নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আল্লাহ ছাড়া আর কোন সৃষ্টিকর্তা নেই । হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল ।

েশখসাদী

আল্লাহ ছাড়া আর কোন সৃষ্টিকর্তা নেই । হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল ।

েশখসাদী › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেয়ামতের আলামত, ঈমাম মাহদীর আর্বিভাব ও হযরত ঈসা (আ.) এর অবতরণ - ১

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০১

মহানবী (সা.) বলেছেন, কিয়ামত খুবই কাছে এসে গেছে । তিনি কেয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার কতগুলি আলামত উল্লেখ করে গেছেন । এ আলামত গুলো ছোট আলামত ও বড় আলামত দুই-ই আছে । আলামত গুলো নিচে আলোচনা করা হলো :



১. মানুষ ব্যাপকভাবে ধর্ম বিমূখ হবে ।



(যা বর্তমান সময়ে ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে । দিন দিন মানুষের ধর্মের প্রতি আগ্রহ ও শ্রদ্ধা কমে যাচ্ছে । আগের জমানায় প্রত্যেক ধর্মাবলম্বী মানুষ নিজ নিজ ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিল । বর্তমানে সেটা নেই । এমনও পরিবার আছে বাবা মা এখনও মোটামুটি ধার্মিক , কিন্তু তাদের সন্তানেরা আধুনিকতার নাম করে ধর্মকে ও ধার্মিকতাকে অবজ্ঞার চোখে দেখে । কলুষিত মিডিয়া ও বৈরী পরিবেশ-ই এর মূল কারণ ।)



২. মানুষ বিভিন্ন রকম পার্থিব আনন্দ ও রং তামাসায় মেতে থাকবে ।



( মানুষের এখন টাকা হলে কত রকমভাবে যে আনন্দ উপভোগ করে , তার কোন ইয়াত্তা নেই । আরব রাষ্ট্র আমিরাতের দুবাই মনে হয় এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ ।)



৩. নাচে - গানে মানুষ মত্ত থাকবে ।



( ক্লোজ আপ নাম্বার ওয়ান প্রতিযোগিতা , ক্ষুদে গান রাজ প্রতিযোগিতা, সেরা কন্ঠ ইত্যাদি ইত্যাদি সকল দেশেই এখন নাচ গানের প্রতিযোগিতা আর আই পড তো আছে ই , সারাক্ষণ-ই কানে লাগানো থাকবে । )



৪. মসজিদে বসে দুনিয়াদারীর আলাপ আলোচনায় লিপ্ত হবে ।



(এ বিষয় সর্ম্পকিত আলোচনা পাঠকগণের কাছে ছেড়ে দিলাম )



৫. সমাজে ও রাষ্ট্রে অযোগ্য লোক এবং মহিলা নেতৃত্ব শুরু হবে ।



(...আমাদের দেশের প্রধান মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী , পররাষ্ট্র মন্ত্রী সবই মহিলা আর কতজন যোগ্য মন্ত্রী আছেন বলে আপনাদের মনে হয়, ওবায়দুল কাদের কি বলেছেন ? বিদেশের দিকে তাকালেও কয়টা দেশে যোগ্য লোক দেশ শাসন করছে ?)



৬. মানুষের মধ্যে ভক্তি, শ্রদ্ধা, স্নেহ ও ভালোবাসা কমে যাবে ।



( বর্তমানে মানুষের মধ্যে প্রকৃত পক্ষেই এসব কমে যাচ্ছে । সবাই নিজেকে নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত । বয়স্কদের শ্রদ্ধা করা, ছোটদের স্নেহ করা ও মানুষে মানুষে ভালোবাস ও অন্তরের টান হারিয়ে যাচ্ছে ।)



৭. ঘন ঘন ভূমিকম্প হতে থাকবে ।



( হাইতির ভয়াবহ ভূমিকম্প, ইরান , ভারত , চীন ও আমাদের দেশেও ভূমিকম্পের প্রকোপ বেড়ে গেছে ।)



৮. সব দেশের আবহাওয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দেবে ।



(বর্তমানে প্রায় সকল দেশের আবহাওয়ার পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে । বিজ্ঞানীরা এর কারণ হিসেবে বলছেন, গ্লোবাল ওয়ার্মিং । ইউরোপ তূষারপাতে আক্রান্ত । আমেরিকায় ভয়াবহ তুষার ঝড় । অষ্ট্রেলিয়ায় বন্যা, সউদীতে বৃষ্টিপাত ইত্যাদি ....)



