| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আঘাত প্রাপ্ত একজন
নিত্যকার প্রয়োজনে নিয়ত অভিযোজনের ক্রমাগত নিষ্পেষণ থেকে পরিত্রাণের ফুরসত খুঁজে ফেরা এক পরিশ্রান্ত প্রাণ।
সময়
অতঃপর যখন সময় হলো
তখন দেখি সময় শেষ!
শৈশব চুরি গেছে সাতসকালে
কৈশর বেলা বাড়ার আগেই,
বাকী যেটুকু বিকেল ছিলো
চোখের সামনে ডাকাতি হলো।
হাহাকারের সন্ধ্যা নামলো
একরাশ বঞ্চনা হাতে।
হর্ন-মাহফিল-উলুধ্বনি-ভাষণ-সাইরেন
সব শব্দের মিলিত অনুনাদ
নিঃশব্দ কি এক বিন্দু টলে!
সর্বগ্রাসী...
সকাল সাতটা তেরো।
সময় এখনো ভোরেই পড়ে আছে,আকাশ কিছুটা মেঘলা।
প্ল্যাটফর্ম থেকে ছুটে গিয়ে একটা ছাগল পরিত্যক্ত লাইনে বাঁধা আরেকটা ছাগল, যেটি কিনা প্রচন্ড শক্তিতে তার দড়ি ছিঁড়ে ছুটতে চাইছে,তাকে বাঁচাতে...
মাটির ভাঁজে যে ভালোবাসা মরে জমে গেল
লক্ষ বছর পর ফসিল ফুয়েল হয়ে জ্বলবে;
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এ উদ্ভাসিত আলো
যৌথ স্বপ্নভঙ্গে তোমার দায় এর কথাই বলবে।
দুঃসময়ের দিনলিপি
----------------------------
কাঁচা সোনা রোদে
কালো কেটে যাবে
উবে যাক সব উচাটন,
মুক্ত শ্বাঁসের মুক্তি মিলুক
ডেডলক ভেঙ্গে দিনযাপন।
উদ্বেগ যা উদ্বায়ী হোক
নীল সবুজের সীমান্তে,
বদ্ধ সময় জব্দ করে
মিলবো জোড়ায় দিনান্তে।
মরণ যখন সংখ্যা হবেনা
আসবেনা ব্রেকিং টিভিতে,
দুঃসময়ের...
বলছিনা যে,
বারি আর নারী ধর্মে একই
পাত্র বুঝে আকার গড়ে
যখন যে হাত সেই হাতে হাত
অতীত গিলে গড়িয়ে পড়ে।
এও বলিনি,
স্থিতিস্থাপক হৃদয়টা যে
ভর বুঝে তার ওঠানামা
কেউ পারেনা ভাঙতে তাহার
ইলাস্টিসিটির সহ্যসীমা।
কে বলেছে,
মোমের মত মনটা...
ভালোবাসা ভোলা যায়
\'মায়াবাসা\' নয়,
মায়ায় শ্বাসরুদ্ধ বসবাস
মায়ার মাঝেই ভয়।
ভালোবাসার প্রত্যাহারে
ভালোবাসা-ই যায়
অসহ্য এক অসীমতায়
মায়ায় মরণ দায়।
আমি কি তবে তোমায় মায়াবাসি?
বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠস্বর\'
\'চিবুক চুইয়ে পড়া জল\'
\'অপ্রাপ্তির অসীম শূন্যতা\'
আর \'উপাখ্যানের কিছু ছেঁড়া পাতা \'
অতঃপর মঞ্চে পর্দাপতন।
মুহুর্তের বিরতি পর
অন্ধকার ভেঙ্গে মূর্ত তুমি,
ফ্রেসনেল লণ্ঠনে আনকোরা মুখ।
নতুন অঙ্কে অভিনয়
পেছনে অপাঙক্তেয় অতীত...
