![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
The woods are lovely, dark and deep, But I have promises to keep, And miles to go before I sleep, And miles to go before I sleep.---Robert Frost
একটু আগে একটা দাওয়াত থেকে ফিরলাম। দাওয়াতের উদ্দেশ্য সুইট সিক্সটিন। অর্থাৎ, যিনি দাওয়াত দিয়েছেন, তাঁর মেয়ের বয়স ষোল বছর পূর্ণ হলো। মেয়ের জন্যে ষোলতলা কেক বানানো হয়েছে। ডমপেনের কেক। খুবই সুস্বাদু। মেয়েকে একটা মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়ি উপহার দিয়েছেন তার বাবা-মা। দাওয়াতে প্রায় শ'দুয়েক আতিথি এসেছে। আলিশান বাড়ির সামনে অতিথিদের সারি সারি গাড়ি। হ্যাঁ, পাঠক, আমি বলছি আমেরিকার বাঙ্গালী কমিউনিটিতে আমার দাওয়াতের অভিজ্ঞতার গল্প।
আমি ইদানিং নিমন্ত্রণ পেলে খুব জরুরী কাজ না থাকলে সাধারণত: দাওয়াত মিস করিনা। এর কারণ হলো, নিমন্ত্রণের সুস্বাদু খাওয়া থাকলে কে কষ্ট করে রান্না করতে যায়? তবে এটা ঠিক যে, সব পার্টিতেই যে খাবারের মান ভালো হবে, তা কিন্তু নয়। আবার বিভিন্ন ধরণের দাওয়াতে বিভিন্ন রকমের গিফট আইটেম কেনার একটা যন্ত্রণাও থাকে। সবাই যা করে, আমিও তার ব্যাত্ক্রিম নই। অর্থাৎ, এই দেশে প্রায় সময়ই বিভিন্ন সেল চলতেই থাকে। কমদামে সেলের বিভিন্ন জিনিসপত্র আগে থেকেই কিনে রেখে দেই। ব্যাস, ঝামেলা শেষ।
আমার ধারণা, আমেরিকা কিংবা কানাডা'র বাঙালী কমিউনিটির দাওয়াতগুলো আসলেই খুব টিপিক্যাল। যে কমিউনিটির কিছু বাংলাদেশী মানুষের সাথে আপনি নিয়মিত পার্টি করবেন, সোশ্যাল যোগাযোগ রক্ষা করে চলবেন, কালক্রমে সেই কমিউনিটির প্রত্যেকটা মানুষকেই কমবেশি চেনা হয়ে যায়। এর মধ্যে আবার বিভিন্ন রকম দলাদলি আছে। কেউ আওয়ামীপন্থী, আবার কেউ জামাত বা বিএনপিপন্থী। একজন হয়তো আর একজনের সাথে ব্যবসায় বাটপারি করে অপর ব্যাক্তিকে ল্যাঙ্গ মেরে দিয়েছে। অতএব, একজন আর একজনের মুখ দেখাদেখি বন্ধ। পার্টিতে গেলে সালাম-কালাম পর্যন্ত নেই। কারও আবার ফ্যামিলি ড্রামা। অর্থাৎ, পারিবারিক কলহের কারণে দুই পরিবারের মানুষের মাঝে কথা বলাই বন্ধ। আবার কোন এলাকায় সাউথ সাইডের লোকরা নর্থ সাইডের লোকদের দাওয়াত দিবেনা। কারণ তারা সাউথ গ্রুপ, এরা নর্থ গ্রুপ। কত যে কাহিনী। বলে শেষ করা যাবেনা।
দাওয়াত খাওয়ার কথা বলছিলাম। এখন যেমন মুখস্থ হয়ে গিয়েছে যে, ফরিদা আন্টিদের বাসায় দাওয়াত মানেই খাবার নিম্ন মানের হবে। অধিকাংশ খাবারেই লবণ থাকবেনা অথবা থাকলেও কম। আবার নাহিদ আন্টির বাসায় টেবিল উপচে মুখরোচক সব খাবারের আয়োজন।
