| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আচ্ছা আপনারা যারা জামাত করেন আর আপনাদের শীর্ষ নেতৃত্ব কে নিরাপরাধ মনে করেন তাদের প্রতি কিছু প্রশ্ন :
১) দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে প্রমানিত হয়েছে এরা যুদ্ধের সময় গুরুতর অপরাধের সাথে জড়িত, কিসে আপনাদেরকে নিশ্চিত করল যে আসলেই তারা নিরাপরাধ (যেহেতু যারা ব্লগ জগতে বিচরন করেন তাদের প্রায় সবাই ৭১ পরবর্তী প্রযন্ম)। তাও আবার সকল নেতার ক্ষেত্র, এমনও তো হতে পারে কেউ আসলেই দোষী কেউ আসলেই নির্দোষী। এনারা দলীয় নেতা বলেই উনাদের নির্দোষ দাবী করা হয়, তাই নয় কি ?
তাহলে ব্যাপারটা কি দাড়ালো, আওয়ামীলিগ যেমন রাজনৈতিক স্বার্থে এই বিচার করছে আপনারাও তেমন রাজনৈতিক স্বার্থে কোনকিছু নিশ্চিত না হয়েই এদের নির্দোষ দাবী করছেন, এটা রাজনীতির খেলা চলছে আরা এই খেলায় আপনাদের গূটি কাটা যাচ্ছে, এখানে শহীদ,ইসলাম এইসব কোন ফ্যাক্ট না।
২) মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশে ৩০ লাখ লোক না হোক কমপক্ষে ৩ লাখ লোককে যে হত্যা করা হয়েছে এটা অনুমান করাই যায়। আপানারা কি একটা প্রমান দেখাতে পারবেন যে তারা এর একটা নুন্যতম প্রতিবাদ করছে। যারা এতবড় একটা হত্যাযগ্গের প্রতিবাদ করে না, আরো তার সমর্থন করে তারা কত বড় ভালো মুসলিম তা বুঝাই যায়।
আমার সামনেও যদি একজন অমুসলিমকেও অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয় আমি প্রতিবাদ করতে বাধ্য। আমি যদি একটা বড় দলের নেতা হই আমার দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়।
৭১ সালে জামাতের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল পাকিস্তানের পক্ষে ব্লা ব্লা এইসব হেনতেন বইলেন না, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হইলে আপনারা রাজনৈতিক ভাবেই সমাধানের পক্ষে থাকতেন আর ভয়ানক হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করতেন যদি নুণ্যতম মানবতাবোধ থাকত, নুণ্যতম ইসলাম তো পরের বিষয়।
৩) এই আদালত রাজনৈতিক উদ্দ্যেশ্যপ্রনদিত সরকার জামাত কে রাজনীতির মাঠ থেকে নিশ্চিহ্ন করার জন্যেই বিচার শুরু করছে :
তাই যদি মনে করেন তাহলে উচ্চ আদালতে আপিল করছিলেন কেন ?
একটা আদালতে যদি আস্থা না থাকে তাহলে সেখানে কেউ আপীল করে না। খুব সিম্পল ব্যাপার, মাহমুদুর রহমান (আমারদেশ) বিশ্বাস করেন এখানে সবাই দলীয়ভাবে বিচার করে, আমি সুবিচার পাব না তাই আমি জামিন চাব না। এটাই হওয়া উচিত নয় কি ?
