| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গল্পটা আমার না, আমার বন্ধুর...
খুব ঠান্ডা মাথার লজিক্যাল সুবোধ ছেলেটা বিরাট বিরাট ক্যালকুলেশন করে প্রেমে পড়লো এক ভুল মেয়ের। ফলাফল, দুই বছর পার হতে না হতেই বাস্তবতার হাতে গালের উপর বিরাশি শিক্কার এক চড়। ঘটনার শুরু এখান থেকেই...
"মন বেশি খারাপ?" সিগারেট ধরাতে ধরাতে জিজ্ঞেস করে বন্ধুদের একজন.. সুবোধ ছেলেটা উত্তর দেয়না... বটতলায় আসলে আগের মতো লাগে না আর... সব কেমন যেন বদলে গেছে.. কিন্তু এই জায়গারটার প্রতিটা ইঞ্চিতে কত কত স্মৃতি..
ভার্সিটি জীবনে ক্লাসে যতো না সময় কেটেছে, তার চেয়ে হাজার গুন বেশি কেটেছে এই বটতলায়... মেসে থাকার সুবাদে এই শেষ তিন বছরে ওর গৃহী জীবনের অভিজ্ঞতাও প্রায় শূণ্যের কোঠায়.. তাই শেষ পর্যন্ত বটতলাতেই সকাল বিকাল সন্ধ্যা রাত দুনিয়া উদ্ধার শেষ, শুধু ঘুমটাই মেসের শক্ত বিছানায়...
প্রথম দিন ক্যাম্পাস ঘুরতে এসে এই একটা জায়গাই নাকি পছন্দ হয়েছিল ওর... অবশ্য আমারো তাই.. পড়ুয়া গুড বয় আর গার্লরা ক্লাসের শেষে লাইব্রেরী আর রিডিং রুমে যেত, আর বাকি সব পাস ফেলের টানা হেচড়ায় ছেঁড়া ফাটা আড্ডাবাজ গুলো একসাথে হত বটতলার চায়ের দোকান গুলোয়.. এই দোকান গুলোর কোন একটার চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতেই আমাদের কয়েকজনের পরিচয়... তখনো জানতাম না, কতোটা বিশাল পথ আমরা একসাথে পার করবো...
আমাদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান হলো খুব ফর্মাল ভাবে.. বিরাট বিরাট লোকজনের ভারী ভারী কথা গুলো কোনরকমে বটতলা পর্যন্ত বয়ে এনে ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেলে দিলাম.. ভাবছি চা খেয়ে ঘুমটা কাটাবো, এমন সময় জলদগম্ভীর এক গলার আওয়াজ, 'এইযে, স্ট্রাইপ শার্ট!' ফিরে তাকিয়ে দেখি সুবোধ ছেলেটার দিকে চোখ এক টকটকে ফর্সা বড় ভাইয়ের... চকচকে এক বাইকের উপর জাঁকিয়ে বসে ছিলেন আর বিশাল এক জটলা তাকে ঘিরে, আড্ডার মধ্যমণি যে তিনিই তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে.. বোঝা যাচ্ছে ডাক দেয়ার কারণটাও... সুবোধটাকে যেতে মানা করবো ভাবতে ভাবতেই উনি হাতের ফাইলটা আরেক জনের হাতে দিয়ে বল্লেন, 'যাই, একটু র্যাগ খাইয়া আসি!!'... গিয়ে কি বল্ল কে জানে, এরপর দেখি কয়েকজন এসে আমাদের সবাইকে একসাথে ধরে নিয়ে জটলার মাঝে ভরে নিল... দাঁত কিড়মিড় করতে করতে ভাবলাম, শখ হয়েছে যখন একাই খা, আমাদের টানাটানির দরকার কি!!.. ব্যাটা সুবোধের এক দিন কি আমার একদিন!!.. যাই হোক, এরপর ম্যালা কাহিনী... এক সুন্দরী বড় আপু দয়া পরবশ হয়ে উদ্ধার না করলে কাহিনী আরো বড় হতো... সেটাও অবশ্য সুবোধের ই কল্যাণে, উনার ভাবুক চাউনী আর নাদান চেহারা দেখে সব সময়ই বড় আপুদের মনে মাতৃত্ব অথবা বড় বোন ভাব জাগ্রত হতো.. এর প্রমাণ আমরা পরেও পেয়েছি..
