নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

শেরজা তপন

অনেক সুখের গল্প হল-এবার কিছু কষ্টের কথা শুনি...

শেরজা তপন › বিস্তারিত পোস্টঃ

নেকড়ে,কুকুর আর বেড়াল-(একটি ইউক্রাইনান মজার রূপকথা)

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৫


স্তেপে বিষন্ন মনে ঘুরে বেড়াচ্ছিল এক ক্ষুধার্ত কুকুর। বুড়ো হয়ে গেছে সে ,আগের মত দৌড় ঝাপ করতে পারেনা , চোখেও ভাল দেখেনা। ক’দিন আগে মালিক তাকে তাড়িয়ে দিয়েছে। সেই থেকে বেওয়ারিশ হয়ে সে উদ্দেশ্যবিহীন ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে এই বিশাল স্তেপের প্রান্তরে। কোনদিন একটা আধটা ইদুর বা ছোটখাট কোন প্রাণী ধরে ক্ষুধার জ্বালা মেটায় - কখনোবা সেটাও জোটেনা। অথচ যৌবনে সে কত সুখেই না ছিল। মালিক গরীব হলেও তার কর্মদক্ষতার জন্য বেশ আদর করত । সারা রাত ধরে সে বাড়ি পাহাড়া দিত আর ঘেউ ঘেউ করে পাড়া মাতিয়ে রাখত। তার ভয়ে চোর ডাকাত মালিকের বাড়ির ত্রিসীমানায় ভিড়তে সাহস পেত না। বিনিময়ে মিলত তিনবেলা পেটভরে খাবার।
আর এখন বুড়ো হয়েছে বলেই তার আর কোন কদর নেই। এতদিন যার সেবা করল সেই-ই দুর দুর করে তাকে তাড়িয়ে দিল!
-হাউলো,ডগি !’কি ব্যাপার এমন মন খারাপ করে ঘুরে বেড়াচ্ছ কেন?’ তার পাশ দিয়ে যেতে যেতে থমকে দাড়িয়ে এক নেকড়ে জিজ্ঞেস করল?
প্রতিউত্তরে বুড়ো কুকুর কিছু না বলে শুধু বিষন্ন চোখে নেকড়ের দিকে তাকাল।
- কি -যাচ্ছ কোথায় ,তডগি? ’ফের জিজ্ঞেস করল নেকড়ে।
কুকুর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল ;
- আমার যাবার কোন জায়গা নেই,ভাই ! যখন আমি যুবক ছিলাম , আমার মালিক আমায় কত ভালবাসত। আর এখন আমি বুড়ো হয়ে গেছি বলে সে আমাকে তাড়িয়ে দিল!’
- তুমি নিশ্চই ক্ষুধার্ত।’নেকড়ে জিজ্ঞেস করল।
- হ্যা - ভীষন,” প্রতিউত্তরে বুড়ো কুকুর বলল।
- ঠিক আছে আমার সাথে চল , আমি তোমাকে খাওয়াব।’ বলেই নেকড়ে হাটতে শুরু করল।
বুড়ো কুকুরও বেশ খুশী মনেই নেকড়ের পিছু নিল। বেশ কিছুদুর হেটে যাবার পরে , নেকড়ের নজরে এল কিছু দুরে তৃনভুমিতে একপাল মেষ চড়ে বেড়াচ্ছে । সে থমকে দাড়িয়ে কুকরকে ডেকে বলল,
- একটু এগিয়ে গিয়ে দেখে আসতো ওখানে কোন প্রানী চড়ে বেড়াচ্ছে।’
বুড়ো কুকুর কিছুটা পথ এগিয়ে গিয়ে ভাল করে দেখে দৌড়ে ফিরে এসে বলল’
- ওগুলো ভেড়া ।’
-ধ্যাৎ! মড়ক লেগে মরে না কেন ওগুলো। সারা গা ভর্তি শুধু পশম আর পশম! এসব আজে বাজে পশু পাখি খাওয়ার থেকে না খেয়ে থাকা অনেক ভাল।’ বেশ বিরক্তি সহকারে বলল নেকড়ে,“চল,সামনে এগোই। দেখে,ভাল কেছু মেলে কি না।”
আরো কিছু পথ হাটার পরে নেকড়ের নজরে এল এক ঝাক রাজ হাস চড়ে বেড়াচ্ছে নদীর ধারে। সে কুকুরকে ডেকে বলল,
- ডগি,চট করে,দেখে আসতো ওগুলো কি চড়ে বেড়াচ্ছে ওখানটায়।’
কুকুর ফের সামনে এগিয়ে গিয়ে ভাল করে দেখে দৌড়ে ফিরে এসে বলল,
- ওগুলো রাজহাস।
-ধ্যাৎ! মড়ক লেগে মরে না কেন ওগুলো। সারা গা ভর্তি শুধু পালকে। এসব আজে বাজে পশু পাখি খাওয়ার থেকে না খেয়ে থাকা অনেক ভাল।’এবারও তেমনি বিরক্তি প্রকাশ করে নেকড়ে ফের বলল,
