নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

শেরজা তপন

অনেক সুখের গল্প হল-এবার কিছু কষ্টের কথা শুনি...

শেরজা তপন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাবনিক- দ্বিতীয় পর্ব

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৭


প্রথম পর্বের জন্যঃ Click This Link
এবার 'বাবনিক'এর মুল চরিত্রের সাথে পরিচয় পর্বটা সেরে ফেলি;
ববি আমার জিগার দোস্ত! অথচ ছ’মাস আগেও কেউ কাউকে জানতাম না।মস্কোর এক হোস্টেলে তার সাথে পরিচয়। হোস্টেলের সবচেয়ে সুদর্শন, প্রানবন্ত, বাগপটু সেই ছেলেটা সবার মধ্যমনি ছল। গানে কথায় গল্পে( চাপাবাজিতেও) সহজাত দখল থাকায় আড্ডা জমে যেত মুহূর্তেই।
চেহারায় কিছুটা নাকি সালমানের আদল আর স্টাইলে নাকি সঞ্জয়! তাই অনেকেই তাকে সালমান ভাই কিংবা সঞ্জয় ভাই বলে ডাকত। আর সেও মোটামুটি সে হাবে ভাবে চলত।
ওর বড় ভাই বেশ আগে থেকে মস্কোতে থাকে। মস্কোর বাঙ্গালী পাড়ায় বেশ নাম ডাক। সে-ই নিয়ে এসেছে ছোট ভাইকে।
ইচ্ছে দু’চার পাতা রুশ ভাষা শিখিয়ে ব্যাবসায় তালিম দেয়া। তাইতো নিজের কাছে না রেখে হোস্টেলে রেখেছেন। যদিও তাকে হোস্টেলে রাখার কারন- সে আমি সহ সবাই জানে, কারনটা অন্য কিছু। ভাইয়ের পেয়ারা দোস্ত-ইয়ার আর কিছু বান্ধবীর আনাগোনা-তো ঘটে সেখানে নিত্য। পাছে ছোট ভায়ের কাছে মান যায় সেই ভয়ে ‘দুর রাহানা হি বেহাতার হ্যায়’।
এদিকে ছোট ভাই যে তার থেকে কয়েক কাঠি সরেস- তা তিনি টের পেলেন মাস না ঘুরতেই।
হাই, হ্যালো, কেমন, ভাল এমন দু’চারখান রুশ শব্দ শিখেই সে মহা উদ্যোমে লেগে গেল নারী হন্তায়! ক্যান্টিনের ওয়েট্রেস, ফ্রন্ট ডেস্কের ম্যানেজার থেকে শুরু করে কেউ তার হাত ফস্কে যেতে পারে না। কেমনে যে পটায় সে এক ঈশ্বর-ই জানেন।
আমাদের দেখে পানসে মুখে সম্ভাষন জানায় –আর ওকে দেখলেই বিগলিত হাসি! মোমবাতিটা যেন কাত করে রাখা-শুধু টুপ টুপ গলে পড়ে।
দিন দিন তার ফ্যাশনের জেল্লা বাড়ে- নিজের না থাকলেও এর ওর সরেস-খানা ধার করে নিয়ে যায়। আরেকটু ভাষা শিখেই হাত বাড়াল তার চেনা জানা গন্ডির বাইরে। আমাদের ‘বেহুদা’ কামে পার্কে নিয়ে যায়। মোটামুটি সুবেশা সুন্দরী কোন কিশোরী, যুবতী, বা রমনী হলেই সে একটা হাসি দিয়ে এগিয়ে যায়। রুশীয় রমনীরা এই ভেঁতো বাঙ্গালীদের সন্দেশ রাখত কম! গন্য মান্য বিদেশি ভেবেই, হেসে হেসে কথা বলত। প্রত্যাখান করতও হাসি মুখে।

ওদিকে বড় ভাই তার এই লেডি কিলিং এর তথ্য পেয়ে গেল শুভাকাঙ্ক্ষী মারফৎ।
শুরু হল দুই ভায়ের ‘catch me if you can’ খেলা।
আগে থেকেই টাকা পয়সা হাতে ছিল তার বেশ। আর দিল দরিয়া বন্ধুরাতো আছেই। তখন অবশ্য এক ডলারে পুরো মস্কো ঘুরে ফের তিন দিন আয়েশ করা যেত !
তবে রনি ভাই(ববির বড় ভাই) আমাকে অতি সভ্য ভব্য ভেবে ছোট ভায়ের চরিত্র সংশোধনের গুরু দায়িত্ব দিয়েছিলেন আমার ঘাড়ে।
রনি ভায়ের নজরদারি এড়াতে খোলা হাওয়া খেতে ববি এবার ছুটল মস্কো ছেড়ে ইউক্রাইনের পথে; সঙ্গী হলাম আমি।
কিয়েভে উঠলাম এক বন্ধুর হোস্টেলে। সারাদিন মদ খাওয়া, আড্ডা আর তাস খেলা চলে।
আচমকা একদিন ববি উধাও!
দু’দিন বাদে ফিরে এল বগল দাবা করে সেই রকম সুন্দরী এক ইউক্রাইনী রমণীকে নিয়ে। দুর্ধর্ষ ফিগার আর অত্যুচ্চ স্মার্টনেস! নামটাও মাইরি- শায়লা। এই নাম রুশীয় কিংবা উক্রাইনীয় কোন রমণীর আছে বলে শুনিনি আগে।
সবার চোখ তখন কপালে! আমি জিগাই কিরে দোস্ত বিষয় কি? সে হাসে আর বলে,পরে কই। ভাগায় নিয়ে আসছি।
অবশেষে, আমাকে এক কোনে নিয়ে সে তার ভাগানোর গল্প করল;
গত পরশু তার বড় ভায়ের এক বন্ধু আছে তার সাথে দেখা করতে গিয়েছিল। বহু পুরনো ছাত্র, এখন ব্যাবসা করে। একাই বাসা নিয়ে থাকে। তার ওখানে তিনি স্বভাবতই আপ্যায়ন শুরু করলেন মদ আর শুকনো ‘জাকোজকা’ দিয়ে।
খানিক বাদেই ওখানে হাজির হল এক রুপসী কন্যা!
-দোস্তরে দেখেই আমার মাথায় চিলিক দিয়ে উঠল- কি কড়া জিনিস!
-বড় ভাই আমারে পরিচয় করিয়ে দিল, তার বান্ধবী। জার্মানিতে থাকে- বেড়াতে এসেছে কদিন ধরে।
আমি ভাবি-দুস শালা এই কাঊয়ার সাথে এই মেয়ে যায়? আমার খালি মাথা ঘুরাচ্ছিল- এই বল্টু টাইপের মানুষ!! ক্যামনে কি পুরাই মাথা আউলায় গ্যাল!
আমিতো ভাষা টাষা জানি কম। দু-একটা মজার কথা বার্তা বলতে গেলে দেখি এই মেয়ে গম্ভীর হয়ে থাকে- পাত্তা টাত্তা দেয় না।
- তখন ফর্মুলা দুই ধরলাম; হের কথা ভুলে গিয়ে বড় ভাইরে ভজা শুরু করলাম। আমি মাল খাই একটু, অনেক্ষন ধরে বোতল থেকে ঢালি, পানি নেই বেশী। আর ওর টায় পুরা ‘র’ দেই। ছেমড়ি আমার কান্ড দেখে মুচকি মুচকি হাসে।

