নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

লেখক হুমায়ূন আহমেদের একজন বাংলা পাঠকের বুক রিভিউ ও একটি কাউন্টার পোষ্ট

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:২৪



বুক রিভিউ - দেবী : হুমায়ূন আহমেদ - ব্লগার পদাতিক চৌধুরি

মন্তব্য নং ১৬. ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
পদাতিক চৌধুরি ভাই,
সমালোচনা করা যাবে? কট্টর সমালোচনা হয়ে যাবে - লোড নিতে পারবেন তো। যদি জানান তাহলে সমালোচনা করছি। আর যদি বলেন এখানেই সমাপ্ত তাহলে সমালোচনা করবো না। অপেক্ষায় রইলাম - - - - -

লেখক বলেছেন: প্রথা বহির্ভূতভাবে আপনার মন্তব্যের আগে উত্তর করছি। গঠনমূলক সমালোচনা অবশ্যই সুস্বাগতম।


সমালোচনা: লেখক যখন গঠনমূলক সমালোচনা অবশ্যই সুস্বাগতম কথাটি লিখেছেন তখন আমি সিদ্ধান্ত নিই ও আমি নিজে পোস্ট দিতে বাধ্য হই কারণ হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট শীর্ষস্থানীয় লেখক। আমি কি লিখবো তার সম্পূর্ণ দায়ভার আমার তাই এটি আলাদা পোষ্ট হিসেবে দাবী ও প্রাধান্য রাখে। আর গঠনমূলক সমালোচনা যদি “সহমত - সহমত - সহমত” জাতীয় হয় তাহলে এই ধরনের আলোচনা সমালোচনা থেকে দুরে থাকাই শ্রেয় । - যা ধ্রুব সত্য তা ধ্রুব সত্য। এখন তা শুনতে যতো কঠিনই হোক না কেনো। ব্লগে যদি মাত্র একজনও হুমায়ূন আহমেদের পাঠক থেকে থাকেন তিনি এই বিষয়ে আলোচনা সমালোচনা করবেন বলে আমি মনে করি।

লেখক হুমায়ূন আহমেদ তাঁর জীবনকালে যে ধরনের গল্প উপন্যাস লিখেছেন তা শুধু বাংলাদেশের নয় বাংলা ভাষার বড় সম্পদ। হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে দুর্বল বইটির পাশে রাখার মতো বাংলা ভাষায় লেখা কারো উপন্যাস আছে বলে আমার জানা নেই। ব্লগার পদাতিক চৌধুরি ভাইয়ের ছয়টি প্রশ্নই আমার কাছে “শিশুতোষ” মনে হয়েছে। দেবী সিনেমা আর দেবী উপন্যাস আকাশ পাতাল ফারাক। আমি জানিনা তিনি কোনটি বিশ্লেষন করেছেন! ধরে নিচ্ছি তিনি উপন্যাস পড়েছেন। হুমায়ূন আহমেদের প্রতিটি বই আমার পড়া। দেবী অবস্যই শক্তিশালী একটি লেখা। তাঁর প্রথম উপন্যাস “নন্দিত নরকে” এতোটাই শক্তিশালী লেখা যা পড়ে কোনোভাবেই মনে হয়না এটি কোনো ২৩ - ২৪ বছরের যুবকের হাতে লেখা! দেবী সিনেমা দেখে যারা দেবী উপন্যাস সম্পর্কে ধারণা করবেন তারা ভুল ধারণায় থাকবেন। আর দেবী সিনেমা যারা দেখেছেন তারা মূল বইটি পড়ে আমার মনে হয় না কিছু বুঝবেন, কারণ ব্লগার পদাতিক চৌধুরি ভাইয়ের পোস্টে যারা মন্তব্য করেছেন তার অনেকগুলো খুবই হতাশাজনক!

গল্পটি পাঠকালে ব্লগার পদাতিক চৌধুরি ভাইয়ের যে প্রশ্নগুলি মনে জেগেছে তার উত্তর দিতে চেষ্টা করছি।

১। রানু ও আনিসের বয়সের ব্যবধানটা দ্বিগুনের বেশি হওয়ার কারণ খুঁজে পেলাম না।

উত্তর: - ভারত উপমহাদেশের জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ বিবাহিত নারী তার স্বামীর বয়ষের অর্ধেক বয়ষ।

২। যেহেতু হরর ফ্যান্টাসির উপর উপন্যাসটি রচিত সেক্ষেত্রে মাঝরাতে টিপটিপ বৃষ্টি পড়া, দরজার পিছনে অশরীরি ঘুরে বেড়ানো, রান্নাঘরের টুংটুং শব্দগুলো মিলিতভাবেও যথেষ্ট হরর উপযোগী বলে মনে হলো না। তবে নিশুতি রাতে একা একা পড়লে ভৌতিক অভিজ্ঞতা হতে পারে বলে মনে হয়।

উত্তর: - প্রথমত দেবী ভৌতিক উপন্যাস নয় এটি একটি প্যারাসাইকোলজি ও প্যারা নরমাল একটিভিট’র উপর লেখা বই। এখানে লেখা পড়ে মোহ তৈরি হয় খানিকটা ভয়ও কাজ করে, যা তিনি বুঝতে পারেন নি। যাইহোক মোহ তৈরি না হওয়া বা ভয় না পাওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে তার মধ্যে: -

ক। দিনের বেলা চারোদিকে মানুষজনের মাঝে তিনি বই পড়েছেন। নিরিবিলি - পাবলিক লাইব্রেরীতে বা রাতে নয়।
খ। বাসায় টিভি চলছে আরেক দিকে তিনি বই পড়ছেন।
গ। অফিসে বসে পড়ে থাকতে পারেন, এক পৃষ্টা পড়েছেন কোনো একটি কাজ করেছেন তারপর আবার দুই-তিন পৃষ্টা পড়েছেন।
ঘ। সব সময় শোরগোলে থাকেন, যে কারণে নিরিবিলি থাকা অবস্থায় কল থেকে টুপ টুপ পানি পড়ার শব্দও যে মধ্যরাতের অন্ধকারে ভয়ঙ্কর শব্দ মনে হতে হতে পারে তা জানা নেই! (হয়তোবা)

৩। বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠরতা নীলুফার এতো সহজেই বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা দিয়ে জীবন সংকটে জড়িয়ে পড়বে-বিষয়টি খুব যুক্তিযুক্ত লাগলো না।

উত্তর: - এটি ৮০ দশকে লেখা উপন্যাস - পত্র মিতালী নামক চিঠি প্রেমের উত্তপ্ত সময় ! এক চিঠিতে মানুষ ঘর ছেড়েছেন এক চিঠিতে ঘর ভেঙ্গেছেন ! সেই সময়ের কথা দুরে থাকুক এখন বর্তমান ২০১৯ সনে ফেসবুকে পরিচয় হয়ে জীবনে সামনা সামনি না দেখে হাজার হাজার বিশ্ববিদ্যালয় পড়া আধুনিক মেয়ে ট্র্যাপে পড়েছেন, রেপ মার্ডার হয়েছেন অহরহ - ব্লগার পদাতিক চৌধুরি ভাই কোন গ্রহের অধিবাসী ?

৪-মিস্টার আলির মুখে একাধিকবার মাথাব্যথার প্রসঙ্গটি অনাবশ্যক লাগলো।

উত্তর: - মাথা ব্যথা মাইগ্রেন, দাঁত ব্যথা, কান ব্যথা সম্পর্কে ব্লগার পদাতিক চৌধুরি ভাইয়ের ধারণা খুবই দুর্বল। আমার নিজের কথা বলি আমার কান ব্যথায় আমি এতোটা অস্থির হয়েছিলাম যে প্রথম দিনই আমি নাক কান গলার বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ডাক্তারের সাথে দেখা করি, ধরে নিয়েছিলাম তিনি চিকিৎসা না দিতে পারলে আমি সিঙ্গাপুর যাবো। এক মিনিটও তখন অনন্তকাল মনে হয়েছিলো, আমি আমার কান ব্যথা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।

৫। যেহেতু রানু ইএসপি ক্ষমতার অধিকারী সে ক্ষেত্রে তাদের গ্রাম মধুপুরে যাওয়ার খবরটি অনুফার কতৃক চিঠির মাধ্যমে অবগত হওয়াটাও খুব স্বাভাবিক লাগলো না।

উত্তর: - রানু নামক মেয়েটির ইএসপি ক্ষমতা আছে। পাঠক ইসএসপি ক্ষমতা ২৪/৭ কাজ করে করে না। রানু অসুস্থ একজন মানুষ এবং ইএসপি ক্ষমতাধারী, সে ভগবান বা তার কোনো অবতার নয়, শয়তান বা ফেরেস্তাও নয়।

৬। সাহিত্য হল সমাজের দর্পণ। লেখকের সাহিত্য সৃষ্টির পিছনে নিঃসন্দেহে একটি মেসেজ থাকবে।সেক্ষেত্রে প্রখর যুক্তিবাদী মিস্টার আলি সাহেব যেভাবে তীক্ষ্ণ ক্ষুরধার যুক্তিতে ঘটনার পরম্পরা নির্মাণ ও ব্যাখ্যা করেছেন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কিন্তু সেই আলি সাহেব যখন রানুর মৃত্যুর পর ছাত্রী নীলুফার মধ্যে অবিকল রানুর অবয়ব চাক্ষুষ ও রহস্যময়ী হাসি প্রত্যক্ষ করেন ও রীতিনীতি ঘামতে থাকেন, তখন প্রকারান্তরে মেনে নিতে হয় যে অতিপ্রাকৃত শক্তি যুক্তিবাদকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। পাঠক হিসেবে যেটা মেনে নিতে বেশ কষ্ট হয়েছে। অথচ মিস্টার আলির যুক্তিকে সবশেষে প্রতিষ্ঠা করবেন, এমনটাই আশা করেছিলাম।

