নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

শেরজা তপন

অনেক সুখের গল্প হল-এবার কিছু কষ্টের কথা শুনি...

শেরজা তপন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাবনিক- প্রথম পর্ব

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৫


বাবনিক-এর বাংলা শব্দার্থ চরিত্রহীন বা লম্পট। কিন্তু যে জাতি নারী পুরুষের যথেচ্ছা যৌনাচারকে চারিত্রিক ত্রুটি বিচ্যুতির মধ্যে ধরেনা, মা-মেয়ে, বাপ-ছেলে সদ্য পরিচিত নর-নারীর সাথে একই ছাদের নীচে ভিন্ন কামরায় সহবাস করে তাদের কাছে বাবনিকে’র অর্থ ভিন্ন। বুদ্ধিমান পাঠক এর অর্থ নিজ বুদ্ধিতে বুঝে নিলে কৃতার্থ হব। না বুঝলেও সমস্যা নেই। বাবনিকে’র অর্থ সেটাই থাকবে যেটা রুশীয়রা বোঝে। যত দেশ তদাচার- সেখানে পৌছে আমরাও দু-দন্ডে বাবনিকের আসল মানে বুঝে ফেললাম। আমরাও রুশ অর্থে চরিত্রহীন/ লম্পট হলাম!
• আড্ডার ভাষা শুদ্ধ/ অশুদ্ধ, যার যার এলাকার টানে দুষ্ট থাকে। আমার লেখার ভাষাও সেই রকম।

‘বাবনিক’ মুলত আলকাশে’র যমজ লেখা। বাবনিক সিরিজ শেষ না হলে আলকাশ কখনো পরিপুর্নতা পাবে না বলেই আমি মনে করি। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আদৌ কি ‘বাবনিক’ সিরিজ কখনো শেষ হবে?? সে সম্ভাবনা ক্ষীণ...
‘বাবনিক’ এর কাহিনী শুরু হয়েছে সূদীর্ঘ দুই যুগেরও আগে- কিন্তু এর সমাপ্তি একটা জীবনের শেষ না দেখেতো শেষ হয় না। আমি জানিনা এর শেষ দেখে যেতে পারব কি না? যদি না পারি তাহলে হয়তো এ লেখাটা অসমাপ্তই থেকে যাবে...
আমির লেখক হিসেবে অতি মামুলি! আমার কল্পনা শক্তি অতি দুর্বল-আমি যা লিখি তার সিংহভাগ সত্যি ঘটনা। কোন কিছু না দেখে বা জেনে শুধু কল্পনায় কাহিনীর শেষ আঁচড় দেবার মত ক্ষমতা আমার নেই। তাই যে দু-চারজন ব্লগার আমার লেখা নিয়মিত পড়েন বা পড়তে চান তাদের জন্য নিঃসন্দেহে দুঃসংবাদ! আমি প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি তাদের কাছে এই বলে যে,’বাবনিক’ সিরিজ শেষ হতে এক দেড় যুগ ও লেগে যেতে পারে। জানিনা ততোদিন আমরা সবাই থাকব কি না- সামু থাকবে কিনা!!
তবে না হলে নাই- আমার একটা লেখা অসমাপ্ত থেকে গেলে পৃথিবীর কারো কোন ক্ষতি বৃদ্ধি হব বলে মনে হয় না।
(বাবনিক সিরিজটা শুরু করতে চেয়েছিলাম ব্লগে আমার একযুগ পূর্তির দিনে(১৩ ডিঃ ২০২০)- কিন্তু পারলাম না। তবে শুরু তো করলাম- দেখি এই ‘লক ডাউনে’ কতদুর এগিয়ে যেতে পারি।)

. বাবনিক- ১ম পর্ব (এলিনা)
. দেড়যুগ আগের কথা বলছি আমি;দেড় যুগ অনেকগুলো বছর- মানুষের জীবনের প্রায় তিনের একভাগ সময়।
. মস্কো থেকে হাজার কিলোমিটার দুরে ইউক্রাইনে কৃষ্ণ সাগরের কোন ঘেঁষে সোভিয়েতের চতুর্থ বৃহত্তম শহর গ্রীক, তাতার আর মধ্য ইঊরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর সপ্নের এক নগরী ওডেসা’তে কোন এক গ্রীস্মের শুরুতে এলিনা’র সাথে দেখা। ওডেসাকে নাকি "কৃষ্ণ সাগরের মুক্তো" বলা হয়। সেখানেই প্রথম পরিচয় আমার কৃষ্ণ সাগরের মুক্তোর সাথে।
. ওর সন্মন্ধে অবশ্য আগেই একটু আধটু শুনেছিলাম। কিন্তু সামনা সামনি দেখে একটু চমকে গিয়েছিলাম।ওদের বাসায় কিছু বাঙ্গলী সাবলেট থাকত- সেই সুত্র ধরে একটু ইচ্ছে করেই ওদের বাসায় গমন।
. বেশ সুন্দরী নিঃসন্দেহে। তবে এই বয়েসী গড়পড়তা রুশ তরুনীদের চেয়ে একটু সাস্থ্যবতী-ভারি দেহ তবে বেশ পেটা শরির।পোষাকে বেশ মার্জিত- কোন রকম সাজ গোজের বালাই নেই। সোনালী বাদামীতে মেশানো চুলগুলো কোন রকমে ধরে চেপে পনিটেল করে রেখেছে।টিন এজ মেয়েদের উচ্ছলতা-উচ্ছাস একদম নেই চেহারায় কেমন একটু বিষন্নতা!চাল চলন কথা বার্তায় বয়েসের থেকে বেশ একটু ভারিক্কি। অন্য পাঁচটা রুশ তরুনীর সাথে তার চলন বলন প্রকৃতি অসাঞ্জস্যতা দেখে আমি স্বাভাবিক ভাবেই একটু চমকে গিয়েছিলাম।
. অন্য দিকে ওর ছোট বোন নাদিয়া ঠিক উল্টো স্বভাবের। বয়সে হয়তো ওর থেকে বছরখানেকের ছোট হবে। কিন্তু এত ছটফটে আর চঞ্চল যে তাল মেলাতে গিয়ে দু মিনিটেই হাঁফিয়ে উঠলাম।ও বাসায় গিয়ে কথা বার্তা হল মুলত এলিনার মা আর ছোট বোনের সাথেই। আশে পাশে রুশ ভাষা জানা বাঙ্গালী কম থাকায়-মওকামত আমাকে পেয়ে আমার কাছ থেকেই জেনে নিচ্ছিল সব বাঙ্গালীর জাত পাতের খবর! কথা বলতে গিয়ে আমি বার বার হোঁচট খাচ্ছিলাম এলিনার জিজ্ঞাসু দৃষ্টির দিকে চোখ পড়তেই। কি যেন ও জিজ্ঞেস করতে চায়? একান্ত গোপন কোন কথা। এমন কথা-যা আর কাউকেই বলা যায়না।
. গল্প শেষ করে যখন ফিরে আসছিলাম – করিডোরে বসে জুতোর ফাঁকে পা গলাতেই এলিনা আমাকে বেশ নিন্ম স্বরে ডাকল।
. আপনি এদিকে একটু আসবেন।‘ আমি উঠে দাড়াতেই সে উল্টোদিকে ঘুরে হাটা শুরু করল। অগত্যা তাকে অনুসরন করতেই হল।হাটতে হাটতে সে গিয়ে দাড়াল নির্জন রান্নাঘরের এককোনে।আমি স্বভাবতই তখন একটু বিস্মিত- হোক সে রুশ তবু সদ্য পরিচিত একটা মেয়ে এইভাবে সবার সামনে আমাকে ডেকে নিয়ে ঘরের নির্জন এক কোনে গিয়ে কি বলতে চায়?
. অগত্যা গিয়ে দাড়ালাম তার মুখোমুখি। সে তখন মাথা নিচু করে দাড়িয়ে পায়ের নখ দিয়ে কার্পেট খুটছে।আমি তখন ভেবে কুল পাচ্ছিলাম না- কি বলতে চায় ও? এমন লাজুকতা কি ছদ্মবেশ?
. কি কিছু বলবে?’ প্রশ্নটা আমিই করলাম তাকে।
. সে এবার মুখ তুলো চাইল। চোখের কোনে জল চিক চিক করছে।ফর্সা মুখখানা লাজে রক্তিম হয়ে আছে।
. কিছু মনে করবেন না। একটা প্রশ্ন করি?
. কর।
. আপনি কি সজলকে চেনেন?
. হ্যা চিনি।‘
. আমি জানতাম আপনি চিনবেন। ও অনেকবার আপনার নাম বলেছে।আমি আপনার সন্মন্ধে আগে থেকেই অনেক কিছু জানি। রেনেতা’র কাছেও শুনেছি আপনার কথা। রেনেতা’তো আপনাকে এক সময় খুব ভাল বাসত।
এতগুলো কথা একবারে বলতে গিয়ে সে হয়তো হাঁপিয়ে গেল। একটু থেমে আবার বলল,আপনি কি জানেন সজল এখন কোথায় আছে?
. আমিও শুনেছি তোমার সন্মন্ধে একটু একটু রেনেতা’র কাছে। তুমিতো জানো এখন ওর সাথে আমার আর কোন সম্পর্ক নেই?
. জানি’ কথাটা বলতেই ওর শরিরটা একটু কেঁপে উঠল। চকিতে আমার দিকে এক নজর চেয়েই ফের চোখ সরিয়ে বলল। জানতাম’এজন্য কিছুটা হয়তো সজলই দায়ী। আপনাকে আমি না চিনলেও, ওকে বার বার নিষেধ করেছিলাম।
. থাক এসব কথা। সজলের খোঁজ করছ কেন?
. সে ফের চোখ নামাল। বাইরে থেকে আমি টের পাচ্ছি তার ভিতরের অস্থিরতা। মুখখানা নামিয়েই বলল’ তার সাথে আমার কথা আছে। সে বলেছিল খুব তাড়াতাড়ি ফিরে আসবে। কিন্তু তিন মাস হয়ে গেল- ফিরে আসাতো দুরের কথা একটা ফোন পর্যন্ত করেনি।

