নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শূণ্যে শুরু,শূণ্যে শেষ।

শ্মশান বাসী

আপনার পরিচয় সম্পর্কে কিছ লিখুন

শ্মশান বাসী › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেন এই পশু হত্যা? কারো অনুভূতিতে আঘাত নয় শুধু জানার জন্য।।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:০৩

বর্তমান কোরবানী মানে প্রতিযোগিতা, কে কার চেয়ে বড় পশুটা বেশী দামে কিনে কোরবানী দেবে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে তারা ঠিক পশু নয় টাকার কোরবানী দিচ্ছে। বাদ দিন এসব কথা এখানে প্রসঙ্গিক নয়।
আল্লাহর নামে পশু কোরবানি হচ্ছে এটাই বড় কথা। কথিত আছে পশুর প্রতিটি লোমে একটি নেকী হাসিল হবে(এর সঠিক রেফারেন্স জানা নেই,স্থানীয় হুজুর হতে সংগ্রহীত) সুতরাং যত বড় পশু তত বেশী লোম তত বেশী নেকি। আলহামদুলিল্লাহ বেহেস্তের পথ ততই সুগম।
কিন্তু কেন কোরবানীর নামে পশু হত্যা?
মুর্খ নাস্তিকগণ কহে, "আল্লাহর কি পশুর রক্ত মাংস চামড়ার খুব বেশী দরকার, তাই কি লাখ লাখ পশু আল্লাহর নামে হত্যা করতে হয়"?
জ্ঞানী মুমিনগণ ও এর দাঁত ভাঙা জবাব দেন,"আল্লাহর কাছে রক্ত মাংস চামড়া কিছুই যায় না যায় শুধু কোরবানীর(হত্যা নয়)তাকওয়া"।
মুর্খ নাস্তিকগণ তাতেই চুপ হয়ে যায়,তারা জানেই না তাকওয়া কি। আর তর্ক করবে কিভাবে?
আসুন জেনে নেই তাকওয়া কি, বিভিন্ন ইসলামী পন্ডিতগণের আলোচনা অনুযায়ী তাকওয়া বিভিন্ন ভাবে সঙ্গায়িত হয়েছে। যেমন -
ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহ আনহু তাকওয়া
অর্জনকারী মুত্তাকীর সংজ্ঞায় বলেছেন: “মুত্তাকী তারা, যারা আল্লাহ ও তার শাস্তিকে ভয় করে।”
.
তালক ইবনে হাবীব বলেছেন:
“তাকওয়ার অর্থ: আল্লাহর নির্দেশমতো তুমি তার আনুগত্য কর ও তার সাওয়াবের আশা রাখ এবং তার নির্দেশমতো তার নাফরমানী ত্যাগ কর ও তার শাস্তিকে ভয় কর।
.
ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন - “তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যথাযথ ভয়। এপ্রসঙ্গে আরো বলেন: তাকওয়া হচ্ছে আল্লাহর আনুগত্য
করা তার নাফরমানী না করা, আল্লাহকে স্মরণ করা তাকে না ভুলা, তার শোকর আদায় করা তার কুফরী না করা।
এবার বুঝতে পারছেন তাকওয়া কি? তাকওয়া হলো একটি আন্ডারগ্রাউন্ডের বা মনের ব্যপার স্যাপার। এটার সাইনবোর্ড আপনি গলায় ঝুলিয়ে রাখলে আপনার তাকওয়া বা আল্লাহর প্রতি আপনার আনুগত্য প্রমান হবে না। আপনার তাকওয়া প্রমাণ করতে হলে আপনাকে পশু হত্যা করতে হবে।
এখন যদি প্রসঙ্গক্রমে কোন নাস্তিক প্রশ্ন করে,"আল্লাহ তো অন্তর্যামী, পৃথিবীর কারো মনের কথাই তার অজানা নয়। কে কতটা আল্লাহ ভীরু তা পশু হত্যা করে প্রমান করতে হবে কেন"?
তবে জ্ঞানী মুমিনগণ কি জবাব দেবে তা আমার অজানা।
((কারো রিপোর্টের জন্য সামু কর্তৃপক্ষ যদি আমায় ব্যানও করে তাতেও দুঃখ নাই))

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:৪৩

মানবী বলেছেন: প্রশ্নটা বা আপত্তিটা পশু হত্যা নিয়ে না কুরবানী দেয়া নিয়ে তা স্পষ্ট হলোনা!

