নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পেশায় ভূতত্ত্ববিদ ।ভালো লাগে কবিতা পড়তে। একসময় ক্রিকেট খেলতে খুব ভালবাসতাম। এখন সময় পেলে কবিতা লিখি। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হল ভালো লাগে খুব। ভালোলাগে রবীন্দ্র সংগীত আর কবিতা । সবচেয়ে ভালো লাগে স্বদেশ আর স্বাধীন ভাবে ভাবতে। মাছ ধরতে

সেলিম আনোয়ার

[email protected] Facebook-selim anwarবেঁচে থাকা দারুন একটা ব্যাপার ।কিন্তু কয়জন বেঁচে থাকে। আমি বেঁচে থাকার চেষ্টা করি।সময় মূল্যবান ।জীবন তার চেয়েও অনেক বেশী মূল্যবান।আর সম্ভাবনাময়।সুন্দর।ঢাকাবিশ্বদ্যিালয়ের পাঠ চুকিয়ে নিরস চাকুরীজীবন। সুন্দরতর জীবনের প্রচেষ্টায় নিবেদিত আমি সেলিম আনোয়ার।

সেলিম আনোয়ার › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিনম্র শ্রদ্ধা মা

১৫ ই মে, ২০২৩ সকাল ৯:৫৫

( মডেল আমি মুয়াজ আর মুয়াজের মা)

মায়ের মমতা, আদর স্নেহ অবাক নৈতিকতা
সতত মুগ্ধ করে আমায়।
মা যে আমার দেখা প্রথম বিপ্লব
অকূতভয় শত প্রতিকূলতায় ।
হার না মানা মায়ের তাই হয়না তুলনা।
জীবন যুদ্ধে চলার পথে মা -ই
আমার প্রেরণা, আমি মায়ের কাছে যাই,
বাবার কবর জিয়fরতে কিছুটা সময় কাটাই,
মায়ের পায়ের নীচে আমি বেহেশত খুঁজে পাই।
মায়ের মতন দয়ালু দাতা আর যে কেহ নাই
ধর্মভীরু মা আমার স্বস্তির ঠিকানা।
আমি মায়ের কাছে যাই মা যে আমার শেষ স্বান্তনা।
মা যে আমার মহান সাধক সন্তানের মঙ্গলকামনায়
মা যে আমার মাথার তাজ
শেষ আশ্রয় স্তন্য দাতা গর্ভধারিনী
মায়ের মাঝে স্রষ্টার ছায়া অনেক দয়া স্নেহের রাগিনী।
জীবন সংগ্রামে সতত করছি যেন লড়াই সবখানে
মায়ের চেয়ে বড় লড়াকু আর দেখিনা যে কোন খানে।
তাই মা-ই আমার চলার পথে জীবন যুদ্ধে প্রথম আদর্শ
মায়ের মাঝেই আমি যেন অসীম শক্তির উৎস খুঁজে পাই।
মা আমার অমূল্য রতন কেউ না জানুক আমি ঠিকই জানি।
মায়ের জন্যই স্তুতি বন্দনা তাই সারা দিবারাতি।
বিনম্র শ্রদ্ধা মা তোমার জন্য অনেক প্রার্থনা
তুমি যেন থাকো সুখে সদা এই শুভ কামনা।


--------
বি. দ্র. মা আমার ছবি তুলেন না। তাই মডেল হিসেবে সালমান মুয়াজের মা। মুয়াজ হয়েছে করোনার সময়ে। করোনা বিজয়ী শিশু। মুয়াজ হওয়ার একদিন পরেই মুয়াজের মা কে নিয়ে যাওয়া হয় রংপুরে তার শরীরে অস্ত্রপাচার করতে হবে। টানা মাস তিনেক ট্রিটমেন্ট বলতে গেলে প্রতিদিন ড্রেসিং । ব্রেস্ট ফিডিং করতে পারতো না। তাই জীবনের শুরুর কয়টা দিন মুয়াজের নিদারুন স্ট্রাগলিং। জীবন যুদ্ধে মুয়াজের মাও। মুয়াজকে আমি বলি লড়াকু। ও যে জীবন যুদ্ধে অবতীর্ণ জীবনের শুরু থেকেই। মুয়াজের মায়ের কষ্ট সহ্য করার শক্তি বেচে থাকার প্রেরণা দিতো সেই ছোট্ট মুয়াজ । আমি তখন করোনাকালের কবি। আমি জানি আমার মায়ের কথা। আমাদের বড় করেছেন লালন পালন করেছেন। বাবা মারা যাবার পর আবারও একাই তিনি নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে যাচ্ছেন পুরুষ শাসিত এই সমাজে।তিনি আবার পর্দানশীন নারি। তিনি মেয়েদের তালিম দিয়ে কাঠমোল্লা গ্রুপের চক্ষুশূল। আমি মায়ের সাথে আছি। কবিতাটি গতদিন আন্তর্জাতিক মা দিবসে লেখা। তাই মা দিবসে আমার মা সহ সকল মায়ের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের বেহেশত কে না জানে ।