আমি জানি সজল কোনদিন হয়তো আর ফিরে আসবেনা।সে রাশিয়া ছেড়ে ইউরোপে পাড়ি জমিয়েছে।ওর সাথে একটু ঘনিষ্ঠতা আমার ছিল কিন্তু বন্ধু ছিলনা সে আমার।শুধু ইদানিং তার প্রতি একটু আগ্রহ বেড়েছে আমার-যাবার আগে শেষ মুহুর্তে তার চতুরতার জন্য।আমার বেশ বড় সড় একটা ক্ষতি করে গেছে সে।
আমি তার কিছুই বললাম না এলিনার কাছে। শুধু বললাম,-অপেক্ষা কর বলেছে যখন আসবে হয়তো। তুমি কি ওকে ভাল বেসেছিলে?
সে ফের এক নজর আমার দিকে চাইল।লাজুক মুখে রক্তের আভা।‘নাহ্ ভালবাসা না তবে আন্তরিকতা ছিল। ওকে আমি খুব ফিল করি।
আমি ওর সাথে পরিচয়ের পর থেকেই উত্তরোত্তর অবাক হচ্ছি। আমার চেনা জানা অন্য দশটা রুশীয় ললনার সাথে একদম মেলাতে পারছিনা তাকে। যেই রুশ নারীরা ভাল লাগার প্রথম দিনেই বাবা মার সামনে পর পুরুষকে নিয়ে চোখের সামেন দুয়ার দেয়- সেই দেশেই আমি একি দেখছি! এ দেখি আমার চিরচেনা বাঙ্গালী নারীদের চেয়েও এককাঠি সরেস।এত বিনম্রতা-এত লাজুকতা ভাবতে পারিনা।প্রথম দিনেই ওকে আমার ভাল লেগে গেল।
ওদিকে বন্ধুরা তাড়া দিচ্ছে বেরুবার জন্য। এলিনা আমাকে বিদায় দিতে দিতে তাড়াহুড়ো করে বলল,
. ওর সাথে যোগাযোগ হলে দয়া করে আমার কথা একটু বলবেন। আর আপনি সুযোগ পেলে আসবেন আমাদের বাসায় বেড়িয়ে যাবেন।
. ঠিক আছে তুমি আমাকে তোমাদের বাসার ফোন নাম্বারটা দাও। সে একটা চিরকুটে নম্বরটা লিখে হাতে ধরিয়ে দিয়ে হাসি মুখে বলল, বিদায়। ভাল থাকবেন ফের দেখা হবে।
এই প্রথম ওর দাঁত দেখলাম। ঝকঝকে শক্ত একপাটি দাত- রুশ মেয়েদের থেকে ভিন্ন রকমের। প্রায় সব রুশদের দাতই একটু হলদেটে হয়।
. পরিচয়ের সেই শুরু।

১ম পর্ব শেষ।
পরের পর্বের জন্যঃ Click This Link

মন্তব্য ১০৯ টি রেটিং +২৩/-০

মন্তব্য (১০৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৬

শোভন শামস বলেছেন: সুন্দর এক গল্পের শুরু, আরেকটা দারুন বই, লিখে যান

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:০৫

শেরজা তপন বলেছেন: প্রথম পর্বের সর্বপ্রথম মন্তব্যের জন্য আপনাকে সবিশেষ ধন্যবাদ ভাই শোভন শামস।
পরের পর্বিগুলোতেও সাথে থাকবেন এই প্রত্যাশা করতেই পারি। ভাল মন্দ যাই-হোক জানাবেন কিন্তু

ভাল থাকুন সবসময়।

২| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:০৬

বিদ্রোহী সিপাহী বলেছেন: রুশদের মধ্যে ব্যতিক্রম। সুন্দর লেখা

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৪৩

শেরজা তপন বলেছেন: সম্ভবত আমার ব্লগে আপনাকে প্রথম পেলাম। যদি তাই হয় তবে স্বাগতম বিদ্রোহী সিপাহী।

পরের পর্বগুলোতে আপনাকে সাথে পাব এই প্রত্যাশা করছি।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে- ভাল থাকুন

৩| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: 'পরিচয়ের সেই শুরু।' অথচ প্রথম পর্বের শেষ :(
গল্পের গাঁথুনি যথেষ্ট সরল যেমন আপনি গল্পনায় দুর্বল ;) প্রশংসা করতেই হয় আপনার শব্দের ভালোবাসাময় মিলনের।

এলিনার দাঁতের মত সুন্দর দাঁতের অধিকারী রূপসী নারীদের আমাদের অনেক ভালো লাগে। ওদের ওষ্ঠের সাথে দাঁতের স্মাইলিং আসলেই মুগ্ধকর। তবে সেটা যদি বিদেশের মাটিতে বাঙালি রূপসীদের যেখানে সংকট সেই শহরে। তাহলে তো কথাই নেই৷ সোনায় সোহাগা ;)
সজলের সাথে কাটানো ভাবের আদানপ্রদানের প্রভাবে কি এলিনার মধ্যে বাঙালি নারীর সরলতার উপস্থিতি এসেছে? এলিনা কিন্তু এখনো সজলকে নিজেতে অনুভব করে। হয়ত এমনই ভাবে সজলের থেকে বাঙালি নারীর মনোমুগ্ধকর সেই সরলতা সে বিপরীত মুখে দাঁড়িয়ে অর্জন করে নিয়েছে। এমনটা নাও হতে পারে। (আচ্ছা, নাদিয়ার নাম্বারটা দেবেন! আবার আবার চাটাংপটাং চঞ্চল যুবতীতে সরলতা নিয়ে আসার বড় শখ ;))

পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায়। হয়ত এলিনা সজলকে ভুলে যাওয়ার যথেষ্ট শক্ত নির্ভরযোগ্য মাধ্যম পাবে! এলিনা বাঙালি হয়ে উঠুক। সজলের অনুপস্থিতি তার মধ্যে বাঙালির প্রতি বিতৃষ্ণা তৈরি না করুক।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৫১

শেরজা তপন বলেছেন: ভাই সৈয়দ তাজুল ইসলাম,
বেশ বড় মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। ধারনা করছি বেশ মনযোগ দিয়ে আমার বাবনিকের প্রথম পর্বটা পড়েছেন।
বাবনিক লেখার মুল ও প্রধান চরিত্র 'এলিনা' শুরু থে শেষ পর্যন্ত এর সরব কিংবা নিরব উপস্থিতি থাকবে। এর প্রসংগটা পরে আসার কথা ছিল কিন্তু কেন জানি একে দিয়েই শুরুটা করলাম।
মুল বাবনিককে নিয়ে আলোচনা থাকবে পরের পর্বে।
এলিনা'র দাঁতের সৌন্দর্য আপনাকেও অভিভুত করেছে দেখে আনন্দিত হলাম।
কিন্তু ভায়া এরা সবাই কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে হয়তো- দেখি সৌম্যের কাছে নাদিয়ার নম্বরখানা আছে কিনা? পাইলে আপনাকে দিব।
ওহ হো ভাবছেন সৌম্যটা আবার কে? পরের পর্বে তাঁর উত্তর পাবেন।

আশা করি তেমন কিছু হবে না।
ভাল থাকুন সব সময়- পরের পর্বে আপনার উপস্থিতি আশা করছি।

৪| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: কল্পনার মতো আরো অনেক বানানে টাইপো মিস্টেক রয়ে গেছে শেরজা ভাউ ;)

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৫৩

শেরজা তপন বলেছেন: আমার কম্পিউটারে বাংলা টাইপের সমস্যা হচ্ছে- একেকটা শব্দ দু-তিনবারও লিখতে হচ্ছে।
কিছু টাইপিং ভুল অনিচ্ছাকৃত- আমার ভাষাগত দুর্বলতা সেখানে প্রতীয়মান।
ধন্যবাদ আপনাকে- ভুল ভাল থাকলে ধয়ে দিলে কৃতজ্ঞ হব

৫| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:




যত বড় ভুমিকা ও টাইম-লাইনের কথা বলা হচ্ছে, মনে হয়, ২য় শাহনামা প্রনয়ন করতে যাচ্ছেন?

