| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাহাদাত উদরাজী
[email protected] ০১৯১১৩৮০৭২৮গল্প ও রান্না udrajirannaghor.wordpress.comপ্লে স্টোরে ‘গল্প ও রান্না’ এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! আনন্দ সংবাদ! বাংলা রেসিপি নিয়ে এই প্রথম প্লে স্টোরে এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! ‘গল্প ও রান্না’ এখন Play Store এ Apps হিসাবে আপনার হাতের কাছে। নেট কানেশন বা WiFi জোনে থেকে Play Store এ যেয়ে golpo o ranna বা “Golpo O Ranna” বা “com.udraji.rannaghor” লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। খুব সহজেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ‘গল্প ও রান্না’র আইকন ইন্সটল করে নিতে পারেন। ফলে আপনাকে আর মোবাইলে আমাদের সাইট দেখতে লিঙ্ক বা কোন ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে না। নেট কানেশন বা ওয়াইফাই জোনে থাকলেই আপনি ওয়ান ক্লিকেই গল্প ও রান্না দেখতে পাবেন।
নেট ঘেঁটে যা পেলাম বা বুঝলাম, তাতে বুঝা যায় ভারতের কাছে বাংলাদেশ একটা সোনার ডিম পাড়া হাঁস ছিলো, "বেশ কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশ ও তার প্রতিবেশী দেশ ভারতের মধ্যে বাণিজ্য শক্তিশালী রয়েছে। ফলস্বরূপ, বাংলাদেশ ভারত থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণ পণ্য আমদানি করে, যার পরিমাণ 2022-23 সালে $18.8 বিলিয়ন। সিরিয়াল, গাড়ি, খনিজ জ্বালানি, জৈব যৌগ, চিনি, আকরিক, সাবান এবং আরও অনেক পণ্য তাদের মধ্যে রয়েছে।" বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে এই অর্থ বছরে তথ্য নেই বলা চলে, তবে এক জায়গাতে দেখলাম, সেটা $2 বিলিয়নের নিচে! বুঝেন অবস্থা কি! কিছু কিছু পন্যে চুক্তি এত অসম যে, বাংলাদেশ ভারতের বাজারে প্রবেশের সুযোগই রাখে নাই, মানে মালামাল সেখানে পাঠাবেন সেই পথও রাখে নাই, অথচ বাংলাদেশেও পন্য ছিলো!
এর পরে আসেন ভারতে আমাদের মানুষদের ভ্রমন, কেনাকাটা, চিকিৎসা প্রসঙ্গে! কলকাতা, দিল্লী, চেন্নাই, মাদ্রাজ, মুম্বাইয়ে অনেক অনেক জায়গাই শুধু গড়ে উঠেছে এই মানুষদের জন্য! হোটেল মোটেল কিচেন রেষ্টুরেন্ট বিপনী বিতান ইত্যাদি গড়ে তোলা হয়েছে বাংলাদেশীদের জন্যই! যারা ভারত ভ্রমন করেছেন তারা নিজের চোখে দেখেছেন নিশ্চয়! আমাদেরও নানান দোষ, কিছু হলে বা বিদেশের কথা মনে হলেই বা বিচি চুল্কালেই উলংগ হয়ে দৌড় ভারতে! এই খাতে কত বিলিয়ন আমরা দিয়ে আসি তার হিসাব কোথায়ও পাই নাই, ৫/৭ বিলিয়ন তো হবেই!
শেখ হাসিনা এখন বাংলাদেশে পতিত, তার ফিরে আসা এবং তার দলের লোকেদের ক্ষমতা দখল চিন্তাই এখন অযোগ্য - এটা ভারতের সরকার নিশ্চয় বুঝতে পারছে না, তাদের গোয়েন্দা সংস্থা বা অন্তত যারা এখানে কাজ করে তাদের থেকেও কি বুঝে না! এই যে এতদিন সোনার ডিম পেত তা এখনো পেতে চাইলে তাদের কি করা উচিত, তাও কি বুঝতে পারছে না! হাসিনা সমর্থন করে আম ছালা দুটোই কি হারাতে চাইছে?
অনেকে যারা মনে করেন, ভারত ছাড়া বাংলাদেশ টিকে থাকতে পারবে না, আমি বলি, এটা এখন বোকার মত কথা! বাঁধা পড়লেই এখানে একে একে সব গড়ে উঠে যাবেই, কারন আমাদের এখন সেই জনশক্তি ও অর্থ আছে!
