নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

শেরজা তপন

অনেক সুখের গল্প হল-এবার কিছু কষ্টের কথা শুনি...

শেরজা তপন › বিস্তারিত পোস্টঃ

আলকাশ –পর্ব ১২

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৪:০৯


আগের পর্বের জন্যঃ Click This Link
আলকাশ প্রথম পর্বঃ Click This Link
. আলকাশ
[আলকাশের সঠিক বাংলা অভিধানিক অর্থ আমার জানা নেই। মদে যার প্রচন্ড আসক্তি-মদ ছাড়া যে একটা মূহুর্তের কথা ভাবতে পারেনা তাদেরকে রুশীয়রা তাচ্ছিল্য করে ‘আলকাশ’বলে ডাকে। ইংরেজীতে যাকে বলে ‘এ্যালকোহলিক’(কিন্তু আলকাশ শব্দের অর্থ ঠিক এ্যালকোহলিক নয়, এটা কিছুটা বিদ্রপাত্মক, কিছুটা শ্লেষাত্মক-আবার কিছুটা মজা করার জন্যও বন্ধু বলে বন্ধুকে কিংবা প্রেমিক প্রেমিকাকে) এর অর্থ আমরা ধরে নিই মদ-আসক্ত। যাকে নিয়ে আমার এই লেখা তাকে আমি ঘনিষ্ঠ ভাবেই চিনি। প্রায় দেড় যুগেরও বেশী সময় তার সাথে কোন যোগাযোগ নেই। আমার সেই বন্ধু নিজে থেকেই হারিয়ে গেছে-হয়তো চিরতরে…। এই লেখাটা তাকে উৎসর্গ করছিনা –করছি ভাগ্য বিড়ম্বিতা সেই বিদেশীনিকে;যাকে সে ভালবেসেছিল।]
সে রাতের পর থেকে আমার জীবন-যাপন আমুল পাল্টে গেল!
মইন আর লারিসার আমাকে আর বিশেষ একটা দরকার পরে না। ওরা নিজেদের নিজেরা বুঝে নিয়েছে খানিকটা। প্রথম চুম্বনের পর তাদের শারিরিক মেলামেশা বেড়েছে একটুখানি। আমার বর্তমান - বা অনুপস্থিতি ভাল বাসায় ব্যাঘাত ঘটায় না। শরিরের ছোঁয়াছুঁয়িতে ভাষা লাগেনা। শরিরের-ই এক নিজস্ব আদিম ভাষা আছে। তবে লারিসা সর্বক্ষণ সংকুচিত থাকে। হয়তো মনটাকে সে এখনো বশে আনতে পারেনি, দ্বীধা –দ্বন্দে কাছে আসার সংকোচ। ওদের মান-অভিমানে বা তীব্র উচ্ছাসে আমার ডাক পড়ে।
আমি তখন অন্য ভুবনের বাসিন্দা! সে রাতের গান গুলো শুনি সর্বক্ষণ আর মহা সুমুদ্রের এ-কুলে ও-কুলে আবেগে ভাসি।
মন বলে সে ফের আসবে না –আর অন্তর বলে এ প্রেম এভাবে হারাবার নয়।
লারিসা আমার মনের ভাষা পড়ে ফেলে টপ করে আর মইন তাকে খোঁচায়!! আমি বুঝি লিয়েনা লারিসার বন্ধু হলেও, অর্থনৈতিক- মানসিক দুরত্ব বেশ অনেকখানি। ফোন করে আসতে বলতে তার দ্বীধা। কিন্তু মইন নাছোড় –অবশেষে দ্বীধা ঝেড়ে লারিসা ওকে ফোন দেয়।
পৃথিবীতে অতি আশ্চর্যজনক কত কিছুই না প্রতিদিন ঘটে। তেমনি ভাবেই আমাকে ভীষণ ভাবে অবাক করে দিয়ে, লিয়েনা কথা দিল আসবে। সাথে আবার একটু মাখন স্প্রেড করল, আমাদের সাথে গল্প করে তার নাকি ভাল লেগেছে।