উত্তর: - মিসির আলী একজন সাধারণ মানুষ তবে গড়পরতায় আর দশজনের চেয়ে বেশী বুদ্ধিমান তাছাড়া মিসির আলীর যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখা ও তাঁর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম শ্রেণীর মনোবিজ্ঞানীদের কি ধরণের সম্পর্ক তা অনেক বইয়ে উল্লেখ্য আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞানের খন্ডকালীন শিক্ষক মিসির আলীর জীবনে অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে যার সমাধান তিনি করতে পারেন নি। এর সমাধান নেইও। হয়তো বিজ্ঞান কোনোদিন এগুলোর সমাধান করতে পারবে। আমরা জগতের অনেক কিছুই জানি না। জানা সম্ভবও না। মিসির আলীর জায়গায় যে কেউ হলে চমকাতেন কপালে ঘামের রেখা ফুটে উঠতো, ব্লগার পদাতিক চৌধুরি ভাই অতি অতি আধুনিক যুগের অতি আধুনিক মানুষ তাই তাঁর কাছে চমকানোর মতো কিছু মনে হয়নি।

***
পাঠকের মন্তব্য বিশ্লেষণ : - অধিকাংশ মন্তব্যকারী পাঠক উপন্যাসটি পড়েন নি। যারা পড়েছেন তাদের কয়েকজন কাহিনী সম্পর্কে বুঝতে পারেন নি। না বুঝতে পারা দোষের নয়, তবে ভুল বুঝা অবস্যই দোষের।

কাল্পনিক_ভালোবাসা ভাইয়ের মন্তব্যে প্রত্যুত্তর: - লেখক হুমায়ুন আহমেদ দোষে গুনে একজন মানুষ তবে তিনি বাংলাদেশের একজন শ্রেষ্ট সন্তান - নিঃসন্দেহে। তিনি আমাদের যে ধরণের গল্প উপন্যাস উপহার দিয়েছেন বাংলা ভাষায় তা বিরল। ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি কতো বছর বয়ষে কতো বছরের নারী বিয়ে করেছেন তা আলোচনার বাইরে। কারণ এসব আলোচনা করতে গেলে বিশ্বের চিহ্নিত মহামানবদের বিয়ের ইতিহাস রিতিমত আতঙ্কিত করে। কাল্পনিক_ভালোবাসা ভাই, আমরা সত্যি গর্বিত হুমায়ূন আহমেদের মতো একজন শক্তিমান লেখক আমাদের দেশে জন্মেছিলেন, আমরা গর্বিত হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখকের লেখা আমরা বাংলায় পড়তে পেরেছি। কাল্পনিক_ভালোবাসা ভাই, যদি সম্ভব হয় এবং যদি পড়া না থাকে হুমায়ূন আহমেদের লেখা “তোমাদের জন্য ভালোবাসা” বইটি পড়বেন, বইটি ছোট - আপনার পড়তে এক দেড় ঘন্টার বেশী লাগার কথা না।

আত্মকথা: - বাংলাদেশে বই উপন্যাস পড়া শিখিয়েছেন কাজী আনোয়ার হোসেন আর হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের শহরে মফস্বল শহরে কয়টা ঘরে পত্রিকা রাখতেন, সাপ্তাহিক - পাক্ষিক - মাসিক ম্যাগাজিন রাখতেন - তা আমি জানি, কারণ সেই সময়টা আমি পাড়ি দিয়ে এসেছি। লাইব্রেরী থেকে বই কিনে পড়তে হবে এটি শিখিয়েছেন কাজী আনোয়ার হোসেন। আর হুমায়ূন আহমেদ উপন্যাসকে নিয়ে গেছেন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। একটি গল্প একটি উপন্যাস যে কতোটুকু মোহ তৈরি করতে পারে তা হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসে আছে। অনেক অনেক উপন্যাসের নাম উল্লেখ না করে মাত্র দুইটি নাম উল্লেখ করছি ১। লীলাবতী, ২। মধ্যহ্ন, এর যে কোনো একটি উপন্যাস পড়ে একটি কথাই মনে হবে “কি পড়লাম - - - - - - -! হুমায়ূন আহমেদের বই পড়ে যারা কাহিনী বুঝতে পারেন নি তাদের হয়তো এখনো বই পড়ার সময় হয়নি। শিক্ষা, জ্ঞান, বয়ষ অবস্যই একটি বিষয়।।

***
শেষকথা: - লেখক হুমায়ূন আহমেদের বই নিয়ে কেউ এতো নিম্নমানের বুক রিভিউ দেবেন তা আমার কল্পনার বাইরে ছিলো! কিন্তু ব্লগার পদাতিক চৌধুরি ভাই তা বাস্তব করেছেন! বাংলাদেশের শক্তিমান লেখক সৈয়দ শামসুল হক যেখানে বলেছেন হুমায়ূন আহমেদের লেখা তাঁর লেখার চাইতেও অনেক অনেক উচ্চস্থানের দাবীদার। আর মিষ্টার আলী শব্দটি আমার কাছে মনে হয়েছে যদু মধু টাইপ কারো নাম লিখেছেন! তাঁর নাম “মিসির আলী”। আমি হলফ করে বলতে পারি বাংলাদেশে ২১শে বই মেলায় এখনো হুমায়ূন আহমেদ সম্পর্কে - তাঁর লেখা সম্পর্কে - তাঁর মিসির আলী - হিমু সম্পর্কে এই ধরণের রিভিউ দিয়ে কেউ পেন্ট শার্ট আস্ত নিয়ে সুস্থ বের হয়ে আসতে পারবেন না। - আমি সমালোচনা করেছি মাত্র।



কৃতজ্ঞতা: - সামহোয়্যারইন ব্লগ কর্তৃপক্ষ।






মন্তব্য ৬৪ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৬৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০৮

ইসিয়াক বলেছেন: সুপ্রভাত ......পড়ছি ..।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:২২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




লেখক হুমায়ূন আহমেদ জীবনে তাঁর নিজের পয়শায় একটি বই ছাপান নি। - কি বুঝলেন। অখাদ্য নিজের পয়শায় ছাপাতে হয়। লিখতে জানা আর লেখক এক না।

২| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:২৯

ইসিয়াক বলেছেন: দেবী বাংলাদেশী কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি রহস্য উপন্যাস। এটি ১৯৮৫ সালের জুন মাসে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের মধ্য দিয়ে মিসির আলি চরিত্রের পরিচয় ঘটে। মিসির আলি যুক্তি দিয়ে বিভিন্ন রহস্যের স্বরূপ উদ্ঘাটন করে থাকেন। এই উপন্যাসে মিসির আলি রানু নামে এক শ্রুতি ভ্রমগ্রস্থ ও এক্সট্রা সেন্সরি পারসেপশন সমৃদ্ধ তরুণীর রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করেন।
প্রকাশনার ইতিহাস
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ডাকোটার ফার্গো শহরে অবস্থানকালে একদিন তার স্ত্রী গুলকেতিন আহমেদের সাথে গাড়িতে ভ্রমণকালে হুমায়ূন আহমেদ প্রথমবার মিসির আলি চরিত্রটির ধারণা পান। এই চরিত্রের ধারণা পাওয়ার অনেকদিন পর তিনি দেবী উপন্যাস রচনার কাজে হাত দেন।বইটি ১৯৮৫ সালের জুন মাসে অবসর প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত হয়।

কাহিনী সংক্ষেপ
মধ্যরাতে রানু অস্বাভাবিক কিছুর উপস্থিতি টের পায় এবং তার স্বামী আনিসকে ডেকে তোলে। আনিস যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়ে রানুকে শান্ত করার চেষ্টা করে। বিষয়টাতে আনিস ঘাবড়ায় না।কারণ রানুর এমন আচরণ সে আগেও দেখেছে। রানু অনেক জিনিসই আগে থেকে বলতে পারে।অনেক অজানা জিনিস,যা তার জানার কথা না,তাও সে বলতে পারে। আনিসের মাঝে মাঝে মনে হয় রানু অসুস্থ।কিন্তু তার মন এতে সায় দেয় না। সে সবকিছুরই ব্যাখ্যা সরল মনে করার চেষ্টা করে।রানুর প্রতিবেশী নীলুও রানুর রহস্যময়তা টের পায়।সে রানুর প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে। তার আগ্রহের কারণ সে মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী।শিক্ষক মিসির আলির সাথে রানু এ ব্যাপারে কথাও বলে।আনিসও মিসির আলিকে সব খুলে বললে মিসির আলি রানুকে নিয়ে ভাবতে শুরু করে।রানুর অস্বাভাবিকতা ও অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার রহস্য উদঘাটনে মিসির আলি রানুর গ্রামে যায়। রানুর ভাষ্যমতে সে যখন ছোট ছিল,তখন একটা অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন হয় সে।নদীতে গোসলের সময় কেউ তার পা টেনে ধরে। পরবর্তীতে দেখা যায়,তার পা জড়িয়ে রেখেছে একটা লাশ। তারপর থেকেই রানু এমন।কিন্তু গ্রামের অনেকেই এ ঘটনার কথা মনে করতে পারে না। সবাই জানায় গ্রামের একজন নিজ লালসার চরিতার্থে ভুলিয়েভালিয়ে একদিন রানুকে বিষ্ণু মন্দিরে নিয়ে যায়। কিন্তু লোকটি ওখান থেকে কিছুপর ভয় পেয়ে পালিয়ে আসে।এরপর থেকে বিষ্ণু মন্দিরের সাদা মূর্তিটার আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।এদিকে নীলু এক ছেলের সাথে রেস্টুরেন্টে দেখা করতে যায়।ছেলেটি প্রথমে ভালো ব্যবহার করলেও পরে নীলুকে জোর করে তার গাড়িতে তুলে নিয়ে এক নির্জন স্থানে নিয়ে যায়।রানু বুঝতে পারে ঘটনাটি।রানু এসময় অসুস্থ হয়ে পড়ে।জ্বরের ঘোরে কার সাথে যেন কথা বলতে শুরু করে।একসময় রানু মারা যায়।ঠিক সে সময় নীলুরও খবর পাওয়া যায়।নীলুকে জিজ্ঞাসা করলে নীলু বলে,কোনো এক অদৃশ্য শক্তি তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া ছেলেটাকে মেরে ফেলেছে।মিসির আলি ঘটনাটির ব্যাখা দেয়,উত্তেজিত মনের স্বাভাবিক কল্পনা বলে। তবে এরপর থেকে মিসির আলি নীলুর মধ্যে এক অন্যরকম পরিবর্তন দেখতে পায়। ঘটনাটির পর থেকে নীলুর চেহারাটা একদম রানুর মতো হয়ে যায়।মিসির আলি এর রহস্য উন্মোচনে অপারগ হয়।

