নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অবচেতন মন

সুন্দরের দূরত্ব কখনো হয় না ক্ষয়, কাছে না পেয়ে না পাওয়ার দেয় অফুরন্ত পরিচয় ।

অবচেতনমন

গর্ভের ভেতর নারী,নারীর ভেতর গর্ভ

অবচেতনমন › বিস্তারিত পোস্টঃ

# জীবাত্মা ও পরমাত্মা । (আমার আমি)

১৪ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৯

জীবাত্মা ও পরমাত্মা

মূলঃনবীনেওয়াজখান



এই পৃথিবীতে কম বেশী সাত বিলিয়ন মানুস বসবাস করে। মানুসের ভিতর দুটো সত্তা সার্বক্ষনিকভাবে কার্যকর থাকে। পানির সংগে চিনি মেশালে নতুন যে তরলের উদ্ভব হয় তার নাম ভিন্ন কিন্তু ঐ তরলের মধ্যেই পানি এবং চিনি রয়েছে। মানব জীবাত্মার সংগে পরমাত্মার সংযোগের জন্যই মানবের মধ্যে জীবাত্মা রয়েছে এবং পরমাত্মাও রয়েছে এবং এই দুয়ে মিলেই মানুষ নিজেকে মানুষ হিসাবে চিহ্নিত করে। প্রকৃত পক্ষে পানি এবং চিনির মতোই দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্মী সত্তার সহবস্থানের ফলশ্রুতিই মানব। এই দুই সত্তার যে কোন একটির অবর্তমানে মানব আর মানব নামে চিহ্নিত হবে না। আমি বলতে একমাত্র মানবই সক্ষম। মানব ব্যাতীত অন্য কোন প্রানীসত্তা আমি বলতে সক্ষম নয়। জীবজগৎ মুখ থেকে শব্দ উৎপন্ন করতে পারে কিন্তু আমি বলতে ওরা অক্ষম।



যখন কোন মানব বা মানবী 'আমি' শব্দটি উচ্চারণ করে তখন বুঝে নিতে হবে এই আমি আসলে আমার জীবসত্তা নয়। জীবসত্তা আমি বলতে পারলে জীবজগৎ অন্তর্ভূক্ত সব প্রাণীই আমি শব্দটি উচ্চারণ করতে পারতো। 'আমি' আসলে আমার জীবসত্তার সহিত সম্পর্কিত দ্বিতীয় সত্তাটি বা পরমাত্মা বা ঈশ্বর । আমার জীবসত্তা নিজেকে আমি হিসাবে প্রকাশিত দেখতে চায় অথচ ঐ জীবসত্তার আমি বলার ক্ষমতা আদৌ নেই। মানবের বুদ্ধিমত্তা, জ্ঞানধারনের ক্ষমতা, সৃজনশীলতা, চিন্তার বহুমূখীতা, তার সব কিছুই সেই দ্বিতীয় সত্তা বা পরমাত্মার সম্পর্কিত থাকার কারণে পেয়েছে। মানবের সত্যতা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সবকিছুর শতভাগ অবদান সেই পরমাত্মার। মানব মানবই হয়েছে সেই পরমাত্মার কারণে। মানবের প্রথম সত্তাটি বা মানবের নিজস্ব সত্তাটি হচ্ছে পশুসত্তা। ঐ পশু সত্তাকেই মানব হিসাবে Qualify করা হয়েছে। পরমাত্মার সংগে অন্তর বা মনোজগৎ দ্বারা সম্পর্কিত থাকার কারণেই মানব পশু থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে গিয়েছে। মানবের সংগে যে প্রাণী সত্তা বা পশুসত্তাটি রয়েছে সে তার জীবনকালীন সময়ের জন্য পরমাত্মার সহিত সম্পর্কিত থাকার অধিকার পেয়েছে এবং মৃত্যুনামক প্রক্রিয়ার সময় এই দুটো সত্তা পৃথক হয়ে যেতে পারে যদি রজ্জু রূপী অন্তর বা মনোজগৎএর বন্ধনটা যথেষ্ট শক্তিশালী না হয়।

