| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দ্রুতগামী উল্কা
ভুল উচ্ছাস। আপাতত ধার করা নিকে।
প্রথমেই বলে নেই, চুলকানী উঠলে এই পোস্ট হতে দূরে থাকবেন। আমার দেশের ৫৭জন অফিসারকে হত্যা করা হয়েছে, এর বিচার আমরা এখনই দাবী করব। কবে বাংলা পরীক্ষা শেষ হবে, ৪২ বছর পর শাহবাগে দল বেঁধে রাজনৈতিক ভরণ পোষণে আন্দোলন করা হবে, সেই আশায় বসে এখন আঙ্গুল চুষবোনা।
অত্যন্ত পরিকল্পিত এই হত্যাযজ্ঞের পিছনে যেমন অনেক ইতিহাস ছিল, তেমনি পরেও তদন্ত,বিচার নিয়ে ঘটা অসংখ্য নাটক লোকচক্ষুর আড়ালেই রয়ে গেছে। সেগুলোই আপনাদের কাছে তুলে ধরবো। আপনারা পড়ুন, জানুন এবং শেয়ার করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন।
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সাবেক সচিব আনিস উজ জামান খানের নেতৃত্বে সরকারী তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। তদন্ত শেষে ৫০পৃষ্ঠার রিপোর্টের মাঝে মাত্র ৬পৃষ্ঠা সাংবাদিকদের মাঝে বিলি করা হয়, বাকিগুলো দীর্ঘসময় অপ্রকাশিত রয়ে যায়। ২০১০ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে এই রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। তখন দেখা যায়, উপরের মহলের নির্দেশে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পর্যন্ত তদন্ত কমিটিকে যথাযথ তথ্য দিয়ে সাহায্য করেনি এবং আরও অনেক না জানা তথ্যও জানা যায় রিপোর্টটির মাধ্যমে।
উল্লেখ্য তদন্তচলাকালীন তিন কমিটির প্রধান, সাবেক বানিজ্যমন্ত্রী লেঃ কঃ ফারুক খান বিডিআর বিদ্রোহের সাথে আল কায়েদা, জঙ্গি, উলফা, জামাত শিবির ইত্যাদি একের পর এক ভ্রান্ত তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করে গিয়েছে; ফলে আসল ষড়যন্ত্রকারী ধরা ছোঁয়ার বাহিরেই থেকে গেছে।
উক্ত তদন্ত কমিটিতে বেসামরিক, সামরিক বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্তি করা হয়। সরকার বারবার সুষ্ঠু তদন্তের কথা বললেও, রিপোর্টের সীমাবদ্ধতা অংশ থেকে যা পাওয়া যায়, তা হল-
- তদন্তের স্বার্থে কমিটি কতোগুলো গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান, কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ আবশ্যক মনে করেছে। কিন্তু পর্যাপ্ত সহযোগিতার অভাবে একাজগুলো করা সম্ভব হয়নি।ফলশ্রুতিতে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণসহ এ বিদ্রোহ এবং হত্যাকাণ্ডের মূল ষড়যন্ত্রকারীদের সনাক্ত করা এবং ঘটনার পিছনে মূল কারণ বা মোটিভ উদ্ধার সম্ভব হয়নি।
- এনএসআই, ডিজিএফআই, র্যাব, সিআইডি, পুলিশের এসবি ইত্যাদি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও আশানুরূপ সহায়তা প্রদান করেনি।
- কমিটিকে জিজ্ঞাসাবাদের উপযুক্ত সরঞ্জাম, প্রযুক্তি, কৌশল কিছুই সরবরাহ করা হয়নি।
(রিপোর্টঃ পৃষ্ঠা নং ৮)
এতোগুলো বীর সেনা কর্মকর্তার হত্যার তদন্তে এরকম একটি ‘নিধিরাম সর্দার’ টাইপকমিটি গঠনের পিছনে তাহলে কার কি স্বার্থ কাজ করেছিল?