চরিত্রাবলি
• মিসির আলি - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগে ক্লিনিক্যাল সাইকিয়াট্রির খন্ডকালিন শিক্ষক।
• রানু আহমেদ
• নীলু
• আনিস আহমেদ - রানুর স্বামী, দি জেনিথ ইন্টারন্যাশনালের ডিউটি অফিসার।
• আহমেদ সাবেত
• বিলু - নীলুর ছোট বোন
• অনুফা - রানুর চাচাতো বোন
• কমলেন্দু - আনিসের সহকর্মী
• জিতু মিয়া - রানুর বাসার কাজের ছেলে

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ইসিয়াক ভাই, গুড জব।
হুমায়ূন আহমেদ সম্পর্কে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম কিছুই জানেন না। ‘দেবী’ উপন্যাসের ২য় পর্ব ‘নিশীথিনী’ ৩য় পর্ব বা উপন্যাসের কিছু ছোঁয়া আছে ‘নিষাদ’ এ। হুমায়ুন আহমেদের শিক্ষা জীবন ডক্টরেট প্রাপ্তি সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হওয়া তা বিশাল বিশাল ইতিহাস। সি গ্রেড অভিনেত্রী দিয়ে নির্মিত দেবী সিনেমা আর দেবী উপন্যাস যে এক না এটি বোঝার জ্ঞান কতোজনের আছে তা চিন্তার বিষয়।

এখানে প্রসঙ্গত ডক্টর ইউনুস সাহেবের নাম আসে যিনি প্রচন্ড হিংসুটে স্বভাবের মানুষ, তিনি কখনো চাননি বাংলাদেশে আর কেউ নোবেল পুরস্কার পাক আর এর জন্য যতো ধরণের ষড়যন্ত্র আছে সব তিনি করেছেন, নয়তো হুমায়ুন আহমেদ অবস্যই নোবেল পুরস্কার পেতেন।

৩| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫৪

ইসিয়াক বলেছেন: কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘দেবী’ অনেক গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি বলেই মনে হয়েছে। উপন্যাস ‘দেবী’তে হুমায়ুন আহমেদ আজ থেকে বহুবছর আগে একজন গ্রামীন সরল কিশোরীর যৌন নিপীড়নের মত ভয়াবহ ঘটনাকে হাজির করেছিলেন রহস্য উপন্যাসের বাতাবরণে। তিনি কেবল রহস্য সৃষ্টি করেই ছেড়ে দিতে পারতেন বিষয়টিকে। কিন্তু তিনি সেই রহস্যকে বিজ্ঞানের যৌক্তিক পরিণতি দিতে চাইলেন। সৃষ্টি করলেন মিসির আলী চরিত্র। একজন গ্রাম্য কিশোরীর পুরোনো ভাঙ্গা মন্দিরের ভেতরে দেবী প্রতিমার সামনে যৌন নির্যাতনের মত ভয়াবহ পরিস্থতিতে পড়া এবং সেই পরিস্থিতি থেকে ‘বেঁচে যাওয়া’ এবং পরবর্তীতে মৃত লাশের সাথে ধাক্কা খাওয়ার মত আতঙ্কে জ্ঞান হারানোর ঘটনার ট্রমায় সেই কিশোরীর মনে কোনো দৈবিক শক্তির চিন্তা দাঁনা বাঁধাটা স্বাভাবিক। আর যেহেতু ঘটনাক্রমও এমন যে এটা মনে না হওয়ার কোনো কারণ নেই। যেহেতু মন্দিরের ঘটনার পরপরই দেবী প্রতিমা চুরি হয় এবং নিপীড়ক মৃত্যুর পূর্বে গ্রামের লোকজনকে বলে যে দেবী মূর্তি রানুর শরীরে প্রবেশ করে রানুকে পিশাচিনী বানিয়ে ফেলেছে এবং সেই ভয়ে আতঙ্কে তাঁর মৃত্যু হয়।
তাই সেই ঘটনার পরম্পরায় কিশোরী রানুর মনে এমন বোধ দাঁনা বাঁধার যথেষ্ট সময় ও পরিবেশ তৈরি থাকায় পরবর্তীতে পরিস্থিতি ভৌতিক আকার ধারণ করেছে। এই ভৌতিক পরিবেশকে হুমায়ুন আহমেদ শেষ পর্যন্ত যুক্তি দিয়ে মোকাবেলা করতে চেষ্টা করেছেন। সে কারণেই তিনি মিসির আলীকে সৃষ্টি করেছেন। এই উপন্যাস অবশ্যই রহস্য উপন্যাস। তবে সেই রহস্যকে অনেক দরদ দিয়ে যুক্তি দিয়ে মোকাবেলার কথা বলেছেন হুমায়ুন। তিনি একজন নারীর যৌন নিপীড়নের মতো পরিস্থিতিতে পড়ার ফল কী হতে পারে তার একটি যুক্তিনির্ভর পরিবেশ তৈরি করেছেন। এখানে নারীর মনে নিপীড়নের প্রভাব কেমন ভয়াবহ হতে পারে সেই ব্যাখার দিকে হুমায়ূন যাত্রা করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি রহস্যকে ব্যক্তিমনের ট্রমারূপে বিশ্লেষণ করেন। আর যতটুকু অব্যাখ্যার উপাদান থাকে তা নিয়েও চিন্তা করতে অগ্রসর হন। তবুও অন্ধবোধ বা বিশ্বাসের ফাঁদে পা দেন না। অন্তত মিসির আলীর চরিত্র আমাদের সেই ব্যাখ্যাই দেয়।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:০৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ইসিয়াক ভাই,
নীলুর সাথে আহমেদ সাবেতের ঘটনা মোড় নেওয়ার সাথে সাথে অশরীরি যা ঘটে তা উড়িয়ে দেওয়ার মতো না। পৃথিবীতে জ্বীন ভূত প্রেত শয়তান সব আছেন। আছেন দেব দেবী আল্লাহ ভগবান ঈশ্বর। - উপরে একজন আছেন তাঁর শত সহস্র নাম হতে পারে! কিন্তু তিনি একজন।

অশরীরি আছে। ব্যস্ত ঢাকায় তার জ্বলন্ত প্রমান আছে।

৪| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫৬

বলেছেন: আত্নকথা, সমালোচনা, সবিনয়ে বলতে চেয়েছেন।।।

তবে বিভিন্ন পাঠক একটি লেখাকে ভিন্ন আঙ্গিকে দেখতেই পারে - এটা গনতান্ত্রিক অধিকার???

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:১৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ল ভাই,
ভাষা মানুষের বড় পরিচয়। আমার লেখায় আমার পরিচয় আছে। আশা করি যারা মন্তব্য করবেন তারা তাদের ভাষা ও ব্লগনীতি মেনে চলবেন। আমি এতো বড় মন্তব্য এই কারণে ব্লগার পদাতিক চৌধুরির পোষ্টে করিনি - কারণ উল্লেখ করেছি পোষ্টে।

ব্যাখ্যা কেমন হয়েছে জানাবেন।

৫| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩০

ঢাবিয়ান বলেছেন: পোস্টের প্রতিটি বাক্যের সাথে একমত। আমিও প্রথমে ভেবেছিলাম দেবী সিনেমার রিভিউ। হুমায়ুন আহমেদ এর বই এর এই ধরনের সস্তা সমালোচনা একেবারেই গ্রহনযোগ্য নয়। হুমায়ুন আহমেদ এর ৮০ ও ৯০ দশকের লেখা বইগুলো কালজয়ী।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ঢাবিয়ান ভাই,
পত্রিকা ম্যাগাজিন যে কোনো জায়গায় পড়া যায় কিন্তু সাহিত্য উপন্যাস পড়ার জন্য পরিবেশ লাগে। বাংলা ভাষায় লেখা কারো উপন্যাস নেই যা হুমায়ূন আহমেদের সাথে তুলনা চলে - আমার জানা নেই। হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয়তা সমুদ্র সম যার তুলনা হুমায়ূন আহমেদ শুধু নিজে।

৬| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫২

কিরমানী লিটন বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদের সব সৃষ্টিই আমার কাছে ভালো লাগার বিষয়। তার প্রতিটি লিখাই তুমুল পাঠক প্রিয় হওয়ার পিছনে গল্প বলার চমৎকারিত্ব আর চমকের পর চমককেই প্রধান কারন বলে মনে করি। দেবীও আমার খুব প্রিয় একটি উপন্যাস। তবে তার লেখক জীবনের শুরুর দিককার লিখাগুলোই তার জাত চিনিয়েছে।

আপনার জন্যও শুভকামনা রইলো। শুভ সকাল....

