নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সেলিম আনোয়ার

[email protected] Facebook-selim anwar বেঁচে থাকা দারুন একটা ব্যাপার ।কিন্তু কয়জন বেঁচে থাকে। আমি বেঁচে থাকার চেষ্টা করি।সময় মূল্যবান ।জীবন তার চেয়েও অনেক বেশী মূল্যবান।আর সম্ভাবনাময়।সুন্দর।ঢাকাবিশ্বদ্যিালয়ের পাঠ চুকিয়ে নিরস চাকুরীজীবন।সামনে আরও নিরস ভবিষ্যৎ। নিরস জীবন সরসভাবে কাটানোর প্রচেষ্টায় আমি সেলিম আনোয়ার।

সেলিম আনোয়ার › বিস্তারিত পোস্টঃ

করোনা ভাইরাস বনাম মানুষ বিশ্বমানবতা ও একটি কবিতা ‘‘সফলতা”

২৩ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:২৫



শুরুতে চীন করোনার ফোকাল পয়েন্ট হলেও বর্তমানে তা ইউরোপ । করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যায় ইতালী এখন এক নম্বর ।গণচীন করোনা জয়ের পথে । করোনা ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ১৩ হাজার, আক্রান্ত ৩ লাখ । আশংকার বিষয় হলো করোনা ভাইরাসের বিস্ময়কর সংক্রমন ক্ষমতা । অনেক দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে । তবে আশার বিষয় করোনায় আক্রান্ত হওয়া মানে মৃত্যু নয় । অনেকে জয় করেছে করোনা। তারা দিব্যি সুস্থ হয়ে বেঁচে বর্তে আছে। আমাদের বাংলাদেশ হুমকীর মুখে কিন্তু আমরা সতর্ক হতে পারি এখনই এবং তা মোকাবেলা করতে পারি। দরকার একতা । সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা । এখন দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ করোনার ভয়াল থাবা থেকে আত্নরক্ষা। এ বিষয়ে সফল বিশ্বনেতাদের গৃহীত পদক্ষেপ থেকে শিক্ষা নিতে পারি আমরা। কোরআন আর হাদীস আমাদের যথোপযুক্ত নির্দেশনা দিতে পারে। দেশের স্বার্থে আমাদের নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে এর কোন বিকল্প নেই ।

১৫ দিন বাসায় থাকুন আর না হয় ৫ বছর জেলে: পুতিন

সাড়ে ১৪ কোটি জনসংখ্যার দেশ রাশিয়ায় ২৫৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আর মারা গেছে মাত্র একজন। অন্যদিকে পৃথিবীর অন্যতম ধনী দেশ লুক্সেমবার্গের ৬ লাখ ২৮ জনসংখ্যার বসবাস। কিন্তু দেশটিতে ৬৭০ জন করোনায় আক্রান্ত ও মারা গেছে আটজন।
করোনাভাইরাস নিয়ে রাশিয়া অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করছে। চীনের সাথে দুই হাজার ৬০০ মাইলের মতো দীর্ঘ সীমান্ত জানুয়ারির ৩০ তারিখে বন্ধ করে দেয় ও কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করে। এর ফলে রাশিয়াতে করোনা দ্রুত ছড়াতে পারেনি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাশিয়ার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. মেলিটা ভোজনিক বলেন, রাশিয়া শুরু থেকেই রোগী চিহ্নিতকরণ, তাদের সাথে যোগাযোগ রাখা, আইসোলেশনসহ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছে। এছাড়া সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে শুরু থেকেই গুরুত্ব দিয়েছে। স্টুডেন্ট জার্নাল ।