৯. অত্যাধিক শিলা বৃষ্টি হবে ও বৃষ্টির সাথে বড় বড় পাথর বর্ষিত হবে ।



(যেখানেই শিলা বৃষ্টি সেখানেই বড় বড় পাথরের মত শিলা বর্ষিত হয় ।)



১০. মানুষের রূপ পরিবর্তিত হয়ে পুরুষ স্ত্রীলোকের ন্যায় ও স্ত্রীলোক পুরুষের রূপ ধারণ করবে ।



( বর্তমানে স্ত্রীলোক পুরুষের ন্যায় শার্ট প্যান্ট পরে পুরুষের ন্যায় চলাফেরা করে আর পুরুষ কানে দুল পরে , হাতে বালা পড়ে মেয়েলোকের ন্যায় চলা ফেরা করে । পাশ্চাত্য দেশে ইহা ব্যাপক ভাবে দেখা যায় । বর্তমানে পোশাক দেখে বোঝার উপায় নেই পুরুষ না মহিলা )



চলবে ।



সূত্র: কেয়ামতের আলামত, ঈমাম মাহদীর আর্বিভাব ও হযরত ঈসা (আ.) এর অবতরণ , মাওলানা আবূল কালাম ।

মন্তব্য ৪৩ টি রেটিং +১৯/-১১

মন্তব্য (৪৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৩

জাফর সািদক রুমী বলেছেন: আর মাত্র ২ দিন বাকি ! Click This Link

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২২

েশখসাদী বলেছেন:

.......দিলাম...লম্বা প্রসেস...তারপরও দিলাম । মেইল চেক করতে হবে ।

২| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৬

সজীব আকিব বলেছেন:
@ আসিফ মহিউদ্দীন ,

আরে আপনি না আমি। X((

৩| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৭

দুরের পাখি বলেছেন: ছোভানাল্লা । সব মিলে গেছে ।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮

েশখসাদী বলেছেন:

........মাদ্রাসায় পড়ুয়ার এ কি দশা ?.......ইন্না লিল্লাহ...ও আপনে তো আবার আল্লাহর কাছে ফিরা যাবেন না (ইন্না লিল্লাহ অর্থ) আপনি যাবেন....ভেনিস হয়ে ..আপনে মরলে আপনারে কেউ খুইজা পাইবনা...স্বয়ং স্রষ্টা ও না....

৪| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৯

টকঝালমিষ্টি বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর পোষ্টের জন্য।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৫

েশখসাদী বলেছেন:
.......ধন্যবাদ পড়ার জন্য ।

৫| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮

সজীব আকিব বলেছেন:
আপনার পোস্টটা ভালো লেগেছে ও প্লাস দিয়েছি।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৫

েশখসাদী বলেছেন:
..ধন্যবাদ ।

৬| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯

ইটস সো টইম বলেছেন: হে মহান সৃষ্টিকর্তা, আমদের জ্ঞান দান কর এবং পথ দেখাও । আমরা তোমার করুণা প্রার্থণা করি।আমিন.............।ধন্যবাদ সুন্দর পোষ্টের জন্য।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৬

েশখসাদী বলেছেন:

.......ধন্যবাদ ।

৭| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৫

সবখানে সবাই আছে বলেছেন: ও ভাই গাঞ্জা একাই সব টেনে শেষ করবেন না।আমারেও একটু দিয়েন।লাইনে আসি।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৭

েশখসাদী বলেছেন:

........এখন কি আর গান্জার দিন আছে রে ভাই ? আপনি তো হদ্দি কালে পড়ে আছেন ।

৮| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এক আলেম ছাগলের পোস্ট পইড়া আরেক ছাগু পোস্টাইছে। মাদ্রাসাগুলার মান এত নীচে নামতাছে দিন দিন কই যাই!



মানুষের রূপ পরিবর্তিত হয়ে পুরুষ স্ত্রীলোকের ন্যায় ও স্ত্রীলোক পুরুষের রূপ ধারণ করবে ।

তুমাগো কেমনে বুঝাই এইটা মানসিক সমস্যা এবং খানিকটা জেনেটিক সমস্যা সম্বলিত যেইটা মানবজাতীতে অনেক আগে থিকাই আছিলো। সবচেয়ে কাছের উদাহরন হইলো বাংলা সভ্যতায় ঘেটুর দল!

অত্যাধিক শিলা বৃষ্টি হবে ও বৃষ্টির সাথে বড় বড় পাথর বর্ষিত হবে ।

(যেখানেই শিলা বৃষ্টি সেখানেই বড় বড় পাথরের মত শিলা বর্ষিত হয় ।)


বড় বড় পাথর কই থিকা পড়লো চান্দু?আকাশের শিলা মনে হয় আগে কখনো পড়ে নাই চান্দু? একটু গুগলিং করো পৃথিবীর সবচেয়ে শিলাবৃষ্টিজনিত বছরটা কোনটা? পড়ালেখা ছাড়া অশিক্ষিত গো মূর্খের মতো পোস্ট দেও কেন?

সব দেশের আবহাওয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দেবে ।

দেশে বইসা মনে হয় এইসব স্বপ্নে পাও মনে হয়। ইউরোপে কুন বছর তুষার ঝড় হয় না, উপাত্ত দেও দেখি? আর আব হাওয়া পরিবর্তন তো মানবজাতীর জন্মের আগে থিকাই চলতাছে। বরংচ এখন যেইটা দেখতাছো এইটা সবচেয়ে স্ট্যাবল। এইখানেও দেখি তমার চুলকানী। ইকড়া মানে পড় এইটা মনে হয় ভুইলা খাইছো!

ঘন ঘন ভূমিকম্প হতে থাকবে ।

১৮৯৯ সালে সিলেটে যেই ভুমিকম্পটা হইছিলো ১০ মহররমে ঐটাও কি ভূমিকম্পের আলামত? ঐটার মতো একটাও ভূমিকম্প ঘটলো না। ভালা কথা সৌদিতে ভূমিকম্পে বছরে কয়টা হয় একটু জানাও তো দেখি চান্দু? মিথ্যুক কোন খান কার!

