নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

শেরজা তপন

অনেক সুখের গল্প হল-এবার কিছু কষ্টের কথা শুনি...

শেরজা তপন › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাশিয়ার হেঁসেল ঘরে রসুন!

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৩:২৫


দন্ডে রসুনের গল্পটা সেরে নিই! রান্না করতে গিয়ে সেই যে দাগা খেলাম- এর পর থেকে আমার শেফ হবার খায়েশ চিরজন্মের মত শেষ হয়ে গেল তা নয়- মনের মধ্যে সুপ্ত বাসনা ছিল! দেখিস একদিন আমিও হবার!
আমাকে হাতে কলমে প্রথমে রান্না শেখাল নাতাশা! নাতাশা নাম শুনেই নিশ্চয়ই নিশ্চিত হলেন একজন রাশিয়ান ললনা? ঠিক আছে কিন্তু ভাববেন না সে আমার জি এফ! সে ছিল আমার বন্ধু লিটনের গার্ল ফ্রেন্ড। লিটনের আবলুশের কাঠের মত গায়ের রঙ আর এথলেটিক ফিগার! এ মেয়েও তেমন ডাকাবুকো চেহারার। ওর পাশে আমাকে ল্যা্দা প্যাদা গুটি বয় লাগে। বয় কাট বিরল লাল চুলের মেয়ে - বয়স উনিশ কুড়ি। বিশাল বক্ষ দুলিয়ে চলে, কেউ আড়চে-তেড়চে তাকাল কিনা তাই নিয়ে ভ্রুক্ষেপ নেই। সবসময় ছটফট করে।
এই মেয়ে কি না দুনিয়ার সুপারসনিক গতির রান্নার উস্তাদ! তার সেই রান্নার সবগুলো রেসিপি আজ আমার মনে নেই তবে দু-য়েকটা পৃথিবীর সেরা রেসিপির তালিকায় অনায়াসে পড়তে পারে আমি নিশ্চিত!
রাশীয়ায় সারাবছর ক্যামনে কোন গতিকে তাজা থাকত এর এলেম আজ অব্দি আমি বের করতে পারিনি। সারা বছর আলু ঝকঝকে তকতকে চামড়া টান থাকত। কাটলেই যেন রস ঝড়ে পড়ে।
***
নাতাশার রেসিপি~১
নাতাশা প্রথমে আট দশটা আলু নেয়। সাথে তিন চারটে সেই গাবলু গুবলু আস্ত রসুন। এক ডেলা মাখন আর একটু লবন ও গোল মরিচ। প্রথমেই চুলা ধরিয়ে প্যান চড়িয়ে দেয়। সিঙ্কে সব আলু দিয়ে ট্যাপ ছেড়ে দিয়ে পিলের দিয়ে ঘ্যাচাঘ্যাচ ছুলতে থাকে। এক মিনিটেই সব আলু ছিলে ছিলে কড়াইতে মাখন দিয়ে সেই মাখনেই হাতে আলু রেখে সাটাসাট কেটে কড়াইতে ছাড়তে থাকে। আলু পুরোটা দেবার পরে গোটা রসুনের দু মাথা কেটে বড় একটা চামচের মাথা দিয়ে ছ্যাচা দিয়ে কি অদ্ভুত উপায়ে সব ছাল ছাড়িয়ে ফেলে একবারে। সব রশুনগুলো আলুর উপরে ছড়িয়ে গোল মরিচের গুড়ো আর লবন দিয়ে ঢেকে দেয়। পাক্কা আট দশ মিনিট 'মিড ফ্লেমে' ভাজার পরে দেখা যায় একপাশে একদম মচমচে হয়ে গেছে!
রান্না শেষ - কি চমৎকার স্বাদ আর ঘ্রান সেই আলুভাজার সাথে বান বা পাউরুটি আর কালো কফি দিয়ে খেতে খেতে আপনি অন্যভুবনে চলে যাবেন নিশ্চিত।
(বাঙ্গালীয়ানাঃ এর সাথে বান বা পাউরুটি শুধু, ভুলেও ভাত রুটি আর খিচুরি দিয়ে খাবেন না। ঝালের জন্য একটু লাচা মরিচ ফালি করে কিংবা চিলিফ্লেক্স ও ভাজা জিরার গুড়ো দিতে পারেন তবে মরিচের গুড়ো দিবেন না। আর একপাশে ভাজা হলে একবার উলটে দিয়ে রশুনের একপাশটা ভেজে নিতে পারেন তবে কোনভাবেই নাড়াচাড়া করবেন না।)
***
নাতাশা , সিভিয়েতা, অকসানা এমন কিছু কমন নাম রাশিয়ায় যে, দশজনের মেয়েদের একটা গ্রুপে আপনাকে নিশ্চিত দু'তিনজন করে একই নামের এমন মেয়ে পাবেন।
আমাদের মধ্যেও এমন কয়েকখানা পরিচিত নাতাশা ছিল। এই নাতাশাকে চিনিতাম 'লিটনা নাতাশা' নামে। কাকোই নাতাশা( কোন নাতাশা)
লিটনা নাতাশা( লিটনের নাতাশা)
***
নাতাশার সেরা রেসিপি

আস্ত একটা মুরগী নিয়ে ছুরির মাথা দিয়ে শরিরে বেশ কিছু আড়া আড়ি গর্ত করে তারপরে সেই গর্তে একটা করে রসুনের কোয়া পুরে দিল। একটু সি সল্ট (কিংবা রক সল্ট হলেও চলে যে কোন সাদা তেল অলিভ আর সুর্যমুখী হলে ভাল হয়) তেল তার সাথে গোল মরিচের গুড়া দিয়ে হালকা করে মুরগীর গায়ে প্রলেপ দিয়ে একটা কাচের জারের মধ্যে অর্ধের জার ভর্তি পানি নিল ( সব মিলিয়ে সময় লাগল দশ মিনিট)। তারপরে সেই মুরগীর পশ্চাৎদেশ ওই কাঁচের জারের মুখে ঠেসে বসিয়ে দিল। এর পর গ্যাস ওভেনে ৩০ মিনিট বেক কিংবা গ্রিল। ব্যাস হয়ে গেল!

*প্রায় তিন মাস শুধু ডিম খেয়ে বিস্বাদ হয়ে যাও জিভের জন্যেই কি না জানি না। এমন স্বসাদু মুরগী আর আমি কবে খেয়েছি মনে করতে পারি না। (এই রেসিপি আমি নিজে কখনো ট্রাই করিনি- নিজ দায়িত্বে করবেন :) )
***
রসুনের ফাঁকিবাজি সসটাও শিখেছিলাম তার কাছ থেকেই। বাসায় যদি কেউ চাপড়ি বা ধাপড়া বানিয়ে খান তো ট্রাই করে দেখতে পারেন এই সসটা দিয়ে। পিয়াজু, পাকোরা ,বড়ার কিংবা মমো'র সাথেও বেশ লাগে!
কয়েক কোয়া রসুন লবন দিয়ে ছেঁচে নিন তারপর একটু সরিষার তেল ( গন্ধ সহ্য না হলে অলিভ অয়েল বা সুর্যমুখীর তেল ভাল তবে সয়াবিন তেল ভুলেও দিবেন না) আর পানি দিয়ে গুলে নিন। একবার চেখে দেখুন- আগেই নাক সিঁটকাবেন না।
***
~আড়াইযুগ আগের তোলা আমার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে নাতাশার ছবি। তাম্বোভ থেকে চলে আসার পরে তার সাথে আর কোন যোগাযোগ হয়নি। দীর্ঘদেহী চঞ্চল এই মেয়েটা ঝট-পট রান্নায় দারুন পারঙ্গম ছিল! প্রায় মসলা ছাড়া কয়েক মুহুর্তের মধ্যে কিছু একটা খাবার রান্না করে তার দুর্দান্ত স্বাদে-গন্ধে কিভাবে মানুষকে চমকে দেয়া যায় সেটা সে-ই আমাকে শিখিয়েছিল। সেজন্য ওর কাছে আমি ভীষনভাবে ঋনী!