মামলার শুনানীর সময় "ইয়োর অনার/মাই লর্ড" (প্রসংগত: কোন মানুষকে মাই লর্ড বলা বড় শিরক, জামাতের আব্দুর রাজ্জাক তাও বলে) এইসব বুলি ছাড়বেন আর দোষী প্রমানীত হলে বলবেন "এই রায় ন্যায়ভ্রষ্ট" আমরা আপীল করব। আপীলে হারলে বলেবেন আমরা রিভিউ করব (একই সাথে হরতালও করব)
রিভিউ তে হারলে বলবেন "তিনি শহীদ হয়েছেন আল্লাহ বিচার করবেন" এইসব ছোটলোকি যারা নিছক রাজনৈতিক দল তাদের মানায়, ইসলামের নাম দিয়ে রাজনীতি করা কোন দলের মানায় না।
৪) কথা পরিস্কার, যদি মনে করেন আদালত দলীয়, তাহলে আইনী লড়াই কইরেন না, রাস্তায় ভাংচুর/ হরতাল করে আদালত বন্ধ করার চেষ্টা করেন। আরা যদি মনে করেন সুবিচার পাইতে পারি তাইলে অন্তত রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল/ভাংচুর কইরেন না। একমাত্র ছোটলোকরাই "মারতেও পারে আবার কাদতেও পারে"
৫) উমাইয়া শাসনামলে বহু সাহাবায়ে কেরামকে অন্যায়ভাবে শহীদ করা হয়েছে। এমন একটাও কি উদাহারন দেখাতে পারবেন অন্য সাহাবারা এর প্রতিবাদে হরতাল/ভাংচুর করেছেন। উনারা ধর্য্য ধরেছেন কারন এই ভাবে বিনা দোষে প্রান দেওয়ার মাধ্যমে উনারা কিয়ামতের দিন আরো মর্যাদাবান হবেন। এটাই ইসলামের শিক্ষা, বিপদে পড়লে ধর্য্য ধরত হয় আল্লাহর কাছে দোওয়া করতে হয়। আর আপনারা জামাতির দোওয়া করা থেকে ভাংচুর/হরতাল করাকে প্রাধান্য দেন।
৬) উনি ইসলামী আন্দোলন করার কারনে আজকে উনাকে ফাসী দেওয়া হয়েছে: তাই যদি মনে করেন তাহলে চুড়ান্ত রায় হয়ে যাওয়ার পরেও রিভিউ এর জন্যে হাতে পায় ধরতেছেন কেন ? যদি এমন সম্ভাবনা থাকত রিভিউ হলে রায় পরিবর্তন হবে তাহলে একটা কথা ছিল।
এর পরও "পূর্নাংগ রায় বের হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে রিভিউ পিটিশন করব তা শুনানী হয়ে ফয়সালা হবে, তার পুর্নাংগ রায় বের হবে তারপর রাষ্ট্রপতির ক্ষমার জন্যে আরও ১৫ দিন পাব" এইসব বলার একটাই উদ্দ্যেশ্য, হেনতেন করে আর কিছু দিন দুনিয়ায় থাকা।
জামাতের কোন নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে মার্সি পিটিশন করবে না এটা সবাই জান, তারপরও এখন সেটা বলে না , যদি ঝুলায় দেয়। তাই বলছে 'রিভিউ হবে তারপর জানাবো রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাব কি না। এটাই হচ্ছে ক্রিমিনাল দের আচারন।
আমার সবাই জানি মুমিনের জন্যে দুনিয়া থেকে আখেরাত অনেক ভাল জায়গা। উনারা যদি সত্যিকারের মুমিন,ইসলামী আন্দোলনের সৈনিক,মুজাহিদ,শহীদ হন তবে দুনিয়ায় কয়টা দিন বেশী থাকার জন্য এত ছলচাতুরী করা লাগে কেন।
উনারা যদি সত্যিকারের মুমিন,ইসলামী আন্দোলনের সৈনিক,মুজাহিদ,শহীদ হন তাহলে উনাদের অন্যায় ভাবে ফাসী দেওয়ার সাথে সাথে জান্নাতে চলে যাবেন,সারা জীবনের গুনাহ মাফ হয়ে যাবে , এত বড় একটা সুযোগ নিতে এত অনীহা কেন কেন কেন ?