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৫৬

শেরজা তপন বলেছেন: গাজী ভাই, তাও ভাল এটাকে গরুর রচনা বলেননি!!
আপনার পদযুগল কই- দেন একটু ধুলি নিই! এজীবনে শাহনামার একছত্রের সমতুল্য কিছু লিখতে পারলে ধন্য হব।

৬| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩০

সাদাত সিয়াম বলেছেন: ব্লগিং সাইটে নতুন আর এই প্রথম আপনার লেখা পড়লাম। সত্যিই অসাধারন, খুবই ইন্টারেস্টিং সূচনা।
২য় পর্বের অপেক্ষায়..

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:০০

শেরজা তপন বলেছেন: সুপ্রিয় সাদাত সিয়াম, আমার ব্লগে আপনেক স্বাগতম!
মুল কাহিনী নিঃসন্দেহে খুব ইন্টারেস্টিং কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, আমার মত এলেবেলে লেখকের লেখার দুর্বলতায় সেটা সবার ইন্টারেস্ট হারায় কিনা সেই ভেবে।

পরের পর্বে অপেক্ষায় থাকব আপনার মন্তব্যের? ভাল থাকুন নিরন্তর

৭| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: শুরুটা চমৎকার হয়েছে

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:০৩

শেরজা তপন বলেছেন: শুরুটা কেমন হবে সি টেনশন করতে করতেই-তো একবছর কাটিয়ে দিলাম।
ভাল লেগেছে জেনে প্রীত হলাম ভাই নেওয়াজ আলী- এর আগের লেখাগুলোর মত বাবনকের সাথেও থাকবেন ভবিষ্যতে আশা রাখছি।

আপনার মঙ্গল ও সুস্থ্যতা কামনা করছি।

৮| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৪৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: সবাই লেখে যে আমার এই কাহিনী পুরোটাই কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোন মিল খুঁজে পাওয়া গেলে সেটা একান্তই কাকতালীয়। আর আপনি সূচনায় যেভাবে লিখলেন তাতে মনে হোল, এই কাহিনী পুরোটাই বাস্তব শুধু কিছু চরিত্রের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে সঙ্গত কারণে। তবে এই পড়বে বাবনিক পেলাম না মনে হয়। একটু সেন্সর করে লিখবেন আশা করি। আপনি যেমন লিখেছেন যে আপনার এই সিরিজ কবে শেষ হবে তা বলা মুশকিল। আমিও পাঠক হিসাবে বলতে চাই যে আপনার এই সিরিজ পুরোটা পড়তে পারবো এটা বলা মুশকিল। যাই হোক আপনার সিরিজ আলিফ লায়লার মত হবে বলে মনে হচ্ছে। রাশিয়ান আলিফ লায়লা চালিয়ে যান।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:১১

শেরজা তপন বলেছেন: না না ভাই এটা মোটেও আলিফ লায়লার মত না। এটা নিঃসন্দেহে ব্যাতিক্রমধর্মী একতা কাহিনী- যেমনটা আর কখনো ঘটেনি বলে আমার বিশ্বাস।
বাবনিক আমার লেখক জীবনের একটা চ্যালেঞ্জিং লেখা।
তবে মুল সমস্যা হচ্ছে, লেখার মাঝপথে কিয়ে আমি থমকে আছি। যিনি এই লেখার মুল চরিত্র তাকে দেশ-বিদেশের অনেকেই বেশ চেনেন জানেন। আমি খুব শংকিত আমার এই লেখার জন্য তিনি ব্যাক্তিগত কিংবা সামাজিক কোন সমস্যায় পরেন কিনা?
লেখার শেষ দিকে চরম কিছু সেনসেটিভ বিষয় আছে।

উদার হস্তে সেন্সর করতে পারবনা বলে মনে হয় -কেননা এটাতোলম্পট বা চরিত্রহীনের কাহিনী। কাট-ছাট করতে গেলে এর মুল আবেদন হারাবে। তবে পুরোপুরি চটি হবেনা :)

ধন্যবাদ - ভাল থাকুন, সাথে থাকুন।

৯| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৫০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

Excellent!
অসাধারণ!!

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:১৩

শেরজা তপন বলেছেন: সাজ্জাত ভাই, আপনার ভালবাসা আমাকে বরাবরই দারুন অনুপ্রাণিত করে।

বেশ আনন্দিত হলাম জেনে। তবে ভুল-ভ্রান্তু ধরিয়ে দিয়েন ভ্রাতা।
ভাল থাকুন নিরন্তর।

১০| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৫৭

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: রুশ দেশিয় ব্যাপার-স্যাপার। সাথে বাঙালি ফ্লেভার। বেশ উপভোগ্য। আলকাশে দেরিতে যুক্ত হয়েছিলাম। এবার প্রথম পর্বেই চলে এসেছি। এই সিরিজের জন্য শুভকামনা রইলো।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:১৭

শেরজা তপন বলেছেন: আমি নিরন্তর রুশ- বাঙ্গালী মসলা দিয়ে জগাখিচুরি পাকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি :)

নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি যে, আপনার মত একজন বড় মাপের একজন ব্লগারকে নিয়মিত আমার সাথে পাচ্ছি বলে।
আপনার লেখাও অসাধারন!
পরের পর্বে আপনাকে পাব বলেই ধরে নিচ্ছি। তাই এই পর্বে শুধু ধন্যবাদটুকু দিলাম।

১১| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:১৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: আশা করতেই পারি, একটা আকর্ষণীয় সিরিজ শুরু হলো, অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক এ প্রথম পর্বটি দিয়ে।

"এলিনা বাঙালি হয়ে উঠুক। সজলের অনুপস্থিতি তার মধ্যে বাঙালির প্রতি বিতৃষ্ণা তৈরি না করুক" (৩ নং মন্তব্য) - সজলরা দেশে যেমন করে থাকে, বিদেশে গিয়েও খাসলৎ বদলাতে পারে না। অবশ্য উল্টো চিত্রও আছে। একটা সংবাদ চিত্র দেখেছিলাম, যেখানে এক বিদেশিনী তার দেশে পড়তে যাওয়া এক বাংলাদেশী ছাত্রকে ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন, শুধুমাত্র তার চরিত্রগুণের কারণে। ছেলেটি মারাত্মক ব্যধি ক্যান্সারে আক্রান্ত জেনেও সে বিদেশিনী তাকে মৃত্যুর কিছুকাল আগে বিয়ে করেছিলেন তাদের ভালবাসাকে পূর্ণতা দেয়ার জন্য। বিয়ের কিছুদিন পর তার স্বামীর মৃত্যুর পরে তিনি তার লাশ নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন, তাদের গ্রামের বাড়ীতে দীর্ঘদিন অবস্থান করে পরিবারের সদস্যদের অনেক প্রিয়ভাজন হয়েছিলেন। সম্ভবতঃ নরসিংদী বা কাপাসিয়া এলাকায় তার স্বামীর বাড়ীটি ছিল। পরে তার কী হলো, সে খবর অবশ্য জানতে পারিনি।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:২৩

শেরজা তপন বলেছেন: 'সজলরা দেশে যেমন করে থাকে, বিদেশে গিয়েও খাসলৎ বদলাতে পারে না।' আমার লেখায় এমন সজলদের বারবার সরব উপস্থিতি থাকবে যে!
প্রিয় খায়রুল আহসান ভাই, আপনার মন্তব্য পড়ে আমি অভিভুত হলাম অমন একজন বাঙ্গালী-বিদেশিনীর প্রেমের কাহিনী শুনে।
আপনার জানার পরিধি ব্যাপক! আমাকে দারুন অনুপ্রাণিত করে আপনার মত এমন মাপের ব্লগারের মন্তব্যে।

আজকে কিবোর্ডের সমস্যার কারনে বাংলা লিখতে একটু সমস্যা হচ্ছে- না হলে আরেকটু লিখতাম।
ভাল থাকুন- সুস্থ্য থাকুন। সাবধানে থাকবেন

১২| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:৪৩

আল ইফরান বলেছেন: আপনার লেখায় ভালো লাগা জানিয়ে যেতে লগইন করলাম। বাসার বাইরে যাচ্ছিলাম, অভ্যাসবশত সামু চেক করে বের হওয়ার করতে গিয়ে দেখি আপনার নতুন সিরিজের লেখা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রজীবন থেকে আপনার লেখার একনিষ্ঠ পাঠক ছিলাম, বিয়ে করে বাচ্চা-কাচ্চা হয়েও এখনো পড়ে যাচ্ছি। সাথে আছি, পরের পর্বের জন্য। শুভকামনা।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:২৮

শেরজা তপন বলেছেন: আরেব্বাস! আপনার পুরনো মন্তব্যগুলোতেও ফের ভাললাগা জানিয়ে রাখলাম এই ক্ষনে!

