নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সেলিম আনোয়ার

[email protected] Facebook-selim anwar বেঁচে থাকা দারুন একটা ব্যাপার ।কিন্তু কয়জন বেঁচে থাকে। আমি বেঁচে থাকার চেষ্টা করি।সময় মূল্যবান ।জীবন তার চেয়েও অনেক বেশী মূল্যবান।আর সম্ভাবনাময়।সুন্দর।ঢাকাবিশ্বদ্যিালয়ের পাঠ চুকিয়ে নিরস চাকুরীজীবন।সামনে আরও নিরস ভবিষ্যৎ। নিরস জীবন সরসভাবে কাটানোর প্রচেষ্টায় আমি সেলিম আনোয়ার।

সেলিম আনোয়ার › বিস্তারিত পোস্টঃ

আর নহে শৈত্য প্রবাহ এবার উষ্ণতা চাই ।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৪

শৈত্য প্রবাহ তাই— কাঁপিতেছি থরো থরো;
ভালো থাকিবার লাগি একটুখানি উষ্ণতা চাই।
চাই গরম পেঁয়াজু গরম পুরি সিঙ্গারা —এক পেয়ালা উষ্ণ চা
আর উষ্ণ জামাটা তাই ;
বন্ধ করো ঐ জানালা কন কনে ঠান্ডা হাওয়া
আসে সেখন দিয়ে —তা বন্ধ হওয়া চাই।
ভুলেও যেন খুলো না দ্বার হন হনিয়ে শীত ঢুকে যদি আবার
—আছি সেই আশঙ্কায় ; বরফ শীতল হিমেল হাওয়া
কোথা থেকে যে আসে!— আমার জনা নাই
ঠকঠকিয়ে হাটু যেন কাঁপে!

ওগো শৈত্য প্রবাহ অনেক তো হলো— থামো নাগো এবার
শীতের প্রকোপে ঘরের বাহিরে নেই যেন জো, বের হবার;
—এবার পরিত্রান চাই ।

যারা করো দান শীতবস্ত্র শ্রদ্ধা তাদের—এমনতরো পরোপকারের,
প্রচণ্ড শীতে বিপন্ন যারা— করিতেছো যেন তাদের জীবন দান
প্রি য় ত মা, তুমিও পারো ও হে সুধীজন তোমরাও পারেন দিতে
উষ্ণ জামা বস্ত্রহীনে, হইবে তাতে পূণ্য জীবন দানের ।
প্রচণ্ড এই শীতে— মানবতার কল্যাণে তোমাদের এই শীত বস্ত্রদান
স্বাগত জানাই তাদের পৌছে দাও যারা শীতবস্ত্র বিপন্নের দ্বারে দ্বারে ।

আর নহে শৈত্য প্রবাহ এবার উষ্ণতা চাই ।

----------------------------------------------------
সাম্প্রতিক সময়ে একটি পত্রিকায় বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে ESA এবং NASA ‘র কোলাবোরেশনে ৮৯
জন পোলার বিজ্ঞানী সমন্বিত একটি আন্তর্জাতিক দল গ্রীন ল্যান্ডে এ কিভাবে কত পরিমান বরফ বিগলন হয়েছে
তার উপর। তাদের হিসেবে গ্রীনল্যান্ডে প্রায় ৩.৮ ট্রিলিয়ন টন বরফ গলেছে ১৯৯২ থেকে ২০১৮ সাল সময়ে যার
ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়েছে ১০.৮ মিলিমিটার। গবেষণা সময়ে বরফ গলনের পরিমান ১৯৯০ সালের তুলনায়
বর্তমানে প্রায় ৭গুণ বেড়েছে সহজ ভাবে বলতে গেলে যেখানে ১৯৯০ সালে প্রতিবছর ৩৩ বিলিয়ন টন গলত বর্তমানে
তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতিবছরে ২৫৪ বিলিয়ন টন ।

The University of Leeds এ Andrew Shepherd এর নেতৃত্বে গঠিত The Ice Sheet Mass Balance Inter-
comparison Exercise ( IMBIE ) আর NASA ‘র জেট প্রপালশন গবেষণাগারে বিজ্ঞানী Erik Ivins ESA’র
ERS-1, ERS-2, Envisat এবং CryoSat মিশন EU Copernicus Sentinel-1 ও Sentinel-2 সহ মোট
এগারোটি স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত উপাত্ত সমূহ তুলনা এবং সমন্বয় করেছেন বরফ স্তূপের আয়তন, প্রবাহ এবং অভিকর্ষ
বলের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করার জন্য ।