একটা সত্যি কথা স্বীকার করবো? দাওয়াতে গেলে খাওয়াটাই আমার কাছে সব কিছু। কেউ কেউ হয়তোবা ভাবতে পারেন, "কি খাদক রে বাবা! খাওয়া ছাড়া কিছুই বুঝেনা।" আমি বলবো কি জানেন? পার্টি বা দাওয়াতে যাওয়া মানুষগুলোর মাঝে যেসব আলোচনা হয়, সেগুলোও এখন আমার মুখস্থ হয়ে গিয়েছে। নতুন করে এগুলো শোনার আর কী-ই বা বাকী আছে বলুন? বিশ্বাস হচ্ছেনা? তাহলে পার্টিতে পুরুষদের মধ্যে যে আলোচনা হয়, তার কয়েকটি নমুনা দিচ্ছি।
সামাদ আঙ্কেলের ছয়টা গ্রোসারী দোকান। তিনি সাত নম্বর দোকানটা খুব শীঘ্রই উদ্বোধন করবেন। কিভাবে করবেন, কি প্ল্যান, সেটা পার্টিতে সবাইকে হাতে কলমে বুঝিয়ে দিচ্ছেন। ডাক্তার ফয়সাল একটা গাড়ি কিনবেন। টেসলা গাড়ি। এই গাড়ির শুধু ব্যাটারীর দামই নাকি ত্রিশ হাজার ডলার। এখন তিনি পার্টির জনগণের একাংশকে টেসলা গাড়ির ইতিহাস, ফাংশন এবং কেনো এই গাড়ি সবার কেনা উচিত, সেটি সবিস্তারে বর্ণনা করছেন। মিস্টার বাতেন বাড়ি বিক্রি করেন। তার ধান্ধা কিভাবে এই পার্টি থেকে দুই একটা ক্লায়েন্ট বের করা যায়। আর একটা গ্রুপ আছে যাদের কাজ হলো কোথায় সস্তায় কাঁচা বাজার করা যায়, কিভাবে সরকারী বেনিফিট নেওয়া সম্ভব, কোথায় পিঁয়াজের সেল চলছে - এগুলো নিয়ে পার্টিতে অন্য সবার সাথে রিসার্চ করা।
এবার আসি পার্টিতে মহিলা এবং আন্টিদের আলোচনাতে। ধনকুবের ইয়াসমিন আন্টির মেয়ের বিয়ে। শেরাটনে কিভাবে গায়ে হলুদ করবেন, আটলান্টা থেকে কিভাবে শপিং করবেন, দীর্ঘ তিনমাস ব্যাপী কিভাবে মেয়ের বিয়ের প্রোগ্রাম সাজিয়েছেন, সেগুলো মহিলা সমাজে বেশ রসিয়ে রসিয়ে বলছেন। রাজকীয় ব্যাপার স্যাপার। আর তার চারপাশ ঘিরে আছে আরও কিছু প্রজাসদৃশ আন্টি এবং মহিলা। তারাও ঢোলে বাড়ি বেশ জোরেই দিচ্ছেন। পারুল আন্টি তার অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে বিভিন্ন পার্টিতে খাবারের আয়োজন এবং খাবারের নিম্নমানের কোয়ালিটি নিয়ে ছোটখাটো একটা লেকচার দিচ্ছেন। মিসেস কাওসার পারহেজগার নারী। সামনে হজ্জে যাবেন। কিভাবে যাবেন, কি করবেন, সেগুলো নিয়ে পার্টিতে জ্ঞানগর্ভ আলোচনায় ব্যাস্ত। শাহরিন আপা তার ফিগার আর সৌন্দর্য্য কিভাবে এই পঞ্চান্ন বছর বয়সেও ধরে রেখেছেন, সেগুলো উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করে চলেছেন। কোন ব্র্যাণ্ডের কোন মেক-আপ কেন ব্যবহার করবেন, তার সাইড-ইফেক্ট কি, কিভাবে সাত দিনে দুইশো পাউণ্ড ওজন কমিয়ে ফেলবেন, এগুলোতে শাহরিন আপা ওস্তাদ। ডাউনটাউনে আম্বরী ভাবীর নিজের বুটিকের দোকান। কোন কোন নতুন মাথা নষ্টকরা থ্রি-পিস দোকানে উঠিয়েছেন, কিভাবে তিনি কমদামে পরিচিতদেরকে দিবেন, কেন সেগুলো এখনই সবার কেনা ফরজ এগুলোর সবিস্তার বর্ণনা চাক্ষুস দেখলে বোঝা যায় যে, তিনি জাত ব্যবসায়ী। ওদিকে টুম্পা আন্টি তার হাতের ক্যামেরা, আইফোন আর হ্যাণ্ডিক্যাম দিয়ে সমানে সবার ছবি তুলছেন আর ভিডিও করে বেড়াচ্ছেন। তাঁকে দেখলে মনে হবে, পার্টিতে সবার প্রতি সেকেণ্ডের ছবি তুলতে না পারলে বিশাল কোন লস হয়ে যাবে। একবার তার তোলা ছবি দেখতে চেয়েছিলাম। এর থেকে আমার পোষা কুকুর 'লেপার্ড'-ও মনে হয় ভালো ছবি তুলতে পারবে।
