![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বসে আছি একটি কৃষ্ণচূড়ার আড়ালে নিজেকে লুকাতে নাকি অন্য কোন কারনে জানিনা, রাস্তা দিয়ে ভর দুপুরে হেঁটে যাচ্ছিলাম ভালই উপভোগ করছিলাম, মধ্যদুপুরে সূর্য্য মাথায় নিয়ে হাটতে অন্য রকম একটা সুখানুভুতি টের পাই, নিজেকে অন্য জগতের পথিক মনে হয়..চোখ ধাঁধাঁনো রোদে হাটছি আর নিজের মধ্যে নিজেকে হারিয়ে ফেলছি, একটি মুহূর্ত যেন কোন এক নেশার ঘোরে ডুবে আছি, কিছুক্ষন আগেও মনে হচ্ছিল প্রচন্ড গরম এখন কোন কিছুই অনুভূত হচ্ছে না বরং চারপাশের উষ্ণতাকে উপভোগ্য লাগছে, হঠাৎ করে এই অনুভূতিটাকে বরণ করতে ইচ্ছে হলো খুব, সামনে চোখে পড়ল একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ, আগুন লাগিয়ে লাল ফুল ফুটিয়েছে, নিজেকে কবি ভাবতে ভাল লাগেনা, তবে কবিতার জন্য অসম্ভব টান অনুভব করি; কৃষ্ণচূড়ার আগুন দেখে হঠাৎ মনে হলো এমন একটি গ্রামের কথা যেখানে গাছ বলতেই কৃষ্ণচূড়া, পলাশ আর তার ফাঁকে ফাঁকে নীল ফুলের জারুল গাছ, ভর দুপুরে গাঁয়ের সব কৃষ্ণচূড়া, জারুল, পলাশ ফুলকে সুর্য্যের আলোতে এভাবে দেখে মনে হবে যেন গ্রামটিতে আগুন লেগে গেছে ভাবতে ভাবতে আগুন ঝড়ানো কৃষ্ণচূড়া গাছটির নিচে বসে গেলাম প্রদীপের নিচের অন্ধকার টুকু খুঁজে পেতে কিনা কে জানে... এখন মধ্য দুপুর আরো জমিয়ে বলতে গেলে ভরদুপুর, নিজেকে ভাবুক পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে প্রদীপের অন্ধ-তলে ভাবতে বসে গেলাম আজকের সকালের কথা, না সকালের কোন ঘটনাকে নয়, বরং সকালের অস্তিত্ব নিয়ে, আচ্ছা এখন তো দুপুর, আজকের ভোরটি কোথায় গেলো? শিশিরের সিক্ততায় নিজেকে আবিস্কার করল যে ভোর, নিজেকে সকাল রুপে, এই ভর দুপুরে সে এখন কোথায়? সকালটিকে মৃত মনে হলো হঠাৎ করে, কল্পনায় ভেসে উঠলো সেই আগুন গাঁয়ের কোন এক মেঠো পথের বাঁকে সকালটি মুখ থুবড়ে মরে পড়ে আছে যার নীল-চোখে হঠাৎ অকাল নিশ্চিৎ প্রয়াণের অপরিমেয় বিস্ময়!! আমি যেখানে বসে আছি তার কিছু সামনেই একটি দীঘি মতো, অদ্ভুত চমৎকার জায়গা নিজেকে লুকিয়ে ফেলতে ইচ্ছে করে সব কিছু থেকে এমন আবিস্কারের আনন্দ পেতে, আমি হাত পা ছড়িয়ে রীতিমত শুয়ে পড়লাম, চোখ বুজে রইলাম কিছুক্ষন অনুভূতিটাকে উপভোগের জন্য, অনেকদিন পর একা একা বেরিয়েছি ঘুরতে, আসলে একাই কাটাই মুহুর্তগুলো কিন্তু নিজের সাথে নিজের অনুভূতিগুলো উপভোগের এই মেল-বন্ধন খুবই কম ঘটে থাকে, একটি পাখি ডাকছে আপন মনে ডেকেই যাচ্ছে ডেকেই যাচ্ছে, পাখিটার ডাকটা পরিচিত কিন্তু কোন পাখি ঠিক ধরতে পারছি না তবে ডাকাডাকি উপভোগ করছি, চোখ খুলে তাকালাম একটি হলুদ পাখি, চমৎকার দেখতে, ডাকাডাকির মাঝে একটা অস্থিরতা আছে কিছুটা ক্ষোভও টের পাচ্ছি, ডেকে যাক আমি শুনতে থাকি... পাখিটাকে মনে হলো একাকী হয়ে নিজেকে যা