| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হাইমেন শব্দটি গ্রীক ভাষা থেকে এসেছে। যার বাংলা অর্থ স্বতীচ্ছদ। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় হাইমেন বা স্বতীচ্ছদ অর্ধচন্দ্রাকার একপ্রকার শ্লৈষ্মিক ঝিল্লী যা স্ত্রী যোনিমূখ ঘিরে থাকে। এটি শরীরের অতি জরুরী অঙ্গের একটি। বয়স যত বাড়তে থাকে স্বতীচ্ছদের মুখ/ছিদ্র ক্রমশঃ বড় হতে থাকে। এটি যোনীমুখের একদম সামনের দিকে অবস্থিত। দুই পা সম্পুর্ন ছড়িয়ে দিয়ে ছোট একটি আয়না সামনে রেখে আপনি এ পর্দটি নিজেই দেখতে পারেন। যদিও চিকিৎসা বিজ্ঞান বলেছে এটি নিছক একটি আংশিক আবরনকারী পর্দা - এমনকি অনেক নারী এ পর্দা ছাড়াও জন্ম গ্রহন করেন অথবা সাঁতার, খেলাধুলা সহ দৈনন্দিন কাজ কর্মের ফলে এটি চিরে যায়, তারপরও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ অঙ্গ এখনো নারীর স্বতীত্বের প্রতিক হিসেবে বিবেচনা করা হয় - যা সম্পুর্ন ভিত্তিহীন।
ভারত এবং জাপান সহ বিশ্বের অনেক দেশে স্বতীচ্ছদ পুনঃস্থাপন অস্ত্রপ্রচার (প্লাষ্টিক সার্জারী) খুব জনপ্রিয়।
স্বতীচ্ছদের কাজঃ
- বাচ্চা বয়সে মেয়েদের যৌনাঙ্গকে সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করা।
- মাসিক ঋজঃচক্র শুরু হবার পর রক্তের স্বাভাবিক বহিঃর্গমন নিশ্চিত কর।।
স্বতীচ্ছদের প্রকারবেধঃ
১. ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদ:
সাধারনত এই প্রকার স্বতীচ্ছদ সম্পুর্ন যৌননালীকে ঢেকে রাখে। এতে কোন প্রকার ছিদ্র থাকেনা, তাই ঋজঃচক্রের রক্ত বাহিরে আসেতে পারেনা।
ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদ হবার কারন:
এটি সাধারনত কিশোরী বয়েসে পরিলক্ষিত হয়। যাইহোক, নতুন জন্মনেয়া মেয়ে শিশুর শাররীক পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে এই রোগ নির্নয় করা যায়। এটা স্পষ্ট যে কিশোরীদের ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদ একটি জন্মগত রোগ, এবং ইপিথিলিয়াল কোষের (খাদ্যযন্ত্র/খাদ্যনালী তথা মুখগহ্বর থেকে পায়ু পথ পর্যন্ত রাস্তার বাহিরের ঝিল্লী) কার্যকারীতা নষ্ট হবার কারনেও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রদাহী কারনেও এ ধরনের সমস্যার কারন হতে পারে।
ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদের লক্ষন:
* ঋজঃচক্রের রক্তস্রাব না হওয়া।
* তলপেটে ব্যাথা অনুভব করা।
* স্বতীচ্ছদের epithelial (খাদ্যযন্ত্র/খাদ্যনালী তথা মুখগহ্বর থেকে পায়ু পথ পর্যন্ত রাস্তার বাহিরের ঝিল্লী) কোষর অস্বাভাবিকতা; এর ফলে যৌনাঙ্গের ভিতরে রক্তপ্রবাহ উল্টোমূখী হতে পারে।
* প্রস্রাবে সমস্যা।
* যোনীমুখের বাহিরের দুটি ভাজে নীলাভ কিংবা লালছে পিন্ড দেখা যায়।
* কিছু ক্ষেত্রে কোষ্ঠবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয়।
ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদের চিকিৎসা:
যদি কোন নারী এ সমস্যায় ভোগেন তাহলে অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে এটি থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব। অস্ত্রপ্রচারে স্বতীচ্ছদে ছিদ্র করার বদলে স্বতীচ্ছদের কোষ সম্পুর্ন অপসারন করে ফেলা হয়। অল্প বয়সে এই অস্ত্রপ্রচার উচিৎ নয়, বিশেষ করে যে বয়সে ইস্ট্রোজেন হরমনের স্তর খুব সামান্য। যাইহোক, শিশুকালে যদি এই সমস্যা দেখা যায় তাহলে কিশোরীদের স্তন্যের আকার পরিবর্তন শুরু হলে পুনরায় পরীক্ষা করে দেখতে হবে সমস্যাটি কি এখনো বিদ্যমান রয়ে গেছে কিনা। সেই বয়সে এসে অস্ত্রপ্রচার করা যেতে পারে।
২. ছোট ছিদ্র স্বতীচ্ছদ:
ছোট ছিদ্র স্বতীচ্ছদ অতি পাতলা একটি কোষ দিয়ে গঠিত, যা প্রায় যোনীমুখ পুরা ঢেকে রাখে - তবে এতে খুব ছোট একটি ছিদ্র থাকে। এই স্বতীচ্ছদ ঋজঃচক্রের রক্ত প্রবাহ সম্পুর্ন বন্ধ করে দিবেনা, তবে এটি কঠিন করে তুলবে, খুব আস্তে এবং যন্ত্রনাদায়ক ঋজঃচক্র হতে পারে। ছোট ছিদ্র স্বতীচ্ছদে tampon (ঋজঃস্রাবের রক্ত চুষে নেবার জন্য আঙুলের মত দেখতে একপ্রকার প্যাড - যা ঋতুকালীন যৌনাঙ্গে পুরে রাখা যায়) ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়না, যদিও কেউ ঠিক মত খালি tampon ঢুকাতে পারে , অতপরঃ এটি পুরে গেলে তাদের জন্য বাহির করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। যেসকল নারীর ছোট ছিদ্র স্বতীচ্ছদ সমস্যা আছে তাদের স্বতীচ্ছদের ছিদ্র ছোট হবার কারনে রক্ত প্রবাহ খুব আস্তে আস্তে হয়। তাই তাদের দীর্ঘ সময় ঋজঃস্রাব হয়ে থাকে। অনেক সময় কিশোরী মেয়েরা অনুমানও করতে পারেনা তাদের ছোট ছিদ্র স্বতীচ্ছদ আছে। ছোট্র একটি অস্ত্রপ্রচারের সাহায্যে স্বাভাবিক আকারের ছিদ্র তৈরি করার মাধ্যমে এ সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া যায়।
৩. দুই ছিদ্র যুক্ত স্বতীচ্ছদ:
যে স্বতীচ্ছদের স্বাভাবিক ছিদ্রের মাঝে অন্য একটি স্তর পরিলক্ষিত হয় তাকে দুই ছিদ্র যুক্ত স্বতীচ্ছদ বলে, যার ফলে একটির বদলে দুইটি ছোট ছোট ছিদ্র সৃষ্টি হয়। এটি স্বতীচ্ছদের উপরোল্লিখিত সমস্যার তুলনায় খুবই কাদাচিৎ (কম মাত্রায়) দেখা যায়। এমনকি এ সমস্যা ২০০০ হাজার নারীর মধ্যে মাত্র একজনের দেখা যেতে পারে। ছিদ্রহীন(১) স্বতীচ্ছদের মত ছোট্র একটি অস্ত্রপ্রচারের মাধমে এ সমস্যা থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব। এই অস্ত্রপ্রচারে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মত সময় লাগে। এবং একই দিন হাসপাতাল ছেড়ে ঘরে চলে আসতে পারে। ২/১ দিনের মাথায় ওই অঞ্চল স্বাভাবিক হয়ে যায়।
কিভাবে বুঝবেন আপনার স্বতীচ্ছদ ফেটে গেছে কিনা?