?

২| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:০৫

সাব্বির শওকত শাওন বলেছেন: আপত্তি হল কোরবানীর নামে পশু হত্যা নিয়ে

৩| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:৩২

ব্লগ সার্চম্যান বলেছেন: আপনেরা কালিপুজয় কেন বলি দেন ।

৪| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:৪৩

জাহাঙ্গীর গুরু বলেছেন: "আল্লাহ তো অন্তর্যামী, পৃথিবীর কারো মনের কথাই তার অজানা নয়। কে কতটা আল্লাহ ভীরু তা পশু হত্যা করে প্রমান করতে হবে কেন"?
-কারন এটা আল্লাহ্‌ তা'লার হুকুম।

৫| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:০৩

গোয়েন্দাপ্রধান বলেছেন: শহিদ মিনারে র মত একটা কংক্রিটের স্তুপ কে এর জন্য হাজার হাজড় টাকার ফুল অপচয় করি কেন?তখন প্রশ্ন ওঠে না।
আসল সমস্যা হল কুরবানি নামের মুস্লিম দের প্রথা।
এখানে একটা টুকরাও কি অপচয় হয়।অনেকেই লোক দেখানোর জন্য করে থাকতে পারে তাই বলে সবাই কি?
চামড়ার টাকা অসহায় লোক পাচ্ছে
যারা মাংস খেতে পারে না তারা পাচ্ছে
এদিনই দেশের প্রায় ৯০% মানুষ একত্রে কিছুটা ভাল মন্দ খাচ্ছে।
মুরগির ফার্ম গুলোতে গিয়েছেন কখনও বড় বড় ফার্ম গুলোয় যেমন আফ্তাব/ কাজী /সিপি এসবে প্রতিদিন লাখ খানেক বাচ্চা ফুটানো হয় সেখানে যেসব বাচ্চা তে খুত থাকে সেসব বাচ্চা কে শ্বাস রোধ /স্ম্যাস অর্থাত রোলিং করে ভর্তা বানিয়ে মাটিতে পুতে রাখা হয়।
এভাবে হিসেব করলে শুধু আফতাব কাজি সিপি তেই প্রতিদিন হাজার ৩০ এর মত বাচ্চা এভাবে মেরে ফেলা হয়।কিন্তু ঠিকই কে এফ সি পিজ্জা হাটে বসে বসে মুরগি চিবাই না?

নেপালে হিন্দু দের উতসব হয় যেখানে ২/৩ দিনে লাখ খানেক(কম্মবেশি হতে পারে) পশু বলি দেয়া হয়।
গাধিমাই উতসব এর নাম।

৬| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৪০

মানবী বলেছেন: সাব্বির শওকত শাওন, অর্থাৎ সারা বছর পশু হত্যা নিয়ে সমস্যা নিয়ে শুধু কুরবানীর নামে পশু হত্যায় সমস্যা?

লেখক, শুধু মানজাতির উদরপূর্তির জন্য পৃথিবীতে কি পরিমানে গাছ, লতাগুল্ম আর বৃক্ষ নিধন হয় সেসম্পর্কে ধারনা আছে আশা করি আর সেই সাথে গাছেরও যে প্রাণ আছে তা নিশ্চয় মানেন। আর তাছাড়াও এই বিপুল পরিমানে সবুজ গাছ নিধনের ফলে এই পৃথিবীর অস্তিত্ব এখন হুমকীর সন্মুখিন।

এখন কথা হলো, গাছ বা বৃক্ষের ফল ফুল লতা পাতাও যদি মানুষ না খায় তাহলে বাঁচবে কিভাবে, আবার মানুষ যদি না খায় পশু পাখি তা খাবে.. শুধু ভক্ষনের উদ্দেশ্যে পশু হত্যা কেনো, একটি পোকামাড় হত্যা করলেও কিন্তু তা একটি প্রাণের ধ্বংস। কোন ণিষ্পাপ শিশুর সামনে একটি তেলাপোকা বা ইঁদুর হত্যা করে দেখুন কিভাবে শিউরে উঠে! মশা তেলাপোকা বা ইঁদুরের সন্তানসন্ততি পরিবারের কথা ভেবে যদি এসব নিধন বন্ধ হয়, পৃথিবী মানুষের বাসযোগ্য থাকবে?....