নিজ এলাকায় অবস্থান করা

আয়েশা রা. বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একবার মহামারী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি উত্তর করেন—মহামারী ছিল একটা আযাব, আল্লাহ যার ওপর ইচ্ছা পাঠাতেন। তারপর আল্লাহ তাআলা মহামারীকে মুমিনদের জন্য রহমত বানিয়ে দিয়েছেন। কোনো বান্দা যদি মহামারী আক্রান্ত এলাকায় থাকে এবং সেখানে অবস্থান করে, তাহলে সেই অঞ্চল থেকে সে বেরুবে না। ধৈর্য ধারণ করবে এবং সওয়াবের প্রত্যাশায় থাকবে; এবং এই বিশ্বাস রাখবে—আল্লাহ তাআলা যদি তার তাকদিরে লিখে না থাকেন, তাহলে মহামারী তাকে আক্রান্ত করতে পারবে না। আর যদি আক্রান্ত হয়েই যায়, তাহলে তার জন্য রয়েছে একজন শহিদের সমপরিমাণ আজর ও প্রতিদান• (সহিহ বুখারি, হাদিস নং-৬৬১৯, ৫৭৩৪) ।

ছয় দিনেই শতভাগ নিরাময় সম্ভব করোনা ভাইরাস!

শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও তিন দেশের ভিন্ন তিনটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে এমন তথ্য। চীন, অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের গবেষকদের ভিন্ন তিনটি গবেষণায় দেখা গেছে, ক্লোরোকুইন এবং অ্যাজিথ্রোমাইসিন একসঙ্গে প্রয়োগ করলেই ছয়দিনে মুক্তি মেলে করোনা থেকে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও শনিবার এক টুইট বার্তায় এমন তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, হাইড্রো ক্লোরোকুইন এবং এজিথ্রোমাইসিন জাতীয় ওষুধ এক সঙ্গে সেবন করলে আক্রান্ত রোগীরা সেরে উঠবেন। এ বিষয়ে প্রতিবেদন করতে গিয়ে দ্যা গেটওয়ে পুন্ডিত কথা বলেছিল সেনাবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট সার্জন মার্ক গ্রিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ক্লোরোকুইন ও অ্যাজিথ্রোমাইসিন এক সঙ্গে ব্যবহার করলে করোনা আক্রান্ত রোগী শতভাগ সেরে ওঠেন। তিনি বলেন, ম্যালেরিয়ার জন্য আগে ‍ব্যবহৃত ক্লোরোকুইন যার নতুন ভার্সন হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় খুবই সফল। অস্ট্রেলিয়া, চীন, ফ্রান্সের আলাদা তিনটি গবেষণায় এর সাফল্য দেখা গেছে। এর সঙ্গে এজিথ্রোমাইসিনও ব্যবহার করা হয়েছে। এই ওষুধ ব্যবহারে কিছুক্ষেত্রে ‍তিনদিনেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন আক্রান্ত ব্যক্তি। তবে ছয়দিনেই শতভাগ ভাইরাস মুক্ত হয়েছেন আক্রান্ত ব্যক্তি। সূত্রঃ সময় নিউজ.টিভি (সংগৃহীত) ।

