নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

শেরজা তপন

অনেক সুখের গল্প হল-এবার কিছু কষ্টের কথা শুনি...

শেরজা তপন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসরাইল কি আদৌ কোন ইহুদী রাষ্ট্র নাকি ভু-রাজনৈতিক নিষ্ঠুর খেলার ক্রীড়ানক???

১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ১:০৫


সামু ব্লগে ১৫/৩০/ ৪০ জন ব্লগার সক্রিয় দেখে ভাবার অবকাশ নেই যে আমাদের খুব বেশী দুরবস্থা চলছে। এই প্লাটফর্মে সারাক্ষন ব্লগাররা আসছেন যাচ্ছেন- এরপরে শতাধিক ব্লগার সারাক্ষন সতর্ক নজর রাখছেন ব্লগের সার্বক্ষনিক কর্মকান্ডের উপরে। কোন লেখা তাদের মনে ধরলে তারা খানিক্ষনের জন্য লগ ইন করে এক আধটা মন্তব্য করে অদৃশ্য হয়ে যান।
সক্রিয় কিছু ব্লগারতো বটেই বাইরে থেকে বা মোবাইলে নজর রাখা অনেক ব্লগারের ধ্যান ধারনা জ্ঞান গরিমা চিন্তা চেতনা বেশ উঁচু স্তরের বলে আমার বিশ্বাস। আমি এদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে চাই- জানতে চাই। আমার নিচু স্তরের চিন্তা চেতনার চরম স্বাধীন প্রকাশের জন্য এবং সঠিক বেঠিক ভাল কিছু তথ্য জানার জন্য ব্লগ থেকে ভাল কোন প্লাটফর্ম নেই। এখানে সবাই আসেন পড়ার জন্য, বলার জন্য, জানার জন্য। এফ এন এফ ও পরিচিতির গন্ডি কম থাকায় মন্তব্য হয় খোলামেলা- স্বজনপ্রীতি কম থাকে।
অনেক পুরনো ব্লগারই ব্লগের বর্তমান অবস্থা নিয়ে হা হুতাশ করেন। স্বর্ণালী সেই দিনগুলোর কথা স্মরণ করে হতাশায় নুয়ে পড়েন। আমি সেই দলে নই। কত বাংলা ব্লগের শুরু আর শেষ দেখলাম! এত ঝড় ঝঞ্জা সহ্য করে সামু যে এখনো টিকে আছে সেই ঢের।
গতকাল ‘আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে ফিলিস্তিনের ভুমিকা ও কিছু প্রশ্ন?’
আমার লেখায় অনেকেরই খোলামেলা মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ আমার কিংবা রেফারেন্সের ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন। যদিও মুল প্রশ্নের উত্তর আমি সঠিকভাবে খুঁজে পাইনি কিন্তু মন্তব্যকারী সব ব্লগারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা-তারা অন্তত আমাকে বিশেষ ট্যাগ না দিয়ে আমার সাথে সাথে তারাও প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন।
আমার আজকের লেখার শিরোনাম’ ইসরাইল কি আদৌ কোন ইহুদী রাষ্ট্র নাকি ভু-রাজনৈতিক নিষ্ঠুর খেলার ক্রীড়ানক???’
আমি আশা করছি বুদ্ধিমান ব্লগাররা আমার লেখার ভুল ভাল ও প্রশ্নের অসামঞ্জস্যতা ধরিয়ে দিবেন। সত্যিকারে এর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করব। তারা আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমাকে বিশেষ ট্যাগ দিবেন না।
ঘটনা-১ আমার ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু রাশিয়াতে ১৯৯৭ সালে এক ইহু্দি মেয়েকে বিয়ে করেছিল। সেই মেয়ের বাবা খাটি রাশান হলেও মা ছিল জার্মান বংশদ্ভুত ইহুদি। তার বাবার কোন ধর্ম না থাকায় এবং মা গোড়া ইহুদি হওয়ায় মেয়েকে ইহুদি দীক্ষায় দীক্ষিত করেছেন।
বন্ধুপত্নীর মা তাদের এই বিয়ে প্রথমে কোন মতেই মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু ধর্ম না পাল্টানোর শর্তে এবং একমাত্র মেয়ে হওয়ায় সম্পর্ক মেনে নিলেও মেয়েকে তার নিজের বাড়িতে থাকার অনুমতি দিলেন না।
মেয়ের মা বয়সকালেও ভয়াবহ রকমের সুন্দরী ছিলেন- এর উপরে সেই রকম মুডি। আমরা উনার সামনে পড়লে কেটে পরার জন্য ব্যাতি-ব্যাস্ত হয়ে পড়তাম।
উনার বাবা ছিলেন খাটি জার্মান ইহুদি। হিটলারের নাৎসি বাহিনী যখন ইহুদি নিধন শুরু করে যে কোন উপায়ে তার মা ছোট্ট মেয়েকে কোলে করে রাশিয়া পালিয়ে আসলেও তার বাবা ধরা পড়েন এবং গ্যাস চেম্বারে ভয়ঙ্কর মৃত্যু হয়!( সম্ভবত; তেমনটাই শুনেছিলাম)
২০১০ সালের পরে আমার বন্ধু সপরিবারে জার্মানীতে পাড়ি জমান। রাশিয়া ছেড়ে জার্মানীতে কেন? এর উত্তরে তিনি বললেন, শ্বাশুরীর জন্য!
কাহিনী কি?
জার্মান সরকার নাৎসি বাহিনীর হাতে নিহত সব ইহুদিদের বংশধরের বিশেষ সুযোগ সুবিধা ও সন্মানের সাথে জার্মানীতে বসবাসের সুযোগ দিয়েছেন। এই সুযোগ পেয়ে অন্যদেশে বসবাসরত অনেক ইহুদি জার্মানিতে এসে স্থায়ী আবাস গাড়ছে।
সে বিশেষ সুবিধা কি? উত্তরে বন্ধু ডিটেলে যায়নি শর্ট-কার্টে বলেছে।
তার শ্বাশুরী নিজের একটা ওয়েল ফার্নিশড দু-কামরার ফ্লাট পেয়েছেন-সাথে সব ধরনের প্রথমশ্রেনীর নাগরিক সুযোগ সুবিধা সহ বেশ মোটা অঙ্কের ভাতা পান তিনি।
মোটা অঙ্কের ভাতার নমুনা হোলঃ তিনি সারাদিন নতুন পোষাক আশাক কেনা ও সাজ গোজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন ও তিনজন নাতি নাতনীর জন্য নিয়মিত উপহার খাবার আনা সহ মোটা দাগের চাহিদা পূরণ করেন- আর একা একা দেশ বিদেশ ভ্রমন করেন। রাশিয়ার বাড়ি বিক্রির টাকা পুরোটাই মেয়ের নামে ডিপোজিট করে রেখেছেন। বন্ধু তার পত্নী ও সন্তানেরাও সেই বিশেষ সুবিধার অংশ বিশেষ ভোগ করছেন।
বন্ধূপত্নী এখনো নিজের ধর্ম আকড়ে রাখলেও বন্ধু আমার দু-বার হজ্ব করে এসেছেন।সে বেচারা বাংলা থেকে রুশ ভাষায় দীক্ষা নিয়ে ডয়েস ভাষা আত্মস্থের জন্য যুযছেন।