মানব প্রাণীসত্তা বা মানব জীবাত্মা এই কঠিন সত্যটি মানতে একেবারেই রাজী নয়। পানির সংগে চিনি মিশ্রনে নতুন তরলটি মিষ্টতা প্রাপ্ত হয়। পানিকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলবে মিষ্টতা আমারই গুন এখানে চিনির কোন ভূমিকা নাই। ব্যাপারটা অনেকটা ঐ রকমই। মানব জীবাত্মা একেবারেই মানতে রাজী নয় যে তার সংগে সম্পর্কিত গুনাবলী অন্য কোন সূত্র থেকে পাওয়া। যেহেতু জীবনকালীন সময়ে পরমাত্মার সমস্ত ঐশ্বর্য্য জীবসত্তার অধিকারে তাই মানব প্রাণীসত্তা প্রানভরে সেই ঐশ্বয্যকে ব্যবহার করে তার খেয়ালখুশি মতো। আজ পৃথিবীতে বিজ্ঞানের যে অভাবনীয় অগ্রগতি, সৃজনশীল ও ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার যে বাড়াবাড়ি রকমের উৎকর্ষতা, তার সবকিছুই সম্ভব হয়েছে পরমাত্মার কারণে। মানব জীবসত্তা বা প্রাণীসত্তার সক্ষমতা ততটুকুই যতটুকু একটি শিম্পাঞ্জী বা বানরের জীবনধারনের সক্ষমতা রয়েছে। একেবারেই বোধহীন, বুদ্ধিহীন, লজ্জাহীন, কোথায় সে রয়েছে সে সম্পর্কে একেবারেই ধারণাহীন, কি করছে, কেন করছে এই ব্যাপারে একেবারেই অসচেতন। জীবন এবং বেচে থাকার তাড়নায় অস্থির, দিশেহারা, উদ্মাদপ্রায়, হিংস্র, লোভী,– ভক্ষন, পশুর রাজ্যচিরঅন্ধকারময়।







মানব প্রাণীসত্তা ঠিক এই পশুদেরই অন্য এক সংস্করণ। পরমাত্মা সম্পর্কিত থাকার কারণেই মানব প্রাণী সত্তা ঈশ্বর পর্যায়ভূক্ত। মনোজগৎ বা অন্তর সেই সম্পর্কিত থাকার মাধ্যম। মানব প্রাণী সত্তার এটা একেবারেই পছন্দনীয় নয় যে তার উৎকর্ষতার পিছনে অন্য কোন সত্তার অবদান রয়েছে। মনোজগৎ বা অন্তর দ্বারা এখন সে পরমাত্মার সহিত সম্পর্কিত। নিদৃষ্ট সীমার ভিতর মানব প্রাণীসত্তা এখন পরমাত্তা বা ঈশ্বরের মতে ক্ষমাতাশালী। মানব প্রাণীসত্তা তার প্রাণীসত্তায় ধারণকৃত হিংস্রতাকে এখন State of the art পর্যায়ে উন্নীত করতে পারে। তার পশুপ্রবৃত্তিতে ধারণকৃত লোভকে অভাবনীয় উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে, তার পশুপ্রবৃত্তিতে ধারণকৃত পাশবিকতাকে সে কোন স্থরে নিয়ে যেতে পারে তার সীমা সে নিজেই জানেনা। একটি শৃগালের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় শঠতা, ধূর্ততা, নীচতা, চোর্যবৃত্তি মানব প্রানীসত্তা কোটি কোটি গুন পরিশোধিত করে অপ্রয়োজনীয়ভাবে নিজ প্রবৃত্তিতে অংগীভূত করেছে এবং এটা ঐ মানব প্রাণীসত্তা করতে সফল হয়েছে কারণ তার Access রয়েছে পরমাত্মার সক্ষমতাকে খারাপ ভাবে ব্যাবহারের।







