| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এক্সপ্লোরার_তাহসিন
জীবনের চলার পথে নতুন কিছু শেখার আশায় ব্যাকুল থাকি। নতুনত্ব দেখতে ভালোবাসি, নতুনত্বের চিন্তা করতে ভালোবাসি। বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসি। আর কম্পিউটারের জন্য আমার অবস্থাটা হচ্ছে এমন- এক জান, এক প্রাণ।
গতকাল আমার এক আত্মীয় নতুন ধরণের প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এবং সাথে ১২,০০০ টাকা হারিয়েছেন।
এতদিন ধরে তো মোবাইল ফোনে জিপি, রবি, এয়ারটেল এসবের কাস্টমার কেয়ারের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন উপলক্ষে পুরস্কার পেয়েছেন বলে এক ধরণের প্রতারণা চক্র মানুষকে ফাঁদে ফেলত।
কিন্তু গতকাল পুরো নতুন আরেক ধরণের প্রতারণার সাথে পরিচিত হলাম।
DBBL হেডকোয়ার্টার থেকে ফোন করেছে বলে লোকটি তার পরিচয় দেয়। এরপর জিজ্ঞেস করে- "আপনি কি আজ ATM Booth থেকে টাকা তুলেছিলেন?"
গতকাল তিনি বুথ থেকে ৫,০০০ টাকা তুলেছিলেন। তাই বললেন, "জ্বি, তুলেছি।"
এরপরে বলল, "আপনার অ্যাকাউন্টে কিছু সমস্যা হয়েছে।" বিশ্বাসা করানোর জন্য এরপরে আমার আত্মীয়ের কার্ড নম্বরটি হুবহু লোকটি মিলিয়ে বলে দিল। সাথে অ্যাকাউন্টের নাম এবং নম্বরটিও বলল। এরপর বলল, "আপনার পিন নম্বর পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন পিন নম্বর হলো ****" বলে একটা নম্বর বলল।
এরপর উনার থেকে উনার অ্যাকাউন্টের পিন নম্বরটি জিজ্ঞেস করল। ফাঁদে পা দিয়ে উনি নিজের পিন নম্বরটা বলে দিলেন। আজ সকালে টাকা চেক করতে গিয়ে দেখেন উনার অ্যাকাউন্ট থেকে ১২,০০০ টাকা উধাও হয়ে গিয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলেন দুই ধাপে টাকা তুলা হয়েছে। একবার ৮,০০০ টাকা, পরেরবার ৪,০০০ টাকা। অ্যাকাউন্টে কি মনে করে ২,৫০০ টাকা রেখে দিয়েছে সেই বাটপার।
এই প্রতারণাকারী শুধুমাত্র দুই টাইপের হতে পারে।
১. এমন কোন ব্যক্তি, যে কিনা উনার কার্ডের ডিটেইলস এবং অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে কোনভাবে জেনে গিয়েছে,
২. DBBL ব্যাংকেরই কোন কর্মকর্তা, যে কিনা এই ধরণের প্রতারণা চক্রের সাথে জড়িত। আমার আত্মীয় ধারণা করছে, এই ঘটনার সাথে ব্যাংকের কোন কর্মকর্তাই জড়িত।
সাধারণত আমরা সবাই সব কিছু বুঝি। ভাবতে থাকি, এত সহজে কি কেউ ফাঁদে পা দেয় নাকি! কিন্তু শুধুমাত্র যখন কেউ ফাঁদে পড়ে, তখনই তার জ্ঞানের পরিধি হঠাৎ করে কমে যায়। বিশেষ করে আমাদের মুরুব্বীরা যেহেতু ই-কমার্স এবং অ্যাকাউন্ট সিকিউরিটি'র ব্যাপারে কম বুঝে, তাই তারাই এ ধরণের ফাঁদে পড়ার সম্ভাবনাটা বেশি। যেহেতু এরা কাউকে টার্গেট করেই প্রতারণাটা করে, তাই সবার এ ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত।
প্রযুক্তি যত সহজ হচ্ছে, চোর-বাটপারদের ক্ষেত্রও ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিকাশের মাধ্যমেও প্রতারণার কথা কিছুদিন আগে শুনেছিলাম। ডাচ-বাংলার মোবাইল ব্যাংকিং এর কিছু সুযোগ কাজে লাগিয়েও প্রতারণা চক্রের লোকেরা মানুষজনের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