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৩৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




কিরমানী লিটন ভাই,
অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্য, আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে দুঃখিত। বাংলা ভাষায় হুমায়ুন আহমেদের চেয়ে ভালো লেখা আমি এখন পর্যন্ত পড়িনি। আমার জানা নেই এর চেয়ে ভালো কেউ লিখেন কিনা।

৭| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ১। রানু ও আনিসের বয়সের ব্যবধানটা দ্বিগুনের বেশি হওয়ার কারণ খুঁজে পেলাম না।

উত্তর: - ভারত উপমহাদেশের জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ বিবাহিত নারী তার স্বামীর বয়ষের অর্ধেক বয়স ।
----- একেবারেই ঠিক বলেছেন।

** মেয়ের নামে কোন 'রটনা' থাকলে তার বিয়ে নিয়ে ঝামেলা হওয়া স্বাভাবিক। গ্রামে রানুর নাম রটনা থাকা স্বাভাবিক মনে হয়েছে আমার কাছে। যদিও লেখক সেটা কোথাও বলেননি। সব কিছু বলার প্রয়োজন পড়েনা।

একটি কাউন্টার পোষ্ট ভালো লাগলো স্যার।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৩৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




স্বপ্নবাজ সৌরভ ভাই,
অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্য, আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে দুঃখিত। বাংলা ভাষায় হুমায়ুন আহমেদের চেয়ে ভালো লেখা আমি এখন পর্যন্ত পড়িনি। আমার জানা নেই এর চেয়ে ভালো কেউ লিখেন কিনা।

৮| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০১

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ৩. বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠরতা নীলুফার এতো সহজেই বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা দিয়ে জীবন সংকটে জড়িয়ে পড়বে-বিষয়টি খুব যুক্তিযুক্ত লাগলো না।

উত্তর: - এটি ৮০ দশকে লেখা উপন্যাস - পত্র মিতালী নামক চিঠি প্রেমের উত্তপ্ত সময় ! এক চিঠিতে মানুষ ঘর ছেড়েছেন এক চিঠিতে ঘর ভেঙ্গেছে ! সেই সময়ের কথা দুরে থাকুক এখন বর্তমান ২০১৯ সনে ফেসবুকে পরিচয় হয়ে জীবনে সামনা সামনি না দেখে হাজার হাজার বিশ্ববিদ্যালয় পড়া আধুনিক মেয়ে ট্র্যাপে পড়েছেন, রেপ মার্ডার হয়েছেন অহরহ - ব্লগার পদাতিক চৌধুরি কোন গ্রহের অধিবাসী ? ------ একমত। আমিও একটু যুক্ত করি। প্রথম যখন দেবী পড়ি তখন এইভাবেই ভেবে ছিলাম।

*** নীলু চেহারা ভালো না।এটা নিয়ে তারমধ্যে হীনমন্যতা কাজ করে। বিজ্ঞাপন আর চিঠি , তার কাছে অনাকাঙ্খিত ভালো লাগা।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৪১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




স্বপ্নবাজ সৌরভ ভাই,
৮০’র দশকে পত্রমিতালী ছিলো গনগনে আগুনের গোলা।

৯| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৮

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ঠিক সন্ধ্যাবেল পুবের আকাশে যে ছোট্ট তারাটি অল্প কিছুক্ষণের জন্যে নীল আলো জ্বেলে আপনিতেই নিভে যায়, পৃথিবীর মানুষ সেটি তৈরি করেছেন ফিহার স্মরণে। সেই কৃত্রিম উপগ্রহটির সিলঝিন নির্মিত কক্ষে পরম যত্নে রাখা হয়েছে ফিহার প্রাণহীন দেহ। সে সব কতকাল আগের কথা।

আজও সে উপগ্রহটি ঘুরে বেড়াচ্ছে পৃথিবীর চারিদিকে। হিসেব মতো জ্বলে উঠছে মায়াবী নীল আলো। পৃথিবীর মানুষ যেন বলছে, ফিহা, তোমাকে আমরা তুলি নি, আমাদের সমস্ত ভালোবাসা তোমাদের জন্যে। ভালোবাসার নীল আলো সেই জন্যেই তো জ্বলে রেখেছি। ----------------------- তোমাদের জন্য ভালোবাসা

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৪৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




স্বপ্নবাজ সৌরভ ভাই,
কালজয়ী লেখক হুমায়ুন আহমেদের উপন্যাস আর তার রচিত ফিহা চরিত্র পড়ার পর আপনার কেমন লেগেছে সময়ে জানাবেন প্লিজ।

১০| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৬

সুপারডুপার বলেছেন: ১) দেবী উপন্যাস আমার পড়া হয় নি। ইসিয়াক ভাইয়ের দেবী উপন্যাসের কাহিনী সংক্ষেপ থেকে যা বুঝলাম, ইএসপি-র আলোকে হুমায়ূন আহমেদ এই উপন্যাস লিখেছেন । ইএসপির শুরু হয় অস্বাভাবিক কিছু কল্পনা থেকে। কোয়ান্টাম মেথড কোর্স করতে গিয়ে এটাই হাতে কলমে শিক্ষা পেয়েছি। রানুর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। তাই এটা ভৌতিক উপন্যাস নয়।

২) ইএসপির বাস্তবতা আছে। এই বাস্তবতা গুলো একেকজন মানুষের জীবনে একেক রকম হয়ে আসে। কিন্তু বিজ্ঞান দ্বারা পরিমাপ করা যায় না ও একজন মানুষের সাথে ২৪ ঘন্টায় ঘটে না। যেমন : একবার আমি পরীক্ষার আগের রাত্রে মেডিটেশন করে পুরা প্রশ্নপত্র দেখেছিলাম , পরের দিন সকালে পরীক্ষার হলে পাওয়া প্রশ্নপত্র হুবহু আমার মেডিটেশনে দেখা প্রশ্নপত্রের সাথে মিলে। কিন্তু এটা আমার সাথে সকল পরীক্ষায় ঘটে নি। রানু নামক মেয়েটির ইএসপিও ২৪ ঘন্টা কাজ করবে না। বিপদের মুহূর্তে ঠান্ডা মাথায় থাকতে পারলে এই ইএসপি সবাই তার নিজ নিজ জীবনে প্রত্যক্ষ করতে পারবেন।

প্রকৃতি মানুষকে সবসময় বিপদ থেকে রক্ষা করতে চায়। তাই, বিপদে এই ইএসপি ব্যবহার করে শত্রুর মোটিভ বোঝা ও শত্রুকে ঘায়েল করাও সম্ভব। মার্শাল আর্টের প্রাথমিক কিছু ধাপ প্রাকটিস করে ও কোয়ান্টাম মেডিটেশন করে এটাই বুঝতে পারছি।

হুমায়ূন আহমেদ, উপন্যাসের ভাষায় রানু ও নীলা তাদের সহজাত ইএসপি ব্যবহার করে সমাজের কুলাঙ্গার ধর্ষকদের থেকে কিভাবে রক্ষা পেল, এটা হয়তো উপস্থাপন করেছেন। ইএসপি র মতন কঠিন বিষয়কে উপন্যাসের ভাষায় রূপ দেওয়া অনেক কঠিন। নিম্নমানের বুক রিভিউয়ের প্রশ্নও দেখছি না।

হুমায়ূন আহমেদের বই পড়ে ও নাটকগুলো দেখে আমার এটাই মনে হয়েছে , বাংলা সাহিত্যে উনি ভিন্নধারা এনেছেন , যা একজন পাঠক বা দর্শক আনন্দের সাথে পড়তে, দেখতে ও চিন্তা করতে পারেন। হুমায়ূন আহমেদের মতন শক্তিমান লেখক না থাকলে, আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অবস্থা কাটপিস মিশ্রিত বাংলা সিনেমার মতন হলেও হতে পারতো।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৫২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





সুপারডুপার ভাই,
আপনাকে বিশেষভাবে অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্য, আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে দুঃখিত। বাংলা ভাষায় হুমায়ুন আহমেদের চেয়ে ভালো লেখা আমি এখন পর্যন্ত পড়িনি। আমার জানা নেই এর চেয়ে ভালো কেউ লিখেন কিনা। ব্যাক্তিগতভাবে আমি মনে করি হুমায়ুন আহমেদের লেখার পাশাপাশি যোগ্য লেখা উপন্যাস বাংলা ভাষায় আর নেই।

১১| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫০

নীল আকাশ বলেছেন: ১।
সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং সাইকোলজিস্ট বা মনোবিজ্ঞানী উভয়ে ভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষিত চিকিৎসক যারা আপনার মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাকে মোকাবেলা করতে সাহায্য করতে পারেন। সাইকিয়াট্রিস্ট এবং সাইকোলজিস্ট এর মধ্যে সামঞ্জস্য থাকলেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য বিদ্যমান।সাইকিয়াট্রিস্ট এবং সাইকোলজিস্ট এর মধ্যকার পার্থক্য যদি না জানেন তাহলে এদের কাজের ধরনও বুঝবেন না।

সাইকোলজিস্ট ও সাইকিয়াট্রিস্ট দুজনই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ। এদের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে, সাইকিয়াট্রিস্ট হতে হলে তাকে অবশ্যই মেডিকেল ডিগ্রি নিতে হয় অর্থাৎ ডাক্তার হতে হয়। আর সাইকোলজিস্ট হতে হলে মেডিকেল ডিগ্রি নিতে হয় না, কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাইকোলজি সাবজেক্টে অনার্স/মাস্টার্স ডিগ্রি নিলেই হয়। অনেকেই এরপরও আরও উচ্চতর ডিগ্রী নেন, যেমন পিএইচডি।

আরেকটি পার্থক্য হচ্ছে, সাইকিয়াট্রিস্ট ঔষধ প্রেসক্রাইব করতে পারবে কিন্তু সাইকোলজিস্টের ঔষধ প্রেসক্রাইব করার অনুমতি নাই। তবে উনি কাউন্সেলিং সেবা দিতে পারবে। সাইকিয়াট্রিস্টদের মেডিকেল ট্রেনিং থাকার কারণে তারা ঔষধ সেবনের পরামর্শ দিতে পারেন। এটাই তাদের মধ্যকার উল্লেখযোগ্য পার্থক্য। সাইকিয়াট্রিস্ট এবং সাইকোলজিস্ট উভয়েই সাইকোথেরাপি অনুশীলনের বিষয়ে – রোগীদের সাথে তাদের সমস্যার বিষয়ে কথা বলার জন্য প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকেন। তাদের ভিন্ন প্রেক্ষাপট এবং প্রশিক্ষণের কারণে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানের ধরন ভিন্ন হয়।

সুতরাং মিসির আলি একজন সাইকোজিস্ট। কোন দ্বিমত আছে কি? পরিবেশ এখন সুন্দর না ?

