নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমি লেখালিখি করি, মনের মাধুরী মিশিয়ে

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

হযরত আলী (আ)-এঁর ৪টি বিশেষ গুণ

১৫ ই মে, ২০২২ রাত ১০:১৪

ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু ওয়াআলিহী ওয়াসাল্লামের মেয়ের জামাই এবং চাচাতো ভাই যাকে 'আল্লাহর সিংহ' নামে উপাধি দেওয়া হোয় - তিনি হচ্ছেন মওলা হযরত আলী (আ)। তাঁর কতিপয় গুণ আজ বর্ণনা করবো, যা প্রতিটি মুমিনের জন্যে উদাহরণযোগ্য।

১) সর্বাপেক্ষা বিজ্ঞ সাহাবীঃ
মহানবী (সা)-এঁর সাহাবীদের মধ্যে শরীয়তের নানাবিধ সমস্যা সমাধান দেওয়ার যোগ্যতম ব্যক্তি ছিলেন মওলা আলী (আ)।
[সূত্রঃ ইমাম বুখারী, হাদিস নং - ৪২১১, ইমাম নাসাঈ - হাদিস নং - ১০৯৯৫]

২) আলী (আ)-কে ভালোবাসাই ইমানঃ
হযরত আলি (আ) বলেছেন- ''এটা আমার প্রতি উম্মী উপাধিধারী নবী সাল্লাল্লাহু ওয়াআলিহী ওয়াসাল্লামের অঙ্গীকার যে, মুমিন ছাড়া আমাকে কেউ ভালবাসবে না। আর, মুনাফিক ব্যতীত কেউই আমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারী হবে না।'' [ইমাম মুসলিম, হাদিস নং-৭৮, ইমাম নাসাঈ - হাদিস নং -৮১৫৩]

৩) ইমাম আলী আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রিয়পাত্রঃ
হযরত আলী (আ) আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসেন। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা)-ও হযরত আলীকে ভালোবাসেন। খায়বারের যুদ্ধের সময়ে ইমাম আলীর হাতে মুসলিম বাহিনীর পতাকা দেওয়ার আগে এমনটাই বলেছেন, হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা)। পতাকা দেওয়ার পরে, মহানবী (সা) যুদ্ধের আগে ইমাম আলীকে উপদেশ দেন-

''ধীর-স্থির, শান্ত ভাবে যাও। ময়দানে গিয়ে সবার আগে তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত দিবে। তাদেরকে তাদের অত্যাবশ্যকীয় কাজগুলো সম্পর্কে অবগত করবে। আল্লাহর শপথ! যদি তিনি তোমার দ্বারা একজন ব্যক্তিকেও হেদায়াত দেন, তবে তা আমাদের জন্যে অত্তুত্যম হবে।''
[ইমাম বুখারীঃ হাদিস নং- ২৮৪৭, ৩৯৭২। ইমাম মুসলিমঃ হাদিস নং- ২৪০৬]

৪) মুসা নবী'র কাছে হযরত হারুন নবী'র মর্যাদা যেমন ছিলো, তেমনি আমাদের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু ওয়াআলিহী ওয়াসাল্লামের কাছে মওলা আলী'র মর্যাদা ঠিক সেই রকম ছিলো। মহানবী (সা) নিজে তা বলে গিয়েছেন। [ইমাম বুখারী, হাদিস নং - ৪১৫৪, ইমাম মুসলিমঃ হাদিস নং- ২৪০৪, ইমাম আহমদঃ হাদিস নং- ১৬০৮]



মন্তব্য ৩৫ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৩৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মে, ২০২২ রাত ১০:২৬

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:

শরীয়তের বাইরে "তরিকত,হাকিকত ও মারেফত কিভাবে উদ্ভব হলো??

১৫ ই মে, ২০২২ রাত ১০:৪০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


মওলা আলী হচ্ছেন জ্ঞান উদ্যানের দরজা।

ধন্যবাদ।

২| ১৫ ই মে, ২০২২ রাত ১১:০১

রাজীব নুর বলেছেন: আজকের আধুনিক বিশ্বে হযরত আলীর গুণ দিয়ে আমাদের কি উপকার হবে?

১৫ ই মে, ২০২২ রাত ১১:১০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

'নাহজ আল বালাঘা' বইটি পড়ে দেখলে উত্তর পেয়ে যাবেন আশা করি।

ধরুন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে একজন বাংলাদেশী হয়ে কার পক্ষে যাবেন? স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হবেন কি না। যুদ্ধের ময়দানে আপনার আচরণ কি রকম হওয়া উচিৎ? একজন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আপনার কীভাবে চলা উচিৎ? দার্শনিক হিসেবে আপনার কীভাবে জীবন-যাপন করতে হবে? বক্তা হিসেবে আপনি কীভাবে জ্ঞান দান করবেন?