- চল সামনে এগোই দেখি এর থেকে ভাল কিছু মেলে কিনা?
ফের তারা হেটে চলল । অনেক অনেক দুর যাবার পরে , নেকড়ে দেখল গো চরন ভুমিতে ঘাস খাচ্ছে একপাল ঘোড়া । এবারও সে কুকুরকে ডেকে বলল;
-দেখতো;ডগি। ওগুলো কি প্রানী ওখানে ঘাস খাচ্ছে ।
কুকুর বরাবরের মত সামনে এগিয়ে ভাল করে দেখে দৌড়ে ফিরে এসে বলল,
-ওগুলো ঘোড়া।’
-যাক্! তাহলে পাওয়া গেল। ওটাকে আমরা এখন খাব ।’কুকুরকে ইশারা করে নেকড়ে আরো কিছুটা সামনে ঘোড়ার কাছাকাছি। সে তার থাবার নখড় দিয়ে মাটিতে কয়েকটা আচড় একে দাতে দাত ঘষল । এমন করলে তাকে ভীষন হিংস্র মনে হয়।’
সে কুকুরকে কাছে ডেকে জিজ্ঞেস করল ;
- দেখতো আমার লেজ নড়ছে কিনা ?’
বুড়ো কুকুর নেকড়ের লেজের দিকে চেয়ে বলল ,
-হ্যা হ্যা এটা বেশ জোড়ে নড়ছে।’
- তাই ! এবার ভাল করে দেখতো, আমার,চোখগুলো কি কোটর থেকে বের হয়ে আসতে চাইছে।’
- আরে তাইতো! ওগুলো মনে হচ্ছে এখুনি খুলে পড়বে ’ বুড়ো কুকুর কথা গুলো বলতে বলতেই নেকড়ে দৌড়ে গিয়ে ঝাপিয়ে পড়ল একটা ঘোড়ার উপর। টুঁটিতে সজোড়ে কামড় বসিয়ে চিৎপটাং করে ফেলে দেয়ার কিছুক্ষনের মধ্যেই সেটা মারা পড়ল।
এবার সে কুকুরকে ডেকে বলল ,
-আসো এদিকে। আমরা এটাকে মিলে মিশে খাই।’
নেকড়ে খুব সহজেই ঘোড়াটাকে ছিড়ে খুড়ে উদরপূতি করে একটা ঢেকুঢ় তুলে বিশ্রামে গেল।
ওদিকে বুড়ো কুকুর তার নড়বড়ে দাত দিয়ে একটুকড়ো মাংস বহুক্ষন ধরে চিবিয়ে নরম করতে না পেরে ,মনের দুঃখে খাবার আশা পরিত্যাগ কর ! মনে হল;তার বাপের জন্মে এমন শক্ত কিছু খায়নি।
-শিকার ধরার পদ্ধতিতো আমি শিখেই গেলাম। এর পিছু পিছু না ঘুরে ,এবার নিজেই শিকার ধরে খাইগে।’ মনে মনে বুড়ো ককুর ভাবল।
সে নেকড়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে হেটে চলল শিকারের খোজে।
সে পথ দিয়ে হেটে আসছিল একটা বুড়ো বেড়াল। তারও দশা হয়তো কুকুরের মত! কুকুর তাকে ডেকে বলল;
- হাউলো ,পুষি। যাচ্ছ কোথায়?’
বুড়ো বেড়াল বিষন্ন কন্ঠে বলল,
- জানিনা ,যেখানে এই রাস্তা আমাকে নিয়ে যায়,সেখানেই যাচ্ছি । যখন আমার যৌবন ছিল,চোখের পলকে ইদুর ধরতে পারতাম,তখন আমার কত কদর ছিল মালিকের কাছে। আর এখন বুড়ো হয়েছি শরিরে আগের মত শক্তি নেই বলে সে বাড়ি থেকে দুর দুর করে তাড়িয়ে দিল! এখন আমি পৃথিবির পথে ঠোকর খেয়ে বেড়াচ্ছি।’
- মন খারাপ না করে ,আসো আমার সাথে,ভাই। আমারও তোমার মত দশা! চল;আমি তোমাকে খাওয়াবো ’ বলল বুড়ো কুকুর।
বুড়ো বেড়াল খুশী মনেই কুকুরের প্রস্তার মেনে নিয়ে তার পিছু পিছু চলল।
কুকুর চলল সেই পথ দিয়ে যে পথ দিয়ে এর আগে নেকড়ে তাকে নিয়ে এসেছে। ওদেরও ঠিক তেমনি,বেশ কিছুদুর হেটে যাবার পরে কুকুর,দেখতে পেল কিছু দুরে তৃনভুমিতে একপাল মেষ চড়ে বেড়াচ্ছে। সে থমকে দাড়িয়ে বুড়ো বেড়ালকে ডেকে বলল,
- একটু এগিয়ে গিয়ে দেখতো ভাই পুষি,ওখানে কোন প্রানী চড়ে বেড়াচ্ছে ।’
বুড়ো বেড়াল কিছুটা পথ এগিয়ে গিয়ে ভাল করে দেখে দৌড়ে ফিরে এসে বলল’
