নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

শেরজা তপন

অনেক সুখের গল্প হল-এবার কিছু কষ্টের কথা শুনি...

শেরজা তপন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাবনিক- ২য় পর্ব (দ্বিতীয় খন্ড)

৩০ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:৪৭


আগের পর্বের জন্যঃ Click This Link
সেদিনের পরে বেশ কিছুদিন আর যোগাযোগ নেই। মনের মদ্যে আমার আঁকুপাঁকু করছে – তবু নিজেকে কঠিন অনুশাসনে রেখেছি।
দেখি সে যোগাযোগ করে কিনা? না হলে না হয় শেষ্মেষ আমিই কোন তালবাহানা খুঁজে তাকে ফোন দিব।
খুব বেশীদিন অপেক্ষা করতে হলনা। ধৈর্যচ্যুতিটা আমারই হল। এক দুপুরে ফোন দিলাম তাকে। ফোনে আমার কন্ঠ শুনেই সে গাঁ জ্বালানো হাসি!!
- আ-ত্বি(ও তুমি)- কেমন চলছে?
- এই তো, অনেকদিন যোগাযোগ নেই। ভাব্লাম কোন সমস্যা কি না সে জন্যই ফোন দিলাম।
- ও তা সেদিন ওভাবে চলে গেলে কেন(পাচিমু)?
- পাকিচিনু ( কেননা- এই শব্দটা পাচিমু’র প্রতুউত্তরে রুশীয়রা কিছুটা ব্যাঙ্গাত্বক হিসেবে ব্যাবহার করে)
এবার সে হো হো করে হেসে উঠল!
- তুমি এই শব্দটা কোথায় শিখেছ?
- কেন আমার রুশ বন্ধুদের কাছে!
- শব্দের উচ্চারনটা ভুল- যারা শিখিয়েছে তারা হয় রুশ ভাষা ভাল করে জানেনা না হয় তোমাকে ইচ্ছে করে ভুল শিখিয়েছে।
এই রে মাষ্টারনি যে মাষ্টারি কড়া শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু বিষয়টা আমি পজিটিভলি নিয়ে কথার মোড় ঘোরালাম
- বুঝলাম। সুযোগ বুঝে তোমার কাছে শুদ্ধ রুশ ভাষা শিখে নেব। শেখাবে নাকি?
- আ-হা তাহলেতো আমার কিন্ডারগার্ডেনে তোমাকে ভর্তি হতে হবে।
- হব, কিন্তু তোমার বাসায় ক্লাস করব। আমি একজনই তোমার ছাত্র হব- আর তুমি আমার একমাত্র শিক্ষক!
কথাগুলো বলে একটু বিব্রত আমি- তবুও উত্তরের অপেক্ষা করছি। কিন্তু এলিনা একদম চুপ মেরে গেল। পাক্কা এক মিনিট দু পক্ষেরই নীরবতা, তারপরে বেশ নিচু কন্ঠে কম্পিত স্বরে বলল,
- সিভোতনিয়া তি প্রিজ্বায়েস কামনিয়া( তুমি কি আজকে আমার এখানে আসবে)?
আহঃ ধরে প্রাণ খুঁজে পেলাম!
- কখন?
- যখন সময় হয়-
- ঠিক আছে – ঠিক আছে আসব আজকে।
আবেগের যোশে অতি উৎফুল্ল হয়ে কথাগুলো হড়বড়িয়ে বলতে বলতেই ওপাশে ক্যাডেলে রিসিভার রেখে দেবার শব্দ।