-তখন আরেকটু আগাইলাম। মামারে এমন পটানো শুরু করলাম! কইলাম ভাইজান, আমার দু’বছরের রাশিয়ার জীবনে (সে এসেছে ছয় মাস ও হয় নাই), আপনার মত এই রকম খোর(মদ) আর দেখি নাই। আপনি আসলেই ভাই গুরু। বইলাই পা জড়ায় ধরলাম। বড় ভাই তখন নিজেরে শালার ‘রাস্পুটিন’ ভাবা শুরু করছে। আমি দেই এক পেগ, সে আরো ডাবল করে নেয়। ঘন্টা খানেকের মধ্যে কাত।

-পুরা বেহুঁশ! ততক্ষনে মাইয়া পটে গেছে। তারপরে ভাই’র নিজের বিছানাতেই তারই বান্ধবীর সাথে পুরা রাত। চরম ক্রেজি ছেমড়ি। নিজের বুড়া আঙ্গুল দেখিয়ে বলল, দ্যাখ এমন এক কামড় দিছে- আঙ্গুলটাই গেছিল।
আমি দেখলাম বেশ গভীর কামড়ের দাগ। দেখে শিউড়ে উঠলাম! মনে মনে কল্পনা করলাম- কোন রকম ক্রেজি সে!
-তারপর কালকে কোথায় ছিলি?
ভোর বেলা ওখান থেকে ভেগে গিয়ে ওর এক বান্ধবীর বাসায় ছিল। সেইটাও সেই! তুই চল আজকে বিকালে, ওইটার সাথে পরিচয় করিয়ে দেই। তারপর দুই বন্ধু মিলে ব্লাক সি’তে মৌজ-মাস্তি করে আসি।

ওইদিকে উক্রাইনের সেই বড় ভাই পুরা শহরে নাকি ওরে পাগলের মত খুজতেছে।
বিকেলে ববি’র ‘রাদনোই ব্রাত’(মায়ের পেটের ভাই) ফোন দিল আমাকে। কুশলাদি বিনিময় করে, জিজ্ঞেস করল ববি’র কথা? তার বন্ধু নাকি ফোন দিয়েছিল তাকে, বলেছে বিস্তারিত! ও কোথায় বলতে পার?
আমি পুরোপুরি চেপে গেলাম। না রনি ভাই আমিতো তিনদিন ধরে ওরে খুঁজতেছি। ভাবছিলাম আপনাকে ফোন দিব।
- তুমি একটু খোঁজ লাগাও-তো ভাই! বিরাট শরমের ব্যাপার।
- জ্বী ভাই অবশ্যই। ওর খোঁজ পেলে প্রথমে আপনাকেই জানাব।
আহারে বড় ভাই’এর ওকে নিয়ে তার দুশ্চিন্তার অন্ত নেই!
তিনি আমাকে কতবার অনুরোধ করেছেন; তোমার কথাতো শোনে। তুমি ওকে বোঝাও- এভাবে মেয়েদের পেছনে চক্কর কাটলে-তো লাইফ বরবাদ হয়ে যাবে। যদি চায় সেরকম মেয়ে পেলে বিয়ে করিয়ে দিব।
আমি বুঝিনি সেই রকম মেয়ে বলে উনি কি মিন করেছিলেন? জিজ্ঞেস করলাম, সেইকম মেয়ে বলতে কি বোঝাতে চাচ্ছেন ভাই?
-এই ধর আমাদের সাথে যায়।
তবুও আমি বুঝিনি- তবে ঘরোয়া,শান্ত, স্বামী ভক্ত, ধর্ম-টর্ম পাল্টে ধার্মিক হবে- এইসব মিন করেছিলেন হয়তোবা।
বাপরে এই রকম ‘প্লে বয়’ টাইপ ছেলের সাথে তিনি খুঁজছেন কিনা – আমাদের সাথে যায় তেমন মেয়ে।
সুযোগের সদ্ব্যাবহারে আমরা বিশ্ব সেরা। যেখানে ইউরোপের অন্য দেশে সিংহভাগ বাঙ্গালী কোন মতে কানা ল্যাংড়া একটা পেলে বর্তে যায়। সেখানে সারা রাশিয়াতে ঘুরে আমাদের টাইপ মেয়ে খুঁজতে হবে। নারী’র সহজ লভ্যতা এদের কত নাক উঁচু করে ফেলেছে!!!

দ্বিতীয় পর্ব শেষ!
পরের পর্বের জন্যঃ Click This Link

মন্তব্য ৬৩ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৬৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:



প্রথম হইচি!
চা বিস্কুট দেন!

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩১

শেরজা তপন বলেছেন: এই রমজানে শুধু আ-বিস্কুট খেলে হয় ভাইজান। ছোলা-মুড়ি পেয়াজু না হলে জমে।
আপনি কখনো চাল খাসি ( সম্ভবত এটা চাল-খাস হবে) খেয়েছেন? যদি খেয়ে থাকেনতো খাওয়াব একদিন :)
লেখাটা কি পড়েছেন? পড়ে থাকলে এক্টুখানি মন্তব্য যদি করতেন তবে বড়ই আনন্দিত হতাম
অপেক্ষায় রইলা্ম...

২| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৫

আজাদ প্রোডাক্টস বলেছেন: আমি কি বড্ড দেরী কইরা ফালাইলাম ? রাশিয়ান ভিসা পাওয়া গেলে আমার মত গরীবের ভাগ্যে কি শিকা ছিড়বে ?

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩৪

শেরজা তপন বলেছেন: রাশিয়ান ভিসা নিতে পারেন যদি স্পুতনিক টিকা নেবার খায়েশ থাকে- এছাড়া ট্যাকে কড়ি থাকলে ঘুরতে যাওয়ার জন্য বেশ না হলে আর কোন লাভ নাই :)
আপনি এই প্রথম আমার ব্লগে পদধুলি দিলেন ভ্রাতা?
যদি তাই হয় তবে স্বাগতম আপনাকে। মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম- অবশ্যই 'বাবনিক' নিয়ে?
ভাল থাকুন নিরন্তর!

৩| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেকদিন পর দেখা; আশা করি ভাল আছেন প্রিয় ভাই । শুরুতেই আপনাকে অনুরোধ করবো শিরোনামে টাইপো হয়ে গেছে।প্লিজ ঠিক করে দিন। পোস্ট পড়ে আবার আসছি।

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩৭

শেরজা তপন বলেছেন: আপনাকে গতপর্বে না দেখে হৃদয়খানা শুষ্ক হয়ে ছিল ভ্রাতা!
অবশেষে পেয়ে দারুন আনন্দিত হলাম।
শিরোনামে আমি যে কোন ভুল দেখতে পাচ্ছিনা' একটু ডিটেল বলবেন প্লিজ?
ফের আসার অপক্ষেয় রই্লাম...