তাই সাধু সাবধান! ফাঁদে পা দেয়ার আগেই সতর্ক হোন।
০৮ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ২:৫৯
এক্সপ্লোরার_তাহসিন বলেছেন: হুমম.. চেষ্টা করেছি। যে নম্বর থেকে ফোন এসেছে সেই নম্বরটি ডাইভার্ট করা এবং যেখানে ডাইভার্ট করা সেটিও বন্ধ।
২|
০৮ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৩:০০
সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: চোর অনেক বেশী হয়ে গেছে।
০৮ ই আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৪:১৯
এক্সপ্লোরার_তাহসিন বলেছেন:
![]()
৩|
০৮ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৩:০৫
ভোরের সূর্য বলেছেন: Brother DBBL theke keu kokhonow pin number bolena.Sudhu DBBL na,kono bankoi phone e pin number jante chaina ba deina.Bank always by post ba jei branch,sekhan theke ekta pinup envelope e pin number thake jeta auto generate Kore print hoi ja kina banker keu jante parena.Even DBBL er ATM booth e taka tulte gelei screen e boro kore lekha thake je banker kono kormokorta pin chaile diben na.So eto kisur poreo Jodi keu bhul Kore tahole eta shompurno customer responsibility ebong sochetonotar ovab.Jemon bar bar bolar poreo ba eto ghotona ghotar poreo manush lottery jetar kotha shune flexiload Kore dei ba jiner badshar kotha shune taka nosto Kore.Tar poreo apnake dhonnobad Karon ekhonow keu jodi socheton na hoi tahole apnar lekha pore socheton hobe.Dhonnobad Apnake.
০৮ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৩:৩১
এক্সপ্লোরার_তাহসিন বলেছেন: জ্বি ভাই, আমিও এই কথাটাই বলার চেষ্টা করেছি। আমি লেখার একটা অংশে বলেছি এ ধরণের প্রতারণার ফাঁদে পড়ার চান্স বেশি থাকে যাদের পিন কোড সিকিউরিটি সম্পর্কে কম জানা-শোনা থাকে। আমাদের দেশে যাদের অ্যাকাউন্ট আছে, বেশিরভাগেরই এ বিষয়ে জ্ঞান কম। এমনকি এত জায়গায় লেখা থাকা সত্ত্বেও তো প্রতারিত হচ্ছে। প্রতারকরা তো এধরণের লোকদেরই খুঁজে খুঁজে টার্গেট করে।
ডিবিবিএল এর কোন কর্মকর্তা পিন নম্বর না জানলেও গ্রাহকের অন্যান্য সকল তথ্য ঠিকই বের করতে পারে। এ কারণেই তারা সকল তথ্য জেনে এধরণের গ্রাহকদের সহজেই প্রতারিত করতে পারে। হঠাৎ করে এরকম ফোন আসলে একজন উচ্চশিক্ষিত মানুষও দ্বিধান্বিত হয়ে পড়াটাই স্বাভাবিক।
চোর পালালেই বুদ্ধি বাড়ে। তাই প্রতারিত হয়ে বুদ্ধি বাড়ানোর চাইতে সবার মাঝে বিশেষ করে মুরুব্বীদের এ ব্যাপারে সচেতন করাটা জরুরি।
৪|
০৮ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৩:৫৭
সাউন্ডবক্স বলেছেন:
![]()
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ২:৪৯
মুনির হাসান বলেছেন: যে নম্বর থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে সেটি চেক করেছেন?
আমি আপনার ব্লগটি ডিবিবিএলকে জানাচ্ছি।