লিটন ভাই যে পৃথিবীতে পে্রম নে ই সে পৃথিবীতে বেচে থাকা অর্থহীন।১ম কমেন্টে অনেক ধন্যবাদ ।নিরন্তর শুভকামনা থাকলো ।

২| ১৪ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ৯:৫৮

মৃত্যুঞ্জয় বলেছেন: এটা কি রাগ,ক্ষোভের সম্মিলিত পোষ্ট?? বাস্তব ঘটনা মনে হচ্ছে

১৪ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:০৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুপ্রিয় ব্লগার বাস্তব বিষয় বস্তুর উপর পোস্ট। সত্য বলছেন।আমি বলি নির্মম সত্য বিষয়ের উপর পোস্ট।

৩| ১৪ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৪৬

শায়মা বলেছেন: হায় হায় ভাইয়া এখানেও আঁকাআঁকি !!!!


তোমার ভুতুড়ে ছবি দেখে কে যে হার্টফেইল করে কে জানে!!!


ছবি দেখেই পালাবো ভাবছিলাম তারপর লেখাটার শেষে এসে হোঁচট খেলাম!!!



যাক আমাকে উৎসর্গ করায় ছবি আঁকায় নাম্বার জিরো থেকে কেটে ০০১ দিলাম।:)

১৪ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৫০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: মাত্র ১ নম্বর আমারই হার্ট ফেল হয়েছিল।এ যাত্রা রক্ষা।আমার ভুতুড়ে ছবি দেখে তুমি হার্টফেল করলেই হবে।আর সবাই তো ভাল বলে। গল্পটি পড়ে অনেকেই বোধ করি ছবিটির প্রশংসা করবে।এটা ফটোশপে করিনি। করেছি সারফারএ ।কমেন্টে ধন্যবাদ।

২৫ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:২৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ব্যর্থ
--রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


যদি প্রেম দিল না প্রাণে
কেন ভোরের আকাশ ভরে দিলে এমন গানে গানে?
কেন তারার মালা গাঁথা,
কেন ফুলের শয়ন পাতা,
কেন দখিন হাওয়া গোপন কথা জানায় কানে কানে?।

যদি প্রেম দিলে না প্রাণে
কেন আকাশ তবে এমন চাওয়া চায় এ মুখের পানে?
তবে ক্ষণে ক্ষণে কেন
আমার হৃদয় পাগল হেন,
তরী সেই সাগরে ভাসায় যাহার কূল সে নাহি জানে?।

৪| ১৪ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৫১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে লেখেছেন। ভালো লাগলো।

দেশের ৫০%+ কাজ বেসরকারি, সংস্থা এবং করপোরেট প্রতিষ্ঠানের হাতে। তারা যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকুরি দেয়। যোগ্যতা মানে ‘যোগ্যতা’ - এটি শুধু লিখিত পরীক্ষার ফলাফলে পাওয়া যায় না। সেরকম যোগ্য ব্যক্তিরা সত্যিই চাকরি পেয়ে যায়। সরকারি চাকরি অনেকেরই প্রিয় গন্তব্য নয়, আজকাল।

দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারগুলোর পিএসসি’র ভরসায় না থেকে পড়াশুনা এবং পছন্দের কাজ নিয়ে ব্যক্তিগত অনুসন্ধন করলে, সেটিই হবে উত্তম। সরকারি চাকরি তো হবেই, বেসরকারি চাকরিও হয়ে যাবে। দেশে সত্যিকার যোগ্য লোকের আকাল আছে এখনও!

আপনার লেখায় এসব বিষয়ে কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন। ভালো হয়েছে :)

১৪ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:০০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: পড়াশনাকেউৎসাহ দেয়া দুই কোটা কততা ক্ষতিকর দুটো দিকই তুলে ধরা হয়েছে।

সুন্দর কমেন্টে ধন্যবাদ ।নিরন্তর শুভকামনা ।

৫| ১৪ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:১৫

এক্সপেরিয়া বলেছেন: সব কথা বাদ.... আগে একটা বান্ধবী চাই.... :D :P

১৫ ই জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ধন্যবাদ। বান্ধবী জুটুকআপনার।

৬| ১৫ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:৫৩

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: হাহাহা , ডিজিটাল কবি এইডা কি আকলো । :P বেঁচে থাকুক সুস্থভাবে আমাদের মাঝে সেলিম ভাই একশত বছর :P

হাল্কা চালে বাস্তবতার সময়োপযোগী ইঙ্গিত । ভাল লাগল ।
তা ভাই খালি বান্ধবী করলে হইব বন্ধু পোস্ট দিবেন কবে ?
B-)

প্লাস ++++++
ভাল থাকবেন
সেলিম ভাই :)

১৫ ই জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ও প্লাসে ধন্যবাদ। নিরন্তর শুভকামনা থাকলো । বন্ধু পোস্ট অপেক্ষা করেন।

৭| ১৫ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ৭:২২

অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: ৩য় ভালোলাগা ভ্রাতা ++++++++

১৫ ই জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৮

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ও প্লােে ধন্যবাদ নিরন্তর শুভকামনা থাকলো ।

৮| ১৫ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ১০:৪৩

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:
বান্ধবী নিয়া একদিন বেড়াইতে আইসেন :)


৯| ১৫ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:১৮

রোমেন রুমি বলেছেন: ভাল লাগা
সেলিম ভাই ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.