পার্টিতে কিছু পিচ্চি ছেলেপেলে থাকে যাদের বয়স চার থেকে দশের মধ্যে। এদের মধ্যে ঠিক একটা থাকে চরম বান্দর প্রকৃতির। এই বান্দরটাই অন্যগুলোকে নিয়ে পার্টিতে দৌড়ে বেড়াবে। মানুষজনকে উৎপাত করবে। খাবারের প্লেট মাটিতে ফেলে চারপাশ নোংরা করবে আর ঘরময় দাপাদাপি করে বেড়াবে। দেশে থাকলে এই নেতা বান্দরটাকে চড়-থাপ্পড় মেরে সাইজ করা যেতো। আমেরিকা বলে করা যাবেনা।
এবার আসি পার্টিতে উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের আলোচনা নিয়ে। এদের বয়স পনের-ষোল থেকে বিশ-বাইশ। দু:খের বিষয় হলো, এদের আলোচনাগুলো আমি কোনকালেই ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি। এরা ইংরেজিতে বিড়বিড় করে কীসব বলে। সব কথাই আমার মাথার ওপর দিয়ে যায়। তাই আমি আর ওদের কথা কোনদিন বুঝতেও চাইনা।
এরকম আরও কত কাহিনী পার্টিতে চলছে। পাঠক হয়তোবা ভাবছেন, পুরুষদের কথা নাহয় আমি পুরুষ হয়ে জানলাম। কিন্তু মহিলাদের কিংবা উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের আলোচনাগুলো কিভাবে শুনলাম? উত্তরে এতটুকুই বলতে চাই যে, আমার দু'টি গুণ আছে। আমি খুব ভালো দর্শক এবং মনোযোগী শ্রোতা।
পার্টি শেষে হরিলুটের একটা ব্যাপার আছে। এটা একটু সংক্ষেপে বলতে চাই। একটা রিয়েল টাইম উদাহরণ দিলেই পুরো ব্যাপারটা জলের মতো পরিষ্কার হবে। আমি যে বাংলাদেশী কমিউনিটির সাথে মিশি বা দাওয়াত রক্ষা করে চলি, সেখানে প্রায় প্রতি পার্টি শেষেই বাড়িতে খাবার নিয়ে যাবার জন্যে অতিথিদের কাগজের খালি বাক্স দেয়া হয়। জেরিন আপার একমাত্র মেয়ে মিথিলা'র প্রথম বার্থডেতে এরকম বাক্স দেয়া হলো। পার্টি শেষে যখন বাসার পথে পা বাড়াবো, তখন দেখি মৌসুমী ভাবী তার শাশুড়ীকে বলছে, "মা, বাক্স ঠেসে এমনভাবে খাবার নিয়ে নেন যেন আগামী একমাস আমাকে রান্না না করতে হয়।" আবার ওই পার্টিতেই নাহার আন্টি টেবিলে যত ট্রে মিষ্টি ছিল, শাড়ীর আঁচল কোমরে গুঁজে নিয়ে সবগুলো ট্রে এক হাতেই নিজের গাড়িতে তুলে নিলেন। ওদিকে রুমানা ভাবীসহ আরও পাঁচ-সাতজন ভাবী যখন বাক্স হাতে খাশীর মাংসের বড় দু'টি ট্রে খুঁজে বেড়াচ্ছেন, ততক্ষণে দুই ট্রে খাশীর মাংস কে যেন দিনে দুপুরে গায়েব করে দিয়েছে। এভাবেই পার্টিতে হরিলুট চলে। যারা করে, তারা বিশ ডলারের একটা ওয়ালমার্টের 'গিফট কার্ড' গিফট করে ঠিকই কিন্তু যাবার সময় দুইশো ডলারের খাবার লুট করে নিয়ে যায়।
