নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার পুরো নাম শাইয়্যান মোহাম্মদ ফাছিহ-উল ইসলাম। অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমার পোস্ট সংখ্যা এক সময়ে ৩০০টিতে গিয়ে ঠেকেছিলো। আগে অনেক বিষয় নিয়ে লিখলেও এখন আমার ভাবনার বিষয় শুধুই চীন। তবে, পোস্টগুলো বেশিরভাগই ভাবানুবাদ হবে।

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাঃ) - শরণার্থী থেকে কোটিপতি হওয়া এক সাহাবী\'র কাহিনী

২৩ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:১০



আজ আপনাদের এমন একজন মানুষের কথা শুনাবো যিনি ছিলেন বিল গেটসে'র চেয়েও ৭ গুণ বেশি ধনী। তিনি ছিলেন একজন শরণার্থী। কিন্তু, নিজের সততা, অধ্যাবসায় আর বুদ্ধির জোরে পৌঁছে গিয়েছিলেন সাফল্যের সুবর্ণ শিখরে। এই শিখরে উড্ডয়ন তাঁকে এনে দিয়েছিলো ৫২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম পরিমাণ সম্পদ। বর্তমানের বিশ্বের শীর্ষ ধনী বিল গেটসের সম্পত্তি'র পরিমাণ কত জানেন কি? ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তা ছিলো মাত্র ৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। মাত্র! মাত্রই তো, এমন বিশাল সম্পদের সাথে তুলনা করলে তা সামান্যই!

প্রথম জীবনে তিনি ছিলেন মক্কার একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। তাঁর বাবাও ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী। বাবা তাঁর মাঝে দেখেছিলেন সফল ব্যবসায়ী হওয়ার সকল গুণ। বাবা'র ধারণাকে সত্য পরিণত করতে খুব একটা বেশি সময় লাগেনি তাঁর। হয়ে উঠেছিলেন সেই সময়ের ব্যবসায়ীদের সেনসেশন। অথচ, মক্কা থেকে যখন তিনি মদীনাতে শরণার্থী হিসেবে গেলেন, নিজের সব সম্পত্তি মক্কাতে ফেলে রেখে যেতে হয়েছিলো তাঁকে। হতদ্যম হননি তিনি। যাকে বলে একদম শুণ্য থেকে তাঁকে শুরু করতে হলেও জীবনের হারানো ঐশ্বর্য ফিরিয়ে এনেছিলেন খোদার উপর বিশ্বাস রেখে।

৬২২ সাল। আরবে তখন গ্রীষ্ম চলছে। প্রায় ৭০ জন মুসলমান মদীনাতে শরণার্থী হিসেবে প্রবেশ করেছেন। তাঁদের মাঝেই ছিলেন নিজের সকল সম্পদ মক্কাতে ফেলে আসা এই ব্যবসায়ী ব্যক্তিটি। হ্যাঁ, তিনি ছিলেন শেষ রাসূল (সাঃ)-এর একজন সাহাবী। মক্কাতে কুরায়েশদের অবর্ণনীয় অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে তাঁকেও পাড়ি জমাতে হয়েছিলো মদীনাতে।

সেখানে তাঁর সাথে ভ্রাত্বিত্তের বন্ধনে আবদ্ধ হোন সা'দ ইবনে আর-রাবিয়াহ (রাঃ)। অন্যান্য আনসারদের মতো সা'দ (রাঃ)-ও নিজের সম্পত্তি আর স্ত্রীদের মাঝ থেকে একজনকে সেই ব্যবসায়ী মুহাজিরকে দিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। অথচ, সেই সেসব ফেরত দিয়ে কি উত্তর দিয়েছিলেন জানেন? তিনি বলেছিলেন,

''তোমার পরিবার আর সম্পদের উপর আল্লাহ'র রহমত বর্ষণ হোক। তুমি বরং আমাকে বাজারের পথটা দেখিয়ে দাও।''



এই সাহাবী কারো উপর বোঝা হয়ে থাকতে চাননি। বরং, আল্লাহর উপর ভরসা করে নিজের ব্যবসায়ীক জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজের রুটি-রুজি নিজেই জোগাড়ে লেগে গিয়েছিলেন।

তিনি যে বাজারের কথা বলছিলেন, তার নাম ছিলো 'কায়নুক্কা'। সেই বাজারে তিনি প্রথমে দৈ, তেল আর ঘি বেচা শুরু করলেন। প্রথম দিকে তাঁর বিনিয়োগ ছিলো দুই কি চার দিনার। এরপরে তিনি বুঝতে পারলেন বাজারে ঘোড়া'র চাহিদা বেশ। সাথে সাথে তিনি ঘোড়া বেচা-কেনার ব্যবসায় হাত দিলেন। এর কিছু দিন পরে লাভের সন্ধান পেয়ে ঘোড়ার জিনের ব্যবসায়ে হাত প্রসার করেন। যেহেতু, তিনি বিভিন্ন ধরণের পণ্যদ্রব্য, ঘোড়া এবং জিনের বিকিকিনি করতেন, অল্পদিনেই তাঁর ব্যবসায়ের বেশ প্রসার ঘটে। তিনি ব্যবসায়ী মহলে এতোটাই পরিচিত হয়ে উঠেন যে এমনকি যদি তিনি একটি পাথরও তুলতেন, আশা করা হতো তার নিচে স্বর্ণ পাওয়া যাবে!

