নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

নবীজি - হুমায়ুন আহমেদ

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১১



‘আরব পেনিনসুয়েলা। বিশাল মরুভূমি। যেন আফ্রিকার সাহারা। পশ্চিমে লোহিত সাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর, পূর্বে পার্শিয়ান গালফ। উত্তরে প্যালেস্টাইন এবং সিরিয়ার নগ্ন পর্বতমালা। সমস্ত পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন একটি অঞ্চল। এখানে শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা বলে কিছু নেই। সারা বৎসরই মরুর আবহাওয়া। দিনে সূর্যের প্রখর উত্তাপ সব জ্বালিয়ে ছারখার করে দিচ্ছে। সারা দিন ধরে বইছে মরুর শুষ্ক হাওয়া। হাওয়ার সঙ্গে উড়ে আসছে তীক্ষ্ণ বালুকণা। কোথাও সবুজের চিহ্ন নেই। পানি নেই। তারপরেও দক্ষিণের পর্বতমালায় বৃষ্টির কিছু পানি কীভাবে যেন চলে আসে মরুভূমিতে। হঠাৎ খানিকটা সবুজ অঞ্চল হয়ে ওঠে। বালি খুঁড়লে কাদা মেশানো পানি পাওয়া যায়। তৃষ্ণার্ত বেদুঈনের দল ছুটে যায় সেখানে। তাদের উটগুলির চোখ চকচক করে ওঠে। তারা হঠাৎ গজিয়ে ওঠা কাঁটাভর্তি গুল্ম চিবায়। তাদের ঠোঁট কেটে রক্ত পড়তে থাকে। তারা নির্বিকার। মরুর জীবন তাদের কাছেও কঠিন। অতি দ্রুত পানি শেষ হয়। কাঁটাভর্তি গুল্ম শেষ হয়।

বেদুঈনের দলকেও আবারো পানির সন্ধানে বের হতে হয়। তাদের থেমে থাকার উপায় নেই। সব সময় চলতে হবে। এর মাঝেই যুদ্ধ। এক গোত্রের সঙ্গে আরেক গোত্রের হামলা। পবিত্র কোরান শরীফে সূরা তাকবীরে জীবন্ত সমাধিস্থ কন্যা বিষয়ে আয়াত নাজেল হলো। কেয়ামতের বর্ণনা দিতে দিতে পরম করুণাময় বললেন- ‘সূর্য যখন তার প্রভা হারাবে, যখন নক্ষত্র খসে পড়বে, পর্বতমালা অপসারিত হবে। যখন পূর্ণগর্ভা উষ্ঠী উৎক্ষেপিত হবে, যখন বন্যপশুরা একত্রিত হবে, যখন সমুদ্র স্ফীত হবে, দেহে আত্মা পুনঃসংযোজিত হবে, তখন জীবন্ত সমাধিস্থ কন্যাকে জিজ্ঞাসা করা হবে- কী অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল?’