বিগত তিন দশকের উপাত্ত ব্যবহার করে গ্রুপটি গ্রীনল্যান্ডে বরফ জমা এবং গলনের একটি নেট পরিমাপ হিসেব
করেছেন যা মাস ব্যালেন্স বা ভর ভারসাম্য নামে পরিচিত ।

ESA এর Marcus Engdahl যিনি প্রকাশনাটির এক জন কো-অথার তিনি বলেন ‘‘স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণে এটা
সুষ্পস্ট যে গ্রীনল্যান্ডের বরফ গুলো পরিবেশ পরিবর্তনের সঙ্গে খুব দ্রুত ক্রিয়াশীল । আর তাই এগুলো গলে যাচ্ছে ।
আর বরফস্তর গলে বৈশ্বিক সমুদ্র পৃষ্ঠের গড় উচ্চতা বৃদ্ধি কোনভাবেই থামানোর উপায় নেই।”

গত স্যাটেলাইটি ভিত্তিক গবেষণায় সাম্প্রতিক দশকে গ্রীণ ল্যান্ড এবং আইস শীট বিগলন এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা
বৃদ্ধিতে এর অবদানের কথা উল্লেখ পাওয়া যায়।

সমুদ্র উপকূল এরিয়া বিশেষ করে যেগুলো খুব ঘনবসতি সম্পন্ন গবেষণাপত্রখানি সেসকল কমিউনিটিকে শুধু পূর্ব-
প্রস্ত্তুতিতে সহায়ক হবে না বরঞ্চ তা গ্রীন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কি পারিমান হ্রাস করা আবশ্যক সে বিষয়ে সচিত্র
সম্যক ধারণা দিবে ।

আইপিসিসি পূরবাভাস করেছে ২১০০ সালে সমুদ্র পৃষ্ঠ গড়ে প্রায় ৬০ সে.মি. বৃদ্ধি পাবে যা বিশ্বের প্রায় ৩৬০
মিলিয়ন উপকূলবর্তী মানুষের জীবন হুমকির মধ্যে ফেলে দেবে। IMBIE এর মতে সমুদ্র পৃষ্ঠেরে উচ্চতা আরও
৭ সে.মি বেশি হবে।

স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণও আঞ্চলিক জলবায়ু মডেল বিবেচনায় এনে গ্রুপটি বিবৃতি দিয়েছে মোট বিগলিত বরফের
অর্ধেক গলেছে ভূপৃষ্ঠে বহমান উষ্ণ জলপ্রবাহের কারণে আর বাকি অর্ধেক সমুদ্র জলরাশির উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে ।

বরফগলন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে ২০১১ সালে এসময়ে ৩৩৫ বিলিয়ন টন বরফ বিগলিত হয়েছে । পরে যা
কমে ২৩৮ মিলিয়ন টনে এসে দাঁড়ায় ২০১৮ সালে তবু তা ৯০ দশকের তুলনায় ৭ গুন বেশি ।

আমাদের বাংলাদেশ ঘনবসতিপূর্ণ রাষ্ট্র । এর উপকূল সংলগ্ন এলাকাগুলোও কম ঘনবসতি পূর্ণ নয় । ফলে সাম্প্রতিক
জলবায়ু পরিবর্তন সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি গ্লোবাল ওয়ার্মিং আমাদের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ । ২১০০ সালে
সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে গেলে আমাদের উপকূলে কী অবস্থা হতে পারে। সেটি আমাদের আবাসন পরিকল্পনায় অবশ্যই
বিবেচনার দাবি রাখে ।

সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা হ্রাস বৃদ্ধির খেলা নতুন কোন ঘটনা নয় । প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই তা হয়ে আসছে । বেশ
কয়েকটি বরফ যুগ উষ্ণ যুগ পেরিয়ে আমাদের আজকের পৃথিবী । আমরা উষ্ণ যুগের কোর পর্যায়ে আছি সেটিও বলা
যাচেছ না। কারণঅতীতের উষ্ণ যুগ গুলির সব গুলির ব্যাপ্তি সমান নয় । যদি জলবায়ু ক্রমাগত উষ্ণ হতে থাকে আর
আরও বরফ গলে যায় বন্যার সময় পানির কি অবস্থা হবে তা আশংকার দাবী রাখে। সমুদ্র উপকূল যদি রাজধানী ঢাকা
বরাবর চলে আসে কোনদিন সে আশংকা উড়িয়ে দেয়া যায় না । আপাতত শৈত্য প্রবাহের ইতি হোক। শীতে যেন কোন
মানব জীবনের বিনাশ না হয় । (বৈদেশিক গবেষণা পত্রিকা অবলম্বনে)