এখন অবশ অনুভুতির দিন
হোটেলের নিত্যকার পুরনো সয়াবিন
ন\'টা পাঁচটা চিৎ হয়ে সময় ঠেলা
একটা একঘেয়ে সন্ধ্যাবেলা,
আলস্যের ব্যাচেলরি উদযাপন
অর্থহীন অথবা অপ্রয়োজন।
কাঁচা সকালে হলুদ ট্রাকের হর্ণ
কুকুরের ঘেউঘেউ, দোকানের শাটার
কেজির বাচ্চা নিয়ে ছোটা চল্লিশের...
এখন অবশ অনুভূতির দিন
হোটেলের নিত্যকার পুরনো সয়াবিন
ন\'টা পাঁচটা চিৎ হয়ে সময় ঠেলা
একটা একঘেয়ে সন্ধ্যাবেলা,
আলস্যের ব্যাচেলরি উদযাপন
অর্থহীন অথবা অপ্রয়োজন।
কাঁচা সকালে হলুদ ট্রাকের হর্ণ
কুকুরের ঘেউঘেউ, দোকানের শাটার
কেজির বাচ্চা নিয়ে ছোটা চল্লিশের...
শংকা
--------
সোডিয়াম ল্যাম্প আর লোভের শহরে
মেকী মুখ আর মেকআপের মচ্ছবে
তুমি কী প্রথাবিরোধী ব্যতিক্রম?
নাকি শর্তহীন বিশ্বাসের বায়বীয় বলয়ে
তুমি আমার তৃতীয় দৃষ্টিভ্রম!
পাথুরে প্রতিবেশে নিত্যকার নিয়মে
শর্ত আর স্বার্থের সংকীর্ণ সময়ে
তোমার দিলে কী দরদের...
শত কিলো সানন্দে পেরিয়ে
মধ্যদুপুরে চেক-ইন
তারপর তোমার মুখ
শীত বর্ষার ব্যবধানে।
হুডখোলা স্বাধীন বাতাস
অবাধ্য চুলের আন্দোলন,
বাইপাস রোডে পড়ন্ত রোদে
সবুজ চিড়ে তোমার সুবাস।
দুহাতে তখন গোধুলীর লাল
মুঠোতে মমতা কিংবা নির্ভরতা,
এ্যাতো দেখি তবু দেখিনা যে!
মাইনাস...
এইযে তুমি ভালোবাসো
আবার দেখি শাসো
হালকা প্রেমে মাতাল করে
বাঁশের নিচে ঠাসো।
কখন তুমি হাশিখুসি
কখন মেজাজ চড়ে
হিসেব করে কথা বলি
কোনটা বুঝি ধরে!
এই দেখি ভালো মুডে
একটু পরেই ফোঁস
মান ভাঙ্গাতে তেল মারলে
উলটো আমার দোষ!
বাবুই সোনা...
(১)প্রথম রোজা।
দর্শক, জমে উঠেছে চকবাজারের ইফতারি আয়োজন। সেখানকার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চলে যাচ্ছি আমাদের রিপোর্টার "চর্বিত চর্বন" এর কাছে।
-চর্বিত চর্বন আমাকে শুনতে পাচ্ছেন?
-(একটু ভাবগাম্ভীর্যের সহিত কানে হেডফোন লাগিয়ে...
বিপ্লব নামক যুবক,প্রচণ্ড বিপ্লবী। সে বিপ্লব করে- খায়-ঘুমায়-হাগে।"এদেশে মেধাবীদের দাম নাই" বলে কতক্ষণ বাণী দেয়।
এরপর দুপুরে ভর্তাভাত গিলে ক্রিকেট দেখে,উল্লাস করে,বছরান্তরে জয় আসলে রাতে মিছিল করে।এরপর বেকারত্বের টেনশনে বিছানায় পাছা...
অত:পর পর হয়ে যাবো
অপ্রাপ্তির অযুহাতে।
অসংখ্য অসংগতি দেখিয়ে
কিংবা নেহাতই অকারণে।
অসম্ভব অহং মনে পুষে
অস্পষ্ট হবো আমরা
দূর থেকে দুরতর দুরত্বে
দু:সহ দোটানা থেকে দুজনে।
তারপর আরো অনেক পরে
দুই দশক দুইবছর দূরে
একটা আটপৌরে পৌঢ়ে পৌঁছে
আবার হয়ত...
©somewhere in net ltd.