তখন মধ্যাহ্ন। আকাশে গনগনে সূর্য। পায়ের নিচে বালি তেতে আছে। ঘাসের তৈরি ভারী স্যান্ডেল ভেদ করে উত্তাপ পায়ে লাগছে। তাঁবুর ভেতর থেকে বের হওয়ার জন্য সময়টা ভালো না। আউজ তাঁবু থেকে বের হয়েছে। তাকে অস্থির লাগছে। তার ডান হাতে চারটা খেজুর। সে খেজুর হাত বদল করছে। কখনো ডান হাতে কখনও বাম হাতে। আউজ মনের অস্থিরতা কমানোর জন্যে দেবতা হাবলকে স্মরণ করল। হাবল কা’বা শরিফে রাখা এক দেবতা যার চেহারা মানুষের মতো। একটা হাত ভেঙ্গে গিয়েছিল বলে কা’বা ঘরের রক্ষক কোরেশরা সেই হাত সোনা দিয়ে বানিয়ে দিয়েছে। দেবতা হাবলের কথা মনে হলেই সোনার তৈরি হাত চোখে চকচক করে। দেবতা হাবলকে স্মরণ করায় তার লাভ হলো। মনের অস্থিরতা কিছুটা কমল। সে ডাকল, শামা শামা। তাঁবুর ভেতর থেকে শামা বের হয়ে এল। শামা আউজের একমাত্র কন্যা। বয়স ছয়। তার মুখ গোলাকার। চুল তামাটে। মেয়েটি তার বাবাকে অসম্ভব পছন্দ করে। বাবা একবার তার নাম ধরে ডাকলেই সে ঝাঁপ দিয়ে এসে তার বাবার গায়ে পড়বে। শামার মা অনেক বকাঝকা করেও মেয়ের এ অভ্যাস দূর করতে পারেন নি। আজও নিয়মের ব্যতিক্রম হলো না। শামা এসে ঝাঁপ দিয়ে বাবার গায়ে পড়ল। সে হাঁটতে পারছে না। তার বাঁ পায়ে খেজুরের কাঁটা ফুটেছে। পা ফুলে আছে। রাতে সামান্য জ্বরও এসেছে। শামা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে বাবার কাছে আসতেই তার বাবা এক হাত বাড়িয়ে তাকে ধরল। এক হাতে বিচিত্র ভঙ্গিতে শূন্যে ঝুলিয়ে তাকে কোলে তুলে নিল। শামা খিলখিল করে হাসছে। তার বাবা যেভাবে তাকে কোলে তোলেন অন্য কোনো বাবা তা পারে না। আউজ বলল, মা খেজুর খাও। শামা একটা খেজুর মুখে নিল। সাধারণ খেজুর এটা না। যেমন মিষ্টি স্বাদ তেমনই গন্ধ। এই খেজুরের নাম মরিয়ম। আউজ মেয়েকে ঘাড়ে তুলে নিয়েছে। রওনা হয়েছে উত্তর দিকে। শামার খুব মজা লাগছে। কাজকর্ম না থাকলে বাবা তাকে ঘাড়ে নিয়ে বেড়াতে বের হন। তবে এমন কড়া রোদে বেড়াতে কখনও না। আউজ বলল, রোদে কষ্ট হচ্ছেরে মা? শামা বলল, না। তার কষ্ট হচ্ছিল। সে না বলল শুধু বাবাকে খুশি করার জন্যে।

বাবা!
হুঁ।
আমরা কোথায় যাচ্ছি?
তোমাকে অদ্ভূত একটা জিনিস দেখাব।
সেটা কী?
আগে বললে তো মজা থাকবে না।
তাও ঠিক। বাবা, অদ্ভূত জিনিসটা শুধু আমি একা দেখব? আমার মা দেখবে না?
বড়রা এই জিনিস দেখে মজা পায় না।

আউজ ঘাড় থেকে নামাল। সে সামান্য ক্লান্ত। তার কাছে আজ শামাকে অন্যদিনের চেয়েও ভারী লাগছে। পিতা এবং কন্যা একটা গর্তের পাশে এসে দাঁড়াল। কূয়ার মতো গর্ত, তবে তত গভীর না। আউজ বলল, অদ্ভূত জিনিসটা এই গর্তের ভেতর আছে। দেখো ভালো করে। শামা আগ্রহ এবং উত্তেজিত হয়ে দেখছে। আউজ মেয়ের পিঠে হাত রাখল। তার ইচ্ছা করছে না মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলতে। কিন্তু তাকে ফেলতে হবে। তাদের গোত্র বনি হাকসা আরবের অতি উচ্চ গোত্রের একটি। এই গোত্র মেয়ে শিশু রাখে না। তাদের গোত্রের মেয়েদের অন্য গোত্রের পুরুষ বিবাহ করবে? এত অসম্মান? ছোট্ট শামা বলল, বাবা, কিছুতো দেখি না। আউজ চোখ বন্ধ করে দেবতা হাবলের কাছে মানসিক শক্তির প্রার্থনা করে শামার পিঠে ধাক্কা দিল। মেয়েটি ‘বাবা’ ‘বাবা’ করে চিৎকার করছে। তার চিৎকারের শব্দ মাথার ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। আউজকে দ্রুত কাজ সারতে হবে। গর্তে বালি ফেলতে হবে। দেরি করা যাবে না। এক মুহূর্ত দেরি করা যাবে না। শামা ছোট্ট হাত বাড়িয়ে ভীত গলায় বলছে, বাবা, ভয় পাচ্ছি। আমি ভয় পাচ্ছি। আউজ পা দিয়ে বালির একটা স্তুপ ফেলল। শামা আতঙ্কিত গলায় ডাকল, মা! মাগো! তখন আউজ মেয়ের দিকে হাত বাড়িয়ে বলল, উঠে এসো। আউজ মাথা নিচু করে তাঁবুর দিকে ফিরে চলেছে। তার মাথায় পা ঝুলিয়ে আতঙ্কিত মুখ করে ছোট্ট শামা বসে আছে। আউজ জানে সে মস্ত বড় ভুল করেছে। গোত্রের নিয়ম ভঙ্গ করেছে। তাকে কঠিন শাস্তি পেতে হবে। তাকে অবশ্যই গোত্র থেকে বেরিয়ে যেতে হবে। এই অকরুণ মরুভূমিতে সে শুধুমাত্র তার স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে বাঁচতে পারবে না। জীবনসংগ্রামে টিকে থাকতে হলে তাকে গোত্রের সাহায্য নিতেই হবে। গোত্র টিকে থাকলে সে টিকবে।