আমরা সাধারণ মানুষ ক্ষমতা সীমিত । ওষুধের দোকানে সিভিট কিনতে গিয়ে পণ্ডশ্রম হলো। অনেকগুলো দোকান ঘুরে সিভিট পাওয়া গেল না। বিক্রেতাদের দাবি ক্রেতারা অনেক বেশি কিনে স্টক শেষ করে ফেলেছে। ক্রেতাদের দাবি বেশি দামে বিক্রি করার লোভে সিভিট বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। অবশ্য তাদের দাবি লেবু কিনেন। লেবু হলো ন্যাচারাল আর সিভিট আর্টিফিসিয়াল ভিটিামিন সি। আসলেই তো ওগুলোতে কতটুকু সি আছে পুরো দেশটাই যেখানে ভেজাল। ভিটামিন সি দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । ভিটামিন সি আছে লেবু, কমলা, টক ফলমূলে। ভালো লেবুর হালি ষাট থেকে আশি টাকা। লেবুর দাম কমানো দরকার। এবং উৎপাদন বাড়ানো দরকার। গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়াতে দারুন উপকার। রোযা রাখা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এতে স্রষ্টার ইবাদতও হবে । রোগ সংক্রমনের কোন আশংকাও নাই। নামাযে সেজদায় গিয়ে স্রষ্টার কাছে ক্ষমা চাওয়া দরকার । মসজিদে গেলে খুব সতর্কতার সঙ্গে দেহের জীবানু নাশ করে নামায পড়ে আবার নিজেকে জীবাণু মুক্ত করে তবেই ঘরে ফেরা দরকার। অনর্থক ঘুরোঘুরি করা ইসলাম সমর্থন করে না। মুসলমান মানে আত্নসমর্পনকারী মনে রাখতে হবে । হোম কোয়ারেন্টাইন বিষয়টি ইসলামে বহু আগে থেকেই আছে।বাহির মুলুক থেকে এসে সরাসরি পরিবার এবং অন্যের সংস্পর্শে আসার বিষয়টা কিছুটা বিরতি দিয়ে করার নিয়ম। তবে এ কথা বলা যায় মুসলিম বিশ্ব করোনা ভাইরাসে অতটা হুমকীর সম্মুখীন নয় যতটা অন্যরা। তাদের সুন্দর খাদ্যাভ্যাস এবং আল্লাহ প্রদত্ত জীবন যাপনের কারণে হয়তো । শিয়া অধ্যুষিত ইরান আক্রান্ত ভয়াবহ ভাবে সু্ন্নীরা নন এখন পর্যন্ত এ কথা বলা যাচ্ছে। উলামা আখেরাতদের তাচ্ছিল্য করার সুযোগ নেই। তারা কোরআন জানেন যদিও সীমাবদ্ধতা প্রত্যেক মানুষের আছে। পবিত্র কোরআন যে যতটা জানে এবং মানে তারা স্রষ্টার কাছে তত বেশি সম্মানিত। তবে তাদের আধুনিক জ্ঞান সম্বন্ধে ধারণা অপ্রতুল। আর তথাকথিত আধুনিকগণ কোরআন জানেন না বলতে গেলে প্রায় জিরো । সেই কবি গুরুর সাতার জানা না জানা বিষয়ক কবিতার মতো। যে কোরআন জানে না সে আসলে সাতার না জানা মানুষ জলের উপর— যার জ্ঞান ষোল আনা মিছে । যদি শতভাগ নির্ভেজাল কিছু জানতে চান শিখতে চান তবে কোরআন শিখুন । কোরআনে একমাত্র নির্ভেজাল ইতিহাস বাকি সব বিকৃত। অন্যন্য আসমানী কিতাবের তুলনায় কোরআনের বিশেষত্ব বা মুজেজা হলো এটি অবিকৃত থাকার মুজেযা। স্বয়ং আল্লাহর জিম্মায় এর অবিকৃতির হেফাজত। অন্য সব আসমানী কিতাব সংযোজন বিয়োজন হয়ে বাতিল হয়ে গেছে। সেগুলো ততটুকুই সঠিক যতটুকু আল-কোরআনের সাথে মিলে যায়। চীন আল কোরআনের এডিশন করতে গিয়ে করোনায় খোদার অভিসম্পাতে মসজিদে প্রার্থনা করতে বাধ্য হয়েছে । আল কোরআন অবিকৃত আছে । আলকোরআন আল্লাহর নাজিল কৃত সর্বশেষ আসমানী কিতাব । আর কম্লিট কোড অফ লাইফ। একটা কবিতা হয়ে যাক । কবিতার নাম সফলতা ।