এগুলো দেখতে দেখতে চুল পেকে গেল। কিন্তু এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। আমিও তাই এখন আর খাওয়া ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে জানতে বা শুনতে আগ্রহী নই। শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হলে নিয়মিত দাওয়াত অবশ্যই খেতে হবে। কাজেই পার্টি বা দাওয়াতে গিয়েই আমার প্রথম এবং একমাত্র কাজ খাওয়া। এছাড়া অন্যকোন দিকে তাকানো কি ঠিক? আপনারাই বলুন?
ফেসবুকে আমি
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৭
পয়গম্বর বলেছেন: আমি শুধু আমার এলাকার এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করলাম।
২| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৩৯
নিরাপদ দেশ চাই বলেছেন: মজা পেলাম পড়ে। আমাদের এখানেও একই অবস্থা। বাংলাদেশী কমিউনিটি সব দেশেই এই একই চরিত্রের। নিজ দেশে বা প্রবাসে। কোন পরিবর্তন নাই তাদের মধ্যে।
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৭
পয়গম্বর বলেছেন: মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
৩| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৪২
মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: "সুইট সিক্সটিন" এসব বাল-ছাল পার্টিও হয়!
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৮
পয়গম্বর বলেছেন: তা-ই তো দেখছি।
৪| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৪৯
নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
চমৎকার বর্ণনা। আমি সংবাদর্সোকর্মী হিসেবে একবার
সোনারগাঁ হেটেলেএকটা সেমিনারে এটেন্ট করার অভিজ্ঞতা
শেয়ার করছি, এক দম্পতিও ছিলো সেই সেমিনারে। দম্পতির
মহিলা সদস্য যেটুকু খাবার নিজে খাচ্ছিলেন্ তার বহুগুণ বেশী
ভর্তি করছিলেন তার সাথে থাকা বাড়তি ব্যাগে (ভেনেটি ব্যাগে নয়)
আর আমার দিকে কেমন করে তাকাচ্ছিলেন যেন ধরা
পড়ে গেলন এই ভাবনায় !!
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৮
পয়গম্বর বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা শুনে মজা পেলাম।
৫| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:০২
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আংকেল আন্টিদের আলাপ সেইরাম
জীবন বোধের স্থুলতা যখন ভাবনায় বসবাস তখন এর বাইরে আর কি হবে????
হায়! একি শোনালেন??? খাবার হরিলুট!!!
তাইকি গুনিজন বলে গেছেন- ইল্লত যায়না ধূইলে, খাসলত যায় না মরলে!
আপনার বেশি বেশি দাওয়াত পাবার শুভকামনায় ++++
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৯
পয়গম্বর বলেছেন: আপনার শুভকামনার জন্যে ধন্যবাদ।
৬| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:১০
রাতুল_শাহ বলেছেন: হা হা হা বেশ মজা পাইলাম.......
বান্দর পোলাপাইনরে না পিটতে পারার যন্ত্রণা বুঝলাম। দেশে হলে কি পিটানো যেত?