মন্তব্য ৮০ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৮০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৩:৫১

স্প্যানকড বলেছেন: বিশাল বক্ষ ! আমি উহা লিখলে কিন্তু এই গেল গেল রব উঠে যেতো । :) রাশিয়ান মেয়েদের আলাদা সৌন্দর্য্য আছে। লম্বা চওড়া হয় কিছুটা। একদিন ট্রাই করমুনে নাতাশা খানমের রেসিপি ! হা হা হা :) ভালো থাকবেন :)

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৩:৫৮

শেরজা তপন বলেছেন: আমিতো এমন অহরহ লিখি। কিছু বলার মত কথা তো বলতেই হবে- এত ন্যাকামি করার কোন মানে হয় না কচি পোলাপাইন ও ওইসব বুঝে।
আপনার মত করে আপনি লিখে যান- কে কি মনে করল না করলো তাতে আপনার কি! আপনার কাছে যেটা মনে হবে সহি- সঠিক লাইনে আছে সেটাই লিখবেন, ছবক দেয়ার লোকের অভাব নাই এই দুনিয়ায় :)

২| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৩:৫৫

মিরোরডডল বলেছেন:




good to see you :)
welcome back my friend!


০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:০২

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার ও আপনাদের ভালোবাসায় মুখ ফিরিয়ে আর বসে থাকতে পারলাম কই -ফিরে আসলাম ফের!
ব্লগ আর ব্লগাররা এক মায়ার জালে জড়িয়ে ফেলেছে এখান থেকে বের হয়ে যাওয়া বড় মুশকিল!
অভিমান কিংবা কষ্ট ভুলে আপনার ও ফিরে আসার জন্য রইল কৃতজ্ঞতা আর অফুরন্ত ভালোবাসা।
আবার জমবে মেলা- যে যাই বলুক তাতে কারকে আসে যায় :)

৩| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:০৮

মিরোরডডল বলেছেন:




আমার দুই রাশান বান্ধবির একটার নাম ছিলো Yekaterina, আর একজন ksenia।
ksenia মিক্সড ছিলো, হাফ রাশান আর হাফ চেক রিপাব্লিক।

এদের কারো হাতের রান্না খাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি কিন্তু ওরা দুজনেই আমার হাতের রান্না খেয়েছে।
ওদের জন্য রান্না করলে আমি ঝাল মসলা কম করে দিতাম, ওরা আমাদের মতো ঝাল খায়না।

দুজনেই অপূর্ব সুন্দরী!!

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:২৪

শেরজা তপন বলেছেন: রুশীয় সুন্দরীদের কথা মনে হইলে বুকে জ্বালা ধরে- আর কইয়েন না!
আপনি জানেন কিনা জানিনা ঝালের কিন্তু রাশিয়ান কোন প্রতিশব্দ নেই রাশিয়ানরা ঝাল জিনিসটাই ভালো করে বুঝাতে পারে না।
কেউ কেউ ঝাল কে বলে রুশ ভাষায় 'ওস্ত্রে' যার অর্থ হল ধারালো- কেউ কেউ বলে 'গোর্কি' যার অর্থ হল তিক্ত বা তিতা! তিক্ত কথা বলার জন্যই কিন্তু লেখক ম্যাক্সিমকে এই 'গোর্কি' উপাধি দেয়া হয়েছিল।
ভাবা যায় একটা ভাষায় ঝাল নামক কোন শব্দই নেই!!!

৪| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:০৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: মহিলার ছবিতে চোখ আটকে গেলো। অসাধারণ রূপবতী। কিছুটা বিষণ্ণও যেন। এখন কেমন আছে সে?

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:২৭

শেরজা তপন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই অনেকদিন পরে আপনাকে দেখতে পেলাম। সেদিন আপনার পোস্টটা দেখেছিলাম কিন্তু মন্তব্য করা হয়নি।
এদের ছবিটাই সম্বল আছে শুধু -রাশিয়ার মোটামুটি কারো সাথেই আর তেমন যোগাযোগ নেই। সব সুতার বন্ধন ছিড়ে গেছে বহু আগে! বিশেষ এক দুর্ঘটনায় সবার সাথে যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে গেছে!!

৫| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:২৩

মিরোরডডল বলেছেন:




নাতাশা দেখতে কিউট, তার রিসেপি দুটো মজারই মনে হলো।
কাঁচা রসুন কুচি হালকা তেলে ভেজে নিলে যে কোন রান্নাতেই খুব নাইস ঘ্রাণ হয়।

আমাদের ট্র্যাডিশনাল কাটা মশলা বিফ রান্নাতেও কিন্তু আমরা এভাবে অনেক আস্ত কাঁচা রসুন দেই।
মাথায় ঢুকে গেলো, নেক্সট কিছুদিনের মধ্যেই আবার ট্রাই করতে হবে :)

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:৩১

শেরজা তপন বলেছেন: পুরনো দিনের ছবি তারপরে রাশিয়ান সেই সময়কার প্রিন্ট- মানুষের চেহারা দেখে বোঝা যায় না! ৯০ দশকের শুরুতে রাশিয়ার কালার প্রিন্ট ছিল অনেকটা এক রঙের :)
রসুন আমার খুবই প্রিয় একটি খাবার আস্তে আস্তে রসুন বড় বড় আধা ছেঁচা আদা ও গোটা মসলা দিয়ে অল্পু স্টিমে দীর্ঘ সময় ধরে মাংস রান্নাটা বেশ মজার।
আপনি তো দুনিয়ার অর্ধেক লোকরে দাওয়াত করে খাওয়াচ্ছেন - আমাদের খাওয়াবেন কবে? আপনার হাতের চমৎকার রান্না মিস করছি মনে হয় :(

৬| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:৩৫

মিরোরডডল বলেছেন:




আমরা বেশি ঝাল খাই আর ওরা ঝালই বোঝে না, এভাবেই ব্যালান্স হয় আর কি :)

রাশান মেয়ে শুধু রূপে রূপসী তাই না, আমার স্বল্প অভিজ্ঞতায় মনে হয়েছে মানুষ ভালো, প্যাঁচ নেই, সহজ সরল।
শেরজাই ভালো বলতে পারবে, যেহেতু লং রানে ওখানে ছিলো, ওদের ক্লোজলি দেখেছে।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:২৪

শেরজা তপন বলেছেন: ওদের মত কম প্যাচ ঘোচের মেয়ে পুরা দুনিয়াতে নাই। সত্যিকারে ভালবাসা খুঁজতে গিয়ে বাল বার দক্ষিণ এশিয়দের কাছে ধোঁকা খেয়েছে! ওরা ভাবতো শরির দিয়ে ভালবাসা আদায় করা যআয় :) ওরা জানত না এরা ভালবাসে ঢঙ নখরামি আর শরম।