দুপুর গড়াতেই ফোন দিলাম ওকে। আসব নাকি এখন?
- ও হো, আমার জরুরি একটা কাজে বাইরে যেতে হবে এখন। তুমি এক কাজ কর ছয়টার দিকে ‘সেভচেনকো পার্কে’ চলে এসো।
কত কিছুই না ভেবেছিলাম। এক ঘটি জলে মূহুর্তেই আগুন নিভু নিভু। গলার স্বর ভেঙ্গে গেল। তবুও বেশ সাবলীল কন্ঠে বললাম।
- হ্যা হ্যা আসবখন।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রুশ দেশে প্রকৃতি এখন তাঁর রূপ যেন মেলে ধরেছে। গাছের পাতায় নানা রঙের ছোপ, সবুজের পাশাপাশি গাঢ় হলুদ, লালচে ও মেরুন রঙের মিশেল, বিকেলের মোলায়েম রোদ যেন সে পাতায় পিছলে গিয়ে যেন পুরো প্রকৃতিতে সোনার আবির ছড়িয়ে দিয়েছে। সেই আবিরের রঙ্গে রাঙ্গানো নিজের কালচে বাদামী ত্বকেও যেন চুমু খেতে ইচ্ছে করে।
শেষ বিকেলের এই মোহনীয় আলোয় স্বর্গ-দেবীসমা রুপবতী এলিনাকে দেখে আমি বিমোহিত হলাম! এ রূপ শরিরে আগুন ধরায় না~ অস্থির হৃদয়ে শান্তির পরশ বোলায়। যেকোন সামর্থবান পুরুষকে কামার্ত করবে ঠিক কিন্তু সে অসংযত হবে না, হিংস্রতা-নিঃস্বংসতা ভুলে মুদিত আখিতে দু-হাত ছড়িয়ে নিজেকে বিলিয়ে দেবার বাসনায় উন্মুখ হবে।
কাছে এসেই এলিনা তাঁর ঝকঝকে দাতের পাটি বের করে বেশ একটা প্রশ্রয় মিশ্রিত আদরমাখা হাসি দিয়ে বলল,
-স্যরি একটু দেরি হল বলে- স্কুলে কাজ ছিল। এই সুযোগে ভাবলাম তোমার সাথে আজকে একটু পার্কে ঘুরি !’ বলেই পাশে দাড়িয়ে আমার কনুই স্পর্শ করে গ্রীবা বাকিয়ে বেশ খানিকটা আহ্বালাদের স্বরে শুধাল- রাগ করনি-তো?
আমার মনে ছিল অন্য বাসনা পার্কে দেখা করতে হবে বলে মনঃক্ষুন্ন হলেও ওর এই মোহ্নীয় রূপ দেখেই মনটা ফের ফুরফুরে হয়ে গেছে। তাঁর এই প্রশ্নের উত্তরে কপট গাম্ভীর্য এনে একটুখানি রাগের ভান করে বললাম, বেশ অনেক্ষন দাঁড়িয়ে আছি। ভেবেছিলাম তুমি আসবে না!
উত্তকে কি এক হৃদয় তোলপাড় করা আদুরে ভঙ্গীতে বলল,
-আহালে- স্যরি সৌম্মা ( সৌম্যর বিকৃত উচ্চারন) তারপর একটু নিচু স্বরে সগোক্তির মত করে বলল,- আর এমনটা হবে না।
- কি বললে?
ফের তাঁর ট্রিপিক্যাল সেই ভাঙ্গা হাসি দিয়ে বলল,
- নাহ কিছু না।
কেন যেন তাঁর সবকিছু আজ বড্ড ভাল লাগছে – তাঁর এই হাসিটাও বিরক্তি ধরাচ্ছে না। আজ তাঁর পরনে, লম্বা ঝুলের স্কার্ট আর হালকা রঙের ফতুয়া। গ্রীস্মের এই মাতাল সময়ে এই বয়সী রুশ মেয়েরা সাধাসিদে পোষাক পরে না। তবুও এলিনাকে দারুন মানিয়ে গেছে এই পোষাক। সাজ গোজ বলতে মাথায় একটা ফুলেল ব্যান্ড আর ঠোটে হালকা করে লাগানো গোলাপি লিপিস্টিক যেটা ঠোটের রঙের সাথে এমন করে মানিয়ে গেছে যে, আছে কি নাই বোঝা মুশকিল!
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
মার হাত ধরে( রূশীয় ভদ্রতা- সদ্য পরিচিত যুবক-যুবতীরা এমনি করে পার্কে বা রাস্তায় ঘুরে বাড়ালেই যে তাদের মধ্যে প্রেম বা ভাব হয়ে গেছে সেটা ভাববার কারন নেই) অতি ধীর পদক্ষেপে পার্কে ঘুরে বেড়াল সে খানিক্ষন। কনুইয়ে অতি কাল ভদ্রে - ভরাট স্তনের সুক্ষ স্পর্শে অনুভব করলাম তার হৃদয়ের উষ্ণতা। আমি অতি ভদ্র স্বজ্জন সেজে মেকি মুখোশ পরে তাঁর পায়ে পায়ে পা মিলিয়ে চললাম।
এলিনা কথা বলে কম- শোনে বেশী, কথার ফাঁকে ফাঁকে অতি ভদ্রভাবে আমার ভাষাগত ভুল ধরিয়ে দেয়। বলার সময়ে উপযুক্ত শব্দ না পেলে সে মূহুর্তে ধরে ফেলে। একটু হাসি দিয়ে সঠিক শব্দটা সংযোজন করে বলে এই বলতে চেয়েছ?
আমি ভীষন অবাক হলাম আমাকে তাঁর বোঝার ক্ষমতা দেখে।
বেশ খানি হেটে পার্কের বেঞ্চিতে বসে স্থানীয় কাঠখোট্টা "কোণ' আইসক্রিম খেলাম। পাশাপাশি বসে আছি বলে তাঁর শরিরের দিকে চোখ দেখবার সুযোগ নেই। আমার চোখে যে অনন্ত খিদে!
৮টা নাগাদ সন্ধ্যে নেমে এলে দু’জনেই যেন চরম অনিচ্ছায় ধীরে ধীরে পার্ক থেকে বেরিয়ে এলাম! শেষ দিকে ঘনিষ্ঠতা আরেকটু বেড়েছিল বৈকি! সুযোগ বুঝে তাঁর অতি নরম –মোলায়েম স্তনপ্বার্শ কনুই দিয়ে ছল ছুতোয় একটু ছুঁয়ে দিলাম।
এলিনা বড় স্পর্শকাতর তরুণী। এ যাবত কোন পুরূষকে হয়তো তেমন করে তাকে কাছে ঘেষতে দেয়নি। তথাকতিথ কুমারিত্ব এখনো অতি সযতনে ধরে রেখেছে বলেই আমার ধারনা- যা রুশ সমাজে একেবারেই বেমানান। আমার সামান্য কনুইয়ের স্পর্শে সে কেঁপে কেঁপে উঠছিল প্রতিবার। আবতোবুশের( বিদ্যুতচালিত অটো বাস) আলোতে তাঁর চোখের কোনে আধ শুকনো জল চিক চিক করছে। জিজ্ঞেস করতেই লজ্জা পেয়ে মুখ ঘুরিয়ে নিল অন্য দিকে।