বেঁচে থাকার সংগ্রামের জন্যে গোত্রকে সাহায্য করতেই হবে। গোত্র বড় করতে হবে। পুরুষশিশুরা গোত্রকে বড় করবে। একসময় যুদ্ধ করবে। মেয়েশিশুরা কিছুই করবে না। গোত্রের জন্যে অসম্মান নিয়ে আসবে। তাদের নিয়ে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ছুটে যাওয়াও কষ্টকর। আউজ আবার গর্তের দিকে ফিরে যাচ্ছে। ছোট্ট শামা ব্যাপারটা বুঝতে পারছে না। মরুভূমিতে দিকচিহ্ন বলে কিছু নেই। সবই এক। আজ থেকে সতেরো শ’ বছর আগে।

-------------------------------------------------------অসমাপ্ত------------------------------------------------------------



উপসংহার: - লেখক ও কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদকে বাংলাদেশে বই পড়ুয়া কেউ চেনেনা এমন হতে পারেনা। তাই তাঁকে নতুন করে চেনাবার মতো দুঃসাহস আমার নেই, প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকা সহ নানা মিডিয়াতে হুমায়ুন আহমেদের “নবীজি” লেখাটি নিয়ে বিতর্ক আছে। বিতর্ক থাকুক বিতর্কের জায়গায়। আমি হুমায়ুন আহমেদ ভাইয়ের রাসুল সাঃ নিয়ে অসমাপ্ত “নবীজি” লেখাটি ব্লগে পোষ্ট দিচ্ছি - এটুকু আমি জানি। এর বাইরে কি কারনে তিনি লেখা শুরু করেছিলেন? কি কারণে লেখা সম্পন্ন হয়নি? তার বিস্তারিত আমি সঠিক জানিনা। আমার সাথে দেখা হলে আমি তাঁকে অনুরোধ করতাম শুধু ১৯৭১ নয় তারো আগে থেকে লেখা শুরু করতে হবে, আর রাসুল সাঃ সহ চার আসমানী কিতাবের মহামানব নিয়ে লেখা ও লেখা শেষ করার অনুরোধ করতাম। তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো লেখা সমাপ্ত করতেন, তিনি লেখার পাগল ছিলেন, হয়তো আরো অনেক অনেক ভালো লেখা আমরা পেতাম, আমরা হারিয়েছি আমাদের বাংলা ভাষার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট লেখক - এখানে কোনো বিতর্ক আছে বলে আমার জানা নেই।


ছবি: - গুগল
কৃতজ্ঞতা: - সামহোয়্যারইন ব্লগ




মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৯

মাহের ইসলাম বলেছেন: যখন পিঠে ধাক্কা দেয়ার বর্ণনা দিচ্ছিলেন, চোখে পানি চলে এসেছিল।

ভালো থাকবেন।
শুভ কামনা রইল।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৪:৫৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: পৃথিবী অনেক মর্মান্তিক সময় পার করেছে, আর অতীত বলছি কেনো এখন কি মর্মান্তিক সময় নয় !!! ???

২| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


এগুলো অনেকেই জানেন, এত কষ্টকর কিছুকে সাহিত্যে আনা ঠিক নয়।

ভারত মহাসাগর আরবের উত্তরে নয়, দক্ষিণে

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৪:৫৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: লেখায় ভুল ছিলো কারেকশান করে দিয়েছি।

৩| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: খুব করুন ইতিহাস ঠাকুর মাহমুদ ভাই। বেদুঈনদের সংস্কৃতি সত্যিই অবর্ণনীয়। আপনি খুব দরদ দিয়ে লিখেছেন।
পোস্টে তৃতীয় লাইক।
শুভেচ্ছা নিয়েন।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:০০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: বর্তমান সময়ও ভয়ংকর খারাপ তা নিয়ে লিখতে হলে সময় প্রয়োজন যার এখন সবচেয়ে বেশী অভাব। আপনার জন্যও শুভেচ্ছা রইলো।

৪| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন: অসাধারণ একটি লেখা। আগে পড়িনি।

পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:০৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। হোসেঈন মোহাম্মদ এরশাদ সম্পর্কে কিছু কিছু জানার চেষ্টা করুণ, এই দেশে জামাত দলের সাথে একজন মাত্র ক্ষমতার লোভে আঁতাত করেননি তিনি লেঃ জেনারেল হোসেঈন মোহাম্মদ এরশাদ।