মন্তব্য ২০ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মে, ২০২৩ সকাল ১০:৪০

শেরজা তপন বলেছেন: প্ররথিবীর সব মায়েদের প্রতি বিনিম্র শ্রদ্ধা ও অফুরান ভালবাসা।
মুয়াজের এখন দারুণ বয়স! আধো আধো বলে কথা বলছে সে- আপনার সাথে ওর হয়তো চমৎকার সময় কাটে।

১৬ ই মে, ২০২৩ সকাল ১০:৫৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: হ্যা মুয়াজের অনেক ফ্যান। সালমানের স্কুলে মুয়াজ সেই রকম হিট। ও এখন উচ জায়গা পেলেই সেখান থেকে লাফ দেয়। আর বলে ওয়ান টু থ্রি ধাপ। আমরা থাকি টেনশনে ।

২| ১৫ ই মে, ২০২৩ সকাল ১০:৪৯

ইসিয়াক বলেছেন: শুভকামনা কবি।

১৬ ই মে, ২০২৩ সকাল ১০:৫৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে এবং পাঠে অনেক ধন্যবাদ ।

৩| ১৫ ই মে, ২০২৩ সকাল ১১:৩৯

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: মায়ের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই কবি দা

১৬ ই মে, ২০২৩ সকাল ১১:০২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ। কমেন্টে এবং পাঠে ।

৪| ১৫ ই মে, ২০২৩ দুপুর ১:০৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কবি ও কবিতার জন্য শুভ কামনা।

১৬ ই মে, ২০২৩ সকাল ১১:০৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে এবং পাঠে অনেক ধন্যবাদ। নিরন্তর শুভকামনা ।

৫| ১৫ ই মে, ২০২৩ দুপুর ১:২০

রাজীব নুর বলেছেন: করোনার সময় আমার কন্যার জন্ম হয়। ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। আপনার অবস্থা আরো করুণ।
কবিতা খুব সুন্দর হয়েছে।

১৬ ই মে, ২০২৩ সকাল ১১:০৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে এবং পাঠে অনেক ধন্যবাদ। নিরন্তর শুভকামনা ।

৬| ১৫ ই মে, ২০২৩ দুপুর ২:৩৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: মায়ের মতন আপন কেহ নাই

১৬ ই মে, ২০২৩ সকাল ১১:৩২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে এবং পাঠে অনেক ধন্যবাদ। নিরন্তর শুভকামনা ।

৭| ১৫ ই মে, ২০২৩ বিকাল ৪:৩৪

মিরোরডডল বলেছেন:




ইফ ইউ ডোন্ট মাইন্ড, তাহলে সেলিমকে একটা প্রশ্ন ছিলো।
পোষ্টের ছবিটা যে এখানে পাবলিকলি দেওয়া হয়েছে সেলিমের ওয়াইফ কি সেটা জানে?

সাধারণত একটা মেয়ে জাস্ট আফটার বার্থ এ অবস্থার ছবি পরিবারের বাইরে কোন মানুষের সাথে শেয়ার করতে পছন্দ করে না বা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেনা। যেহেতু এটা অনেক বেশি ব্যক্তিগত।

১৬ ই মে, ২০২৩ সকাল ১১:৪০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: এটা মাইলস্টোন ছবি। এখানে সারারাত জেগে থেকে একটা বাবার শুকনো চেহারা তবুও মুখে হাসি আর মায়ের সন্তান প্রসবের পর সন্তানের সাথে তোলা ছবি । ্আমার কাছে অসাধারণ মুহুর্ত। এই ছবি আমার ব্লগে রাখার পক্ষে আমি । ঠিক জোহরের আযান হলো সদ্যভূমিষ্ট মুয়াজের কান্নার শব্দে ভালোলাগার এক অসাধারণ মুহুর্ত আমাকে ঘিরে ধরলো ।

৮| ১৫ ই মে, ২০২৩ বিকাল ৪:৪৭

আমি সাজিদ বলেছেন: সেলিম ভাই, এই ছবিটা সরালেই বোধহয় আপনার প্রাইভেসির জন্য ভালো হবে।

১৬ ই মে, ২০২৩ সকাল ১১:৪০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে এবং পাঠে ধন্যবাদ। নিরন্তর শুভকামনা ।

৯| ১৬ ই মে, ২০২৩ ভোর ৫:৪৮

হাসান জামাল গোলাপ বলেছেন: পরিবারের সকলের জন্য শুভকামনা।

১৬ ই মে, ২০২৩ সকাল ১১:৫৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে এবং পাঠে ধন্যবাদ। নিরন্তর শুভকামনা ।