অফটপিক : যেহেতু টুডে ব্লগে জামাতি বিচরন বেশী তাই সেখানে কাল পোস্ট করেছি এই ব্লগ কিন্তু তাদের থেকে কোন সদুত্তর পাই নাই।
২|
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৩৩
হাসান নাঈম বলেছেন: আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে যেন তেন প্রকারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিলেই খুশি। কোন ঈমানদার মানুষের পক্ষে কোন জঘন্যতম অপরাধীর বেলায়ও এই ধরনের মনোভাব থাকার কথা না।
হ্যা, অন্যায় ভাবে হত্যা করা হলে ওনারা জান্নাতে যাবেন এটা যেমন ঠিক তেমনি আল্লাহর দেয়া শক্তি যোগ্যতা ব্যাবহার করে যতদুর সম্ভব জীবন রক্ষার চেস্টাও অন্যতম বিধান। যদি তাই না হত তাহলে মুসলমানরা যুদ্ধের ময়দানে খালি হাতে গিয়ে গলা পেতে দিতেন যাতে দ্রুততম সময়ে শহীদ হতে পারে - সেটা কি কখনই হয়েছে?
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৫১
ট্রপিকানা বলেছেন: তেন প্রকারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে না তো , ট্রাইবুনালের রায়ে দোষী হয়েছে তারপরে আপীল কোর্টেও দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এখন আবার রিভিউ এর জন্যে হাতেপায়ে ধরছে। "রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাব না" এই কথাও বলছে না জানের ভয়ে। জানের এত ভয় সো কলড ইসলামিস্টদের
শক্তি যোগ্যতা ব্যাবহার মানে কি হরতাল/ভাংচুর ? এক সাইদীর জান বড় না ২০০ মানুষের জান বড় ? সবাই জানে যে রাস্তায় নামলেই পুলিশ গুলি করে এরপরও রাস্তায় নেমে ভাংচুর করে পুলিশের গুলিতে প্রান হারান তো যুদ্ধের ময়দানে খালি হাতে গিয়ে গলা পেতে দেওয়ার মতই , নয় কি ?
৩|
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:০১
সোজা সাপটা বলেছেন: আপনার পোষ্ট পড়ে আমার মনে হলো আপনি আরো বেশি ইসলামী আন্দোলনের সৈনিক ।
কারন বেশ কিছু ভুল ধরাতে পেরেছেন যা ইসলাম সন্মত চলছেনা দেশে ।
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:৫৩
ট্রপিকানা বলেছেন: সমস্যা হল এরা মনে করে এরাই খালি ইসলামের কাজ করে, আর কেউ করে না তাই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নাই।
৪|
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:১৮
হাসান নাঈম বলেছেন: কোন কোর্টের রায়ে দোষী হয়েছে? যে ট্রাইবুনাল কেউ মানে না?
আর সুপ্রিম কোর্ট? এই কোর্টকে ব্যাবহার করে সংবিধান থেকে তত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে ক্ষমতায় টিকে থাকার ব্যাবস্থা করা হয়েছে কয় দিন আগে? তাহলে সেই কোর্টকে যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হত্যার জন্য ব্যাবহার করা হচ্ছে না কিভাবে বলেন?
যদি সাহস থাকত হালে সত্যিকারের আন্তর্জাতিক আদালত তৈরী করত। কারন যুদ্ধাপরাধ মানেই আন্তর্জাতিক বিষয়, যেহেতু যুদ্ধ দুটি দেশের মধ্যে হয়। তাই যুদ্ধাপরাধের বিচার ডোমেস্টিক আদালতে কখই হতে পারে না। আর এই ট্রাইবুনালে কী হয়েছে তাতো স্কাইপে কেলেঙ্কারিতে প্রকাশিত হয়েছে যে দ্বায় মাথায় নিয়ে ট্রাইবুনাল প্রধান পদত্যাগে বাদ্ধ হয়েছিলেন। তার পরও যদি বলেন এটা একটা 'বিচার' তাহলে প্রশ্ন ওঠে 'অবিচার তবে কাকে বলে?'