-এখন ভাবুন, নাৎসিদের হাতে অত্যাচারিত ইহুদিরা কোন দুঃখে এমন স্বর্গ ছেড়ে ইসরাইলে বাস করতে যাবেন( তবে এমন সুযোগ খুব বেশীদিন ধরে হয়নি ওরা প্যালেস্টাইনে আবাস গাড়ছে প্রায় শত বছর ধরে)? জিউসরা বিশ্বের অন্যান্য দেশে( বিশেষ করে ইউরোপ ও আমেরিকায়) বেশ প্রভাব প্রতিপত্তি ও আরামের সাথেই আছেন। পুরো বিশ্ব কন্ট্রোল হচ্ছে এদের আঙ্গুলীর ইশারায়! এরা কেন পশ্চিম মেডিটেরিয়ান সাগর পাড়ের ছোট্ট একটা ভূখণ্ড( আট থেকে সাড়ে আট হাজার স্কয়ার মাইল) নিয়ে বছরের পর বছর ধরে ক্যাচালে লিপ্ত? ক্ষতি কি শুধু ফিলিস্তিন ও অন্য আরবদের হচ্ছে- ওদের হচ্ছে না? পুরো দেশটাকে ভয়ঙ্কর নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে রেখে তারা কই আর তেমন স্বাধীনতা ভোগ করছে?

ঘটনা-২
স্কোতে আমার এক ইহুদি বন্ধু ছিল। সুদর্শন চটপটে স্মার্ট। চুটকি আর জোকসের কালেকশন ছিল তার অগুনতি। সারাক্ষন আড্ডা জমিয়ে রাখত সে। তার বান্ধবী ছিল খাটি ইস্রাইলান ইহুদি। আগুন সুন্দরী যাকে বলে। তার পাশে সুন্দরী রুশীয় রমনীদেরও অনুজ্জল ফিঁকে লাগত।
সে মেয়ের মুখে কখনো ইসরাইল নিয়ে পজিটিভ কথা শুনিনি। সে তার প্রেমিককে নিয়ে রাশিয়া কিংবা জার্মানীতে থাকার ইচ্ছে ব্যাক্ত করত।