এই বিশ্বে যতো অনাচার মানবের দ্বারা সংগঠিত হচ্ছে, যতো অনৈতিক কাজ মানব করে চলেছে, তার সবটুকুর জন্যই দূর্বিনিত মানব প্রাণীসত্তা দায়ী। অধিকারে থাকা পরমাত্মার সক্ষমতাকে ভূলভাবে, নিজের প্রবৃত্তির ইচ্ছাকে চরিতার্থ করার জন্য মানব প্রাণীসত্তা ব্যাবহার করে থাকে এবং মানব এর জন্য অনুতপ্তও নয়। অন্যভাবে মানবের সব মানবিক গুনাবলীও সেই পরমাত্মার সংগে সম্পৃক্ততার কারণে মাবন জীবসত্তা করতে সক্ষম হয়। মানবের সৃজনশীলতা, জ্ঞান, প্রজ্ঞা, মানবতা এবং সবধরনের ভালোকাজ মানব প্রাণীসত্তাই করে থাকে এবং এই সক্ষমতাও প্রাণীসত্তা অর্জন করে পরমাত্মার কাছ থেকে। প্রতিটি মানুষ মনে করে সে একটি একক সত্তা। সেটা ভূল সে আসলে দ্বৈত্য সত্তা। মানব ঈশ্বরকে খোজ করে পৃথক একক সত্তা মনে করে। মানব মসজিদে যায়, মন্দিরে যায়, গীর্জায় যায়, প্যাগোডায় যায়, প্রার্থনা করে, এমন একজনের কাছে যার অস্থিত্ব সম্পর্কে, যার পরিচয় সম্পর্কে সে জানে না। মানুষ মনে করে ঈশ্বর রূপী সত্তা অন্য এক জগৎএ রয়েছেন। মৃত্যুর পরে যিনি তাকে হয় সর্গে পাঠাবেন নয়তো নরকে।

মানুষ মরে যাওয়ার পরে কতো কিছুই করা হয়। বিভিন্ন ধর্মে বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান করা হয় যেন সেই ব্যক্তির আত্মা শান্তিতে থাকে। এখানেও সেই একই ভূল। এখনে ঐ মৃত ব্যক্তির আত্মা একটি মনে করা হয় আসলে দুটো আত্মা সম্পর্কিত থাকে একই মানবের সংগে। প্রথমটি জীবাত্মা এবং দ্বিতীয়টি পরমাত্মা। দ্বিতীয়টির জন্য প্রার্থনা করার প্রয়োজন নাই কারণ সেই আত্মাটিই হচ্ছেন তিনি যিনি পরমাত্মা বা ঈশ্বর। প্রথমটির জন্যও প্রার্থনা করে লাভ নাই কারণ সেটা জীবাত্মা তার শান্তিতে থাকা নির্ভর করছে জীবনকালীন সময়ে অর্থাৎ বেচে থাকার সময়ে ঐ বিশেষ মানব জীবাত্মা তার সংগে সম্পর্কিত পরমাত্মার সহিত কি রকম ব্যবহার করেছিলো তার উপর। ঈশ্বর, স্রষ্টা, বলে আলাদা একক যে সত্তা রয়েছেন তিনি অসীমত্বকে ধারণ করেন। প্রতিটি মানবের জীবদ্দশায় ঐ ঈশ্বর মানবের বোধ, বিবেকের সংগে সম্পর্কিত থাকেন মনোজগৎ বা অন্তর নামক রজ্জুর বন্ধন দ্বারা। প্রতিটি মানবের সংগে একটি করে ঈশ্বর রয়েছেন তার Path Finder হিসাবে মৃত্যু পর্যন্ত। অসীম অংশে বিভাজ্য হলেও ঈশ্বর বা পরমাত্মার অসীমত্বের গুন অক্ষুন্ন থাকে।