সেদিন র্যাগ দেয়ার পরই ভাইয়ারা আমাদের চা, কোক আর ক্ষেত্রবিশেষে সিগারেট খাইয়ে, তাদের আদরের ছোট ভাই হিসেবে সার্টিফিকেট দিয়ে দিলেন... যার মাশুল তারা আজো দিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু কোন ভাবেই তাদের আদরের কমতি হচ্ছে না.. পরিবার পরিজন ছেড়ে মন ভার করা আমরা এক এক ক্যাম্পাস ভর্তি বড় ভাই আর বোন পেয়ে ঘর ছাড়ার দু:খ অনেকটাই ভুলে গেলাম.. দিনে দিনে ক্যাম্পাসটা হয়ে গেলো আমাদের বাসা আর বটতলা হয়ে গেলো আমাদের বিশাল বাসাটার লিভিং রুম..
'অই, কি জিগাইলাম তরে!!.. কথা কস না ক্যান?!'.. বন্ধু এবার কনুই দিয়ে পাঁজরে খোঁচা দেয়... সুবোধ ছেলেটা নিচু গলায় বলে, 'জালাইস না তো, ভালো লাগে না...'
বেলা অনেক গড়িয়েছে, পেট খালি এখনো, কিন্তু খিদেটা আজো নেই... বন্ধুটাকে কিছু না বলেই উঠে পড়লো ছেলেটা.. পুরোন ডিডিসি বিল্ডিং এর সামনে দিয়ে এগোনোর সময় দেখলো জুনিয়রদের একটা গ্রুপ আড্ডা জমিয়েছে ছড়ানো সিঁড়িটাতে... কতোদিন হয়ে গেছে, এই সিঁড়িতে মেসের বন্ধুদের সাথে গভীর রাতের গানের আসরে বসে না ও... সুর, তাল, লয় আর গানের গলা একেকজনের একেক দিকে কামানের গোলার মত ছুটতো... কিন্তু তাতে কারোর ই কোন সমস্যা থাকতো না... রাত বাড়তো, গানের গলা হেড়ে থেকে ফাটা বাশের মত হতে থাকতো, সিড়ির গোড়ায় খালি চায়ের কাপের স্তুপ আর তার ভেতর সিগারেটের গোড়ার সংখ্যা বাড়তে থাকতো... সেই রাতকে ভোর করে দিয়ে, বটতলার আল আমিনের দোকানের প্রথম ব্যাচের পরোটা আর আগুন গরম ডাল ভাজিতে নাস্তা সেরে এরপর সারাদিন ক্লাসে বসে ঝিমানো... এমন দিন আর রাত কাটানো কি শেষ হয়ে গেলো?...
বটতলার পার হয়ে একটু সামনে যেতেই লায়নটা দৌড়ে এসে সুবোধ ছেলেটার হাটু জড়িয়ে ধরল... পিচ্চিটা এমনিতেই সাইজে ছোট আর সুবোধটা আবার ঢ্যাংঢ্যাংগা লম্বা, তো হাটুই ভরসা লায়নের জন্য.. সিংগারা, সমুচা আর পুরির দোকানের দুইটা পিচ্চি কর্মচারী.. বেশি পিচ্চিটা লায়ন, কম পিচ্চিটা টাইগার.. আমাদেরই দেয়া আদরের নাম.. সামনে পড়লে পিচ্চি দুটোর হাতে ৫/১০ টাকা দেয়া সুবোধের অভ্যাস.. আজকেও মলিন একটু হেসে পকেট থেকে খুচরো টাকা বের করতেই পিচ্চি বলে, 'মামা, তোমার কি মন খারাপ না শরীর খারাপ?''.. সুবোধ ওকেও জবাব দেয়না, আবার একটু হেসে ৫ টাকার নোটটা বাড়িয়ে ধরে.. 'থাক, আজকে লাগবো না মামা, মন ভালো হইলে দিও', বলেই পিচ্চি দৌড় দিলো দোকানের দিকে...
সূর্যের আলোটা কি একটু বেড়ে গেলো নাকি?...কোন ফটো এডিটিং এ্যাপ দিয়ে কেউ যেন ব্রাইটনেসটা বাড়িয়ে দিলো সুবোধ ছেলেটার চোখের সামনের সব কিছুর.. আগের চেয়ে একটু উজ্জ্বল লাগলো আশে পাশের সব..
