| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
(((কোরানিক এই চিকিৎসা বর্তমানে বিজ্ঞান কতটা
সমর্থন করে জানি না, কিন্তু বিশিষ্ট! আলেমগণ তা
বিশ্বাসের সাথেই প্রচার করছে। আপনাদের কারো
জানা থাকলে দয়া করে হেল্পান।)))
.
যথাসময়ে কাফেলা দীর্ঘ সফর শেষে
বাড়ীতে পৌঁছল এবং বড়ভাই ইয়াহূদা
ছুটে গিয়ে পিতাকে ইউসুফের
সুসংবাদ দিলেন। অতঃপর ইউসুফের
প্রদত্ত জামা পিতার মুখের উপরে
রাখলেন। আল্লাহর ইচ্ছায় সাথে
সাথে তাঁর দৃষ্টিশক্তি ফিরে এল।
খুশীতে উদ্বেলিত ও আনন্দে উৎফুল্ল
বৃদ্ধ পিতা বলে উঠলেন, ‘আমি কি
বলিনি যে, আল্লাহর নিকট থেকে
আমি যা জানি, তোমরা তা জানো
না’। অর্থাৎ ইউসুফ জীবিত আছে এবং
তার সাথে আমার সাক্ষাত হবে, এ
খবর আল্লাহ আমাকে আগেই
দিয়েছিলেন। বিষয়টির কুরআনী
বর্ণনা নিম্নরূপ:-
( অতঃপর যখন সুসংবাদ দাতা (ইয়াহূদা)
পৌঁছল, সে জামাটি তার (ইয়াকূবের)
চেহারার উপরে রাখল। অমনি সে
তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেল এবং
বলল, আমি কি তোমাদের বলিনি
যে, আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে যা
জানি, তোমরা তা জানো না’?
(ইউসুফ ১২/৯৬))
.
ঘামের গন্ধে দৃষ্টিশক্তি ফেরা
সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক তথ্য :-
ইউসুফ (আঃ)-এর ব্যবহৃত জামা প্রেরণ ও
তা মুখের উপরে রাখার মাধ্যমে
দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এ
বিষয়টির উপর বর্তমানে গবেষণা
হয়েছে এবং দেখানো হয়েছে যে,
মানবদেহের ঘামের মধ্যে এমন
উপাদান আছে যার প্রতিক্রিয়ায়
দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসা সম্ভব। উক্ত
গবেষণার মূল সূত্র ছিল ইউসুফ (আঃ)-এর
ব্যবহৃত জামা মুখের উপরে রাখার
মাধ্যমে ইয়াকূব (আঃ)-এর দৃষ্টিশক্তি
ফিরে পাওয়ার কুরআনী বর্ণনা।
©somewhere in net ltd.