এসকম কিছুই আপনি হযরত আলী (আ)-এর কাছে থেকে শিখতে পারেন। বইটি একবার পড়ে দেখুন, প্লিজ।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

৩| ১৫ ই মে, ২০২২ রাত ১১:৩০

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: অনাড়ম্বর জীবনযাপন কিন্তু গুনের মধ্যেই পড়ে। হযরত আলী (রাঃ) এই বিষয়ে একজন অনন্য নজির। শবর আর শোকোর দিয়ে মা ফাতেমার সাথে জীবন অতিবাহিত করে গেলেন।

১৫ ই মে, ২০২২ রাত ১১:৪০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


মওলা আলীর অনেক গুণের ৪টি আমি উল্লেখ করেছি।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

৪| ১৫ ই মে, ২০২২ রাত ১১:৩০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ভাইজান লেখায় সংযোজিত ছবিটি কার?
চিনতে পারছিনা তাই এই প্রশ্ন!

১৫ ই মে, ২০২২ রাত ১১:৪১

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

ছবিটি আমি তুলেছি। ধন্যবাদ।

৫| ১৫ ই মে, ২০২২ রাত ১১:৫৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
কে তুলেছে তা কি জানতে চেয়েছি?
ছবিটি কার?

১৬ ই মে, ২০২২ রাত ১২:২৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


পোস্টে আমার দেওয়া তথ্যের চেয়ে ছবিতে বেশি আকৃষ্ট হয়েছেন দেখে বললাম।

ছবিটি আমার এক নিকটাত্মীয়ের পূর্বপুরুষের।

৬| ১৬ ই মে, ২০২২ সকাল ৮:০৭

নজসু বলেছেন:



প্রিয় ভাই ছবিটি হযরত আলী (রঃ) এর হতে পারে বলে আমরা বিভ্রান্ত হতে পারি। এই রকম পোষ্টে এমন ছবি না দেয়াই ভালো হবে মনে হয়। আর আলী এর সাথে (আঃ) না হয়ে (রাঃ) হবে।

১৬ ই মে, ২০২২ দুপুর ১২:০১

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


আপনার জন্যে হয়তো আলী (রা), আমার জন্যে আলী (আ)। আমরা উনাকে অনেক উচ্চ স্থান দেই।

ধন্যবাদ।

৭| ১৬ ই মে, ২০২২ সকাল ৮:৪০

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ইরানে নাকি বেশিরভাগ মানুষের ঘরেই আলী রা: ছবি সংরক্ষিত আছে? তথ্যটি কি সঠিক?

১৬ ই মে, ২০২২ দুপুর ১২:০২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


ইরানের অনেক কালচার আমাদের সাথে মিলে না।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

৮| ১৬ ই মে, ২০২২ সকাল ৮:৫০

বিটপি বলেছেন: বুঝলাম, মওলা আলী'র অনেক গুণ। কিন্তু আপনি কি জানেন, মওলা ওসমানেরও অনেক গুণ ছিল?

১৬ ই মে, ২০২২ দুপুর ১২:০৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


আপনার উল্লেখিত ২ইয় ব্যক্তির সাথে মওলা উপাধি লাগানো ভুল কাজ। বাজে মানুষেরাই এমন বিদ্বেষ প্রসূত কাজ করবে।

৯| ১৬ ই মে, ২০২২ সকাল ৯:২৬

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: চার খলিখার মধ্যে কেউ কারো চেয়ে কমও না বেশিও না; কাউকে ছোটও করা যাবেনা।

১৬ ই মে, ২০২২ দুপুর ১২:০৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


আহলে বায়াতের অংশ যারা তাঁদের মর্যাদা অনেক উপরে, জনাব।

এই নিয়ে আমি পরে লিখবো।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

১০| ১৬ ই মে, ২০২২ সকাল ১১:০৯

জুল ভার্ন বলেছেন: হজরত আলী(রা) এর বাণীগুলো চিরন্তন।

১৬ ই মে, ২০২২ দুপুর ১২:০৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

জী, মওলা আলী (আ)-এর বাণীগুলো অসাধারণ।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

১১| ১৬ ই মে, ২০২২ সকাল ১১:৫১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: অনুগ্রহ করে ছবিটি পোস্ট থেকে সরিয়ে নিন। ধর্ম সংক্রান্ত বিশ্বাসের কারনে, অনেকেই ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের ছবি প্রকাশ করাকে তাদের নিজস্ব বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক মনে করে। তাই অনুগ্রহ করে সকলের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য ছবিটি সরিয়ে নিন।

১৬ ই মে, ২০২২ সকাল ১১:৫৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

কাভা ভাই,

নাহজ-উল-বালাঘা বইয়ে হযরত আলী (আ)-এর এরকম ছবি দেওয়া আছে। অনেকের বাড়িতেও আছে। তাহলে, আপত্তিটা কোথায়!