- ওগুলো ভেড়া।’
-ধ্যাৎ! মড়ক লেগে মরে না কেন ওগুলো। সারা গা ভর্তি শুধু পশম আর পশম। এসব আজে বাজে পশু পাখি খাওয়ার থেকে না খেয়ে থাকা অনেক ভাল।’ বেশ বিরক্তি সহকারে বলল কুকুর,“চল,সামনে এগোই । দেখে,ভাল কেছু মেলে কি না?”
আরো কিছু পথ হাটার পরে তার নজরে এল এক ঝাক রাজ হাস চড়ে বেড়াচ্ছে নদীর ধারে। সে বেড়ালকে ডেকে বলল,
- পুষি,চট করে,দেখে আসতো ওগুলো কি চড়ে বেড়াচ্ছে ওখানটায়।’
বেড়াল ফের সামনে এগিয়ে গিয়ে ভাল করে দেখে দৌড়ে ফিরে এসে বলল,
- ওগুলো রাজহাস।
-ধ্যাৎ! মড়ক লেগে মরে না কেন ওগুলো। সারা গা ভর্তি শুধু পালকে। এসব আজে বাজে পশু পাখি খাওয়ার থেকে না খেয়ে থাকা অনেক ভাল।’এবারও তেমনি নেকড়ের অনুকরনে ফের বিরক্তি প্রকাশ করে বুড়ো কুকুর বলল,
- চল সামনে এগোই দেখি এর থেকে ভাল কিছু মেলে কিনা?
তারা হেটে চলল। বেশ খানিকটা হেটে গো চরন ভুমির কাছে এসে বুড়ো কুকুর দেখল এখনো চড়ে বেড়াচ্ছে সেই ঘোড়ার পাল। এবারও সে বেড়ালকে ডেকে বলল;
-দেখতো;পুষি। ওগুলো কি প্রানী ওখানে ঘাস খাচ্ছে ।
বুড়ো বেড়াল বরাবরের মত সামনে এগিয়ে ভাল করে দেখে দৌড়ে ফিরে এসে বলল,
-ওগুলো ঘোড়া।’
-যাক্! তাহলে পাওয়া গেল। ওটাকে আমরা এখন খাব।’
সে বেড়ালকে ইশারা করে কিছুটা সামনে এগিয়ে গিয়ে,ঠিক নেকড়ের মত মাটিতে কয়েকটা আচড় একে দাঁতে দাঁত ঘষল। ভাবল এমন করলে তাকেও হয়তো ভীষন হিংস্র মনে হবে ।’
এবার বুড়ো বেড়ালকে ডেকে বলল,
-দেখতো ভাই পুষি,আমার লেজ নড়ছে কিনা ?’
- নাহ্! এটা নড়ছে না।’বেড়াল ভাল করে দেখে শুনে একটু সময় নিয়ে বলল।
এবার ফের বুড়ো কুকুর তার থাবার নখড়গুলো দিয়ে আচ্ছা করে মাটিতে কয়েকটা আঁচড় একে ,দাঁতগুলো বেশ জোড়ে জোড়ে ঘষে বলল,
- এবার দেখতো। এখনো কি আমার লেজ নড়ছে না ?’
বুড়ো বেড়াল কুকুরের লেজের দিকে তাকিয়ে বিড় বিড় করে বলল’
- নড়ছে। তবে খুব ধীরে ধীরে। ভাল করে বোঝা যাচ্ছে না।’
-ভাল করে দেখে বল। শিকার করার আগে প্রস্তুতিটা ভাল করে নিতে হবে।’
বলেই,আবার সে দাঁত কিড় মিড় করে মাটিতে আচড় কাটতে লাগল।
-এবার দেখতো ,আমার চোখ জোড়া কোটর থেকে বেড়িয়ে আসতে চাইছে কিনা?’
বুড়ো বেড়াল আরো কাছে এসে ভাল করে দেখে শুনে বলল,
- নারে ভাই ।তোমার চোখ যেমন ছিল তেমনই আছে। বেরটের হয়ে আসছেন ।’
- তুমি মিথ্যে বলছ ! তোমার অবশ্যই সত্যি কথা বলা উচিৎ।’ বুড়ো কুকুর গোস্যা হয়ে বলল।
- ঠিক আছে! তুমি যেমন বলছ ঠিক তেমন করেই তেমার চোখ কোটর থেকে বের হয়ে আসতে চাইছে ।’ বেড়াল নিরস কন্ঠে বলল।
কুকুর এবার খুশী হয়ে দৌড়ে গিয়ে ঘোড়ার উপর ঝাপিয়ে পড়তেই ঘোড়া তার পিছনের পা জোড়া দিয়ে তার মাথায় এমন জোড়ে এক লাথি কষাল যে,সে উড়ে গিয়ে পড়ল কয়েক ফুট দুরে। লাথির চোটে তার চোখ জোড়া কোটর থেকে ফট্ করে ঠিকরে বেরিয়ে পড়ল।
বুড়ো বেড়াল ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে দৌড়ে কুকুরের কাছে গিয়ে বলল ,
- ডগি,ভায়া। এবার সত্যিই তোমার চোখ কোটর থেকে বেরিয়ে এসেছে। ঠিক তুমি যেমনটা চেয়েছিলে।

