নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি তাই বলি যা আমি বিশ্বাস করি

আমি তাই বলি যা আমি বিশ্বাস করি

তাজমুল আক্তার

আমি আসলে তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ বা জ্ঞানী ব্যাক্তি নই। কিন্তু আমি তাই বলি যাই বলি তা আমি বিশ্বাস করি।

তাজমুল আক্তার › বিস্তারিত পোস্টঃ

নাস্তিক/ আস্তিক এবং ভবিষ্যৎ পৃথিবী

২০ শে জুন, ২০১৩ দুপুর ২:৩২

এমন একটা সময় আসবে যখন সারা পৃথিবীর কোথাও মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান, ইহুদী, বৌদ্ধ ইত্যাদী ধর্ম মতাবলম্বীরা একে অপরের সাথে লড়াই করবে না। কিন্তু এমন না যে তখন অনেক শান্তি থাকবে দুনিয়াতে, এমন না যে কোথাও তখন লড়াই চলবে না, এমন না যে ওই সময় মানুষ হত্যা বন্ধ হয়ে যাবে। বরঞ্চ ওই সময় হত্যা, খুন , যুদ্ধ, অনাচারে পুরো গ্রাস হবে সমস্ত দুনিয়া। সেই সময় লড়াই হবে শুধু নাস্তিক আর আস্তিকের সাথে। তখন সমস্ত ধর্মামতাবলম্বী মিলেও থাকবে থাকবে নাস্তিকদের থেকে সংখ্যায় কম। তখন নাস্তিকরা ধর্মামতাবলম্বীদের উপর স্টীম রোলার চালাবে। তারা বিশ্বাসী লোকদের কুসংস্কারচ্ছন্ন, অজ্ঞ, অলস, উগ্র ইত্যাদী উপাধি দিয়ে হত্যা করবে। তারা প্রকাশ্যে বলবে “বিশ্বাসী লোকদের কারনে দুনিয়া পিছিয়ে যাচ্ছে, ওরা অন্ধ বিশ্বাস নিয়ে আছে, ওদের কোন ভাবেই আলোর পথে আনা যাবে না তাই ওদের হত্যা করাই একমাত্র সমাধান। এইরূপ বলে নাস্তিকরা ধীরে আস্তিকদের খতম করে দিবে। এমন একটা সময় খুবই আসন্ন এবং এর জন্য কিন্তু মোটেও নাস্তিকদের নাস্তিকতাবাদের প্রচার দায়ী থাকবে না। দায়ী থাকবে আস্তিকরা নিজেরাই । নাস্তিকতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে তখন যখন এক ধর্ম বিশ্বাসের লোকজন আরেক ধর্মবিশ্বাসের লোকেদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, বিশ্বাসী লোকজন নিজের ধর্ম নিয়ে বড়াই করতে গিয়ে অন্য ধর্মকে ছোট করবে এবং তা নিয়ে সংঘাতে লিপ্ত হয়ে একে অপরকে হত্যা করবে। নাস্তিকতা আরো বৃদ্ধি পাবে তখন ,যখন বিশ্বাসী লোকজন নিজের প্রভু আর প্রভু প্রেরিত গ্রন্থকে ভূলে নিজের ধর্মগুরুর কথা অনুসরন করবে। তখন বিভিন্ন ধর্মগুরু একে অপরের নামে কুৎসা রটিয়ে প্রমান করতে চাইবে যে তিনিই সঠিক। তখন ধর্ম গুরুরা নিজের স্বার্থ অনুযায়ী তার অনুসারীদের পরিচালিত করবে। তখন বিভিন্ন ধর্মামতাবলম্বীরা যার যার ধর্ম থেকে অনেক দূরে সরে যাওয়ার পরও নিজেদের ধার্মিক হিসেবে দাবি করবে। তখন বিভিন্ন ধর্মামতাবলম্বীরা চারিদিকে সংঘাত, হিংসা, হানাহানি ইত্যাদিতে লিপ্ত হয়ে যাবে। তখন বিশাল সংখ্যার মানুষ বিশ্বাসী লোকজনের চরম নৈতিক অবক্ষয় দেখে সব ধর্ম থেকে বিশ্বাস উঠিয়ে নিবে। আর তখনই নাস্তিকের সংখ্যা বাড়তে থাকবে অবক্ষয় দেখে সব ধর্ম থেকে বিশ্বাস উঠিয়ে নিবে। আর তখনই নাস্তিকের সংখ্যা বাড়তে থাকবে এবং আস্তিকেরা ধীরে ধীরে সংখ্যালঘু হয়ে যাবে।

আমি ভয় পাইতেছি যে এমন দিন আসবে এবং বিশ্বাস করি যদি বিশ্বাসী লোকজন নিজের ধর্মীয় গ্রন্থ ভূলে অন্ধভাবে ধর্মীয় গুরুদের অনুসরন করে তবে এই দিন অতি সন্নিকটে।



ইহা একটি কাল্পনিক লেখা । ইহাতে কারো নাস্তিকানুভুতি কিংবা ধর্মানুভুতিতে আঘাত লাগলে তার জন্য লেখক দায়ী নয়।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে জুন, ২০১৩ বিকাল ৩:০১

ইকথিয়ান্ডর বলেছেন: ভালো লেগেছে।
এমন সময় আসন্ন নয় আবার ঠিক অসম্ভবও নয়। ক্ষমতা পেলে প্রায় সবাই তার অপব্যবহার করে।
সবাই নিজেকেই সত্য মনে করে, নিজের ধর্মই ঠিক, বাকি সবারটাই ভুল। আমার ধর্মই ঐশ্বরিক ধর্ম এমন বিশ্বাস সবার মধ্যেই।

যেখানে ধর্মের উদ্দেশ্য ছিল মানুষের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করা, ভালবাসার বন্ধন সৃষ্টি করা, সেখানে মানুষের আসহিষ্ণুতার কারণে বিভেদ বেড়েছে, ক্রমাগত বাড়ছেই।
আসলে এর জন্য ধর্মকে দোষ দেয়া যায় না। ভুল মানুষেরই। অপরের প্রতি শ্রদ্ধার অভাব, নিজেকে বড় করে দেখার কারণেই এত সব সমস্যার সৃষ্টি।

২| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:০৩

কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: ্যা লেখেন তা কি বোঝেন নাকি আবোল তাবল বলেই সান্তনা খোজেন

৩| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:০৩

কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: ্যা লেখেন তা কি বোঝেন নাকি আবোল তাবল বলেই সান্তনা খোজেন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.