| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজ পরছিলাম বাঘের সামনে,শেষে
বাঘ দেখি কাঁঠাল পাতা
চাবাইতে চাবাইতে চলে গেল। ঘাম
দিয়ে জ্বর ছাড়লো।
বিস্তারিত বলতেই হয় আপনাদের।
আজ রাস্তায় হঠাৎ পৃথিবীর সবচেয়ে
বিরক্তিকর উপাদান তাবলিক
জামায়াতের এক দলের সামনে
পরেছিলাম।
দলের আমির হুজুর খুব সুন্দর করে সালাম
দিয়ে বলল।
আমির - আসসালামুয়ালাইকুম।
আমি -ওলাইকুম আ সালাম।
আমির -কেমন আছেন?
আমি -জি ভাল আছি।
আমির -ভাই, মসজিদে যাওয়া হয়?
আমি -জি হুজুর যাওয়া হয়।
আমির -পাঁচ ওয়াক্তই যান?
আমি -জি না, এক ওয়াক্ত যাই।
আমির -কেন ভাই? পাঁচ ওয়াক্ত যাওয়াই
ভাল না?
আমি -হুজুর, এক ওয়াক্তের বেশি যাওয়া
হয় না। সমস্যা না হলে।
আমির -কোন সমস্যা নেই, আপনি
আল্লাহর নেয়ামত তিন বার খাচ্ছেন,
হাজার বার বাতাস গ্রহণ করছেন, আর
পাঁচবার মসজিদে যেতে তো সমস্যা
হওয়ার কথা না।
আমি -কি বলেন হুজুর, পাঁচবার মসজিদে
গেলে জীবন বাঁচবে? মরে যাবো না?
আমির -কি বলেন এইসব, কি সুন্দর সাস্থ্য
আপনার মাসাল্লাহ, আল্লাহর প্রতি
আনুগত্য দেখিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত
আদায় করলে আল্লাহ আপনার হায়াত
রিজিক বাড়িয়ে দেবে। এতে জীবন
বাঁচা মরার প্রশ্ন আসছে কেন?
আমি -ও আপনি নামাজ পড়ার কথা
বলছেন? আমি ভাবলাম অন্যটা।
আমির -আপনি কি ভাবছেন?
আমি -না মানে আমি যেই মেসে
থাকি, সেখানে আমার মতো আরো
অনেকে থাকে। কিন্তু টয়লেট একটা
তাই সকালে টয়লেটের উপর খুব বেশী
চাপ পড়ে। আমি আবার সেই আশায় বসে
থাকি না। বাসার পাশে যেই মসজিদ
আছে, সেখানকার টয়লেটই ব্যবহার
করি। তাই একবারই মসজিদে যাওয়া হয়।
যদি পেটে গন্ডগোল না হয় তবে
দ্বিতীয়বার যাই না।
একথা বলতেই প্রথমে হুজুরের নূরানি
চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে গেল, পরে
দেখি লাল হচ্ছে। তারপরের রং ধারন
করার আগে আস্তে করে কেটে
দিলাম। যেতে যেতে পিছন দিকে
তাকিয়ে দেখলাম, আমির সাহেব কি
আমায় গালি দিচ্ছে নাকি ছাগলের
মতো কাঁঠাল পাতা চিবুচ্ছে ঠিক
বুঝতে পারলাম না। কিন্তু তার দাড়ির
নাড়াচাড়া স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে।
ইস, আজ ভাল বাঁচা বাঁচলাম।।।
২|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:০২
মিহির সাহা বলেছেন: জুতাসহকারে লাথি।এই পোস্ট ঘন্টার পর ঘন্টা প্রথম পাতায় থাকে,আর এর প্রতিবাদ করলেই ব্যান।
৩|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:০৯
শ্মশান বাসী বলেছেন: আপু,এই অনলাইন জগৎটাই এমন। আমরা বাস্তব জীবনে যে রাগ পুষে রাখতে বাধ্য হই, ব্লগে বা ফেসবুকে তার দ্বিগুন পরিমানে ঢেলে দেই।
আমি আমার ব্লগে আমার মতামত প্রকাশ করেছি তার বিপরীতে আপনি আপনার মতামত জানিয়েছেন। আমরা দুজনই যার যার জায়গায় সঠিক। লেখার প্রথম কমেন্টকারী হওয়ায় আপনাকে ধন্যবাদ দিতে হয়।।
আর মিহির দা ভবিষ্যতে আপনার লেখায় এমন "বাজাইরা"কমেন্টের জন্য প্রস্তুত থাকবেন।।