মুল রুশ ভাষা ও ইংরেজী থেকে অনুবাদঃ শেরজা তপন
• এর আগে কি এই রুপকথাটি আপনি পড়েছিলেন? উল্লেখ্য বহু বছর আগে জনাব ননী ভৌমিক ও মিসেস ননী ভৌমিক ‘রত্নের পাহাড়’ নামে রুশ রুপকথা অনুবাদ করে একটা বই বের করেছিলেন। যেটা প্রকাশ করেছিল ‘রাদুগা’ প্রকাশনী। কিন্তু মুল রুপকথাগুলো পড়ে আমার মনে হয়েছিল অনুবাদটা বেশি শিশুতোষ হয়ে গেছে। লেখাগুলো আসলে শিশূ কিশোর থেকে শুরু করে বড়দেরও উপযোগী। তাই সেই অনুবাদ্গুলো ফের আমি করেছিলাম। সবার আগ্রহ থাকলে, ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হবে।
কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ বন্ধু সৈয়দ আবুল হাসান।

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৩৭

করুণাধারা বলেছেন: চমৎকার লাগল। তবে মাথায় এখনো প্রগতি আর রাদুগা প্রকাশনী রয়ে গেছে।

বিস্তারিত বলার জন্য আবার আসব আশাকরি।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:০৪

শেরজা তপন বলেছেন: হ্যা ওই প্রকাশনীগুলোর প্রকাশিত বই-য়ের মোহ থেকে মুক্তি সম্ভব নয়!
আপনাকে ধন্যবাদ প্রথমে এসে উৎসাহ দেবার জন্য। অপেক্ষায় রইলাম বিস্তারিত শোনার জন্য...


ভাল থাকুন নিরন্তর

২| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:০০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন সিরিজের আভাস পাচ্ছি :)

চলুক শিক্ষামূলক রুপকথা সিরিজ

বেচারা কুকুর!