বিদ্রোহের পটভূমিঃ
রিপোর্ট হতে জানা যায়, নির্বাচনের পূর্বেই বিদ্রোহী গ্রুপটি শেখ মনির পুত্র এমপি ব্যারিস্টার তাপসের কাছে দাবী দাওয়া নিয়ে উপস্থিত হয়।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয় লাভের ৩/৪ দিনের মাথায় পুনরায় এই গ্রুপটি তাপসের বাসভবন ‘স্কাইস্টারে’ মিটিং করে।
বিদ্রোহের অল্প কিছুদিন পূর্বে গ্রুপটি শেখ সেলিমের সাথেও একটি বৈঠক করে।
(তদন্ত রিপোর্টঃ পৃষ্ঠা নং ৯-১০)
পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নে পার্থক্যঃ
বিদ্রোহীদের গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের ৩য়(গ) পয়েন্টটি থেকে জানা যায়,
- ডিজির মাধ্যমে অন্য অফিসারদের জিম্মি করা হবে। কোন বাঁধা আসলে গুলি করা হবে,কিন্তু কাউকে হত্যা করা হবে না। (তদন্ত রিপোর্টঃ পৃষ্ঠা নং ১১)
এই কথার সত্যতা পাওয়া যায় খোদ তদন্ত কমিটির বক্তব্য থেকে,
“তবে তদন্ত কমিটি মনে করে এজন্য এতো বিপুল সংখ্যক সেনা কর্মকর্তাকে নৃশংসভাবে হত্যা তাদের ক্ষোভের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না। সার্বিকভাবে দেশের নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করার জন্য কোন মহল বিডিআর বিদ্রোহীদের দাবী-দাওয়ার আড়ালে নিজেদের কায়েমী স্বার্থ উদ্ধারের প্রয়াস পেয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়”।
(তদন্ত রিপোর্টঃ পৃষ্ঠা নং ১২)
তাহলে??? সীমান্তে বিএসএফের সাথে জান বাজী রেখে লড়া এই বাহিনীকে পঙ্গু করে দিলে কার কায়েমী স্বার্থ উদ্ধার হবে বলে মনে করেন?
সাহায্যের আবেদন এবং ফিডব্যাকঃ
বিদ্রোহের সূত্রপাতের সাথে সাথে সকাল ৯.৩০ মিনিটে ডিজি মেজর জেঃ শাকিলপ্রধানমন্ত্রী, সেনাপ্রধান, র্যাব এবং ডিজিএফআই এর মহাসচিবের কাছে মোবাইল ফোনে সাহায্যের আবেদন জানান। আধা ঘণ্টার মাঝেই র্যাব এবং ১১টায় সেনাবাহিনীর অগ্রগামী দলটি সেখানে পৌঁছে যায়। (পৃষ্ঠা নং ১৮)
বেলা সাড়ে ১২টার মধ্যেই পিলখানার অভ্যন্তরে অভিযান চালানোর উপযুক্ত ৭টি এপিসি(আরমার্ড পার্সোন্যাল ক্যারিয়ার) সহ প্রচুর সংখ্যক সেনাও উপস্থিত হয়। কিন্তু তাদের অভিযান চালানো হতে সম্পূর্ণ বিরত রাখা হয়। (পৃষ্ঠা নং ৩২)
বরং উল্টা বিডিআর বিদ্রোহীদের সাথে আলোচনার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম, ইতিপূর্বে বিদ্রোহীদের সাথে বৈঠক করা ফজলে নূর তাপসসহ অন্যান্যদের প্রেরণ করা হয়।
মুন্নি শাহা'র নেতৃত্বে এটিএন বাংলাসহ আরও কয়েকটি মিডিয়া বিদ্রোহীদের মতামত জানার নামে তাদের পক্ষে জনগণের ‘ইমোশন গ্রো’ করার ঘৃণ্য কাজটিও এসময় সম্পন্ন করে। পিলাখানায় সেনাবাহিনীর অভিযান দেরী হওয়া এবং সরকারের টানা পোড়েনের পিছনে এই মিডিয়া প্রভাবিত জনগণের ইমোশনেরও একটা বিশাল ভূমিকা ছিল; যা ২৭তারিখ কর্মকর্তাদের লাশ উদ্ধারের আগ-পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।