৭| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:৪৪

ডার্ক ম্যান বলেছেন: .
এই রাশিয়ান সুন্দরীর সাথে কারো কোন তুলনা হয় না

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:২৭

শেরজা তপন বলেছেন: ইউক্রেনের ললনারা আরো দুর্দান্ত রূপসী!
মনডা কি চায় :)

৮| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:৪৯

মিরোরডডল বলেছেন:




আপনি তো দুনিয়ার অর্ধেক লোকরে দাওয়াত করে খাওয়াচ্ছেন

হা হা হা ...... দাওয়াত না, মাঝে মাঝেই একটু একসাথে আড্ডা দেয়া।
নাহ অনেক মানুষ না, আমার হাতে গোনা মাত্র কয়টা ফ্রেন্ড, ওরাই ঘুরে ফিরে আমার গিনিপিগ হয় :)

গত পরশু রবিবারে ওদের জন্য করেছিলাম পোলাও, বিফ রেজালা, পিনাট চিকেন ব্রেস্ট ফিলেট, ডিমের কোরমা, গ্রিলড স্যামন, ষ্টার ফ্রাই ভেজিটেবল আর সালাদ। সাথে ছিলো আমার স্পেশাল ডেজার্ট আর চা :)

সত্যি শেরজা মিস করে গেলো!!!

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৩৫

শেরজা তপন বলেছেন: হায় হায় বিরাট মিস!! চিকেন অবশ্য এমনিতেই আমার পছন্দ নয়- তাই পিনাট চিকেন ফিলাটের স্বাদ কোন্দিন না পেলেও আফসোস নেই, কিন্তু রেজালা, গ্রীলড স্যামন, সব্জী আর সালাদের জন্য আফসোস রইল!

যাদের গিনিপিগ বানান তারা কি সেধে গিনিপিগ ঃ)- নাকি জোর করে ধরে এনে কিংবা আদর আহ্বলাদ করে গিনিপিগ বানাতে হয়? :)

৯| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৫:২৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: রান্না বান্না, খাওয়া দাওয়া নিয়ে আমার জ্ঞান শূন্যের কোঠায়। নাতাশা দেখতে সুন্দর। আপনি তাকে কোন বাঙ্গালী রান্না শিখিয়ে দিলে পারতেন।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৩৮

শেরজা তপন বলেছেন: কি বলেন সাচু ভাই- রান্না বান্না নিয়ে না হয় বুঝলাম কিন্তু খাওয়া দাওয়া নিয়েও আপনার জ্ঞান শুন্যের কোঠায়?????
সাহিত্যিকদের ভোজন বিলাসী হতেই হবে- খাবারের রুঊপ রস স্বাদ ঘ্রানে মনোরঞ্জিত না হলে কলমের ডগায় নিরস গদ্য বের হবে শুধু। সরস সাহিত্যিকদের খাবারের রসে বশ হয়ে মাতাল হতে হবে।

১০| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৫:৩৪

মিরোরডডল বলেছেন:




সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: রান্না বান্না, খাওয়া দাওয়া নিয়ে আমার জ্ঞান শূন্যের কোঠায়।

সকল ক্রেডিট সাচির জন্য, কারণ সেই সব ম্যানেজ করে বলে সাচুকে কিছু জানতে হয়নি :)

তবে অল্প স্বল্প রান্না জানা এবং প্রিয়জনকে করে খাওয়ানোর মাঝে অনেক মজা আছে।

সাচু একদিন ছেলে মেয়েকে সাথে নিয়ে সাচির জন্য রান্না করে তাকে সারপ্রাইজ দিবে।


০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৪১

শেরজা তপন বলেছেন: উনি দেখেন খাবার নিয়ে ঠিকই ব্যাপক ক্যাঁচাল পাকান- শুধু ভাবির সাথে পেরে ওঠেন না।
বিড়াল মারার রাতেই ভাল ক্যাচানী খেয়েছেন- ওই যে খাটের কোনায় গুতো খেয়ে অজ্ঞান হবার দশা তার আর গিন্নী হেসেই অস্থির!
বিশেষ আবদার টাব্দার করে পাত্তা পায় না তাই মনের দুঃখে কয় তার জ্ঞান শুন্যের কোঠায় :)

১১| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৫:৪৮

জুন বলেছেন: শেরজা আর মিররের ফিরে আসা উপলক্ষে হয়ে যাক এক ভুরি ভোজের আয়োজন। যা খেয়ে আমরা সবাই সেই পুরনো ছড়াটিই বলবো :-

আমিও ছিলাম বটে
মধু তুলেছি ঠোঁটে
দেখেছি গোপে চেটে
যায়নি কিছুই পেটে =p~

অনেক অনেক ভালো লাগলো এই প্রত্যাবর্তন। আপনারা দুজন আবার ব্লগটাকে মাতিয়ে তুলবেন আগের মত হৈ হৈ করে আড্ডা আর গল্পে যাতে আমরাও সামিল হবো সুযোগ পেলেই ;)

কিন্ত নির্রবহ পাগলটা গেল কই? দুশ্চিন্তা হয়। বয়স কম। সেও সব ভুলে ফিরে আসুক।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৪৩

শেরজা তপন বলেছেন: আপনিও নিয়ে আসেন কিছু আমরা গল্প জমাই!
জীবনে যা-ই করেন না কেন -বাঁকা কথা দু'চারজন বলবেই।
আপনার রান্নার গল্প না শুনে ছাড়ছি না, আপনি যে ভাল রান্না করেন সেটা আমরা নিশ্চিত!
আমরা দু'জনে কেন মাতাব শুধু- সবাই মিলেই মাতাব, মেতে থাকব মাতালের মত যতক্ষন নেশা থাকে।

১২| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৫:৫৪

মিরোরডডল বলেছেন:



জুনাপু আমিতো কখনও যাইনি। বুকের ভিতর কষ্ট ছিলো, তাই দুই তিনদিন দূরে ছিলাম।
তারপরও তোমাদের এতো ভালোবাসা আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে!

আমি যদি থাকি সে লজ্জায় ফিরতে পারবে না, তাই আমি সুন একটু বিরতিতে যাবো যেনো সে ফিরে আসতে পারে :)
আর কয়টা দিন থেকে যাই, যতটুকু জ্বালানো যায় আর কি তোমাদেরকে!

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৪৭

শেরজা তপন বলেছেন: নাহ্‌ ও মনে হয় সহজে ফিরবে না। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই না সে খুব দ্রুত ফিরে আসুক।
বয়স কম হলেও সে অনেক বেশি পরিপক্ক। যা করেছে সেটা একেবারে অবুঝভাবে করেনি। একটু শাস্তিতো তার পাওনা আছে।
ব্লগে সবচেয়ে হুলস্থুল আড্ডাবাজিটা তার জন্য ভেঙ্গেই গিয়েছিল প্রায়।
আপনার মত আপনি থাকুন- অত আদিখ্যেতা দেখাতে হবে না। যার যখন ডাক আসবে এমনিতেই চলে যাব।

১৩| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:০২

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাহ ফিরলেনতো ধামাকা রেসিপি নিয়ে। নাতাশাকে খুব ভাল লাগল। ফেসবুকে খুজে পানিনি তাকে ?