আপনি, আমি সহ পৃথিবীর সকল মানুষ নিরামিষাশি হলেও কিন্তু পশু হত্যা বন্ধ হবেনা। বাগ ভল্লুক তাদের ছিঁড়ে খাবে, এমন কি উড়ন্ত ঈগলও তাদের ছাড়বেনা!
কারন জীবন চক্র বা লাইফ সাইকেলের এমনটিই নিয়ম। নির্মম হলেও এমনটিই সত্য। একটি মশা যেমন আপনার রক্ত খেয়ে বেঁচে থাকে, ব্যাক্টেরিয়া যেমন আপনার শরীরের কোষ শুষে নিজের অস্তিত্ব রক্ষা করে তেমনি আপনিও কোন না কোন ভাবে অন্য প্রাণ ধ্বংস করেই বেঁচে আছেন।

আর পশু হত্যা যদি করতেই হয়, কুরবানীর চেয়ে শ্রেয়তর আর কিছু নেই। কেনো? কারন, অন্যান্য সময় বাসার মুরগী বা খাসীর পুরোটাই আপনার আমার মতো মানুষদের উদরে যায়, আর কুরবানীর পশুর একটি বড় অংশ হতদরিদ্র মানুষ ভোগ করতে পারে। বাংলাদেশে শুধু মুসলিম নয়, দরিদ্র হিন্দুদেরও দেখেছি কুরবানীর গোশত সংগ্রহ করতে! আমাদের পরিচিত হলে তাঁদের গরু না দিয়ে খাসী দেয়া হয়েছে।

আপনার সমস্যা ঠিক কুরবানী নিয়ে না সামগ্রিক ভাবে পশু হত্যা নিয়ে, যেটাই হোক আশা করি জবাব পেয়েছেন।

আরেকটি কথা.. এধরনের একটি প্রশ্ন বা কৌতুহলের জন্য আস্তিক নাস্তিক প্রসঙ্গ কোন ভাবে যৌক্তিক মনে হলোনা।

৭| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৭

জাহাজ ব্যাপারী বলেছেন: কেন এই পশু হত্যা?
অনেক কারণই তো আপনার জানা। পশু মাংস ভক্ষণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক উপায়ে ফুড চেইন মেইনটেন হয়ে থাকে। আপনার শরীর ও মগজের সব কিছু একসময়ে অন্য উদ্ভিদ ও প্রাণীর (গরুর!) দেহাংশ ছিল। এভাবেই বায়ো-জিও-ক্যামিক্যালের সাইক্লিং চলছে অনন্তকাল।
পাঠা বলি দেবার সময়ে না চিল্লায়ে শুধু কোরবানীর সময় চিল্লান কেন?
মনে রাখবেন, প্রাণী (উদ্ভিদ ও পশু) হত্যা না করে গলাধঃকরণ না করলে এই ব্লগ আর লেখা হতো না!

৮| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:০১

শ্মশান বাসী বলেছেন: সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ, সুন্দর আলোচনার জন্য।
পুরো আলোচনায় যেটা স্পষ্ট হলো, কালি দেবীর বা আল্লাহর দোহায় দিয়ে বলি,কোরবানি দেওয়া হয় মুলত নিজেদের উদরপূর্তির জন্য। সেটাতো প্রতিদিন প্রতিনিয়তই হচ্ছে। তার জন্য বিশেষ ভাবে উৎসব করে পশু হত্যার প্রয়োজনীয়তাটাই বা কি? যে সব দেশে কোরবানি বা বলির প্রচলন নেই সেই সব দেশে কি মানুষ প্রোটিনের অভাবে মরে যাচ্ছে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.