৪| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৮

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: কঠিন প্লেবয় দেখা যায়। কথা দিয়েই পটিয়ে ফেলছে সব। আর ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। বাঙালি নিজে যতই প্লেবয় হোক বউয়ের বেলায় পরহেজগার(আমাদের সাথে যায় টাইপ) লাগবে। মানুষ যা সহজে পায় তার কদর করে না। মুড়ি খাওয়ার মত করে মেয়ে পটাচ্ছিলো বলেই হয়তো যা সহজে পাওয়া যায় না (আমাদের সাথে যায় টাইপ) তা খুঁজছে। ববিই মনে হয় বাবনিক।

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৪২

শেরজা তপন বলেছেন: হ্যা কঠিন কিংবা চরম-ই বটে!
জ্বী তিনিই 'বাবনিক' -আমি রূপীসৌম্য তাঁর সারিন্দা।
ভদ্রলোকেরা সব পরহেজগার হয়ে যায় শেষ মেষ বউ দের ভয়ানক কুটচালে। এরাও হয়তো সবাই এমন হবে একদিন -দেখা যাক
কি হয়? :)
আপনার মন্তব্য আমাকে বরাবরই অনুপ্রাণিত করে দারুন। এভাবে সাথে থাকবেন- এমন প্রত্যাশা রাখতেই পারি
ভাল থাকুন

৫| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:০৬

আকন বিডি বলেছেন:
বিকালে পড়ছি এইটা, আর ইফতারি কইরা এইটা। কোন দিকে যামু কন দেখি?

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৪৬

শেরজা তপন বলেছেন: গুরূ নমস্য!!!
আহা ঘি এর পড়ে ভেজাল সয়াবিন তেল। বদহজম একটু হতে পারে ভাই :)
মহাগুরু কিন্তু দারুন প্লে-বয় ছিলেন!
তবে ভেজাল সয়াবিন তেলের ভাল মন্দ নিয়ে কলমের দুটো খোঁচা দিলে অতীব আনন্দিত হতুম!

৬| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২৪

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আমার এক মামা বিয়ে করে রাশিয়ায় থেকে গিয়েছে। সন্তানেরা আসতে চায় না বাংলাদেশে

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৪৭

শেরজা তপন বলেছেন: ভালতো শান্তির দেশ! মৌজ মাস্তির দেশ
এখানে এসে কি ঘন্টা করবে!!

৭| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৪৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সুযোগের সদ্ব্যাবহারে আমরা বিশ্ব সেরা। যেখানে ইউরোপের অন্য দেশে সিংহভাগ বাঙ্গালী কোন মতে কানা ল্যাংড়া একটা পেলে বাঙ্গালী বর্তে যায়। সেখানে সারা রাশিয়াতে ঘুরে আমাদের টাইপ মেয়ে খুঁজতে হবে। নারী’র সহজ লভ্যতা এদের কত নাক উঁচু করে ফেলেছে!!!


কিছু শোনা কথার সত্যতা পাচ্ছি আপনার লেখায়। সবসময়ের মত ভালোলাগা।

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৪১

শেরজা তপন বলেছেন: যা শুনেছেন তাঁর কিছু সত্যতা আছেতো বটেই। 'সুযোগের অভাবে আমরা চরিত্রবান'এ কথা একথা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য।
আপনার ভাললাগা বরাবরই আমাকে অনুপ্রাণিত করে।

ভাল থাকবেন- ফের ধন্যবাদ এত দ্রুত এসে মন্তব্যের জন্য :)

৮| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৪৯

আল ইফরান বলেছেন: আপনার কোন এক পোস্টে খুব সম্ভবত আমাদের ছেলেদের এই ভ্রস্টচারিতার কারনে রাশান মেয়েদের বিশ্বাস হারানোর বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন। আমার এক বন্ধু গণমৈত্রি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় এই লিগ্যাসিটা দেখে বলেছিলো যে আমাদের গ্রহনযোগ্যতা কতটুকু তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে।

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৪৫

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার বন্ধু ঠিক বলেছেন। আমরা আমদের বড় বেশী ক্ষতি করে ফেলেছি- তা আর শোধরানোর উপায় নেই

বাঃ আপনার স্মরণশক্তি -তো বেশনশক্তি! আমি নিজেই ভুলে গিয়েছিলাম সে কথা। এখন অবশ্য মনে পড়েছে
বরাবরের মত অনুপ্রাণিত করার জন্য সবিশেষ ধন্যবাদ আপনাকে ভাই আল ইরফান- ভাল থাকুন।

৯| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৫১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: গল্পে প্রথম লেডি কিলিং ববিকে গল্পের শিরোনামে সঙ্গে বেশ মানানসই করে উপস্থাপন করেছেন। দুই ভাইয়ের যোগসূত্র হিসেবে আপনার ভূমিকাটি বেশ ভালো লাগলো। যাইহোক আবার অপেক্ষায় রইলাম বড় ভাইয়ের আশা মতো ববির কপালে সাংসারিক জীবনে পৌঁছানো সম্ভব কিনা..
শুভেচ্ছা প্রিয় ভাইকে।

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৪৮

শেরজা তপন বলেছেন: 'যাইহোক আবার অপেক্ষায় রইলাম বড় ভাইয়ের আশা মতো ববির কপালে সাংসারিক জীবনে পৌঁছানো সম্ভব কিনা..'
এত সহজে সেটা সম্ভব বলে মনে হচ্ছে না ভাই- না হলে বাবনিক নামের সার্থকতা কোথায় :)

প্রথম পর্ব ও এই পর্বে আপনার চমৎকার সুন্দর মন্তব্যের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আপনার প্রতি আমার ভালবাসা রইল...
ভাল থাকুন নিরন্তর!

১০| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:২১

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া এই পর্বেও এসেছি কিন্তু।
তবে ববি কবি হয়ে যাক ছ্যাক খেয়ে তাই চাইছি....

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৫২

শেরজা তপন বলেছেন: আপনাকে দেখে আপু কলিজায় শান্তি পেলাম! :)
ছ্যাক খাবার মানুষ ববি নয়- ওরা চিরদিন সুখে ও নিশ্চিন্ত আরামেই থাকে বলে আমার ধারনা।
পরের পর্বে ফের আসবেন- আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম।

১১| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:৩৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: প্রথম পর্ব পড়ে এলিনার ভেতররের অনুভবের পরিবর্তন কেমনে ঘটে সেটার সন্ধানেই এই পর্বে সাতার কাটা। এখন দেখি এই পর্বের কার্বার সার্বার সেই পর্বের চেয়ে বেগতিক!