ওর মন খারাপের ব্যাপারটা সবাই ধরে ফেলছে কিভাবে?.. যেই স্যার তার মেজাজের জন্য আগে থেকেই বিখ্যাত, সেই স্যার একদিন ডেকে বলে দিয়েছেন... 'তোমাকে তো এইভাবে মানাচ্ছে না'.. যদিও এই কথার আগে পরে স্বভাবসুলভ ঝাড়ি ছিলই.. আবার আরেকজন রাশভারী ম্যাডাম, যার কাছে ব্যাক্তিগত তো দূরের কথা লেকচার বিষয়ক কোন সমস্যার কথাও বলতে যাওয়ার সাহস হয়নি কখনো, সেই তিনিও একদিন রুমে ডেকে নিয়ে বল্লেন, 'যা হচ্ছে ভালোই হচ্ছে, বুঝেছ?... দুই রাকাত নফল নামায পড়ে ফেল'..
প্রতিদিনই এমন দুই একটা ছোট খাটো ঘটনা, অল্প একটু কথা, ওকে দিনটা পার করার শক্তি যোগায়... ভাবতে ভাবতে মনটা বেশ হালকা লাগল.. বটতলায় ফিরে যাবে চিন্তা করলো, এতোক্ষণ 'কি হইসে, কি হইসে' জিজ্ঞেস করা বন্ধুটাকে নিয়ে একসাথে নাশতা করবে.. বেচারা কতবার জিজ্ঞেস করলো অথচ একবার উত্তরও দেয়নি ও, ভেবে খারাপই লাগছে এখন..
পরোটা ভাজির দোকানটা পার হওয়ার সময় গরম পরোটার গন্ধটা নাকে যেতেই পেট মোচড় দিয়ে উঠলো.. নাহ, আজকে আল আমিনের স্পেশাল লটপটি দিয়ে গোটা দশেক পরোটা না মারলে চলবে না..
জামাল মামার চায়ের দোকানের বেঞ্চটাতেই বন্ধু সিগারেট ফুকে যাচ্ছে, সাথে আরো জনা পাচেক আমাদের সকল ক্রাইমের অবধারিত পার্টনার... কাছাকাছি হতেই সিগারেটওয়ালাটা ঠোটে মিচকা শয়তান মার্কা হাসি দিয়ে ওকে দেখিয়ে সবাইকে বলে উঠলো, 'ওই জানোস, এই শালা ছ্যাক খাইয়া মুণী ঋষী হইয়া গেসে!!.. মৌন ব্রত অবলম্বন করতাসে আর বটতলায় বেঞ্চে বইসা ঝিমাইতাসে ...!!' খ্যাক খ্যাক শব্দে পিত্তি জালানো হাসির রোল উঠলো একটা... একজন বিরাট আগ্রহ ভরে জিজ্ঞেস করলো, ' মামা, তুই এখন কোন স্টেজ এ আসোস?... কাচা না সিদ্ধ??'... বিজ্ঞ আরেকজন উত্তর দিল, ' আধা সিদ্ধ, তাই কথা কওয়া বন্ধ করসে, সিদ্ধ হইয়া গেলে প্যান্ট খুইলা মাথায় বাইন্ধা রাস্তায় ট্রাফিক কন্ট্রোল করা শুরু করব'... আবার খ্যাক খ্যাক হাসি...
'আল্লাহ যেন তোদের মতো বন্ধু আমার শত্রুরেও না দেয়...' খুব হালকা লাগতে থাকে মনটা.. অনেক ভারী একটা কিছু বুকের ওপর থেকে উবে গেলো যেন... 'তোরা মানুষ ই না, সব শালা রাজনীতিবীদ!!' 'পিপ পিপ পিপ'... জবাবে আরো, 'পিপ পিপ পিপ!!'...
বটতলাটাকে সুবোধের আবার আগের মতো লাগতে থাকে... কি শান্তি... কি শান্তি...
বি. দ্র. : উপরের সকল ঘটনা, চরিত্র ও পটভূমি সত্য... শুধু প্রথম লাইনটা মিথ্যা...
মেটামরফোসিসঃ শুরুর কথা
মেটামরফসিসঃ যখন ভদ্রলোক ছিলাম
মেটামরফসিসঃ তখনও ভদ্রলোক ছিলাম
মেটামরফোসিসঃ যখন আমার স্কুলে পা ও মাথায় হাত
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:১৮
অবসরপ্রাপ্ত বাউন্ডুলে বলেছেন: হুম, তাই তো
২|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫৬
আরণ্যক রাখাল বলেছেন: চরম লেখা| হেব্বি
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫৭
অবসরপ্রাপ্ত বাউন্ডুলে বলেছেন: ধন্যবাদ রাখাল
৩|
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৩:০৮
ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: হুম, পড়লাম
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৭:১৯
অবসরপ্রাপ্ত বাউন্ডুলে বলেছেন: ধন্যবাদ...
