নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সেলিম আনোয়ার

[email protected] Facebook-selim anwar বেঁচে থাকা দারুন একটা ব্যাপার ।কিন্তু কয়জন বেঁচে থাকে। আমি বেঁচে থাকার চেষ্টা করি।সময় মূল্যবান ।জীবন তার চেয়েও অনেক বেশী মূল্যবান।আর সম্ভাবনাময়।সুন্দর।ঢাকাবিশ্বদ্যিালয়ের পাঠ চুকিয়ে নিরস চাকুরীজীবন।সামনে আরও নিরস ভবিষ্যৎ। নিরস জীবন সরসভাবে কাটানোর প্রচেষ্টায় আমি সেলিম আনোয়ার।

সেলিম আনোয়ার › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঈদ মোবারক মিলন মন্ত্রগানে !!!!

২৩ শে জুলাই, ২০২১ রাত ২:০৫



ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়েই তবে
আমরা সবাই যাবো যে ছুটে ঈদ গাহে।
ব্যবধান রাখবো না আর মানুষে মানুষে
আমরা সবাই ফিরবো বাড়ি নামায শেষে,
অন্য পথে । আমরা সবাই দেবো কুরবানী
মনের বনের পশু টাকে আল্লাহর রাহে ।
আমরা সবাই কুরবানীর গোশত বিলাই
আত্নীয় স্বজন গরীব দুঃখী অনাথের মাঝে।
আমরা সবাই করবো দোয়া
করোনা মুক্ত সুস্থ এক শান্তি প্রিয় পৃথিবীর লাগি
আমরা সবাই চলি পথে স্বাস্থ্য বিধি সকল মেনে
আমরা সবাই রইবো খুশি
করবো খুশি সকলজনে প্রাণেমনে ।
আর মহান প্রভু স্রষ্টা যিনি
তার সন্তুষ্টি লাভের জন্য
আমরা রইবো চিরো নিবেদিত
সকল সময় সজ্ঞানে কৃপা লাভে।
ঈদ মোবারক প্রিয়তমা সন্তানেরা সকল জনে
ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক মিলন মন্ত্রগানে।

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে জুলাই, ২০২১ রাত ৩:১২

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: বাস্তবে এমনটা করি না আমরা। +

২৩ শে জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন:

২| ২৩ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১০:০০

শেরজা তপন বলেছেন: ঈদ মোবারী- ঈদ মোবারক মিলন মন্ত্রগানে...

শুভেচ্ছা রইল, ভাল থাকুন

২৩ শে জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন:

৩| ২৩ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: কোরবানী ব্যাপারটা মানুষ তার ইচ্ছা মতো সাজিয়ে নিয়েছে। ধর্মের কোনো বালাই নেই। যার যেভাবে মন চাচ্ছে করে নিচ্ছে।

২৩ শে জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন:

ধর্মীর রীতি নীতি ধর্ম মেনে হওয়াটা শ্রেয় ।

৪| ২৩ শে জুলাই, ২০২১ রাত ৯:২৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আহা! কবি কল্পনা যদি বাস্তবেও মিলতো...
ঈদ মোবারক।

২৩ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১০:২৮

সেলিম আনোয়ার বলেছেন:

৫| ২৩ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১০:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


মহামারীতেও ত্যাগের দরকার ছিলো,নাকি অবস্হার পরিপ্রেক্ষিতে, কমপক্ষে সন্চয় করার দরকার ছিলো?

২৩ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১০:২৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: অনেক পরিবারকে গোশত বিতরণ করা গেছে। এই সংকটরে সময়ে্ । দেড়মন গোশত গ্রাম্যসমাজে দেয়া হয়েছে। আরও চল্লিশ প্যাকেট বিভিন্ন আত্নীয় স্বজনকে দেয়া গেছে্ । আবার একেবারে দরিদ্র যারা ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করে তাদের দেয়া হয়েছে। যে কৃষক গৃহস্থ গরু পালন করে বিক্রি করেছে তার হাতে লাখ খানেক টাকা দেয়া গেছে যেটা না পেলে তার মাথায় হাত সেখান থেকে রক্ষা পেয়েছে। এগুলো কি কম মনে করেন। উপরন্তু গ্রামের লোকদের সচেতন করা গেছে। এট লিস্ট বলা গেছে। এ বিষয়ে আপনার অবস্থান কি? এতগুলো মানুষ তাদের নিয়েও ভাবতে হবে চাদগাজী। তারপরও অনেক গরু পালন কারি গরু বিক্রি করতে না পেরে কাদতে কাদতে বাড়ি গেছে তাদের কতজনেরতো কিছু সঞ্চয় হয়েছে। টাকার প্রবাহ কিঞ্চিৎ বেগবান হয়েছে। এগুলো কম নয় কিন্তু। আরেকটা বিষয় মুসলমান হিসেবে স্রষ্টার কাছে প্রার্থনাও করা গেছে। এগুলো কিন্তু কম নয় । বাবা মায়ের কাজে কিঞ্চিৎ সহযোগিতা করা গেছে। এক ফাকে দুটো জায়গা বৃক্ষ রোপনের উপযুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহন করা গেছে্ । তবু গ্রামের লোকজনের প্রম্ন জমি থাকা সত্ত্বেও ছাদবাগানে কেন গাছ এর কি কোন জবাব আছে ?

আপনার কমেন্ট মুক্তি পওয়াতে সুস্বাগতম ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.