এত সুখের মাঝেও বুকের এককোনে কোথায় যেন সারাক্ষন কাটার মত বিঁধত। আবেগ ঝেড়ে বাস্তবতায় ফিরে আসতাম। ভাবতাম,আমি এদেশে এসেছি কি এভাবে নিস্কর্মার মত শুয়ে বসে আড্ডা মেরে দিন কাটানোর জন্য?সেই সাথে কারো অনুগ্রহ(তার মধ্যে যতই আন্তরিকতা থাকুক না কেন)করুনা সেই সাথে সহানুভুতি সহমর্মিতার জোয়ারের সামনে নিজেকে বড় বেশী অপাঙ্ক্তেয় মনে হত।
অপেক্ষা করতাম মস্কো থেকে একটা বিশেষ ফোন কলের,আনিস ভাই আমাকে বলছেন ;‘জলদি চলে এসো,পারলে বিমানে করে —কালকেই,তোমার টাকা রেডি’। হাঃ! এখন মনে হয় এটা তখন শুধুই সপ্নেই সম্ভব ছিল। কেননা আমি জানতাম না যে, মস্কো থেকে এখানে আসার মাস দুয়েকের মধ্যে সেই ব্রাদারের অর্থনৈতিক অবস্থার আরো শোচনীয় অবনতি হয়।সব দায় থেকে মুক্ত হওয়ার মানসে (!) তখন কিছু ভয়ঙ্কর ও দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ততদিনে তার প্রায় ভিখেরির দশা হয়েছিল,পাওনাদারদের চাপে পালাবার পথ পাচ্ছিল না।সুবিধাভোগী বন্ধুরা সুযোগ বুঝে কেটে পড়েছে।
-কি ভাই কি এত ভাবেন? সমস্যা তো সল্ভ।
আমি শুকনো মুখে হাসি, বলি- ভাইরে এভাবে আর কতদিন! আমাকে তো যেতে হবে।
-ফাও প্যাচাল বাদ দেন। আমার বিয়ে সাদির আগে এখান থেকে কোন নড়া-চড়া নাই। আর যাবেন কই? আনিস ভাইতো ভাগছে।
উত্তর খুজে না পেয়ে আমি তার দিকে করুন উদাস চোখে তাকাই। সে আমাকে আশ্বাস দেয়;
-বিয়েটা হোক তারপরে আপনার পড়াশুনার দায়িত্ব সব আমার। ওঠেন ওঠেন গা ঝাড়া দেন। কালকে-তো আসতেছে, বলেই চোখে আমাকে অন্যরকম ইশারা করে। বাপ বলে হেভী মালদার। ভাই, লাক একখান আপনের। যদি পটাইতে পারেন- তাহলে দুইজনে মিলে একসাথে বিয়ে করব। ভাবেন একবার , তাক লাগানো ব্যাপার হবে!
মলদোভিয়ার ইতিহাসে আমাদের নাম উঠে যাবে!!
আমি আড়মোড় ভাঙ্গতে চাই, কিন্তু ফের এসে হানা দেয় লিয়েনা আমার দিবা সপ্নে! তার আগমনের ঝড়ে সব এলোমেলো হয়ে যায়।
অবশেষে লিয়েনা আসল। হাতে এক গোছা ফুল আর মায়ের হাতে বানানো কেক নিয়ে, এবার তার পরনে ছিল সাদা-কালো চওড়া স্ট্রাইপের সার্টিনের শার্ট আর হাটু অব্দি ঝোলানো কালো স্কার্ট । পায়ে উচু হিলের জুতা। অতি সাধারন রঙের পোশাকে কোন নারীকে এত অসাধারন লাগে, লিয়েনাকে না দেখলে বুঝতাম-ই না। মুখে একটু রুজ-পাফ বোলায় না কিন্তু কি উজ্জ্বল ধারালো তার মুখের জ্যোতি। সেদিন দেখেছিলাম, গোধুলী লগ্নে সূর্যের সোনালী আভায়। আর আজ দেখলাম তাহার-ই অসীম কৃপায় পরিপূর্ণ আলোতে। এ মেয়ে চলনে –বলনে, পোষাকে-গড়নে আর দশটা রুশ মেয়েদের থেকে ভিন্ন। উজ্জ্বল শুভ্র ত্বক, ঢেউ খেলানো কালো কেশগুচ্ছ, গাঢ় কৃষ্ণ আই-ব্রো, গভীর কাক চক্ষু জলের মত চোখ,অতি আকর্ষণীয় পৃথুলা গড়নের পাশে অন্য নারীদের ফিকে লাগে। কেশগুচ্ছ দুলিয়ে ভারী বক্ষ আর নিতম্বে ঝড় তুলে যখন ব্রজেশ্বরী চলেন তখন নেহায়েত নিরস পুরুষ ও আড়চোখে তাকায়।