আর মানুষ পার্থিব রঙতামাশায় আগেকার আমলে বাঙ্গালী জাতিতো পুরা লাস ভেগার টাইপের আছিলো, পোলারা জায়গায় না গেলে মরদ কইতো না, আগেকার আমলে হুজুররা তো ৪-৫ টা বিবাহ না করলে তাগো মনের খায়েষ পূর্ন হয় না। তয় এইটা ঠিক মানুষ ন্যাংটা হয় ইউরোপে আর ভূমিকম্প হয় ইরানে। এই খোমেনীর আবিস্কার শুইনা মনে হইছলো জ্ঞান জিনিসটা নাই দেইখাই পাবলিকের খাও উষ্টাগুতা!

যাি হোউক মাইনাস লও!গাধা কোন খানকার!

৯| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভালা কথা, মাওলানা আবূল কালাম কি ঐ রাজাকারটা না?

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৪

েশখসাদী বলেছেন:

.......আপনারে ভালা পাই....তাই কিছু কইলাম না....আমি মাদ্রসায় ছাত্র না আর বর্তমানে দেশেও নাই ।

...ব্যাখ্যা সবই আমার নিজের চেষ্টা । আর আমি জীবনে জামাত ছিবিরের ধারে কাছে যাই নাই ...গতবার নৈাকায়-ই ভোট দিছি ...তারপরও বলছি.. স্বাধীনতার এত বছর পর এভাবে নিজেদের মধ্যে মারামারি ভাগা ভাগি দেশের কোন উন্নতি আনে না....

...আপনার সব কথার সাথে এক মত না । নিজেকে বড় ভাবা ঠিক না আর এত আত্ন বিশ্বাসও ভালো না । গাধা কিন্তু অনেক উপকারী প্রাণী । আর কেউ এক সাথে গাধা ও ছাগু হয় জানতাম না আগে । ধন্যবাদ

১০| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৮

সবুজপএ বলেছেন: সমাজে ও রাষ্ট্রে অযোগ্য লোক এবং মহিলা নেতৃত্ব শুরু হবে

ধর্ম যে পুরুষ রচিত তা আরেকবার প্রমানিত

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৩

েশখসাদী বলেছেন:

.......বোকারাম .......ইতিহাসের কয়টা জায়গায় আছে মাহিলা নেত্রিত্বের কথা ? হাদিসে এটা ই বলা হয়েছে যে মাহিলারা নেতা হবে ।

ধর্ম পুরুষ রচিত.!....ধর্ম খালি পুরুষরাই পালন করে ? দেখেন গিয়া পুরুষদের থেকে মহিলারাই বেশী ধার্মিক হয় ।

১১| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

সবুজপএ বলেছেন: অযোগ্য লোক +মহিলা

অন্ধ হলেই প্রলয় বন্ধ থাকে না

১২| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩৮

হাসান খা বলেছেন: চমৎকার পোস্ট...মানব মন্ডলী সাবধান...

১৩| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৩

প্রলাপ বলেছেন: এই আলামতগুলা নবীর যুগে আরো বেশি ছিল। এখন মানুষ অনেক বেশি সভ্য হইছে

১৪| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৭

বন্ধনহীন বলেছেন: ব্লগার মহাফুজশান্ত ভাইয়ার মতে কেমামত হতে আরো কয়েক বিলিয়ন বছর লাগবে। তিনি কোরাণে তা পেয়েছেন এবং তিনি তা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমান করেছেন।

আর আপনি যা বললেন, তা হাদিস থেকে নেয়া। এগুলো সহীহ হাদিস কিনা তাও উল্লেখ করেননি। মহাফুজশান্ত ভাইয়া কোরাণের আয়াত উল্লেখ করেছেন।

আমি মহাফুজশান্ত ভাইয়ার পক্ষে।

আর ভয় লাগানোর জন্য মাইনাস।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:১২

েশখসাদী বলেছেন:
.......মিষ্টার ...আমি বর্তমানে কিয়ামতের কাছে আসার ঘটনা বা আলামত আলোচনা করেছি....যথা ইমাম মাহদী (আ.) ও ঈসা (আ.) এর আগমণের পূর্বের অবস্হার কথাই এই পোষ্ট ....প্রকৃত কিয়ামত বা পৃথিবী ধ্বংস এখনো অনেক দূরে ।

১৫| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০২

অনিক আহসান বলেছেন: ১. মানুষ ব্যাপকভাবে ধর্ম বিমূখ হবে ।

(যা বর্তমান সময়ে ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে । দিন দিন মানুষের ধর্মের প্রতি আগ্রহ ও শ্রদ্ধা কমে যাচ্ছে । আগের জমানায় প্রত্যেক ধর্মাবলম্বী মানুষ নিজ নিজ ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিল । বর্তমানে সেটা নেই । এমনও পরিবার আছে বাবা মা এখনও মোটামুটি ধার্মিক , কিন্তু তাদের সন্তানেরা আধুনিকতার নাম করে ধর্মকে ও ধার্মিকতাকে অবজ্ঞার চোখে দেখে । কলুষিত মিডিয়া ও বৈরী পরিবেশ-ই এর মূল কারণ ।)


=@ এর জন্য কে বেশী দায়ী....মানুষ? না ধর্নগুলি নিজে ....?...এটা বিতর্ক সাপেক্ষ ব্যাপার....