+++

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:০০

শেরজা তপন বলেছেন: আরে ভাই কোথায় হারিয়েছিলেন?
আপনার মন্তব্য না পেলে-তো লেখার উৎসাহ পাইনা

এমন কুঞ্জুস এর মত নয় একখানা জম্পেস মন্তব্য আশা করছি :)

ভাল থাকবেন- পরের পর্বগুলোতে সাথে পাই যেন

৩| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১২

শোভন শামস বলেছেন: রুশ দেশের উপকথা, মালাকাইটের ঝাঁপি কত সুন্দর সুন্দর বই।
সে দিনগুলো আর নেই।
সিরিজ চালিয়ে যান।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৫৭

শেরজা তপন বলেছেন: মালাকাইটের ঝাঁপি' মনে হয় পড়ভাগ্য- আমার দুর্ভাগ্য! :(

হ্যা ওদের সাহিত্যের সব শাখাই দারুন সমৃদ্ধ। লেখাটা পড়ে মন্তব্যের জন্য ভালবাসা ও আন্তরিক ধন্যবাদ নিবেন।
আপনার সুসাস্থ্য কামনা করছি। ভাল থাকুন - পরের পর্বগুলোতে সাথে থাকুন

৪| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১৮

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: দারুণ গল্প। কয়েকটা চরম শিক্ষা পাওয়া যায়। যে যত ভালো কর্মক্ষম তার কদর তত বেশি। অন্যের অন্ধ অনুকরণ বিপদ ডেকে আনে। আর নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে জেনে সে অনুসারে কাজ করা উচিৎ। গল্পটির জন্য ধন্যবাদ। অনুবাদ সিরিজ চলতে থাকুক।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৫৪

শেরজা তপন বলেছেন: জ্বী ভাই কুট্টি ভাষার কৌতুকের রাজা আপনার মন্তব্য ইদানিং আমাকে দারুনভাবে অনুপ্রাণিত করছে!
আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ লেখাটা পড়ে মন্তব্যের জন্য।

চেষ্টা করব পুরো সিরিজটা শেষ করতে। সাথে থাকবেন-ভাল থাকবেন

৫| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৬

দারাশিকো বলেছেন: চমৎকার গল্প। আগে কখনও পড়েছি বলে মনে পড়ে না। তবে অর্ধেকটা পড়ার পর কি হবে বুঝতে পেরেছিলাম। এই সিরিজ কন্টিনিউ করেন, সাথে থাকবো আশা করি।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৪৯

শেরজা তপন বলেছেন: আপনি বিজ্ঞ লেখক- বুঝবেনই তো :)
আগের অসমাপ্ত আরো দুটো সিরিজের সাথে এই সিরিজটা বিচ্ছিন্নভাবে চলবে আশা রাখছি।
সাথে থাকার ইচ্ছে পোষন করার জন্য আপনাকে সবিশেষ ধন্যবাদ। ভাল থাকুন

৬| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: আমি এখন একটা চায়ের দোকানে বসে আছি। মোবাইলে লেখাটা পড়লাম। বাসায় গিয়ে ল্যাপটপে আবার আরাম করে পড়বো।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৪৬

শেরজা তপন বলেছেন: আপনি যখন চা খাচ্ছিলেন আমিও তখন আড্ডায় ছিলাম, চা খাচ্ছিলাম :)
বাকি মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম...

৭| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৩৬

মা.হাসান বলেছেন: ননী ভৌমিক মনে হয় আরো অনেক কিছুই অনুবাদ করেছিলেন। এই গল্পটা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায় পড়ি নি। আরো লেখার অনুরোধ রইলো।

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:১৯

শেরজা তপন বলেছেন: হ্যা হ্যা উনি রুশ ভাষা থেকে অনেক অনুবাদ করেছেন- সাথে তার সহধর্মিণী ও ছিলেন।

আগে পড়া থাকলে ভাল হত- তাহলে পার্থক্যটা ধরতে পারতেন :)
এই সিরিজের বড় একটা অংশ অনুবাদ করা আছে আগে থেকেই, সেজন্য অন্য লেখাগুলোর ফাঁকে ফাঁকে পোষ্ট দিয়ে যাব।
ধন্যবাদ অনুপ্রেরণার জন্য।

৮| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:৪৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: শিক্ষণীয় গল্প । চালিয়ে যান পড়ে সময় কাটবে

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:২১

শেরজা তপন বলেছেন: এই সিরিজের সবগুলোই শিক্ষনীয়!

