নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহাদাত উদরাজী\'র আমন্ত্রণ! নানান বিষয়ে লিখি, নানান ব্লগে! নিজকে একজন প্রকৃত ব্লগার মনে করি! তবে রান্না ভালবাসি এবং প্রবাসে থাকার কারনে জীবনের অনেক বেশী অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা প্রকাশ করেই ফেলি - \'গল্প ও রান্না\' সাইটে! https://udrajirannaghor.wordpress.com/

সাহাদাত উদরাজী

[email protected] ০১৯১১৩৮০৭২৮গল্প ও রান্না udrajirannaghor.wordpress.comপ্লে স্টোরে ‘গল্প ও রান্না’ এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! আনন্দ সংবাদ! বাংলা রেসিপি নিয়ে এই প্রথম প্লে স্টোরে এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! ‘গল্প ও রান্না’ এখন Play Store এ Apps হিসাবে আপনার হাতের কাছে। নেট কানেশন বা WiFi জোনে থেকে Play Store এ যেয়ে golpo o ranna বা “Golpo O Ranna” বা “com.udraji.rannaghor” লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। খুব সহজেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ‘গল্প ও রান্না’র আইকন ইন্সটল করে নিতে পারেন। ফলে আপনাকে আর মোবাইলে আমাদের সাইট দেখতে লিঙ্ক বা কোন ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে না। নেট কানেশন বা ওয়াইফাই জোনে থাকলেই আপনি ওয়ান ক্লিকেই গল্প ও রান্না দেখতে পাবেন।

সাহাদাত উদরাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

মি মিজানুর রহমান সিনহা সাহেবের ম্ৃত্যুতে কিছু কথা মনে পড়ছে।

১৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৮

মি মিজানুর রহমান সিনহা (৮২), ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এক্‌মি ল্যাবরেটরিজ মারা গেছেন। শুক্রবার (১৬ মে) দিবাগত রাত ২টায় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না লিল্লাহে রাজেয়ুন। - আমি উনাকে দুই/তিন বার উনাদের এক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সময়ে দেখেছি, ভাল মানুষ ছিলেন।


উনাদের সাথে কাজ করার সময়ে আমি বেশ কয়েকটা ব্যাপার লক্ষ করেছি যা আজো মনে পড়ে!

- উনাদের প্রতিষ্ঠানে কাজের সময় ছিলো ৯টা-৫টা, কোন কর্মকর্তা কর্মচারী ৫টার পরে অফিসে থাকতো না, ৫টার পরে থাকলে সন্দেহ করা হত বা বলা হত কাজের উপযুক্ত নয়। একজন জিএমও এই সময়ের পরে কাজ করত না, প্রয়োজনে ফোনে কাজ হত, তবে আমি একবার এক জিএমকে বলতে শুনেছি, ৫টার পরে কাজ করলে বলা হত, অফিস থেকে কি কিছু চুরি করবেন?

- উনাদের প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক কর্মচারি কর্মকর্তাকে মাসের ১-৫ তারিখের মধ্যে বেতন বুঝিয়ে দিয়ে দেয়া হত! আমি নিজে ৩০/৩১ তারিখেও বেতন পেয়েছি। বলতে হয় বেতনের টাকা সবাইকে খামে ভরে দেয়া হত, এটা এক ধরণের সন্মান বলে আমি মনে করি। পে স্লিপ সাথে থাকত।

- উনাদের প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে দেশের শ্রম আইন মেনে চলতে দেখেছি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, ছুটিছাটা, আর্নলিবের টাকা কড়ি চাকুরী ছাড়ার পরে যথাযত বুঝিয়ে দেয়া হত!

- উনাদের প্রতিষ্ঠানে সরকারের ভ্যাট ট্যাক্স ফাঁকি দেয়ার কোন প্রবণতা আমি কখনো দেখি নাই, কাউকে কখনো এই সব ফাঁকি দিতে বলা হত না, যা হিসাবে আসে তাই দিয়ে দেয়া হত, অডিট সেকশন খুব শক্ত সামর্থ্য ছিলো, পারচেজিং ডিভিশন কেনা কাটায় কোন দেরী করত না।

এখন কি অবস্থা জানি না! তবে আমি আমার প্রায় দেড় বছরের দেখা জানিয়ে দিলাম, যদিও বহু বছর আগের কথা। আমি দেশের বড় এমন আরো ৫/৬টা কোম্পানীতে কাজ করেছি, তখন এমন ব্যবস্থাপনা বিরল ছিলো।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:০৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: উনার জন্য আমার দোয়া থাকল ।
...........................................................
ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না লিল্লাহে রাজেয়ুন।!

২| ১৬ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: একমি কোম্পয়ানীর মালিক।
তার কোম্পানিতে কাজ করে বহু লোক খেয়েপরে বেঁচে ছিলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.