ঠিক আছে, আমি সরিয়ে নিচ্ছি।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

১২| ১৬ ই মে, ২০২২ দুপুর ১২:০২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আমার বা আপনার আপত্তি বা অনাপত্তির বিষয় নয়, একটি বড় শ্রেনীর অংশ চান না - ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ন কোন ব্যক্তিদের ছবি প্রকাশিত হোক। সেই মতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে ছবিটি সরিয়ে নিতে অনুরোধ করেছি। আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

শুভ ব্লগিং।

১৬ ই মে, ২০২২ দুপুর ১২:১০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

বুঝেছি। ধন্যবাদ নিরন্তর।

১৩| ১৬ ই মে, ২০২২ দুপুর ১২:৩০

ভার্চুয়াল তাসনিম বলেছেন: রঃ এবং আঃ এর মধ্যে পার্থক্য কি একটু বলুন। ছবি সরানোর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

১৬ ই মে, ২০২২ দুপুর ১:১৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


রঃ, রাঃ এবং আঃ-এর মাঝে মর্যাদার পার্থক্য। মহানবী (সা) -এর পরে যাদের মর্যাদা তাঁদের প্রতি আঃ বলে দুরুদ পাঠ করা হোয়। এরপরে, রাঃ এবং তারপরে রঃ।

ধন্যবাদ।

১৪| ১৬ ই মে, ২০২২ দুপুর ১:২৭

রানার ব্লগ বলেছেন: ঐতিহাসিকদের বর্ণনা মোতাবেক হযরত আলী ( রাঃ) এর ৭ জন স্ত্রী ছিলেন। তাদের নামগুলো হিলোঃ-

১। ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদ

২। উমামা বিনতে জয়নব

৩। উম্মুল বনিন

৪। লায়লা বিনতে মাসঊদ

৫। আসমা বিনতে উমাইস

৬। খাওলা বিনতে জাফর

৭। আস-সাহবা বিনতে রাবিয়া৷

১৬ ই মে, ২০২২ দুপুর ১:৪৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


জানানোর জন্যে ধন্যবাদ।

১৫| ১৬ ই মে, ২০২২ দুপুর ১:২৮

নতুন বলেছেন: অতি ভক্তি আলী রা: কে রাসুল সা: এর পরের স্থানে নিয়ে গেছে। যেটার জন্য শিয়া দলের শুরু।

অন্ধ বিশ্বাস ভালো না। B:-)

১৬ ই মে, ২০২২ দুপুর ১:৪৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


আমার মনের ভাব এতো দূর থেকে ধরতে পারেন আপনি!!! :)

ধন্যবাদ।

১৬| ১৬ ই মে, ২০২২ বিকাল ৩:১৪

সোনাগাজী বলেছেন:



সামন্তবাদের সময়ের ১ জন রাজা, বাদশাহ, সম্রাট, প্রশাসক, খলিফা, ইত্যাদি নিজেদের সুশাসন কিংবা কুসাশানের জন্য ইতিহাসে পরিচিত; খলীফা আলী(স: ) কি কোন কারণে একটি বড় ঐতিহাসিক চরিত্র?

আপনি যেই ৪টি গুণের কথা বলেছেন, সেগুলো কি ইসলামিক সাম্রাজ্যের খলিফার জন্য দরকারী গুণ বলে আপনার মনে হয়?


unction at() {
[native code]
}

১৬ ই মে, ২০২২ বিকাল ৫:৫০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


হযরত আলী (আ) তাঁর প্রজ্ঞার কারণে সুপরিচিত।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

১৭| ১৬ ই মে, ২০২২ বিকাল ৫:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

১৬ ই মে, ২০২২ রাত ১০:৫৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

১৮| ১৬ ই মে, ২০২২ রাত ১১:৫১

মোস্তাফিজুর রহমান জাকির বলেছেন: শুধু আলি রাঃ এর বন্দনা করলেন । প্রখ্যাত সাহাবী দের সিফত বা গুন কারো চেয়ে কারো কম নয় । আবু বকর রাঃ এর নেকী বা পুন্যের পরিমান এত যে সমস্ত মানুষের উত্তম কাজের পুন্যের চেয়ে অধিক । আলি রাঃ নিজে জীবিত থাকতে তাহার অতি বন্দনাকারী ; এমনকি রাসুল মোহাম্মদ সঃ কিংবা খোদার সাথে পর্যন্ত তুলনা করা আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা কে আগুনে পুড়িয়েছিলেন । আলি রাঃ জীবিত থাকলে হয়ত আজকের অধিকাংশ শিয়া দের পুরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিতেন । আলি রাঃ এর প্রজ্ঞা ও বিরত্বের কারনে আমি নিজে ও ভাবি হে আল্লাহ যদি আলী রাঃ এর মত প্রজ্ঞাবান হতে পারতাম ! তার মানে এই নয় যে শুধু আলী রাঃ এর বন্দনা করব । খালিদ বিন ওয়ালিদ সম্পর্কে একটু পড়াশুনা করিয়েন পাশাপাশি ওমর, ওসমান , আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস ও জায়েদ বিন সাবেত রাঃ দের নিয়ে একটু স্টাডি করেন । আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাঃ ছিলেন রাসুল সঃ জীবিত থাকা সময় থেকে আজ পর্যন্ত কোরানের সেরা তাফসীর কারক ও ব্যখাকারক ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.