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৯

সোনালী ডানার চিল বলেছেন:
কবিতায় ভালোলাগা;
প্রদেয় তথ্য ভাবনাও এনে দেয়, শংকায় নিমজ্জিত করে, তবুও সুন্দর পৃথিবীর জন্য প্রার্থনা-
শুভকামনা কবি!

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ১ম কমেন্টে অশেষ কৃতজ্ঞতা । আসলে মডু ক্লাইএমট চেঞ্জ নিয়ে বেশ জানতে বেশ আগ্রহী । তাছাড়া ব্লগের হয়তো একজন সচল :) গেজেটেড জিওলজিস্ট ব্লগার হিসেবে কিছু দায়িত্ব তো আছে ।

২| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সেলিম আনোয়ার ভাই,
অনেকদিন পর বিরহের কবিতা ধোয়ে মুছে এক ব্যাপার স্যাপার পোষ্ট দিয়েছেন। আমি মনে করবো আমি আপনাকে এতোদিনে যেই যন্ত্রনা দিয়েছি তা স্বার্থক।

খুশিতে লাইক সহ প্রিয় বাটনে চেপে রিপোর্ট বাটনে চেপে দেবার অবস্থা হয়েছিলো। গ্রীন হাউজ এ্যাফেক্টে বাংলাদেশে তুষারপাত হবে নির্ঘাত।

আসুন গরম গরম জিলাপি খাই। জিলাপির রাজা হচ্ছে বায়তুল মোকাররম। নাকি প্রতিযোগিতা করবেন “কে কতো খেতে পারে - as much as you can?

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: গরম গরম জিলেপি দারুন তো। ব্লগ ডে প্রগ্রামের পর বিজ্ঞান নিয়ে লেখা লেখি ও কবিতার বই বিষয়ে মনোযোগ দিবো আশা করছি ।অশেষ কৃতজ্ঞতা কমেন্টে এবং প্লাসে এবং প্রিয়তে নেয়ায় ।

৩| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: অনেক সুন্দর।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: অনেক সুন্দর কমেন্টে অশেষ কৃতজ্ঞতা।নিরন্তর শুভকামনা ।

৪| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ব্লগার চাঁদগাজী ভাই/ ব্লগার ডঃ এমে এ আলী ভাই,
তীব্র শীতে যে প্রেম বিরহ সহ বাঘ পালায় তার নমুনা আজ সেলিম আনোয়ার ভাই দিয়েছেন। সেলিম আনোয়ার ভাই, ধন্যবাদ বাস্তবতা তুলে ধরেছেন সেই সাথে পৃথিবী ও জীব জগতের সমস্যা।


২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: প্রেম আরও ঘনীভূত হয়েছে শীত বস্তুকে আর ঘন করে প্রেমকেও তেমনই ।

আজকাল কোথায় যে থাকে প্রেম কে জানে?? ;)

৫| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ফেসবুকে প্রেম
ফেসবুকে ব্রেকআপ
ফেসবুকে ব্রেকফেইল

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সেটা আবার কেমন???

৬| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




বাংলাদেশ উপকুল, মালদ্বীপ, শ্রিলংঙ্কা সহ ভারতের মুম্বাই প্রবল হুমকির মুখে।

উত্তর মেরুর জন্য ২০১৯ সাল হতে যাচ্ছে নতুন একটি বিভীষিকার বছর। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, এ বছর সেখানকার বরফের বড় বড় চাঁই গলে যাওয়ার জোরালো আশঙ্কা রয়েছে। উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ার কারণে এমনটি ঘটবে। গ্রিনল্যান্ডে এর মধ্যে রেকর্ড পরিমাণ তাপমাত্রা বেড়েছে। দানব আকৃতির বরফের চাঁই ক্রমে গলে যেতে থাকায় বিশ্বের উপকূলীয় অঞ্চলগুলো তলিয়ে যাওয়ার হুমকি তৈরি হয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দ্বীপের যে অংশটির অনেকটাই হিমবাহমুক্ত, সেই অংশে ২০০৩ সালের পর এক দশকে সবচেয়ে বড় বরফ গলার ঘটনাটি ঘটেছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে ভূপৃষ্ঠের ওপরের বরফ গলছে। আর এই বরফগলা পানি নদীর পানির প্রবাহ বাড়িয়ে দিয়ে মহাসাগরে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে।