আজকে সে গল্পের মুডে আছে। সেদিনের থেকে অনেক উচ্ছল আর প্রানবন্ত। লারিসার মুখের ভাবে মনের কথা বোঝা মুশকিল, কিন্তু মইন চরম খুশি। একদিকে লারিসার সাথে এত্ত কাঠ-খড় পুড়িয়ে খানিকটা ঘনিষ্ঠতা ওদিকে আমার মনের মানুষ খুজে দেয়ায় একটু খানি সফল। সে যেন তার ঋণ শোধ করতে চাইছে।
প্রথমে চারজনে বসে একসাথে গল্প। এরপর মইনের ওয়াইন খাবার আমন্ত্রন। একটু নেশা, তারপর খানিক্ষন নাচ গান।
মদ খেলেই মইন চঞ্চল হয়ে ওঠে লারিসার শারীরিক সান্নিধ্য পাবার জন্য। আমি আর লিয়েনা ওদের একটু ঘনিষ্ঠ হবার সুযোগ দিয়ে বারান্দায় চলে গেলাম। আমি গল্প করি কম শুনি বেশি! বললাম না; সে আজ গল্পের মুডে আছে। পাশাপাশি বসে গল্প করলে ওর দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাতে কুন্ঠা হয়, আবার সামনা সামনি বসলে ওর শারীরিক সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হই!
এ মেয়ের রুচিবোধ উচুমানের হলেও শারীরিক শুচিতা কম! কথা বলতে বলতে, কখনো শরিরের স্পর্শকাতর অংশে তার-আমার ছুঁয়াছুঁয়ি হয়ে যাচ্ছে সেই নিয়ে তার মাথা ব্যাথা নেই। যত দায় আমার। আমিতো এমনিতেই খানিকটা নেশার ঘোরে আছি- তার ছোঁয়ায় পুরো পিয়ানি( বদ্ধ মাতাল) হয়ে গেলাম।
সে মেয়ে অবলীলায় গল্প করছে তার প্রাক্তন প্রেমিকদের নিয়ে। একটা দুটো নয় পুরো গন্ডা তিনেক! কোন দ্বীধা নেই, লাজুকতা, সঙ্কোচবোধ কিছুই নেই। এসব নিয়ে গল্প শুনি আর তার প্রতি ভাললাগা আমার উত্তরোত্তর বাড়তে থাকে। কি মুশকিল – আমার যেন মনে হচ্ছে স্বর্গ থেকে অপ্সরা ধারিত্রিতে এসেই আমার কোল ঘেষে বসে পড়েছে। তার সব গল্পই যেন তাকে ছাড়া মানায় না-কিংবা সব অলীক মিথ্যে বা সপ্ন!
সে আমাকে একটা করে প্রেমের গল্প বলে আর আমি বড় বড় চোখ নিয়ে অবাক হয়ে শুনি। খুটিয়ে খুটিয়ে জিজ্ঞেস করি তারপরে কি হোল? কেন যেন মনে হচ্ছিল গল্প শেষ হলেই সে চলে যাবে – আমি তাকে কোন মতেই হারাতে চাইছিলাম না। ওর সব কিছুই ভাল লাগছে তখন- দু’চার দশটা পুরুষের শয্যাসঙ্গিনী হয়েছে জেনেও আমার কোন বিকার নেই। সত্য ক’জনে এমন অকপটে বলতে পারে।
গল্পের মাঝখানে এক হাত বাড়িয়ে করমর্দনের ভঙ্গিতে বলল, ফ্রেন্দ।(সে টুক টাক ইংরেজীও জানে)
আমি মৃদু হেসে তার হাতখানে ধরে ‘ফ্রেন্ড’ বলে- তার সামনে এক হাটু মুড়ে পানি-প্রার্থী হবার ভঙ্গিতে অনুনয় করলাম, ফের কবে দেখা হবে?

পরের পর্বের জন্যঃ Click This Link

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৪:৫৩

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: অনেক মাস বা বছর পরে ব্লগে আসলাম-- আপনার লেখা পড়লাম, হুমমম ভাল লেগেছে।
সে রাতের পর থেকে আমার জীবন যাপন পাল্টে গেল ---” বেশি পাল্টায়ে না আবার --- হা হা হা
হুমম পরের পর্ব আসুক ---চলুক ------

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৮

শেরজা তপন বলেছেন: আপনাকে দেখে চরম পুলকিত হলাম। কতদিন বাদে আপনাকে পেলাম! মনে হচ্ছে পুরনো দিনে ফিরে গেছি।
না না আমি সে রকমই আছি পাল্টে গেছে মিশুর জীবন :)
ধন্যবাদ আপু, নিয়মিত আসতে থাকুন- লিখুন

২| ১৭ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৩

ঘরহীন বলেছেন: সুন্দর কাহিনী। আপনার জীবন থেকে নেয়া তাই একদম যেন চোখের সামনে দেখলাম ঘটতে।

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫২

শেরজা তপন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে @ ঘরহীন! আচ্ছে বলুনতো আপনিকি এযাবৎ একটা মাত্র পোষ্ট করেছেন???
যদি তাই হয় ৮ বছরের ব্লগিং জীবনে বিস্ময়কর !!