একজন ডাক্তারই সঠিকভাবে বলতে পারবেন আপনার স্বতীচ্ছদ ফেটে গেছে কিনা? যাইহোক, কিছু লক্ষন থেকে আপনি অনুমান করতে পারেন স্বতীচ্ছদ সত্যিকারেই ফেটে গেছে নাকি এখনো বিদ্যমনঃ
* দুই পা ফাক করে বসুন। এবার আঙুলের সাহায্যে ভগাঙ্কুরের ভাজ দুটিকে দুই দিকে সরিয়ে ধরুন এবং ছোট একটি আয়না যোনীর সামনে রেখে লক্ষ করুন রিং আকারের পাতলা একটি পর্দা দেখতে পান কিনা? যদি দেখা যায় তবে বুঝবেন আপনার স্বতীচ্ছদ এখনো ঠিক আছে।
* আপনি চাইলে আস্তে (জোরে চাপ না দিয়ে) আস্তে মধ্যমা আঙুল যোনীতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করুন। যদি আঙুল স্বাভাবিক ভাবে ১ থেকে ১.৫ ইঞ্চির বেশি না ঢুকে এবং মনে হয় কিছু একটা জিনিস আপনার আঙুলকে পিছনের দিকে ঠেলে বাহির করে দিচ্ছে, তাহলে ধরে নিতে পারেন আপনার স্বতীচ্ছদ বিদ্যমান আছে।
* স্বতীচ্ছদ ছিড়ে যাবার সময় রক্তপাত হয় এবং সামান্য ব্যথা-যন্ত্রনা অনুভুত হয় এবং সে থেকে জানতে পারেন আপনার স্বতীচ্ছদ কবে ফেটেছিল।
স্বতীচ্ছদ পুনঃপ্রতিষ্ঠা কিংবা মেরামত করাঃ
নরীর স্বতীচ্ছদ শাররীক মিলন অথবা সাঁতার, শরীরচর্চা, খেলাধুলা ইত্যাদি থেকে ফেটে যেতে পারে। tampon ব্যবহারের ফলেও অনেক সময় স্বতীচ্ছদ ফেটে যায়। চিরে কিংবা ফেটে যাবার পর হাইমেনোপ্লাষ্টি দ্বারা স্বতীচ্ছদ পুনরায় মেরামত/পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। হাইমেনোপ্লাষ্টি সাধারনত জাতিগত, সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারনে করে থাকে - যার মধ্যে "স্বতীচ্ছদ নারী স্বতীত্বের প্রমান" এমন গুরুত্বপুর্ন ধারনা কারন হিসেবে নিহিত থাকে। হাইমেনোপ্লাষ্টি দ্বারা ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদেরও অস্ত্রপ্রচার হয়ে থাকে।
স্বতীচ্ছদ - সত্যিকার বিষয়গুলি...
* প্রতি ১০০০ হাজার মেয়ে শিশুর ১ জন স্বতীচ্ছদ ছাড়াই ভুমিষ্ঠ হয়।
* শতকরা ৪৪% নারীর-ই প্রথমবার মিলনে কোন প্রকার রক্তপাত হয়না।
* স্বতীচ্ছদ খেলাধুলা কিংবা অন্যকোন কারনে প্রাকৃতিক ভাবেই ফেটে যেতে পারে।
* মাসিক ঋজঃস্রাবের সময় স্বতীচ্ছদে অবস্থিত ছিদ্র রক্ত প্রবাহকে স্বাভাবিক রাখতে প্রাকৃতিক ভাবেই বড় হয়ে যায়।
* টেমপুন ব্যবহারের ফলে স্বতীচ্ছদ ছিড়ে যেতে পারে।
* অনেক নারী যাদের ছোট কিংবা ইলাষ্টিক টাইপ স্বতীচ্ছদ থাকে তাদের কখনো স্বতীচ্ছদ ফাটে না। এমনকি সন্তান জন্ম দেবার পরও স্বতীচ্ছদ অক্ষত থাকে।
* স্বতীচ্ছদ ফাটলেই রক্তক্ষরণ হবে - এটি ভুল ধারনা। রক্তক্ষরণ ছাড়াও স্বতীচ্ছদ চিরে যেতে পারে।
পরিশিষ্টঃ
আমাদের দেশে এখনো বাসর রাতে সাদা রঙের বিছানার চাদর ব্যবহার করতে দেখা যায়। যার অলিখিত উদ্দেশ্যই হল - প্রথম মিলনে রক্তপাত হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা। অনেক সু-শিক্ষিত মানুষকেও দেখি তার সদ্য বিবাহকরা স্ত্রীর স্বতীত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন - রক্তক্ষরণ কিংবা মিলনকালে নারী স্বাভাবিক থাকলে।
ভাই দিন বদলেছে - মানুষের অন্ধকারে বসবাসের সময়ও পরিবর্তন হয়েছে। তার পরও কি মান-দাত্বার আমালের চিন্তাধারা নিয়ে থাকবেন?