টনা দুটোই ইসরাইল আদপে ইহুদি রাষ্ট্র কিনা সেই বিষয়ে কোন প্রশ্ন তোলে না! আমার প্রশ্ন হোল এরা কেউই ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক রাখা বা পার্মানেন্টলি থাকার ব্যাপারে ইচ্ছুক নয় কেন?
ইসরাইল কি আদৌ জিউসদের বসবাসের জন্য স্বর্গ রাজ্য বা মুল ধারার ইহুদি রাষ্ট্র নাকি ভু-রাজনৈতিক নিষ্ঠুর খেলার ক্রীড়ানক???’
মামুনুল সাহেবেরা যেমন নিজেদের স্বার্থের জন্য হাজার হাজার ধর্মপ্রান মুসলমানদের বলী দিতে প্রস্তুত তেমনি তেমন কিছুী ক্ষমতাধর দেশ, ক্ষমতাবান রাজনীতিবিদ আর ধর্মগুরুদের ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুর স্বার্থের খেলা? স্বার্থ ফুরালে এই খেলা সাঙ্গ হবে!
কেন ক্ষমতা, যোগ্যতা এবং শক্তিশালী সব রাষ্ট্রের সমর্থন থাকা স্বত্তেও ইসরাইল রাতারাতি পুরো ফিলিস্তিন দখল করে নিচ্ছে না? কেন ইঁদুর বেড়াল খেলা খেলছে?
আরব বসন্তের মহা উৎসবে নাকি মাত্র ৬৮ হাজার জন প্রান হারিয়েছেন(উইকি)!!!
জুইস ভার্চুয়াল লাইব্রেরী বলছে, ইসরাইলের সাথে আরব দেশের যুদ্ধে ১৯৪৮ সাল থেকে। ৮৬ হাজার প্রান হারিয়েছে। অপরদিকে ২৪ হাজার ইসরাইলি মৃত্যু বরন করেছে সেই যুদ্ধে।
ওরা প্যালেস্টাইনি সন্ত্রাসীদের(!) মেরেছে ৪১১৫ জনকে(১৯৪৮-২০১৯) পক্ষান্তরে ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসীরা ২০২১ অন ধর্মপ্রান জিউসকে হত্যা করেছে।
তথ্যের সত্যতা আমরা পরে নিরূপণ করি আগে বলুনতো এই যে ২৬ হাজার এর অধিক ইসরাইলান( ধরে নিই মোটামুটি ৮০ভাগ জিউস) মারা গেল – তারা কার বা কাদের স্বার্থে জীবন দিল?
ধর্মের মুলা কি শুধু ধর্মপ্রান সরল মুসলিমদের সামনেই ঝোলানো হয় এবং আগ পিছ না ভেবে এরা জান দিয়ে দেয়- নাকি মহা বুদ্ধিমান ও ধুরন্ধর(!) ইহুদিদের সামনেও সেই মুলা ঝোলানো হয় এবং ওরাও জান দেয়?
Sources: Wars of the World:
Israel Ministry of Foreign Affairs;
The Palestinian Human Rights Monitor:
The Palestinian Human Rights Monitoring Group;
B'tselem;
The Gaurdian;
Walter Rodgers, “Palestinians grapple with collaborators,” CNN, (September 4, 2002);
@IDF, (April 27, 2020).
* While the Jewish population in nearly all countries of the Diaspora declines, the Jewish population in Germany boasts an unprecedented boom. In the past 15 years [since about 1988], the number of Jews in that country roughly tripled, to reach an estimated 150,000. This would make Germany the home of the fourth-largest Jewish community in Europe.

Note: Since this article was initially published, the Jewish population in Germany has grown, with many Jews from the former Soviet Union settling there, along with a growing Israeli expatriate community. For more on Jewish life in Germany today।

*তথ্যগত ভুল মার্জনীয়

মন্তব্য ৪১ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৪১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ১:১৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ইসরাইল হোল আমেরিকার একটি যুদ্ধ ঘাটির মত। তবে ইতিমধ্যে তারা নিজেরাই অনেক শক্তিশালী হয়ে গেছে তাদের মেধা আর আমেরিকার সমর্থনের দ্বারা। পৃথিবীতে পারমানবিক অস্ত্র যে দেশের আছে তাদেরকে কেউ ঘাটাতে চায় না। ধারণা করা হয় যে ইসরাইলের পারমানবিক অস্ত্র আছে। এরা এদের নিকট অতীত ভুলে গেছে। তাদের প্রতি যা করা হয়েছিল তারাই এখন একই জিনিস অন্যের উপর করছে নির্দয়ভাবে।

১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ১:২১

শেরজা তপন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, আপনার জানা থাকলে আরো কিছু তথ্য দিয়ে সাহায্য করবেন প্লিজ।
এর ফলে বিশাল কিছু হয়ে যাবে তা নয় কিন্তু আমাদের খানিকটা বোধদয় তো হবে।

২| ১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ১:১৯

শায়মা বলেছেন: ইসরাইল প্যালেস্টাইন ধর্ম বা রাজনীতি এসব নিয়ে জ্ঞান আমার অতি সীমিত। তাই অযথা মন্তব্যের খাতিরে নাক গলাতে চাই না।

শুধু এই টুকু আমার মনে হয় ইসরাইল মহা অন্যায় করছে। ওরা কোনোভাবেই ক্ষমার যোগ্য নয়।