এটা পুরো আমার জীবন কাহিনী নয়- আবার খানিকটা সম্পৃক্তটা তো আছেই। :)

ভাল থাকুন সবসময়

৩| ১৭ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৪

ঘরহীন বলেছেন: জ্বি। আগের দুটো পোস্ট ছিল। কমেন্টবিহীন হওয়ায় মুছেই দিলাম। এটা এক কালে খোলা ব্যাকআপ আইডি। এখন মেইন আইডী হিসেবেই ভাবলাম কিছুদিন চালাই। আপনিও ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৮

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার পোষ্টটা গতকাল দেখেছিলাম- ভাবিনি যে এটা আপনার একমাত্র পোষ্ট! এবার থেকে আর কোন লেখা মুছবেন না আশা করি- চেষ্টা করুন আরো বেশী লেখা দিতে ও আরো বেশী মন্তব্য করতে।

আপনার নিরন্তর শুভ কামনা করছি

৪| ১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:১৩

আকন বিডি বলেছেন: এখন ভাবিকে নিয়ে মাঝে মাঝে নাচেন?

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:২১

শেরজা তপন বলেছেন: :) তিনি বিয়ের আগে নাচতেন- এখন আর নাচেন না, আমাকে নাচান...

৫| ১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:৪৩

আকন বিডি বলেছেন: সেই নাচ দুই একটা দেখান না। খুশি হ্ইতাম। ;)

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:৫০

শেরজা তপন বলেছেন: শেষে একখান নাচ দেখাব। কার সাথে কে নাচে বলতে না পারলে- সব মন্তব্য ফেরত :)

৬| ১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:৫৮

আকন বিডি বলেছেন: সমস্যা নাই ওস্তাদ। গ্যালারিতে পপকর্ণ লইয়া বইছি। চলুক। তয় মাঝে বুদ্বিজীবীর বিরতিতে হোচোট খাওয়া লাগলে মনডা কেমন কেমন লাগে। এই আর কি।

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:২০

শেরজা তপন বলেছেন: প্রেমিক পুরুষদের অনেকে লালু-ভুলু মনে করে, তাচ্ছিল্য করে- তাই একটু মুখোশ লাগাই :)


দুটোই চলবে। পপকর্ণ এক্ষুনি পুরাটা শেষ করিয়েন না, দুই-তিনিটা পর্বের পরে ঘন ঘন চাবাইতে হইব।
এরপরে কিন্তু আরো মারদাঙ্গা একটা সিরিজ আসছে... সাথে থাইকেন

৭| ১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:১৭

নেওয়াজ আলি বলেছেন: ভালো পোষ্ট। অপেক্ষায় রইলাম পরের জন্য

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:০৫

শেরজা তপন বলেছেন: নিয়মিত পড়ছেন জেনে খুশি হলাম। ফের ধন্যবাদ আপনাকে- সময় সুযোগ পেলে আগের পর্বগুলো পরে নিয়েন।


ভাল থাকুন

৮| ১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: জীবন হোক আনন্দময়।

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:০৭

শেরজা তপন বলেছেন: সুখের দিন শেষ- এর পরেই দুঃখের কাহিনী শুরু হবে। বেজায় দুঃখ - সঙ্গ দিয়েন


আপনিতো একজন সুখী মানুষ। এভাবেই থাকুন সবসময়

৯| ১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৪৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: খন্ড খন্ড পড়ে আমি মজা পাই না। তাই পোষ্ট জমাচ্ছি.......একবারে পড়ার জন্য। আর কয়টা পোষ্ট হবে বলে মনে হয়?