পড়ার সময় পপ-কর্ণ নিয়ে বসলে ভাল হয় :) ধন্যবাদ বরাবরের মত সাথে থাকার জন্য।

৯| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:৫০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: চমৎকার রুশ উপকথা। আগে পড়ি নি। শুরুতে কুকুরের যেরকম শারীরিক অবস্থার বর্ণনা দেয়া হয়েছিল, তাতে কুকুরের প্রতি একটা মায়ার জন্ম হয়। খুব খারাপই লাগছিল কুকুরটার জন্য যে, সে বুড়ো হয়ে যাওয়ায় আর মনিবের বাসায় তার ঠাঁই হলো না। নেকড়ের সাথে হাঁটতে হাঁটতে একসময় মনে হয়েছিল, এ বুড়া কুকুরটা এভাবে শিকারের সন্ধান করতে করতে টায়ার্ড হয়ে যাবে এবং নেকড়েই তাকে খেয়ে ফেলবে। কিন্তু পরের ধাপে কুকুর যখন নেকড়ের শিক্ষা নিয়ে বিড়ালকে সাথে নিয়ে শিকারের সন্ধানে এগোতে থাকলো, তখন বোঝা গেছিল, তার পরিণতি কী হবে।

এরকম পরিণতির জন্য কুকুরের ক্যারেকটার ধূর্ত হওয়া প্রয়োজন ছিল। কিন্তু কুকুর নয়, সাহিত্যে বা গল্পে শেয়ালকেই ধূর্ত হিসাবে এবং কুকুরকে মনিবপ্রিয় এবং প্রভুভক্ত প্রাণী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এজন্য, কুকুরের এ পরিণতি আমাদের সাহিত্য বা প্রচলিত রূপকথা অনুযায়ী কিছুটা কষ্টদায়ক।

গল্প খুব আকর্ষণীয় ছিল। এমন রূপকথা পড়া যায় অনর্গল। সাবলীল হাত বা অনুবাদ।

শুভেচ্ছা রইল শেরজা তপন ভাই।

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১৫

শেরজা তপন বলেছেন: সোনাবীজ ভাই,
আপনার মন্তব্যেই সব উত্তর রয়ে গেছে :)
কি দারুন করে মন্তব্য করলেন- মনটা ভরে গেল! আমার অনুবাদ ভাল লেগেছে জেনে দারুন উদ্বেলিত হলাম।

আপনাকে সবিশেষ ধন্যবাদ অনুপ্রেরনার জন্য। ভাল থাকুন

১০| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:২৪

জুন বলেছেন: শেরজা তপন কাল রাতে যখন শরীর একটু ভালো লাগছিলো তখন মনকে ডাইভার্ট করতে ব্লগে আসি। একটা মন্তব্য করেই ফিরে যাই। আমার কত যে প্রিয় বিষয়বস্ত নিয়ে লিখেছেন তার প্রমান আমি এখনো সুযোগ পেলে এই বইগুলো নেড়েচেড়ে দেখি।
লিখতে থাকুন অবশ্যই পড়বো।
+

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২০

শেরজা তপন বলেছেন: কেন আপু আপনি কি অসুস্থ?? আহারে

বাঁশি-তো আগের মত বাজেনা
মন আমার তেমন করা সাজেনা
তবে কি ছেলেবেলা অনেক দূরে ফেলে এসেছি...

রুশ সাহিত্য, রুপকথা, উপকথার প্রতি যে আপনার অসীম আগ্রহ সেটা কি আর বলতে।
বাঁশি যে সুরেই বাজুক আপনার মনের মধ্যে সেই ছেলেবেলা এখনো উচ্ছল আনন্দে ঘুরে বেড়ায়।
ভাল থাকুন। আপনার আশু নিরাময় কামনায়

১১| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: কুকুর এবং নেকড়ে একসাথে বসে খাছে- এটা ভাবতেই ভালো লাগছে। এও কি সম্ভব!

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২২

শেরজা তপন বলেছেন: হ্যা ভায়া- রুপকথাতেই এটা সম্ভব!!