আর সাইদীর রায়ের প্রতিবাদের কথা বল্লেন - আপনার কাছে প্রতিবাদটা অন্যায় মনে হল, অন্যায় ভাবে একজন নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা দোষের মনে হল না? আপনি নিজেই বলছেন রাস্তায় নামলেই পুলিশ গুলি করছিল - সেটা কি খুব ভাল ছিল? আপনিই বলছেন জান্নাতে যাওয়ার জন্য ফাঁসির বিরুদ্ধে আইনি লড়াই না করে ফাঁসি মেনে নিতে, আবার আপনিই বলছেন পুলিশের গুলির ভয়ে ঘরে বসে থাকতে , অন্যায় অবিচারের প্রতিবাদ না করতে - ভাই আপনার কোন কথাটা ঠিক? না কি আসল সমস্যা জামাতের আদর্শিক আন্দোলন - তাই তারা যখন যেটা করে সেটাই খারাপ মনে হয়??
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:৪২
ট্রপিকানা বলেছেন: সুপ্রিম কোর্টে আস্থা না থাকলে "রিভিউ" এর জন্যে এত কাদাকাটি করছেন কেন। জানেনই তো রিভিউ হলেও তা টিকবে না। আর কয়টা দিন কারাগারে থাকতে রাজি কিন্তু মরতে রাজি না।
আপনাদের অন্যায়ের প্রতিবাদের "ধাক্কা" এত বেশী যে একজনের জান বাচানোর জন্যে ২০০ জন প্রান দিয়ে দেয়।
তো ৭১ সালে যখন লক্ষ লক্ষ মানুষ কে অন্যায় ভাবে হত্যা করা হয়েছিল তখন এই "ধাক্কা" কোথায় ছিল
৫|
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৫
হাসান নাঈম বলেছেন:
বুঝা যাচ্ছে জামাত যাই করবে তাতেই দোষ - জীবন বাজি রেখে আন্দোলন করাও দোষ আবার জীবন বাঁচানোর জন্য আইনী লড়াই চালানোও দোষ। আর আন্দোলন করে আইন বদলিয়ে সর্বোচ্চ আদালতকে সর্বাধিক প্রভাবিত করে রাজনৈতিক কারণে মানুষ হত্যা করলেও তাতে কোন দোষ হয় না।
জামাত আন্দোলন করছে, আইনী লড়াই করছে তাদের নেতাদের জীবন বাঁচানোর জন্য আর শাহবাগী বামপন্থীরা আন্দোলন করেছে তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বিচারিক প্রকৃয়ায় হত্যা করার জন্য - এই দুটি যদি আপনার কাছে একই মনে হয় তাহলে আর কিছু বলার থাকে না।
৭১ সালে দেশে যখন লক্ষ লক্ষ মানুষ হত্যা করা হয়েছিল তখন আওয়ামী বামপন্থীরা নেতারা কোথায় ছিলেন, জানেন? প্রধান নেতাতো সেচ্ছায় আত্মসমর্পন করে জেলে ছিলেন, তার পরিবার পাকিস্তান সরকারের ভাতায় আর সেই যুদ্ধাপরাধী সেনা বাহিনীর পাহারায় ঢাকাতেই নিরাপদ ছিলেন। আর অন্যান্য নেতারা কলকাতার হোটেলে আরাম করছিলেন। কোন কোন বুদ্ধিজীবির বিরুদ্ধে ক্যান্টনমেন্টে মুরগী সাপ্লাইএর অভিযোগ আছে।
তখন জামাত নেতারাই দেশে ছিলেন এবং দেশের মানুষকে বাঁচানোর যথাসাধ্য চেস্টাও করেছেন। হ্যা, তাদের চেস্টাটা যুদ্ধের মাধ্যমে ছিল না, বরং পাকিস্তান সেনা বাহিনীর সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌছানোর চেস্টা ছিল। জামাত নেতারা তখন বহু মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধারণ মানুষকে আলোচনার মাধ্যমে সেনাবাহীনীর হাত থেকে ছাড়িয়ে এনেছিলেন।
আপনি যদি আওয়ামী প্রপাগান্ডা মেশিনের কল্প কাহিনী বিশ্বাস করেন তাহলে আর কিছু বলে লাভ নাই। শুধুমাত্র একটা বিষয় লক্ষ করুন - যুদ্ধের পরপরই বাংলাদেশের প্রথম সরকার যে যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা তৈরী করেছিলেন সেখানে কোন জামাত নেতার নাম নাই, দালাল আইনে যে এক লক্ষ মানুষ গ্রেফতার হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত যে ১১ হাজার জেলে আটক ছিল তেই তালিকাতেও এইসব জামাত নেতাদের কার নাম নাই - কেন??