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:০৩

শেরজা তপন বলেছেন: কি করব? আপনি পড়তে চাইলেওতো অন্য সবাই চাইবে না- অতবড় পোষ্ট দেখে ঘাবড়ে যাবে :)
ঠিক আছে জেনে রাখলাম- পড়বেন না হয় সময় করে।
সম্ভবত আর ৫/৬ টা পর্ব বাকি আছে। কমও হতে পারে- ভাবছি সামনের পোষ্টগুলো একটু বড় করেই দিব।

ধন্যবাদ আপনাকে। ভাল থাকবেন।

১০| ১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৫২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ !! বন্ধুত্ব তাহলে হয়েই গেলো !
কিন্তু সব কিছুতে লিয়েনা অনেকটা দূরের লাগে, লারিসা দেখা যাক কতদিন আপোষ করে চলতে পারে।

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:১২

শেরজা তপন বলেছেন: কোথায় যে হারিয়ে যান মাঝে মাঝে। লিয়েনা টর্নেডোর মত, সব লন্ডভন্ড করে দেয়!
আর লারিসা হছে শরতের আকাশের এক টুকরো মেঘ।

ও-তো সারাটা গল্প জুড়ে আছে।
ভাল লাগল আপনাকে দেখে। ভাল থাকুন- নতুন লেখালেখি কই? শেষ পোষ্ট-তো দিয়েছেন একমাস আগে!!!

১১| ১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:২১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমি তো সব সময় ই পড়ুয়া ! লিখি হুটহাট, পাঠক হিসেবেই ব্লগে আছি।

চমৎকার উপমা দিয়েছেন ! দুটি ভিন্ন রুপ কিন্তু দুজন ই বেশ টানে।
আলকাশ আর হারাতে দিচ্ছে কই !

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:২৬

শেরজা তপন বলেছেন: কি যে বলেন! আপনি অনেক ভাল লিখিয়ে

আলকাশে'র দিন শেষ হয়ে আসছে ... তারপর আবার হারিয়ে যাবেন না-তো?

১২| ১৯ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:৫৭

অশুভ বলেছেন: কী দুর্ভাগ্য আমার! যেদিনই আলকাশের নতুন পর্ব আসে, সেদিনই আমি থাকি না।
লিয়ানাকে তো অধরা অপ্সরী মনে হচ্ছে। দেখা যায় ধরা যায় না, অনুভব করা যায় ছোঁয়া যায় না। এটাই কী দ্বীতিয় প্রেম ছিল, যার জন্য এখনো বুকের পাশে টনটন করে?

১৯ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৩

শেরজা তপন বলেছেন: যেহেতু আপনি আছেন,পরের পর্বটা তাহলে আজকেই দিয়ে দেই- কি বলেন?


আপনার জন্য অপেক্ষা করছিলাম... ধন্যবাদ ফের

১৩| ১৯ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
আবার হবেতো দেখা
এ দেখাই শেষ দেখা নয়তো !....

আহা! এ আবেগ অতুলনীয়। সে শিহরন, তিরতির হৃদ কম্পন...
সেই ঘোর.... সেই সূখানুভব.... অতুলণীয়

ঐটুকুই বুঝি জীবন - -
ওখানে পৌছতে যায় প্রথম অংশ
আর বাকী টুকু যাপিত জীবনের স্মৃতিচারণ ;)

১৯ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৩৪

শেরজা তপন বলেছেন: লেখার থেকে মন্তব্য অতুলনীয় স্বীকার করছি নির্দ্বিধায়!!!

শেষটুকুতো বার বার 'জওক্‌' করার মত কবিতার চরণ;
ঐটুকুই বুঝি জীবন - -
ওখানে পৌছতে যায় প্রথম অংশ
আর বাকী টুকু যাপিত জীবনের স্মৃতিচারণ

দারুন ভ্রাতা

১৪| ২০ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১১:৩৮

অশুভ বলেছেন: পরের পর্বটাও শেষ করলাম। লেখাটা জমে উঠেছে। মইনের জন্য খারাপ লাগছে। বেচারা ধীরে ধীরে এই লেখার শিরোনামের (আলকাশ) দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

২০ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১২:০২

শেরজা তপন বলেছেন: হ্যা পরে একসময় তাই হয়- কিন্তু লেখা তার চুড়ান্ত পরিনতির আগেই শেষ হয়ে যাবে! পরেরটার উত্তর ও দিয়েছি ভ্রাতা

১৫| ২১ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:১৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: গল্প পড়তে পড়তে আমিও যে লিয়েনার প্রেমে পড়ে গেলাম। তাই এখন পরের পর্বে।
শুভেচ্ছা নিয়েন।

২১ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৪৩

শেরজা তপন বলেছেন: দেইখেন মিশুর থেকে বেশি প্রেম না হয়ে যায় যেন!!!!

সে নাকি সেই প্রেমের আগুনে এখনো জ্বলছে :)

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.