প্রথম আলো, নাগরিক, সচলায়তন সহ অনেক ব্লগে ঘুরে শেষে সামুতে এসে স্থির হয়েছি। এখানে যেন নাড়ির বন্ধনে আটকা পড়ে গেছি।
আমার লেখার প্রতি আপনার বরাবরের ভালবাসা আমাকে আরো ভাল কিছু লেখার জন্য অনুপ্রাণিত করে।
ভাল থাকুন সাথে থাকুন সবসময়।

১৩| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:৪৭

মা.হাসান বলেছেন: এত সহজেই ফোন নম্বর জোগাড় করে ফেললেন? আপনার কাছ থেকে একটু টিউশন নেয়া দরকার :`>
এক যুগ বাঁচবো কি? ডেথ বেড অভিশাপ খারাপ জিনিস। অভিশাপ থেকে বাঁচার চেষ্টা করবেন, এই অনুরোধ থাকলো।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৩২

শেরজা তপন বলেছেন: 'ডেথ বেড অভিশাপ' কি মৃত্যুশয্যায় মানুষ যে অভিশাপ দেয়?

জানিনা তেমন কিছু হয়েছে কিনা বা হবে কিনা- তবে তেমন হবার সম্ভবনা কম!
ফোন নম্বরতো মামুলি ভ্রাতা- আর আমিতো যোগালি মাত্র, ঘরামীর কাজ সামনে দেখবেন :)

ভাল থাকবেন মা. হাসান ভাই। বরাবরের মত সাথে থাকবার জন্য কৃতজ্ঞতা

১৪| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৩৫

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া এই কি সেই এলিনা?

যে কথা দিয়ে জন্মদিনের গিফ্ট দিলো না ???

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৩৫

শেরজা তপন বলেছেন: নারে আপু না! এটাতো সৌম্য আর এলিনার গল্প! আমি এর মধ্যে নাই।

তিনি ছিলেন আরেকজন। কোন একদিন বলব না হয় তাঁর গল্প :)
ভাল থাকুন নিরন্তর। ও পরের পর্বগুলোতে যেন পাই আপনাকে

১৫| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৫৬

করুণাধারা বলেছেন: সূচনা ভালো লেগেছে। আশাকরি নিয়মিত লিখে যাবেন...

একটা কথা, আপনি কি রাশিয়া যাবার আগে থেকেই, অর্থাৎ টিন এজার ছিলেন যখন তখন থেকেই লিখতেন, নাকি রাশিয়ায় গিয়ে প্রচুর রুশ সাহিত্য পড়ার পর লিখতে শুরু করেছেন? চমৎকার আপনার লেখার ধরণ। পড়লে ননী ভৌমিক বা কুমারেশ ঘোষের অনুবাদ করা বইয়ের কথা মনে পড়ে যায়।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৪১

শেরজা তপন বলেছেন: চেষ্টা করছি নিয়মিত লেখার কিন্তু নিঃসন্দেহে তা সম্ভব হবে না। মাঝখানে কাট দেয়া আমার নিয়তি হয়ে গেছে!

নাহ আমি হুট করে লেখালেখিতে এসেছি। দেড় যুগ আগে বাধ্য হয়ে ১৫ দিনের আইসোলেশনে ছিলাম- সেখান থেকেই লেখালেখির শুরু।

আপনি যাদের কথা বলেছেন সেইসব ধ্রুবতারারা নমস্য। তাদের ধারে কাছে আমি নেই।
আমার মা প্রচুর পড়াশুনা করতেন- তাঁর জেনিটিক ধারায় আমি কিছু পড়াশুনা করেছি কিন্তু শিখতে পারিনি কিছুই।
আমার সন্মন্ধে এমন উচ্চ ধারনা আমাকে কিঞ্চিৎ শরমের মধ্যে ফেলে দিল।
ভাল থাকবেন -সাথে থাকবেন।

১৬| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:০৩

আকন বিডি বলেছেন: লক ডাউনর তাহলে ভালো কিছু গুণ রয়েছে।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৪৪

শেরজা তপন বলেছেন: যাক আপনাকে তাড়াতাড়ি পেলাম এবার।
হ্যা তাতো অবশ্যই , এক লক ডাউনে আলকাশের ঘুম ভেঙ্গেছিল, এবার বাবনিক এল ঝড়ের বেগে :)

ভাল আছেন আপনি? অনেকদিন আপনার ব্লগে ঢুঁ মারা হয়না। ঘুরে আসব সময় পেলে।
ভাল থাকবেন- পরের পর্বে পাচ্ছি ফের নাকি?

১৭| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:২৫

ওমেরা বলেছেন: শুরু টা খুব সুন্দর হয়েছে ।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৪৫

শেরজা তপন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু, ভাল থাকবেন-সাথে থাকবেন

১৮| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৩৬

শায়মা বলেছেন: ওহ আচ্ছা বুঝেছি এইবার।

হ্যাঁ পরের পর্বেও পাবে...... এখন একটু বিজি থেকে ইজি হয়েছি ভাইয়া।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৪৬

শেরজা তপন বলেছেন: :) তাহলেতো বেশ! পরের পর্বি তাড়াতাড়ি দিতে হয় তাহলে- কবে ফের ইজি থেকে বিজি হয়ে যান

১৯| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৫২

আখেনাটেন বলেছেন: তা এই বাবনিক টা কে 'সজল' নাকি।
পরের পর্বও দ্রুত আনেন। :D

আপনার লেখার হাত জমাটি। সুক্ষ্ম আবেগটুকুও সুন্দরভাবে ফুটে তুলেছেন।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:১৭

শেরজা তপন বলেছেন: না-গো ভ্রাতা সজল নয়। সে সামান্য পার্শ্ব চরিত্র মাত্র। এর পরের পর্বেই আমরা বাবনিকের সাথে পরিচয় পর্বটা সেরে নিব :)
আশা রাখছি কালকেই ফের পাবেন।
সবিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা আপনার প্রতি বরাবরের মত সাথে থাকার জন্য।

২০| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:০৩

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: আমি সাধারণত গল্প পড়িনা।দুই তিন লাইন পড়তেই আটকে গেলাম আর বেরুতে পারলাম না।অপেক্ষায় থাকলাম।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:২১

শেরজা তপন বলেছেন: যাক আমার বিশেষ সৌভাগ্য যে আপনাকে অবশেষে আটকাতে পেরেছি।
পরের পর্বে আপনাকে সাথে পাব জেনে আনন্দিত হলাম।

ভাল থাকুন সুস্থ্য থাকুন সব সময়।

২১| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:০৫

সিগনেচার নসিব বলেছেন: গল্পের শুরুতেই ভালো লাগা একরাশ। সাথেই আছি

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:২৩

শেরজা তপন বলেছেন: নিক দেখে মনে হচ্ছে এর আগে দেখা হয়নি আমাদের! হয়েছে কি?
নতুন হলে স্বাগতম আমার ব্লগে।
সবসময় আপনাকে পাব জেনে - সাথে থাকবেন জেনে প্রীত হলাম।
পরের পর্বে দেখা হবে - ভাল থাকুন সব সময়।

২২| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: প্রথম পর্ব ভালো লাগলো। আশা করি বাকি পর্ব গুলোও চমকপদ হবে।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:২৬

শেরজা তপন বলেছেন: আপনাকে মিস করছিলাম।

লেখাটা পড়ে মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ প্রিয় রাজীব নুর।
আপনার মেয়েকে নিয়ে সবগুলো লেখা কিন্তু আমি পড়ি- শুধু মন্তব্য করা হয়না।

ভাল থাকবেন- পরের পর্বে আমন্ত্রন রইল।

২৩| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:১৬

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ধর্য্য লাগবে মনে হচ্ছে।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:২৮

শেরজা তপন বলেছেন: কিসের- পাঠের না অপেক্ষার,একটু খোলসা করবেন?