২. মানুষ বিভিন্ন রকম পার্থিব আনন্দ ও রং তামাসায় মেতে থাকবে ।


=@ভাই মানুষ মুখ গোমড়া কইরা বইসা থাকলে কি কিয়ামত বন্ধ থাকবে?


৩. নাচে - গানে মানুষ মত্ত থাকবে ।


=@আপনার কি ধারনা ২/৪ হাজার বছর আগের মানুষ নাচানাচি করতো না?.সব ধার্মিক ছিলো?

৪. মসজিদে বসে দুনিয়াদারীর আলাপ আলোচনায় লিপ্ত হবে ।


=@ ইসলামের শুরুর দিকে খেলাফতে মসজিদ সকল রাস্ট্রিয় কর্মকান্ডের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো....মসজিদকে কেন্দ্র করেই সে সময় রাস্ট্র পরিচালনা হতো..রাস্ট্র পরিচালনা কি দুনিয়াদারীর আলাপের মধ্যে পরে না?..যদি পরে তাইলে এখন এই কথা ক্যান?


৫. সমাজে ও রাষ্ট্রে অযোগ্য লোক এবং মহিলা নেতৃত্ব শুরু হবে ।

=@অযোগ্য লোকের হাতে পরে আগেও বহু দেশ সভ্যতা ধংস হইছে...


৬. মানুষের মধ্যে ভক্তি, শ্রদ্ধা, স্নেহ ও ভালোবাসা কমে যাবে ।

( বর্তমানে মানুষের মধ্যে প্রকৃত পক্ষেই এসব কমে যাচ্ছে । সবাই নিজেকে নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত । বয়স্কদের শ্রদ্ধা করা, ছোটদের স্নেহ করা ও মানুষে মানুষে ভালোবাস ও অন্তরের টান হারিয়ে যাচ্ছে ।)

=@ ভালো বলছেন.... তবে আগে মানুষ গোরুর গাড়িতে চইরা এক যায়গা থেকে আরেক যায়গায় যাইতো...আর এখন ....গাড়িতে চইরা যায়.।
আসলে মানুষের হাতে জীবনকাল খুব কম এই জিনিসটা মানুষ যত বেশী উপলদ্ধি করছে ততই সে নিজেকে নিয়ে ব্যাস্ত হচ্ছে...।

৭. ঘন ঘন ভূমিকম্প হতে থাকবে ।

( হাইতির ভয়াবহ ভূমিকম্প, ইরান , ভারত , চীন ও আমাদের দেশেও ভূমিকম্পের প্রকোপ বেড়ে গেছে ।)

=@ভাইরে.... ভুমিকম্প হয় মহাদেশীয় প্লেটের নাড়াচড়ার কারনে...এই প্লেটগুলি ২ লাখ বছর আগেও নড়ছে ..এখনো নড়ে..যতদিন পিত্তিমি থাকবে ততদিন নড়বে...

৮. সব দেশের আবহাওয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দেবে ।

=@একই কথা...এইটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার..এখন থিকা ১০,০০০ বছর আগে সাহারা মরুভুমি ছিলো বিরাট বড় জঙ্গল আর ইউরোপ ছিলো একটা বরফের ময়দান..।হিমালয় পাড়ের যায়গাতে ছিলো সমুদ্র...।

৯. অত্যাধিক শিলা বৃষ্টি হবে ও বৃষ্টির সাথে বড় বড় পাথর বর্ষিত হবে ।

শিলাবৃষ্টির সাথে পাথর এখনো দেখি নাই...তাই কইতে পারলাম না..

১০. মানুষের রূপ পরিবর্তিত হয়ে পুরুষ স্ত্রীলোকের ন্যায় ও স্ত্রীলোক পুরুষের রূপ ধারণ করবে ।

( বর্তমানে স্ত্রীলোক পুরুষের ন্যায় শার্ট প্যান্ট পরে পুরুষের ন্যায় চলাফেরা করে আর পুরুষ কানে দুল পরে , হাতে বালা পড়ে মেয়েলোকের ন্যায় চলা ফেরা করে । পাশ্চাত্য দেশে ইহা ব্যাপক ভাবে দেখা যায় । বর্তমানে পোশাক দেখে বোঝার উপায় নেই পুরুষ না মহিলা )

=@পোষাক যার যার ব্যক্তিগত রুচির ব্যাপার হলেও সমগ্র পৃথিবীরতে যেই সমাজ বা সংস্কৃতি সামরিক ও অর্থনৈতিক ভাবে ডমিনেট করে তাদের আচার ব্যাবহার এর একটা প্রভাব পৃথিবীর বাকি জনগোস্টির ওপর পরে....আরবরা যখন স্পেন,বাইজেন্টিয়াম,এশিয়া মাইনর দখল করে এবং গুরুত্বপুর্ন বানিজ্য রুটগুলির ওপর কর্তৃত্ত বজায় রেখেছিল তখন তাদের পোষাক,আচার আচরন,রুচি,মুল্যবোধ ইউরোপ সহ দুনিয়ার বহু অঞ্চলে একই সময় বা কিছু পরে প্রভাব রেখেছিল। এখন লাঠি আর টেকার ঝোলা যাদের হাতে তাদের সংস্কৃতি সারা দুনিয়ায় প্রভাব বিস্তার করবে এইটার সম্ভবনাই বেশী..