সফলতা

মৃত্যু! মৃত্যু!! মৃত্যু!!!
মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে—
ক্ষণিকের অবণীতে— আমরা সবাই,
তাতে কি মৃত্যুকে ভয় পেতে নাই।
বিচক্ষণ মানুষ বেঁচে থাকে সুন্দর
— এক মৃত্যুর প্রত্যাশায়।
ক্ষণিকের পৃথিবীতে বলো কে আছে অমর ?
মানুষ কদিনই বা বাঁচে?
মানুষের জীবনের দৈর্ঘ্য ঠিক কত—টুকু?
তার প্রকৃত পরিমাপের গজ ফিতা কি আছে
তোমার কাছে? তোমাদের কাছে ?
তোমাদের শুধাই—
আশি বছরের জীবনে মানুষের মতো মানবিকতা লয়ে
কতো বছর বাঁচা তার হিসাব কি রেখেছো?— পাপিষ্ঠ অবিবেচক
জেনে রেখো মৃত্যুর পর এক জীবন আছে শেষ নাই যার
সোয়া লক্ষ নিষ্পাপ নবী-রাসুল বলে গেছেন সে কথা
আরও বলে গেছেন— এই জীবনের কর্মগুণে
সেই জীবনের সুখ —মিছে নয় কভু মিছে নয় সে কথা
আরও তারা বলে গেছেন কিভাবে পেতে পারো সফলতা।
তারা বলতেন মানুষের দ্বারে দ্বারে শত বঞ্চনা শয়ে
ক্বুলু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ তুফলিহুন
(বলো আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নাই
তুমি ক্বামিয়াব হয়ে যাবে) কহিতেছি সে কথা,
জান্নাতে আছে হুর আর রাশি রাশি ফুল
আছে সেথা শরাবুন তহুরা— সুপেয় জল;
এক চুমুকে ক্লান্তিরা হয়ে যাবে দূর,
সেথা আছে অফুরন্ত নাজ নেয়ামত
ইয়াকুত পাথর আর স্বর্ণের—সুরম্য ইমারত;
সেখানে মৃত্যু হবে না আর।
সফলতা তারেই বলে যে করেছে জান্নাত অর্জন
—এখানে ব্যর্থতার নেই কোন লেশ।
অবিশ্বাসী বান্দারা জ্বলবে আগুনে— সেই অশেষ জীবনে
পুড়ে পুড়ে হবে শুধু শেষ ।

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:০২

কূকরা বলেছেন: চিন ভাল ডলা খাইছে। এক করোনা ঠেকাইতে গিয়া এখন ইউরোপিয়ান যুদ্ধবাজের দল তৃতীয় বিশ্বযু্দ্ধ আরম্ভ করছে। কোলকাতার ঘটিরা "কলিজা ছোট হওয়ার কারণে" এডভানটেজ পাইছে, সবার আগে ডরের চোটে নিজেরাই নিজেগো কোয়ারান্টাইন কইরা ফেলছে। আর আমরা বোংগালরা (বোকা + বাংগাল = বোংগাল) এখনও হাটে মাঠে ফাত্রামি কইরা ঘুরতেছি। সরকারের দুই চাইরটা (সবাই না) ধাড়ি জোকাররে করোনা ধরলে ভাল হইত। হালাদের পাছায় তেল বেশি জইমা গেছে।

অহন আবার আমারে জিগাইয়েন না ধাড়ি জোকার কাহারা।

২৩ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:২২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: যথার্থ কমেন্ট । অশেষ কৃতজ্ঞতা । মহান স্রষ্টা আমাদের উপর সদয় হোন ।

২| ২৩ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষ জানে না তার গন্তব্য কোথায়! কেউ জানে না

২৩ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:২২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আল্লাহ তায়ালা সব জানে । কমেন্টে অশেষ কৃতজ্ঞতা ।

৩| ২৩ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৫৩

রাজীব নুর বলেছেন: ভেবেছিলাম স্বেচ্ছা গৃহবন্দী থেকে কিছু একটা লিখব। কিন্তু দেশবিদেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতি দেখে লিখতে ইচ্ছে করে না। বলা যায়, ভাবনাও করোনা আক্রান্ত।

২৩ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:২৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: যথার্থ বলেছেন ভাবনাও করোনা আক্রান্ত ।