দেশেও একটা কমন আলাপ কার ছেলে মেয়ে কি করছে। এই আলাপের প্রভাব ঘরের ছেলে মেয়ের উপর পড়ে।
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩০
পয়গম্বর বলেছেন: মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
৭| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:১২
রানা আমান বলেছেন: দাওয়াত খাওয়া তো খুবই মজার বিষয় , আমিও দাওয়াত খেতে খুবই ভালোবাসি ।
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩০
পয়গম্বর বলেছেন: মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
৮| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:২৫
এডওয়ার্ড মায়া বলেছেন: ভাবছিলাম -বাংগাল বিদেশ গেলে মনে হয় -খাসলত পাল্টায় !
বাংগাল দেশ-বিদেশে হাজার বছরের বাংগালি ঐতিহ্য ধরে রেখে পশ্চিমা সংষ্কৃতিতে অবধান রাখতেছেন তাদেরকে খাড়াইয়া স্যালুট !
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩১
পয়গম্বর বলেছেন: আমার এলাকার ঘটনা বললাম মাত্র।
৯| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:২৭
কালীদাস বলেছেন: লোকাল বাংলাদেশি সোসাইটি থেকে যতটুকু সম্ভব দূরে থাকি নিজের স্বার্থেই। ইউরোপের খুব ঠান্ডা ছোট (যেখানে বাংলাদেশি খুবই কম) শহরগুলো ছাড়া প্রায় সব কয়টা শহরের বাংলাদেশিদের মধ্যে অন্তত ২টা গ্রুপ; একগ্রুপের গেট টুগেদারে আরেক গ্রুপ ভুলেও যায়না। সম্ভবত এবছরের কোরবানী ঈদের সময় প্রথম আলোয় রোমের ঘটনা এসেছিল; ২০০ মিটার ডিসটেন্সে দুই গ্রুপের আলাদা ঈদের নামাজের জামাত, নামাজ শেষে দুই গ্রুপে দুই পথে। এই না হলে মুসলিম ভাতৃত্ব
আপনার সাথে আমিও একমত। এমনিতেও বাংলাদেশিদের সাথে গেট টুগেদারে যাওয়া হয় না, তবে কোন পার্টি (বিদেশীদের সাথেই) থাকলে আপ্রাণ চেষ্টা করি অন্তত রাতের খাবারটাও যদি কোনমতে কভার করা যায় লাঞ্চে সবসময় রাঁধতে ভাল লাগেনা, মাঝে মাঝে রান্নার জন্য রাখা আধাঘন্টাও একবছরের সমতুল্য।
গত কয়েকবছর যাবত নতুন যন্ত্রণা যোগ হয়েছে সবখানে: সেলফি
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩২
পয়গম্বর বলেছেন: চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন। ধন্যবাদ।
১০| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৫৩
বাংলার জামিনদার বলেছেন: বলেন কি খাবার লুট !!!! সবাই তাইলে চোখ খোলা রাখে পার্টি শেষ এই ঘোষনার জন্য।
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৩
পয়গম্বর বলেছেন: খাদ্য ডাকাতি আসলেই দেখার মতো।
১১| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩০
কামরুননাহার কলি বলেছেন: ভালো লাগলো পড়ে।
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৩
পয়গম্বর বলেছেন: মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
১২| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৩১
বাবুই বাবু বলেছেন: খাবার লুটের ঘটনাটা পড়ে মজা পাইলাম। হা হা হা
ভাতাছি আমিও একদিন ট্রাই করবো। হা হা হা। নতুন অভিজ্ঞাতা।
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৩
পয়গম্বর বলেছেন: মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
১৩| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৩
নীল-দর্পণ বলেছেন: এক আপুর কাছে শুনেছিলাম এই কাহিনী। বেশ অবাক লেগেছিল।
মজা পেলাম আপনার লেখা পড়ে।
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৫
পয়গম্বর বলেছেন: মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
১৪| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৩৯
গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: খাদ্য লুটের ঘটনা আমাদের দেশে ঘটতে দেখিনি।
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:২৯
পয়গম্বর বলেছেন: এখানে প্রতিনিয়ত ঘটছে।
১৫| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:২১
শায়মা বলেছেন: হরিলুট মানে কোমরে আঁচল গুজে খাবার নিয়ে যায়!