৪৪ ব্যাটেলিয়ান, মুখোশধারী হত্যাকারীঃ
রিপোর্ট থেকে স্পষ্ট জানা যায় বিদ্রোহের সূত্রপাত হয় ৪৪নং ব্যাটেলিয়ান থেকে।
- অস্ত্রধারী বিদ্রোহীরা প্রথমে গুলি চালালেও তাদের লক্ষ ছিল মাটির দিকে বা উপরে ফাঁকা ফায়ার। (পৃষ্ঠা নং ১৮)
- তারা দরবারের হলের চারপাশে ঘিরে গুলি চালালেও সেখানে ঢুকে অফিসারদের করেনি, বরং আত্মসমর্পণ করতে বলেছিল।
- অফিসাররা ডিজি শাকিলের নেতৃত্বে বেরিয়ে আসতেই সাড়িবদ্ধ করিয়ে দাঁড় করিয়ে মুখোশপড়া জওয়ানেরা ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে। (পৃষ্ঠা নং ১৯)
তাহলে এখানে মোট দুই শ্রেণীর জওয়ান পাওয়া যাচ্ছে। এক শ্রেণী সাধারণ বিদ্রোহী,আরেক শ্রেণী মুখোশধারী কিলিং গ্রুপ।
প্রশ্নটা এখানেই,
-হাজার হাজার জওয়ানের মাঝে নির্দিষ্ট সংখ্যক মুখোশধারী কিলার হবার কারণ কি? এরা কারা?
-কি কারণে তারা স্বেচ্ছায় নিজেদের অফিসারদের মারার দায়িত্বটুকু পালন করল?
-এরা কি প্রকৃতই বিডিআর এর সৈনিক?
ব্লগার দাসত্বের স্ট্যাটাসটি আবারও একটু দেখে আসেন তাহলে। এতে কি বিডিআর বিদ্রোহের প্রশ্ন নাকি উত্তর নিহিত?
উপরের পয়েন্টগুলো পড়ে বিবেচনা করুন, কমিটির বক্তব্য অনুযায়ী কার স্বার্থ আদায়ে আমাদের দেশের ৫৭জন বীর কর্মকর্তাকে বলি দেওয়া হল?
আর আপনারা অবশ্যই নিজে রিপোর্টটি পড়ুন এবং এই পোস্টটি শেয়ার করুন সবার মাঝে।
তদন্ত রিপোর্টঃ
এই পোষ্টের সুত্র এই পেইজ।
২|
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:১৬
রুশন বলেছেন: প্রিয় পোষ্ট
৩|
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:২১
মাহমুদুর রাহমান বলেছেন: হায়দ্রাবাদ : ১৭-০৯-১৯৪৮
সিকিম : ১৬-০৫-১৯৭৫
বাংলাদেশ : তোর্ ভারত এর মানচিত্র চিবিয়ে খাবো এই দিখে তাকালে
৪|
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:২১
অন্য পুরুষ বলেছেন: ভুলে গিয়েছিলাম, কত কাল আগের কাহিণী। বাংগালী আবার সব জিনিস আগেই ভুলে যাই, মনে রাখতে পারি না।
+
৫|
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:৪২
নয়ামুখ বলেছেন: +++++++++++++++++
৬|
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:১৩
সরকার৮৪ বলেছেন: ভালো পোস্ট
৭|
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:৪৭
প্রভাষ প্রদৌত বলেছেন: ল্যাঞ্জা ইজ ভেরি ডিফিকাল্ট টু হাইড । পারলে কথা গুলো মিথ্যা প্রমাণ কর তারপর কথা বলতে আয় মূর্খ।
পাকিস্তান গিয়ে তোর বাবাদের ( তোর একটা বাবা থাকা অসম্ভব ) খুঁজে বের কর শালা হারামাজাদা ছাগুর বাচ্চা।
