| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শারদ শিশির (এ.বাংলাদেশী)
যা দেখি তা সত্য আর যা দেখিনা শুধুই শুনি তা মিথ্যা।
আমার মাথায় একটা কথা কিছুতেই আমি ঢুকাতে পারিনা যে এই দেশের একটা বড় দল যে দলের প্রতিষ্ঠাতা জণাব নাকি স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন,তার দলের আদর্শবাহী প্রতিটা নাগরিকের বুকে কেন এত পেইন হয় যখনই দেলু পীর বা নিজামী পীরের বিষয়ে কেউ কোন কথা তোলে! তাহলে ঐ দলটির কি ইচ্ছা যুদ্ধাপরাধী শয়তানদের বাঁচিয়ে রেখে এই বাংলাদেশটিকে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করা!
আমার এক ইন্টার মিডিয়েট পড়ুয়া ছাত্রী যার সমগ্র পরিবার,আত্মীয় স্বজন সবাই যুদ্ধাপরাধী রাজাকারদের মন্ত্রনালয়ের মসনদ উপহার দেওয়া দলের ভক্ত এবং ভোটার।ছাত্রী আমাকে জিগায় আচ্ছা দেঃহোঃ সাঈদি তো যুদ্ধের টাইম ছোট ছিল।সে তো যুদ্ধই করেনি।সাইদ নামে একজণ যুদধ করছিলো।তার বদলে আওয়ামীলীগ দেঃহোঃসাঈদীকে ফাঁসিয়েছে।আমি বললাম এই মেয়ে এই গল্প তুমি কোথায় পেয়েছো।তোমার তো বয়স মাত্র ১৭।
সে বল্ল আমাদের হিন্দু টিচাররাই বলতেছে যে উনি রাজাকারও ছিলনা মুক্তি যুদ্ধও করে নি।আমি বললাম দেলুর ফাঁসির রায় হওয়ায় এ দেশের ধর্মপ্রাণ কিছু মুসলমান হিন্দুদের উপর চড়াও হবে এবং হচ্ছেও ।এ থেকে বাঁচতেই তোমার ঐ হিন্দু স্যারেরা এই সব রামায়নি চাপা পিটাচ্চে।আসলে তারা বাংলাদেশে বাস করলেও তাদের মনে অলটাইম বেজে চলে ভারত মাতা জিন্দা হে...।
আর উপরে বাজে এই দেশ রসাতলে গেছে।ভরতে এই স্বাধীনতা আছে ঐ স্বাধীনতা আছে।হ্যন আছে ত্যন আছে।আসলে ভারতে যে একবার বেড়াতে গিয়েছে অন্তত সে এবং ভারতীয় ই টি ভি বাংলার খবর দেখলেই বোঝা যায় ভারত কেমন আছে।
আর তুমি কি কখনো দেলু চাচার মাহফিল শুনেছো?
মেয়েটি বল্ল না শুনিনি।তখন আমি বলতে বাধ্য হলাম যে একটা মেয়ে হয়ে তুমি কি করে দেলু হুজুরের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে আসো? ও তো মাহফিলে নারীর বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো ছাড়া আর কিছুই করেনা। তাছাড়া সি এন্ড ওয়েট।দেলুর ফাঁসি হোক আর না হোক আমরা জণগন হলাম বাজনা ছাড়াই কোমর দুলিয়ে নেচে উঠি।গতবার হাসিনাকে ভোট দিয়েছিলম।এবারতো তাই নিয়ম মাফিক খালেদারেই দেব।তখন আর বোরকা ছাড়া রং বে রঙ্গের থ্রি পিস পড়ে বাইরে পড়তে যাওয়া লাগবেনা।
এবার শুনুন পিরোজপুর বাসীদের কথাঃ তাদের একটাই কথা সাঈদি তো একদমই নিরদোস।তার নামে নাম এক রাজকার ছিল তাাকে মুক্তি যোদ্ধারাই মেরে ফেলছিল।আর হাসিনা এখন সাঈদিকে ফাঁসাচ্ছে। তাদের একটা প্রশ্ন করলম আচ্ছা মুসলিম এইড থেকে প্রতিবছর বাংলাদেশে যে যাকাতের ১০০ কোটি টাকা যাকাত আসে তার কি একটা টাকাও আপনারা পিরোজপুর বাসীরা পান? ঐ টাকাতো জামাত ইসলাম বাংলাদেশের নামেই আসে। তারা জবাব দেয়না।
এখন আবার শিবিরের হারামীদের মাথায় চমৎকার এক এডিটিং এসেছে।চাদের ভিতর সাইদির ছবি।এ নিয়ে যে পাবলিক কত জাগর কাটবে তা আমার দুই কর্ণই মালুম।না জানি কর্ণ দুইখান পচে না যায় সাইদী জির জণ্য আল্লাহর এই পরম লিলার কথা শুনতে শুনতে।
২|
০২ রা মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৬
গান পাগলা বলেছেন: বা.ল ছা.ল টাইপের পোষ্ট।হালায় ব্লগের নাম হুনসে আর দোর মারছে।
৩|
০২ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:০১
শারদ শিশির (এ.বাংলাদেশী) বলেছেন: বৃক্ষ তোমার নাম কি ফলে পরিচয়।যা ঘুরে আয় ভাই।দেখে আয় আমার ব্লগবাড়ি
৪|
০২ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:০৩
শারদ শিশির (এ.বাংলাদেশী) বলেছেন: এম আর সুমন [/sb
ধান্ধা করে কি আপনার বেডের কোলবালিশ নিয়ে বেঁচে দিলাম ভাই!
