![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বই পড়ার সাথে জ্ঞানের সম্পর্ক অপরিসীম । বই পড়লে মানুষের জ্ঞানের দ্যুতি বাড়ে। আমাদের জীবসত্তা জাগ্রত থাকলেও মানবসত্তা জাগ্রত করার সিঁড়ি হচ্ছে বই। মানব সভ্যতার সূচনা থেকেই মানুষের পাঠ অভ্যাসের তথ্য পাওয়া যায়। মানুষ বই পড়ে মনের খোরাকের জন্য, অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য এবং নিজেকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করার জন্য। জ্ঞানের সূচনা বই থেকেই এবং সে জ্ঞানকে সামগ্রিকভাবে কাজে লাগানোর দক্ষতা মানুষ বই পড়ে পেয়ে থাকে। মানুষের মননশীল, চিন্তাশীল, সৃষ্টিশীল চিন্তার যাবতীয় সূচনার বিস্ফোরণ একমাত্র বইয়ের মাধ্যমে হতে পারে। বই পড়া এখন শুধুমাত্র অবসরের বিনোদনের মাধ্যম নয় বরং এটি এখন আমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। বই পড়ার গুরুত্ব আমরা কিছু মনীষীদের উক্তি থেকে অতি সহজেই বুঝতে পারি। স্পিনোজা বলেন, ‘ভাল খাদ্য বস্তু পেট ভরে কিন্তু ভাল বই মানুষের আত্মাকে পরিতৃপ্ত করে।’ দেকার্তে বলেন, ‘ভাল বই পড়া মানে গত শতাব্দীর সেরা মানুষদের সঙ্গে কথা বলা।’ ইউরোপ কাঁপানো নেপোলিয়ান বলেন, ‘অন্তত ষাট হাজার বই সঙ্গে না থাকলে জীবন অচল।’ জন মেকলে বলেন, ‘প্রচুর বই নিয়ে গরিব হয়ে চিলেকোঠায় বসবাস করব তবু এমন রাজা হতে চাই না যে বই পড়তে ভালবাসে না।’ নর্মান মেলর বলেন, ‘আমি চাই যে বই পাঠরত অবস্থায় যেন আমার মৃত্যু হয়।’ যুগে যুগে এই রকমভাবে শত শত মনীষী বই পড়ার গুরুত্ব মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন। বই পড়লে আমাদের মস্তিষ্ক চিন্তা করার খোরাক পায়, সৃজনশীলতা বাড়ে এবং তথ্য ধরে রাখার ক্ষমতা সৃষ্টি হয়। বই পড়লে মানুষ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক মনষ্ক হয়ে ওঠে। একটি জটিল কঠিন বিষয়কে সহজ করতে পারে বই। জ্ঞান বিজ্ঞানের অগ্রদূত গ্রীকরা। গ্রীসের থিবসের লাইব্রেরির দরজায় খোদাই করা আছে যে কথাটি সেটি হলো, 'আত্মার ওষুধ'। অর্থাৎ তাদের বিশ্বাস বই হলো আত্মার চিকিৎসার প্রধাণ উপকরণ। অন্যদিকে, চীনারা বলতো, বই হলো এমন একটা বাগান যা পকেটে নিয়ে ঘোরা যায়। মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বই পড়ার প্রতি এত বেশি আসক্ত ছিলেন যে, লাইব্রেরি কক্ষে কর্মচারীরা তার নির্বিষ্ট পাঠক মনের উপস্থিতি পর্যন্ত টের পেত না। তাই বহুবার তিনি লাইব্রেরি কক্ষে তালাবন্দি হয়েছেন। বই পাঠের প্রতি গুরুত্ব ও আসক্তির কারণেই তিনি হয়ে ওঠেন অগাধ পান্ডিত্য ও বহুমুখী জ্ঞানের অধিকারী। বই জ্ঞানের প্রতীক, বই আনন্দের প্রতীক। জ্ঞানরাজ্যের তৃপ্তি মেটানোর জন্য বইয়ের বিকল্প নেই।
২| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:০৮
খায়রুল আহসান বলেছেন: আশাকরি, আপনার এ পোস্টটি পড়ে তরুণ প্রজন্মের পাঠকদের কেউ কেউ স্মার্টফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ, ইত্যাদি থেকে কিছুটা সময় তাদের চোখকে সরিয়ে বই এর পৃষ্ঠায় নিবদ্ধ করতে উদ্বুদ্ধ হবে।
৩| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:২৫
সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: খুবই গুরুত্বপূর্ণ লেখা। পোস্টে প্লাস।
৪| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৫:২৪
ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: যে বইকে সংগি করতে পেরেছে তার আর কিছু দরকার নাই।
কিন্তু আজকাল ফেইসবুকের পেইজ দেখেই সবাই নিজেকে জ্ঞানী ভাবতে থাকে।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৪৯
দৃষ্টিসীমানা বলেছেন: পোষ্টে +++++ ।