১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ১:২৫

শেরজা তপন বলেছেন: অন্যায়ের কথা ধরলে আপু উইঘুর, চেচেন, রোহিঙ্গা, সিরিয়া, ইয়েমেন, কাশ্মির সহ আমরা অনেক উদাহরন দিতে পারি। কেন এগুলো তেমন লাইম লাইটে আসছে না? কেন ইসরাইল আর ফিলিস্তিন নিয়ে বার বার সারা পৃথিবী তোলপাড় হয় ?
অবশ্যই অন্যায় নিশ্চিতভাবে অন্যায়
ধন্যবাদ আপনাকে। ভাল থাকুন

৩| ১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ১:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: ইসরায়েল শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিনত হয়েছে। তাদের শিক্ষা এবং কর্ম উন্নত। কারন তারা শুধু ধর্মকে আকড়ে ধরে নি বলে।
ফিলিস্তিন আজ অসহায়। কারন তারা ধর্মকে মাথার উপর রেখেছে। এই জন্য তারা পিছিয়ে পড়েছে। ফিলিস্তিনির সবচেয়ে বেশী ক্ষতি করেছে হামাস।

১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:০৬

শেরজা তপন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন
সম্ভবত তাই হবে

৪| ১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:১৩

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: কয়েক বছর পরে বাংলাদেশের ভিতরে একটা মিনি রহিঙ্গা রাষ্ট্র তৈরি হয়ে ক্যাচাল তৈরি করলে আমাদের কেমন লাগবে?
বাংদেশের বাইরে অবস্থান রহিঙ্গারা তখন সেই মিনি রহিঙ্গা রাষ্ট্রে ফিরে যেতে চাইবে কি?

১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:২৬

শেরজা তপন বলেছেন: তেমনটা হলে হতে পারে- কষ্টটা শুধু আমাদের হবে কিন্তু সারা বিশ্ব এই নিয়ে ঘুব বেশী মাথা ঘামাবে বলে মনে হয় না।
প্রথম প্রথম একটু আধটু চেল্লা চেল্লি হয়ে সবাই চুপ মেরে যাবে। কারন বিশ্ব রাজনীতিতে সেইটা কোন ফ্যাক্টর না।

ইসরাইল আর এই বিষয় সম্পুর্ন আলাদা বলে আমার ধারনা।
ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য

৫| ১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:২৮

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: ইজরাইল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষে মোড়ল রাষ্ট্রগুলোর আধিপত্য বিস্তার ও অর্থনৈতিক সার্থের যোগাযোগ আছে। ইজরাইলের হামলার বিরুদ্ধে ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও হামাস প্রতিউত্তর করছে,যার ফলে এটা লাইমলাইটে আসছে। আর তাই অস্ত্রব্যবসায়ীদের লাভ হচ্ছে। অশান্তি না থাকলে,যুদ্ধ না হলে অস্ত্র ব্যবসায়ীরা মারা পড়বে। ইজরাইল-ফিলিস্তিন দু পক্ষেই অস্ত্র সরবরাহ করে এই সংঘাত জিইয়ে রেখে প্রফিট করছে অস্ত্র ব্যবসায়ীরা। উইঘুর, চেচেন, রোহিঙ্গা, সিরিয়া, ইয়েমেন, কাশ্মির, বেলোচ, সিন্ধি দের ন্যূনতম প্রতিরোধের সক্ষমতা নেই বলে তারা লাইমলাইটে নেই। যদি থাকতো তাহলে সেখানে অস্ত্রব্যবসায়ীদের নজর পড়তো,তারাও লাইমলাইটে আসতো। আমার ক্ষুদ্র মাথায় যতটুকু ধরে ততটুকুই বললাম।এর বাইরে আমি কিছুই জানি না। শুধু বিশ্বাস করি যে জ্ঞান, বিজ্ঞান, অস্ত্রের মোকাবেলা জ্ঞান, বিজ্ঞান ও অস্ত্র দিয়েই করতে হবে।ঙ্গায়েবী কুদরতের আশায় বসে থাকলে চলবে না।

১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:৫৮

শেরজা তপন বলেছেন: বেশ অনেকখানি বুঝেছেন।
আমিও আপনার কাছাকাছি বুঝেছিলাম :) বাকিটা ছেড়ে দিয়েছি- আপনি ও আপনাদের মত প্রিয় ব্লগারদের কাছে।
আমাদের খুব বেশী জানার দরকার নাই। ভাসা ভাসা জানলেই হবে- কিংবা আন্দাজ সঠিক হলেই হবে। এভাবে এই ব্লগ ই একসময়
বাংলাদেশ পাল্টে দেবে বলে আশা রাখি।

ভাল থাকুন সব সময়।

৬| ১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:



ইসরায়েল ছিলো মরুভুমি, ইহাকে শস্য-শ্যামল করেছে সোভিয়েত ও পোলিশ ইহুদীরা; সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে ৩.৩ মিলিয়ন ইহুদী ইসরায়েল গিয়েছিলো, "এরা ইহুদী বংশের লোক ছিলো কিন্তু এরা ছিলো মনেপ্রানে নাস্তিক"; ইসরায়েল "ধর্ম নিরপেক্ষ দেশে পরিণত হয়েছে সোভিয়েত ইহুদীদের কারণে"। সোভিয়েত ইহুদীদের থেকে সাড়ে ৩ লাখ গেছে জার্মানী, ১ লাখের বেশী চলে গেছে অষ্ট্রেলিয়া।