২।
একজন সাইকোলজিস্ট তার কাছে কোন পেশেন্ট আসলে কি পদ্ধতিতে চিকিতসা করবে বলুন? বইটা পড়লে মনে হয় মিসির আলি রানুর উপর দেবিকে মেনে নিয়েছেন কারণ শেষে উনি নীলুকে রানুর প্রতিভূ দেখতে পেয়েছেন। এতো প্রফেশনাল কনট্রাডিকশন, তাই না? মিসির আলি তো এটাকে DID/MPD হিসেবে চিকিৎসা করবেন। জ্বীন ভুত মেনে নিবেন কেন?
নীলুর আসল রোগ হলো সাইকোলজিস্টের কাছে-
dissociative identity disorder (DID)
a dissociative disorder characterized by the presence in one individual of two or more distinct identities or personality states that each recurrently take control of the individual’s behavior. It is believed to be associated with severe physical and sexual abuse, especially during childhood.
DID is still commonly known as multiple personality disorder, a coinage usually attributed to U.S. physician Morton Prince (1854–1929), whose case history of his patient “Miss Beauchamp” (with personalities called Christine, Sally, and “the Idiot,” among other names) was one of the first in-depth examinations of the phenomenon, published in The Dissociation of Personality in 1906. Subsequent case histories, especially the books The Three Faces of Eve (1957) and Sybil (1973) and their film adaptations, contributed to popularizing—some say sensationalizing—the phenomenon during the late 20th century.
সুত্রঃ dissociative identity disorder (DID)

সুতরাং দেবীকে ভৌতিক বই হিসেবেই পড়া ভালো। মিসির আলি সিরিজ/সাইকোলজির কোন বই হিসেবে নয়।

ধন্যবাদ।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:১৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




নীল আকাশ ভাই,
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্য, আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে দুঃখিত। আমি এখানে শুধু দেবী বইটি পড়ে সংশয়জনক প্রশ্নোত্তর দিতে চেয়েছি, মিসির আলী নিয়ে লিখতে গেলে প্রবন্ধ লিখতে হবে পর্বাকারে।

মিসির আলী পর্ব পড়ে যদি আমি / আপনি না বুঝি সমস্যাটি আমার বা আপনার, মিসির আলী বা হুমায়ুন আহমেদের না। এটুকু আমাদের বুঝলেই হবে। ধন্যবাদ।।


১২| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৫২

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: ঠাকুর মাহমুদ ভাই,

হুমায়ুন আহমেদের প্রতি আপনার ভালোবাসা অনুধাবন করতে পারছি। পদাতিক চৌঃ দা'র পোস্টটা পড়েছি। পদাতিক দা'র ভাবনাগুলো ঠুনকোই মনে হয়েছে। (১ থেকে ৫ পর্যন্ত)। দাদা ৮০ দশকের পূর্বের বাংলার সমাজচিত্র কল্পনা করে পড়লে ব্যাপারটা বুঝবেন আশারাখি।
আপনি বেশ যুক্তি দিয়েই ভাণ্ডার চেষ্টা করেছেন। দেখা যাক দাদা কি বলেন।
ব্লগার সুপারডুপার ইএসপি বেশ সুন্দর করে কিছু কথা, নিজের অভিজ্ঞতাসহ লিখেছেন। উনার কথাগুলো ভালো লেগেছে।

তবে,
উনার ৬ নং পয়েন্ট যুক্তিযুক্তই । রানুর মত একজন মেয়ে দেখে মিসির আলীর মতো একজন যুক্তিবাদী মানুষের বিচলিত হওয়াটা স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। কারণ, রানুর মতো দেখতে, এমন চেহারার মেয়ে থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

মিসির আলী কেন বিচলিত হয়েছিলেন, লেখকই ভালো জানেন। এমনও তো হতে পারে, নীলুফার বা নীলুকে দেখে মিসির আলীর রানুকে মনে পড়েছে। রানুর সমস্যাটা বুঝতে, বা ধরতে না পারার গল্প মনে পড়েছে। এটা গল্পের চরিত্র যুক্তিবাদী চিকিৎসক মিসির আলীর জন্য একটা ব্যার্থ কেইস!

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




জুনায়েদ বি রাহমান ভাই,
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্য, আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে দুঃখিত। আমি এখানে শুধু দেবী বইটি পড়ে সংশয়জনক প্রশ্নোত্তর দিতে চেয়েছি, মিসির আলী নিয়ে লিখতে গেলে প্রবন্ধ লিখতে হবে পর্বাকারে। যা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

মানুষের জীবনে ব্যার্থতা থাকে, মহামানবদের জীবনেও ছিলো। আর মিসির আলী একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক মাত্র। মিসির আলী পর্ব পড়ে যদি আমি / আপনি না বুঝি তাহলে সমস্যাটি আমার বা আপনার, মিসির আলী বা হুমায়ুন আহমেদের না। এটুকু আমাদের বুঝলেই হবে। ধন্যবাদ।।

জুনায়েদ বি রাহমান ভাই, কোনো উপন্যাস গল্প না পড়ে তার মন্তব্য করা কতোটুকু বোকামী হতে পারে তার নজীর আশা করি দেখেছেন।

১৩| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩৩

পদ্ম পুকুর বলেছেন: দুটো লেখাই পড়েছি।
পদাতিক চৌধুরী উল্লেখ করেছেন কি না মনে পড়ছে না, তবে আমার মনে হয় পদাতিক চৌধুরী দেবী সিনেমার রিভিউ করেছেন। ইদানিং জয়া আহসান কলকাতায় একটা অবস্থান গড়ে নেওয়ায় ওখানে 'দেবী'র নতুন পরিচয় উম্মোচিত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে দৃশ্যায়নের যে চিরাচরিত সমস্যা সে যায়গা থেকে অসংখ্য অসামাঞ্জস্যতা রয়ে গেছে দেবী চলচ্চিত্রে। বিশেষত মিসির আলীর চরিত্রে চঞ্চল চৌধুরী বইয়ের ধারে কাছে যেতে পারেননি বলেই মনে হয়।

ভালো থাকবেন।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





আমার জানামতে জয়া আহসানের অভিনয় মান “সি গ্রেড”।

পদ্ম পুকুর ভাই, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্য, আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে দুঃখিত।

১৪| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: দেবী এর পরিশিষ্ট :

থার্ড ইয়ারের অনার্সের এই ক্লাসটি মিসির আলি সাহেবকে দেয়া হয়েছে। সাইকোলজি ফিফ্‌থ পেপার। মিসির আলি সাহেব হাসিমুখে ঢুকলেন। তাঁর মাথা ঝিমঝিম করে উঠল। রানু বসে আছে সেকেন্ড বেঞ্চে। তাঁর দৃষ্টি তীক্ষ্ণ হলো। তিনি মেয়েটির দিকে তাকালেন এবং তাকিয়ে রইলেন। মনে হলো, মেয়েটির ঠোঁটের কোণায় হাসি লেগে আছে। মিসির আলি কাঁপা গলায় বললেন, ‘তোমার নাম কি?’
মেয়েটি উঠে দাঁড়াল। স্পষ্ট স্বরে বলল, ‘আমার নাম নীলু। নীলুফার। রোল নাম্বার থার্টি টু।’
‘আমি একটি মেয়েকে চিনতাম। তুমি দেখতে অবিকল তার মতো।’
‘নীলুফার শান্ত স্বরে বলল, ‘আমি জানি।’
মিসির আলি সাহেব কপালের ঘাম মুছলেন। সমস্ত ব্যাপারটি ভুলে যাবার প্রাণপণ চেষ্টা করতে-করতে বললেন, ‘আমি তোমাদের পড়াব ফিফ্‌থ পেপার।
খুব ইন্টারেস্টিং একটি টপিক-’
রানুর মতো দেখতে মেয়েটি তাকিয়ে আছে তাঁর দিকে। মেয়েটির মুখে মৃদু হাসি।
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

আমি এবং আমরা এর শেষের অংশ :
মিসির আলি এগিয়ে গেলেন। চাঁদের আলোয় দোতলা বারান্দা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। মিসির আলি রেলিঙে হেলান দিয়ে একজন নগ্ন মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন। সঙ্গে সঙ্গে তামাকের কটু গন্ধও পেলেন। মিসির আলি দাঁড়িয়ে পড়লেন। ছায়ামূর্তি শীতল গলায় বলল, কেমন আছেন মিসির আলি সাহেব?

ভালো।

আমাকে দেখতে পাচ্ছেন?

পাচ্ছি।

আমি আছি না নেই?

আপনি নেই।

তা হলে দেখছেন কী করে?

আমার দৃষ্টি বিভ্রম হচ্ছে। শারীরিক দিক থেকে আমি খুবই অসুস্থ। তার ওপর তন্ময়ের গল্প আমার ওপর প্রভাব ফেলেছে বলেই হেলুসিনেশন হচ্ছে।

বাহ্, যুক্তি সাজিয়েই এসেছেন!

আমি খুবই যুক্তিবাদী মানুষ, মাস্টার সাহেব।

আপনার সঙ্গে আমার দেখা হবার খুব শখ ছিল—আপনি আমার ছাত্রের সমস্যা এত দ্রুত এবং এত সহজে ধরবেন তা আমি বুঝতে পারি নি। আমি আপনার চিন্তাশক্তির প্ৰশংসা করছি।

আপনাকে ধন্যবাদ।

একটি মজার জিনিস কি আপনি লক্ষ করেছেন মিসির আলি সাহেব? আপনি তন্ময়ের শিক্ষক। আমিও তার শিক্ষক। আমি তাকে তার সমস্যা থেকে রক্ষা করার জন্যে আছি। আপনারও একই ব্যাপার।

তাই তো দেখছি।

আমি প্রচুর সিগারেট খাই আপনিও খান। খান না?

হ্যাঁ।

আপনি সিঁড়ির গোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন কেন? উঠে আসুন না। নাকি আমাকে ভয় পাচ্ছেন?

মিসির আলি বললেন, আমি যদি আপনাকে ভয় পাই, তা হলে লজিক বলছে–আপনিও আমাকে ভয় পাবেন। –

হ্যাঁ, লজিক অবিশ্যি তাই বলে। হ্যাঁ মিসির আলি সাহেব, আমি আপনাকে ভয় পাচ্ছি।

মিসির আলি সিঁড়ির গোড়ার কাঁটাতারের গেটে হাত দিলেন এবং মনে মনে বললেন, তোমার কোনো অস্তিত্ব নেই। You do not exist, তিনি আবারো তাকালেন। বারান্দায় কেউ নেই। ফাঁকা বারান্দায় সুন্দর জোছনা হয়েছে। হাসনাহেনা ফুলের সুবাস আসছে।


**** দুটি গল্পেই মিসির আলী বিচলিত হয়েছেন। আমার তো মনে হয়েছে এটাই স্বাভাবিক। হুমায়ুন আহমেদের লেখার ধারায় এমন।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




স্বপ্নবাজ সৌরভ ভাই,
আপনার সম্পূর্ণ মতামতের সাথে আমি একমত। মাইকেল মধুসূদন দত্তের সুধুমাত্র কপোতাক্ষ নদ পড়ে মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও তার লেখা নিয়ে মন্তব্য করা যায় না। - কি বুঝলেন?