এলিনাকে নিয়ে প্রথম পর্বের জন্যঃ Click This Link



মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০০

স্প্যানকড বলেছেন: খুব সুন্দর। ভালো লেগেছে। দব্রি দ্যান ! :)

৩০ শে জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১৫

শেরজা তপন বলেছেন: স্পাসিভা ভাম বালসোই !
আপনাকে পেয়ে ফের ভাল লাগল। ভাল থাকুন- শুভ অপরাহ্ন
ভাল থাকুন

২| ৩০ শে জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



শেষে ২/৩ লাইন কি পাঠক ধরে রাখার জন্য?

৩০ শে জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১২

শেরজা তপন বলেছেন: হাঃ হাঃ
ধারাবাহিকে পাঠক ধরে রাখার জন্য কিংবা পরের পর্বে আকর্ষনের জন্য এটা একটা ফর্মুলা বলতে পারেন :)
যে যেই ভাবে নিবেন সেইটাই ঠিক।

৩| ৩০ শে জুলাই, ২০২১ রাত ৮:১০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



রুশ মেয়েদের চাকরি ব্যবসা স্বামী সংসার সুখী জীবন পাওয়া কঠিন কিছু ছিলো না। পেশা হিসেবে রুশ মেয়েরা যখন নাচকে বেছে নিচ্ছেন তখন ভাবতে হয় তারা কতোটা দুঃখী।

৩০ শে জুলাই, ২০২১ রাত ৮:১৫

শেরজা তপন বলেছেন: তখনকার সময়ে তাদের দেশে বেশ কঠিন ছিল!
যখন উন্নত ও বিলাসী জীবন যাপনের আশায় তারা ঘর থেকে বেড়িয়ে প্রবাসী হোল তখন্দেশের অবস্থা কিছুটা পালটে গেল।
তাদের আর ফিরে যাবার পথ কিংবা ইচ্ছে নেই। এখন রাশিয়ায় যারা আছে ভালই আছে।
ধন্যবাদ ভাই- সাথে থাকার জন্য। ভাল থাকুন

৪| ৩০ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১১:৪৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: দুদুবার পড়তে এলাম দুবার ই শেষ করতে পারলাম না। আগামীকাল আবার এসে কমেন্ট করবো...

৩১ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ৮:৫৬

শেরজা তপন বলেছেন: খুব ব্যাস্ততা নাকি?
ফিরে আসুন- মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম...

