নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কবিতা,উপন্যাস,দর্শন,সিনেমা ও অন্যান্য

জহিরুলহকবাপি

আমি কামনা করি মানুষের ভিতর স্বপ্নরা আসা যাওয়া করবে। মানুষ তার স্বপ্ন পূরণের জন্য যুদ্ধ করবে।

জহিরুলহকবাপি › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটু দেখবেন কি? একটু কি সুযোগ নিবেন দেশের প্রতি, মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আমাদের ঋণ শোধের?

০২ রা অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:১৯



পাকশী (ঈশ্বরদী, পাবনা ) ।



সারাদিন ধরেই বৃষ্টি ছিল । রাত হয়েছে বেশ কিছুক্ষন আগেই । ঠান্ডা বাতাস আর ঝিরি ঝিরি বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে পাকশীর বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধা কালাম প্রফেস্যার (অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, ভারপ্রাপ্ত প্রাক্তন সহঃ অধ্যক্ষ পাকশী রেলওয়ে কলেজ) ও আরও দুজন বাইকে করে পৌছে যাই বিখ্যাত বি.বি.সি বাজারের কাছে মুক্তিযুদ্ধা হায়দার আলী (৬৫) কাকার বাড়ী । বাড়ী বলতে “আসমানী” কবিতার আসমানীদের বাড়ীর মত বাড়ী । ভেন্না পাতার বদলে পাট খড়ির ঘর । বৃষ্টি তাদের ঘরে, খাটে ঘুমাতে মনে হয় পছন্দ করে । তাই ঘরে বৃষ্টির আনাগোনা সাধারণ ব্যাপার। বারান্দায় শুয়ে আছে সাদা কাশফুল রঙা চুল নিয়ে হায়দার কাকার মা । স্ট্রোক করে শয্যাশায়ী । কাউকে চিন্তে পারেন না । ঘরে যে ঘুমাবেন সেই জায়গাও নেই ।চিকিৎসা সে আবার কি জিনিষ? যে খানে পেটের খাবারই জোটে না সেইখানে আবার চিকিৎসা !



হায়দার কাকা মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পান দু হাজার টাকা । এক ছেলে মাসে মাসে দেয় দুহাজার টাকা । মোট চারহাজার টাকায় আট জনের সংসার । সংসার আরও বড় ছিল । বড় ছেলে স্ট্রোকে মারা গেছে বছর চারেক আগে । ছেলের বউ তার দুবছর পর । তাদের বড় ছেলে এবার এস.এস.সি পরীক্ষা দেবে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে, স্কুলের রোল নং- ৯, মেয়ে চতুর্থ শ্রেনীতে পড়ে, রোল- ৭ ।



হায়দার কাকার আরেক ছেলে আত্নহত্যা করে তাও দুবছর হবে । ছোট ছেলে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে পড়ে পদার্থ বিজ্ঞানে । টাকার অভাবে নিয়মিত ক্লাশ করা হয় না । টিউশানি করে তার মাসে আয় আটশ’ টাকা । তার সাথে মুক্তিযুদ্ধা বাবার মত লেবারের কাজ করে কোন মতে চলে পড়ালেখার খরচ। যদিও কাজ পাওয়াই যায় না । হায়দার কাকার তার দুর্দশার কথা জানাতে ইতস্ততা বোধ করছিলেন । তিনি প্রতিদিন কুলি,রাজমিস্ত্রী কাজের সন্ধানে বের হন । ছোট খুবই ছোট শহর বলে মাসে সাত আট দিনের বেশি কাজ পান না । শরীরও ভালো না । ৬৫ বছর বয়স বলে কাজেও নিতে চায় না মানুষজন ।



আমরা কি তার জন্য কিছু করতে পারি ? এর আগে দিলীপ কাকার জন্য এগিয়ে এসেছিলেন অনেকেই । মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে যে ঋণ আমাদের তার একটু শোধ করার সুযোগ নিয়েছিলেন অনেকেই ।