৪|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:২৭
মোঃ ইমরান কবির রুপম বলেছেন: লেখাটার সরাসরি বিরোধিতা করছিনা! তাবলীক জামাতের প্রতি আপনার খারাব মনভাব থাকতে পারে কিন্তু মসজীদ নিয়ে আপনার লেখাটা ঠিকহয় নি।আপনার লেখাটা থেকে জানতে পারলাম আপনি হাগু করতে মসজীদে যান আর আমরা নামাজ পরতে।এখন আপনাকে বলতে ইচ্ছা করতে ভাই আসলে আপনি কি হুজুরে মুখেউপর এই উত্তরগুলো দিয়েছিলেন?আমার তো তা মনেহয় না
৫|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:২৬
রায়হান মোল্লা বলেছেন: দাদা মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবর আছে,তাই বলে আঘাত করার স্বাধীনতা কারো নেই।
ধর্ম না থাকলে মানুষের নৈতিক ভাবমূর্তি থাকত না,কুকুর হায়নাদের মোত আচরন করত।
তাই ভাই বলি কাউ ব্যাগ করবেন না।
৬|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৩
সিপন মিয়া বলেছেন: ষাঁড় জাফ্রিক বালের উম্মতদের এই একটা সমস্যা- এরা নিজের মাকে নিয়েও ফিকশন লিখতে শুরু করে। মানবতার কথা বলে মানুষের মগজেরচাষ করে। এরা স্টিফেন হকিংদের কাছে থেকেও কিছুটা শিখতে পারে যেমন- কারো মতে আঘাত না দেয়া। কিন্তু, কুকুরের পেটে কি আর ঘি?...
৭|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:২৬
শ্মশান বাসী বলেছেন: হাঃহাঃহাঃহাঃহাঃহাঃ,
ধর্মটাকে ঘি মনে করা, এর গ্রহণকারীদের মানুষ আর বর্জনকারীদে কুকুর মনে করা আপনার মনের স্বাধীনতা। আর ধর্মটাকে মল আর এর গ্রহনকারীকে শুকর মনে করা আমার মনের স্বাধীনতা।।
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৭:৫৩
মিমমা সুলতানা মিতা বলেছেন: প্রথমেই আমার কমেন্ট এর জন্য আমি ক্ষমা চাইছি, এখানে কমেন্ট করা আমার ঠিক হচ্ছেনা, তারপরেও করলাম।তাই সরি।তুমি হিন্দু, নাকি বোদ্ধ, নাকি খৃষ্টান নাকি মুসলিম জানিনা। কিন্ত ভাই কোনো ধর্ম নিয়ে এতটা ব্যঙ্গ করা ঠিক না। এতে বড় হওয়া যায়না। মনে রেখো ভাই অন্যকে ছোট করতে গেলে নিজেই ছোট্ট হয়ে যেতে হয়। যেমন আমি তোমাকে অনেক ছোট মনের নিকৃষ্টমান সম্পন্ন একটা ছেলে ভাবছি। কিন্ত কেন? আমি তো তোমাকে চিনিনা, জানিনা, দেখিনিও। তারপরেও তোমাকে নিম্নমানের ছেলে ভাবছি। কারন তোমার এই লেখাটা। তোমার লেখা আমাকে বলছে তুমি একজন বাজে ছেলে। তোমার মনটা সংকীর্ন। ছোট্ট, নিম্নমুখী তোমার অবস্থান। তুমি সম্মান পাবার বা ভাল কমেন্ট পাওয়ার যোগ্য না। ভার্চুয়াল জগতে তার সম্মানমুলক পরিচয় তার লেখা। সুতরাং তোমার লেখা বলে দিচ্ছে তুমি একটা খারাপ ছেলে। আর এটা শুনতে তোমার কেমন লাগছে? একটা কমেন্ট পেলে সে তোমাকে ধিক্কার দিয়ে লিখছে, তাহলে বলোতো তোমার লেখার স্বার্থকতা কি? যদি একটা লেখাই ঘৃনা ছাড়া সার্থকতা না পাওয়া যায়, সৃজনশীলদের মাঝে গ্রহনযোগ্যতা না পাই, শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষনীয় না হয় তাহলে তুমি ব্যর্থ লেখক ছাড়া আর কিছু নও।