বরফখণ্ড গরম হওয়ার মাত্রাও উদ্বেগজনক। বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা অতিরিক্ত মাত্রায় বাড়বে।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আমাদের সমুদ্র উপকূল সেটা কি ভবিষ্যৎ । কতটা ভয়াবহ ভবিষ্যৎ এদেশের জন্য অপেক্ষা করছে । কিংবা তৃতীয় বিশ্বের ভবিষ্যৎটা কী??

৭| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




লেখক বলেছেন: তাছাড়া ব্লগের হয়তো একজন সচল গেজেটেড জিওলজিস্ট ব্লগার হিসেবে কিছু দায়িত্ব তো আছে।
- আপনার বাসার পানিরে ট্যাংকে প্রতিদিন বরফ রেখে আসবো - আপনি বুঝতে পারছেন। বাংলাদেশে ইদানিং ভূমিকম্প বেশী হচ্ছে তা নিয়েও লিখুন নয়তো পানির ট্যাংকে বরফ - মনে থাকবে বস্


২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: যেসব বিষয়ে কাজ করি তা নিয়ে লিখলে দারুন সব পোস্ট হবে কথায় আছে না জানার কোন শেষ নাই জানার চেষ্টা বৃথা তাই :P

৮| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




বাংলাদেশের জন্য বাংলাদেশ দায়ী। এই দেশে শুধুমাত্র কি পরিমান ব্রিক ফিল্ড আছে তা কি সরকার জানেন?

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: এত ব্রিক ফিল্ড কখন হলো কেন হলা খতিয়ে দেখা দরকার ।

৯| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: অনেক সুন্দর কমেন্টে অশেষ কৃতজ্ঞতা।নিরন্তর শুভকামনা ।

ধন্যবাদ মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ২য় মন্তব্যে ।

১০| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ বাড়ি করছেন, বাড়ি করার হিড়িক পরে গেছে। আর ঢাকা সহ সমগ্র বাংলাদেশে বিভাগীয় শহরে ডাবলুপার কোম্পানী বিল্ডিং করছে ফ্লাট বিক্রি করছে। সেখানে সবচেয়ে বেশী যা লাগছে তার নাম ইট, রড, সিমেন্ট - সব পরিবেশ দূষণ প্রতিষ্ঠান। সবাই মফস্বল ছেড়ে শহরে, শহর ছেড়ে ঢাকামুখি হচ্ছেন। বর্তমানে ঢাকায় মানুষ আছে পাঁচ কোটি - বিশ্বাস হয়?

ঢাকা ফ্লাট বিল্ডিংয়ের ওজনে তলিয়ে যাবার কথা - এটি নিয়ে তো আপনি লেখার কথা? আপনি কোথায়?

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: অপরিকল্পিত নগরায়ন ও অবকাঠামো নির্মান মোদ্দাকথা টেকসই উন্নয়ন হয়নি কোথাও অর্থলোভে পড়ে অথবা মেধাহীনতায় ।

দেশপ্রেম উন্নয়নের প্রধান শর্ত । এখনতো ফ্লাট ক্রয় করে আমেরিকা কানাডা ই্উরোপে । রাঘব বোয়ালেরা মহাসুখে ।

১১| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে মানুষের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি। আধুনিক জীবনযাত্রা অনুসারে চলতে গিয়ে মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা রাখছে। বিজ্ঞানের সূত্র মেনে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে পানির আয়তনও বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া মেরু অঞ্চল ও পর্বতচূড়ায় অবস্থিত বরফ গলে যাওয়ার ফলে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের ভবিষ্যদ্বাণী অনুসারে, তাপমাত্রা বৃদ্ধির বর্তমান হার অব্যাহত থাকলে ২১০০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১১ থেকে ৩৮ ইঞ্চি পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।