৫| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

রাজীব নুর বলেছেন: চমৎকার একটা উপন্যাস হতো। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ উপন্যাসটা শেষ করতে পারলেন না!
আমার ধারনা এটা তার সেরা উপন্যাস হতো।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:০৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: এটি নিঃসন্দেহ তিনি সেরাটির সেরা বের করে নিয়ে আসতেন। সমস্যা হচ্ছে প্রতিটি মানুষের জীবনে কিছু না কিছু অসম্পূর্ণ থেকে যায় আর এটাই হচ্ছে “বিষাদ”।

৬| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:০৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আহা!

এমন দারুন লেখাটা শেষ করা বুঝি খুবই প্রয়োজনীয় ছিল!
হৃদয়ে দরদ দিয়ে সত্যকে অনুভব করার মতো শক্তিশালী আর কিছু কি?

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:০৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: লেখাটির শুরু পরেই মন খারপের শুরু - অসমাপ্ত। ভাগ্য এখানে সাথে ছিলো না।

৭| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:২৩

ইসিয়াক বলেছেন: সময় করে মন দিয়ে পড়তে হবে । প্রিয়তে রাখলাম । আবার আসব ।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:০৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: পড়ুন, লেখা কেমন হতে পারে আর কেমন হওয়া উচিত তার স্পষ্ট বর্ণনা এখানে পাবেন।

৮| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৫৬

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আহা লেখাটা শেষ হলো না,

ভালো লাগলো
ধন্যবাদ

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:১২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: এটাই কষ্ট।

৯| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:১১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
হুমায়ূন আহমেদ উপন্যাসটা শেষপর্যন্ত প্রকাশ করতে পারতেন কি না সন্দেহ

নবীজিকে নিয়ে যারাই সত্য লিখেছে,তারাই ধর্মান্ধদের আক্রোশের শিকার হয়েছিলেন

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:১১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: শতভাগ সত্য ঝামেলা হওয়ার সম্ভবনা সহ মারত্বক ভাবে আক্রমণ হতে পারতো। তবে হুমায়ুন আহমেদ লেখার পাগল ছিলেন, তিনি লেখা প্রকাশ করতেন এবং কোর্ট হাইকোর্ট দেখে ছাড়তেন।

১০| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:২৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পড়াশোনা লিখলেন না কেন?

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:১৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: জীবন সব সময় সব কাজের সাথে সঙ্গী হয় না, তার দৃষ্টান্ত প্রমান।

১১| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:০০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পড়াশোনা শিখলেন না কেন?

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:১৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: জীবনে অপূর্ণ কিছু থাকবেই, এটাই মানুষের সাথে জীবনের সবচেয়ে বড় রহস্য।

১২| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১৯

নূর আলম হিরণ বলেছেন: গল্পটি আমি পড়েছি, কিন্তু অসমাপ্ত দেখে শেষে খুব খারাপ অনুভব হলো। এমন চমৎকার গল্প উনার শেষ করা উচিত ছিল।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:১৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আমরা হারিয়েছি বাংলা ভাষার কিংবদন্তি এক লেখক। এর চেয়ে বড় ব্যাদনা আর কিইবা হতে পারে, তিনি বেঁচে থাকলে আমরা আরো অসংখ্য লেখা পেতাম।

১৩| ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:৩০

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: গল্পটা ভিন্নভাবে হুজুরদের ওয়াজে শুনেছি।

হুমায়ুন আহমেদের অসমাপ্ত লেখাটা আজ প্রথম পড়লাম।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:২০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: হুজুর’রা নিজে নিজে নানা কিছু বলেন তাতে সমাজে একটি কাজ ভালোভাবে করেন তার নাম “বিভ্রান্ত”।

১৪| ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৬:১৪

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: এক কথায় অসাধারণ !

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:২১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আপনি কোথায়? আপনাকে খুব মিস করি ভাই। মন্তব্যর জন্য ধন্যবাদ।

১৫| ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৭:৩৯

বলেছেন: অসমাপ্ত থাকাটাই বুঝি বেশি বেদনার......

