| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমাদের দেশের উচ্চবিত্ত শ্রেনীর একাংশ খুব সম্ভবত বাংলাভাষা নিয়ে বেশ লজ্জিত। যে কারনে পারতপক্ষে তারা বাংলায় কথা বলেন না। সেটা স্কুল,কলেজ,ইউনিভার্সিটি,অফিস-আদালত থেকে শুরু করে বাজার পর্যন্ত। একটা সুপারষ্টোরে গিয়েছিলাম বাজার করতে।নিঃসন্দেহে ক্রেতা বিক্রেতা থেকে শুরু করে সেখানকার প্রতিটা লোকই ছিল বাঙালি। অথচ ক্রেতাদের অধিকাংশই কথা বলছিলেন ইংরেজিতে। একজন মা তার মেয়েকে দূর থেকে ডাকলেন ইংরেজিতে, কি কি নেয়া প্রয়োজন সেটাও জিজ্ঞেশ করলেন ইংরেজিতে,অন্যসব কথাবার্তাও হল ইংরেজিতে। পোষাক নিয়ে কিছু বলার নেই।পশ্চিমা বিশ্বের পোষাকে অনেকেই বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করেন।কিন্তু ভাষা অনেক গুরুত্বপূর্ন একটা ব্যাপার। নিজের মাতৃভাষাকে নিজের জীবনে অচ্ছুত বানিয়ে রেখে অন্যভাষায় কথাবলার মধ্যে কতটুকু গর্ব লুকিয়ে আছে জানা নেই। নেহায়েত কপাল দোষে বাংলাদেশে জন্ম না হলে কষ্টকরে বাঙালি পরিচয়টাও হয়তো তাদের আর দিতে হত না।খাওয়া দাওয়া, পোষাক আষাক,আচার আচরন,কথা বার্তা সবকিছুতেই নিখুঁতভাবে অন্যজাতির অনুকরন।এতট হীনমন্যতা অন্যকোন জাতির মানুষের মধ্যে আছে কিনা জানিনা। বিশেষ উৎসবে আবার তাদেরকেই দেখি পুরোমাত্রায় বাঙালি সেজে আনন্দ করতে। এ রকম একদিনের বাঙালির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৮:৫৩
নাগরিক কবি বলেছেন: হুনেন একখান কতা কই, কাউয়্যার লেঞ্জার মধ্যে যদি ময়ূরের পাংখা লাগাই জিনিসটা কেমন হয়?
যে জাতি নিজের ভাষায় কথা বলতে লজ্জা পায়, তার আর পোশাক পরার দরকার নেই।
পোশকে লজ্জা ঢাকা যায় না!