৪| ২৩ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৫৮

নীল আকাশ বলেছেন: কবিতা ভালো লেগেছে।

২৩ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:২৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে অশেষ কৃতজ্ঞতা নিরন্তর শুভকামনা ।

৫| ২৩ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



হাইড্রো-ক্লোরোকুইন আজ থেকে আমেরিকায় টেষ্ট করা হচ্ছে; ট্রাম্প এই নিয়ে সংবাদ সন্মেলনে ২ দিন বলেছে।

হযরত আয়েশাও (আ: ) হাইড্রো-ক্লোরোকুইন সম্পর্কে বলেছিলেন, যথাসম্ভব

২৩ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:২৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: তিনি বলেন চাইনিজ ভাইরাস। চীনের বিরুদ্ধে আমরা মামলা ঠুকে দিই না কেন ? অথচ তারা বড় কালপ্রিট প্রাকিৃতিক পরিবেশ বির্যয়ের মূল হোতা ।

ওসব আয়শা রাঃ বলবেন কেন।

চাদগাজী বোখারি শরীফের হাদিস ওটা । সিহাহ সিত্তার অন্যতম।

৬| ২৩ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার মতো লোকেরা প্রশাসনে কাজ করে দেশের মানুষের ক্ষতি করছেন। আপনার বেতন কি মোল্লা শফি দেয়?

২৩ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:২৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ্স্রষ্টা দেশের মঙ্গল করুন ।

৭| ২৩ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৫৬

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সৃজনশীল ও মননশীল লেখা।   

২৩ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:৩১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে এবং পাঠে অশেষ কৃতজ্ঞতা । নিরন্তর শুভকামনা ।

৮| ২৩ শে মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: উন্নত বিশ্বের কথা বাদ দেন। এরা আজ হোক, কাল হোক এসব ধকল সামলে উঠবে। আমাদের দেশে একবার মহামারী হলে কি হবে? বলেছেন, অনেকেই সুস্থ হয়ে যাচ্ছে। ঠিক আছে। আপনি নিশ্চয়ই এটাও জানেন, করোনা দুর্বল ফুসফুসের উপরে হামলা করে মারাত্মকভাবে। দুষিত বাতাস নিতে নিতে দেশের কয়টা ফুসফুস সুস্থ আছে?

বিভিন্ন পয়েন্ট নিয়ে যতোই চিন্তা করি, মাথা আউলায়া যায়। এপিসেন্টার চীন থেকে সরে ইউরোপে যেহেতু গিয়েছে......আবার সরতে কতোক্ষণ?

২৪ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:০৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: লক ডাউনের এখনই উপযুক্ত সময়। যারা শ্রমিক রিকশা চালক তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা উচিৎ সরকারের পক্ষ থেকে। এবং ঢাকা মেগা সিটি লক ডাউন করা উচিৎ ।গোটা দেশ আমরা দরিদ্র বিধায় লক ডাউন করা সম্ভব হবে কি না জানিনা । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এখন বুেঝতে পারবেন তেলবাজরা ক্ষতিকর তার জন্য দেশের জন্য । ওবায়দুল কাদেররা কেন বুঝেন না । সুপরামর্শ দাতা কি একজনও নাই । সাহসের অভাবে সত্য কথাটি তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করেন না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গুড উইল আছে
পদলোভী সুবিধাবাদিরা অতিরিক্ত তৈল মর্দন করতে গিয়ে দেশের ও দশের সমূহ ক্ষতি করছেন। দুঃখ লাগে প্রাণে ।

