| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৌদি আরবে হত্যাকারীর শাস্তি হলো কতল বা মৃত্যু দন্ড। অপরাধীদের দোষ প্রমানিত হওয়ার পর তলোয়ারের কোপে হত্যাকারীর শরীর থেকে মাথা আলাদা করা হয়। আমাদের দেশের সুশীল সমাজ কিছুদিন আগেও সৌদি আরবে প্রবাসী কয়েক বাংলাদেশীর শিরচ্ছেদ করলে আমাদের সুশীল সমাজ ও তাদের মুখপত্র প্রথম আলো এই নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করে সৌদি সরকারের।
পশ্চিমা বিশ্ব যাদের সভ্য বলা হয় তাদের দেশ থেকে তারা ইতিমধ্যে মৃত্যু দন্ড রোধ করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড চালু করেছে।
শাহবাগ আন্দোলনকারীরা যারা শিক্ষা ও বেশ ভূষায় বেশ আধুনিক এবং নিজেদের পশ্চিমা সভ্যতার মুরীদ মনে করে তৃপ্তি পান তারা কাদের মোল্লা সহ আরো গুটি কতেক যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে অভিযুক্তের ফাঁসি চান। এ দাবীতে তারা সোচ্চার।
সভ্য বিশ্ব থেকে যখন মৃত্যু দন্ড উঠিয়ে দেয়া হয়েছে তখন স্বাধীন দেশের সভ্য একজন নাগরিক হিসেবে যারা মৃত্যুদন্ডের দাবীতে সোচ্চার তারা দেশটাকে কী একটি সভ্য দেশ করতে চান না সৌদি আরবের মত একটি ধর্মান্ধ দেশে পরিণত করতে চান ? বিষয়টি ভাবতে থাকুন।
২|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৮
কাফের বলেছেন: জানোয়ারের বাচ্চা নর্দমার কীট
৩|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৪০
অকপট পোলা বলেছেন: আমি আপনার সাথে সম্পূর্ন একমত।
তবে যেহেতু উনি জামায়াত নেতা এবং ইসলামী আইন কায়েম করতে চান তাই তার ফাঁসি আমি অন্তত চাই না। আমার মতে তাকে শাহবাগে প্রকাশ্যে তলোয়ার দিয়ে শিরোচ্ছেদ করা হোক। কারন কাদের খুনের আসামী।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২৭
মোঃ মামুনুর রশীদ বলেছেন: ভাই আপনি কি প্রেক্ষাপটটি বুঝতে পেরেছেন? স্বাধীনতা যুদ্ধাপরাধীরা এতটাই ঘৃণ্য কাজ করেছে যে সুশীল সমাজ তথা সারা বাংলাদেশের স্বাধীদধিনতার পক্ষের সবাই তাদের ফাঁসি চাচ্ছে! তাহলে আপনি নিজে এবার চিন্তা করতে থাকেন কি পরিমান বাজে কাজ করলে মৃত্যুদন্ড বিরোধীরাও ফাসির কথা বলে!!