না তাই বুঝাচ্ছে। আমি ভাবনাটাকে অন্য দিকে সরানোর জন্য উঠে বসলাম গাছটার গায়ে হেলান দিয়ে বসলাম, গাছটির নিচে কৃষ্ণচূড়ার সমারোহ, একটা গালিচা গড়ার প্রয়াস যেন, অনেক অভূতপূর্ব লাগছে সময়টিকে। দীঘিটি আসলে, দীঘিথেকে একটু ছোট কিন্তু পুকুর থেকে একটু বড়, কিন্তু এ মুহুর্তে দীঘি ছাড়া কিছু বলতে ইচ্ছা করছে না। উঠে পড়লাম, দীঘির পাড়ে গিয়ে পা ডুবিয়ে বসে পড়লাম, কিছু দূরে একটি বক এক পা ডুবিয়ে ঝিমাচ্ছে, আমি কিছুটা নুয়ে ওর আরেকটা পা খোঁজার চেষ্টায় রত এ সময় পায়ে মাছের ঠোকর খেয়ে এতটাই চমকে গেলাম কাপড় চোপড়ে পানি লাগিয়ে যা তা দশা করে ফেললাম এ জন্য মনে মনে বক আর ওর এক ঠ্যাং কে দুষতে লাগলাম, নিজের অন্যমনস্কতার দোষকে ঢাকার জন্য। আমি আবার পা ডুবিয়ে দিলাম, ছোট ছোট মাছ গুলি আবার এসে পায়ের আঙ্গুল গুলি ঠোকরাতে লাগল সুরসুরি ও লাগছে শিহরিত ও লাগছে, অদ্ভুত অনুভুতি; হঠাৎ করে হেসে দিলাম এই অনুভবে। সুর্য্যের আলো পুরোটাই পানিতে পড়ছে বাতাসের সাথে ঢেউয়ের মিতালি হওয়ায়, আলোটা একটু ঝিলিমিলিতে চোখে লাগছে, পানিকে মনে হচ্ছে ঝিলিমিলি ডিসপ্লে, আর মন থেকে অনুভুতি গুলো মুখ থেকে সীমিত হয়ে বের হচ্ছে 'অদ্ভুত!' 'অদ্ভুত!!'-শব্দরুপে। একঝাক হাঁস ভেসে বেরাচ্ছে আপন মনে কিছুটা দূরে ওদের দেখে ঈর্ষায় কিছুক্ষন ভাবতে লাগলাম, কেন হাঁস হইলাম না ভাবতে ভাবতেই ঝুম করে পানিতে নেমে গেলাম কিছুক্ষন ডুবালাম, ইচ্ছেমতো হাঁসগুলোকে তাড়া করলাম পাঁজিগুলো সাতার কেটে পালিয়ে গেলো। এবার আমার শরীরের আধেকটা পানির নিচে আধেকটা পানির উপরে, উষ্ণতার পার্থক্য মাপতে লেগে গেলাম উপরের গরম আর নিচের ঠান্ডা দুটোই উপভোগ করতে লাগলাম চোখ বুঁজে, এভাবে কিছুক্ষন থেকে ভাবলাম অনেক হইছে উপভোগ, হাঁটা ধরলাম শেষ দুপুরে মতিন চাচার চায়ের দোকানে আধভেজা হয়ে ঢুকে, চাচার বেঞ্চি ভিজিয়ে, পিরিচে চা ঢেলে খেতে লাগলাম চুক চুক করে,চায়ের স্বাদ কেন জানি ডাবল লাগছে! পকেটে হাত দিয়া টাকা ভিজা পাইলাম মতিন চাচারে একটা দাঁত-ক্যালানী হাসি গিফ্ট দিয়ে চায়ের দাম দিয়ে সোজা বিকেল বরণে নেমে গেলাম....
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫১
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: আসলে অনেক দিন ধরে একটা গল্প লেখার চেষ্টায় ছিলাম আজ লিখতে বসে গেলাম যা আছে কপালে ভেবে... গল্প হিসেবেই লিখছি এখন বাকীডা আপনের ইচ্ছা...
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
২| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
অপ্সরা বলেছেন: একঝাক হাঁস ভেসে বেরাচ্ছে আপন মনে কিছুটা দূরে ওদের দেখে ঈর্ষায় কিছুক্ষন ভাবতে লাগলাম কেন হাঁস হইলাম না
তুমি কি সেই গানটা শুনেছো??
মোরা আর জনমে হংস মিথুন ছিলাম.....
ছিলাম নদীর জলে .............