৯| ২৩ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:০৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: করুনার করালগ্রাস এখন চীন থেকে ইউরোপ হয়ে উপমহাদেশে আছড়ে পড়েছে। পশ্চিম ভারত ইতিমধ্যে ভয়ঙ্কর প্রভাবিত। পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত সদর্থক পদক্ষেপ নিয়ে এখনো পর্যন্ত অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছেন। তবে রাজ্যবাসী এক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছে। বরং বিদেশফেরত অগণিত মানুষ সম্পূর্ণ দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়ে বিভিন্নভাবে গা ঢাকা দিয়ে আছেন। গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকজন ধরা পড়ায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইসোলেশন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা করি খুব শিগগিরই সদর্থক পদক্ষেপ নিয়ে দেশবাসীর যাবতীয় আশঙ্কা থেকে মুক্তি দেবেন। তবে শুধু সরকার নয় প্রয়োজন জনতারো সদর্থক ভূমিকা। এই মিলিত যুদ্ধ জনতা ও সরকার উভয়েরই।

কবিতায় বিষন্ন ভালোলাগা।

২৪ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:১৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: যারা আত্নগোপন করে আছেন তারা দেশের শত্রু সমাজের শত্রু মানবতার শত্রু। ও দের সুদীর্ঘ মেয়াদা জেল জরিমানা করা উচিৎ। বিশিষ্ট কসাই নরেন্দ্র মোদী হয়তো তাদের নাগরিকত্ব বাতিল নিয়ে ভাবছেন না অথচ এরা ওৎ পেতে থাকা ক্যান্সার দেশের জন্য সমাজের জন্য । উত্তর কোরিয়া তাদের ক্রস ফায়ারে দিয়েছে শুনলাম। আমার মনে হয় তারা পশি্চমা জীবনযাপনে অভ্যস্ত বিধায় আশংকায় আত্নগোপন করে চারপাশের পরিবেশ নষ্ট করছে ।নিজেও মরছে েআরও দশজনকে মারার কাজটি করছেন সিরিয়াল কিলারের মত । অথচ অনেকে করোনা থেকে রিকভার করেছেন । এক্ষেত্রে মৃত্যুর চেয়ে বাচার বা সুস্থ হবার রেট অনেক বেশি । তারা যেন আত্নঘাতি সমাজঘাতি সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে একঘরে জীবন যাপন করে পনের দিনের জন্য ।

১০| ২৪ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: ঝড় শেষে “উহান” তাদের সাফল্য উদযাপন করছে।
শহরের উঁচু ভবনগুলোতে ডাক্তার-নার্সদের ছবি প্রদর্শন করে সম্মান জানাচ্ছে।কি অদ্ভূত মায়াময় এই পৃথিবী।এত যার মায়া,মায়ার পৃথিবীর অসুখ সেরে উঠুক..

২৪ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:২৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: অবশ্য আমার মনে হয় চীনারা মানুষ হয়ে গেছেন মসজিদে প্রার্থনায় গিয়ে মুসলমানদের খাদ্যাভ্যাস ফলো করে আত্নশুদ্ধ হয়েছেন ।ফলে স্রষ্টা তাদের ক্ষমা করেছেন। পৃথিবীটা অনেক মায়াময় জায়গা । আর করোনা কিন্তু আমাদের ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করেছে । সারা পৃথিবীর সবা্ই মানুষের মুক্তি কামনা করছে ।

সুন্দর কমেন্ট অশেষ কৃতজ্ঞতা নিরন্তর শুভকামনা আপনার জন্য । অবশ্য কলাভবনের মনমাসিকতা নিয়ে করোনা মোকাবিলা করা যাবে না । বিজ্ঞান চেতনা ও মনন লাগবে । পরম করুনাময়ের করুনা লাগবে তবেই যদি হয় ।

মুসলমানে দুটি অস্ত্র লড়াইয়ে দোয়া এবং দাওয়া । দোয়া অনেক বেশি করা চাই আর দাওয়া মানে প্রচেষ্টা যতটুকু সামর্থ্য আছে করলেই সফলতা মিলবে করোনার আক্রমন থেকে ।

১১| ২৪ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:৫৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
করোনা হলে এর কোন চিকিৎসায় কাজ হয় না
১৪ দিনে হয় সে আরগ্য লাভ করে নতুবা মারা যায়।

২৪ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:২৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদানের জন্য ধন্যবাদ। মানুষ পড়ে উপকৃত হবে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.