১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:৫৪

শেরজা তপন বলেছেন: এই বিষয়ে আমার অল্প খানেকটা জানা ছিল কিন্তু বেশ পরিস্কার হলাম আপনার মন্তব্যে!
সোভিয়েতে ধার্মিক লোক খুব-ই অল্প সংখ্যক পেয়েছি আমি (১০০০ঃ১) সেখানে আপনার কথার সত্যতা আছে।

ধন্যবাদ ভাই। ভাল থাকুন। তবে ডাটা দেখাচ্ছে জার্মানীতে ২ লাখ।

৭| ১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনার পোষ্টে যাঁরা ইহুদী নিয়ে কমেন্ট করবেন, এদের শতকরা ৯৫ জন কখনো ইহুদী দেখেননি বলে আমার ধারণা; এদের ভাবনার অনেকটুকু কখনো সঠিক হবে না।

১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:৫৪

শেরজা তপন বলেছেন: এখানে আমি কিছু বলব না। :)
আপনার মন্তব্যকে আমি সম্মান জানাচ্ছি

৮| ১৮ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:৪৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



সোভিয়েত ইহুদীদের থেকে ৬/৭ লাখ চলে গেছে আমেরিকা; আজো ইসরায়েল থেকে সোভিয়েত ইহুদীরা আমেরিকা যাচ্ছে।

১৮ ই মে, ২০২১ বিকাল ৩:০০

শেরজা তপন বলেছেন: ইসরাইলে শান্তিতে নেই কোন ধর্মের লোক - সেটা ইসরাইলে না গিয়েই বোঝা যায়।
বুদ্ধিমানেরা ভাগার ধান্ধায় আছে!

৯| ১৮ ই মে, ২০২১ বিকাল ৩:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


আলনি বলেছেন, "ধন্যবাদ ভাই। ভাল থাকুন। তবে ডাটা দেখাচ্ছে জার্মানীতে ২ লাখ। "

-এটা পুরোপুরি সম্ভব: সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে "ইহুদী"দের সাথে তাদের "নাস্তিক" ও রাশিয়ান আত্মীয় সজন ( স্বামী, স্ত্রী, শ্বাশুড়ি, শালা ) গেছে, যারা পরে ইহুদী হিসেবে নাম লিখায়নি, বিশেষ করে জার্মানীতে ইহুদীদের আজকেও কেহ ভালোবাসে না, এরা অনেকেই নিজকে ইহুদী বলে পরিচয় দেয় না; এরা পড়তে ও কাজ করতে আমেরিকা চলে যায়।

১৮ ই মে, ২০২১ বিকাল ৫:৪৯

শেরজা তপন বলেছেন: এমন হবার সম্ভাবনা আছে- সে হিসেবে আপনার দেয়া ডাটার বিশ্বাসযোগ্যতা আছে।

ফের ধন্যবাদ

১০| ১৮ ই মে, ২০২১ বিকাল ৫:৫৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আমাদের দেশের লোক আছে ফেসবুককে পোষ্ট দিয়ে ফিলিস্তিনকে বিজয় করার কাজে

১৮ ই মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০২

শেরজা তপন বলেছেন: ওইটুকু করেই ইসরাইলের দফারফা করে দিচ্ছে আর অশেষ সওয়াব হাসিল করছে ...

বড়ই আজব!!!

১১| ১৮ ই মে, ২০২১ রাত ১০:০৮

সোনালী ঈগল২৭৪ বলেছেন: আপনার পোস্টে চাঁদগাজী সাহেব মন্তব্য করে ইরাইলকে ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন , আপনাদের জ্ঞাতার্থে বলছি , পৃথিবীতে যত সাম্প্রদায়িক দেশ আছে তার মধ্যে সবচাইতে উগ্র সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হচ্ছে ইসরাইল। ইসরাইল রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হচ্ছে ইহুদি ধর্ম। পৃথিবীতে ইসরাইল হচ্ছে একমাত্র দেশ যাদের কোনো নির্দিষ্ট জনসংখ্যা নেই , পৃথিবীর সমস্ত ইহুদি জনগণ ইসরাইলের নাগরিক।

নেপাল কিন্তু সাংবিধানিক ভাবে হিন্দু অধ্যুষিত দেশ , পৃথিবীর সমস্ত হিন্দুরা কিন্তু সাংবিধানিকভাবে নেপালের নাগরিক না !!!

পৃথিবীর সমস্ত ক্যাথলিকরা কিন্তু সাংবিধানিকভাবে ভ্যাটিকান সিটির নাগরিক নয় !!!

পৃথিবীর সমস্ত মুসলিমরাও কিন্তু সৌদি নাগরিক নন সাংবিধানিক ভাবে !!!