৫| ৩১ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ৯:১০

জুন বলেছেন: আমি তো দিব্য চোখে দেখতে পাচ্ছি আপনি ভদকার বোতল হাতে নিয়ে এলিনার কনুই ধরে পার্কে বসে আছেন। আর এলিনা পার্কিনসন রোগীর মত কেপে কেপে উঠছে ক্ষনে ক্ষনে :-*৷ সত্যি করে বলেনতো আপনি কি উদ্দেশ্যে রাশিয়া গিয়েছিলেন!! #:-S পড়াশোনার বালাই নাই, ব্যাবসা বানিজ্যের নাম নাই, শুধু প্রেম আর প্রেম :-*
আপনার কল্যানে রুশ ভাষা শেখা হয়ে যাচ্ছে কিন্ত শেরজা তপন। পুশকিনের ক্যাপ্টেনের মেয়ে উপন্যাস থেকে যেমন এক লাইন ফরাসী শিখেছিলাম নায়কের গৃহ শিক্ষক ছাত্র পড়ানো বাদ দিয়ে ছাত্রের মায়ের কাছে ঘ্যান ঘ্যান করতো মাদাম মঁ ভুঁ প্রি ভদকা বলে =p~

৩১ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ৯:৪৬

শেরজা তপন বলেছেন: আফারে এইটাতো আমার গপ্পো না! সৌম্য আর ববি নামে দুই বাবনিকের গল্প!
আমার গল্প পাবেন 'কাগদা তো-ভভ রাশিয়া' তে সেইটেই মুলত আমি। নিজেকে আলকাশে হিরো বানাইচিলাম বলে এইবার এন্টি
হিরো বানাইলাম। সত্য ঘটনার সাথে মিলিয়ে নিজেকে নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট! নিজেকে সম্পৃক্ত না করে নাম দিয়ে লেখা দিলে মনে
হয় গল্প- সত্য নয়। পরে বই টই ছাপালে নিজেকে উঠিয়ে নিব :)
আপনিতো বহু ভাষাবিদ। আমি জানি রুশ ভাষা আপনি আগে থেকেই টুকটাক জানেন।

সৌম্যের দেশের পরিচয় সামনেই আসবে- তখন বুঝবেন, সে বসে বসে মদ খায় আর প্রেম করে বেড়ায় কেন?

ভাল থাকুন- কালকে কি ব্লগে ঢুঁ দেননি?

৬| ৩১ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১০:১৪

হাবিব বলেছেন: আপনার এই মিরিজের সাথে আগে থেকেই ছিলাম না। আগের পর্বগুলি পড়ে নিতে হবে।

৩১ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১০:৫৫

শেরজা তপন বলেছেন: বেশ দীর্ঘ সিরিজ কন্টিনিউ করা একটু কঠিন
মাঝে মধ্যে আমিও তাই অন্য লেখা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি।
পড়ে জানাবেন প্রিয় হাবিব স্যার( স্যার বলতে আমার বাঁধবে না) :)

৭| ৩১ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১০:৫৭

জুন বলেছেন: মনে পরছে না কাল ব্লগে এসেছিলাম কি না #:-S আমার স্মৃতি শক্তি ইদানীং গভীর ভাবে লোপ পাচ্ছে শেরজা তপন :(
কাল ব্লগে কি হয়েছিল বলেন তো? আমি অবশ্য ব্লগ লেখা আর অন্যান্য ব্লগারদের লেখা পড়া ছাড়া অন্য বিষয়ে একেবারেই মন দেই না। আসলে সময় কই। এই যে যতটুকু সময় ব্লগিং করি তাও দৌড়ের উপর। যেমন চুলায় কড়াই বসিয়ে আপনাদের লেখা পড়ি, তারপর কড়াইতে তেল দিয়ে মন্তব্য লিখতে বসি, লিখতে লিখতে উঠে তেলে পেয়াজ ছেড়ে দিয়ে লাইক বাটনে চাপ দেই :P

৩১ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:১৬

শেরজা তপন বলেছেন: না তেমন কিছুই না- সব জাঁদরেল ব্লগাররা ব্লগে লেখা দিয়েছিলেন আরকি :)
আপনাকে দেখলাম না সারাদিনে একবার তাই জিজ্ঞেস করলাম।
আপনার ব্যাপারে এই প্রবাদটা একদম খাঁটি - 'যে রাঁধে সে চুল ও বাঁধে'