পরের পর্বে সাথে থাকার আমন্ত্রন রইল। ভাল থাকুন নিরন্তর।

২৪| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:৫৭

শায়মা বলেছেন: হা হা সেই তো ভাবছি। আপাতত অনালইনে সারাদিন কোন জামা কোন শাড়ি আর কোন দুল মালা চুড়ি কেনা যায় তাই নিয়ে ইজি বিজি আছি ! :)

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:৩২

শেরজা তপন বলেছেন: ও বুচ্চি- এটাতো মহা কাজ আপু। আপনার মত ক্রেতার জন্য এই দুর্দিনে কতলোক খেয়ে-পরে বেঁচে আছে।
দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার নিমিত্তে আপনার অবদান কম নয় :)
ভাল থাকবেন আর আরো বেশী বেশী ইজি বিজি হঊন।

২৫| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:১৩

রেজওয়ান ইসলাম বলেছেন: কৌতুহল উদ্রেককর ও আকর্ষনীয় লেখা।খুব ভাল লাগলো।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:৩৮

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার মন্তব্য আমাকে দারুনভাবে অনুপ্রাণিত করল।
পরের পর্ব পরার জন্য আমন্ত্রন রইল,। আপনার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল ও সুস্থ্যতা কান কারছি। ভাল থাকুন

২৬| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ২:৫৩

আমি সাজিদ বলেছেন: খুব কম বাংলা ভাষাভাষী কৃষ্ণ সাগরের তীরের মুক্তোর গল্প শুনিয়েছেন। চমৎকার ভরাট লেখনীতে আমার মনও যেন দেখতে পেল এলিনার মুখের রক্তিম আভা।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:৪৩

শেরজা তপন বলেছেন: ভাল একঠা বিষয় মনে ক্রিয়েছেন ভাই' আমি সাজিদ'।
ব্যাপারটা আমার মাথায় আসেনি- কৃষ্ণ সাগরের বিষয়ে তাহলে আরেকটু ডিটেলে যেতে হবে।
তাই নাকি আমার সৌভাগ্য এলিনার সেই চেহারাটা নিয়ে আপনার মগজে ঢুকে যেতে পেরেছি :)

ভাল থাকুন। পরের পর্বে ফের আসার আমন্ত্রন রইল।

২৭| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:৪১

অনল চৌধুরী বলেছেন: রাশিয়া আর ইউক্রেনের মেয়েদের সৌন্দর্যের খ্যাতি আছে।
আমার সাথে একজন উইক্রেনের মেয়ের বন্ধু্ত্ব ছিলো।
ঝামেলা শেষ হলে উইক্রেন, বেলারুশ, জর্জিয়া-সব ভ্রমনে যাবো।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:৪৭

শেরজা তপন বলেছেন: বাহ ভাল বলেছেন। খাঁটি উক্রাইনান মেয়েদের সৌন্দর্যের খ্যাতি রশীয় লননাদের থেকে বেশী। এ লেখার এক পর্বে সে নি খানিক
কথা বলব।

তাই নাকি তা বন্ধুত্ব হল কোথায়- ছিল কেন এখন নেই?

ভাল সব জায়গায় ভ্রমনের প্লান করেছেন। ও সময় সুযোগ পেলে একটু মলদোভিয়াতে যাবেন, ভাল লাগবে
দুঃসময় একদিন অবশ্যই কেটে যাবে- আপনার ভ্রমন সার্থক হবে। ভাল থাকুন- সুস্থ্য থাকুন।

২৮| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৬:৪২

কালো যাদুকর বলেছেন: ব্লগে সুন্দর জমানো লেখার অভাব ৷ এই লেখাটি পড়ে অনেক কৈতোহল হচ্ছে ৷ এখানে মন্তব্যের সংখ্যা দেখেই বোঝা যাচ্ছে পাঠকের অভাব নেই ৷ অভাব শুধু ভাল লেখার। আশা করি আপনার শিরিজের সাথেই থাকতে পারব ৷

রুশ গল্প ভাল লাগে। ভাল লাগে রুশ সমাজ ৷ এখানে ননুনত্ব হচ্ছে বাংলাকালচারের মিশ্রন ৷

এলিনার , সজল ও প্রথম বাচ্যের ত্রিভূজ প্রেম হবে কি?

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:৫৫

শেরজা তপন বলেছেন: সজল অতীত- তাকে আর তেমন করে খুঁজে পাওয়া যাবে না। মুল চরিত্র সেই বাবনিকের( কিংবা বাবনিকদ্বয়ের) সাথে ঋচয় হবে এর পরের পর্বে।
ব্লগের একগুচ্ছ স্বজ্জন ব্লগার কেন যেন আমার লেখা খানিকটা ভালবাসেন। আমি বিশেষ সৌভাগ্যবান একজন যার কালে-ভদ্রে দু- চারটে লেখা ছাড়া মন্তব্যের খুব বেশী আকাল হয়নি।
সবাই লিখতে চায়না বা লিখে না। ব্লগাররা অপেক্ষায় থাকে ভাল কিছু লেখা পাবার আশায়। এর মধ্যে আমার মত মামুলি লেখক দুধ না পারি ঘোল দিয়ে স্বান্তনা দেবার চেষ্টা করি।
রুশ গল্পের প্রতি ভাল লাগা ও আমার পরের পর্বগুলোতে আপনাকে সাথে পাব জেনে আনন্দিত হলাম।
ভাল থাকুন প্রিয় কালো যাদুকর।

২৯| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৬:৫২

জুল ভার্ন বলেছেন: অসাধারন সুন্দর শুরু। পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায়।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:৫৭

শেরজা তপন বলেছেন: পরিচয়তো আজ থেকে নয় কতগুলো বছর হয়ে গেল। বরাবরের মত আপনার মন্তব্য আমাকে দারুন অনুপ্রাণিত করে ভ্রাতা।

পরের পর্বে আমন্ত্রন রইল- ভাল থাকুন সুস্থ্য থাকুন সব সময়।

৩০| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১০:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: নভেম্বর ২০১২ তে এক রুশীয় দম্পতিকে নিয়ে লেখা আপনার একটি ইন্টারেস্টিং সিরিজের পাঁচটি পর্ব পড়ে সবক'টিতেই মন্তব্য রেখেছিলাম। সেখানের একটিতে অফটপিকের মন্তব্যে/প্রতিমন্তব্যে জেনেছিলাম, আপনার মায়ের 'ওপেন হার্ট সার্জারি' হয়েছিল। সেখানে অনেক পাঠকের আন্তরিক সহমর্মিতা এবং সাহায্যে আসার ইচ্ছাপ্রকাশ দেখে আমি অভিভূত হয়েছিলাম।

এখন জানতে ইচ্ছে হচ্ছে (যদি কিছু মনে না করেন), আপনার মা কেমন আছেন?

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১২:১৩

শেরজা তপন বলেছেন: করোনাকালীন সময়ে মা-কে নিয়ে বেশ দুঃশ্চিন্তায় ছিলাম বা এখনো আছি। আমাদের পরিবারের প্রায় সবাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু মা এখনো সুস্থ্য আছেন।
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা খায়রুল আহসান ভাই আমার মায়ের খোজ খবর নেবার জন্য। এতগুলো বছর ধরে স্মরণে রেখেছেন জেনে বিস্মিত হলাম! ভাল থাকবেন-সুস্থ্য থাকুন সবসময়।

৩১| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:৫২

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: এতো চমৎকার উপস্থাপনা যে কেউই মুগ্ধ হতে বাধ্য। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১:২৬

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার দেখা পেয়ে আনন্দিত হলাম 'দেশ প্রেমিক বাঙ্গালী' ভাই।
লেখা পড়ে মন্তব্যের জন্য ওনেক ধন্যবাদ ও ভালবাসা।
পরের পর্বে সাথে থাকবেন জেনে প্রীত হলাম।

ভাল থাকুন নিরন্তর!!

৩২| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১২:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনাকে মিস করছিলাম।
লেখাটা পড়ে মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ প্রিয় রাজীব নুর।
আপনার মেয়েকে নিয়ে সবগুলো লেখা কিন্তু আমি পড়ি- শুধু মন্তব্য করা হয়না।

ভাল থাকবেন- পরের পর্বে আমন্ত্রন রইল।

আমি চেষ্টা করি সবার পোষ্টে যেতে। মন্তব্য করতে।
আমার মেয়ে সারারাত জেগে থাকে। তাকে গান শূনাই। গল্প করি। সে চোখ মুখ বড় করে আমার গান শুনে, গল্প শুনে।
বাকি পর্ব গুলো আমি অবশ্যই পড়বো।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১:২৯

শেরজা তপন বলেছেন: মেয়ে মানেই বাপের কাছে অন্য রকম কিছু ফের যদি সেটা হয় প্রথম কন্যা! বঝা যায় বাপ-বেটিতে ভাল জমেছে :)

আমি জানি। যে যাই বলুক- ব্লগের প্রতি আপনার ভালবাসা দেখে আমি অভিভুত। ভাল থাকুন- আপনার শারিরিক সুস্থ্যতা ও মঙ্গল কামনা করছি। ওহ হো কন্যাটা ভাল থাকুক-বাপের আরো ন্যাওটা হোক!

৩৩| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১২:২৩

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: ভাই,রুশদেশে দেশী প্রেমের সূচনা হইতে দেখে নড়ে-চড়ে-ধরে পড়তে বসতেই পর্ব শেষ। এইটা কিছু অইল ভাই।

তয় দাওয়াত যেহেতু পাইছেন জলদি জলদি আবার আহেন এলিনাগ বাসায় আর যাত্রা শুরু হউক এক রোম্যান্সের আর আমরা পাই
উত্তেজনাময় ঘটনাবহুল এক প্রেমকাহিনী।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১:৩৫

শেরজা তপন বলেছেন: রুশ দেশে দেশী প্রেমের সোয়াদ-ই আলাদা নাকি কামরুজ্জামান ভাই! :)

কি আর করব-এর থেকে বেশী লিখলে অনেকে বিরক্ত হয়- এড়িয়ে যায়। আর পরের পর্বের আগ্রহ রাখতে চাইলে এভাবে মধ্যিখানে পস না দিয়ে উপায় কি?

