নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

[কারো সমালোচনা করো না, তাহলে নিজেও সমালোচিত হবে না]

Sujon Mahmud

কারো যদি গোপন সাফল্যের চাবিকাঠি থাকে, তাহলে সেটা থাকে তার অন্যের কথার দৃষ্টাকোণ আর নিজের দৃষ্টি কোণ বুঝে নেওয়ার মধ্যে।।

Sujon Mahmud › বিস্তারিত পোস্টঃ

কাঁকড়ার মাংস কী হালাল ?

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৫


খাওয়া কি হারাম?

পানিতে বসবাসকারী প্রাণীর ভেতর শুধু মাত্র মাছ খাওয়া বৈধ। কাঁকড়া খাওয়া জায়েয নেই। কারণ ‘কাঁকড়া’ কুরআন শরীফে বর্ণিত “খবাইস” এর অন্তর্ভুক্ত। মহান আল্লাহ বলেন,
ويحل لهم الطيبات ويحرم عليهم الخبائث
অর্থ: এবং তাদের জন্য যাবতীয় পবিত্র বস্তু হালাল ঘোষণা করেন ও নিষিদ্ধ করেন হারাম বস্তুসমূহ।
সুরা আরাফ আয়াত-১৫৭

উপরন্তু নবিজি স: বলেন,
عن ابن عمر رضي الله عنه، قال قال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم أحلَّت لَكُم ميتتانِ ودَمانِ فأمّا الميتَتانِ فالحوتُ والجرادُ وأمّا الدَّمانِ فالكبِدُ والطِّحالُ
অর্থ: আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রা:) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: তোমাদের জন্য দু’ প্রকারের মৃত জীব ও দু’ ধরনের রক্ত হালাল করা হয়েছে। মৃত জীব দু’টি হলো মাছ ও টিড্ডি এবং দু’ প্রকারের রক্ত হলো কলিজা ও প্লীহা।
সূত্র: ইবনে মাযাহ হাদিস: ৩৩১৪ মুসনাদে আহমাদ-৫৭২৩ (হাদিস সহিহ)

উপরোক্ত আয়াত এবং হাদিসকে সামনে রেখে বলা হয়েছে,
ولا يحل حيوان مائى الا السمك
অর্থ: পানিতে বসবাসকারী প্রাণীর ভেতর শুধু মাছ ছাড়া অন্য প্রাণী বৈধ নয়।
সূত্র: রদ্দুল মুহতার খ:৯ পৃ:৪৪৪

চিংড়ি যেহেতু আমাদের সমাজে মাছ হিসেবে গণ্য, কাজেই চিংড়ি খেতে সমস্যা নেই।

এ সম্পর্কে একটি মাসআলা পেলাম। তুলে ধরছি —

অক্টোপাস, স্কুইড (সামুদ্রিক বিশেষ প্রাণী), শামুক, ঝিনুক

কাকড়া, ব্যাঙ ইত্যাদি জলজ প্রাণী খাওয়ার হুকুম ....


বিশেষজ্ঞ মুজতাহিদ ফুকাহাদের মত হল, মাছ ছাড়া অন্য কোনো জলজ প্রাণী খাওয়া জায়েজ নয়। আর যেহেতু অক্টোপাস, স্কুইড (সামুদ্রিক বিশেষ প্রাণী), শামুক, ঝিনুক ইত্যাদি মাছ নয়, তাই এগুলো খাওয়া নাজায়েয। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৩/১১৪; আল-বাহরুর রায়েক : ৮/৪৮৫; হাশিয়ায়ে তাহতাবি : ৪/৩৬০ ইমদাদুল ফাতাওয়া : ৪/১১৮)।

বস্তুত এগুলো কুরআনে বর্ণিত ‘খাবায়েস’ (নোংরাবস্তু)-এর অন্তর্ভুক্ত। সুরাহ আল-আরাফে আল্লাহ তায়ালা এগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। ‘খাবায়েস’ বলা হয়, যা মানুষ স্বভাবগত ঘৃণা করে। (বিস্তারিত তাফসিরে কাবির, আদওয়াউল বায়ান, আল-লুবাব, আলহাবি সংশ্লিষ্ট আয়াত)। আর মাছ ছাড়া অন্যান্য জলজপ্রাণী রুচিশীল মানুষ স্বভাবতই ঘৃণা করে। সুতরাং সেগুলোও কোরআনের হুকুম অনুযায়ী নিষিদ্ধ।