কারণ যারা রাজাকার বাচাঁনোর জন্য ইসলাম নিয়ে ভন্ডামি করে তাদের একটা বাপ থাকা একেবারেই অসম্ভব ।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:৫৩
দ্রুতগামী উল্কা বলেছেন: খা পো লেঞ্জায় আগুন লাগছে? এতো জ্বলে ক্যান? দির ভাই কানের তলায় দিমু, কলকাতা তো ছাড়, কাশ্মীর যাইয়া পউছাবি।
৮|
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:৫৬
বলশেভিক বলেছেন: প্রভাষ প্রদৌত নরেন্দ্র মোদির জারজ সন্তান বাপের ঘোলা হোলা চাট।তোদের মত পশ্চাদদেশ নির্গত শাহবাগী জারজদের বাংলাদেশের মাটিতে ঠাই নাই।
৯|
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ ভোর ৫:৫৪
ধীবর বলেছেন: প্রভাষকে প্রায়ই দেখা যায় খেপা কুকুরের মত আচরণ করতে। এইসব ছাড়তে হবে। সামুর পরিবেশ রক্ষায় এই ধরণের ধরণের প্রানীকে আশকারা দেয়া উচিত না। এর মন্তব্যগুলির স্ক্রিন শট নিয়ে ফিডব্যাকে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করছি। আর তাতে কাজ না হলে ধরে নিয়ে বাধ্য হবো যে, মডারেটরদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এই আবর্জনাওগুলি পরিবেশ নস্ট করার তালে আছে।
পোস্টে অবশ্যই প্লাস। প্রিয়তে নেয়া হলো। আর দাসত্বের পর্যবেক্ষণে ভুল দেখছি না। যোক্তিক কারণ ছাড়াই সেদিন বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট সকালে সময় মত ছাড়েনি।
পিলখানা হত্যাকান্ডের সব যৌক্তিক বিশ্লেষনই কিন্ত দোষি হিসাবে হাসিনা আর আর দোসরদের নির্দেশ করে। তবে প্রকৃত সত্য এবং বিচার করার জন্য এই সরকারের পতন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অবশ্য বরাবরের মত যদি নতুন সরকার, বিশাল অংকের টাকার বিনিময়ে বিচার না করে !
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৪
দ্রুতগামী উল্কা বলেছেন: ধীবর ভাই ঘেউ ঘেউ কারী দুই একটা দেখতে ফানি লাগে, এরা বুঝেই না যে এরা হচ্ছে ব্লগের জোকার।
১০|
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৭:৪১
ম.র.নি বলেছেন: ভাই আর কইয়েন না,মনে পড়লে মনডাই খারাপ অয়া যায়।দেশের যে প্রধান শত্রু
উনিই আবার প্রধানমন্ত্রী।দেশের বীর্যবান আর্মিদের মেরে সব নপুংশকদের রেখে দিয়েছে।
১১|
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:০৪
একাকী বাংলাদেশি বলেছেন: বিডিআর বিদ্রোহের বিচার চাইতে গেলেই এদের এখন মতিভ্রম হবে কারন ক্যান্টনমেন্টের ভয়ে এখন এমনিতেই মাথয় কত টেনশন। তার মধ্যে এইগুলা বার বার বের হয়ে আসলে ক্যান্টনমেন্টের ইন্টারনেটের লাইন কাটতে হবে
১২|
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৫
প্রভাষ প্রদৌত বলেছেন: কিরে দ্রুতগামী উল্কা কমেন্ট মুছলি কেন রে ???????????????