শেষে বলি...ভাইসাব দেশে এখন মোটা চাঊলের কেজি ৩৬ টাকা ...আর আপনে আছেন কিয়ামত কবে হইবো সেই চিন্তায় ....ধর্ম সংক্রান্ত অনেক ভালো ভালো টপিক্স আছে...সেগুলি নিয়া পোস্টান...

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:১৪

েশখসাদী বলেছেন:

....মানুষ ধর্মভীরু না হলে এবং আল্লাহকে ভয় না পেলে সব সময় সমস্যা লেগে থাকবেই । এজন্যই এই পোষ্ট ।

১৬| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: লেখক বলেছেন:

.......বোকারাম .......ইতিহাসের কয়টা জায়গায় আছে মাহিলা নেত্রিত্বের কথা ? হাদিসে এটা ই বলা হয়েছে যে মাহিলারা নেতা হবে ।

ধর্ম পুরুষ রচিত.!....ধর্ম খালি পুরুষরাই পালন করে ? দেখেন গিয়া পুরুষদের থেকে মহিলারাই বেশী ধার্মিক হয় ।



ধইরা নিলাম আমি কিছুই জানি না। যদি ইদানিং আমার মাথা ভাদ্র মাসের মতোই চাউর থাকে তাই দেখা যায় আমার কমেন্টগুলায় অনেক রাগ থাকে, তার জন্য সরি...আমার মাথা গরম।

যাই হোউক, উপরের এই কমেন্ট আর আপনের পোস্টের " সমাজে ও রাষ্ট্রে অযোগ্য লোক এবং মহিলা নেতৃত্ব শুরু হবে ।" কন্ট্রাডিক্টরী।

ইতালির থেওডেলিন্ডা, জাপানের জিমো, সুইকো টেন্নো, কোগিওকো, মালদ্বীপের সুলতান আমিনা রানী, রোমান এম্পায়ারের প্রিন্সেস আইরিন এরা কত সালে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলো? জানবার চাই!

কুটিকালে শুনতাম সৌদীতে নাকি ভূমিকম্প (২৩/১১/২০০৬, ৫/১৯/২০০৯ তে খবরে আসলো যদিও তেনারা এই খবরটারে ধামাচাপা কেন দিতে চায় খোদা জানে)হয় না, মাগার যখনই নেটের লাইন হাতে আসলো আর যখনই সার্চ মারলাম তখন দেখলাম লে হালুয়া!

একখান কথা কই আপনের কথাটা স্হূল। আপনেরে কিছু পরিসংখ্যান দেই নেটের লাইন খাইটা এগুলানের সময়কাল বাইর করেন: উচ্চমাত্রার ভূমিকম্পের মধ্যে চিলির আরিকা, ইন্দোর সুমাত্রা, পেরুর লিমা ভিসিও রয়ালিটি তয় এইখানে একখান কথা ভূমিকম্প আগেও ঘটছে মাগার সেইটা নির্নয় করনের যন্ত্র আর তথ্যাদি তো আরবের চাপাবাজ লোকেরা আবিষ্কার করে নাই তাই তাগো কথার উপর বেজ কইরা কিছু কওনটাই বোকামী।

আর সবচেয়ে মৃত্যুসংহরনকারী ভূমিকম্প চায়নার সাংসী, তুর্কীর এনটিওক, সিরিয়ার আলেপ্পো, বাংলাদেশের সিলেট সেই ১০ই মহররম যার কারনে ব্রম্মপূত্র তার গতি পরিবর্তন করে। সময় কাল দেখেন। আর ইরানের শয়তান খোমেনীর সেই ডায়লগতো নাম করা: পশ্চিমা নারীরা উলঙ্গ হয়া ঘুরে তাই ইরানে ভূমিকম্প হয় (-৩১ এ উলঙ্গ হইয়া মনে হয় খোমেনীর বৌ ঘুরে B-) B-) B-) B-) B-) B-) B-) B-) )। মিথ্যাচারের লিমিট থাকে!

শুনেন, আল্লাহ ততদিন কেয়ামত দিবো না যতদিন এই পৃথিবীতে একজন কলেমা ওয়ালা লোক জীবিত থাকবে আর সেই হিসাবে পৃথিবীর আয়ু কমসে কম ৫০০ বছর কারন উইকি পিডিয়া দেখেন মুসলমানরা যেমনে অনিয়ন্ত্রিত যৌনাচার (তাগো বিয়া করা একাধিক বৌ বা এক বৌ)কইরা যেমনে আল্লার বান্দা বাড়াইতাছে এক্সপোনেনশিয়াল রেটে, কি কমু আর।