(যারা কখনো ভারতে ভ্রমন করেন নাই, তারা এই আলোচনা থেকে দূরে থাকতে পারেন, আমরা যারা গিয়েছি আমাদের কাছে তাদের আচার আচরণ একদম পরিস্কার)
ম্যাপে উল্লেখিত কলকাতার এই অংশ বলা চলে পুরাই বাংলাদেশীদের জন্য পরিচালিত হত। এখন নানান খবরে দেখি, এই এলাকা পুরাই শূন্য। ভারত আমাদের ভিসা না দিলেই ভাল! হা হা হা, আসেন প্রাণ খুলে হাসি!
২|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ রাত ১:২৫
নান্দাইলের ইউনুছ বলেছেন:
কৈছে আপনেরে।
৩|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ রাত ১:৩২
রাকু হাসান বলেছেন:
আরেহ কি লিখেন?
গরুর রচনা লেখা শুরু করছেন?
ভারতপ্রেমীরা খেপে গেলে পালানোর পথ পাবেন না কইলাম
।না,একমত হতে পারলাম না । ভারতেই সাথে আমাদের কিছুই হয় নি ।
। ওহ ,আপনি প্রশ্নফাঁস জেনারেশন নাকি তারও আগের? শিক্ষিতের সার্টিফিকেট নেওয়া হয়েছে? না নিলে পালান।
বাণিজ্যযুদ্ধ কোনো দেশের জন্যই ভালো হবে না । দুই দেশেরই বোঝা উচিত। তবে উভয় দেশই বিকল্প খোঁজে নিবে একটা সময়। নগদ লস ভারতের।
৪|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ রাত ১:৫১
জেনারেশন৭১ বলেছেন:
লাভ রাখার জন্য চটের বস্তা কিনুন।
৫|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ সকাল ৮:০২
নাহল তরকারি বলেছেন: হাসিনা সরকার শেষ হবার পর, ভারত বেশী একটিভ হয়ে গেছে।
৬|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ সকাল ৮:০৮
মেঠোপথ২৩ বলেছেন: পশ্চিমবঙ্গের মানুষ খুবই খেপেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। মমতা সাফ বলেছেন , বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাতে চাই না।
তিনি সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিতিশীলতা চলতে থাকলে বিহার, ওড়িশাও এর প্রভাব থেকে রেহাই পাবে না।'
মমতার কথার সাথে ডক্টর ইউনুসের কথার মিল পাওয়া যাচ্ছে। ডক্টর ইউনুসও বলেছিলেন যে, বাংলাদেশ অশান্ত হলে , সেভেন সিস্টারসও অশান্ত হবে।
৭|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ সকাল ১০:১৪
ঊণকৌটী বলেছেন: ভারতীয় জিডিপি তে বাংলাদেশের সাথে ব্যবসায় অবদান মাত্র 2.2% বরঞ্চ বর্ডার এর অবৈধ চোরা চালান এর লেনদেন এর কাছাকাছিই হবে,বৈধ বাণিজ্য তো ঠিকই চলছে কিন্তু চোরা চালান বন্ধ হলেই মুশকিল হবে, আর 144 কোটি লোকের দেশ ডাক্তার রা বেকার হবে না |
৮|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ সকাল ১০:৩৩
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ভারতীয়রা বলছে ওরা চাল ডাল মরিচ পিঁয়াজ দিচ্ছে বলেই আমরা খেয়ে বেঁচে আছি, তাদের কাছে প্রশ্ন তারা কী আমাদেরকে ফ্রি দেন না কি ডলারের বিনিময়ে দেন? কথায় আছে না পয়সা দিলে নাপিতের কাছ থেকে গুপ্তাংগের কেশ পর্যন্ত কেটে নেওয়া যায় এটা তাদেরকে ভাবতে হবে।
৯|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ সকাল ১০:৩৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ব্লগার মশিউরের সাথে একমত! টাকা দিয়ে কিনে যদি খোঁটা শোনা লাগে তাহলে কারো ভালো লাগবে না।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ রাত ১:১৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভারত এবং পাকিস্তান সহ যে দেশ থেকে আমরা সুবিধা পাবো তা ব্যবহার করা শিখতে হবে। যে কোন বিদেশি শক্তি ও সামরিক বাহিনীকে নির্বাচনের ফলাফল ম্যানুপুলেট করানোর চেষ্টা নস্যাৎ করে দিতে হবে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ভোটের রেজাল্ট চেঞ্জ ক করে৷২০০৮ সাল থেকে বিএনপি এটা বলে আসছে৷