এরকম ববিরা কিন্তু এলিনাদের তৈরি করে। আপনি আগের পোস্টে এলিনার সরলতার খুব প্রশংসা করেছিলেন। হয়ত আগামী পোস্টে শায়মার বাঙালিত্বের প্রশংসা করবেন। এমনটা যেন না ঘটে। যদি শায়লা নিজ তৃপ্তির জন্য ববির সঙ্গ দেয় তবে দোষের কিছু নাই৷ কিন্তু শেষে শায়লা আফসোস করলে শায়লার চেয়ে ববির দোষটাই বড় করে দেখা হবে। এটাই শায়লা ববির সম্পর্কের ইতির প্রাপ্তি।

আচ্ছা, আপনি কিসের মধ্যে কী গোপন করে রাখছেন ধরতে পারছি না কিন্তু! B:-) এইখানে আপনিটা কে?
এই রূপসী ললনাদের কাহিনী শুনিয়ে আপনি নিজেকে কীভাবে প্রকাশ করছেন? ;) =p~ =p~


গল্পে প্লাস +++

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:০১

শেরজা তপন বলেছেন: হাঃ হাঃ বেশ বেশ - এমনধারার মন্তব্যে প্রতীয়মান হয় যে আপনার রসবোধ প্রবল!
শায়লা বা শায়মা কি এলিনা'রই আরেক নাম?? যদি এলিনা আর ববির বিষয় হয় তবে সেটা একটা ট্যুইস্ট
আপাতত আমরা সৌম্য আর এলিনাকে নিয়ে এগিয়ে যাই। রেনেতা নামে আরেকপক্ষ আসছে সামনে - তাকে যে কার সাথে জুড়ে
দেই :)

আমি কে? আমি এই গল্পের এন্টি হিরো সৌম্য -সরল সোজা প্রেমিক থেকে এন্টি হিরোতে বদলে যাই। পরের পর্বে তাঁর কিঞ্চিৎ আভাস পাবেন।
পরের পর্বেও আপনাকে সাথে পাব বলে প্রত্যাশা করছি।

১২| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:৪২

জুল ভার্ন বলেছেন: চমৎকার!

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:০২

শেরজা তপন বলেছেন: মন্তব্য বেশ সংক্ষিপ্ত হলেও দারুন অনুপ্রাণিত করল আমাকে ভ্রাতা।

ভাল থাকুন।

১৩| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:৫৯

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: ভাই,আসলেই ঠিক তাই। ইউক্রেনিয়ান রা যে কি ভয়ংকর রকমের সুন্দরী তা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। আবার আমরা বাংগালীরা সাইজে ছছোট হলেও প্রেমের খেলায় তথা নারীর মন এবং ে*হ নিয়ে খেলায় যে কত্তবড়ো উস্তাদ তা সেই রমনীরাই জানে যারা এই ভেতো বাংগালী, ছোট সাইজের ধাইন্না মরিচের জালে ফাসছে বা তাগ ঝাজ পাইছে।৷৷৷ আর ববি ভাই ত পুরাই জাত প্লেবয় স্ট্রাইকার ।যিনি প্রতিশটে শটেই গোল পরবার পারে। তা সে গোল আত্তঘাতী হইলেইও এ জাতীয় খেলোয়ার দের কাছে সমস্যা নেই। কারন তারা আপন পর বুঝেনা,তারা বুঝে খালি গোওল,গৌওল এবং গোল। তয় কাহিনী যতটুকু আগাইছে তাতে আপনি এখন প'যন্ত রামের ভাই সুগ্রীব হিসাবে আছেন, বিভীসন কবে এবং কখন অইবেন তাই দেকার বিষয়?

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:০৭

শেরজা তপন বলেছেন: সময়ের অভাবে আগের পর্বে একটা মন্তব্যের উত্তর দেয়া হয়নি তাই এই পর্বে দুঃখ প্রকাশ করে নিচ্ছি।
সময় করে উত্তর দেব।

একদম খাঁটি কথা বলেছেন! উক্রাইনিয়ান রমণীর সৌন্দর্যের তুলনা হয় না।তাদের রুপের জেল্লা পরের পর্বগুলোর পরতে পতে জড়িয়ে থাকবে। বিভীষন তো হতে হবে নাহলে নাটক জমবে কেমনে। তবে এর জন্য বেশ খানিক সময় অপেক্ষা করতে হবে

সময় করে পরের পর্বগুলোতে আসবেন। আপনার মন্তব্যগুলো বেশ মজার- রসময় :)

১৪| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৪৬

করুণাধারা বলেছেন: ববির মতো চরিত্র বিরল নয়। অল্প কথায় তার চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।

রাশান/ ইউক্রেনের মেয়েদের জানার আমার খুব আগ্রহ। আমি দু'জনকে জানি, দুজনেই ইউক্রেনের, একদম আমাদের সাথে যায় মার্কা। একজন দেশে থাকেন চল্লিশ বছর ধরে, স্বামী শ্বশুর বাড়ি নিয়ে সদাব্যস্ত, আর আরেকজনের বাঙালি স্বামী ইউক্রেনীয় বিয়ে করার সুবাদে নাকি ইউরোপে থাকার ভিসা পেয়েছেন, তিনি স্ত্রীর সুবাদে স্ত্রী সন্তান নিয়ে ইতালি থাকেন। ইতালিতে থিতু হয়ে উনি পরে দেশেও একটা বিয়ে করেছেন, তার ইউক্রেনীয় স্ত্রী নাকি এটা জেনেও তার সাথে আছে... আমি খুব অবাক হয়ে ভাবি এরা এমন কেন!!

মনে হচ্ছে আপনার গল্পে নতুন ভাবে এদের চিনতে পারবো! আর, "আমাদের সাথে যায়" কথাটা খুব ভালো বলেছেন।

দ্বীতিয় না লিখে দ্বিতীয় লিখতে পারেন।

২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৯:০১

শেরজা তপন বলেছেন: উক্রাইনান ও রাশিয়ান মেয়েরা মুলত পতিভক্ত হয়। ভালবাসার জন্য এরা দেশ সংসার ধর্ম ত্যাক করতে এরা দ্বীধা করে না
( সিংহভাগ- আমি তখনকার কথা বলছি- এখন কিছুটা মানসিকতা বদলেছে)

আমারও জানা-শোনা অনেকের এমন আছে। রাশিয়ান ছেলেরা বেশীরভাগ বাবনিক টাইপের হয়- তাই পরনারীর সাথে সম্পর্ক কিংবা
দ্বিতীয় বিয়েতে এদের অনেকসময় আপত্তি থাকেনা। ভাবে একা থাকার থেকে একটা সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা থাকা বেটার।
'দ্বিতীয়' ঠিক করে দিয়েছি। এভাবে ভাল-ভাল ধরে দিলে দারুন কৃতার্থ হব।
আশা করছি পরের পর্বে আপনার সান্নিধ্য ফের পাব- ভাল থাকুন।

১৫| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: দুইটা বানান ভুল আছে।
সব মিলিয়ে লেখা বিরক্তকর না। আকর্ষন করার মতো উপাদান আছে।
''ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান'' এই নামে সুন্দর একটা মুভি আছে। মুভিটা দেখেছেন?

আমার এক বন্ধু আমাকে সালমান বলে ডাকে। এমন কি তাঁর মোবাইলে সালমান লিখে আমার নাম্বার সেফ করে রেখেছে।

২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:৫২

শেরজা তপন বলেছেন: তাহলে আরেকজন সালমান খান'কে পেলাম-বেশ! আপনি সুদর্শন নিঃসুন্দেহে

'ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান' নামখানা সেই মুভি থেকেই নিয়েছি। এই মুভির সাথে আমার ব্যতিক্রমী এক স্মৃতি জড়িয়ে আছে।
হংকং এর এক সিনেমা হলে এই মুভির দর্শক ছিলাম আমি একা মাত্র!!!

