| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১৯২৩ সালে টোকিওতে ভূমিকম্পে প্রায় ১,৪০,০০০ এবং ২য় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমা- নাগাশাকি তে প্রায় ২,০০,০০০ লোক নিহত হওয়ার পরও একটি জাতি কিভাবে বিশ্বের ৩য় অর্থনৈতিক শক্তির দেশ হয় ? আরও অবাক হওয়ার মত বিষয় হল, জাপানের মোট আয়তনের প্রায় ৭৫ ভাগই ব্যবহার অযোগ্য, বাকী ২৫ ভাগের মধ্যে মাত্র ১০- ১২ ভাগ চাষযোগ্য জমি। উল্লেখযোগ্য কোন খনিজ সম্পদ নেই।জাপানের যা আছে তা আমাদের নেই, বিশ্বের বেশীর ভাগ দেশেরই নেই। ওদের আছে পরিশ্রমী ও দক্ষ জনশক্তি, সততা ও দেশপ্রেম। ১৯৬০ – ১৯৮০ পর্ন্ত উ সময়কে বলা হয় Japanese post-war economic miracle .
১৯৭১ সালে দেশের জন্য অবিস্মরণীয় অবদান রাখার প্রতিদান স্বরুপ “মুক্তিযোদ্ধা” কোটা চালু করা হয়েছে। খুবই ভাল কথা। দেশের জন্য অবদান রাখতে তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করা হয়েছে। ![]()
![]()
এর পাশাপাশি “রাজাকার/যুদ্ধাপরাধী” কোটা চালু করা যায় না?
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, সন্তানের সন্তান চাকুরীর ক্ষেত্রে “বিশেষ কোটা” সুবিধা পায় এর পাশাপাশি রাজাকার/যুদ্ধাপরাধীর সন্তান, সন্তানের সন্তানদের চাকুরী সুবিধা হতে বঞ্চিত করা হোক। ![]()
![]()
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, সন্তানের সন্তান তার পূর্ব পুরুষের অবদানের স্বীকৃতি পেলে রাজাকার/যুদ্ধাপরাধীর সন্তান, সন্তানের সন্তান কেন তার পূর্ব পুরুষের অবদানের স্বীকৃতি পাবে না??? ![]()
একই ভাবে চালু করা হোক দূর্ণীতিবাজ, ঋণ খেলাপী, চোরাকারবারীসহ অন্যান্য অপরাধী কোটা । ![]()
আপনি যদি বলেন, “দূর্ণীতিবাজ, ঋণ খেলাপী, চোরাকারবারীসহ অন্যান্য অপরাধী” এদের সন্তানরা কি অপরাধ করেছে। তাহলে আমি বলব যার বাবা ঐ সময় মুক্তি যুদ্ধে যায়নি বা যাওয়ার বয়স হয়নি সেই মেধাবী সন্তান কি অপরাধ করেছে ? যেখানে একই নিয়োগ পরীক্ষায় তার চেয়ে অনেক কম মেধাবীরা চাকুরী পেয়ে যাচ্ছে। ![]()
![]()
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে মে, ২০১৪ দুপুর ১:০৩
রাহাত লতিফ তৌসিফ বলেছেন: সহমত
মনে রাখতে হবে পিতার কর্মকাণ্ডের ফল সন্তানকে দেয়া উচিৎ নয়। সবাই যেন নিজ যোগ্যতা গুনেই অর্জন করে।