পশ্চিমা বিশ্ব এমনকি ইরান সহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে কিশোরী মেয়েদের স্বতীচ্ছদ অপসারাণ করে ফেলা হয়।
রক্ত নয় - কষ্ট নয় - সুন্দর পারিবারিক সম্পর্কই আমাদের সকলের কাম্য হউক, এই প্রত্যাশা।
এ লিখাটি যৌন শিক্ষা বিষয়ক ফেইসবুক পেইজ এবং জীবন জিজ্ঞাসা পেইজে প্রকাশিত হয়েছে। নানা অজানা বিষয়কে জানার আগ্রহ পোষন করলে ডু মেরে আসতে পারেন।
২|
১৬ ই মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৩
বীরেনদ্র বলেছেন: আরব দেশ সমুহে রীতি প্রচলিত আছে যে বাসর রাতে সাদা চাদর পেতে বর বউকে ঘুমাতে হবে এবং পরদিন সকালে শ্বাশুড়ী তা পরীক্ষা করে রক্তপাতের চিহ্ন দেখবেন আর এই কারনেই নাকি আরব মেয়েরা তাদের হাইমেন বা সতীচ্ছদ অটুট রাখতে চায়, এবং যোনীর পরিবর্তে পায়ু পথে যৌন সঙ্গমে আগ্রহ দেখায় ( আমার আরব ছাত্রদের কাছ থেকে শোনা)।
বাসর রাতে স্ত্রীর সতীচ্ছদ অটুট কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকে। বিয়ের আগে পুর্নবয়স্ক নারী বা পুরুষ, ইচ্ছা থাকলে এবং উপযুক্ত পরিবেশে যোণ সঙ্গমে লিপ্ত হন। পুরুষ বিয়ের আগে যৌণ সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছিলেন কিনা তা প্রমানের উপায় নেই।তিনি যদি কোন কুমারী মেয়ের সাথে যৌণ সঙ্গমে লিপ্ত হয়ে থাকেন সেই মেয়ের সতীচ্ছদ অটুট না থাকাই স্বাভাবিক।
মেয়ে সতীচ্ছদ অটুট না থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত হল কিন্তু সেই পুরুষের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ ওঠল না। সেই পুরুষই আবার বিয়ের রাতে স্ত্রীর সতীচ্ছদ অটুট আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন। তিনি একবার ও ভেবে দেখলেন না যে তিনি বিয়ের আগে যে যৌন সঙ্গম করেছিলেন সেই একই ভাবে হয়ত তার স্ত্রীর সতীচ্ছদ ফেটে গিয়ে থাকতে পারে।
আর্থাৎ যৌনমিলন হল স্ত্রী এবং পুরুষের মধ্যে , নারী হল অভিযুক্ত এবং পুরুষ থাকল অভিযোগের উর্ধে।
১৬ ই মে, ২০১২ রাত ৮:১২
স্বপ্নতরী (রাজু) বলেছেন: পুরুষ ধোয়া তুলুসীপাতা। আমরা নিজেদের অপরাধ দেখিনা। ভাবটা এমন যে আমাদের অঙ্গ ধুঁয়ে পেললেই আমরা পবিত্র। যত অপবিত্রতা নারীর মাঝে।
৩|
১৬ ই মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৬
রিফাত হোসেন বলেছেন: +++ দিলাম যদিও আমার কোন কামে লাগব না .... আজাইরা জ্ঞান নিলাম ।
জীবনে অন্য কোন সময়ে কাজে লাগলেও লাগতে পারে, যদিও আমি গোড়ানা ।
৪|
১৬ ই মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৭
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনের স্কোর কত?