যেসব নীতি মেনে চলার ফলে তিনি সাফল্যের উচ্চ শিখরে উঠতে পেরেছিলেন-

১) এই সাহাবী (রাঃ) সকল সময়ে নগদে কিনতেন, এবং নগদে বিক্রি করতেন।

২) কখনই বেশি লাভের জন্যে অপেক্ষা করতেন না, কোন পণ্য মজুদও করতেন না। এক পয়সা লাভ হলেও তিনি ব্যবসার পণ্য বেঁচে দিতেন।

৩) সব সময়ই ন্যায্য থাকতেন। নিজের পণ্যে ক্ষীণ পরিমাণ খুঁত থাকলেও তা তিনি খরিদদারের কাছে প্রকাশ করে দিতেন।

এই তিন নীতিই তাঁকে এতো পরিমাণ সম্পদ লাভে সহায়তা করেছিলো। তাঁর মৃত্যু'র সময় তাঁর সম্পদের পরিমাণ হয়েছিলো একশত তিন মিলিয়ন সোনার দিনার!

কে এই সাহাবী?

তিনি আর কেউ নন, আল্লাহর শেষ রাসূল (সাঃ)-এর অত্যান্ত কাছের মানুষ - হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাঃ)।

মন্তব্য ২৯ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:১৯

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: লেখাটা আগেও কোথাও পড়েছিলাম।ভালো লাগলো।
ব্যবসায়ীক মস্তিষ্কে সততার প্রভাব থাকলেই সব সম্ভব।

২৩ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:২৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

অন্য কোথাও! বাংলায়?

আমার মনে হয়, আমিই এটি প্রথম বাংলায় লিখেছিলাম।

সততা এবং কর্মনিষ্ঠতা কোথায় আমাদের নিয়ে যেতে পারে, হযরত আউফ (রাঃ )-এর প্রমাণ।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

২| ২৩ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:৩৭

শোভন শামস বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন, ধন্যবাদ।

২৩ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:৪৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৩| ২৩ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:৪২

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: জি! বাংলায়..

২৩ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:৪৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

সামুতে না অন্য কোথাও?

৪| ২৩ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:৫১

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: ঠিক মনে পড়ছে না। সামুতে হতে পারে। কেন বলেন তো?

২৩ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:৫৩

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

ইনারা অবশ্য আমার লেখা কপি-পেস্ট করেছিলেন- Click This Link

আমি প্রথম এটি সামুতে প্রকাশ করি ১৯১৭ সালে।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

৫| ২৩ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:৫৬

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: ১৯১৭ সালে মানে? ২০১৭ হবে মনে হয়।

২৩ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৩

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
দুঃখিত। ২০১৭ সাল হবে।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

৬| ২৩ শে মে, ২০২০ বিকাল ৫:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: পড়তে ভালো লাগলো।

২৩ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: জানার মতো একটি ঘটনা।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

৭| ২৩ শে মে, ২০২০ বিকাল ৫:৩৫

নতুন বলেছেন: সততা এবং আইডিয়া অবশ্যই ব্যবসায়ীর প্রধান পুজি।

উনার ব্যাবসায়ী বুদ্ধি দারুন ছিলো যদি তার সম্পদের পরিমান ১০৩০০০০০০ সোনার মু্দ্রা হয়ে থাকে। ( সম্ভবত অতিরঞ্ঝিত)

তবুও শুন্য থেকে সময়ের সেরা ব্যবসায়ী হওয়া অবশ্যই অনেক পরিশ্রম এবং মেধার প্রয়োজন।

২৩ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

দারুণ ইচ্ছা শক্তি না থাকলে এমন অবস্থানে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার।

তিনি ছিলেন অনুসরণীয় এক ব্যক্তিত্ব।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৮| ২৩ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


১) ন গদে বেচাকেনা

-উনি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতেন না,কারণ উহাতে সুদ ছিলো।
-আপনি বেশ আজগুবি কাহিনী লেখেন বেশীরভাগ সময়ে।

২৩ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


হ্যাঁ, নগদে। কারণ, তিনি বাকিতে বেচতেন না।

বেশির ভাগ সময়ে আজগুবি লিখি!!!