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।


১৫| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনার কাউন্টার পোস্টটা পড়ে কেন যেন কিছুটা আক্রমনাত্মক মনে হলো। আগেই দুঃখপ্রকাশ করছি, এটা হয়ত আমার নিজস্ব ধারনা। যাইহোক, আপনার পোস্টে যে বক্তব্য আশা করেছিলাম, সেটা পেয়েছি পোস্টের ৩ নাম্বার মন্তব্যে। ব্লগার ইসিহাককে ধন্যবাদ, তিনি চমৎকার বিশ্লেষন করেছেন। ঐ মন্তব্যটি আসলে সব কিছু বলে দিয়েছে। দুইটি পোস্টের প্রাণ ভোমরা হলো ব্লগার ইসিয়াকের সেই কমেন্ট।

আমি যে মন্তব্য করেছি, সেটা পদাতিক ভাইয়ের পোস্টে যে প্রশ্ন করা হয়েছে সেই প্রেক্ষিতে করা। তিনি তার মত করে মতামত দিয়েছেন, তার দেখার চোখ দিয়ে দেখেছেন। সকলের দেখার চোখ এক হয় না বলেই আমরা ভিন্নতা পাই। অসম বয়সের ক্ষেত্রে হুমায়ুন আহমেদের আগ্রহের কথা বুঝার জন্য উনার ব্যক্তিগত জীবন টানা হয় নি, আগ্রহ প্রমানের জন্যই বলা হয়েছে। এছাড়া হুমায়ুন আহমেদের অনেক উপন্যাস আছে, যেখানে অসম বয়সী প্রেমের ব্যাপার উঠে এসেছে। সবচেয়ে বড় কথা উনার সাথে যারা টুকটাক আলাপ আলোচনায় গিয়েছে, সেখানে মাঝে মাঝে এই ধরনের প্রসঙ্গে উনার ইতিবাচক মনোভাবই এসেছে।
আর উপন্যাসে এটা আসার কারন হতে পারে ব্যক্তিগত পছন্দের একটা প্রেক্ষাপট , দ্বিতীয়ত, ঐ সময়ে স্বামী স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য অনেক ক্ষেত্রেই এমনটা হতো। এছাড়া চাইলে আরো অনেক ব্যাখ্যা আনা যায়। এটা এত গুরুত্বপূর্ন বিষয় নয়।

সত্যি বলতে, আমি যে কথাগুলো লিখতে যাচ্ছিলাম, সেইগুলো ইসিয়াক ভাই বলে দেয়াতে আমি আর কিছু বলার পাচ্ছি না।



১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





কাল্পনিক_ভালোবাসা ভাই,
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমি আপনার মন্তব্য খুব আশা করছিলাম। আমার লেখাটি আক্রমনাত্মক নয়। আপনি ব্লগে প্রতিনিয়ত অসংখ্য লেখা পোষ্ট সহ গল্প উপন্যাস পড়ছেন - আমি বিস্বাস করি আপনি আক্রমনাত্মক লেখা আমার চেয়ে অনেক অনেক ভালো বুঝেন ও চেনেন।

ব্লগার ইসিয়াক ভাই যেই মন্তব্য করেছেন তা ইন্টারনেটে আছে আমি আমার লেখায় তা সংযোজন করিনি তাতে আমার পোষ্ট আরো বড় হতো তাতে পাঠক লেখা পড়তেন কিনা সন্দেহ।

ব্লগার পদাতিক চৌধুরি ভাইয়ের বই পড়ায় যে প্রশ্নগুলো তৈরি হয়েছে তার উত্তর দিতে চেষ্টা করেছি আমার পোষ্টে এবং অবস্যই সম্মানের সাথে, আমার মনে হয়না আমি পশ্চিম বঙ্গের কোনো ব্লগে পশ্চিম বঙ্গের কোনো লেখক নিয়ে এরুপ বুক রিভিউ দিয়ে এমন সুন্দর সম্মানের উত্তর পাবো। পদাতিক চৌধুরি ভাইকে আমি সহ ব্লগের অনেকে পছন্দ করেন তাই তাঁর পোষ্ট না পড়েও অনেকে মন্তব্য করেন লাইক দেন, দেবী বই না পড়েও মন্তব্য করতে দেখা গেছে - তিনি এটি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

কাল্পনিক_ভালোবাসা ভাই, সবাই এক নজরে কিছু দেখবেন না এখানেই ভিন্নতা তবে ভুল দেখাটা ভিন্নতা নয় - এটি এক ধরনের সমস্যা। আর এই সমস্যা বিভ্রম তৈরি করে। হুমায়ূন আহমেদের লেখায় ও তাঁর সাথে ব্যাক্তিগত আলাপে অসম বয়সী বিয়ের কথা এসেছে - তিনি লেখক, তিনি দেশ, সমাজ, পরিবার নানা দৃষ্টিতে দেখেছেন - গল্পের প্রয়োজনে উপন্যাসের প্রয়োজনে নিজের প্রয়োজনে। অসম বয়সী বিয়ের প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি কথা বলেতন এটি আমার জানা আছে। ব্লগার ইসিয়াককে অনেক অনেক ধন্যবাদ যা আমি বলতে পারিনি তিনি তা বলেছেন, হয়তো আমি কোনো মন্তব্যে প্রত্তুত্তর করে তা লেখার চেষ্টা করতাম কিন্তু ব্লগার ইসিয়াক আগেই অনন্য মন্তব্য করে গেছেন - যে কারণে তিনি অবস্যই ধন্যবাদ পাবার দাবীদার।

আপনাকে যখন কোনো লেখাতে পাই তখন মনে হয় লেখায় আলাদা একটি স্বত্তা আলাদা একটি প্রাণ পেয়েছি। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভালো থাকুন - সুস্থ থাকুন - ব্যস্ত থাকুন।

১৬| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: তবে, দেবী বইটি হুমায়ূন আহমেদের একটি মাস্টারপিস, আধিভৌতিক অনুভুতি নিয়ে লেখা। এই বই না পড়ে শুধু চলচ্চিত্র দেখা মানে হচ্ছে - রসগোল্লা কিনে তা পলিথিনের ব্যাগে ঢুকিয়ে চোষার মত অবস্থা।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




কাল্পনিক_ভালোবাসা ভাই,
হুমায়ূন আহমেদের প্রতিটি বই মাষ্টারপিস, আমাদের দুর্ভাগ্য এমন একজন লেখককে আমরা অকালে হারিয়েছি, আমাদের দুর্ভাগ্য তাঁর নতুন কোনো লেখা আমাদের আর কোনোদিন পড়া হবে না। হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের বিকল্প একমাত্র হুমায়ূন আহমেদ। আপনি যথার্থ বলেছেন - রসগোল্লা কিনে তা পলিথিনের ব্যাগে ঢুকিয়ে চোষার মত অবস্থা। আমি হাসছি আপনার মন্তব্য পড়ে। আপনাকে ধন্যবাদ। - আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

কাল্পনিক_ভালোবাসা ভাই, আরেকটি কথা না বলে পারছি না হুমায়ূন আহমেদ ফিহা চরিত্র নিয়ে উপন্যাস লিখেছেন এই উপন্যাস দিয়ে পাঠকের বুকে তিনি যে ধরনের শূন্যতা তৈরি করেছেন তা শুধুমাত্র হুমায়ূন আহমেদই পারেন। আর কেউ নন।

১৭| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৪৬

হাবিব স্যার বলেছেন: দেবী বই কিংবা মুভি কোনটাই দখো বা পড়া হয়নি। পদাতিক দার পোস্ট থেকে অনেক কিছু জেনেছিলাম। আপনার পোস্ট তার পূর্ণতা দিলো

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




হাবিব ভাই,
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্য, আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে দুঃখিত।

১৮| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৬

তারেক ফাহিম বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদের প্রায় গল্প উপন্যাসগুলোতে নাম একই থাকে।

হুমায়ুন আহম্মেদের “তিন পুরুষ” বইটিতেও নিলু রানু কাহিনীগুলো দেখলাম।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




তারেক ফাহিম ভাই,
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্য, আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে দুঃখিত।

১৯| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ঠাকুর মাহমুদ ভাই,

গতকাল প্রথমে আপনি সমালোচনা করা যাবে কিনা জানতে চেয়েছিলেন। আমি প্রতিউত্তরে গঠনমূলক সমালোচনা সু-স্বাগতম বলেছিলাম। আপনি শুরুতেই সে কথা উল্লেখও করেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ আপনার সমালোচনাটি বিষয়ভিত্তিক না থেকে ব্যক্তি আক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। অবশ্য ব্যাক্তি আক্রমন ও বিষয়ভিত্তিক আলোচনার বিভাজন রাখাটা সম্পূর্ণ আপনার ইচ্ছাধীন।

আমার পোস্টে উপন্যাসটি পঠনকালে যে প্রশ্নগুলো মনে জেগেছে পাঠক হিসেবে সেগুলির উল্লেখ করেছি। তার আগে ছিল আমার দৃষ্টিতে উপন্যাসের সংক্ষিপ্তসার। কাজেই এখানে মুভি দেখার প্রশ্নটা কেন আসছে বুঝলাম না। একদম শুরুতে যে ছবিটি দেখিয়েছি সেটি প্রথম সংকলনের কভার পেজ।গতকাল মা. হাসান ভাই ও কাভা ভাইয়ের মন্তব্যে বহুলাংশে আমার উত্তরগুলো পেয়েছি।তাই বলে ওনাদের মন্তব্য কখনো শালীনতার মাত্রা লঙ্ঘন করেনি। যদিও সবার যে সীমারেখা বা মাত্রা জ্ঞান থাকবে এমন আশাও করিনা। সংগত কারণেই আপনার মন্তব্যে কিছু প্রশ্ন এসে যায়।

১-কোন গল্প/উপন্যাস পাঠ কালে মনে প্রশ্ন জাগাটা স্বাভাবিক না অন্যায়? আর এক্ষেত্রে প্রশ্ন গুলো যদি শিশুসুলভ বা শিশুতোষ হয়ে থাকে তাহলেই বা অন্যায় কিসের?
যদিও একজন সুশিক্ষিত বা উচ্চমেধার হলে আর একজনকে যে নিম্নমেধা বা শিশুসুলভ হওয়া যাবে না বলে আমার অন্তত সেটা মনে হয় না।