ও মাই গড!!!!!!! এ ছোটলোকি কোথায় শিখলো আমাদের বাঙ্গালী ভাবীরা!
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:২৭
পয়গম্বর বলেছেন: ভদ্রবেশী খাদ্য-ডাকাতরা পার্টি শেষে সদা তৎপর।
১৬| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৫১
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
কানাডা ছেড়ে newyorkএ কবে থেকে?
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:২৬
পয়গম্বর বলেছেন: ট্রাম্পের দেশে বেড়াতে এসেছি।
১৭| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:১৭
সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: ভাল লিখেছেন! একটা বিষয় গোপন করে গেছেন! ঠিক আপনার মত আমার কিছু বন্ধু আছে এবং যারা কানাডা মেরিকাতেই থাকে! এরা এই সব পার্টিতে যায়, ভাবিদের খোঁজে! হা হা হা!
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৪
পয়গম্বর বলেছেন: নাহ। আমার সার্কেলের মোটামুটি সবাই সবাইকে ভালো ভাবেই চেনে। এখানে ভাবী ধরতে গেলে খাড়ার উপ্রে মাইর জুটবে তাদের। আর যেসব বেসাইজ ভাবীরা আসে পার্টিতে, তাদেরকে দেখার থেকে গোডাউনের আলুর বস্তা দেখাও স্বাস্থ্য সম্মত।
১৮| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:২৮
বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: খালি খালি আমরা তেনাদের বলি দেশকে ভুলে যায়। দেশের সংস্কৃতিকে ভুলে যায়!!
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৪৭
পয়গম্বর বলেছেন: চমৎকার বলেছেন
১৯| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:০৭
সচেতনহ্যাপী বলেছেন: দুই চিনা একত্র হলে ব্যাবসর কথা ভাবে, দুই ভারতীয় এক হলে বাড়িটা কিভাবে বানাবে আলোচনা করে আর দুই বাংলাদেশী হলেই দলীয় বিভক্তিতে মুখ ঘুরিয়ে বসে থাকে।।
হরিলুটের ব্যাপারে শুধু বলবো চরিত্র যায় না মইলে।।
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৭
পয়গম্বর বলেছেন: যথার্থ বলেছেন।
২০| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৪:০৬
বিষন্ন পথিক বলেছেন: অন্য দেশের বাংগালী পার্টির একই বর্ননা দেয়া যাবে, আপনার পার্টি মনে হয় একটু বিত্তবানদের, হালকা গরীবদের পার্টিতে বাড়ী কেনার তরিকা, কয়টায় ট্যাক্সি চালানো লাভজনক এইসব আলোচনা,
আমিতো জানতাম আপনি কানাডা থাকেন..