যাক আপনি ফের মন্তব্য করলেন দেখে ভাল লাগল। আপনার সার্বক্ষণিক সুন্দর জীবন কামনা করছি।

১২| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ছোটবেলায় রাশিয়ার কিছু গল্প পড়েছিলাম বাংলায়। ভালো লাগতো। আমার চাচা ফুফুদের মাধ্যমে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলাম।
ইশপের মতো নীতি কথা নিয়ে গল্প রাশিয়াতেও আছে এটা জানতাম না। সিরিজটা আপনি চালালে পাঠক পাবেন বলে মনে হচ্ছে। কারণ আমরা ব্লগাররা সবাই নীতি কথা পছন্দ করি, বলি। তবে মানি কি না এই প্রশ্ন করে আশা করি বিব্রত করবেন না। :)

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২৬

শেরজা তপন বলেছেন: রুশ সাহিত্যের বীজ অনেক গভীরে প্রোথিত! এত বিশাল রত্ন ভান্ডারের খবর রাখা দুষ্কর

পছন্দ করাই বা কম কিসে। চেষ্টা আর ইচ্ছেতো আছে-হয়তো শেষ বেলায় সবাই আমরা অতি সাধারন মানুষ
আপনার মন্তব্যে আমি বিব্রত হইনি, মজা পেয়েছি :)
ভাল থাকবেন, ভবিষ্যতে সাথে থাকবেন।

১৩| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৫৬

তারেক ফাহিম বলেছেন: পড়লাম,, মজা পেলাম।

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২৭

শেরজা তপন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই তারেক ফাহিম, আমার ব্লগে স্বাগতম আপনাকে।

আশা করি সামনের দিনগুলোতে আপনাকে সাথে পাব। ভাল থাকুন নিরন্তর

১৪| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১১

শায়মা বলেছেন: নিজের আন্দাজ না বুঝে লাফ দিলে এমনই হয় ভাইয়া। :)

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৩১

শেরজা তপন বলেছেন: এক উটকো ব্লগার কাল সবার ঘরে ঘরে গিয়ে লিফলেট বিলি করেছিল!!
আধখানা পড়ে আমি মুছে দিয়েছি। মানুষ কতই না আকাম নিয়ে থাকে :( :(

আপনাকে আমার বল্গে পেয়ে প্রথম দিনের মতই উচ্ছল হই আপু। আপনিই প্রথম আমাকে ব্লগে তুমি বলে সন্মোধন করেছিলেন।
ধন্যবাদ- পরের পর্বে ফের যেন পাই

১৫| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২০

আখেনাটেন বলেছেন: মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: দারুণ গল্প। কয়েকটা চরম শিক্ষা পাওয়া যায়। যে যত ভালো কর্মক্ষম তার কদর তত বেশি। অন্যের অন্ধ অনুকরণ বিপদ ডেকে আনে। আর নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে জেনে সে অনুসারে কাজ করা উচিৎ। --- ঠিক।

চমৎকার গল্পটি আমাদের সামনে আনার জন্য ধন্যবাদ ব্লগার।

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৩৪

শেরজা তপন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ 'আখেনাটেন'!
আপনার মন্তব্যে দারুন প্রীত হলাম! অবশ্য কেউ ভাল কথা বললে ভালই লাগে :) :)
আশা রাখছি সামনে আরো দারুন কিছু রুশীয় রুপকথার অনুবাদ উপহার দিতে পারব। সাথে থাকবেন

১৬| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৫৪

শায়মা বলেছেন: আমি তো সবাইকেই তুমি বলি ভাইয়া। এখনও বলছি। যাইহোক আর আমার তোমাকে মনে পড়ে সেই বার্থডে গিফ্টের পোস্টের জন্য। হা হা হা মাঝে অনেকদিন হাওয়া হয়ে গেছিলে ব্লগ থেকে। আবার নিয়মিত হয়েছো। কালকের গরুটা স্যরি মানে কালকের বাবুটা জন্মের পর পরই খুন হলো। আহারে বেচারা। জন্মেইছিলো বাঁদরামী করতে। কিন্তু ব্লগে মাঝে মাঝে বাঁদরদের ক্ল্লা কাটা যায় সেটা ভুলে গেছিলো আর কি। :(


যাকগে চিন্তা করোনা বাঁদর আবার আসবে। ঝাঁকে ঝাঁকে অনেক বাঁদরই আসে। লাফালাফি নাচানাচি করে ঠাস করে ডাল থেকে পড়ে কোমর ভাঙ্গে এবং অক্কা পায়। :)

