| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ঠাকুরমাহমুদ
sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful
৯০ দশকের শুরুর দিকের কথা, সারা দিনের ক্লান্তি নিয়ে যখন বাসভবনে ফিরেছি, রুটিন মাফিক গোসল খাওয়া দাওয়া করে ঘুমোবো কিন্তু টিভি অন করে দেখি একটি সিনেমা শুরু হচ্ছে - মেজর চৌহানের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নানা পাটেকার। মাঝরাতে আবার আমার ডিউটিতে যেতে হবে, না ঘুমিয়ে এক বসায় যেই সিনেমাটি দেখেছিলাম তার নাম PRAHAAR. অত্যন্ত দক্ষ ও অসম্ভব ভালো একজন অভিনেতা নানা পাটেকারের সাথে আমার পরিচয় হয়। তারপর তাঁর অসংখ্য সিনেমা দেখেছি। অভিনয়ে যে কি পরিমাণ শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব থাকতে পারে তার প্রমাণ নানা পাটেকার অভিনিত ছবি:
YESHWANT
SHAGIRD
GHULAM-E-MUSTHAFA
TARKIEB
AB TAK CHHAPPAN-1
AB TAK CHHAPPAN-2
THE ATTACKS OF 26/11
সহ আরও অনেক অনেক ছবি। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই। আজ ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ নানা পাটেকার না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন। তিনি কেবল একজন ভালো অভিনেতাই ছিলেন না, বরং সাধারণ মানুষের দুঃখ কষ্টে পাশে দাঁড়ানো এক মহান পরোপকারী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। নিজের আয়ের বড় একটি অংশ দুস্থ কৃষক ও অসহায় মানুষের কল্যাণে বিলিয়ে দিয়ে তিনি মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গিয়েছেন। মহান ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা তিনি যেনো এই মহান মানুষটিকে অনন্তকাল চিরো শান্তিতে রাখেন।
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:০৩
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
আকাশের উজ্জল একটি নক্ষত্র আর কখনও মিটমিট কর জ্বলবে না। কখনও বলবে না আমি আছি। মহান ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা তিনি যেনো এই মহান মানুষটিকে অনন্তকাল চিরো শান্তিতে রাখেন।
২|
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৪৪
মাথা পাগলা বলেছেন: নানা পাটেকার মৃত্যুর ২~৩ দিন আগে কথায় কথায় বাবা বলেছিলো অমিতাভ বচ্চনকে তার অতো ভালো লাগে না কিন্তু নানা পাটেকার চেহারা যাই হোক অভিনয় দিয়ে মানুষের মন জয় করেছেন।
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:০৫
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
অসম্ভব ভালো অভিনয় করতেন। তার অভিনয়ে মোহ ছিলো। মানুষ হিসেবেও অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ ছিলেন নানা পাটেকার। আকাশের উজ্জল একটি নক্ষত্র আর কখনও মিটমিট কর জ্বলবে না। কখনও বলবে না আমি আছি। মহান ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা তিনি যেনো এই মহান মানুষটিকে অনন্তকাল চিরো শান্তিতে রাখেন।
৩|
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৮
কামাল১৮ বলেছেন: এক শক্তিমান অভিনেতা।
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
এই শক্তিমান অভিনেতার বেশ কিছু ছবি আছে আপনি এক বসায় দেখতে হবে এমন! মনে হয় সিনেমায় কোনো বিরতি দেওয়া যাবে না। মহান ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা তিনি যেনো এই মহান মানুষটিকে অনন্তকাল চিরো শান্তিতে রাখেন।
৪|
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭
নাহল তরকারি বলেছেন: নানা পাটেকারের Prahaar সিনেমায় মেজর চৌহান চরিত্রে অভিনয় আমারও ভীষণ ভালো লাগে। তাঁর দৃঢ় ব্যক্তিত্ব, চোখেমুখের অভিব্যক্তি এবং সংলাপ বলার অসাধারণ ভঙ্গি চরিত্রটিকে জীবন্ত করে তুলেছিল। এই সিনেমায় তাঁর অভিনয় সত্যিই মনে দাগ কাটার মতো। একজন শক্তিমান অভিনেতা হিসেবে নানা পাটেকার সবসময়ই স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
৫|
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬
শ্রাবণধারা বলেছেন: নানা পাটেকারকে প্রথম যে সিনেমা দেখেছিলাম সেটা বোধ হয় ক্রান্তিবীর। এই সিনেমায় নানা পাটেকারের অভিনয় দেখে মনে হল, এতদিন যাদেরকে বলিউড সিনেমায় খুব বড় নায়ক হিসেবে চিনতাম তিনি তো তাদের চেয়ে অনেক বেশি ভাল অভিনয় করেন, তাহলে তাকে এতদিন চিনতাম না কেন!
৬|
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৪০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মহান ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা তিনি যেনো এই মহান মানুষটিকে অনন্তকাল চিরো শান্তিতে রাখেন।
........................................................................
অপারবাংলায় এই একটি মাত্র মানুষ যার মধ্যে ছল চাতুরী
ছিলনা । তাই দেখি দুই বাংলার মানুষ তাকে ভীষন ভালোবাসে ও শ্রদ্ধা করে ।
উনার অবদানই গণমানুষের কাছে তিনি বেঁচে থাকবেন দীর্ঘদিন ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৪৫
চারাগাছ বলেছেন:
নানা পাটেকারকে নিয়ে লেখা স্মৃতিচারণ পড়তে গিয়ে আমার নিজেরও *Prahaar*–এর কথা মনে পড়ে গেল। একজন অভিনেতা শুধু তাঁর অভিনয় দিয়ে নয়, কখনো কখনো একটি চরিত্রের ভেতর দিয়ে দর্শকের মনে স্থায়ী হয়ে যান—নানা পাটেকার তেমনই একজন।
তাঁর অভিনয়ে একটা আলাদা ব্যাপার ছিল—তাকে দেখলে মনে হতো তিনি অভিনয় করছেন না, চরিত্রটিই যেন তাঁর ভেতর দিয়ে কথা বলছে। *Prahaar*, *Krantiveer*, *Ab Tak Chhappan* কিংবা *Welcome*—এত ভিন্ন ধরনের চরিত্রে একই মানুষকে দেখা সত্যিই বিস্ময়কর।
আর শিল্পীর বাইরের মানুষটাকেও যখন তাঁর মানবিক কাজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখি, তখন শ্রদ্ধাটা আরও বেড়ে যায়।
নানা পাটেকার চলে গেলেন—কিন্তু কিছু অভিনেতা আসলে চলে যান না। তাঁদের অভিনীত চরিত্রগুলো দর্শকের স্মৃতিতে থেকে যায়। কোনো পুরোনো সিনেমা হঠাৎ সামনে এলে মনে হয়—মানুষটা তো এখানেই আছেন।
শ্রদ্ধা, নানা পাটেকার।
---
আমার একটা পোষ্ট আছে। পড়তে পারেন।