৯১ সালে জামাতের কারণে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যেতে না পারার পর থেকেই এইসব নেতাদের বিরুদ্ধে কল্পকাহিনী প্রচার শুরু হয়। আগে তারা বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লিখত আর এখন সেই একই রূপকথা তথাকথিত ট্রাইবুনালের বিচারকদের দিয়ে লেখাচ্ছে।
জামাতের পক্ষ থেকে অনেকবার চ্যালেঞ্চ করা হয়েছে সত্যিকার আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার করার জন্য - কিন্তু সরকার তা কখনই করবে না। কারণ সেখানে নিজেদের ইচ্ছামত রায় দেয়ার সুযোগ পাবে না।
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:০৩
ট্রপিকানা বলেছেন: আফসুস, বারবার আপনার এন্টেনার উপর দিয়ে যাচ্ছে।
কথা পরিস্কার, যদি মনে করেন আদালত দলীয়, তাহলে আইনী লড়াই কইরেন না, রাস্তায় ভাংচুর/ হরতাল করে আদালত বন্ধ করার চেষ্টা করেন। আরা যদি মনে করেন সুবিচার পাইতে পারি তাইলে অন্তত রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল/ভাংচুর কইরেন না।
তখন জামাত নেতারাই দেশে ছিলেন এবং দেশের মানুষকে বাঁচানোর যথাসাধ্য চেস্টাও করেছেন :
হা হা হা, ভাই কমেন্টের জবাব দিতেছেন দেন, এই রকম ডাহা মিথ্যা কথা বলে নিজেকে মিথ্যাবাদি প্রতিপন্ন করেন না। মানুষ বাচানো তো দুরের কথা এরা পাক আর্মী/রাজাকার দের মানুষ মারত উস্কায় দিছে। সংগ্রামের কাটিং লাগবে ?
বিএনপি/জামাত/আলেম ওলামা সবার মধ্যে এত এত বুড়ো থাকতে খালি এই কয় বুড়োর ব্যাপারেই কেন অভিযোগ আর তা প্রমানিতই বা হয় কি করে ? নাকি ইসলামের কাজ খালি এরাই করে । আর কেউ করে না ?
৬|
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:১৯
হাসান নাঈম বলেছেন: "বিএনপি/জামাত/আলেম ওলামা সবার মধ্যে এত এত বুড়ো থাকতে খালি এই কয় বুড়োর ব্যাপারেই কেন অভিযোগ আর তা প্রমানিতই বা হয় কি করে ? নাকি ইসলামের কাজ খালি এরাই করে । আর কেউ করে না ?"