এইবার?!পাকশী (ঈশ্বরদী, পাবনা ) ।



সারাদিন ধরেই বৃষ্টি ছিল । রাত হয়েছে বেশ কিছুক্ষন আগেই । ঠান্ডা বাতাস আর ঝিরি ঝিরি বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে পাকশীর বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধা কালাম প্রফেস্যার (অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, ভারপ্রাপ্ত প্রাক্তন সহঃ অধ্যক্ষ পাকশী রেলওয়ে কলেজ) ও আরও দুজন বাইকে করে পৌছে যাই বিখ্যাত বি.বি.সি বাজারের কাছে মুক্তিযুদ্ধা হায়দার আলী (৬৫) কাকার বাড়ী । বাড়ী বলতে “আসমানী” কবিতার আসমানীদের বাড়ীর মত বাড়ী । ভেন্না পাতার বদলে পাট খড়ির ঘর । বৃষ্টি তাদের ঘরে, খাটে ঘুমাতে মনে হয় পছন্দ করে । তাই ঘরে বৃষ্টির আনাগোনা সাধারণ ব্যাপার। বারান্দায় শুয়ে আছে সাদা কাশফুল রঙা চুল নিয়ে হায়দার কাকার মা । স্ট্রোক করে শয্যাশায়ী । কাউকে চিন্তে পারেন না । ঘরে যে ঘুমাবেন সেই জায়গাও নেই ।চিকিৎসা সে আবার কি জিনিষ? যে খানে পেটের খাবারই জোটে না সেইখানে আবার চিকিৎসা !



হায়দার কাকা মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পান দু হাজার টাকা । এক ছেলে মাসে মাসে দেয় দুহাজার টাকা । মোট চারহাজার টাকায় আট জনের সংসার । সংসার আরও বড় ছিল । বড় ছেলে স্ট্রোকে মারা গেছে বছর চারেক আগে । ছেলের বউ তার দুবছর পর । তাদের বড় ছেলে এবার এস.এস.সি পরীক্ষা দেবে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে, স্কুলের রোল নং- ৯, মেয়ে চতুর্থ শ্রেনীতে পড়ে, রোল- ৭ ।



হায়দার কাকার আরেক ছেলে আত্নহত্যা করে তাও দুবছর হবে । ছোট ছেলে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে পড়ে পদার্থ বিজ্ঞানে । টাকার অভাবে নিয়মিত ক্লাশ করা হয় না । টিউশানি করে তার মাসে আয় আটশ’ টাকা । তার সাথে মুক্তিযুদ্ধা বাবার মত লেবারের কাজ করে কোন মতে চলে পড়ালেখার খরচ। যদিও কাজ পাওয়াই যায় না । হায়দার কাকার তার দুর্দশার কথা জানাতে ইতস্ততা বোধ করছিলেন । তিনি প্রতিদিন কুলি,রাজমিস্ত্রী কাজের সন্ধানে বের হন । ছোট খুবই ছোট শহর বলে মাসে সাত আট দিনের বেশি কাজ পান না । শরীরও ভালো না । ৬৫ বছর বয়স বলে কাজেও নিতে চায় না মানুষজন ।



আমরা কি তার জন্য কিছু করতে পারি ? এর আগে দিলীপ কাকার জন্য এগিয়ে এসেছিলেন অনেকেই । মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে যে ঋণ আমাদের তার একটু শোধ করার সুযোগ নিয়েছিলেন অনেকেই ।



এইবার?!

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:৩৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ক্ষমতার কত খৈলা..
মন্ত্রনালয়, কত কত ভূমি কল বানিজ্য, কত অনুদান বানিজ্য...

আহা সাধারন সেই সাধঅরনই রয়ে গেল-
নিভৃতে কষ্টচারী!

তারা যেমন তালীকায় নাম লেখাতে যুদ্ধ করেন নি- আজো তেমনি নিরবেই কষ্ট সমুদ্র পারি দিয়ে প্রস্থানে উদ্যত!!

আমাদের ধান্ধাবাজদের তাতে কি ভ্রকুটি হবে কখনো?????!!!!!

০২ রা অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৯:৪৩

জহিরুলহকবাপি বলেছেন: আপনি নিশ্চয় ধান্ধাবাজ নন ।
আপনি কোন গঠন মূলক আলোচনা না করে অন্যকে দোষারোপ করলেন আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের মত ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.