২- প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে গোরা উপন্যাস পাঠ করে রমাপতি ও গোরার চরিত্র বিশ্লেষণ করা মানে রবীন্দ্রনাথকে ছোট করা বা রবীন্দ্রনাথের সমান জ্ঞানের অধিকারী না হলে করা যাবে না বলাটা আমার বুদ্ধিতে সেটা মনে হয় না।

৩-ব্লগে আমরা সহব্লগার, মুষ্টিযোদ্ধা নই যে যথাযথ মূল্যায়ন করতে না পারার জন্য প্যান্ট-শার্ট খুলে নিতে হবে। আপনার কথায় মান্যতা দিয়ে ধরে নিলাম আমি অত্যন্ত নিম্নমানের রিভিউ করেছি। তাই বলে বইমেলার প্যান্ট শার্ট আস্ত নেওয়ার মতো প্রসঙ্গ তোলাটা সুস্থ সংস্কৃতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়? আপনার খেয়াল আছে আপনি কি বলছেন?তাই যদি হয়ে থাকে তাহলে একুশে বইমেলায় নিম্নমানের রিভিউ লেখার অপরাধে এ পর্যন্ত কতজনকে প্যান্ট খুলে নেওয়া হয়েছে তার হিসেব দিতে পারবেন?
আমার একটা শিশুতোষ নিম্নমানের রিভিউ যে আপনাকে এতটা আহত করবে জানলে আমি এ কম্মে কখনোই হাত দিতাম না। এটাতো গেল আলোচনার একটা সিরিয়াস দিক।
অন্য এক দিক থেকে আমার উপলব্ধি, আপনি সম্ভবত গার্মেন্টস ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছেন। আপনার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর।আপনি আমাকে একটি প্যান্ট শার্ট উপহার দিতে চাইছেন।ঠিক আছে এবার না হলেও কোন এক বার একুশে বইমেলায় গিয়ে আপনার কাছ থেকে প্যান্ট-শার্টটি নিয়ে আসব। তখন কিন্তু না করতে পারবেন না। হাহাহাহাহা....

৪-মিস্টার আলি সম্মোধনে আপনার আপত্তি! আপনি জানেন জেনেও বলছি,
উপমহাদেশে হিন্দুরা নামের আগে শ্রী/ শ্রীমতি ব্যবহার করেন; মুসলিম নাম জনাব, মোঃ/মোছাঃ ব্যবহার করেন; ব্রিটিশরা আমাদেরকে মিস্টার/ মিসেস ব্যবহার করতে শিখিয়েছেন। যে কোন অফিসের ডেকোরম মেন্টেন করতে আমরা মিস্টার/মিসেস ব্যবহার করে থাকি। সেই যুক্তিতে যে কোন ব্যক্তি/ চরিত্রের নামের আগে মিস্টার/মিসেস ব্যবহার করার চল। একটু পরিষ্কার করে বলি,
ধরুন আপনি কোন একটি স্থানে অপেক্ষা করছেন। এমন সময় ঘোষণা হল,
- এখানে ঠাকুর মাহমুদ কে আছেন?
অথবা,
-এখানে মিস্টার ঠাকুর মাহমুদকে আছেন?
কোনটা শ্রুতিমধুর লাগলো? আমি তেমনই সম্মান দিতে মিস্টার সম্মোধন ব্যবহার করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেটাও আপনার যদু/মধু সুলভ লাগলো।
উপরে কাভা ভাইয়ের মন্তব্যেও ধরা পড়েছে যে আজ আপনি অনেকটা আক্রমনাত্মক হয়ে আছেন। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকুন। সবসময় আনন্দে থাকুন কামনা করি।


২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সুপ্রিয় পদাতিক চৌধুরি ভাই,
আপনি সমালোচনার লোড নিতে পারবেন না এটি আমার ধারণা ছিলো। আসলে বিষয়টি এমন আপনি হুমায়ূন আহমেদ ও মিসির আলী নিয়ে যা প্রশ্ন করেছেন তার সর্বাধিক সুন্দর উত্তর আপনি পেয়েছেন এখানে আক্রমণাত্বক কিছুই নেই। তারপরও আপনি দুঃখ পেয়েছেন সেজন্য আমিও দুঃখিত। কাল্পনিক ভালোবাসা ভাইয়ের মন্তব্য আপনি পড়তে ভুল করে তাঁকেও টেনে এনেছেন! কাল্পনিক ভালোবাসা ভাই নিয়মিত লেখা পড়েন তিনি আক্রমণাত্বক লেখা আমাদের চাইতে ভালো চেনেন ও জানেন।

ব্রান্ড নামের সাথে মিষ্টার প্রয়োজন নেই মিষ্টার ব্যাবহার করা হলে তখন তাঁকে যদু মধু করা হয় - উদাহরন: - টম ক্রুজ / মিষ্টার টম ক্রুজ কোনটি শ্রুতি মধুর।

১। তসলিমা নাসরিন কোলকাতায় সামান্য সভায় লাঞ্ছিত
২। যেখানে তসলিমা নাসরিন কোলকাতায় সামান্য সভায় লাঞ্ছিত সেখানে বই মেলা অনেক অনেক বড় বিষয়! লক্ষ লক্ষ জনতার ভিড়ে অনেক কিছুই হয়।

পদাতিক চৌধুরি ভাই আমি গার্মেন্টস ব্যাবসায় জড়িত নই, তারপরও আমি না হয় অপরাধে অপরাধী হয়ে বই মেলায় আপনাকে পেন্ট শার্ট বারংবার সরবরাহ করে যাবো। কিন্তু আপনি তো আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার পরামর্শ দিয়ে জানালেন আপনি আমার মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন? পদাতিক চৌধুরি ভাই জেনেটিক্যালি আমরা প্রবল মানসিক শক্তি সম্পন্ন মানুষ আর তাঁর উপর আবার দেশী বিদেশী সরকারী শক্ত ট্রেইনিং - ষ্টিল নার্ভ। আমি আপনার কথায় কিছুই মনে করিনি। আপনি দুঃখ পেয়ে কি বলতে কি বলেছেন তা ধর্তব্য নয়।।


পদাতিক চৌধুরি ভাই,
সর্বশেষে বলতে চাই “সহমত। সহমত। সহমত” - এবার কি খুশি হয়েছেন ভাইটি।।



২০| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:০০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সেপারেট মন্তব্য এজন্য করলাম,
আপত্তির জায়গাগুলো বাদে কাউন্টার পোস্ট এক্সেলেন্ট হয়েছে। আপনি শ্রদ্ধেয় সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদকে অসম্ভব শ্রদ্ধা করেন। কিন্তু গতকাল থেকে আপনাকে আরো অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে, এই পোষ্টটির জন্য। আপনার অধ্যাবসায়কে সম্মান জানাই। পোস্টে দ্বাদশ লাইক।

শুভকামনা প্রিয় ঠাকুর মাহমুদভাইকে।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সুপ্রিয় পদাতিক চৌধুরি ভাই,
আমি নিজের মনের আনন্দের জন্য লেখালেখি করি। নাহ কাউন্টার পোষ্ট দিতে তেমন পরিশ্রম হয়নি। সত্যি বলতে কি “পরিশ্রম করে কাউন্টার পোষ্ট দিতে গেলে আপনি তখন সত্যি সত্যি মনোকষ্ট পেতেন” যেটি আমি কোনো ভাবেই কামনা করিনা।

আপনার জন্যও শুভ কামনা রইলো।

২১| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
পোষ্ট ও মুল্যবান মন্তব্য মিলিয়ে বেশ বড় একটি লেখার ভান্ডার ।
হুমায়ুন আহমদের সব লেখা পাঠ করা হয়ে উঠেনি সময় অভাবে
যদিউ তিনি আমার একজন অতি প্রিয় লেখক । তবে তার লেখা
কোন নাটক সহজে মিস করিনি ।
দিনে সময় করে পড়ব ।
বাকী কথা হবে তখন।
শুভেচ্ছা রইল ।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৫৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





ডঃ এম এ আলী ভাই,
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্য, আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

৮০’র দশকে সেবা প্রকাশনীর একটি স্লোগান ছিলো “সেবা প্রকাশনী - অবসরের সঙ্গী” তা ছিলো যথার্থ। বাংলাদেশে বই উপন্যাস পড়া শিখিয়েছেন কাজী আনোয়ার হোসেন আর হুমায়ূন আহমেদ। লাইব্রেরী থেকে বই কিনে পড়তে হবে এটি শিখিয়েছেন কাজী আনোয়ার হোসেন। আর হুমায়ূন আহমেদ উপন্যাসকে নিয়ে গেছেন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। একটি গল্প একটি উপন্যাস যে কতোটুকু মোহ তৈরি করতে পারে তা হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসে আছে।

ডঃ এম এ আলী ভাই, গল্প উপন্যাস লেখা সামান্য বিষয় নয়। হুমায়ুন আহমেদের জীবনকালে কোনো বই নিজ পয়শায় ছাপাতে হয়নি - এতে বোঝা যায় প্রকাশকগণ গল্প উপন্যাস বোঝেন। এবং এর মূল্যায়নও করেন।

আপনার জন্যই শুভেচ্ছা রইলো।

২২| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: চমৎকার একটি পোষ্ট। খুব উপভোগ করলাম।
দেবী আমি অসংখ্যবার পড়েছি। যতবার পড়ি, ততবার মুগ্ধ হই। মুগ্ধতা কমে না।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৫৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




রাজীব নুর ভাই,
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্য, আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