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৫০

শেরজা তপন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সুপ্রিয় ভ্রাতা!
আমি পুরনো পরিচিত একজন বাদে কাউকে আর ফেসবুকে খুঁজে পাইনি। ওদের সবার সাথে যখন শেষ দেখা হয় তখন ল্যান্ড লাইনের যুগ, নেট আসেনি। পুরনো ঠিকানাগুলোও হারিয়ে ফেলেছি। :(

১৪| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৪৬

মিরোরডডল বলেছেন:





লেখক বলেছেন: ওদের মত কম প্যাচ ঘোচের মেয়ে পুরা দুনিয়াতে নাই।

শেরজার কখনও মনে হয়না এরকম একজন লাইফ পার্টনার হলে জীবন কত শান্তিময় হতো :)

সত্যিকারে ভালবাসা খুঁজতে গিয়ে বাল বার দক্ষিণ এশিয়দের কাছে ধোঁকা খেয়েছে!

যে সত্যিকারের ভালোবাসা খোঁজে, সেই সত্যিকারের ভালোবাসতে পারে।

ওরা ভাবতো শরির দিয়ে ভালবাসা আদায় করা যআয় :)

এটাই সরলতার পাশাপাশি তাদের চরম বোকামি।


০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৫৮

শেরজা তপন বলেছেন: না না ওইরকম কখনো ভাবিনি। আমাদের মত প্যাচালো মানুষের সাথে প্যাচালো জুটিই দরকার। তাহলে ব্যালেন্স হয়!
অনেকেই তো রাশিয়ায় কত সন্দরী আর চমৎকার মনের মেয়েদের বিয়ে করল। কিন্তু টিকেছে খুব কম।
শেষ্মেষ বাঙ্গালী মেয়েতেই বেজায় সুখী সবাই- কয়েকজনতো গিট্টু লেগে হাঁসফাঁস করছে! আমার এক বন্ধু বলে; তার বউ নাকি টেলিফোনে ওপার থেকে মদের গন্ধ পায় :)
তারপরেও সুবাই বেজায় সুখী।
আমারা বাঙ্গালীরা জাতি হিসেবে ভাল নই।

এটাই সরলতার পাশাপাশি তাদের চরম বোকামি।
হ্যাঁ মেয়েরা শরির নিয়ে যত বেশী ঢং করবে পুরুষদের কাছে তত বেশী মুল্যায়িত হবে।

১৫| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:০৭

মিরোরডডল বলেছেন:




বিষয়টা ঢং না কিন্তু যে কোন কিছু খুব সহজলভ্য হয়ে গেলে গ্রহণযোগ্যতা কমে যায়, নারী পুরুষ সকলের ক্ষেত্রেই হতে পারে।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:১৯

শেরজা তপন বলেছেন: ছেলেদের কথা আর কইয়েন না- এরা নিজেদের ব্যাপারে এই জিনিসটা বোঝেই না!
মেয়েদের কি কি করা উচিৎ সেই নিয়ে আলোচনার ঝড় তুলে ধোঁয়া উঠায় ফেলে, লাখ লাখ পাতা কাব্য সাহিত্য রচনা করে কিন্তু নিজেদের ব্যাপারে বোঝে না।

১৬| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:২৬

মিরোরডডল বলেছেন:




লেখক বলেছেন: হায় হায় বিরাট মিস!! চিকেন অবশ্য এমনিতেই আমার পছন্দ নয়- তাই পিনাট চিকেন ফিলাটের স্বাদ কোন্দিন না পেলেও আফসোস নেই, কিন্তু রেজালা, গ্রীলড স্যামন, সব্জী আর সালাদের জন্য আফসোস রইল!

নরমালি কারি চিকেন ওটা আমারও করা হয়না। চিকেন যদি করি, তবে সেটা অবশ্যই ফিলেট।
সেদিনেরটা হানি সাওয়ার চিকেন যেভাবে করে সেরকম করেছিলাম, কিন্তু পিনাট বাটার দিয়ে। মজা হয়েছিলো।

যাদের গিনিপিগ বানান তারা কি সেধে গিনিপিগ ঃ)- নাকি জোর করে ধরে এনে কিংবা আদর আহ্বলাদ করে গিনিপিগ বানাতে হয়? :)

আসলে এরাই আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু। আমার রান্না তাদের সবার অনেক প্রিয়। আবার আমিও তাদের ওপর যত ধরণের এক্সপেরিমেন্ট সেগুলো করি। তারা আমার গিনিপিগ হতে ভালোবাসে :)

আমিও যেমন ওদেরকে অনেক আদর করি, ওরাও ভীষণভাবে আমার আদর পাগল :)
They love me a lot.
এই আর কি।

once again, thanks for coming back.
ভালো থাকবে শেরজা।
গুড নাইট!

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ৮:১৩

শেরজা তপন বলেছেন: কত দেশের গিনিপিগ আছে সব মিলিয়ে?
যারা ভাল রাধুনী তাদের সব রান্নার মধ্যেই কিছু নতুনত্ব থাকে।
আমি মোটেও জাত শেফ নই তবে মাঝে মধ্যে যখন কিছু রান্না করি, কেউ খেয়ে তারিফ করলে আমি বলি ভুলেও যেন এই খাবার আর দ্বিতীয়বার না খেতে চায়; কেননা রান্না শেষ করতে করতেই আমি রেসিপি ভুলে যাই :)


আপনাকেও অনেকদিন বাদে আপনার মত করে পেলাম। সবকিছু আগের মত হয়ে উঠুক।
আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে। কথা হবে ফের।

১৭| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৪৯

করুণাধারা বলেছেন: আস্ত মুরগির মাংস চিরে ভিতরে রসুন দিয়ে রান্নায় একটা রেসিপি সিদ্দিকা কবীরের বইয়ে দেখেছিলাম। উনিও নাতাশার থেকে শিখেছিলেন কিনা কে জানে!!

আমার মনে হয় রাশিয়ানরা রসুন খেতে খুব পছন্দ করে আমার একজন রাশান প্রতিবেশী আছেন, উনি অনেক ভাবে রসুন খান। আমি সালাদে শুধু পেঁয়াজ কাঁচামরিচ দিতাম। উনার থেকে শিখলাম বেশি করে রসুন দেয়া।

আপনার পোস্ট দেখে মন্তব্য করতে লগইন করলাম। ওয়েলকাম ব্যাক!