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৬
এম আর সুমন বলেছেন: কিছু লোক আছে সত্যিকারের ধান্দাবাজ। আমার আপনাকে সেই ধরনের একজন মনে হয়েছে। আপনি পোষ্টে বলছেন পিরোজপুরবাসীরা বলছে সাঈদী রাজাকার না। এর জবাবে আপনি লিখেছেন সাঈদি অমুক ফান্ডের টাকা কি করেছে!!! হা হা হা, মানে হল রাজাকার হোক বা না হোক, সাঈদীর বিচার চাই। আর মখা , বেয়াইরা যাই হোক তাদের এখন মুক্তিযোদ্ধা বানাতে হবে।
ভাই পিরোজপুরে কখোনো গেলে বুঝবেন যে সেখানে কাজ হয়েছে কি না। শুধু এইটুকু জানি বর্তমানে যিনি পিরোজপুরের এমপি, আউয়াল মিয়া, পিরোজপুরের বেশিরভাগ লোক যদি তাকে এক কথায় ঘুষখোর আর দুর্নীতিবাজ না বলে তবে আর কখোনো ব্লগিং করব না।
পিরোজপুরে যত উন্নয়ন কর্মকান্ড সব হয়েছে সাঈদির দুই টার্মে। এটা তো সত্য। আর সরাসরি যাকাতের টাকা দিয়ে পিরোজপুর বাসষটান্ডে একটি বিশাল মসজিদ, ইন্দুরকানীতে (জিয়ানগর) সাইদীর নিজস্ব অর্থায়নে অন্তত তিনটি মন্দির যা সরকারী টাকার বাইরে হয়েছে। এসব আমি পিরোজপুর সরকারী কলেজের ছাত্র ছিলাম বলে জানি। এসব কারনেই সেখানকার তিনটি থানা মিলে পিরোজপুর ১ আসনে সাঈদি বিপুল ভোটে দুই বার নির্বাচিত হয়েছিল।
তবে ভাই এই লোক রাজাকার কিনা তা আমি জানি না। কারন সেই বয়স আমারো হয়নি। আমিও অনেকের কাছে ওই মেয়েটির মতই শুনেছি এবং শুনছি। এমনকি আমার মনে আছে পিরোজপুরের যিনি মূল মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মেজর জিয়াউদ্দিন, যিনি কর্নেল তাহের এর সাথে একত্রে চাকুরী থেকে অবসর নিয়েছিলেন, সেই লোক আওয়ামী লীগমনা। তিনি সাঈদিকে রাজাকার ছিলেন না বলেছেন। আবার বরিশাল বিভাগীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীরোত্তম শাহজাহান ওমর স্পষ্টই বললেন যে সাঈদি রাজাকার না। এখন ভাই আমরা আপনাদের কথাও শুনি, আবার ওই এলাকার মানুষদের কথাও শুনি, আবার মুক্তিযোদ্ধাদের কথাও শুনি। সাঈদী রাজাকার প্রশ্নে আমরা শুধু বিভিন্ন কথা শুনছি।
একথা স্পষ্ট যে সাঈদীর কেসটা একটু ভিন্ন, গো. আজম , মুজাহিদদের মত চিহ্নিত রাজাকারদের মত না। কথাগুলো বিচারপতি নিজামুল হকের । যাই হোক আমার ধারনা সাঈদীর আগে এদের ফাঁসী দেয়া উচিত ছিল।
বঙ্গবন্ধুর সময়ে ক্ষমা পাওয়া ২৬০০০ ও ক্ষমা না পাওয়া ১১০০০ এর মধ্যে সাঈদি নামে কেউ নাই। শেষোক্ত ১১০০০ এর বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েই গেছিলো। শুধু বিচারপতি সায়েম তাদের ক্ষমা করে দেয়। এখন সত্যিই যদি রাজাকারের বিচার চান , তবে যে লোক রাজাকার ছিল কি ছিল না এই নিয়ে বিতর্ক আছে তাকে বাদ দিয়ে সত্যিকারের যারা রাজাকার ছিল ওই ২৬০০০ ও সাজা পাওয়া ১১০০০ , তাদের কেন লিষ্ট ধরে বিচার করা হচ্ছে না? মাত্র পাঁচ ছয়জন সম্ভবত সঠিক রাজাকার ধরা হয়েছে। আরো তো কত কত আছে। যারা একেবারেই চিহ্নিত । তাদের কেন গোনায়ই আনা হচ্ছে না?