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:০৭

শেরজা তপন বলেছেন: কেন বার বার মনে করিয়ে দেন সেই জন্মদিনের কথা ! :( দিলেনতো মনটা খারাপ করে
আমি পরে জেনেছি আপনি সবাইকেই তুমি বলেন।

আর বাঁদরের কথা শুনে বাঁদরের মতই আমি ভেংচি কেটে কেটে হাসছি :) :)

১৭| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:০০

কল্পদ্রুম বলেছেন: এর আগে পড়িনি। আপনারটাই প্রথম৷ পড়লাম। ভালো লেগেছে।

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১০

শেরজা তপন বলেছেন: আহা একজনকেও পেলাম না যে এই অনুবাদটা আগে পড়েছে - তাহলে মনে হয় আমিই প্রথম অনুবাদখানার কৃতিত্ব নিতে পারি :)
ফের অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য। ভাল থাকবেন- পরে লেখায় আমন্ত্রণ রইল

১৮| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১১

শায়মা বলেছেন: আমি তো কাল থেকেই হাসছি। আর বাকী তিন বিয়ের গল্প কবে লিখবো ভাবছি কালকের জন্ম নেবা মাত্র খুন হয়ে যাওয়া বাবুটার কথা মনে করে করে। :P

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২২

শেরজা তপন বলেছেন: এর আগেও কেউ একজন অন্য নিকে আপনাকে নিয়ে কুৎসা রটিয়েছিল আমি তখনো তাকে বোল্ড আউট করেছি। :)

১৯| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:২২

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: @ শায়মা আপু, বাঁদর সম্পর্কিত আমার অভিজ্ঞতাটা বলি।আমি একটা পোস্ট করেছি সবেমাত্র।এক মিনিটও হয় নি।এর মধ্যেই একটা কমেন্ট।আমি ভাবলাম এত তাড়াতাড়ি পোস্ট পড়ে আবার কমেন্টও করে ফেললো কিভাবে? পোস্ট পড়তে অন্তত ২-৩ মিনিট তো লাগবেই।গিয়ে দেখি বড় কমেন্ট।এবার তো আরো অবাক।কিভাবে কী হলো,ভাবতে ভাবতেই দেখি মনের মাধুরি মিশিয়ে বদনাম করেছে কমেন্টে। দেখে এত হাসি পেয়েছে! আবার রাগও উঠেছে। রিপোর্ট করে কমেন্ট করলাম "কী পোস্ট করলাম আর কী কমেন্ট করলেন?"। এরপরে বের হয়ে গেলাম।কিছুক্ষণ পর ঢুকে দেখি বাবুটা মারা গেছে। নিকের নাম ছিল " বাবু বাজার।"

২০| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:০১

ৎঁৎঁৎঁ বলেছেন: ছোটবেলায় পড়া খুব প্রিয় বই ছিল রত্নের পাহাড়, মাঝে মাঝে রঙিন ছবি, বইটাকে মনে হত একটা জাদুর বাক্স। আপনার অনুবাদ পড়ে সেই ছেলেবেলার কিছু স্মৃতি ফেরত আসলো। আপনার অনুবাদ ভালো হয়েছে, আমরা যারা ননী ভৌমিকের অনুবাদ পড়ে বড় হয়েছি, তার লেখনী আর অনুবাদ মিস করবো বাকি জীবন।
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২১

শেরজা তপন বলেছেন: দেরীতে উত্তর দেবার জন্য দুঃখিত!
হ্যা সেই জাদুর বাক্স আরেকবার খোলার চেষ্টা করলাম - একটু অন্য ঢঙ্গে!

ওনাদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা চীরদিন থাকবে।
অনুপ্রেরণার জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা। ভাল থাকুন

২১| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আহা রাদুগা প্রকাশনী !!
নামেই শৈশব নেমে আসে। চমৎকার অনুবাদ !

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১৮

শেরজা তপন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনে ফের ফের ফের
ভাল লেগেছে জেনে কৃতার্থ হলাম। আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল

২২| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:২৫

কাতিআশা বলেছেন: "চুক আর গেক" দিয়ে শুরু হয়েছিল...তারপর রুশদেশের রুপকথার রাজ্যে কিভাবে যে ডুবে গেলাম! বুড়ো হয়ে যাচ্ছি, তবুও এখনো নিজেকে বুদ্ধিমতী মাশা মনে হয় আজো! পাশে আছি আপনার এই গলপের রাজ্যে...

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.