কিন্তু পৃথিবীর সমস্ত ইহুদি লোক সাংবিধানিকভাবে ইসরাইলের নাগরিক , এমন একটা দেশকে কোন যুক্তিতে আমরা ধর্মনিরপেক্ষ দেশ বলতে পারি ???????

১৮ ই মে, ২০২১ রাত ১০:১৯

শেরজা তপন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা আপনার দীর্ঘ বুদ্ধিদীপ্ত মন্তব্যের জন্য- এর উত্তরের জন্য @ চাদ্গাজী ভাইয়ের প্রতি মন্তব্য আশা
করছি?
ইসরাইল ধর্ম নিরপেক্ষ নয় সেটা আমি জানি। তবে তিনি কোন যুক্তিতে ধর্ম নিরপেক্ষ বলেছেন তার উত্তর তিনিই ভাল দিতে
পারবেন।
আমি এখানে কারো সাথে কোন তর্ক বিতর্কে যেতে চাচ্ছি না। আমি চাচ্ছি সবার থেকে সু চিন্তিত মতামত।
জনাব চাঁদগাজী যদি ফিরে এসে উত্তর দেন তো কৃতার্থ হব।

১২| ১৮ ই মে, ২০২১ রাত ১০:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষ আজও ''মানুষ'' হয়ে উঠতে পারে নি।
ধর্ম তাদের ভাগ করে রেখেছে।

১৮ ই মে, ২০২১ রাত ১০:৩৮

শেরজা তপন বলেছেন: শুধু ধর্ম নয়, রাজনীতি, গায়ের রঙ, ভৌগলিক অবস্থান, অর্থনৈতিক ব্যাপার স্যাপার সহ আপনার তথাকথিত সভ্যতাও সেজন্য দায়ী।
পুরোটা ধর্মের ঘাড়ে চাপিয়ে দিলে বড় অন্যায় হবে ভ্রাতা

১৩| ১৮ ই মে, ২০২১ রাত ১১:৪২

শোভন শামস বলেছেন: এত ক্ষমতা তাঁদের কিন্তু একটা দেশ নেই কেমন লাগে।
সুযোগ পেলেই সবাই তাঁদের সাথে খারাপ আচরন করে, (কেন করে তা তারাই জানে)
তেল সমৃদ্ধ এত বড় আরব ভূখণ্ড হাতছাড়া করা কি ঠিক
ও জেরুজালেম বইটা চমৎকার, ড্যানিয়েল লেপিয়ের ও ল্যারি কলিন্সের লিখা।
অনেক কিছু জানার আছে বইটা থেকে।
সুন্দর লিখা, ধন্যবাদ

১৮ ই মে, ২০২১ রাত ১১:৫৩

শেরজা তপন বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ অল্প কথায় সুন্দর করে বলার জন্য।
বইটা পড়ে দেখতে হবে- রেফারেন্সের জন্য কৃতজ্ঞতা!

ভাল থাকুন- সুন্দর থাকুন সবসময়।

১৪| ১৯ শে মে, ২০২১ রাত ১:৪৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমরা অতি জ্ঞানী, তাই কেউ ধর্মকে দোষ দেই
কেউবা ইসরাঈলকে গালি গালাজ করি ।

............................................................................
আসুন ছোট আকারে একটা গল্প স্মরন করায়ে দেই :-
একটি প্রত্যন্ত গ্রাম চলে গ্রাম্য মাতব্বর এর ইচ্ছায় আর ইউনিয়ন যায়
চেয়ারম্যানের ক্ষমতায়।
চে য়ারম্যান তার সার্বিক ক্ষমতা , লোভ, অর্থ সম্পদ অর্জনের জন্য প্রতিগ্রামেই
মাতব্বর সিলেক্ট করে বা, লাঠিয়াল সর্দার রাখে । তারা যে অন্যায়ই করুক না কেন
অপরাধটা গ্রামবাসীর । কার ঘাড়ে কয়টা মাথা ?
পরদিন তার বাড়ী তছনছ হবে বা মাদক রাখার অপরাধে জেলে যেতে হবে ।

.............................................................................................................
দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার চলবে আর আবহমান কাল থেকে প্রতিবাদ উঠবে,
কেউ বা ধর্মকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করবে ।
এখানে ধর্মকে দোষারোপ করা অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই নয় ।

১৯ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১১

শেরজা তপন বলেছেন: 'আমরা অতি জ্ঞানী, তাই কেউ ধর্মকে দোষ দেই
কেউবা ইসরাঈলকে গালি গালাজ করি।' -কথাতো ঠিক

অনু গল্পটা ভাল হয়েছে। যাদের বোঝার তারা বুঝেছে<

মন্তব্যের জন্য সবিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতিজ্ঞতা! ভাল থাকুন