১০| ১৭ ই মে, ২০২৩ সকাল ৭:২৯

সোহানী বলেছেন: দু'জন লড়াকু মায়ের গল্প পড়লাম।

আপনার মা'কে আমার পক্ষ থেকে সালাম জানাবেন। আর ভাবীকে অনেক অনেক শুভকামনা। আর মুয়াজকে অনেক আদর।

প্রতিটা মেয়েই লড়াকু। প্রয়োজনে ঠিকই তাদের আসল রুপে ফিরে আসে।

ছবিটাতে অনেকের আপত্তি থাকলেও আমি শ্রদ্ধার সাথে দেখছি।

১৮ ই মে, ২০২৩ দুপুর ২:৪৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আমার মা একজন বুজুর্গ মানুষ। রমজানে রাত জেগে ইবাদত করেন। মেয়েদের কুরআন শিক্ষা দেন। তালিম পরিচালনা করেন। বিশ্ব তবলীগের জিম্মাদর হযরত মাওলানা সাদ । তার চরিত্র হনন ও কর্তৃত্ব হননে তৎপর বাংলাদেশের সো কোল্ড কওমি আলেমগণ। তবলীগ হলো নিজে পয়সা খরচ করে নিজের আর অপরের এসলাহ হবে ঈমান আর দাওয়াতের মেহনতের মাধ্যমে। মাওলানা সাদ মাহফিল করে অর্জিত টাকা কে পায়খানার সঙ্গে তুলনা করেছেন । ব্যাস মাওলানা সাদ খারাপ হয়ে গেলেন। উল্লেখ্য টাকার সোর্স যদি হারাম পয়সা হয় সেই হারাম খেয়ে ইবাদত কবুল হবে না চল্লিশ দিন পর্যন্ত। ফতুয়া চলে আসল তবলীগ করলে বউ তালাক হয়ে যায় তবলীগ যারা করে তার কাফের। আর গ্রুপ এর নাম হলো ওয়ালাপন্থি আর সাদ পন্থি। অথচ মাওলানা সাদ একজন অনেক বড় আলেম। তার বংশে প্রতিটি মেয়ে হাফেজ আর শ খানেক আলেম আছে। সারাদিন মানুষের হেদয়াতের জন্য ফিকির করেন। আর বাংলাদেশী মাওলানা তাদের টার্গেট ক্ষমতার সিংহাসন। তাদের দরকার আফগানিস্তান। তাদের আমির নাই। যার আমির নাই শয়তান তার আমির। এভাবেই তাদের সো কল্ড হেকমত হলো মিথ্যা কথা বলা। ভিন্ন মত হলে তাকে ধ্বংস করা। যত ভাল লোকই হোক ধার্মিক হোক কুরআনের উপর আমল করা হোক তাদের সমাজে সংকটজনক অবস্থায় ফেলা। এখনই এই অবস্থা। তাদের নেই মানবতা। তারা যে পাতে খায় সেটাই ফুটো করে। তবলীগ সবার জন্য উন্মুক্ত।
সারা পৃথিবীব্যাপি কালেমা আর নামাযের মেহনত। তাই মায়ের লড়াইটা ভীষণ শক্ত। মা আপোষহীন উগ্র মৌলবাদের বিরুদ্ধে। শাপলা চত্বরের হিংস্রতা আমাদের কাম্য নয় ।


মা হওয়া অনেক কষ্টের। সন্তান প্রসব করা অনেক কষ্টের। সন্তান প্রসবের সময় অনেক সুন্দর মেয়ে বিধ্বস্ত মলিন চেহারা হয়ে যান। কিন্তু মনে রাখতে হবে হাজবেন্ডের চোখে আর মনে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা এই সময়ে স্ত্রীর প্রতি হয়ে থাকে। এটা আমার ব্যক্তিগত উপলব্ধি । এই দৃশ্যের নাই তুলনা। এটা বোধ হয় মেয়েরা বুঝে না । মুয়াজের মা অনেক সুন্দর। কিন্তু তার এই ছবি আমার কাছে বেশি ভালোবাসার এবং চোখের তৃপ্তির কারণ।

প্রত্যেকটা মায়ের জন্য শ্রদ্ধা । আমার মা আমাকে কত কষ্টে জন্ম দিয়েছেন কত কষ্ট করে লালন পালন করেছেন সালমান মোয়াজ জন্ম নেয়ায় আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি । পৃথিবীর প্রত্যেকটা মা ভাল থাকুক ।

আপনার কমেন্টে এবং পাঠে অনেক ধন্যবাদ। নিরন্তর শুভকামনা ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.