গ্রিনল্যান্ড ও পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকায় বড়সড় কোনো ভাঙন দেখা দিলে এটা আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে।
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সারা বিশ্বের নিম্নাঞ্চলের দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। জলবায়ু পরিবর্তন-বিষয়ক আন্তসরকার সংস্থা ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল ফর ক্লাইমেট চেঞ্জের (আইপিসিসি) একটা গবেষণা বলছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার (৩৯.৩৭ ইঞ্চি) বাড়লে বাংলাদেশের ১৭-২০ শতাংশ স্থলভূমি পানিতে তলিয়ে যাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের জাতীয় কৌশলনীতি অনুসারে এর ফলে আড়াই কোটি মানুষ জলবায়ু-উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে। অবশ্য স্বতন্ত্র গবেষণা বলছে, এ সংখ্যা ৩ থেকে সাড়ে ৩ কোটি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

নাসার সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে, আগামী ১০০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের বন্দরনগরী চট্টগ্রাম সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশের বিপুল জনসংখ্যার ঘনত্ব ও সীমিত সম্পদের কারণে পরিবেশ-উদ্বাস্তুদের অন্য জায়গায় স্থানান্তর করা কষ্টসাধ্য হবে। বাংলাদেশ তিন দিক দিয়ে ভারত কর্তৃক কাঁটাতারে ঘেরা। বিপুলসংখ্যক উদ্বাস্তু যদি এই কাঁটাতার অতিক্রম করতে চেষ্টা করে, তখন কী পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে, সেটা গভীর বিশ্লেষণের দাবি রাখে। কিন্তু এটা নিঃসংকোচে বলা যায়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার ফলাফল আর বাংলাদেশের নিরাপত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না বরং এটা আন্তরাষ্ট্রীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি হয়ে উঠবে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে কিছু দ্বীপরাষ্ট্র। মালদ্বীপ, পাপুয়া নিউগিনি এবং প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রগুলো পুরোপুরি পানিতে তলিয়ে যাবে। এসব দেশ পুরোপুরি নিমজ্জিত হওয়ার আগেই বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে পড়বে। এ ছাড়া পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা বেশ ঝুঁকিতে রয়েছে। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, বিশ্বের বৃহৎ ১০টি মেগাসিটির মধ্যে ৮টিই সমুদ্র–তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। পৃথিবীর দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ সমুদ্রোপকূল থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাস করে। তাই সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ, যাদের সম্পদ সীমিত, তাদের পক্ষে এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কষ্টকর হবে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন দেশের বর্তমান সামুদ্রিক সীমানা পরিবর্তিত হবে। দ্বীপরাষ্ট্রগুলো পুরোপুরি তলিয়ে গেলে সংলগ্ন সমুদ্রসীমার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাবে। সীমানার সামান্য পরিবর্তনের ফলেই ইউনাইটেড নেশনস কনভেনশন অন দ্য ল অব দ্য সি (ইউএনসিএলওএস) কর্তৃক নির্ধারিত সামুদ্রিক সীমা পরিবর্তিত হবে। এর ফলে পরিবর্তিত নতুন সমুদ্রসীমা নিয়ে বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিরোধ দেখা দিতে পারে। সাগরের মধ্যে যে বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে, সেটা নিয়ে এবং গভীর সমুদ্রে প্রবেশাধিকার নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দেবে। আন্তরাষ্ট্রীয় সম্পর্কে তিক্ততা এমনকি সংঘাত দেখা দেবে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে মানুষের জীবিকার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। লবণাক্ত পানির সংক্রমণের কারণে বিভিন্ন ধরনের শস্য উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং ফসলের গুণগত মান পরিবর্তিত হবে। গবেষণা বলছে, সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, গভীরতার পরিবর্তন এবং পানির রাসায়নিক গুণগত মানের পরিবর্তনের ফলে মাছের অসংখ্য প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। অনেক সামুদ্রিক প্রাণী নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। কারণ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি তাদের শ্বসন, বাস্তুসংস্থান ও শারীরিক বৃদ্ধির স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করবে।

খাদ্যনিরাপত্তা চরমভাবে ব্যাহত হবে। প্রধানত যেহেতু প্রচুর কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যাবে আর বিপুল জায়গা যদি তলিয়ে না–ও যায়, লবণাক্ত পানি প্রবেশের ফলে উৎপাদনক্ষমতা কমে যাবে। লবণ সংক্রমণের কারণে সেচকাজ কষ্টসাধ্য হবে এবং তার ফলে ফসল উৎপাদন প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কমে যাবে। ভিয়েতনামের মেকং নদী ও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলের রেড রিভারের সংলগ্ন অঞ্চল তলিয়ে যাওয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ চাল উৎপাদন ব্যাহত হবে।