আমি জানতাম হুমায়ুন আহমেদের বইয়ের ভক্ত আপনি।



২৩| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:২৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আজকের পত্রিকায় দেখলাম, পররাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন, বিদেশে চাকরি করার সুযোগ নারীদের অধিকার । এই অধিকার থেকে তাদেরকে বঞ্চিত করা যাবে না। তবে দেশে চাকরি পাওয়ার সুযোগ নারীদের অধিকার কিনা সে ব্যাপারে মন্ত্রী কোন মন্তব্য করেননি। এই বিষয়ে আপনার সুচিন্তিত মতামত প্রত্যাশা করছি।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:০৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন ভাই,
আপনি প্রবাসে আছেন আপনি ভালো জানেন সচরাচর বাংলাদেশী নারী এখনো প্রবাসে চাকুরী করার মতো যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি, আর যারা যোগ্য তারা যুক্তরাজ্য যুক্তরাষ্ট্র সহ উন্নত দেশে ভালো আছেন তবে মধ্যপ্রাচ্য বাংলাদেশী কেনো?- কোনো দেশী নারীদের জন্যই নিরাপদ কর্মস্থান নয়। - মধ্যপ্রাচ্য এখনো মধ্যযুগে রয়ে গেছে তাদের চিন্তা চেতনা বর্বরতাকেও হার মানায়।

আমি এ বিষয়ে আলাদা একটি পোষ্ট দিবো। অবস্যই আপনি ধন্যবাদ পাবেন সেখানে কারণ আপনি আমাকে মনে করিয়ে দিলেন “বিষয়টি নিয়ে লেখা উচিত”। ধন্যবাদ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন ভাই ধন্যবাদ।


২৪| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:০১

বলেছেন: আপনি কই

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:০৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





“পিপীলিকা, পিপীলিকা,
দল-বল ছাড়ি একা
কোথা যাও, যাও ভাই বলি।”
“শীতের সঞ্চয় চাই,
খাদ্য খুঁজিতেছি তাই
ছয় পায়ে পিল পিল চলি।”

ল ভাই, আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

২৫| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:১৭

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: মাহমুদ ভাই, কই আপনি?

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:০৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





জুনায়েদ বি রাহমান ভাই,
আপনি আমার খোঁজ করেছেন জেনে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।


“পিপীলিকা, পিপীলিকা,
দল-বল ছাড়ি একা
কোথা যাও, যাও ভাই বলি।”
“শীতের সঞ্চয় চাই,
খাদ্য খুঁজিতেছি তাই
ছয় পায়ে পিল পিল চলি।”

২৬| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:১৩

এমজেডএফ বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ ভাই, অনেকদিন আপনার লেখা বা মন্তব্য চোখে পড়ছে না! শরীর-মন সব ভালো আছে তো? আশা করি সব ব্যস্ততা কাটিয়ে শীঘ্রই ফিরে আসবেন।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:০৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




এমজেডএফ ভাই,
কেমন আছেন? আমি ভালো আছি। ভাই আপনি আমার খোঁজ করেছেন জেনে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।


“পিপীলিকা, পিপীলিকা,
দল-বল ছাড়ি একা
কোথা যাও, যাও ভাই বলি।”
“শীতের সঞ্চয় চাই,
খাদ্য খুঁজিতেছি তাই
ছয় পায়ে পিল পিল চলি।”

২৭| ২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩৮

অন্তরন্তর বলেছেন: এখনও দেশে ফিরে আসেন নি ঠাকুর ভাই? শুভ কামনা।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




অন্তরন্তর ভাই,
আমি গতকাল ২৬/১১/২০১৯ বাংলাদেশ সময় ভোর ০৪৪৫ ঢাকায় পৌছেছি। আলহামদুলিল্লাহ আমি ভালো আছি। আপনার জন্যও শুভ কামনা রইলো।


২৮| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৩২

আমি তুমি আমরা বলেছেন: লেখাটা যৌক্তিক, তবে লেখার ভাষাটা একটু আক্রমণাত্মক মনে হয়েছে আমার কাছে।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আমি তুমি আমরা ভাই,
আমি কিছুদিন কিছু কাজে ঢাকার বাইরে ছিলাম তাই যথা সময়ে উত্তর দিতে পারিনি বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ভাই আপনার মন্তব্যর জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। আশা করবো আগামীতে আপনাকে পাশে পাবো। আবারো ধন্যবাদ।

২৯| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:৫৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কিছুদিন যাবত আপনাকে ব্লগে না পেয়ে বেশ চিন্তিত ছিলাম । আশংকায় পেয়ে বসেছিল, যাহোক এখন অশংকামুক্ত হলাম ।
সুন্দর প্রতিউত্তরের জন্য ধন্যবাদ ।

ঠিকই বলেছেন সেবা প্রকাশনী আমাদের দেশের প্রকাশনী জগতে প্রভুত অবদান রেখেছে । সেবা প্রকাশনি হতে প্রকাশিত মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজেরর কোন ব্‌ই বাদ যেতোনা। টিফিনের পয়সা বাচিয়ে রাত জেগে হারিকেনের বাতি জালিয়ে পাঠ করতাম।
দুরের যাত্রায় ট্রেন বসে মাসুদ রানা পাঠ করতে যাত্রা পথ ফুরিয়ে যেত কথন ফুরিয়ে যেত টের পেতাম না।

হুমায়ুন আহমেদ যখন ইন্তেকাল করেন তখন দেশের বাইরে ছিলাম তবে টিভিতে নিয়মিত তার বিষয়ে আপডেট দেখেছি ।
তাকে নিয়ে শবযাত্রায় মানুষের মিছিল দেখে একজন নামকরা জাপানী সাহিত্যিক বলেছিলেন একজন ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যিকের মৃত্যুতে সারা দেশের কোটি কোটি মানুষ এমনভাবে মুহ্যমান হতে পারে তা এক অভাবনীয় কান্ড । এটা নাকি ছিল দুনিয়াতে এক নজির বিহীন ঘটনা ।

শুভেচ্ছা রইল

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ডঃ এম এ আলী ভাই,
বাংলাদেশী জাতি হিসেবে বরাবরই দুর্ভাগা! এই জাতি অকালে তাদের পাট শিল্প হারিয়েছে, খনিজ সম্পদ হারিয়েছে, এই জাতি অকালে তাদের মহাপুরুষদের হারিয়েছে, এই জাতি বরাবর পেঁয়াজের মতো তুচ্ছ একটি সহযোগি দ্রব্যে মার খেয়েছে তারপরেও এই জাতি উঠে দাড়াবার শক্তি পায় - উঠে দাড়িয়েছে এটি অবস্যই হিংসার কারণ বলতে পারেন।

হুমায়ূন আহমেদ নিয়ে লিখতে হলে থিসিস লিখতে হবে, রিম রিম কাগজ লিখে আমার মনে হয় না তাঁর বিশ্লেষণ শেষ করা সম্ভব। হুমায়ূন আহমেদ আমাদের গর্ব, হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের গর্ব - হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের সন্তান। তিনি বিদেশী নাগরিক নন। হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশে থেকে সফল হয়েছেন প্রবাসে থেকে নয়। ৪৭ - ৭১ পর্যন্ত পালিয়ে যাওয়া বাঙ্গালীদের বাঙ্গালী নন হুমায়ূন আহমেদ।

ডঃ এম এ আলী ভাই,
মজার ব্যপার হচ্ছে আপনার মতো আমিও মাসুদ রানা, কুয়াশা’র পাঠক। রাত জেগে কুপি হারিকেন দিয়ে বই পড়েছি। আমি এক সময় রহস্য পত্রিকাতে লিখেছি, লিখেছি যায় যায় দিনে ও। কাজী আনোয়ার হোসেন ও শেখ আব্দুল হাকিম অবসরে যাওয়ার পর আমিও দুরে সরে গেছি, আর সাপ্তাহিক যায় যায় দিনের দুঃখ না হয় অন্য কোনোদিন বলবো। ***দুর যাত্রায় আমার প্রিয় সঙ্গী বই ছিলো এখনো তাই আছে।

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনি আমায় মনে করিয়ে দিলেন হুমায়ূন আহমেদের অকাল মৃত্যু। আমি হুমায়ূন আহমেদের অকাল মৃত্যু নিয়ে একটি পোষ্ট দিবো। একজন ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যিকের মৃত্যুতে সারা দেশের কোটি কোটি মানুষ এমনভাবে মুহ্যমান হতে পারে তা এক অভাবনীয় কান্ড। এটি আসলেই ছিলো দুনিয়াতে এক নজির বিহীন ঘটনা।

আপনার জন্যও রইলো অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অফুরন্ত ভালোবাসা।

৩০| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:১৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ফিহা সমীকরণ আমার প্রিয় বই।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




স্বপ্নবাজ সৌরভ ভাই,
অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রশ্নের উত্তরের জন্য। আপনাকে একটি তথ্য দিচ্ছি - “হুমায়ূন আহমেদের বই পড়ে যদি কিছু সময়ের জন্য হলেও আপনি থমকে না যান, তাহলে বুঝতে হবে আপনি তাঁর লেখা গল্প উপন্যাস বুঝতে পারেন নি” ।

আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

৩১| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৩

মিরোরডডল বলেছেন: দেবী অনেক আগেই পড়েছিলাম । খুবই ভালো লেগেছিল ।
আর হুমায়ূন আহমেদের লেখার আমি ভীষণ ভক্ত ।
এই একজন মানুষের লেখা একই সাথে হাঁসায় আবার কাঁদায় ।

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




MirroredDoll
আমি হয়তো ভালো লিখতে পারি না তবে আমি একজন ভালো পাঠক। আমি অসংখ্য বই পড়েছি তার মধ্যে আমার জীবনে পড়া সবচেয়ে ভালো বইগুলো হুমায়ূন আহমেদের লেখা গল্প উপন্যস। আপনি যথার্থ বলেছেন “এই একজন মানুষের লেখা একই সাথে হাঁসায় আবার কাঁদায়”। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।



৩২| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

পাঠক পাওয়াও একটা বিরাট ভাগ্যের ব্যাপার।
অনেক বড় বড় লেখক ও বাংলাদেশের পাঠক পান্ না।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন ভাই,
হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বি। বাংলা ভাষায় হুমায়ূন আহমেদের চেয়ে ভালো গল্প উপন্যাস কেউ লিখেছেন বলে আমার জানা নেই। আমাদের দুর্ভাগ্য এমন একজন লেখককে আমরা অকালে হারিয়েছি, আমাদের দুর্ভাগ্য তাঁর নতুন কোনো লেখা আমাদের আর কোনোদিন পড়া হবে না। হুমায়ূন আহমেদের বিকল্প একমাত্র হুমায়ূন আহমেদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.