আপনের হতাশা বুঝি। একখান কথা কই তত্বাবধায়ক সরকারের আমল আমারও পছন্দ হইছে যদিও বাপের ব্যাবসা পুরা ডাউন হইছে। আমি নৌকারে ভোট দিছিলাম না, দিছিলাম না ভোটে, কারন আমাগো এলাকার আসলাম হইলো একটা শয়তান আর খালেক হইলো একজন রাজাকার ভূমিদস্যু। আর বাকি গুলান হয় ডাইল খোর নাইলে গান্জ্ঞার ডিলার। তয় দেশের সাহারা খাতুন, হাসিনা, খালেদারে দেইখা পুরা বিশ্ববাসীর উপর একটা ধারনা নিবেন এইটা হইলো বোকামী। কোন দেশে আছেন জানি না, তবে আমি যেইদেশে আছি খোদার কসম দেইখা যান, পুরা দেশটাই নাস্তিকের মাগার যখন পুরানা গীর্জা যখন মসজিদ বানানের পারমিশন দেয় অথবা যেই ইউনি যেখানে কোনোদিন ধর্ম চর্চা হয় নাই সেইখানে খালি মুসলিম গো লিগা পুরা একটা নামাজ পড়নের লিগা দিয়া দেয়, যেইখানে এখনই ৯৮% কাজ চলে বিশ্বাসের উপর, যেইখানে মিথ্যা কথা কি, রেসিজম কি সেইটাও মানুষ জানে না (এরকম দেশের সংখ্যাই পশ্চিমে বেশি ) যেইখানে সারা পৃথিবীর অব হেলিত মানুষদের শুধু কাগজ পত্র দেইখা ধর্ম বা অন্যকিছু বিবেচনা না কইরা এসাইলাম দিয়া নাগরিক বানাইয়া মাসে মাসে ইউরো ক্রোনার গুনার তাগো কথাটা আমলে না নেয়াটাও হিপোক্রেসি অথবা নিমক হারামী। বাংলাদেশের গোড়া আলেম বা মাদ্রাসাগুলা যেখানে জাতীর বোঝা ছাড়া কিছুই তৈয়ার হয় সেগুলা কেন গন শাট ডাউন করা হয় না সেইটা নিয়া না লেইখা অথবা যখন ইউরোপের এসব দেশে যখন আফগান, ইরাক, ইরানের মটো কুকুরের দেশের জন্য বোমা ফাটায় তখন সেইটা নিয়াও যখন লেখা না হয় তখন বলেন মেজাজ ঠিক রাখি কেমনে?

এখন আপনে অবশ্য কইতে পারেন আমি পশ্চিমাদের পা চাটা কুত্তা? বলতে পারেন, কারন আল্লায় আপনেরে মুখ দিছে আর আমারেও মুখ দিছে খোদা হাফেজ বলনের!

অন্যায়ের প্রতিবাদ যখন করবেন তখন সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ করেন, আল্লাহ খুশি হবেন, জিহাদ এইটাই!

১৭| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৯

বন্ধনহীন বলেছেন: মাহফুজশান্ত ভাইয়ার বলগের লিংক নীচে।

Click This Link

এখানে ইসলামিক বিজ্ঞান সম্পর্কে ওনার অনেক গবেষণার সারবস্তু আছে।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:১৮

েশখসাদী বলেছেন:

...ভাইরে আমি উনার ব্লগ নিয়মিত পড়ি । ...

১৮| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩৪

অনিক আহসান বলেছেন: বন্ধনহীন ভাই...ইসলামিক বিজ্ঞানটা আবার কি জিনিস?

১৯| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৮

শয়তান বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভালা কথা, মাওলানা আবূল কালাম কি ঐ রাজাকারটা না?


বাচ্চু রাজাকারের কথা কৈলেন নাকি :)

২০| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০০

হেডস্যার বলেছেন:
কমেন্ট পড়লেই ১ নাম্বার আলামত টের পাওয়া যায়।

২১| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৫০

শয়তানেকচুয়াল বলেছেন: @ হেডস্যার: সহমত।

এদের অনেকের দৌড় গুগল পর্যন্ত, অথচ ঘরেই যেসব কোরআন-হাদীসের বই আছে, তা পড়েও দেখে না।

- ঘন ঘন ভুমিকম্পের কথা বলা হইছে, অথচ এরা কোন ভুমিকম্প ভয়ঙ্কর ছিলো ঐটা নিয়া তর্ক করতেছে।

- মহিলা রাষ্ট্রপ্রধানদের সংখ্যা বেড়ে গেছে, আগে যদি ১০ জন মহিলা রাষ্ট্রপ্রধান থেকে থাকে, তাহলে এখন আরো বেশি আছে।

@অনিক আহসান:
মসজিদে রাষ্ট্রপরিচালনার কথা বলেছেন, কথা ঠিক। কিন্তু তখন মসজিদে বসে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনা করা হত, যেখানে রাষ্ট্রের প্রতিটা নিয়ম-কানুন ছিল আল্লাহ ও রাসুল এর দেখানো নিয়ম অনুযায়ী। আর যখন কোনো কাজ আল্লাহ ও রাসুল এর দেখানো নিয়ম অনুযায়ী হয়, তখন তা ইবাদত হিসেবে গন্য হয়। এবং মসজিদ ইবাদতখানা।
কিন্তু এখন তো এই নোংরা রাজনিতীর কথা মসজিদে করার প্রশ্নই ওঠে না। বরং আমরা মসজিদে অনেক লোকজনকে হাই-হ্যালো টাইপের গল্প করতে দেখি।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:২২

েশখসাদী বলেছেন:
.......ভাইরে...........আজকালকার পোলাপান বিজ্ঞানরে পূজা করে.....এরা এখন বিজ্ঞান আর গুগল এর চশমা পরে সব কিছু দেখে ।