বাংলাদেশ ফুড সিকিউরিটি ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম ২০১০-এর এক গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের চাল উৎপাদন প্রতিবছর ৩ দশমিক ৯ শতাংশ হারে কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তীব্র লবণাক্ততার ফলে পানির নিরাপত্তাও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। পানির বিভিন্ন উৎস লবণাক্ত পানি দ্বারা আক্রান্ত হবে। মিঠা পানিতেও লবণাক্ত পানির সংক্রমণ ঘটবে। সুপেয় পানির অভাবে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা বাড়বে; যেখান থেকে আর্সেনিক সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে, যেটা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। ইতিমধ্যে বাংলাদেশে সুপেয় পানির নদীতে এবং কৃষিজমিতে লবণাক্ততা দেখা দিয়েছে, যার ফলে যে বিরূপ প্রভাব দেখা দিয়েছে, তাকে ‘লবণাক্ত আগ্রাসন’ বলা যেতে পারে।

জ্বালানি অবকাঠামো সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, পারমাণবিক রি-অ্যাক্টরকে ঠান্ডা রাখার জন্য এতে নিরবচ্ছিন্ন পানির সরবরাহ প্রয়োজন। এ জন্য পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সাধারণত সমুদ্রোপকূলে নির্মাণ করা হয়। পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, যার ফলে রি-অ্যাক্টরের কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ক্ষেত্রে ফুকুশিমা বিদ্যুৎকেন্দ্রের অভিজ্ঞতা স্মরণ করা যেতে পারে, যেটা ২০১১ সালের সুনামিতে পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ফলে তেজস্ক্রিয় রশ্মি ও পদার্থ সেখানকার পানিতে ও বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছিল, যা স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্যে বিরূপ প্রভাব ফেলেছিল।
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সারা বিশ্বের অর্থনীতির ওপর প্রতিকূল প্রভাব পড়বে। উপকূলীয় অবকাঠামো—সমুদ্রবন্দর, রাস্তাঘাট ও রেলসংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বন্দরসমূহের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যাহত হবে। এর ফলে সমুদ্রোপকূলবর্তী শহর ও রাষ্ট্রসমূহের মানুষকে সেবা দেওয়ার সক্ষমতা হ্রাস পাবে, যা রাষ্ট্রসমূহকে ভঙ্গুর করে তুলবে।

এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র, যেমন নিউইয়র্ক, সাংহাই, মুম্বাই ইত্যাদি সমুদ্রোপকূলে অবস্থিত। এই অর্থনৈতিক চালিকাশক্তিগুলো যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কিংবা সাময়িকভাবেও যদি এদের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হয়, তাহলে বৈশ্বিক অর্থনীতি বড় ধরনের সংকটে পড়ে যাবে। উপকূলে অবস্থিত পর্যটনশিল্পের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হবে। বাংলাদেশে যে পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটছে, তা হয়তো অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যাবে।

জীববৈচিত্র্যের ওপর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির প্রভাব হবে ধ্বংসাত্মক। লবণাক্ত পানির সংক্রমণের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের মাটির গুণগত মানের পরিবর্তন হবে, যা ওই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য, বিশেষত গাছপালার ওপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশের সুন্দরবনের ওপর বর্তমানে যে প্রতিকূল প্রভাব আমরা দেখছি, তা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। অনেক সামুদ্রিক জীব অস্তিত্ব সংকটের সম্মুখীন হবে। কারণ, পানির উচ্চতার পরিবর্তনের ফলে এরা আলো ও অক্সিজেনের স্বল্পতায় ভুগবে। এককথায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতায় পরিবর্তনের ফলে সমগ্র পৃথিবীর জীববৈচিত্র্য নষ্ট হয়ে যাবে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে যেসব সমস্যার সৃষ্টি হবে, তা ‘ঝুঁকি গুণিতক’ (থ্রেট মাল্টিপ্লায়ার)-এর কাজ করবে। ফলে যেসব সমস্যা ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশে বিদ্যমান আছে, সেগুলো আরও প্রকট হয়ে দেখা দেবে, যা চূড়ান্তভাবে তাদের সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবে। যেসব দেশের শাসনব্যবস্থা দুর্বল, এসব সমস্যা তাদের আরও ভঙ্গুর করে তুলবে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়া পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব নয়। বরং বৃদ্ধির হার কতটা কমিয়ে রাখা যায়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। পাশাপাশি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে যেসব নিরাপত্তাঝুঁকির সৃষ্টি হবে, সেগুলো মোকাবিলা করার জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের যে যৌথ ব্যবস্থাপনা থাকা দরকার, সেদিকে আমাদের বিশেষ নজর দিতে হবে। শুধু পরিকল্পনা নয়, বাস্তবায়নের দিকেও জোর দিতে হবে। তাহলেই ভবিষ্যৎকে নিরাপদ রাখা সম্ভব হবে।