উত্তেজনাময় কি না জানিনা তবে বেশ রসময় হবে বলে ধারনা দিচ্ছি( প্রথম দিককার পর্বগুলো)

পরের পর্বগুলোতে আপনাকে পাব জেনে আনন্দিত হলাম।

৩৪| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:৩৯

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: ভাই,মুই ও একখান ইউক্রেনীয়ান ললনা (ব্যাপোক ও ভয়ানক সৌন্দর্যের অধিকারী,যারে দেখলেই হৃদয়বেটা ভারসাম্যহীন আচরন শুরু করে কখনো কখনো থাইমা যাইবারও চায় ) রে কমবেশী জানতাম এখনো জানি তয় সাইজে মার খাইয়া (মুই ৫'৫'' আর উনি মাশাআল্লাহ ৬' ফুটের উপর আরও হবে আর সাইজ এবং সৌন্দর্য ? কি কমু মুনি ঋষিরও ধ্যান ভাইংগে চৌচির অই যাইব,তারপর ঝাপাইয়া পড়ব তার রুপের আগুনে পুড়ে মরবার লাই আর আমি নাদান ছোটা সাইজ হাভাতে ভেতেো বাংগালী তারে কি করবার পারুম? তয় মোরে কিছুটা বালাবায় তার প্রয়োজনে / মুই আর উনি রহিম-রুপবান এর মত অইবার পারি) তাই মুই বেকা অই পিছাইয়া গেছি।

কারন,কোন সময় যদি সাপলুডু :P খেলা আদৌ খেলতে হয় তয় প্রথম প্যাচেই মুর জান নিকাল যাইব আর আলু ভর্তার হয়ত আসল রুপটাই অন্যেরা দেখতে পাইব কারন আমিত নাই অই যাইমু এই ডরে আর সামনে আগাই নাই। তয় আমনে সামনে আগাইতেছেন সাহস করে , তার জন্য আগাম সাফল্যের শুভেচছা রইলো।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৭

শেরজা তপন বলেছেন: 'কারন,কোন সময় যদি সাপলুডু :P খেলা আদৌ খেলতে হয় তয় প্রথম প্যাচেই মুর জান নিকাল যাইব আর আলু ভর্তার হয়ত আসল রুপটাই অন্যেরা দেখতে পাইব কারন আমিত নাই অই যাইমু এই ডরে আর সামনে আগাই নাই।'
এইটা কি বললেন ভ্রাতা-যুদ্ধে নাগিয়ে আগেই হেরে বসে রইলেন!! কিচ্ছু কিছু সৌন্দর্য শুধু দর্শনে মন ভরে না নিবিড়ভাবে ছুয়ে দেখতে মন চায়।

আপনি শুধু তাঁর উচ্চতা আর দশাসই ফিগারটা দেখলেন-নরম দিলটা দেখলেন না।

বেশ মজা পেলাম রম্যে আপনার সহজ স্বীকারোক্তি দেখে। পরের পর্বগুলোতে এভাবে সাথে পাব বলে আশা রাখছি।

৩৫| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:০৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: গতরাতে পোস্ট চোখে পড়া মাত্রই ওপেন করি, পড়া শুরু করি, ব্যস্ত থাকায় শেষ করতে পারি নি। কিন্তু আমার চিহ্ন রেখে গিয়েছিলাম :)

বাবনিক আরেকটা দারুণ সিরিজ হবে আশা করা যাচ্ছে। নাদিয়া চরিত্রটাকে মাত্র অল্প উপস্থিতিতেই খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা মনে ছাপ ফেলেছে। এলিনা যখন পায়ের নখে মাটি খুঁটছিল, চোখের কোনা ভিজে যাচ্ছিল, ইত্যাদি বর্ণনায় মনে হচ্ছিল কোনো এক বাঙালি তরুণীর সাথে নায়কের কথা হচ্ছে, এবং পরের লাইনেই দেখলাম, আপনিও তাকে বাঙালি নারীর চাইতেও সরেস উল্লেখ করেছেন। এলিনা চরিত্রটা খুব সাবলীল ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে প্রথম পর্বেই।

মোট কথা, প্রথম পর্বে যেমন একটা প্রেমের আবহ গড়ে উঠেছে, এলিনার অশ্রুসিক্ত অভিব্যক্তিতে সেই প্রেমে একটা বিষণ্ণতাও মন ছুঁয়ে যাচ্ছে।

ওহ, সজলের ক্যারেক্টারটা 'চতুরতা' শব্দের প্রয়োগে পরিষ্কার হয়ে উঠেছে।

লেখায় দারুণ পরিপক্বতা।

সম্ভব হলে টাইপিং মিস্টেকের দিকে নজর দিবেন।

শুভেচ্ছা নিয়েন শেরজা তপন ভাই।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:০৭

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার উপস্থিতি টের পাইনি তখন। এখন আপনাকে পেয়ে ভাল লাগছে।
আপনার দারুন সাবলীল ও ডিটেইল মন্তব্য আমাকে সহ অন্য অনেক ব্লগারকে দারুনভাবে উদ্দীপ্ত করে নিঃসন্দেহে।
বানান ও ভাষাগত ত্রুটি আছে আমার নিশ্চিত- কিন্তু এই নিয়ে খাটাখাটুনি করতে গেলে আর পোষ্ট দেয়াই হয়ে উঠবে না- আমার কি বোর্ড টাও বিরক্ত করছে দুদিন ধরে। বাংলা টাইপ মিস হয়ে যাচ্ছে বার বার। অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

নাদিয়ার কথা আরো কিছু পর্বে হয়তো পাবেন। হ্যা এমন উচ্ছল প্রাণবন্ত মেয়েকে আমারও বেশ ভাল লাগে।
আমার মনে হচ্ছে ঠিক তখনকার আবেগটা ফুটিয়ে তুলতে পারছিনা ভাই।চেষ্টা করছি তবুও কিছু একটা মিস হয়ে যাচ্ছে...
হ্যা সজল বেশ চতুর ছেলেই ছিল।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এমন সুন্দর একটা মন্তব্যের জন্য।
আপনি ভাল থাকুন সব সময়- আমাদের সাথে থাকুন।

৩৬| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:০৪

অক্পটে বলেছেন: লেখাটা পড়ে শেষ না হতেই চলে যেতে হয়েছিল ফাইজারের ফার্স্ট শট নেবার জন্য। এই গল্পের কিছু চরিত্রের পরিচিতি দারুণভাবে উপস্থাপন করেছেন। প্রথম পর্ব শেষ করলাম। খুব ভালো লাগছে। যদি একই সাথে কয়েকটা পর্ব পড়া যেত তাহলে আরো ভালো লাগত। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। চরিত্র সম্পর্কে সোনাবীজ ভাই ও আরো অনেকে বলেছেন আমি সহমত তাদের সাথে। আছি আপনার সাথে সকল পর্ব পড়ার জন্য। আপনার ব্লগ ঘুরে এলাম। পড়ার জন্য দারুণ সম্ভার পেয়ে গেলাম। তবে অনেক দেরি করে আপনাকে আবিস্কার করা গেল। শুভেচ্ছা আপনাকে।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৩

শেরজা তপন বলেছেন: ফাইজারের শর্ট তা এই লেখার থেকে এখন অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ন! ভাল করেছেন- আপনার সার্বিক সুস্থ্যতা কামনা করছি

এই পরিচিতি কয়েক পর্ব জুড়ে চলবে। গল্পের প্রাথমিক অংশটুকু এর মাঝে বলা হয়ে যাবে।
আপনার প্রতি আমার ভালবাসা ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। এভাবে বললে মনে হয় দূর ছাই সব ছেড়ে ছুড়ে দিয়ে লেখালেখি নিয়ে পড়ে থাকি।
দেরি হলই বা তাতে কি- সময় বুঝে ধীরে ধীরে পড়ে দু-ইয়েকটা মন্তব্য করে যাবেন তাতেই আমি ধন্য হব।

ভাল থাকুন সুন্দর থাকুন সব সময়।

৩৭| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:০৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: দারুণ সূচনা !!
কাল পোষ্ট দেখে লাইক করে গিয়েছিলাম, আজ পড়লাম। অসাধারণ আশা করছি আরও একটা জমজমাট সিরিজ এ যাচ্ছি আমরা।

ভালোলাগা।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৮

শেরজা তপন বলেছেন: ওহ-হো আমার কি সৌভাগ্য- অবশেষে আপনার দেখা পেলাম!