২২| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: লেখক বলেছেন:
.......ভাইরে...........আজকালকার পোলাপান বিজ্ঞানরে পূজা করে.....এরা এখন বিজ্ঞান আর গুগল এর চশমা পরে সব কিছু দেখে





কেন মনে করেন আপনেরা যেইটা জানেন সেটাই সত্য? কেন মনে করেন এত গুলো বছর আপনাদের মতো এসব গোড়া চিন্তার লোকদের চিন্তাধারা দৈনিক হাজারবার ভুল প্রমানিত করা যায় কোরান শরীফের আয়াত দিয়াই সেখানে এতো গর্ব কিসের? একটা আয়াত দিয়াই যুক্তি দেখাইতে পারলেন না, যদিও সেটা অসম্ভব কিছু না কারন নিজেদের করা শানে নযূলে সেটাও সম্ভব। ধর্ম তো মনে হয় আপনেগো ফুটবল সেইজন্যই কখনোই বুঝেন না যে বিজ্ঞানের বেসিকের সাথে ধর্মের কতো মিল। বিজ্ঞান যখনই কোনো কিছু সত্য বলে ধারনা দেয় তখনই দেখা যায় সেটা মূলত ধর্মে ইঙ্গিত দিয়ে দিয়েছে!

আপনাদের মতো এত বুঝা লোকেরাই দেখা যায় একটু বেশী বুঝে! খালি একটা জিনিস জানেন বিশ্বাস যোগ্য এবং সত্যভাবে বলুন দেখবেন ইসলামের আলোতে আলোকিত লোক পাবেনই। এরম হাবিজাবি যুক্তিহীন কথা কইলে এমুন কিছু শুনতে হইবোই!

২৩| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আর যেসব লেখছি এইসব লিখতে গুগল লাগে না, খালি চোখ কান খোলা আর কুরানের একটা শব্দ ইকড়া এইটা মনে রাখলেই হইবো! থাকেন তো গুজবসৃষ্টিকারী শয়তানের জায়গা মিডলঈস্টে এর চেয়ে বেশী কিছুই বুঝবেন না!

০১ লা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৫৪

েশখসাদী বলেছেন:

........আপনে ভাই বড় বেশী বলতেছেন...আমি যা বলেছি আমার বানানো কথা নয় .....মহানবী (সা.) অনেক বার শেষ সময়ের কথা বলেছেন....আমি সেগুলোই আলোচনা করছি মাত্র ।

.....ধন্যবাদ ।

২৪| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:২৩

কাকপাখি ২ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ঘন ঘন ভূমিকম্প হতে থাকবে ।

উদাসি স্বপ্ন বলেছেন: ১৮৯৯ সালে সিলেটে যেই ভুমিকম্পটা হইছিলো ১০ মহররমে ঐটাও কি ভূমিকম্পের আলামত? ঐটার মতো একটাও ভূমিকম্প ঘটলো না। ভালা কথা সৌদিতে ভূমিকম্পে বছরে কয়টা হয় একটু জানাও তো দেখি চান্দু? মিথ্যুক কোন খান কার!

শেখসাদী ভাই, উদাসিরে জিগান এই গ্রাফের ব্যাপারে তার বক্তব্য কি। (And tell him to support his statement by valid reference)



২৫| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৩১

কাকপাখি ২ বলেছেন: আরেকটা রেফারেন্স

Click This Link

২৬| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৪০

কাকপাখি ২ বলেছেন: উদাসি যদি ভুমিকম্প ডিটেকশন ডিভাইসের নাম্বার অব ডিপ্লয়মেন্ট নিয়া তাংফাং করতে আসে, তাইলে এই লিংকটা দিবেন।

http://www.earth.webecs.co.uk/


this trend needs to be understood in relation to the increase in seismographs. Certainly, in the last 25 years, more lower intensity earthquakes have been noticed because of a general increase in the number of seismograph stations across the world and improved global communications. This increase has helped seismological centres to locate many small earthquakes which were undetected in earlier decades. Therefore, an upward trend is not unexpected in the graph, although the rise in the number of large earthquakes will be of more significance to our assessment of the trend. By limiting the range of earthquakes being counted in this report to magnitude 7 or above, it means these earthquakes can easily be identified by a limited number of seismographs, and we have ensured that any increase in frequency for these larger earthquakes cannot be down to the increase in overall detection rates in this 25-year period, as all these larger earthquakes are able to be easily detected with fewer seismograph stations

২৭| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:১৭

পারভেজ আলম বলেছেন: ৫ শতকে এটিলা দা হুনএর আক্রমনে খ্রীষ্টান রোমান সাম্রাজ্যের যখন জান যায় যায় অবস্থা তখন রোমবাসী এটিলা দা হুন'কে চিহ্নিত করলো এন্টিক্রাইস্ট তথা দাজ্জাল হিসাবে। আসন্ন কেয়ামতের ডরে রোমবাসী তখন বিপর্যস্ত আর অপেক্ষা করতে লাগলো ঈসার আগমনের। কেয়ামত বা ঈসা কেউ তখন আসে নাই। হুনদের জন্য অবশ্য সময়টা তখন খারাপ কিছু ছিল না, দুনিয়ায় এত তাকত তারা এর আগে বা পরে আর কোনদিন অর্জন করতে পারে নাই।