তথ্য সূত্র: - গুগল

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: জলবায়ু পরিবর্তন সমুদ্র পৃষে্ঠর উচ্চতা বৃদ্ধি নতুন এক ধরণের বাসতুসংস্থানকে ট্রিগার করাটাই স্বাভাবিক। জীববৈচিত্রে যোগ হবে নতুন মাত্রা নিষ্টুর পৃথিবীর তাতে কি অবস্থা হতে পারে ভাবতে পারিনা । পৃথিবীতে বিদ্যমান রাষ্ট্রযন্ত্রগুলো কেমন দানবিক ও মানব হত্যাকারক হয়ে গেছে । সবার উপরে মানুষ সত্য কজনে বিশ্বাস করে ।

অশেস কৃতজ্ঞতা এমন মন্তব্যে ।

১২| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮

একাল-সেকাল বলেছেন:
উষ্ণতা কি অবিশ্বাসীরাও চায় ?
তারা কার কাছে চাইবে ??
রাষ্ট্রপতির কাছে ? -উনি তো গ্রামীণ ফোনের আইনি নোটিশ! নিয়ে ব্যাস্ত
মোদীর কাছে ? -উনি CAB/NRC! নিয়ে ব্যাস্ত
ইমরান খানের কাছে ? -উনি তো সেনাবাহিনীর সাথে আদালতের দ্বন্দ্ব! নিয়ে ব্যাস্ত
ট্রাম্পের কাছে ? উনি তো ইম্পিচমেনট ! নিয়ে ব্যাস্ত
দুঃখিত, সেন্ট্রাল আবহাওয়া অফিস তো সৃষ্টিকর্তার অধীনে, তাদের আবেদনপত্র জমা দেব্যার জায়গা নাই। :D

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে অশেষ কৃতজ্ঞতা ।নিরন্তর শুভকামনা ।

১৩| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২১

সাইন বোর্ড বলেছেন: শীত মনে হচ্ছে আরো কিছুদিন ভোগাবে ।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: জানুয়ারি মাস পুরোটাই শীত থাকার কথা । আজ রোদ ওঠেছে একেবারে আলোক ঝলোমলো সকাল ।

১৪| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: ১১ নং মন্তব্য ভালো লাগলো।

১৫| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৪৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
চমৎকার তথ্য সমৃদ্ধ লেখার জন্য
আনোয়ার ভাইকে অজস্র ধন্যবাদ।
শীত কাব্য উপভোগ্য হয়েছে
দারুন ভাবে।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:১৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে অশেষ কৃতজ্ঞতা ।নিরন্তর শুভকামনা ।

১৬| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
শীত পড়লে বলি খোদা গরম দাও, গরম পড়লে বলি শীত থাকলে ভাল হতো।

এ হচ্ছে আমাদের অবস্থা।

১৭| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২২

শিখা রহমান বলেছেন: সেলিম শীত যদি কবির এমন আকুতিতে তার করাল থাবা গুটিয়ে নিতো তবে বেশ হতো।
কবিতা ভালো লেগেছে। সাধু ভাষা আমার আয়ত্তে আসে না মোটেও, অথচ আপনি দারুণ লিখতে পারেন।

কবিতার সাথে দেয়া তথ্যগুলো সত্য এবং ভীতিজনক।

শুভকামনা প্রিয় কবি।
ভালো থাকুন কবিতায় ও ভালোবাসার উষ্ণতায়।

১৮| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ২য় মন্তব্যে ।


আসলে আমি একটা কবিতা দুই তিনবার পড়ি।
বুঝতে চেষ্টা করি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.