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ৮:১৯

শেরজা তপন বলেছেন: ওইটাও কি গ্যাস ওভেনে পানির বয়ামে দিয়ে বেক করে?
সিদ্দিকা কবির ছিলেন বাংলাদেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা রাধুনী গুরু! বিশ্বের অনেক ধরনের রান্নায় তিনি সিদ্ধহস্ত ছিলেন।
এমন ডাইহার্ট রাধুনীশিল্পি এইদেশে আর আসার সম্ভাবনা কম।

হ্যাঁ রাশিয়ানরা প্রচুর রসুন খায়। রসুন যে কত স্বাদের খাবার সেটা আমি বেশি শিখেছি রাশিয়ানদের কাছ থেকে তারপরে জাপানিজদের থেকে। বাঙ্গালী আস্ত রসুন খেতে জানে না- এরা শুধু বেটে মশলা বানায়।
আপনাকে দেখে ভাল লাগল- গতকাল শিক্ষা নিয়ে আপনার আর শায়মা আপুর আলোচনাটা জমে উঠেছিল বেশ।

*আগের পোস্টের মন্তব্যের একটু দেরিতে উত্তর দিয়েছি।

১৮| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ৯:৫৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনি ঝটপট রান্না করলে এমন ব্লগে তো দাওয়াত রাখতে পারেন।
নাতাশা কে দেখতে ভালো লাগলো।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৪৭

শেরজা তপন বলেছেন: আপনি মে ভাল রাঁধুনি সেটা আমি নিশ্চিত - আপনার হাতের রান্নাটা আগে চেখে দেখতে হবে না হলে ইজ্জত হারানোর ভয় আছে:)
ভালো লাগলো আপনাকে পেয়ে - ধন্যবাদ।

১৯| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:০৭

কামাল১৮ বলেছেন: এটা কি সেই লিটন যার ফ্লাট আছে।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৫০

শেরজা তপন বলেছেন: সেটাতো ফারুকীর ব্যাচেলরের লিটন- আমরাও অবশ্য ব্যাচেলর ছিলাম তবে কারো ফ্লাট ছিল না :)

২০| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৩০

বিজন রয় বলেছেন: খেয়েছিলুম বটে! স্বাদ লাগলো ঠোঁটে!!

পড়লুম বটে!!!

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৫২

শেরজা তপন বলেছেন: ধন্যবাদ বিজনদা - ব্লগে আপনাকে নিয়মিত পেয়ে ভালো লাগছে। এই খাবারগুলো সুযোগ পেলে একবার চেখে দেখবেন

২১| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৫৪

আফলাতুন হায়দার চৌধুরী বলেছেন: স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংকের মজার গল্পের পর শে.ত. ভাইর লেখা খুজছিলাম। আজ পেলাম, মাশা আল্লাহ্‌। রেসিপিসমেত রাশিয়ার গল্প দারুন উপভোগ করলাম। রাশান রেসিপি কখনো ট্রাই করেছি মনে পড়েনা। তবে ক্লেব (khleb রাশান লোফ) খেয়ে আমি মুগ্ধ না হলেও সন্তুষ্ট। ওদের সাথে বসে একদিন ক্লেব+ভদকা লাঞ্চও করেছিলাম।

একবার (আমার জাহাজে) রাশান এজেন্সী স্টাফকে জনি ওয়াকারের ব্ল্যাক লেবেল দিলাম। শরবতের মত কোঁৎ কোঁৎ করে গিলে ঠুশ্ করে গ্লাস রাখলো, ভাবলাম আরো চাইছে। ঢালতে গেলে বলে, "নিঁয়েৎ, মিনারেল ওয়াতার্।"
আমি আকাশ থেকে পড়ি, স্কচ হুইস্কি ওর কাছে মিনারেল ওয়াটার? তার সোয়াদ লাগলো না, সে তখন রাশান অথেনটিক ভদকার কিচ্ছা কইলো। মানলাম আমি রাশান না, কিন্তু হুইস্কি সাথে রাশান ভদকা মিনারেল ওয়াটার এটা মানতে পারলাম না।

পরেরবার ওর অফিসে গিয়ে বললাম, "কই, তোমার রাশান ভদকা দাও, দেখি তোমাদের নিউক্লীয়ার ড্রিংক।"
একটা চ্যাপ্টা গ্লাসে ভদকা ঢাললো। বোতলে লেবেল নাই কিন্তু সেখানে এনগ্রেভ করে কিছু একটা লেখা। এদিকে পুরা রুম ভদকার বোঁটকা গন্ধে ভরে গেছে আর আমার মাথার আলুথালু অবস্থা। তাকিয়ে আছি দেখে ইশারা করলো, মান ইজ্জতের ব্যাপার। কোন কিছু না ভেবে পুরোটা গলায় ঢেলে আমিও ঠুশ্ করে গ্লাস রাখলাম। সে আবার ঢালতে গেলে আমি তাড়াতাড়ি বললাম, "নিঁয়েৎ! ফ্‌ফ্‌ফ্‌ফান্টা!!!"

আমার মুখ পুড়ে যাচ্ছিলো যেন। চোখ গরম হয়ে গেছে আর নাক দিয়ে উত্তপ্ত বাতাস বের হচ্ছে। গলা থেকে পেট, পেট থেকে সামনে পেছনে এখানে ওখানে চিকন চিকন যন্ত্রনার ধারা প্রবাহিত হচ্ছে। প্রানপনে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করছি। এভাবে গাল ভর্তি ভদকা মুখে পোরা উচিত হয় নি। যা হবার হয়ে গেছে।

সে একবার গ্লাসের দিকে চায়, একবার বোতলের দিকে, আরেকবার আমার দিকে চায়। বলে, ডু ইউ ফিংক যিস ইয ফান তা? (Do you think this is Fanta?)

এদিকে আমার বুক, পেট. . . সামনে পেছনে এখানে ওখানে এমন জ্বুলুনি শুরু হয়েছে। শরমের চেয়েও চরম অবস্থা।

অবশ্য কিছুক্ষনের মধ্যে জ্বুলুনি কেটে যায়।

মনে পড়েছে, ওর নাম ভোলকভ (ভ্লাদিমির ভোলকভ, লোকাল এজেন্ট)। ওর সাথে বের হয়েছিলাম, সিটি সেন্টার ঘুরে বেড়িয়ে এলাম। বাইরে টেম্পারেচার বেশী না, মাত্র মাইনাস পঁচিশ ডিগ্রী সেলসিয়াস। মাইনাস টেম্পারেচারে সাধারনতঃ কানটুপি পরি, নাইলে কান ব্যাথা করে। সেদিন কেন জানি করেনি। গলার মাফলারটাকেও বোঝা মনে হচ্ছিলো। পোর্টের নামও মনে পড়েছে। ভ্লাদিভোস্তক, ওয়েষ্টার্ণ প্যাসিফিক কোষ্ট।

আপনার পোষ্ট টি বেশ লেগেছে। ভালো থাকবেন।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সকাল ৮:৫১

শেরজা তপন বলেছেন: আমি এই লেখাটা না লিখলে আপনার এই দারুন অভিজ্ঞতার গল্প হয়তো শোনা হোত না।
ও আপনাকে ভদকা বলে যেটা খাইয়েছে সেটা সম্ভবত রাশিয়ান 'সামাগন'! সামাগন হল রাশিয়ান সবচাইতে কড়া মদ! শুধু পাঁড় মাতালরাই এই জিনিস খেতে পারে। এর এলকোহল ৭০-৮৫ ভাগ!!
ভদকা আর হুইস্কির এলকোহলের অংশের খুব বেশি পার্থক্য নেই। রাশিয়ান অরিজিনাল ভদকা 'স্তালিচনাইয়া' আর 'মস্কোভস্কাইয়া'! এগুলোকে বলতাম আমরা কেরোসিন তেল- বেশ দুর্গন্ধ!
এসব ফালতু জিনিস খাওয়ার কোন মানে হয় না। অযথাই অনেকে এইসব নিয়ে আদিখ্যেতা করে -ভাল মানের ভদকা মুলত ফিনিশিয়রা তৈরি করে।
আমি যেদিন প্রথম মস্কো গিয়েছিলাম সেদিন ছিল ওদের পয়তাল্লিশ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ঠান্ডা দিন! ভাবেন কি অবস্থা!!
আবহাওয়া ভাল থাকলে -৫ আর -২৫ এর পার্থক্য বোঝা যায় কম! আমি রাশিয়াতে কোনদিনও কানটুপি পড়িনি। সে কারনে হয়তো হয়তো আমার বিশেষ একটা মাথাব্যাথার রোগ সেরে গেছে চিরতরে।
আপনার মিরিন্ডা(!) খেয়ে ভয়ানক কষ্টের কথা শুনে হাসলাম।