৪|
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:২৩
blackant বলেছেন: সত্য প্রকাশ করুন অথবা ডেকে রাখুন এভাবে "পেট পাতলার " মতো বললেন যে -
1st line:"গল্পটা আমার না, আমার বন্ধুর..."
বি. দ্র. : উপরের সকল ঘটনা, চরিত্র ও পটভূমি সত্য... শুধু প্রথম লাইনটা মিথ্যা..
GOLPO LEKHAR STYLE VALO LEGECHE.
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৫৪
অবসরপ্রাপ্ত বাউন্ডুলে বলেছেন: হাহাহা... ধন্যবাদ ভাই... ভাবসিলাম 'ডেকে' রাখব... পরে বটতলার চাপে বলে ফেলতে হলো...
৫|
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:৪৩
সুমন কর বলেছেন: বর্ণনা ভালো হয়েছে।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৫৫
অবসরপ্রাপ্ত বাউন্ডুলে বলেছেন: ধন্যবাদ ... ![]()
৬|
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:৫৪
রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: অাহারে! বেচারা সুবোধের জন্য কষ্টই লাগলো ।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৫৬
অবসরপ্রাপ্ত বাউন্ডুলে বলেছেন: ধন্যবাদ ... আমারো!!
৭|
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:০৮
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: 'পিপ পিপ পিপ'.. ফাটাই ফেলছো ভাইডি! ঝাক্কাস!
বটতলা, আমতলা, জমতলা লীচুতলা.. ঝীবেনর শ্রেষ্ট সময়গুলো কিভাবে খেযে ফেলে ![]()
শুধূ স্মৃতির ছৌবরা দিয়ে বিদায় দেয়
++++
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৫৮
অবসরপ্রাপ্ত বাউন্ডুলে বলেছেন: একদম হাচা কথা কইসেন ভাই... ধন্যবাদ ...
৮|
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:০৪
রেজওয়ানা আলী তনিমা বলেছেন: লেখার ধরন খুব ভালো লাগলো। শেষে ধরা পড়ে গেলেন দেখে আরো ভালো । ![]()
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪০
অবসরপ্রাপ্ত বাউন্ডুলে বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ... ধরা খেতেই হলো, হাহাহাহা...
৯|
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১৭
সুলতানা রহমান বলেছেন: প্রথম লাইনটা বেশ মজার। মাঝখানে দু বার হেসে ফেলছি।
শুভকামনা।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৩
অবসরপ্রাপ্ত বাউন্ডুলে বলেছেন: আমার এতো দুঃখের কাহিনি পড়ে আপনার হাসি পেলো!!.. হাহাহাহা... অনেক অনেক ধন্যবাদ....
১০|
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১৮
কবির ইয়াহু বলেছেন: হাঁসতে হাঁসতে জীবন শেষ।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৪
অবসরপ্রাপ্ত বাউন্ডুলে বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ইয়াহু.....
১১|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১১
দিগন্ত জর্জ বলেছেন: ছেকা খাওয়া কাহিনী পড়লাম। ভালো লাগছে। সুন্দর লিখেছেন আপনি। বিঃদ্রঃ পড়ার পর আবার প্রথম লাইনটা দেখে নিলাম আর এক দফা হেসে নিলাম।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫০
অবসরপ্রাপ্ত বাউন্ডুলে বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জর্জ
১২|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৬
হাসান মাহবুব বলেছেন: ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের আশ্চর্য রকম নিষ্ঠুর আচরণের মধ্যে কত না ভালোবাসা লুকিয়ে থাকে! এই তো সময় প্রেম এবং অপ্রেমের, আড্ডা এবং কান্নার। জীবনে জিয়নকাঠি হয়ে থাকা প্রিয়মুখ গুলো একসময় হারিয়ে যাবে, আর আজকের এ শোক আগামীকালের স্মৃতির পাতায় আনন্দ হয়ে রবে। শুভেচ্ছা।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫৫
অবসরপ্রাপ্ত বাউন্ডুলে বলেছেন: হাসান ভাই, একদম সত্যি ... তখন তো ১২ টা বাইজা গেসিল... এখন টের পাই কি শিখসি ঐ সময়... অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য... আপনি কমেন্ট করসেন দেখলেই মনটা ভালো হইয়া যায়...
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:১৪
মেহেদী হাসান শীষ বলেছেন: হুম