তোদের গোমর ফাঁস করলাম দেখে কি কমেন্ট মুছলি ???????????
যে ছবি দিলি তার মধ্যে শুধু গোঁফ ছাড়া আর অন্য কোনো মিল তো খুঁজে পাওয়া গেল না কে রে ??????????????? চেহারা তো মিলেই নাই ।
আর কতো বাঁশের কেল্লার জামাতিদের মতো ছবি এডিট করে মিথ্যা গাঁজাখুরি গল্প বানাবি ????????????????
আর শোন এসব গাঁজাখুরি গল্প না বানিয়ে ভাল কাজ কর ।
তোর এ গল্প সেনাবাহিনী তো বিশ্বাস করবেই না , উল্টো তোদের মত ছাগু ছাড়া আর কেউ বিশ্বাস করবে না ।
কারণ সেনাবাহিনী তোর মত গাঁজাখোর না , বিডিাআর বিদ্রোহের সাথে শেখ হাসিনার কোনো রকম সংশ্লিষ্টটা থাকত তাহলে শেখ হাসিনা এতোদিনে জেলের ভাত খেত ,আর তার বিচার শুরু হয়ে যেত । বিচারের ব্যবস্থা সেনাবাহিনী নিজেই করত । বুঝছস গাঁজাখোরের দল ????????????????
আর @ ধীবর একটা কাজ কর আমর নাম তোদের হেফাজতী বাবাদের কাছে গিয়ে আমাকে নাস্তিকদের লিস্টে দিতে বল । এতে কিছুটা হলেও তোদের কলিজার ব্যথাটা কমবে ।
অনেক আস্তিক কে নাস্তিক বলে নিজেরা কাগেরঘয়েছিস , এবার আমার মত মহান আল্লাহ তাআলা'র উপর পূর্ণ বিশ্বাস স্থপন কারীকে হিন্দু অথবা নাস্তিক বলে আবারও তোরা কাফের এ পরিণত হ ।
তোদের জন্য হাবিয়া দোযখের আগাম শুভ কামনা ।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৩
দ্রুতগামী উল্কা বলেছেন: প্রভাষ প্রদৌত বলেছেন: ম্যা ম্যা ম্যা ম্যা ম্যা ম্যা ম্যা ম্যা ম্যা ম্যা ম্যা।
১৩|
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ২:০৬
কালবৈশাখীর ঝড় বলেছেন:
বিডিআর বিদ্রোহের কিছু জানা অজানা তথ্য, ছবি সহ ৩ পর্বে।
আমার লেখাগুলো পড়ুন
Part 1 - কি ঘটেছিল সেদিন দরবার হলে?
Click This Link
part2 - বিডিআর বিদ্রোহ। উদ্ধার পর্ব, যে কারনে সেনা অভিযান সম্ভব হয়নি।
Click This Link
Part 3 - জেনারেল সাকিলের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট, কিছু সত্য বেরিয়ে আসা।
Click This Link
১৪|
২০ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৯:২২
ধীবর বলেছেন: প্রভাস নামের কিটের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করা হলো। আর লেখককে অনুরোধ এই ধরণের বরাহ ছানাদের দেখলেই গদাম দিয়ে বের করে দিবে। কুত্তায় পুছে না হাইকোর্টের উকিল টাইপের এই সব দুই পয়সার ক্যানভাসারএর ব্লগে প্রয়োজন নেই।
২০ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:৫৬
দ্রুতগামী উল্কা বলেছেন: ধীবর ভাই এরা শুধু ট্যাগের উপ্রে বাইচা আছে, জঘন্য এক প্রকার আওয়ামী সাইকো। এদের কিছুই শেখার নাই, নির্লজ্জ এই পেইড গুলার এসব করেই পেট চালাতে হয়।
১৫|
২০ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৯:৩৬
চিকন আলি বলেছেন: ধীবর বলেছেন: প্রভাষকে প্রায়ই দেখা যায় খেপা কুকুরের মত আচরণ করতে।
কুকুরতো কুকুরের মতো আচরন করবে, সেটাই স্বাভাবিক।
১৬|
২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৭:২৩
তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রনে বলেছেন: আমাদের দেশে বিগত সাড়ে চার বছর থেকে এখন প্যর্যন্ত যা কিছু ঘটেছে এই সব কিছুর পরিকল্পনা ২০০৫ সালের আগের । এখন কেবল মঞ্চস্থ করার কাজ চলছে ,মূল পরিকল্পনাকারী ভারত সরাসরিই বলে গেলাম । একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন কি , ভারত যা কিছু জোর করে নিয়ে নেয়া সম্ভব হতো না তার চেয়ে ও বেশী কিছু সেধে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে ??