২২| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৫৪

বিজন রয় বলেছেন: এই খাবারগুলো সুযোগ পেলে একবার চেখে দেখবেন............. পাবো কোথায় বলে দেন।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সকাল ৮:৫২

শেরজা তপন বলেছেন: প্রথম আলু ভাজাটা বাসায় ট্রাই করেন। দশ মিনিটের ব্যাপার! আলু রশুন একটু মাখন আর গোল মরিচ হলেই চলে ( তবে লবন দিতে ভুলবেন না)।

২৩| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:০০

আফলাতুন হায়দার চৌধুরী বলেছেন: :
পূনশ্চঃ ভাইজান, আমি এ্যালকহল খাই না। হাতের কাছে দুনিয়ার আইটেম আসতো আর স্বাদ বোঝার চেষ্টা করতাম এই যা।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সকাল ৮:৫৪

শেরজা তপন বলেছেন: এসব নির্দোষ ড্রাগ -চেখে দেখতে দোষ কি! এতটুকু অভিজ্ঞতা না নিয়ে শুধু আফসোস নিয়ে মরে যাবার কোন মানে হয় না।

২৪| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১২:০৭

কাছের-মানুষ বলেছেন: নাতাশার রেসিপিটি আমার ভাল লেগেছে, শটকার্ট, খেতে খারাপ হবার কথা নয়! মেয়েটি দেখতে সুন্দর, তার বর্তমান অবস্থা জানতে পারলে ভাল লাগত!

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সকাল ৮:৫৭

শেরজা তপন বলেছেন: আপনি তো রান্নায় সেইরকম এক্সপার্ট!
নাতাশার রান্নায় পুরুষীয় স্টাইল ছিল- এমন উড়াধুরা রাধুনী নারী জাতিতে বিরল।
ধন্যবাদ ভ্রাতা।

২৫| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ ভোর ৪:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



নাতাশার রেসেপি সাথে রসুনের অভিনব প্রয়োগে রান্না বেশ চমকপ্রদ ও উপজিব্য বটে ।
এ সাথে মিরোরডডল এর স্বাচ্ছন্দ বিচরনে ব্লগবাড়িটি সরগরম হতে দেখে ভাল লাগল ।
এ উপলক্ষ্যে জুন এর প্রস্তবটি স্মরণে রেখে যতটুকু পারা যায় ততটুকু নাতাশা রেপিসি
আনুসরন করে সাথে বাঙ্গালিয়ানার ছাপ রেখে ভুরি ভোজের তরে এই শেরজা তপনের
ব্লগবাড়ীতেই একটি পরিবেসনা উপস্থাপন করা হল ।এতে রইল সকলের সাদর আমন্ত্রন।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সকাল ৯:০৫

শেরজা তপন বলেছেন: হ্যাঁ মিরোর আপুকে আমিও এই রূপে দেখতে চাচ্ছিলাম!
কিছুদিনের জন্য বিরতি নেবার ইচ্ছে নিয়ে ব্লগিং বন্ধ রাখলেও তার ডাক উপেক্ষা করতে পারিনি। তাই তিনি এর প্রতিদান দিয়েছেন।
রাশীয়ায় আমি সবচেয়ে মিস করি 'সলোনাইয়া আগুরসি আর পামেদোর' আর হরেক রকমের সসেজ, সালামি ( ঘোড়ার মাংসের সালামিটা ছিল আমার সবচেয়ে প্রিয়) ও কিমা মাংসের পদ। কত সল্প সময়ে অল্প মশলা দিয়ে স্বুসাদু পদ রান্না করা যায় সেটা শিখেছি তাদের কাছ থেকেই।
কেন যেন 'সোক' ( শুকনো ফল সিদ্ধ করে তার জারক) আর কোথাও খাওয়া হয়নি।
আপনার উপস্থাপনা দারুন শুধু ওই ক্যাভিয়ার বাদে, ওটা আর জাপানিজ সুশি আজ পর্যন্ত সহ্য করতে পারলাম না।
আন্তরিকতা ও ভালবাসার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

২৬| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সকাল ৮:২০

সোহানী বলেছেন: আপনার লিখার গুনে শুধু রসুন দিয়ে সিদ্ধ করা মুরগি রান্নাও ভালোভাবে উৎরে যাবে .............হাহাহাহা

ওয়েলকাম ব্যাক। ব্লগের প্রাণভোমরারা না থাকলে কিভাবে চলবে!!!!!!

আমার সবচেয়ে ক্লোজ বান্ধবী রাশিয়ান। ও কিন্তু ভালোই রান্না করে। কিন্তু আমাদের ঝাল তেল রান্নাও সে দারুন উপভোগ করে। বাসায় এসে যদি দেখে ঝাল মুরগি রান্না করেছি তাহলে বলবে আমাকে বক্স করে দাও...............।

রাশিয়ান দোলমা খেয়েছেন কি? আঙ্গুরের পাতা দিয়ে গ্রাউন্ড মিট দিয়ে মুড়ে ভাপে রান্না করে। দারুন খেতে। তবে আমার বান্ধবী সালাদ বিশেষজ্ঞ ছিল। কয়েক শত রকমের সালাদ আমি ওর কাছ থেকে শিখেছি।

গত নিউইয়ারে ওর বাসার পার্টিতে ওর রান্না.........
[
img|https://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/belablog/belablog-1701828957-0f39429_xlarge.jpg]

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সকাল ৯:১৪

শেরজা তপন বলেছেন: দোলমাটা খাওয়া হয়নি কখনো। মেয়েটা মনে হয় মলদোভিয়ার আশেপাশের হবে। কারন আঙ্গুরপাতা রাশিয়ায় দেখিনি কখনো। আঙ্গুরের চাষ ওদিকটায় হয়।
রাশিয়ানরা একবার বাঙ্গালী খাবারের স্বাদ সহ্য করতে পারলে অন্য কোন খাবার খেতে চায়না। আজন্ম একেবারে সাদামাটা মশলাবিহীন খাবার খাওয়ার জন্য ওদের জিভে স্বাদ থেকে পুরোপুরি। আমাদের স্বাদশক্তি ভোতা হয়ে যায় বেশি মশলাযুক্ত খাবারের জন্য। সে কারনে আমাদের খাইয়ে অন্য কোন জাতি খুব কম ক্ষেত্রেই বাহবা পায় :)
এইসব রেসিপি কি আপনার ওখানেই হয়েছে? অপ্রতুল টাটকা সব্জী্র জন্য রাশান সালাদের ভিন্নতা কম। ঘুরে ফিরে শশা টম্যাটো বিট সালামি আলু ডিম ক্যাপ্সিকাম এইসব দিয়ে হয়( তাও সামারে- শীতের শুধু লবনে জারানো তিন চারটে সব্জী) - পাতা জাতীয় কোন সব্জী ওদের খেতে দেখিনি। এখন অবশ্য পাল্টে গেছে সব।