অপরদিকে রাসুলুল্লাহ (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম এ ধরনের জলজ প্রাণী খেয়েছেন বলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। উপরন্তু আবদুর রহমান বিন উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে, “রাসুলুল্লাহ (সা.) জনৈক চিকিৎসককে ব্যাঙ দিয়ে ওষুধ বানাতে নিষেধ করেছিলেন।” (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৮৭১)

তেমনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমাদের জন্য দুই প্রকারের মৃত জীব ও দুই ধরনের রক্ত হালাল করা হয়েছে। মৃত জীব দুটি হলো--মাছ ও টিড্ডি এবং দুই ধরনের রক্ত হলো--কলিজা ও প্লীহা। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৩১৫; মুসনাদ আহমাদ, হাদিস : ৫৬৯০)

এ হাদীসে স্পষ্টভাবে মৃত প্রাণী হিসেবে শুধু পানির মাছ হালাল হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে পানির অন্যসকল মৃত প্রাণী হালাল না হওয়া দ্যর্থহীনভাবে প্রমাণিত হয়।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪১

আলামিন১০৪ বলেছেন: সুরা আল-মায়িদাহর ৯৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার এবং তা খাওয়া হালাল করা হয়েছে।"

২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫৮

বাজ ৩ বলেছেন: সুমুদ্রের সব প্রানী হালাল হওয়ার কথা হাদীসে রয়েছে।মৃত প্রানীও হালাল।তবে কিছু প্রানী আছে মানুষের রুচি বিরুদ্ধ।যা হালাল হরেও মানুষ খায়না

৩| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৩

বাজ ৩ বলেছেন: সুমুদ্রের সব প্রানী হালাল হওয়ার কথা হাদীসে রয়েছে।মৃত প্রানীও হালাল।তবে কিছু প্রানী আছে মানুষের রুচি বিরুদ্ধ।যা হালাল হলেও মানুষ খায়না

৪| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হালাল ।

৫| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:০৫

আলামিন১০৪ বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) সমুদ্র সম্পর্কে বলেছেন: “এর পানি পবিত্র এবং এর মৃত প্রাণী হালাল।” (সুনান আবূ দাউদ ৮৩, মিশকাত)

বাই দ্যা ওয়ে নদীর মাছ ছাড়া অন্য প্রাণীর বিষয়টা -গ্রে এরিয়াতে বলে মনে হয়।
কারণ, কী কী হারাম হারাম সুষ্পষ্ট করা হয়েছে-আল কোরআনে।

খাবাইস-শব্দটি হলো নোংরা বা অপবিত্র শব্দের কাছাকাছি- আমরা যেমন কেউ নোংরা কাজ করলে তাকে খবিস বলি সেরকম।

যে প্রাণী নিজেকে পবিত্র-পরিস্কার রাখতে পছন্দ করে সেটি মূলত পবিত্র- সমূদ্রের বিশাল জলরাশিতে কোন প্রাণী বসবাস করলে কার কি গোসল বা পনিস্কার হওয়ার প্রয়োজন আছে? সে খবিস হয় কীভাবে? কবে কিছু প্রাণী আছে উভচর এরা পানিতে থাকলেও প্রায়ই প্রয়োজনে ডাঙায় চলে আসে। যেমন কচ্ছপ আর কাকড়া। চিংড়ি কখনো ডাঙায় আসেনা বলেই জানি।

হাস-মুরগী কে দেখবেন বালি বা পানিতে গোসল করতে-

পক্ষান্তরে শুকর হলো খবিসের অন্তর্ভূক্ত - নোংরা ঘাটাই এদের কাজ- কুকুরও অপবিত্র- এরা নোংরা খায়- বিড়াল আবার পবিত্র প্রাণী- কিস্তু পবিত্র বলেই যে খাওয়া হয়- তা কিন্তু না

৬| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:১২

আলামিন১০৪ বলেছেন: আরো কিছু যোগ করি-
সহীহ মুসলিমের ১৯৩৪ নম্বর হাদিসে (এবং অন্যান্য হাদিসগ্রন্থেও) হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র প্রাণী (যেমন বাঘ, সিংহ, নেকড়ে ইত্যাদি) এবং নখর বা থাবা বিশিষ্ট শিকারী পাখি (যেমন চিল, বাজপক্ষী, ঈগল ইত্যাদি) খেতে নিষেধ করেছেন। বিড়াল পবিত্র হলেও এ কারণে হারাম,

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.