এইটা একটা গুরুত্বপুর্ণ কথা বলেছেন। আওয়ামী লীগেরমত ভারতপন্থী দল ও বামপন্থী বুদ্ধিজীবিরা জামাতের নেতাদের বিরুদ্ধে কেন এত সোচ্চার? কারণ একটাই তারা বাংলাদেশে ভারতীয় আগ্রাসন ও বামপন্থী আদর্শের প্রতিষ্ঠার পথে একমাত্র জামাতকেই বাধা মনে করে। অন্যান্য যারা আছে তাদেরকে ওরা গোনায় ধরারমত শক্তিসালী মনে করে না। দেখুন না হেফাজতে ইসলাম কত মানুষ নিয়ে ঢাকায় আসল -আর এক মাইরেই সব ঠান্ডা। অথচ জামাত-শিবির গত ছয় বছরে ওর চেয়ে অনেক বেশি অত্যাচার নির্যাতন হত্যা গুম সহ্য করেও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
বুঝতে হবে বাতিলের দৃস্টিতে সেই প্রথম শত্রু যে ঈমান আমল ও ইসলামী চেতনার দিক দিয়ে যত বেশী অগ্রসর। অন্যরাও যে ওদের নৃশংষতা থেকে বেঁচে যাবে তা নয়। শুধু সময় সুযোগের অপেক্ষা। জামাত শেষ হয়ে গেলে এই স্টীমরোলার অন্যদের উপরও চলবে।
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:১৪
ট্রপিকানা বলেছেন: বুঝতে হবে বাতিলের দৃস্টিতে সেই প্রথম শত্রু যে ঈমান আমল ও ইসলামী চেতনার দিক দিয়ে যত বেশী অগ্রসর।
ওয়েল,,,,,, আপনার যুক্তি মেনে নিলাম। তাহলে......
জেএমবি,হিজবুত তাহরীর, আনসারুল্লাহ বাংলা এরা ঈমান আমল ও ইসলামী চেতনার দিক দিয়ে আপনাদের থেকে বেশী অগ্রসর।
৭|
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:৪৬
হাসান নাঈম বলেছেন: তুলনা যখন করবেন তখন সমমানের সংগঠনের সাথে তুলনা করুন।
জামাত একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংগঠন, এর সাথে সশস্ত্র গোপন সংগঠনের তুলনা করা কি উচিত?
প্রকাশ্য নিয়মতান্ত্রিক অন্যন্য ইসলামী সংগঠন যেমন হেফাজত, চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত মজলীস . . . . ইত্যাদী সংগঠনগুলোর মধ্যে জামাতে ইসলামী যে সবচেয়ে সুসংগঠতি, শক্তিশালী ও জনপ্রিয় তাতে কোন সন্দেহ আছে কি??
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১১
ট্রপিকানা বলেছেন: বুঝতে হবে বাতিলের দৃস্টিতে সেই প্রথম শত্রু যে ঈমান আমল ও ইসলামী চেতনার দিক দিয়ে যত বেশী অগ্রসর।
বর্তমান জামানায় সবচেয়ে বড় বাতিল হল আমেরিকা তথা পশ্চিমা শক্তি, তো এই বাতিল গুলা জামাত নেতাদের ফাসী বন্ধ করার জন্যে এত চেষ্টা করছে কেন ?
তার মান ঈমান আমল ও ইসলামী চেতনার দিক দিয়ে বেশী অগ্রসর না বলেই এই বাতিল জামাতের পক্ষ নিচ্ছে।
৮|
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:৫৭
অেসন বলেছেন: @হাসান নাঈম, জামাতের আদর্শিক রাজনীতি- অখন্ড পাকিস্তানকে রক্ষা করা। সেই আদর্শের পতন হয়েছে ৪৩ বছর আগে। আর যুদ্ধাপরাধের বিচার- সবসময় বিজয়ীরা পরাজিতদের বিচার করে। জামাতীরা জয়যুক্ত হলে স্বাধীনতা পন্থীদের বিচার করতো।
৯|
১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৩৫
হাসান নাঈম বলেছেন: @অেসন: জামাতের আদর্শিক রাজনীতি দেশে ইসলামী শাষন প্রতিষ্ঠা করা। সেটা অখন্ড পাকিস্তানেও হতে পারে স্বাধীন বাংলাদেশেও হতে পারে। ৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত একমাত্র ভারত ছাড়া দুনিয়ার সবার কাছে পাকিস্তান একটি স্বাধীন রাস্ট্র ছিল বলেই জামাত তার অখন্ডতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। একই ভাবে ১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ নামে স্বাধীন রাস্ট্র গঠিত হয়েছে - জামাত এখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অখন্ডতার পক্ষেই আছে। এবং বর্তমানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের উপর প্রধান হুমকি ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়েতোলার একমাত্র শক্তি জামাত-শিবির। এ'জন্যই এদের নেতৃত্ব শুন্য করে ধ্বংস করার এত আয়োজন।
১০|
১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৪৬
হাসান নাঈম বলেছেন: "বর্তমান জামানায় সবচেয়ে বড় বাতিল হল আমেরিকা তথা পশ্চিমা শক্তি, তো এই বাতিল গুলা জামাত নেতাদের ফাসী বন্ধ করার জন্যে এত চেষ্টা করছে কেন ?"