পরের পর্বে আমন্ত্রন রইল ভ্রাতা

১৬| ২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: আরেকটা কথা বলতে ভুলে গেছি। দ্বীতিয় নয়। দ্বিতীয় হবে।

২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৪:২৭

শেরজা তপন বলেছেন: তাড়াহুড়োয় নজরে আসেনি। শিরোনামে এটা একটা মারাত্মক ভুল! ধন্যবাদ আপনাকে।

১৭| ২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:১৯

সিগনেচার নসিব বলেছেন: বাবনিক- ২য় পর্ব পড়লাম আমোদ-প্রমোদে আগ্রহশীল যুবক ববি’র সাথে পরিচিত হল।
পর্বের শেষে খুব সুন্দর একটা ম্যাসেজ রেখেছেন। সামনে আরও ভালো কিছু পাবো আশা করছি।

১ম পর্বে নতুন হিসেবে আপনার ব্লগে আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন
জেনে আনন্দিত হয়েছি।
পরের পর্বের জন্য সাথেই আছি।

২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:৪৮

শেরজা তপন বলেছেন: ফের মন্তব্যের জন্য সবিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। রাতে যারা মন্তব্য করে তারা ভাল করে পড়েই মন্তব্য করে বোঝা যায় :)
পরের পর্বে এলিনাকে ফের পাবেন। আশা কছি ভাল লাগবে। সাথে থাকবেন জেনে অনুপ্রাণিত হলাম


ভাল থাকুন সব সময়।

১৮| ২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৫:৫৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

মস্কোতে থাকেন সঞ্জয় সাহাকে চিনেন?
ঢাকার গুলশানে বাসা ছিল।
আরেক জন আছে আমার স্কুলমেট।
গোলাম হোসেন।
রাশিয়ায় পিএইচডি করেছে। থাকে মস্কো।
পারমানবিক প্রকল্পে কাজ করে।

২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:৪৫

শেরজা তপন বলেছেন: মস্কোতে আমি এখন আর থাকিনা ভাই। মস্কোর পাঠ চুকিয়েছি ২০ বছর আগে।

গোলাম হোসেন সাহেবকে সম্ভবত চিনতাম। সঞ্জয় সাহার নাম শুনেছি সম্ভবত!

১৯| ২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৩:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন তা দেখে গেলাম।

২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৪৮

শেরজা তপন বলেছেন: আপনাকে ফের পেয়ে আনন্দিত হলাম! আপনার আগের মন্তব্যের উত্তরে কি সন্তুষ্ট হয়েছেন?

২০| ২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ববি-চরিত পড়ে তো পুরাই টাস্কিত এবং ববির জন্য গর্বিত বোধ করছি। শাবাস বাংলার ববি, কারো কাছে সে মাথা নোয়াবার নয়। জার্মান সুন্দরী শায়লাকে সে যেভাবে জয় করেছে, তাতে বাঙালির বিজয় সূচিত হয়েছে। আমি তার ফ্যান হইয়া গেলাম।

ববির খবর পাইলে সবার আগে আপনাকে জানাব- এ লাইন পড়ে হাসতে হাসতে শ্যাষ :) চাপায় কেউ কারো চাইতে কম না।

আমাদের সাথে যায়- এমন মেয়ের ব্যাপারে যা বলেছেন, সেটা উত্তম বলেছেন। একমত।

বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন উপমা, প্রবাদ ব্যবহার করে লেখাটাকে আরো হৃদয়গ্রাহী করে তুলেছেন। এটা আপনার বিশেষ দক্ষতা।

সুন্দর সিরিজ।

২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৫৪

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার ফুটবল খেলার গল্প পড়ে এখনো আমি ঘোরের মধ্যে আছি ভাই!!!
শায়লা কিন্তু উক্রাইনান তরুণী- জার্মানীতে থাকে! তা ঠিক ববির চরিত্র 'বাবনিক'দের জন্য গর্ব করার মতই। এখনো সম্ভবত সে তাঁর
সেই পরিচয় ধরে রেখেছে :)

ভাই আপনাকে স্যালুট আপনি প্রতিটা লেখা মনযোগ দিয়ে পরে। চুম্বক অংশের প্যারাগুলো ধরে ধরে এমন করে মন্তব্য করেন যা দেখে আমি টাস্কি খাই!
আশা করি পরের পর্বগুলোতে আপনাকে এমনি করে পাব।
ভাল থাকুন ভাই- সুন্দর থাকুন।

২১| ২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৩

আখেনাটেন বলেছেন: এই 'ববি' চরিত আমিও একজন বাংলাদেশীকে দেখেছি। একবার এক ভারতীয় ললনাকে বাগে নিতে গিয়ে কেলেংকারীর শেষ। বেচারা শেষে ভার্সিটি ত্যাগ করেছিল ব্যাকলাশে। নানান দেশ ঘুরে এখন মনে হয় অষ্ট্রিয়াতে ঠাঁই নিয়েছে। যদিও এখন জানি না সেই প্লেবয় ইমেজ আছে কিনা।

বাবনিক চরিত্র মসৃন গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বেশ।

২৩ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:০১

শেরজা তপন বলেছেন: এই পর্বে এত দেরিতে আসলেন যে! যা হোক এসেছেন তো- এতেই আমি প্রীত!
ববি'র মত এমন ড্যাসিং চরিত্রের যুবা আপনার আমার চারপাশে খুঁজে আরো কিছু মিলবে! ভারতীয় ললনার সাথে তাঁর ক্রাশের
গল্পটা বলুন না?
এরা বুড়ো হলে সে হাড়ে ভেলকি দেখাতে পারে :)
অনেক অনেক ধন্যবাদ এমন হৃদয়গ্রাহী মন্তব্যের জন্য। ভাল থাকুন সর্বদা

২২| ২৪ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:০৪

মা.হাসান বলেছেন: বয়স থাকিতে এত এলেমদার মানুষদের কথা পড়ি নাই। ছোটোবেলায় মা-বাব কি সব বিবেকানন্দ-বেগম রোকেয়া-রাবেয়া বসরির জীবনি পড়াইয়াছিলেন :( এই সব হিউ হফনারদের জীবনি পড়িলে কত কাজে লাগিতো।

২০১৯এ কিয়েভ নিবাসি সাজ্জাদ ভাইয়ের সাথে আলাপ হলো, অসুস্থ মা কে দেখতে মোহাম্মদপুরে এসেছিলেন। ওখানেই সংসার পেতেছেন (এখন জীবিকার ধান্দায় পোল্যান্ডে)। উনি বললেন ৯০ এর দশকে মাসে ১০ ডলার খরচ করে শেষ করতে পারতেন না। যারা ২০ ডলার খরচ করতো তার প্রতি দিন বিরিয়ানি খেতো । ১ ডলার বাংলাদেশে তখন ৩০-৩৫ টাকা। নীলক্ষেতে তাহারি খেতে লাগতো ২৭ টাকা। কি করে ১০ ডলারে মাস চলতো বুঝে আসে না। ভিয়েতনামে ১ ডলারে লোকাল কারেন্সিতে প্রায় ২৩ হাজার ডং আসে, সেখানেও এক ডলারে দিন চালানো কঠিন। অর্থনৈতিক অবস্থা কতটা খারাপ ছিলো ভাবছি।