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৩
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: হুম আপু অনেক শুনছি..কিন্তু এককালে ছিলাম এখন কেন হংস হইলাম না এই আফসুস থাইকা গেলো
তোমাকে ধন্যবাদ পড়ার জন্য
৩| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: এক্সেলেন্ট
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৮
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: ঠাংকু জেডা
৪| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫২
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
"গাছটির নিচে কৃষ্ণচূড়ার সমারোহ, একটা গালিচা গড়ার প্রয়াস যেন, অনেক অভূতপূর্ব লাগছে সময়টিকে। "
দেখতে পেলাম সময়টাকে.......খুব সুন্দর। কৃষ্ণচূড়া বলে কথা!
দীঘির পা ডোবা সময়টা অনায়াসে আর একটা পোষ্টের লেখা হতে পারতো।
এত সুন্দর বর্ণনা.....মনে হলো ঘুরে এলাম
শুভেচ্ছা।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১০
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর কমেন্টের জন্য
৫| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১২
রথে চেপে এলাম বলেছেন: খুব সুন্দর নাম.... লেখাও সুন্দর। বেশ ভাল লাগল।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৭
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ
৬| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৮
জেরী বলেছেন:
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: বালিশ কাঁথা দিমু নাকি??
৭| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৮
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: অনেকগুলা টাইপো আছে। থুবরে, বিষ্ময় ...আরো কি যেন। এম্নিতে যদিও পুরো লেখা মাথার উপর দিয়ে গেছে, তবে সৌন্দর্যের অংশগুলো ধরতে পারছি।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫০
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: টাইপো গুলো যতটা পারছি ঠিক করার চেষ্টা করছি...পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ, সুন্দর অনুভূতি প্রকাশ করতে চেয়েছি কেবল ভাবনায়...
৮| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৩
হাসান মাহবুব বলেছেন: পরে পড়ুম। পেলাচ।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫২
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: না পইড়া পেলাচ দেয়ার জন্য আপনেরে মাইলাচ...
৯| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫০
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: 'অদ্ভুত!' 'অদ্ভুত!!'
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ, আপনার কমেন্টের চমকিত অনুভূতি কাটছে না যেন!! নিজের অনুভূতি এভাবে ফিরে পাব ভাবিনি
১০| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৬
সোনালীডানা বলেছেন: বাহঃ বেশ তো.......
পিলাচ দিয়া গেলাম জেডা
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৭
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: ধইন্যা জেডা
১১| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৯
নো ব ডি বলেছেন: ভালো লাগলো। প্রকৃতি আমাদের সাহিত্য থেকে প্রায় অতীত। ধন্যবাদ।এমন পোষ্টে জন্যে। একজন প্রকৃতি প্রেমিকে আরও গভীরে যেতে হবে । প্রকৃতির বিশালতায় নিজেকে পুরোপুরি উৎসর্গ করতে হবে। তবেই...........................................। আবারো ধন্যবাদ।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২০
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: আসলে সাহিত্য প্রকৃতি থেকে উদ্ভুত, প্রকৃতির সান্নিধ্যের অনুভূতি গুলো সাহিত্যের গতিময়তায় ফুটে ওঠে, নিজেকে প্রকৃতির মাঝে বিলীন করে দেবার আনন্দে ভাসতে চেয়েছি কেবল কল্পনায় হয়তো বেশী ডুবতে পারিনি মরচে ধরা অনুভূতির কারনে...
আপনাকে ধন্যবাদ চমৎকার কমেন্টের জন্য
১২| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১১
ভাবের অভাব বলেছেন: চমৎকার। চমৎকার লেখা। এর বেশি কিছু বলার আর সাহস হল না।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২১
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ, সেফ হয়েছেন দেখে ভালো লাগছে...
১৩| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৪
রাতমজুর বলেছেন:
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২০
শ্রাবনের ফুল বলেছেন:
ঘুমানির জন্য চিপায় যান নইলে পানি ছিডামু কইলাম..
১৪| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩২
নো ব ডি বলেছেন: ঠিক বলেছেন। "আসলে সাহিত্য প্রকৃতি থেকে উদ্ভুত, প্রকৃতির সান্নিধ্যের অনুভূতি গুলো সাহিত্যের গতিময়তায় ফুটে ওঠে"। ধন্যবাদ। আপনার অনুভূতি গুলো সুন্দর করে পোষ্ট করুণ।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২২
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
চেষ্টায় আছি অনুভূতি গুলিকে সাজানোর কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই সাজাতে ব্যর্থ হই... এলোমেলো তাই হয় সব...
১৫| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: খুবই ভাল্লাগসে ...
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৩
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: অনেক অনেক ধইন্যা
১৬| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৯
ফারা তন্বী বলেছেন: ওরে দোস্ত কি করছে রে!!