তবে একটা ওয়ার্নিং আগে থেকে দিয়ে রাখি; এইবার যদি আমাকে 'বাবনিক' বানাইছেন তো খবর আছে। :)
আপনারে বিশ্বাস নাই তাই একটা ব্রিফ দিয়ে রাখি, এই আমি কিন্তু আমি না এই আমি সৌম্য। সৌম্য এখানে এন্টি হিরো।'

এবারের লেখাটা একটু অন্যরকম হবে আশা রাখছি- দেখি ও দেখেন কি হয়।

ভাল থাকুন সব সময় প্রিয় ব্লগার।

৩৮| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২০

অনল চৌধুরী বলেছেন: বন্ধুত্ব হল কোথায়- ছিল কেন এখন নেই? অগণিত দেশী মেয়ে বন্ধুই স্বার্থ শেষ হওয়ার পর এবং আরো অনেক কারণে গায়েব হয়ে গেছে, সেখানে বিদেশী কিভাবে স্থায়ী হবে?

রাশিয়া ছাড়া সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্য প্রজাত্ন্ত্রগুলিতে জীবন-যাত্রার খরচ কম। তাই সবগুলিতেই যাওয়া যায়।

২৯ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৩৯

শেরজা তপন বলেছেন: এই মন্তব্যের উত্তর কেন দেয়া হয়নি ভেবে আমি কষ্ট পাচ্ছি।
আপনার ভালবাসার মুল্যায়ন সঠিক সময়ে করতে পারিনি বলে আমি অনুতপ্ত ও ক্ষমাপ্রার্থী!

:)

৩৯| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৩৫

ঢুকিচেপা বলেছেন: গল্পের প্রথম পাঠ ভালো লেগেছে। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৫:৫৫

শেরজা তপন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে- আশা রাখছি আজকে রাতে দ্বীতিয় পর্বটা পড়ে কিছু একটা মন্তব্য রেখে যাবেন।

ভাল থাকুন আপনি সব সময়

৪০| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ২:১৭

নতুন বলেছেন: অনেক দিন পরে রুশ উপন্ন্যাসের রস পেলাম। অনেক আগে আন্তন চেখভের গল্পগুলির কথা মনে পড়ে গেলো।

শুরুটা ভালো লেগেছে, আশা করি পুরুটা শেষ করতে পারবো। :)

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৫:৫৮

শেরজা তপন বলেছেন: আন্তন চেখভ নিয়ে আমার একটা লেখা আছে সুযোগ পেলে পড়বেন। আপনাকে পেয়ে আনধিত হলাম।
পরের পর্বগুলোতে সাথে থাকার আমন্ত্রন রইল।
ভাল থাকুন -সেই সাথে আপনার সার্বঙ্গীন সুস্থ্যতা কামনা করছি।

৪১| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৪:৫০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আরেয় না না কি যে বলেন !
যে ইন্ট্রু দিয়েছেন, তারপরও কিভাবে!
তাছাড়া আপনি হচ্ছেন আমাদের মিশু ভাই থুক্কু শেরজা তপন। আলকাশ তবুও শুনতে বেশ! কিন্তু এই নামটাতে লাবন্য নেই , কাব্য নেই, যদিও সৌম্য সুন্দর নাম কিন্তু বাংলা সিনেমার দর্শক হিসেবে এন্টি হিরো কে কিভাবে প্রিয় তালিকায় নেই বলেন।
আমাদের মিশু ভাই ই রকস !!!

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০২

শেরজা তপন বলেছেন: প্যাঁচ একটা লাগাবেন আপনি বুঝতে পারছি। আগে-ভাগে বলে লাভ আর হইল কই।

আলকাশেরা সবসময় একটু সেন্সেটিভ ও রোমান্টিক! লম্পট বা বাবনিক-তো তেমন নয়।
এবার এন্টি হিরোকেই প্রিয় তালিকায় নিবেন ভেবে- তাই সেই ভাবেই তাঁর চরিত্র সাজিয়েছি :)

ভাল থাকুন সবসময়- আজকে রাতে দ্বীতিয় পর্ব নিয়ে আসছি সাথে থাকবেন।( আপনার ব্লগ ঘুরে এসেছি- মন্তব্য করা হয়নি)

৪২| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:০৫

জুন বলেছেন: প্রথম দিনের প্রথম ক্ষনেই পড়া সারা কিন্ত পদচিহ্ন রেখে যেতে পারিনি এ আমার আলকাশ ( আমাদের ফ্যামিলিতে বোকা গাধাদের বোঝাতো) পানা ছাড়া আর কিছুই না। ভাবলাম প্রথম রোজার দিনেই বাবনিক কাহিনি পড়া বা মন্তব্য করা কি ঠিক হবে :`>
আপনার রুস্কাইয়া ব্লুদা বইয়ের গল্পতো অসাধারণ সাথে প্রচ্ছদটিও তপন। মনে হয় যেন প্রগতি থেকে ছাপা এই কথা আমি আগেও বলেছি। এই গল্পের শুরুতেই যা মুন্সীয়ানা দেখালেন তাতে আশা করতেই পারি আরেকটি অসাধারণ লেখনীর। অনেক অনেক ভালো লাগা রইলো।
+

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৭

শেরজা তপন বলেছেন: আহা আপনার পদচিহ্ন বিনে এ পর্ব সার্থকতা পেত না যে।
আপনি জানেন আমার কোন লেখায় আপনার মন্তব্য পেলে বড্ড ভাল লাগে।
আলকাশ যে বাঙ্গলা ভাষায় ব্যাবহৃত হয় সেটা আমার জানা ছিল না !

রুস্কাইয়া ব্লুদা নিয়ে আপনার উচ্ছাস আমার অন্তরের গভীরে স্পর্শ করল।

আশা করই নিরাশ হবেন না।
ভাল থাকুন নিরন্তর!

৪৩| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন।সজলের খোঁজে হয়তো এলিনা আপনাকে নির্জন স্থানে ডেকেছে। তবে আমার মনে হচ্ছে আপাত দৃষ্টিতে সজল হলেও এলিনা সামনে তার রাজপুত্রকে পেয়ে গেছে। বুড়ো আংগুল দিয়ে কাপের্ট খুটা ও একঝলক মুক্তো বাঁধানো দাঁতের হাসি যে গল্পে আমি'র সঙ্গে পাঠক হৃদয়ে হিন্দোল তুলেছে তা অস্বীকার করতে পারিনা।আমি কিন্তু সজল নয় এলিনার খোঁজে পরবর্তী পর্বে চললাম...
পোস্টে লাইক।
শুভেচ্ছা প্রিয় ভাইকে।

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:১২

শেরজা তপন বলেছেন: হাঃ হাঃ আপনি বুদ্ধিমান মানুষ- ঠিক ধরে ফেলেছেন! তবে সৌম্যের একটা খেলা আছে এখানে- সে বেশ পোক্ত জাল ফেলেছে!

হিন্দোল কি তুলেছে? তাই মনে হচ্ছে-ববি মনে হয় সেভাবে পাঠকপ্রিয়তা পাবে না। ঠিক আছে এর পড়ে এলিনাকেই ধরে আনব বার বার, এসে একটুখানি হাসি দিয়ে চলে যাবে :) :)

অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় পদাতিক ভাই। ভাল থাকুন নিরন্তর। পরের পর্বগুলো পড়ার আমন্ত্রন রইল।

৪৪| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
আবার জমেছে মেলা
সামুতলা শেরজা খেলা...

শুরুতেই বাজিমাত :)
দারুন শুভারম্ভে মুগ্ধতা...

চলুক সিরিজ........

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৫১

শেরজা তপন বলেছেন: উত্তর দিচ্ছি- খানিকটা আড্ডা দিয়ে আসি

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:১৭

শেরজা তপন বলেছেন: অবশেষে আমার বিদ্রোহী ভৃগু ভাইকে পেয়ে কি যে আনন্দ লাগছে!!!!

ছড়াখানা জব্বর হয়েছে- তবে শরম ও লাগছে খানিকটা। প্রথম পর্বের পাঠকপ্রিয়তা- পরের পর্বগুলোতে ধরে রাখতে পারব কিনা
সেই ভয়ে খানিকটা বুক কাঁপছে। দোয়া রাখবেন
আপনি ভাল থাকুন -সুস্থ্য থাকুন সব সময় অন্তর থেকে এই দোয়া রইল...

৪৫| ২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ২:৩৫

কাতিআশা বলেছেন: সাথে আছি ভাইয়া!..শুরু টা দারুন হয়েছে!