উল্কাময় পোষ্ট লিঙ্ক গুলো আর ও একবার পড়তে হবে তাই প্লাস সহকারে প্রিয়তে নিয়ে গেলাম
২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ২:৩৪
দ্রুতগামী উল্কা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু।
১৭|
১০ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:০৬
সৌর কলঙ্কে পর্যবসিত বলেছেন: তদন্ত রিপোর্ট সরিএ ফেলা হইসে। কোন কপি থাকলে মেইল করেন।
আপনার মেইল টা দেন একটু।
১৮|
১০ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:০৬
সৌর কলঙ্কে পর্যবসিত বলেছেন: তদন্ত রিপোর্ট সরিএ ফেলা হইসে। কোন কপি থাকলে মেইল করেন।
আপনার মেইল টা দেন একটু।
১৯|
০৮ ই মার্চ, ২০১৪ ভোর ৫:০১
বাংলার ঈগল বলেছেন: সুত্রের একটা তো রিমুভ করা হয়েছে আর একটা মনে হয় ব্লক !!!
২০|
০৭ ই মে, ২০১৪ সকাল ১১:৫১
রোহান খান বলেছেন: শেখ হাসিনা বা খালেদা কাউকে খারাপ বলবো না। আবার ইন্ডিয়াকেও দোষী বলবো না। যারা এত বড় ঘটনা ঘটনা ঘটিয়েছে তারা তো আমাদের দেশের মানুষের মধ্য থেকেই একটা মির জাফর খুজে নিয়েই করেছে। যারা কিলিং মিশনে ছিলো তারা বেশীর ভাগী বাংলাদেশী ( দু-একজন ইন্ডিয়া বা পাকিস্তানী থাকলেও থাকতে পারে) । সেই বাংলাদেশী মিরজাফররা তো আমাদেরি ভাই। তারাই টাকার জন্য দেশের এত বড় ক্ষতি এমনকি মুসলিম হয়ে মানুষ হত্যার মত জঘন্য শয়তানী কাজ করলো। তাদেরকেই দোষ দিলাম, সাথে দোষীর ভাগিদার নিজেও নিলাম। কারন আমাদের ব্লগেই সেই রকম একজন মিরজাফর আছেন, তাকেও আমরা পুষেই রাখছি - তিনি হচ্ছেন - প্রভাষ প্রদৌত।
২১|
০৭ ই মে, ২০১৪ দুপুর ১২:৩১
সুমন জেবা বলেছেন: ভালো তথ্য বহুল পোস্ট । প্্রিয়তে..
২২|
০৭ ই মে, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৩
সুমন জেবা বলেছেন: ইতিহাস লেখনি
২৩|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১১:১৭
নেবুলাস বলেছেন: ন্যায় বিচার! ন্যায় বিচার! ন্যায় বিচার! আর কত সময় লাগবে তোমার ন্যায় বিচার?
২৪|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ভোর ৪:২১
মিতাহামিদা০০৭ বলেছেন: ই ধরণের সত্য উদ্ঘাটনের পোস্ট আর চাই ! অনেক ধন্যবাদ !+++++++++++++
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:০৪
আস্তবাবা বলেছেন: +++++++++++