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৮
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: হুমমমমম
১৭| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৭
আকাশ_পাগলা বলেছেন: অনেক ভাল হইসে।
বেহেশতের টুকরা মনে হল।
ছবিগুলা দেয়াতে আরও চরম হইছে।
আসলেই ভাল্লাগছে।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১২
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: ধন্যবাদ আকাশ
১৮| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২৫
কঁাকন বলেছেন: মাথার ওপর দিয়াগেলো
আগে খালি কবিতা মাথার ওপর দিয়া যাইত ইদানিং গদ্যও যায়
আপসোস
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪
শ্রাবনের ফুল বলেছেন:
১৯| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কঁাকন বলেছেন: মাথার ওপর দিয়াগেলো
আগে খালি কবিতা মাথার ওপর দিয়া যাইত ইদানিং গদ্যও যায়
আপসোস
হা হা চে উ প গে।
পড়তে পড়তে মনে হলো আপনি আর প্রকৃতি মিলে মিশে একাকার হয়ে গিয়েছিলেন।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: কমেন্টের জন্য ধইন্যা
২০| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
তাজা কলম বলেছেন: হৃদয় কলমে লেখা। তাই মন ছুয়েঁ গেল।
ভাল লেগেছে, খুব।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
২১| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: এরপর? বিকেল বরণ কেমন হলো?
আরো একটা প্লাস বেশি গুইনেন---ওর দেয়া
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৯
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: বিকেল বরণ হবে আরেকদিন
দুইডা প্লাসই সোনা দিয়া বাঁধাই রাখলাম....
২২| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৮
পাথুরে বলেছেন:
কি শ্রাফু মিয়া? তোমারে কৈলাম ল্যাখতে, আর তুমি কও পারো না। তাইলে এইডা কি? বিশ্বাস হৈল? লুকজন কি সুন্দর পছন্দ করছে। আমারো ভাল্লাগসে। +
একটা কথা, উপদেশ না... পছন্দ হলে নিতে পারো... নিজের লেখার উপর কিছু জোর করে কখনো চাপিয়ে দিও না, কখনো জোর করে কোন বিষয় নিয়ে লিখতে যেও না... যদি কোন অনুভূতি আসে মনে লিখে ফেলো কিংবা টাইপ করো....থেমো না....একদমে শেষ করো...মনে ঠিক যেভাবে আসে সেভাবেই... এ ভাষায় না বলে কিভাবে একটু সুন্দরভাবে বলবো- তা নিয়ে ভুলেও ভেবোনা। মনে রেখো এটা শুধু লেখা না, এটা তোমার অনুভূতি..... আরোপিত কিছু দিয়ে কখনো কৃত্রিমতা এনো না.... শুধুমাত্র লেখা শেষ করে টাইপো ঠিক করতে পারো... তোমার এই লেখাটাই আরেকবার পড়ে দেখো- কোথায় একটু বদলাতে চেয়েছ....যেখানটা স্বতঃস্ফূর্ত লিখেছ, সেখানটা বেশি সুন্দর.. নিজেই দ্যাখো...
-----লেকচার হয়ে গেলো, না? দুখিঃত আসলে সুখপাঠ্য সাহিত্যের চেয়ে অনুভূতির প্রকাশটা অনেক জরুরী মনে হয়..
হাত খুলে ব্লগীং করো......হ্যাপী ব্লগীং
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: আপনের লেকচার অনেক ভালা পাইলাম,আমি আসলে যা লিখি নিজের জন্য লিখি তাই আরোপিত কিছু আমার লেখায় আমি দিতে পারি না...
অনেক ধন্যবাদ পাথুরে ভাই
২৩| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪০
পাথুরে বলেছেন:
কয় কিনা--
"আপনি একবার রেটিং দিয়েছেন"
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: বেটার লাক নেক্সট টাইম...
২৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৫
মমমম১২ বলেছেন: বাহ শ্রালু
বিকেল বরণ আসুক
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: ঠাংকু আপু
২৫| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন: ঘোর লাগানো দুপুর, মায়ার ভোর, নেশা জাগানো প্রকৃতি বিলাস
দারুন
দারুন এগুলোর মিলিয়ে দেওয়াও
অনুভূতির প্রকাশটা অনেক জরুরী এবং নিজে নিজেই সেটা সুন্দর, নিজে নিজেই সেটা মৌলিক।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৬
আশাবাদী মানুষ বলেছেন: আমার কাছে পদ্যই মনে হল। আসলেই কি তাই ?
বিকাল বরণের কথা ভালো লেগেছে ।