মৃত্যুর পরে মানবের জন্য আর কোন কিছুরই করার থাকে না। প্রতিটি মানুষের নিয়তি মৃত্যু নামক প্রক্রিয়ার সময়ই নির্ধারিত হয়ে যায়। কোন কিছুই ঐ সময় কাজে আসবে না। State Honor দিয়ে জাতীয় পতাকায় আচ্ছাদিত করে যাকে সমাহিত করা হচ্ছে সেটি আসলে শব বা মৃতদেহ মাত্র। মূল্যহীন শব। প্রকৃত সম্মানটা ঐ দেহে অবস্থিত মানব জীবাত্মা মৃত্যুর সময় পেয়ে গেছে যদি সে জীবনভর তার মনোজগৎকে বা অন্তরকে ব্যবহার করে পরমাত্মার সংগে তার সম্পর্কটা বজায় রাখতে পেরেছিলো কিনা তার উপর। প্রত্যেক মানুষেরই সফলতা বা অসফলতা নির্ভর করে তারই উপর। পুরষ্কার অথবা তিরষ্কার দুটোই সে হাতে হাতে পেয়ে যাবে মৃত্যুর সময়ে। তাকে অপেক্ষা করতে হবে না। যদি সেই মানব সফল হয় তবে তার পুনঃ উত্থান ঘটবে মানব হিসাবে এবং যদি সেই মানব বিফল হয় তবে তার হাশর বা পুনরায় জন্মগ্রহণ হবে জন্তু হিসাবে। দুটো সত্তাই চিরজীবি। মৃত্যু মানে মুক্তি নয় আবার শুরু মাত্র। ফাসির দড়িতে যে মেয়েটা আত্মহত্যা করলো তাকে বুঝতে হবে সে আসলে আরেক জন্মের দিকেই যাত্রা করলো মাত্র। সে জন্মের ফল এখানকার চাইতেও খারাপ হতে পারে অতএব বেচে থাকে মেয়ে, এই পৃথিবীতেই বেচে থাকো এবং কর্মের মাধ্যমে, অন্তরে স্রষ্টার প্রতি প্রেমের মাধ্যমে নিজেকে তৈরী করে নাও পরবর্তী পৃথিবীর জন্য।







মানব জীবাত্মা বড়ই প্রতারক। সবকিছুকে সে বৈধ করে নিতে চায়। সেই মানব জীবাত্মা জানে পারমাত্মা বা ঈশ্বর তার সংগে সম্পর্কিত রয়েছেন। সে ধোকাবাজিটা করে সেই পরমাত্মা বা নিজের সংগে কারণ নিজের বলতে যে বোধটা মানব ধারনকরে সেটা মানব জীবাত্মার নয় সেটা সেই পরমাত্মার। সব সময় মানব জীবসত্তা বা প্রাণীসত্তা নিজেকে বোকা বানাতে চায়। নিজেকে বা পরমাত্মাকে বোঝাতে চায় সে যে কাজটা করতে চলেছে তা বৈধ এবং কাজটা করা নৈতিকতা বা পরমাত্মার Norms বিরোধী হচ্ছে না। পরমাত্মার কিছু করার থাকে না কারণ প্রতিশ্রুতি মোতাবেক তার ক্ষমতা ঐ মানব ব্যাবহার করতে পারবে জীবন কালীন সময়ে ভালোকাজে অথবা মন্দ কাজে। সব মানবই অপকর্মটি করে জেনে বুঝে, নিজের কাছে সেই মানব সব সময়ই ধরা থাকে। মূর্খ মানব বোঝে না সে কতো ভয়ংকর বিপদে রয়েছে। তাকে অবসর দেওয়া হয়েছে, সময় দেওয়া হয়েছে, সক্ষমতা দেওয়া হয়েছে নিজেকে চেনার বা পরমাত্মাকে চেনার। মানব প্রাণীসত্তা বা জীবাত্মা জাগতিক সম্পদের প্রতি খুবই দূর্বল থাকে। ঐ মানবের সংগে সম্পর্কিত পরমাত্মার ওই সব জাগতিক সম্পদের কোনই প্রয়োজন নাই। মানবের সংগে সম্পর্কিত পরমাত্মার ঐশ্বর্য্য যে জীবাত্মাকে আকৃষ্ট করলো না সেই মানব জীবসত্তা কিন্তু জাগতিক সব কিছু পেয়েও অতৃপ্ত থেকে যাবে।

