নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

দ্যা রিমোট গোয়েন্দা

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪২



ব্লগার চাঁদগাজী ওরফে ওমর খাই-আমের একটু আগের পোস্ট পড়ে প্রথমে ভাবলাম, তিনি বোধহয় ব্লগার নন - জাতীয় পর্যায়ের এক ‘রিমোট গোয়েন্দা সংস্থা’। আমি ছাত্র জীবনে কী করেছি, ব্যবসা করেছি কি না, আমার কর্মচারী ছিল কি না, এমনকি আমার ভাইয়েরা কোথায় চাকরি করেন - সবকিছুরই তাঁর কাছে কোনো না কোনো ‘ধারণা’ আছে! শুধু আমার ছোটবেলার টিফিনে কয়টা সমুচা খেয়েছি, সেটুকুই বোধহয় এখনো গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আসেনি। তাঁর বক্তব্যের সবচেয়ে মজার অংশ হলো, তিনি একদিকে দেশের শিক্ষিত মানুষের অপরাধ, মিথ্যাচার ও অদক্ষতা নিয়ে গবেষণা করছেন, অন্যদিকে আমার জীবনের হিসাব করতে গিয়ে ‘মনে হয়’, ‘বলে মনে হয়’, ‘আসলে’ - এই তিনটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র দিয়ে মহাবিশ্বের রহস্য সমাধান করে ফেলছেন!

আমার নাকি এক কর্মচারী দেড় লাখ টাকা বেতন পেত! আহা, কী অপূর্ব জীবন ছিল আমার - একজন কর্মচারীই দেড় লাখ টাকা পেতেন, অথচ আমি নিজে হয়তো তাঁর বেতন দেওয়ার টাকা খুঁজতে বসে থাকতাম! এখন আফসোস হচ্ছে, সেই কর্মচারী কোথায় গেলেন? তাঁকে খুঁজে পেলে অন্তত আমার কল্পিত ব্যবসার হিসাবটা তাঁর কাছ থেকেই জেনে নিতে পারতাম। আর আমার দুই ভাইয়ের সৌদি-চাকরির টাকায় আমি চলি - এই তথ্যটি শুনে আমার ভাইদেরও নিশ্চয়ই নতুন আত্মবিশ্বাস জন্মেছে: তাঁরা নাকি অজান্তেই আমাকে অর্থনৈতিকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করছেন! চাঁদগাজীর গোয়েন্দাগিরির সুবিধা হলো, নিজের জীবনের অজানা তথ্যও তাঁর মন্তব্য পড়ে জানা যায়।

তাই চাঁদগাজী ভাইকে অনুরোধ - আমার জীবনের পরবর্তী সংস্করণটাও লিখে দিন। কোথায় জন্মেছি, কোন স্কুলে পড়েছি, ভবিষ্যতে কী করব - সবই আপনার অনুমানের ওপর ছেড়ে দিলাম। তবে একটা অনুরোধ: অনুমানকে যেন এবার ‘জাতীয় তদন্ত প্রতিবেদন’ না বানান। কারণ ব্লগে তীর্যক মন্তব্য করা সহজ, কিন্তু রম্য লেখকের কল্পিত জীবনী লেখা আরও কঠিন! শেষ করি একটি ক্ষুদ্র ছড়ায় -

চাঁদগাজীর দূরবীন, দেখে কতো দেশ,
আমার ঘরের খবরও তার কাছে বেশ।
কর্মচারী দেড় লাখ - হিসাব বড় ভার,
বেতন দিতে গিয়ে নাকি কাঁপে আমার ঘাড়!

ভাই সৌদিতে - টাকাও নাকি আসে,
গোয়েন্দাগিরি জমে যায় মন্তব্যের বাতাসে।
সত্য-মিথ্যা পরে হবে বিচার,
আগে হাসি - ব্লগে এটাই রীতি সবার!

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.