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫১
পয়গম্বর বলেছেন: আমেরিকা বেড়াতে যাই মাঝে মাঝে। গিয়ে এইসব তামশা দেখি।
২১| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৬:৩৭
রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: যতোসব ছোটলোকি কাজ-কারবার! ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভাণে।
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৫
পয়গম্বর বলেছেন: তাইতো দেখছি।
২২| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:০৯
সামিয়া বলেছেন: হাহা দারুন অভিজ্ঞতা, গোছানো লেখা পড়তে ভাললেগেছে।।
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৫
পয়গম্বর বলেছেন: মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
২৩| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:১০
তারেক ফাহিম বলেছেন: হরিলুটের ব্যাপারটা কেমনজানি
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৫
পয়গম্বর বলেছেন: কেমনজানি হলেও এটাই সত্যি।
২৪| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৪৯
মোস্তফা সোহেল বলেছেন: লেখাটি বেশ ভাল লাগল।
হরিলুট সব জায়গাতেই দেখি হয়
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৬
পয়গম্বর বলেছেন: মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
২৫| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৭
ইমরান আশফাক বলেছেন: আমার শৈশবকাল টা লিবিয়ায় কেটেছে আব্বার চাকরীর সুবাদে (প্রায় ৯ বছর)। ওখানে গুটি কয়েক বাংগালী পরিবার ছিল তখন (আল-বেদা শহরে)। তো ওখানে প্রতি সপ্তাহান্তে বৃহস্পতিবার রাত্রে অথবা শুক্রবার কোন না কোন বাংগালী পরিবারে সবার দাওয়াত থাকত পালাক্রমে। আর বছরে কয়েকবার পিকনিক তো থাকতই। খাবার প্রচুর নষ্ট হতো কিন্তু কেউ বাসায় কিছু নিতে চাইতো না। এখন মনে হচ্ছে ট্রেন্ড টা চেন্জ হয়ে গেছে।
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৮
পয়গম্বর বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্যে ধন্যবাদ।
২৬| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:০১
আরণ্যক রাখাল বলেছেন: দারুণ লিখেছেন
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৮
পয়গম্বর বলেছেন: ধন্যবাদ।
২৭| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৩৮
Bangladeshi Moinul বলেছেন: হরিলুটের ঘটনাটা কি সত্যিই ঘটে!!!! আম্রিকা যাই না কখনো, আর এরকম বড় পার্টিতেও যাই নাই। গ্রামের আম্মা-চাচীরা দেহি ওনাদের তুলনায় ঢেড় ভাল। হরিলুটের বালাই নাই অত। তবে মহিলা মানুষ, মহিলা-মানুষীয় এরকম গল্প উনারা বলেই থাকেন!
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৯
পয়গম্বর বলেছেন: আমার সার্কেলে হরিলুট একটি কমন ঘটনা।
২৮| ২১ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১৪
নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: খাদ্য লুটের ঘটনা আমাদের দেশে ঘটতে দেখিনি।
গিয়াস ভাই, কখনো কি প্রেসক্লাবের কোন সেমিনারে গেছেন?
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, কোন সংস্থা কিংবা কোন ব্যক্তি প্রেসক্লাবে কোন কনফারেন্স করতে গেলে
সাংবাদিকদের জন্য খাবার/নাস্তার ব্যবস্থা করেন, এটা অঘোষিত নিয়ম।
কনফারেন্স শেষে যখন এই খাবারের প্যাকেট বিতরণ হয় তখন দেখবেন কি ভাবে তা লুট হয়!!
ছিনিয়ে নেবার নামে খাদ্য লুট !
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:০০
পয়গম্বর বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
২৯| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৪৬
ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: আমি যেখানে থাকি এখানে খুবই কম বাংগালি। প্রতি শনিবারে আমাদের বাংগালি গেট টুগেদার থাকে।
কিন্তু আমাদের এখানে দলাদলি নাই, আজাইরা গসিপ নাই।
মাঝেমাঝে এদের উদারতা দেখে বরং অবাক হই, ভাবি এরা কি আগের থেকেই এত ভালো মানুষ নাকি বিদেশে এসে এত ভালো হয়েছে?
পার্টি শেষে খাবার নিয়েও আমাদের কাড়াকাড়ি নাই। আপুরা বলতে থাকে যার যা পছন নিয়ে যাও, বক্স দিয়ে রাখে টেবিলে কিন্তু আমরা কেউই এসবে আগ্রহী না। প্রতি সপ্তাহে পার্টি আমাদের এসব এনে কি করবে।
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:০০
পয়গম্বর বলেছেন: বাহ্! আপনার সুন্দর অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্যে ধন্যবাদ।
৩০| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৬
আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ভালো মানুষ মন্দ মানুষ সব জায়গাতেই আছে। তবে সিভিলাইজেশন বলে যে একটা শব্দ আছে, তা' খুব কম বাঙালিই জানে।
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:০১
পয়গম্বর বলেছেন: মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
৩১| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৫৬
অপেক্ষায় নাজির বলেছেন: রুহি আপুর এরিয়া?
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৩৭
ওমেরা বলেছেন: বাংলাদেশী আমরা সব জায়গায়ই একই রকম।