আপনার চমৎকার সব রান্নার রেসিপি শেয়ার ও আন্তরিক মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা ও ভালবাসা।

২৭| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সকাল ৯:২৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
যাক আপনার প্রয়োজনের সময় রুশ সুন্দরী হাজির হয়ে আপনাকে কিছু শিখিয়েছে এবং খায়িয়েছে। ইদানিং দেশে অনেকে আস্ত রসুন দিয়ে গরুর মাংস রান্না করে । রসুন বেশ উপকারী। ঠান্ডায় বা শীতে সরিষা তেলের সাথে রসুন ছেচে গরম করে শরীরে মাখালে বেশ উপকার পাওয়া যায়। ++++

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১:১৩

শেরজা তপন বলেছেন: জ্বী ভাই ,রসুন দারুন উপকারি ও স্বুসাদু উপাদেয়একটা খাবার। যদি রসুন রান্নার রেসিপি জানা থাকে তবে কত ভিন্ন উপায়েই না রসুন খাওয়া যায়। রসুনের আচারও চমৎকার একটা পরিপুরক ডিস। জাপানিজরা রশুন শুকিয়ে দারুন একতা খাবার বানায়।
অনেক ধন্যবাদ আপনার উদবুদ্ধকরন মন্তব্যের জন্য। ভাল থাকুন।

২৮| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১২:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: নাতাশাকে আমি চিনি।
এই নাতাশা অনলাইনে আমার কন্যাকে ফ্রেঞ্চ ভাষা শেখায়।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১:১৫

শেরজা তপন বলেছেন: রাশিয়ায় কয়েক লাখ নাতাশা নামের মেয়ে আছে :)
এই নাতাশাই যদি হয়ে থাকেতো যোগাযোগের নম্বরটা একটু দিয়ে

২৯| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:১৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: @ মিরোরডডল - আমার বউয়েরই সব ক্রেডিট কথাটা সত্যি। এগুলি নিয়ে আমাকে ভাবতে হয় না। :)

আমার খুব শখ রান্না শেখার। কিন্ত বিভিন্ন কারণে হয়ে ওঠেনি। আমার বউয়ের করোনা হয়েছিল ২০২১ সালে। করোনার সময় বিপদে পড়ে স্ত্রী এবং সন্তানের জন্য রাঁধতে হয়েছিল জীবন বাঁচানোর জন্য। বাচ্চারা আমাকে সাহায্য করেছিল হেল্পার হিসাবে। আমার বউ আমার হাতের অখাদ্য খেয়ে খুব মজা পেয়েছিল। মিষ্টি কুমড়া আর ডাল নাকি ভালো হয়েছিল। এখনও মাঝে মাঝে বলে। তবে আমি পুডিং বানাতে পারি। :)

@ শেরজা ভাই - ভাবিদের সাথে কেউই পেড়ে ওঠেনা। আর্মির জেনারেল থেকে শুরু করে কড়া শিক্ষককে দেখেছি যে বউকে ভয় পায়। আপনিও ভয় পান কিন্তু স্বীকার করতে চান না। :) আমার বউ আগে এতো কড়া ছিল না কিন্তু ইদানিং বেশী কড়া হয়ে গেছে।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১:১৯

শেরজা তপন বলেছেন: @ শেরজা ভাই - ভাবিদের সাথে কেউই পেড়ে ওঠেনা। আর্মির জেনারেল থেকে শুরু করে কড়া শিক্ষককে দেখেছি যে বউকে ভয় পায়। আপনিও ভয় পান কিন্তু স্বীকার করতে চান না। :) আমার বউ আগে এতো কড়া ছিল না কিন্তু ইদানিং বেশী কড়া হয়ে গেছে।
হ ঠিক কইছেন। সবাই জান প্রান দিয়ে চেষতা করে বউরে বশ মানানোর জন্য কিন্তু দিন শেষে সবাই ফেল মারে। বিশ্বের সব পুরুষদেরই বুকের মধ্যে বউদের নিয়ে এক রাশ ক্ষোভ কষ্ট হতাশা পুঞ্জিভুত হয়ে থাকে- কিন্তু কেউ বউ ছাড়া থাকতে পারে ন :)

৩০| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৫১

মিরোরডডল বলেছেন:




হ্যাঁ সাচু, করোনার সময়ের ঘটনা মনে আছে, সাচু তখন সব করেছিলো।
বিপদের সময় করতে পারাটাও অনেক কিছু।

তবে আমি পুডিং বানাতে পারি। :)

পুডিং আমার অনেক প্রিয় কিন্তু এই খাবারটা দুইবার বানাবার ট্রাই করেছি।
ফার্স্ট টাইম absolute disaster, সেকেন্ড টাইম মোটামুটি, তাই আর কখনও ট্রাই করিনি।

খুব বেশি ইচ্ছে করলে সাচু বানিয়ে খাওয়াবে, কেমন? :)

আমার বউ আগে এতো কড়া ছিল না কিন্তু ইদানিং বেশী কড়া হয়ে গেছে।

হাজব্যান্ড ওয়াইফের সম্পর্ক হবে বেস্ট ফ্রেন্ডের মতো, শাসকের ভূমিকায় কেনো?

নিশ্চয়ই সাচু ইদানিং কোন অঘটন ঘটিয়েছে, সেটা আগে শুনি :)


০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১:২৬

শেরজা তপন বলেছেন: এমন করে আদরের ছলে ভালবাসার বান মেরে সব বউরা ঘাড়ে চড়ে মগজ চিবোয় :) হায়রে কত পুরুষের বুকে কত কষ্টই না লুকিয়ে আছে বউ নিয়ে :(
* সেইদিন একজন কইল পুরূষরা বিড়ি মদ খায় বেশী হার্ট এটাক আর স্ট্রোক না তাই বেশি হয় কিন্তু মেয়েদের স্ট্রক আর হার্ট এটাকের হার এত বেশি ক্যান?
আরেকজন হেসে কয়; ওরা যে সারাদিন পুরুষদের মগজ চিবোয়। ওই মগজেই তো কোলেস্টেরল বেশী থাকে :)

৩১| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:২৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: @ মিরোরডডল - আসলে আমি কোন অঘটন ঘটাইনি। তবে ব্লাড প্রেশার এবং কোলেস্টেরলের ওষুধ নিয়মিত অনেক সময় খাই না। এই কারণে সে মাঝে মাঝে রেগে যায়। আর এলারজি থাকা সত্ত্বেও এলারজি হওয়ার মত খাবার খাই এটাও তার একটা অভিযোগ। আমার অনেক প্রিয় খাবারে আমার এলারজি হয়। তাই না খেয়ে থাকতে পারি না। :) আমাকে নিয়ে বেশী চিন্তিত তাই রাগ করে। এই রাগের মধ্যে ভালোবাসা আছে, তাই কিছু বলি না। :) আর দূরে থাকে বলে টেনশন বেশী করে। সে আমাকে নিষেধ করে দূর থেকে। আমি মুখে বলি মানবো কিন্তু মানি না। জানতে পারলে বা ধরা পড়ে গেলে রেগে যায়।