২৪ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:০০

শেরজা তপন বলেছেন: ভাল বলেছেন :) হিউ হফনার!!
তক্ষন ওদের আকটা ট্রাঞ্জেকশান পিরিয়ড চলছিল। ইউ এস ডলারের বিপরিতে ওদের স্থানীয় মুদ্রার মান দিন দিন নিন্মগামী
হচ্ছিল।
এর মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌছেছিল যে। এক রাতের ব্যাবধানে ৩০-৪০ ভাগ মুদ্রার মান পতন হচ্ছিল। তবে সেটা স্থানীয়দের খুব
বেশি মাথা ব্যাথার কারন ছিল না। বিদেশী এবং তাদের হাতে ডলারের পরিমান এমন বেশী ছিল না যে, অর্থনীতি টালমাটাল করে
দিতে পারে।
একজন অধ্যাপক ১০০ রুবল( যা এক সময়ে এক ডলারের কম বিনিময় মুল্য ছিল) এ এক মাস বেশ সচ্ছল ভাবেই চলতে
পারত।
সরকারি তালোন বা রেশন ব্যবস্থা তখনো বহাল ছিল। আমারা ছাত্ররাও সেই রেশন পেতাম। সেই রেশনে মিলত মাখন, রুটি,
চিনি আর মদ সাথে আরো কিছু ছিল হয়তো ভুলে গেছি এখন।
তখনকার আর্থ-সামাজিক অবস্থা নিয়ে আমার বেশ কয়েকটা লেখা আছে। চাইলে লিঙ্ক শেয়ার করব।
মন্তব্যের জন্য সবিশেষ ধন্যবাদ। ভাল থাকুন নিরন্তর!

২৩| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১:১১

অশুভ বলেছেন: ববি ভাই তো চরম জিনিস। দেখি কোথাকার পানি কোথায় গড়ায়। আপনি তো ববি ভাইরে ইনডাইরেক্টলি হেল্প করতেছেন। কাজটা ভাল হয় নাই। ;)

২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:৪৫

শেরজা তপন বলেছেন: আবার সেই অশুভ কথা!!! কে বলছে আমি হেল্প করছি- এটাতো করছে সৌম্য ' বাবনিক' এর এন্টি হিরো।
ধীরে ধীরে বুঝবেন সৌম্য কত চাল্লু আর লম্পট!
আর ববি নিজেই একশ- ওর সং লাগে হেল্প লাগে না :)
পরর পর্বে দেখি কি লিখেছেন।

২৪| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৯

বিদ্রোহী সিপাহী বলেছেন: ববি'র মত বাবনিক আমাদের সমাজে চোখ হাঁটালেই পাওয়া যায়। সালমান খান, সালমান শাহ, মিঠুন'দের সাথে যাদের চেহারার মিল বেশি এই টাইপের গুলোই বেশি বাবনিক হয় নাকি?

২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩৪

শেরজা তপন বলেছেন: তাই কি ভাল তথ্য দিলেন :)
আয়নায় ভাল করে দেখতে হবে এখনো কারো সাথে মিল খুঁজে পাওয়া যায় কিনা :)
ফের ধন্যবাদ

২৫| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২০

বিদ্রোহী সিপাহী বলেছেন: গল্পে প্লাস।

২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩৫

শেরজা তপন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ- ভাল থাকুন বিদ্রোহী সিপাহী

২৬| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৫:০৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ভাবতেছি ইফতারির পরে পড়লেই ভালা হইত ;) হা হা হা

২য় পর্বেতো দেখি ড্যাশিং ইনন অব ববি!
বর্ণনায় এত জ্যান্ত হয়ে ধরা দিয়েছে... যার কারণে এত্ত এত্ত প্রতিক্রিয়া ....
চলুক তবে

০৪ ঠা মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৫

শেরজা তপন বলেছেন: ভাই, সেই কবে মন্তব্য করেছেন আর আমি এতদিন ধরে প্রতিউত্তর দিব দিব করে ফাঁকিই নিজেকে দিয়ে যাচ্ছি।
প্রথমেই জোড়হাতে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

আজকের পর্বটা ইফতারের পরেই দিয়েছি- তবে রসালো নয় তেমন একটা :)
আপনার মন্তব্য সবসময় আমাকে উজ্জীবিত দারুনভাবে। অপেক্ষায় থাকি কখন আপনার মন্তব্য পাব।
এই অপেক্ষা প্রতিবারই থাকবে...
ভাল থাকুন।

২৭| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১২:৫৯

আমি সাজিদ বলেছেন: ববির কান্ড পড়ে বেশ মজা লাগলো। কিশোর বয়সে বিদেশিনী পটানো বাঙ্গালি বলতে প্রথম মাসুদ রানা চরিত্রটিকে জেনেছিলাম৷ এখন যা বুঝছি, ইউরোপের অনেক জায়গায় ববির মতোন এমন বীর বাঙ্গালী লীলাখেলায় চমৎকার পারফরম্যান্স দেখিয়েছে!

মা হাসান ভাইকে সে সময়ের রাশিয়া নিয়ে যে লেখাগুলো দিবেন, আমিও সেগুলো পড়তে চাই।
পরের পর্বে যাই।

০৪ ঠা মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪১

শেরজা তপন বলেছেন: হাঃ হাঃ মাসুদ রানার মত চরিত্র সবখানেই আছে। শুধু সময় সুযোগ পেলেই হল :)

আপনার এই মন্তব্যের উত্তরটা দিতে বেশ দেরী হবার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ভাই।
আপনার যদি সমইয় থাকে তাহলে আমার শুরুর দিকের ডাঙ্কি রুট' টা পড়তে পারেন।

https://www.somewhereinblog.net/blog/sherzatapon/28888807

২৮| ০৪ ঠা মে, ২০২১ রাত ১২:৫১

সাদাত সিয়াম বলেছেন: খুবই বৈচিত্র্যময় ক্যারেক্টার। ইউরোপে বসবাসরত বাঙালিদের যেই চিরায়ত চেহারা ভেসে উঠে, তার বাহিরের বেশ কিছু ভাইব রয়েছে ববির মধ্যে। আর রুশ-জার্মান ফ্যান্টাসির ব্যাপার টা তরুণ মনে সত্যিই চাঞ্চল্য সৃষ্টি করলো।

০৪ ঠা মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৫

শেরজা তপন বলেছেন: আপনাকে ফের দেখে প্রীত হলাম ভাই সাদাত সিয়াম।
হ্যা এই ক্যারেক্টারগুলো আরো বহুমুখী ও বৈচিত্রময় হয়ে ধরা দেবে পরের পর্বগুলোতে সেই প্রত্যাশা রাখি।

ঠিক বলেছেন লম্পট অনেকেই হয় কিন্তু ববি'র মত লেডী কিলার বিরল!
জেনে ভাল লাগল। আপনি ভাল থাকুন পরের পর্ব পড়ার আমন্ত্রন রইল।