২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৯:০৪

শেরজা তপন বলেছেন: তা এসেছেন আপনি!!! পরের পর্বে কই?
আপনাকে সাথে পেয়ে প্রীত হলাম। পরের পর্বগুলোতেও সাথে এমন করে সংগ পাব বলে আশা রাখছি।

ভাল থাকুন-সুন্দর ও সুস্থ্য থাকুন।

৪৬| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১২:৪৭

অশুভ বলেছেন: আবার লেখায় ফিরেছেন দেখে ভাল লাগল। সবগুলো পর্ব পড়ে আসি, তারপর মন্তব্য করব।

৪৭| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১২:৫৬

অশুভ বলেছেন: শুরুটা চমৎকার। এমন একটা লেখারই অপেক্ষায় ছিলাম। শেষ পরিণতি জানার দরকার নেই। আপনার ভান্ডারে যতটুকু আছে, সেটা জানতে পারলেই হবে।

২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:৫০

শেরজা তপন বলেছেন: বহুদিন ব্লগে এত মন্তব্য পাইনি। এত ব্লগারের ভাল বাসায় আমি বিমোহিত!
আপনাকে পেয়ে ষোলকলা পুর্ন হল। তবে এত দেরীতে যে, ব্লগে ঠিক নিয়মিত নন?
মন্তব্য সময় নিয়ে করলেও হবে- শুধু জানান দিয়ে যায়েন। ভাল থাকুন সুন্দর থাকু-সুস্থ্য থাকুন।

৪৮| ০৫ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:১৩

আরাফআহনাফ বলেছেন: আবার দিলেন তো নেশা ধরিয়ে, আলকেশের মতো !!!!
(কত হ্যাপা না জানি সইতে হয় এইবার বাবনিকের শেষ দেখতে)
তাই সই - পড়েছি আপনার হাতে, সহজে কী আর নিস্তার আছে?


উদার হস্তে সেন্সর করতে পারবনা বলে মনে হয় -কেননা এটাতো লম্পট বা চরিত্রহীনের কাহিনী। কাট-ছাট করতে গেলে এর মুল আবেদন হারাবে। তবে পুরোপুরি চটি হবেনা -------

চলুক - সাথে আছি।
ভাল থাকুন, সুন্দর থাকুন-সুস্থ্য থাকুন - শুভ কামনা সবসময়ের।

৪৯| ০৫ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:৩৫

শেরজা তপন বলেছেন: (কত হ্যাপা না জানি সইতে হয় এইবার বাবনিকের শেষ দেখতে) :)
শেষটুকু জানতে হয়তো একটু সময় লাগবে। বলা যায়না হুট করে ইতি টানতেও পারি। আমারই ধৈর্য কতদিন থাকে তাই ভাবছি!!!!
মাতালের সাথে লাম্পট্য যায় ভাল- যেন হরিহর আত্মা !!
তবে লাম্পট্য মুল উপজীব্য হলেও এবারের লেখাটা একটু কিংবা অনেকখানি ভিন্ন ধারার হবে । শারিরিক কথাবার্তা হবে , কোথাও একটু ডিটেলে কিন্ত ধীরে
ধীরে স্পর্শকাতর একটা বিষয়ে ঢুকে যাবে।

সাথে থাকবেন যানে খুব ভাল লাগল ভাই। আমি আনন্দিত-বিমোহিত, আপয়াঙ্কে নেশা ধরাতে পেরে

৫০| ২৮ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১০:২৯

অপু তানভীর বলেছেন: চমৎকার শুরু । আজকে সব গুলো পর্ব পড়ে শেষ করবো আশা করি ।

২৮ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১১:২৬

শেরজা তপন বলেছেন: হায় হায় কি বলেন অপু ভাই- এতো আমার বিরাট সৌভাগ্য!
অপেক্ষায় রইলাম আপনার ঢাউস একখানা মন্তব্যের; ভাল মন্দ মিলিয়ে বলবেন...

৫১| ২৯ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:২৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ইনশাআল্লাহ পড়বাম আশা করি

২৯ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:০৬

শেরজা তপন বলেছেন: আমিও অপেক্ষায় রইলাম -জাজাকাল্লাহ খায়রান!!

৫২| ২৯ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১০:৪৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



প্রথম পর্বটি দেখতে বিলম্ব হয়ে গেল । এর মধ্যে দ্বিতীয় পর্ব চলে এসেছে ।
তাই এই পর্বটি পাঠের পর দ্বিতীয় পর্বটি দেখার বাসনা মনের মধ্যে প্রবল হয়ে
উঠায় এটাকে প্রিয়তে নেয়ার জন্য বগল দাবা করে পরের পর্ব দেখার তরে
চললাম । সেখানে গিয়ে ১ম পর্ব ও ২য় পর্ব পাঠের পর একসাথে মন্তব্য
লিখব ।
এখন শুভেচ্ছা রইল ।

২৯ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১১:২৩

শেরজা তপন বলেছেন: এটা প্রথম খন্ডের প্রথম পর্ব!
প্রথম খন্ড ১১ পর্বে শেষ হয়েছে- এতগুলো পর্ব পড়তে বেশ সময় লাগার কথা
গল্পের মাঝে গিয়ে কিছুটা শ্লথ হয়ে গেছে!
আপনাকে পেয়ে বড় ভাল লাগল - আমি ভাবিনি যে আপনি এ লেখা পড়বেন!!
আপনি কি আমার 'আলকাশ' সিরিজ পড়েছেন। যে জন্য ব্লগে অনেকেই আমাকে চেনে? মাত্র সতের পর্বের যে সিরিজটা শেষ
করতে লেগেছিল ১০ বছরের কাছাকাছি সময়। এটা যখন পড়ছেন, সেটাও সুযোগ পেলে পড়বেন প্লিজ।
বাবনিক- কাহিনী মোট তিনটে খন্ড হবে( চারটাও হতে পারে)। তৃতিয় খন্ডে এসে কাহিনীটা আমুল পালটে যাবে। এ কাহিনীর
দুর্ভাগ্য যে, আমার মত অতি মামুলি একজন হাতে এসে পড়েছে। তেমন কোন( সুনীল গাঙ্গুলী টাইপ) সু সাহিত্যকের হাতে
পড়লে- এটা এপিক একটা উপন্যাস হোত।
এর পরের দু'তিনটে পর্বে একটু বেশী শারিরিক ব্যাপার স্যাপার আছে। আশা করি ব্যাপারগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে শটিতে।
আপনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। ভাল থাকুন।

৫৩| ২৯ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১১:০৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর।+


আস্তে আস্তে লম্পটের সবগুলো পার্ট পড়বো। রুশ মেয়েরা নাকি অনেক সুন্দরী হয়। ভদকা পেয়েই নাকি বিছানায় শেয়ার দেয়। অবশ্য আপনি বেশি জানবেন। যেহেতু অনেক সময় সেখানে কাটিয়েছেন। আপনার লেখাও বেশ ভালো হয়েছে। সে জন্য অভিনন্দন।

২৯ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১১:৩৪

শেরজা তপন বলেছেন: তাতো অবশ্যই- আমার কেছে গড়পরতা বেশিরভাগ রুশ( খাঁটি, উক্রাইনান, বেলারুশীয়) বেশ সুন্দরী মনে হয়। জর্জিয়া, লাটভিয়া লিথুনিয়া- একটু অন্য ধাঁচের!
দেখুন এটা নির্ভর করে কোন লেভেলের বা কোন টাইপের মেয়ে তাঁর উপরে। সবাই যেহেতু মোটামুটি সুন্দরী, পোষাকেও ফিটফাট আর টুক টাক শিক্ষিত সেখানে পথ চলতি কোন মেয়ের সাথে আলাপ হলে তাঁকে ডিফাইন করা কঠিন! আমি কি বলতে চেয়েছি আপনি আশা করি বুঝবেন।
একটা ভোদকা বা এক বেলা ভাল খাবারের লোভে যে মেয়ে প্রায় অপরিচিত একটা ছেলের সাথে বিছানায় যায়- তাঁর কথা না
বললেও চলবে।

আশা করি ব্লগে আরো লেখালেখির ফাঁকে কথা হবে। অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা এত দুরে এসে মন্তব্য করার জন্য।
ভাল থাকুন

৫৪| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৫৯

ইসিয়াক বলেছেন: পড়লাম। মন্তব্য প্রতিমন্তব্যগুলো পড়বো। তারপর মন্তব্যে আসছি।


৫৫| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১১:২২

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার এ সিরিজটা পড়বো। প্রথম খণ্ডের প্রথম এই পর্বটিতে এর আগে দুটো মন্তব্য রেখে গিয়েছিলাম। দ্বিতীয় পর্ব পড়ার আগে স্মৃতি ঝালাই করতে পুনরায় এ পর্বটিতে এলাম। আর এলামই যখন, কিছু কথাও রেখে গেলাম।
যাচ্ছি দ্বিতীয় পর্বটিতে।

২৮ শে নভেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৯

শেরজা তপন বলেছেন: ফের এসেছেন দেখে আমি দারুনভাবে অনুপ্রাণিত ও আপ্লুত হলাম! আমি ফাঁকে এসে মন্তব্যগুলো ফের দেখে নিলাম।
পরার পর্বগুলোতে অপেক্ষায় রইলাম আপনার চমৎকার সব মন্তব্যের?
ভাল থাকুন

৫৬| ০১ লা আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:১৪

ফয়সাল রকি বলেছেন: উপভোগ্য প্রথম পর্ব।

০২ রা আগস্ট, ২০২২ সকাল ৮:৩০

শেরজা তপন বলেছেন: আরেব্বাস একদম শুরু থেকে শুরু!!
ধন্যবাদ আপনাকে- শেষে ভাল একটা রিভিউ আশা করছি ঃ)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.