মানুষ তাকে মহামানব বলে জানে। তিনি সবাইকে আর্শীবাদ করেন, সবাই তার কাছে সফলতা চাইতে যায়। রোগ, ব্যাধী থেকে মুক্তি পেতে তার দরজার কড়া নাড়ে। মান্য ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা তার কাছে চরণধুলি নিতে চায়। তিনি কাউকে নিরাশ করেন না। তিনি সুন্দর কথা বলেন, তার সংগে ঈশ্বর অথবা স্রষ্টার যোগাযোগ রয়েছে। তিনি কে যে কোন কাজে রাজী করাতে পারেন এই জনশ্রুতি প্রবল। তিনি দরবেশ, তিনি ঋষি, তিনি সাধক হিসাবে খ্যাতিমান। আসলে তিনি কে? তিনি আর সবার মতোই একজন মানব যার দুটো সত্তা রয়েছে। প্রথমটি জীবাত্মা ও দ্বিতীয়টি পরমসত্তা। তিনি সম্ভবত তার সাধনার দ্বারা সফলকাম হয়েছেন। এখানে তিনিটা আসলে কে? তার নিজস্ব সম্পদ তো জীবসত্তা এবং জীবসত্তা তো সাধন, অর্জন করতে পারে না। জীবসত্তা পারে শুধু দুষ্টামী করতে। তবে কে সাধনা করলো এবং কাকে সাধনা করে পেরে এতো ক্ষমতাধর হলো। আসলে বেশীরভাগ ক্ষেত্রে ঐ মানবের জীবসত্তা খুবই কৌশলী। সেই মানব জীবসত্তা ঈশ্বরের ঘরে চুরি করেছে। জীবসত্তার খ্যাতিমান হওয়ার ইচ্ছাকে সুকৌশলে কাজে লাগিয়েছে। তার জীবাত্মার অর্জনকে সে বিক্রি করে দিয়েছে খ্যাতিমান হওয়ার বিনিময়ে। যারা পরমাত্মাকে জীবাত্মার অধীনস্ত করতে চায় তারা খুবই নিকৃষ্ট শ্রেণীর জীবাত্মাধারী মানব। এই সব মানব যতই বিখ্যাত হউকনা কেন তার পরিনামে মৃত্যু নামক প্রক্রিয়ার সময় হাহাকার করবে। কোন মানুষেরই কারো কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নাই। প্রতিটি মানুষের সংগেই তার স্রষ্টা সম্পর্কিত রয়েছেন। তার মনোজগৎ ও ঐ সন্নাসী বা দরবেশের মতো। প্রয়োজন শুধু নিজেকে চেনার। আমার সংগে সম্পর্কিত আমিকে চেনার। কেউ কারো মুক্তির কারণ হতে পারবে না। কারো আর্শীবাদে কোনই কাজ হবে না যদি সেই দোয়া অর্থের বিনিময়ে হয়। নিজেকেই নিজের মুক্তির পথটা করে নিতে হবে। কেউ নাই আমার জীবসত্তার সংগে একমাত্র তিনি ছাড়া। তিনিই ঈশ্বর, তিনিই পরমাত্মা। আমি আছি কারণ তিনি আছেন। আমি নাই হয়ে যাবো যদি তিনি আমার সংগে না থাকেন। আমার আমি তারই জন্য। আমার আমিত্বে তিনিই প্রকাশিত। তিনিই সব, আমার জীবসত্তা কেউ না, কিছু না।



মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.