২৯| ২৯ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১১:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




প্রথম পর্বের মন্তব্যের ধারাবাহিকতা -

বাবনিক কাহিনী, স্মৃতির পটে যেন জীবনের ছবি আঁকলেন । যা কিছু ঘটেছিল, তার অবিকল নকল
ফুটিয়ে তুলেছেন। লেখনির মুন্সিয়ানা, সাথে লেখার সরলতা বড়োকে ছোটো করে, ছোটোকে বড়ো করে তোলে ।
আগের জিনিসকে পাছে ও পাছের জিনিসকে আগে সাজানোর পারঙ্গমতার সুন্দর প্রকাশ দেখা যায় লেখাটিতে ।
জীবনের বাইরের দিকে কত শত ঘটনার ধারা বয়ে চলছে , আর ভিতরের দিকে চলছে স্মৃতির পাতা হাতরিয়ে
সিরিজ আকারে লেখার অদম্য স্মৃহা যা প্রসংসার দাবী রাখে । দুয়ের মধ্যে যোগ আছে অথচ দু’ই ঠিক এক
নহে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিপরিত্বতো দেখা যাবেই ।

ক্ষণে ক্ষণে বিভিন্ন উপলক্ষ্যে ঘটে যাওয়া এক-একটা অংশের দিকে আমরা দৃষ্টিপাত করি যার অধিকাংশই
অন্ধকারে অগোচরে পড়ে থাকে। যাহোক লেখক যখন তার স্মৃতির দুয়ার খোলে সে সব ঘটনার ছবি আঁকছেন,
আর সে ছবি আঁকা যখন শেষ হবে তখন সে ছবিগুলি যে আমাদের সামুর দেয়ালে দীর্ঘ দিন ধরে শোভা পাবে
তা হলফ করে বলতে পারি ।

যাহোক, কাহিণীতে ফিরে যাই , সজল আর এলিনা প্রসঙ্গে মনে হল, শুধু মনে হওয়া নয়, আমার বিশ্বাস
সজল যে করেও হোক এলিনার মনে বাংগালী নারীর সহজ সরলতার চিত্র আসল কিংবা নকল যে করেও
হোক এলিনার মনে ডুকিয়ে দিয়েছিল ।আমার দৃঢ় বিশ্বাস সমস্ত মানুষের মনের সঙ্গে মনের একটি অখণ্ড
গভীর যোগ আছে; তার এক জায়গায় যে শক্তির ক্রিয়া ঘটে অন্যত্র গূঢ়ভাবে তা সংক্রামিত হয়ে থাকে,
তারই প্রকাশ দেখা যায় এলিনার মাঝে ।

যাহোক, এলিনার সনে সেখানে সেই রান্না ঘরের চৌকাঠে দাঁড়িয়ে একান্ত নিভৃতের এই পোষ্ট লেখকের
কথোপকথনের যে স্মৃতি মনে দানা বেধেছিল তাকে যে সেখানেই ফেলে আসেননি তাতেই আমরা
সৌভাগ্য মানি , তা না হলে এমন সুন্দর লেখা আমরা পেতাম কোথায় ।

যাহোক এলিনার যতটুকু পরিচিতি এখানে পেয়েছি তাতে মনে হল মানুষের প্রকৃতি সব জায়গাতেই সমান।
আমরা বলে থাকি এবং বিশ্বাস করি যে, আমাদের দেশে প্রেমভক্তির একটি বিশিষ্টতা আছে,যা ইউরোপীয়
কালচারে নাই। কিন্তু আমাদের দেশের রমনীকুলের সঙ্গে আমি তো এলিনার বিশেষ পার্থক্য দেখি নাই।
সজল একটি ব্যাপারে মনে হয় হয়েছে সফল তার কুটিলতাও এলিনাকে পারবেনা করতে মলিন কোন কালে।
সজলের জন্য এলিনার অপেক্ষা বা আত্মবিসর্জনের পরেও মধুর নম্রতার প্রকাশ দেখে সহজেই বুঝা যায়
স্ত্রীলোকের প্রেমের স্বাভাবিক চরম পরিণাম ভক্তি। সেখানে তাদের প্রেম আপন বিকাশে যদিউ কোন বাধা
পায় তবু সেখানে তা আপনি পূজায় এসে ঠেকে। এলিনাও করেছে ধারণ তা নীজের মাঝে । দেখা যাক
পরের পর্বে সেখানে কি ঘটে ।

২য় পর্ব
রাশান মেয়েড়ের চালচলনে, পোশাকে,ব্যক্তিত্বে, হাঁটা-চলায় সব কিছুর মধ্যেই একটা স্টাইল আছে।
রাস্তা-ঘাটে,মেট্রোতে, বাসে, ক্যাম্পাসে, হোস্টেলে -- সবখানেই দেখেছি এরা হেঁটে চলে নিজেদের মতো
করে। কারো সাথে কোন ইন্টারেকশন নাই। মাঝেসাঝে আড় চোখে তাকায় এই বলে সকলেই জানে ।
সেখানে তাদের বাংগালী ছেলেরা কিভাবে পটায় তা বিষ্ময় জাগে , এমন পুরুষদের জন্যতো গর্বিত
হওয়ারই কথা! । তবে প্রতারনা ভাল কর্ম নয় সে কথা যখন টের পাবে টের তখন কি অবস্থা হবে তা
হয়ত জানা যাবে পরের পর্ব গুলিতে ।

আপনার এই লেখাগুলি পাঠে নীজেরো কিছু স্মৃতি কথা মনের পর্দায় ভেসে উঠে । বিদেশ বিভুই এ পড়াশুনার
সুবাদে কতেক রাশিয়ান তরুনীর সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ ঘটেছিল ,তবে তা হাই হ্যালুর গন্ডি পেরিয়ে
কিছু আলাপ চারিতার পর্যায়ে গিয়েছিল শুধু নীজ নীজ দেশের সাংস্কৃতিক মতামত প্রকাশের তরে । নামটি ছিল
সুন্দর ছন্দময় গিনা নাগিনা জানিনা এখন তিনি কোথায় কি ভাবে আছেন । তবে বেশ শিক্ষিত ও
বুদ্ধিময়ী ছিলেন , সামারে তরমুজ খেতে খুব ভালবাসতেন , কিছু আমাদেরকেও বিলাতেন ।

রাশান শব্দ কিছু শিখেছিলাম তার কাছ হতে , এছাড়া রাশান ভাষা নিয়ে কিছুটা পড়াশুনা করেছিলাম , রাশান
শব্দ জুরে দিয়ে এলোমেলোভাবে কিছু লেখাও লেখতে পারতাম তখন, এখন গিয়াছি সব ভুলে । চেষ্টা
করে দেখলাম কিছু এখনো পারি কিনা , পাঠ করে দেখতে পারেন কতটুকু সেটা সঠিক হয়েছে । নীচে এই
মন্তব্যটির প্রথম অংশ রাশান ভাষায় তুলে দেয়ার প্রচেষ্টা নিলাম হয়ত কতেকটা কাছাকাছি হবে তবে শতকরা
৮০ ভাগ ভুল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী ।