১০০০ শতকের আগ দিয়া ইউরোপে উঠলো কেয়ামতের হাকডাক। চারিকিকে যুদ্ধ, মহামারি আর প্রাকৃতিক দূর্যোগ। এর সাথে যুক্ত হইল দিকে দিকে নানান অলৌকিক মাযেজার খবর। কেয়ামতের আগমনের ডরে ইউরোপ আবার উদ্বেলিত হইল, সেই সাথে ঈসার আগমন আর তথাকথিত র‌্যাপচারের আশায় বাধলো বুক। এইসব কাহিনী ইতিহাসে আছে। যাই হোক। ঈসা আসেন নাই, কেয়ামতও হয় নাই। এশিয়ায় অবশ্য তখন ভিন্ন কাহিনী, বিশেষ কইরা আরব দেশে। আরব মুসলমানরা তখন জ্ঞান, বিজ্ঞান আর সামরিক শক্তিতে দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ, কেয়ামতের ডর তাগো নাই।

১২ শতক নাগাদ অবশ্য কাহিনী পরিবর্তন হইয়া গেলো। একের পর এক মোঙ্গল আক্রমন, হত্যা, লুন্ঠন আর অপমানে মুসলমানদের তখন জান যায় যায় অবস্থা। এহেন অবস্থায় আরবরা মোঙ্গলদের চিহ্নিত করলো ইয়াযুজ মাজুজ হিসাবে। ডরাইলো আসন্ন কেয়ামতের আর আশায় বুক বাধলো ইমাম মেহেদির আগমনের। ইমাম মেহেদি অবশ্য আসেন নাই, কেয়ামতও হয় নাই। মোঙ্গলগো লাইগা কেয়ামত দূরে থাকুক, কোন কিছুরই ভয় ছিলনা তখন। দুনিয়ায় তখন মোঙ্গলরা সবচেয়ে প্রতাপশালী জাতি।

২০০০ সালের আগ দিয়া দুনিয়ায় কেয়ামতের যেই গুজব রটছিল সেইটা মনে আছে আমাদের এখনো। নস্ত্রাদামাসের কিতাব আর বিবলিকাল সাহিত্যের জের ধইরা ইউরোপ আম্রিকায় আবারো উঠলো কেয়মতের গুজব, সেই গুজবের ঢেউ আইসা এমনকি আছাড়াইয়া পরলো আমাগো বাংলাদেশ পর্যন্ত।

এইগুলান কিছু উদাহরণ মাত্র। নিজের সময়রে দুনিয়ার শেষ সময় মনে করার একটা মানসকি রোগ ইউরোপ আর আরবের আছে। কিছু কিছু যুগে এই রোগটা গণ হিস্টিরিয়ার রূপ ধারণ করে।

পার্থিব আনন্দ আর রঙ তামাশায় মানুষ আগেও মাইতা ছিল। মধ্যযুগে বাংলাদেশের মানুষের যৌন স্বাধীনতা আরো অধিক ছিল। মুসলমানদের স্বর্ণযুগে মসজিদই ছিল সবকিছুর মূল কেন্দ্র, সামাজিক কমিউনিটি সেন্টার। দুনিয়াবী বহুকিছুই, যেমন সামাজিক এবং রাজনৈতিক নানান স্বিদ্ধান্ত এবং আলাপ আলোচনা মসজিদেই হইতো। প্রাকৃতিক দূর্যোগের ব্যাপারে আমি কোন এক্সপার্ট ব্যক্তি না। গ্লোবাল ওয়ার্মিংরেও কোন মিথ মনে করি না। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির কারণে সারা দুনিয়ার দূর্যোগের খবর আমরা যেই হারে এখন পাই আগে সেই সুযোগ ছিল না। আগের যুগের সাথে তাই তুলনা করা কিঞ্চিত দুস্কর।

তবে আমি মূলত এই পোস্টের নারী অবমাননাকারী সূরের জন্য মাইনাস দিলাম। আর আরেকটা বিষয় হইল যে, কেয়ামত বিষয়ে বিভিন্ন হাদিসের পুস্তকে বিভিন্ন রকম বর্ণনা আছে, সুতরাং রেফারেন্স ব্যতিরেকে এই জাতীয় পোস্ট দেয়া উচিত না।

২৮| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:২০

পারভেজ আলম বলেছেন: আপনের নাম দেইখা একটা কথা মনে পইরা গেলো। শেখ সাদি একজন হোমো সেক্সুয়াল অথবা বাই সেক্সুয়াল ছিলেন। তার কবিতায় হোমো সেক্সুয়ালিটির উপস্থিতি এত বেশি যে তারে পুরাপুরি স্ট্রেইট বলার সুযোগ খুব কম। তারপরও তিনি মধ্যযুগের মুসলমি কবিদের মধ্যে অনত্যম শ্রেষ্ঠ গণ্য মধ্যযুগের আরব মুসলমিদের যৌন নৈতিকতায় সমকামিতার প্রতি টলারেন্স কেমন ছিল তাইলে চিন্তা কইরা দেখেন। এইটা বললাম এই বুঝানের জন্যে যে যায় দিন ভালো আসে দিন খারাপ, অথবা বেলাল্লাপান সব এই যুগেই আগের যুগের মানুষ অনেক রক্ষনশীল ছিল এহেন ধারণা যে ভুল সেইটা বুঝানোর জন্য।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.