৩২| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




ক্যাভিয়ার আমার কাছে খুব একটা খারাপ লাগেনা বরং বেশ উপাদেয় হিসাবে বিবেচিত হয় এবং এটিকে
গার্নিশ বা স্প্রেড হিসাবে পেলে খেতে ভালই লাগে । এটিকে পছন্দ করার আরো একটি কারণ হল একে
অনেক সময় ক্যাস্পিয়ান সাগর এবং কৃষ্ণ সাগরের বন্য স্টার্জন প্রজাতি বা অন্যান্য মাছ যেমন প্যাডেলফিশ,
স্যালমন, স্টিলহেড, ট্রাউট, লম্পফিশ, হোয়াইটফিশ বা কার্প হতে উপাদান নিয়ে তৈরী করা হয়ে থাকে, তবে
অবশ্যই সেটার স্বাদ নষ্ট না হওয়ার জন্য যদি মাদার অফ পার্ল ক্যাভিয়ার চামচে করে পরিবেশিত হয়ে থাকে ।
ছবি স্যালমন রো (বামে) এবং স্টার্জন ক্যাভিয়ার (ডানে)

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১:২১

শেরজা তপন বলেছেন: অনেক ধন্য চমৎকার কিছু অজানা তথ্য জানানোর জন্য।
তবে ক্যাভিয়ার দেখতে যতই সুন্দর হোক আমার কোনদিনই মুখে রুচবে না। ইলিশের ডিম ভাজার উপরে আর কি আছে বলুন।

৩৩| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সকাল ১১:১৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:



না খেলে বুঝবো কি করে!

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১:২২

শেরজা তপন বলেছেন: :) রেসিপিতো দেয়াই আছে- আজকেই ট্রাই হয়ে যাক ভাই

৩৪| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১:৩০

এইযেদুনিয়া বলেছেন: B:-/

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ২:২৯

শেরজা তপন বলেছেন: এই ভঙ্গীর অর্থ কি?

৩৫| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:২৩

মিরোরডডল বলেছেন:





শেরজা, শুধু দেখতে সুন্দর না, স্মোকড স্যামন আর ক্যাভিয়ার দিয়ে ফিঙ্গার ফুড খেতেও অত্যন্ত মজাদার এবং হেলথদি ফুড।
নেট থেকে নেয়া ছবি দিলাম।







০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৫৮

শেরজা তপন বলেছেন: আপনি ক্যাভিয়ারের যত গল্প করেন - ও জিনিস আমার মুখে আর রুচবে না :(

৩৬| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ৮:১০

মিরোরডডল বলেছেন:




একদিন শেরজাকে চেপে ধরে ঠেসে ঠুসে জোর করে খাওয়াবো :)

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৫২

শেরজা তপন বলেছেন: ওরে আল্লা এই কথা কইয়েন না- এই মাল আর সুসি অনেকবার চেষ্টা করেছি খেতে।
মাফ চাই!

৩৭| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:১৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: শেরজা তপন,




রাজ্যের মশলা না দিয়ে শুধু পিয়াজ-রোসন-কাঁচা মরিচ দিয়ে অল্প আঁচে মাংশ রান্নার স্বাদই আলাদা।
মধ্যে রোসন ঠেসে আপনার নাতাশার রান্না করা মুরগীর স্বাদ অমৃতের মতো হবে, এতে অবাক হবার কিছু নেই। সুন্দরী মেয়েরা নিজ হাতে মাটির হালুয়া বানালেও তরুন বয়েসে তাও মরনচাঁদের ক্ষীরের মতো মনে হবে! :P

লেখাও সেইরাম হয়েছেও , তেতুলের আচার খাওয়ার সময় টাকরায় টাক টাক শব্দ তোলার মতো...... :)

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:২২

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়ে ভাষা হারিয়ে হাসির দমকে ফুলে ফুলে উঠলাম!!!! :) :) :)

৩৮| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১২:০২

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: মুরগির রেসিপিটা চেষ্টা করা দরকার। কিন্তু পাছে মুরগিটাই না আবার নষ্ট হয়ে যায় এই ভয়ে সাহস হয় না।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সকাল ১০:৪০

শেরজা তপন বলেছেন: বড় ওভেন না থাকলে এই রেসিপি ট্রাই না করাই ভাল। এর থেকে আলু ভাজাটা ট্রাই করে দেখেন- ভরসা আসবে:)

৩৯| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৩:৩৭

প্রথম সারির নিরাপদ ব্লগার বলেছেন: আলু ভাজি করার চেষ্টায় আছি। সবকিছুই জোগাড় হয়েছে শুধু মাখনটা নাই। এরপরও সমস্যা ছিল না। আশেপাশে মাখনের ভাই বেরাদার গোছের কেউ থাকলে তাকে দিয়েই কাজ চালানো যেত। কপাল খারাপ, আমার ভয়ে মাখন তার ভাই বেরাদার সহ বাসা থেকে পালিয়েছে।
মাখন নামক প্রাণীটাকে ধরতে আর বাসা থেকে বের হতে ইচ্ছে করছে না।
আপনার আশেপাশে মাখন নামক কোন প্রাণী থাকলে তাকে পাঠায়ে দেন। পাঠাইতে বেশি সময় লাগার কথা না।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:৩৭

শেরজা তপন বলেছেন: মাখন না থাকলে আর কি করার তেল দিয়েই কাজ চালান :)
ভেবে নিবেন মাখন দিয়ে খাচ্ছেন! রান্না বান্নায় লবন ছাড়া অতি দরকারি বলে কোন উপযোগ নেই। হাতের কাছে যা থাকে তাই দিয়েই স্বুসাদু কিংবা বিস্বাদ একটা রেসিপি করা যায়।

৪০| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:৩৪

মিরোরডডল বলেছেন:




আহমেদ জী এস বলেছেন:সুন্দরী মেয়েরা নিজ হাতে মাটির হালুয়া বানালেও তরুন বয়েসে তাও মরনচাঁদের ক্ষীরের মতো মনে হবে! :P

জি এস মানেই এমন মজার মন্তব্য :)
মাটির হালুয়া!!!



০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:৩৯

শেরজা তপন বলেছেন: সুদর্শন পুরুষের কথা কেউ বলে না- শুধু সুন্দরী মেয়েদের কথা!!!

মাটির হালুয়া কি খাইতে মন চায়?

৪১| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:০৪

মিরোরডডল বলেছেন:




লেখক বলেছেন: সুদর্শন পুরুষের কথা কেউ বলে না- শুধু সুন্দরী মেয়েদের কথা!!!

তাইতো, এটা ঠিক না। তাদের ভুমিকাও অনেক।
এই যেমন লাস্ট উইক আমার এক নতুন কলিগ জয়েন করলো।
নিজেই এসে পরিচিত হয়ে গেলো।
জনমের হ্যান্ডসাম!
আর সে কি ভুবন ভুলানো হাসি।
অশান্ত মন আমার শান্ত হয়েছে তাকে দেখে, দিনটাও ভালো গেছে :)

মাটির হালুয়া কি খাইতে মন চায়?

সেটাইতো কথা!
জি এস যে বললো, প্রেমিকের কাছে নাকি সেই জিনিসও মরনচাঁদের ক্ষীরের মতো মনে হবে! :)
হায়রে প্রেম!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.