(বাবনিক রাসকাজ ক্যাক বুদ্তো অন নরিসোভাল ভি শোভি পাময়তি কর্টিনু জিজনি। চট চটু বাই নি স্লুচিলোস ',
ইয়েগো তোছনায় পডডেলকা ভাইল্লাস' নারুঝু। লেগকোস্ট'পিস''ম পমোছ'ইউ মুন্সিয়ানা ডিলায়েট বলিশিয়ে
মলান'কিয়ে, ম্যালেন'কিয়ে বলিশিয়ে।
পিস'মো – অটলিচনয়ী ভিরাজহেনিয়ে ওমেনিয়া স্টাভিট পেরিডিডুজনিচিয়ী পজাডি এ প্রটিভড়োলুজিনয়ী
ভেপারেডি ।
সোতনি সবিটি প্রইজকডিয়াট ভেনি জিজনী ,আই ভুন্ত্রি ইয়েস্ট নিউক্রটিমায়া পামিয়াট অ পিজমি ভি ভিডি
সিরি ডস্তনিক পোখভ্যালি স্ট্রেনিটস পাম্যতি। ইয়েস্ট 'কোম্বিনাটসিয়া ডিভুখ, না ওনি নে সোভসেম টু
জি সামোই, ভি নেকোটেরিখ স্লুচায়খ ভ্য মোজেতে ইউভিডেট' প্রিটিভোপলোজহনেয়।

ভ্রেম্যা ওট্রেমেনি মাই স্মোটিরিম না ওদনু চ্যাস্ট 'জা ড্রাগই, বলশায়া চ্যাস্ট' কোটারয় নেভিদিমা ভি
তেমনোটে। ওডনাকো, কোগদা পাইসেটেল অটক্রয়েট ডিভার সেভয়য়ি পামিয়াটি কগডা কারটিনা
সভিটিয়া কটরয়ী অন রিসুয়েট, বুদেট জাভেরসেনা ইয়া মোগু পকলিয়াসটিজায়া চটো কার্টিনি বুদুট
উক্রাশট 'সামুরাইস্কু স্টেনু ইয়াচি ডলগি ভ্রেম্মায়া ।
ক্যাক বুদ্তো অন নরিসোভাল ভি স্বভি পাময়তি কার্টিনি জিজনি। চটো নি স্লুচিলোস ', ইয়েগো তোচনায়ে
পোদ্দেলকা ভস্কিপেলা। প্রোস্টোটা নাপিসানিয়া এস পমশিচিয়ো মুনসিয়ানা ডিলায়েট বলিশিয়ে ম্যালেন'কি,
এ মালেন'কি – বলি’শিমি।)

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

২৯ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১১:৫১

শেরজা তপন বলেছেন: আরেব্বাস!
আপনি তো ~তাক কাক, ইয়া নি মাগু আবিস্নাতচ! এতা বালসৈ সোরপ্রিজ!!!!
যেহেতু রুশিয়ানরা 'ট' ও 'ড' এর উচ্চারন নেই সেহেতু 'ত' ও 'দ' বর্ণ দিয়ে লিখলে বুঝতে আরেকটু সহজ হোত।
যদিও রাশিয়া ছেড়েছি আমি ২২ বছর, ভাষা অনেকটাই ভুলে গেছি তবুও আমি আরেকটু ভালভাবে পড়ে তারপরে দিচ্ছি।
আপন এতকিছু স্মরণে রাখার কৌশলটা শিখিয়ে দিবেন দয়া করে

৩০| ৩০ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১২:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



হ্যাঁ কিছুটা আশ্চর্য হওয়ারই কথা ।
ঢাকায় ধানমন্ডিতে ছিল একটি
রাশিয়ান কালচারাল সেন্টার, সে
অনেকদিন আগের কথা ।
সেখানে লাইব্রেরীতে বসে দিন কয়েক
লেলিন রচনাবলী নিয়ে করছিলাম পড়াশুনা।
একদিন লাইব্রেয়িয়ান তার ঘরে ডেকে
নিয়ে আমার রাশিয়ান কালচার নিয়ে
নিবিষ্ট মনে ঘন্টার পর ঘন্টা পড়াশুনা
করতে দেখে হয়েছেন বেজায় খুশী
খুশির চোটে একটি বড় বই এর
বাক্স হাতে দিয়ে বললেন এটা
আমাকে তাদের উপহার ।
খুলে দেখি তাতে ৩ খন্ডের
লেলিন রচনা সম্ভার ।
বই এর সেই বাক্স বোজা বেয়ে
ঘরে নিযে আসতে আমার জীবন
হয়েছিল অনেকটাই উজার ।

যাহোক পরবর্তী সময়ে
কর্মজীবনে যাদের সাথে কাজ করেছি
তাদের অনেকেই ছিলেন রাশিয়া হতে
পিএইচডি ডিগ্রী অজর্নকারী । তাদের
সাথে ডা ডা তা তা কচ ভচ করে করে
যা কিছু শিখেছিলাম তার সবই ভুলে
গেছি ,এপথ আর মারানোর সুযোগ নাই
এখন গানা বাজানা সব হবে বাংলায় ।

শুভেচ্ছা রইল

৩১| ২৪ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:২৭

অশুভ বলেছেন: আপনার লেখাগুলো ওয়াইনের মত। পুরোনো লেখা বারবার পড়লেও টেস্ট বেড়ে যায়। এলিনার পরিচয় খুজতে এসে আবার বাবনিকের শুরু থেকে পড়ছি।

২৫ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৪

শেরজা তপন বলেছেন: হাঃ হাঃ আপনিই পারেন এমন প্রশংসা করতে!! আহা বহুদিন পুরনো ওয়াইন পান করা হয় না :)
কোথায় হারিয়েছিলেন এতদিন?
আপনাকে পেয়ে বড় ভাল লাগল। এত কষ্ট করে ফের শুরু থেকে শুরু করছেন বলে কৃতজ্ঞ

৩২| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৫২

খায়রুল আহসান বলেছেন: ববিকে দেখে কাৎ করে রাখা মোমবাতির টুপটুপ করে গলে পড়ার উপমাটা চমৎকার হয়েছে। পোস্টের শেষ লাইনটা দিয়ে গল্পের একটা চমৎকার সমাপ্তি টেনেছেন।
আমার যেসব বন্ধু তখন রাশিয়াতে ছিল, ওরা বলতো চুইংগাম উপহার দিয়ে তখন রুশীয় মেয়ে পটানো যেত।
পোস্টে ষোড়শ প্লাস। + +


২৮ শে নভেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১৮

শেরজা তপন বলেছেন: মন্তব্যে ভাল লাগা জানাচ্ছি।
আপনার মন্তব্য সবসময়ই চমৎকার- উত্তর দিতে গিয়ে ভাবতে হয়। থমকে যাই, তাই উত্তর দিতে মাঝে মধ্যে দেরি হয়
হ্যা একটা সিগারেট চুইংগেম মাঝে মধ্যে পটে যেত। অবশ্য কে কাকে পটাত সেইটেই ভাববার বিষয় :) :)

অনেক অনেক ধন্যবাদ ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এত পেছেনে এসে পুরনো পোষ্টে মন্তব্যের জন্য।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.