একটা গ্রামিন প্রবাদ হল - গ্রামবাসির জন্য থানার দারোগাই আসল সরকার। তেমনি বাংলাদেশের জন্য বিশ্বনেতৃত্ব বা সবচেয়ে বড় ( কার্যকারিতার দিক থেকে ) বাতিল হচ্ছে ভারত। সেই ভারতের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় তাদেরই পছন্দের সরকার আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে এই বিচারিক হত্যাকান্ড ঘটছে। দেশের আর কোন ইসলামী রাজনৈতিক দল যদি তাদের জন্য হুমকি হয়ে ওঠে তাহলে তাদের উপরও এই একই মাত্রার জুলুম নির্যাতন চলবে - প্রত্যক্ষ প্রমান শাপলা চত্তরে হেফাজতের উপর নির্মম আক্রমন।
পশ্চিমা বিশ্বের জামাত নেতাদের নিয়ে মাথাব্যাথা নাই। তাদের একটা নীতি আছে সকল ধরনের মৃত্যুদন্ডের বিরোধীতা করা। সেই কারণেই তারা মৃত্যুদন্ড বন্ধ করতে বলছে। বিষয়টা কয়েকদিন আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন দ্বয়িত্বশীল মিডিয়াতে পরিষ্কার করেছেন। তবে জেল জুলুম হত্যা গুম সহ অন্যসব প্রকারের জুলুম নির্যাতন যখন জামাতের বিরুদ্ধে চলছে সেব্যাপারে তাদের তেমন কোন প্রতিকৃয়া দেখা যায় না।
১১|
১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৭
নীল আকাশ ২০১৪ বলেছেন: আমি উত্তর দেবার জন্য এ প্রশ্নগুলিই খুঁজছিলাম। আপাতত সংগ্রহে রেখে দিলাম। অফিস টাইম অভার হলে এক এক করে উত্তর দেব। তবে আমার উত্তরের সাথে জামায়াতিদের দ্বিমত থাকতে পারে। কেননা, আমি কোনভাবেই জামায়াতের সাথে জড়িত নই। কেবল এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমার কাছে আছে বলে আমি উত্তর দেবার জন্য তাড়া অনুভব করছি।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:২৮
হাসান নাঈম বলেছেন: ভিন্নদৃস্টিতে মানবতাবিরোধী বিচার প্রশ্ন
এখানে দেখুন এই বিচার সম্পর্কে কিছু কথা আছে।
আপনি ট্রাইবুনালের রায় মানার কথা বলছেন - কিন্তু আমিতো দেখছি এর রায় বাদী বিবাদী কেউ মানে না। শাহবাগের আন্দোলনতো ট্রাইবুনালের রায়ের বিরুদ্ধেই ছিল - তাই না? তাহলে যে ট্রাইবুনালের রায় বাদি বিবাদী কেউ মানে না সেটা আবার কেমন ট্রাইবুনাল?