| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখ। বেলা ১২ তার দিকে খুব কাছের এক বন্ধু ফোন দিয়ে হঠাৎ জানাল যে আমি মামা হতে যাচ্ছি মানে ও মা হতে যাচ্ছে। বহু দিন পর যেন সত্তিকারের একটা ভাল খবর পেলাম ! ভাবতে-ই কেমন যেন অবাক লাগছিল যে ও কিভাবে বাচ্চা সামলাবে।?
পৃথিবিতে আবার এক টা নতুন মানুষ আসবে, আবার সে সপ্ন দেখবে,মন খারাপ হলে কাদবে এই সব ব্যপারগুলো ভাবতে ভাবতে যেন চলে গেলাম ঠিক একটি বছর আগে।
২৮/২/২০১০! কোন পূর্বাভাস ছারা-ই জানতে পারলাম দাদু আর নেই। বাড়ি রওনা দিলাম। সাথে বড় চাচা।পুরোটা পথ এক সন্তানের আহাজারি দেখলাম। বরিশাল যেতে যেতে রাত হয়ে গেল। কোথা থেকে যেন জ্যোৎস্না এসে যেন পুরো গ্রামটা ভাসিয়ে দিল। কীর্তনখোলা নদীটাকে-ও যেন মনে হচ্ছিল চাঁদের শহরের কোন এক অচেনা তরল স্রোতধারা। পুরো গ্রামটায় কোন electricity ছিল না। আমদের রিকশা যখন বাড়ীর উঠানে এসে পৌঁছআলো তখন দেখি হাজারো মাণূষের ভীড় । কোণো আলো ণেই কিন্তু জ্যোৎস্নার আলোতে পরিষ্কার দেখতে পেলাম দাদূর নিথর শরীর পড়ে আছে শুকনো একটা খাটে উঠানের একেবারে মাঝে। তারপর কেন যেন আমার আর কিছূ মনে নেই। অনেকক্ষণ পর ণীজেকে আবিষ্কার করলাম গোরস্থানে নতূন খোরা একটা কবরের সামনে। আমি নামলাম কবরের ভেতর। তাকালাম আকাশের দিক। মনে হচ্ছিলো পৃথিবী হতে অনেক দূর চলে এসছি। দাদুকে দেয়া হোলো আমার কোলে কবরে শুইয়ে দেবার জন্য। কোমল মমতায় দাদূকে শুইয়ে দিলাম অচেনা কবড়ে।মূখ থেকে কাপোড় সরিয়ে ডান দিকে মূখ ফিরিয়ে রেখে শেষবারের মত কাছের একটা মাণূষকে দেখলাম,জ্যোৎস্নার আলোতে মনে হচ্ছিলো ঘুমিয়ে আছে যেন মানুষটা।
পুরো ব্যাপারটা যেন স্বপনের মত অচেনা রঙে রাঙান ছিল। বার বার মনে হচ্ছিলো আমি মনে হয় ভূলে কোণো পর বাস্তব জগতে চলে এসেছি।দাদূ যখন পৃথিবীতে প্রথম এসেছিলো জানিনা কে তাকে প্রথম দেখেছিলো,কে তাকে প্রথম কোলে নিয়েছিলো কে জাণে! কিন্তু আমি সেই যে কি না তাকে শেষ বারের মতো দেখেছি।
ঠিক একবছর পর সুখবরটা শূণলাম। শুরু হোলো আরেকটি মাণূষের গল্প। সে আসবে, প্রচণ্ড আবেগে ভাসাবে অনেকগুলো মানুষকে,স্বপ্ন পূরণের দাবিতে একদিন অনেক বড় হবে, মায়াময় এই পৃথিবীতে সে আবারো মায়ার নতুন গল্প বূণবে। আমরা অধীর অপেক্ষায় বসে আছি তার আসার কামনায়।অপেক্ষা করছে হাজারো ফুলের তোড়া, জানালায় উকি দিয়ে আছে হাজারো প্রিয় মুখ, দেয়ালের ঘড়ীটা-ও বসে আছে মুহূর্তের অপেক্ষায়। সবার একই কামনা শুরু হোক নতুন এক টি মায়ার গল্প...।!!!
২|
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:২৬
চশমা সাব্বির বলেছেন: হয়ত ঠিক-ই বলে। আমার কাছে মনে হয় আমরা সবাই এক পলায়নপর ঘোরের ভেতর থাকি। থাকি মায়ার ভেতর আবার পালাতে চাই মায়া থেকে অনেক দূরে.।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৩৮
ডরোথী সুমী বলেছেন: সবই মায়া কিন্তু তারপরেও আমরা এর পিছনে ধাবিত হই।