তাহলে, কিছু সময় অন্ততঃ সত্য লিখি এটা স্বীকার করেছেন বলে ধন্যবাদ নিরন্তর।

৯| ২৩ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:


মদীনায় যারা হিজরত করেছিলেো, তারা ইহুদীদের ডিমসহ হত্যা করে সবকিছু দখল করে, মদীনার মালিক হয়েছিলো।

২৩ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

যে ইহুদিদের কথা বলছেন, তারা মুসলমানদের সম্পদ চুরি করতো। শরণার্থী মুসলমানদের মদিনা থেকে বের করেও দিয়েছিলো।

শুধু তা-ই নয়, রাসূলুল্লাহ (সাঃ ) তাদের জ্বালায় একবার মদিনা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন।

১০| ২৩ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫১

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: আজগুবি লিখার মধ্যে মজা আছে।মানুষ সত্য বিশ্বাস করতে চায় না।আজগুবির তো কোন প্রমান লাগে না

২৩ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

আজগুবিকে আজগুবি বলার জন্যেও তথ্য-প্রমাণ দরকার হয়।

আপনার সীমিত পরিধির কপোট্রন হয়তো সেটা ধরতে পারছে না।

ধন্যবাদ।

১১| ২৩ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, "যে ইহুদিদের কথা বলছেন, তারা মুসলমানদের সম্পদ চুরি করতো। শরণার্থী মুসলমানদের মদিনা থেকে বের করেও দিয়েছিলো। শুধু তা-ই নয়, রাসূলুল্লাহ (সাঃ ) তাদের জ্বালায় একবার মদিনা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। "

-মক্কার আরবেরা মদীনা যাবার সময় বিলিয়ন ডলারের ক্যাশ নিয়ে যায়নি; ওরা ইহুদীদের সব দখল করে, ওদের হত্যা করে, সেখান থেকে আরব সাম্রাজ্য গঠন করেছিলো। মদীনাতে ইসলামের নবীর জমিদারী ছিলো না, উনি রিফিউজী ছিলেন।

২৩ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


আকাবার ১ম ও ২য় শপথের কাছাকাছি সময় থেকেই মদীনাতে ধর্মান্তরিত মুসলমানরা বাস করছিলেন। এই মুসলমানরা মদীনার বিভিন্ন গোত্রের অধিবাসী ছিলেন। মক্কার শরণার্থীরা এই মদীনাবাসীদের আমন্ত্রনেই হিজরত করেছিলেন।

আপনি ভুল মন নিয়ে বাস করছেন।

সীমিত পরিধির কপোট্রন ব্রেইনওয়ালাদের নেতা আপনি।

১২| ২৩ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪১

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইসলামের শুরুতে মদীনাতে রোহিংগা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিলো; বাংলাদেশে রোহিগারা নতুন সাম্রাজ্য করতে পারবে না, কিন্তু ইসলামের লোকেরা মদীনা দখল করে নিয়েছিলো ।

২৩ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৪০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
মদীনা আর বাংলাদেশের পটভূমি ভিন্ন।

রোহিঙ্গারা বাংলা ভাষী নন। তাই, বাংলাদেশের বাঙ্গালীদের সাথে কখনোই খাপ খাপ্যাতে পারবে না তাঁরা।

অন্য দিকে, মদীনা বা মক্কাবাসীদের ভাষা একই ছিলো। এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলো মক্কাবাসীদের জায়গা করে নিতে।

তাছাড়া, মদীনা ছিলো মহানবী (সাঃ )-এর নানাবাড়ি। সেই সাথে অনেক মক্কাবাসী সাহাবীদের আত্মীয়দের বাড়ি ছিলো মদীনা। তাই, তাঁরা সেখানে গিয়েছিলেন।

সেজন্যে, মদীনাবাসীরা সাদরেই মক্কাবাসীদের গ্রহন করেন।



১৩| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৪২

নেওয়াজ আলি বলেছেন: জন্মে আর মরণে ইসলাম দরকার মনে করে কিছু লোক। এই জন্য সাহবীদের কাহিনী আজব মনে হয়

২৪ শে মে, ২০২০ বিকাল ৪:০৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

ভালো বলেছেন।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

১৪| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ১১:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: জানার মতো একটি ঘটনা।
ধন্যবাদ নিরন্তর।

ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

১৫| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১২:১৩

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: রোহিঙ্গা আর চিটাইঙ্গারা হলো একই বাবার ঔরসজাত সৎ ভাই; ওদের অনেক কিছুতেই অমিল নাই।

১৬| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১২:৪৪

কল্পদ্রুম বলেছেন: উপদেশ তিনটি ভালো।তবে এই উপদেশ বাংলাদেশে যত বড় দাঁড়ি টুপিওয়ালা হোক না কেন কোন ব্যবসায়ী মানতে পারবেন না।অন্তত ধনবান ব্যবসায়ীরা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.