১৫| ১৯ শে মে, ২০২১ রাত ২:১২

অনল চৌধুরী বলেছেন: পুরো ইউরোপে ইহুদীদের ঘুণা করা হতো। শেক্সপিয়রের মার্চেন্ট অফ ভেনিসের শাইলক চরিত্রে প্রমাণ করে ইহুদীরা কতোটা টাকালোভী নরপিশাচ ছিলো।
তাছাড়া যিশুকে হত্যার কারণেও খ্রিষ্টানরা তাদের ঘৃণা করতো।
এমনকি উদার সমাজতন্ত্রের আমলেও সোভিয়েত ইউনিয়েনে ইহুদীদের ঘৃণার চোখে দেয়া হতো । সমাজতন্ত্রের পতনের পরও ওখানে গেলেও এর কারণ কি সেটা আপনি কিছুটা জানেন।
মধ্যপ্রাচ্যে তেল পাওয়ার পরই পশ্চিমাদের ইহুদীপ্রীতি উথলে ওঠে এবয় তারা আরবদের শায়েস্তা করে তাদের তেল লুটের জন্য সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইসরা্ইল সৃষ্টি করে, যাদের খুব সহজেই এ্যামেরিকা একাই আশ্রয় দিতে পারতো।
বন্ধূপত্নী এখনো নিজের ধর্ম আকড়ে রাখলেও বন্ধু আমার দু-বার হজ্ব করে এসেছেন।সে বেচারা বাংলা থেকে রুশ ভাষায় দীক্ষা নিয়ে ডয়েস ভাষা আত্মস্থের জন্য যুযছেন।- বিদেশী বিয়ে করেও এতোবছর যে সম্পর্ক টিকে আছে, এটাই প্রশংসার। তাদের ছেলে-মেয়েরা কোন ধর্ম অনুসরণ করে ?

১৯ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৬

শেরজা তপন বলেছেন: এত ঘৃনা নিয়ে আমরা নাই বা বাঁচলাম- কি বলেন?

বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া সোভিয়েত সমাজ এরকম ছিল না বলে আমার বিশ্বাস! ওরা ধর্ম-কর্ম যারা করত তাদের দিকে অবাক চোখে
তাকাত।
সেটা খানিকটা প্রশংসার দাবিদার। ছেলে-মেয়েদের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে যে কোন ধর্ম চারন করার। তবে আমার বন্ধু তাদেরকে
নিজের ধর্মের দিকে টানলেও পোলাপান বেশী মা ন্যাওটা হয়েছে।
অনেক ধন্যবাদ আপনার মুল্যবান মতামতের জন্য। ভাল থাকুন সবসময়

১৬| ১৯ শে মে, ২০২১ রাত ২:২১

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: লেজ এখন কুকুর নাড়ায়। যেকারণেই ইউরোপ জায়নবাদীদের মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিস্থাপিত করুক না কেন, জায়নবাদীরা এখন ইউরোপ-আমেরিকা নাড়ায়।

১৯ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৭

শেরজা তপন বলেছেন: :) কথাটা মন্দ নয়!

শুধু ওদের নয় পুরো বিশ্বকেই নাড়ায়।

অনেকদিন পরে আমার ব্লগে এলেন ভ্রাতা। ভাল থাকুন সবসময়।

১৭| ১৯ শে মে, ২০২১ সকাল ৮:২৫

অগ্নিবেশ বলেছেন: বিদেশী বিয়ে করেও এতোবছর যে সম্পর্ক টিকে আছে, এটাই প্রশংসার, অনলকা এইডা কি কন? বিদেশী বিয়ে করলে কি বিয়ে টেকে না??

১৯ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২০

শেরজা তপন বলেছেন: এটা কিছু কিছু ক্ষেত্রে খানিকটা প্রশংসারই বটে।
রাশিয়াতে আমার জনা দশেক বন্ধু বিয়ে করেছিল- টিকে আছে মাত্র দু-খানা।
আর জাপানে আমার ভাই-বেরাদার কাজিন মিয়ে চারজনে বিয়ে করেছিল। একটা টিকে আছে মাত্র।
প্রশংসা না করে উপায় কি বলুন?

১৮| ১৯ শে মে, ২০২১ সকাল ৯:৪৪

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যকে বাগে রাখতে একটা লাঠিয়ালের প্রয়োজন; সেই লাঠিয়াল হচ্ছে ইজরাইল। মধ্যপ্রাচ্যকে কেন বাগে রাখতে হবে সেটা সবারই জানা। লাঠিয়ালকে লাঠি সরবরাহ করতে করতে এখন এমন অবস্থা যে লাঠিয়াল নিজেই অন্যতমানের লাঠি তৈরী করে ফেলেছে ফলে লাঠি সরবরাহকারীদেরই এখন ত্রাহী ত্রাহী অবস্থা।

১৯ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৩

শেরজা তপন বলেছেন: তাতো বটেই।
বেশ মজার কিন্তু সত্য ও খাটি কথা বলেছেন!
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য- আপনার সুসাস্থ্য কামনা করছি। ভাল থাকুন

১৯| ১৯ শে মে, ২০২১ সকাল ১০:০২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: শিরোনামেইতো সব সত্যি প্রকাশিত :)