~বারান্দা থেকে আমি নামি না
আমি কারো সাতে-পাচে থাকি না :)

৮| ৩১ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:১৫

হাবিব বলেছেন:





যেমন চুলায় কড়াই বসিয়ে আপনাদের লেখা পড়ি, তারপর কড়াইতে তেল দিয়ে মন্তব্য লিখতে বসি, লিখতে লিখতে উঠে তেলে পেয়াজ ছেড়ে দিয়ে লাইক বাটনে চাপ দেই হা হা হা হা হা ...............
@জুন আপুর লাইন কয়টা পড়ে হাসহাল খুব। এক্কেবারে আমার মতো অবস্থা।

৩১ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:১৮

শেরজা তপন বলেছেন: হ্যা লেডি ইবনে বতুতা~ মহা করিৎকর্মা ব্লগার
তার হাত আর মাথা চলে সুপার কম্পুটারের মত!!!!

আমারতো হিংসে হয় :)

৯| ৩১ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৩৬

হাবিব বলেছেন: আপনিই বা কম কিসে তপন ভাই!! ........

৩১ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৪৪

শেরজা তপন বলেছেন: হায় হায় এইটা কি কইলেন ভ্রাতা- আমি হইলাম দুনিয়ার আকাম্মা লোক !

তবে এমন মন্তব্য পাইতে ভালই লাগে :) :)

১০| ৩১ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৪৭

হাবিব বলেছেন: "বড় যদি হতে চাও ছোট হও তবে " দীক্ষায় দীক্ষিত লোক আপনি। বড় মনের মানুষ। (সামসা-সামনি প্রশংসা করা বারণ তাই করলাম না)

৩১ শে জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২২

শেরজা তপন বলেছেন: এরকম মন্তব্যের প্রতিমন্তব্য করা বেশ কঠিন

আমার চরিত্রে হিংসা রাগ লোভ লালসা অহংকার সহ অনেক কু প্রবৃত্তি এখনো চরমভাবে এখনো বিদ্যমান!
ধন্যবাদ আপনাকে। ভাল থাকুন নিরন্তর!

১১| ৩১ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:০৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বাহ বাহ
কনুই চর্চা বেশ ভালোই হলো ;) হা হা হা

আহা! সব বয়সের দোষ!
কি একটা আবেগের বয়স যে তারুন্য আর যৌবন....
সবই সুন্দর, সবই মনোহর...

আমার মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনের প্রকৃত সময়টা
আসলেই ঐ স্বল্প সময়টুকুই! ঐটুকুই জীবন!
এর আগের জীবন হলো সেখানে পৌছানোর সময়
আর পরের জীবন হলো স্মৃতিচারণের ক্ষন।।

৩১ শে জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২৬

শেরজা তপন বলেছেন: এইতো উল্টো হয়ে অনেক সন্দেহ দূর জরে দিলেন :)
কনুই চর্চা - তা বেশ হয়েছিল বলা যায়... হাঃ হাঃ হাঃ

সেজন্যই অল্প বয়সের সেই যৌবনটাকে খুঁজে ফিরি- লখায় যখন ডুবে যাই, তখনই শুধু সেইদিনগুলো আর সেই আবেগ ফিরে
পাই।

ঠিক ঠিক একদম ঠিক
তারপরে সান্তনা পাই এই ভেবে- আমার পরে এসে কতজনই আগে চলে গেল, আমিতো তাও বেঁচে আছি বহাল তবিয়তে

১২| ৩১ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৩:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি কেমন আছেন?
কি খবর?
দিনকাল কেমন যাচ্ছে?

৩১ শে জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৩২

শেরজা তপন বলেছেন: ব্লগে আপনার এক্টিভিটি কিছুটা কম মনে হচ্ছে

মনে হয় কিছুটা তাল কেটে গেছে- নাকি? মেয়ের হাতের চা খেয়েছিলেন গতকাল-ইতো ~Life is beautiful
ব্যাবসা বানিজ্য থমকে যাওয়ায় একটু বেকায়দায় আছি, অবস্থা সবারই কম-বেশী এমন।
ভালই আছে, ইদানিং অবসর বেশী তাই ব্লগে আর লেখা লেখিতে বেশী সময় দিচ্ছি।

আপনি ভাল থাকবেন।ভাগ্নি কি আমেরিকা পৌছেছে?