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:২৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: এটাই আফসোস। হুমায়ুন আহমেদ আমাদের বই পড়া শিখিয়ে অথৈ সাগড়ে ফেলে দিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

১৬| ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:১৫

নতুন নকিব বলেছেন:



প্রিয় ঠাকুর মাহমুদ ভাই,
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই পোস্টটি দেয়ার জন্য। জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হুমায়ুন আহমদের এই ইচ্ছেটির বিষয়ে আগেই জানা ছিল। এছাড়া নাজমুল হুদা নাজ নামের জনৈক ব্লগারের পেইজেও এই লেখাটি দেখেছিলাম। আপনি কি তাকে জানেন? তার পেইজ লিঙ্ক-স্বপ্নযোগে রাসূল সা.’ গ্রন্থটি লেদারে ভরে রেখ।

গতকাল বলেছিলেন পোস্ট দিবেন বিষয়টি নিয়ে। সেই কথা রেখে দ্রুততম সময়ে তার বাস্তবায়ন করে দেখালেন। কৃতজ্ঞতাসহ শুভকামনা সবসময়। পোস্টে +++

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:২৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: নতুন নকিব ভাই, আমি নাজমুল হুদা নাজ কে জানি ব্লগের সুত্রেই, ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো।

১৭| ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: নবিজি লেখার পেছনের ইতিহাসটা দারুন।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:৩০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: লেখার পেছনের ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক আছে, বিতর্ক থাকুক বিতর্কের জায়গায়। আমরা দেখবো লেখাটি এবং সেই অসমাপ্ত লেখাটিই আমাদের পাঠ্য।

১৮| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:২৭

নীল আকাশ বলেছেন: যা বলতে এসেছিলাম সেটা নকীব ভাই ইতিমধ্যেই বলে দিয়েছেন। আফসোস, এই বইটা উনি শেষ করে যেতে পারেন নি। পারলে সম্ভবত বাংলা সাহিত্য এবং মুসলিম সমাজে কালের উর্ত্তীন মহাগ্রন্থ হতো এটা।
ধন্যবাদ এটা শেয়ার করার জন্য।

২৪ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৬:৩৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: নীল আকাশ ভাই, ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য।

১৯| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৭:৫১

MirroredDoll বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ এর এই লেখাটি সম্পর্কে আমি আগে শুনিনি ।
আপনার লেখাতেই জানতে পারলাম । আহা লেখাটা শেষ করে যেতে পারেনি !
হুমায়ূন আহমেদের চলে যাওয়া এ গ্রেইট লস ফর আস ।
ওনার অনেকি লেখা আছে যেগুলো মনে দাগ কেটে যায় ।

২৪ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদের বই সবগুলো আমার পড়া, কোনো কোনো বই একের অধিকবার পড়েছি, আমি মনে করি আমি বিস্বাস করি হুমায়ুন আহমেদ বাংলা ভাষার বাংলাদেশের সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ট লেখক। তাঁর চলে যাওয়া সাহিত্য জগতে আমারে যেই ক্ষতি হয়েছে তা কোনোদিন পূরণ হবে না - তা পূরণ হওয়ার যোগ্য না।

২০| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এটা আগেই পড়েছিলাম। আবারও পড়লাম।
হুমায়ুন ভাইয়ের লেখা হাজার বার পড়া যায়। প্রত্যেকবারই নতুনের মতো মনে হয়।

এটা উনি যদি শেষ করতে পারতেন, আমরা আরেকটা ক্লাসিক উপন্যাস পেতাম।

২৪ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:১৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: নিঃসন্দেহে। তিনি অনেক বই লিখেছেন। মানুষের জীবনে অনেক অপূর্ণতা থেকে যায়, ইতিহাস নিয়ে যখন লেখা শুরু করেছেন তখন তাঁর হাতে আর সময় নেই। হুমায়ুন আহমেদের লেখা “মধ্যাহ্ন ও মধ্যাহ্ন-২” না পড়ে থাকলে পড়তে পারেন - লেখা পড়ে আপনার মনে হবে নিজের চোখের সামনে সব কিছু দেখতে পাচ্ছেন।

২১| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

MirroredDoll বলেছেন: I agree what you said.
There is no one like him.
মধ্যাহ্ন পড়েছি । খুবই ভালো লেগেছে ।
ওনার এরকম বড় উপন্যাস খুব একটা নেই ।

২৪ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:২৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: বাদশাহ নামদার - বাদশাহ হুমায়ুনের জীবন নামা যেভাবে তিনি লিখেছেন এটি ভারতের কোনো লেখক লিখলে তাকে মিনিমাম পদ্মভূষণ খেতাব দেওয়া হতো। তাছাড়া লীলাবতী - এইগুলো বড় উপন্যাস। বাংলাদেশের মানুষকে গল্প উপন্যাস পড়া শিখিয়েছেন সৈয়দ শামসুল হক, কাজী আনোয়ার হোসেন, হুমায়ুন আহমেদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.