তার পথ, পদ্ধতি, তাতে তাওরাতের ব্যাখ্যার ভুল প্রয়োগ, ধমান্ধতাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার
প্রমিজ ল্যান্ডের মূলো ঝূলিয়ে শেষ নবীকে অস্বীকারের প্রবণতায় তাঁর উম্মতদের উপর ধ্বংসাত্বক মনোবৃত্তি,
বা রাজনৈতিক পুনর্বসন প্রক্রিয়া, বেলফোর এগ্রিমেন্ট, আশ্রিত থেকে দখলদারে বদলে যাওয়া এবং অত্যাচারীতে পরিণত হওয়া
প্রতিটাই একেকটা বিশাল অধ্যায়। যার সারমর্ম দিয়েছেন শিরোনামে।

কিন্তু যাদের বোঝার কথা, তারাই ক্রীতদাস হয়ে বসে আছে! ফলে আমাদের সবই মূলত আমাদের আত্মার প্রশান্তির চেষ্টা মাত্র।

১৯ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৯

শেরজা তপন বলেছেন: 'কিন্তু যাদের বোঝার কথা, তারাই ক্রীতদাস হয়ে বসে আছে! ফলে আমাদের সবই মূলত আমাদের আত্মার প্রশান্তির চেষ্টা মাত্র।'

একদম হক্ক কথা! আপনি গুরু মানুষ কথা বলেছেন ওজনদার!

অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা ভ্রাতা। আপনার নিরোগ ও শান্তির জীবন কামনা করছি

২০| ১৯ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: তালেবান যখন স্কুলে মসজিদে বোমা মারে তখন মুসলামরা বলে তালেবান আমরিকার তৈরী এবং আমেরিকার কথা মতো কাজ করে। আর তালেবান যখন আমেরিকার সৈনিক অথবা Embassy তে হামলা করে তখন মুসলমানরা বলে তালেবান আল্লাহর সৈনিক।
আমেরিাকার এপোলো চন্দ্র অভিযান আসল নাকি সাজানো নাটক এই বিষয়ে মুসলমানদের সন্দেহ থাকলেও নীল আর্মস্ট্রং যে চাঁদে গিয়ে আজান শুনে পৃথিবীতে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এই বিষয়ে মুসলমানদের কোন সন্দেহ নেই।

১৯ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৬

শেরজা তপন বলেছেন: সবাই-ই তো ঠিক ঠাক কথা বলছে। কারো কথা ফেলে দেবার মত নয়।
আপনারটাও যুক্তিযুক্ত।

নীল আর্মষ্ট্রং এর ব্যাপারটা হাস্যকর!!!!!

ধন্যবাদ আপনাকে ফের আসার জন্য। ভাল থাকুন সুন্দর থাকুন।

২১| ২০ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৬

শেরজা তপন বলেছেন: জনাব চাঁদগাজী আজকে তার একটা লেখায় এর উত্তর দিয়েছেন। যদিও তার অনুমতি ছাড়াই এখানে চুম্বক অংশ টুকু কপি করে দিচ্ছি;
ইহুদীদের ধর্মীয় রাষ্ট্র, ইসরায়েল কিন্তু ধর্ম-বিরপেক্ষ দেশ; ইহা কিভাবে সম্ভব হলো? ইহা সম্ভব হয়েছে মুলত: রাশিয়া ও সোভিয়েত ইহুদীদের কারণে; ৩.৬ মিলিয়ন রাশিয়ান ও সোভিয়েত ইহুদী ইসরায়েলে অভিবাসন নিয়েছে, এরা মুলত: ধর্ম-বিরোধী লোকজন। ১৮৯০ সালে কিছু ধর্মীয় রাশিয়ান ১ম বার ততকালীন প্যালেষ্টাইনে এসেছিলো; এরা তেল আবিব এলাকায় সমবায় প্রথায় চাষবাস শুরু করে, এরাই ইসরায়েলের মরুভুমিকে ক্রমেই শস্য-শ্যামল দেশে পরিণত করে, এরা আজকের ইসরায়েলের চালিকা শক্তি।ইহুদীদের ধর্মীয় রাষ্ট্র, ইসরায়েল কিন্তু ধর্ম-বিরপেক্ষ দেশ; ইহা কিভাবে সম্ভব হলো? ইহা সম্ভব হয়েছে মুলত: রাশিয়া ও সোভিয়েত ইহুদীদের কারণে; ৩.৬ মিলিয়ন রাশিয়ান ও সোভিয়েত ইহুদী ইসরায়েলে অভিবাসন নিয়েছে, এরা মুলত: ধর্ম-বিরোধী লোকজন। ১৮৯০ সালে কিছু ধর্মীয় রাশিয়ান ১ম বার ততকালীন প্যালেষ্টাইনে এসেছিলো; এরা তেল আবিব এলাকায় সমবায় প্রথায় চাষবাস শুরু করে, এরাই ইসরায়েলের মরুভুমিকে ক্রমেই শস্য-শ্যামল দেশে পরিণত করে, এরা আজকের ইসরায়েলের চালিকা শক্তি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.