৫|
১৬ ই মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৫
েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: তার মানে বলতে চান, Statistically, if you find 10 girls without intact hymen, every one is doing exercise, running, biking or even diseases which may broken down their hymen.
My opinion is, out of 10, 2-3 girls may have these problems, what about others?
১৬ ই মে, ২০১২ রাত ৮:১৪
স্বপ্নতরী (রাজু) বলেছেন: শুধু ব্যয়াম থেকে নয়। অনেক কারনেই এটা ফেটে যেতে পারে।
শতকরা ৪০% নারীর বিয়ের আগেই এ পর্দা ফেটে যায়।
৬|
১৬ ই মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৫
নতুন বলেছেন: কেউ কেন পুলারে জিগায়না কেন ছেলে কুমার আছে কি না???
সব দোষ সুধু মাইয়াগো কেন???
৭|
১৬ ই মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৮
ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: আপনার পোস্টে অনেক ভুল তথ্য আছে। রিপোর্ট করলাম
১৬ ই মে, ২০১২ রাত ৮:১৬
স্বপ্নতরী (রাজু) বলেছেন: ২/১ টা পয়েন্ট ধরিয়ে দিলে আমার এবং যারা পড়ছেন তাদের উপকার হত। কারন সত্যিই আমি ভুল তথ্যগুলো জানিনা (জানলে অবশ্যই বাদ দিতাম)।
৮|
১৬ ই মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪২
Observer বলেছেন: স্টিকি করা হউক
৯|
১৬ ই মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৬
রিফাত হোসেন বলেছেন: আমি এন্ট রিপোর্ট দিলাম
চয়ন সাহেব এর রিপোর্টকে থামাইয়া দিতে পারে । ![]()
মডুর সাথে কসমিক বিমে যোগাযোগ হয় ! ![]()
১৬ ই মে, ২০১২ রাত ৮:১৭
স্বপ্নতরী (রাজু) বলেছেন:
১০|
১৬ ই মে, ২০১২ রাত ৮:৪৮
মেরিটলেস বলেছেন: Observer বলেছেন: স্টিকি করা হউক
![]()
১১|
১৬ ই মে, ২০১২ রাত ৯:৫৫
নির্জন০০৭ বলেছেন: ''''''''''''''''''েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: তার মানে বলতে চান, Statistically, if you find 10 girls without intact hymen, every one is doing exercise, running, biking or even diseases which may broken down their hymen.
My opinion is, out of 10, 2-3 girls may have these problems, what about others?'''''''
who is gonna find 10 girls?? u?whoever find,should not b worried about hymen ........
১২|
১৬ ই মে, ২০১২ রাত ৯:৫৯
রাজদরবার বলেছেন: সতীচ্ছদ খেলা বা সাঁতার কাটলে ফেটে যায় এটি সম্পূর্ণ ভুল।
আর বীরেনদ্রকে নিয়ে কিছু বলার নেই। সাম্প্রদায়িক মাদারচোদ। তার মালুধর্মে যে মেয়েরা মাথায় সিঁদুর দেয় বিয়ের পর তা দেয় তাদের ওটা ফাটা, সেটা প্রকাশের জন্য।
১৩|
১৬ ই মে, ২০১২ রাত ১১:৫২
নক্শী কাঁথার মাঠ বলেছেন: এটা নিয়ে অনেক কথা শুনেছি, কখনো দেখার কৌতুহল হয়নি। আপনার পোস্ট পড়ে গুগলে ইমেজ সার্চ দিয়ে দেখলাম জিনিসটা কি। সুন্দর কোন দৃশ্য না অবশ্য। একটা জিনিস জানা হলো এই আরকি।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০০
আলোকন বলেছেন: গ্যানমূলক পুষ্টু :!> :#> :!>