১৩| ০১ লা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৫:৪৯

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: প্রথমেই বলতে চেয়েছিলাম , "আহা-আমি পাইলাম!! তাহাকে পাইলাম " - এর মত কিছু মিছু।

কিন্তু এ বেহায়া মন আর লজ্জাহীন চক্ষু যে এত অল্পতে তৃপ্ত নয় । " এ মন চায় যে মোর " - এর মত এদিক-সেদিক দেখবার চোখ যায় ,ঘুরবার মন চায়। আর তাইতো " দুধের স্বাদ ঘোলে মিটাতে " কনুইয়ের আশ্রয় নেয়া।

বদ !!! বহুত বদ ভাই আপনে - আর তার সাথে আমার সেই বদ গান :P ও মনে পড়ল , " লাগগাই গিয়া ৪০ ভোল্ট ছোনেকা পেহলে - "

কি করুম ভাই জান । আপনি এসব লিখে লিকে, হৃদয়ের গতি বাড়াইয়া দেন - এর ফলে যদি হৃদয় বেটার ব্রেক ফেইল করে কিছু মিছু ঘটনা ঘটে এর দায় কিন্তু আপনার ,ইডা মনে রাইখেন কইলাম।

০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:৩১

শেরজা তপন বলেছেন: অবশেষে সৌম্যের পাওয়ার আনন্দে আপনার উদ্বাহু নৃত্যে আমি যার পর নাই উদ্বেলিত :) :)
ও কথা বলতে নাই " দুধের স্বাদ ঘোলে মিটাতে " -ওটা কি তবে ঘোল?

ছোনেকা পেহলে লাগগাই~ বহুত আচ্ছা শায়েরি পেশ কিয়া আপনে , শুকরিয়া!

আমিতো রাখঢাক করে লিখেছি ভাইয়া- খোলামেলা লিখতে গেলে নিজেই বেদিশা হয়ে যায়। -শুধু বলি ~কন্ট্রোল কন্ট্রোল!
আপনিও এই মন্ত্র জপেন :)
মজা পাইলাম মন্তব্যে। তবে একটু স্যরি দেরিতে উত্তর দিবার জন্- পরের পর্বে আমন্ত্রন রইল, ভাল থাকবেন।

১৪| ০১ লা আগস্ট, ২০২১ রাত ৯:৩৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আবার এলাম শেষ পর্যন্ত পড়তে। বলা যেতে পারে আজ প্রেমের স্বর্গোদ্যানে বিতরণ। আর একটা বিষয় ইতিমধ্যে কামরুজ্জামান ভাই উল্লেখ করেছেন। কনুইয়ের আশ্রয় নেওয়া।হেহে হে.... সারাদিন ঘুরে এটাই যে অনেক বড় প্রাপ্তি। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

শুভেচ্ছা প্রিয় ভাইকে।

০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:২৪

শেরজা তপন বলেছেন: আমি দারুন আনন্দিত ও প্রীত হইলাম ফের আপনাকে দেখে :)
আপনি আপনার কথা রেখেছেন
ভাল বলেছেন, প্রেমের স্বর্গোদ্যানে বিচরণ !! হাঃ হাঃ ফের প্রেমে পড়তে ইছে করে ??
কামরুজ্জামান ভাই রসিক মানুষ- ভিতরটা রসে টইটুম্বর তার, বলেছেন বেশ সরস করে। আমিও মজা পেয়েছি

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে প্রিয় ভ্রাতা। ভাল থাকুন

১৫| ০৩ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:১১

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: প্রকৃতির এমন বর্ণনা শুনে রাশিয়া যেতে ইচ্ছা করছে। কী সুন্দর একটা বিকেল, অথচ সৌম্যের মনে শয়তানি।

০৩ রা আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৯

শেরজা তপন বলেছেন: চলেন যাই- বাঁচা মরার ঠিক তো নাই।
আফসোস রাখবেন কেন- তবে সামারে যেতে হবে কিন্তু :)

১৬| ০৩ রা আগস্ট, ২০২১ রাত ৯:৪২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনার লেখার চিত্ররুপ করা যায় সহজেই, লেখার সাথে চোখের আয়নায় একদম চলচিত্র থাকে।

০৩ রা আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:৪০

শেরজা তপন বলেছেন: এসেছেন তাহলে!!
বনলতা সেন- এতদিন কোথায় ছিলেন??
সবাইতো বিশেষ একটা বিষয় নিয়ে খোঁচাচ্ছে- বড় বিব্রতবোধ করছি! ওইটুকু বাদে চিত্রায়ন কইরেন :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.