নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিজের পোস্টের উত্তর দিতে দেরী হয় সেজন্যও সরি।

কাজী ফাতেমা ছবি

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। লেখকের অনুমতি ব্যতীত যে কোন কবিতা, গল্প, ছড়া, রম্য ইত্যাদি সাহিত্যকর্ম যে কোন গনমাধ্যমে যেমনঃ-ম্যাগাজিন, ফেসবুক, ব্যক্তিগত ব্লগ, সামাজিক মাধ্যম, পত্রিকা ও ওয়েবসাইটে প্রকাশ নিষিদ্ধ। বাংলাদেশ কপিরাইট আইন, ২০০০ লংঘন একটি শাস্তিযোগ্য ও দণ্ডনীয় অপরাধ। কপি পেস্ট-ভ্রমরের ডানা”

কাজী ফাতেমা ছবি › বিস্তারিত পোস্টঃ

» প্রকৃতির ছবি, দেশের ছবি (ক্যানন ক্যামেরায় তোলা-৬)

১৬ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১১



আমার_দেশ_আমার_অহংকার
ছুঁয়ে দিলেই স্নিগ্ধতা ঝরে পড়ে,
ধানের পাতায় পাতায় কেবল ভোরের শিশিরের খেলা
সাঁই সাঁই হাওয়া এসে কাঁপিয়ে দেয় ধানের শিষ'দের,
মুগ্ধতাগুলো এখানেই ঝরে পড়ে
আর আমার চোখে থাকে সেঁটে।

চোখের ক্যানভাসে এঁকে রাখি সবুজ রঙ প্রলেপে
আমার দেশের পতাকা,
এখানেই ধানেরা দুলে স্বাধীনতায়-সবুজের বুকে উঁকি দিয়ে,
আর সবুজ পাতার বুকে লাল ফড়িঙ উড়ে বসে স্বাধীনতায়,
ক্ষেতের আলে বসে, নাক টেনে শ্বাস নেই স্বস্তির।

২। #জিনিয়া_কাব্য
রঙ গোলাপী কন্যা'রে তুই-নাম কি তোর জিনিয়া
নিয়ে গেলি রঙ ছিনিয়ে-থাকি ক' কি নিয়া,
সবুজ পাতার বিছনার উপর-রাণী সেজে বসে
যাচ্ছিস বুঝি অহম মনে-রূপের অংক কষে?
বল্ না আমায় ও জিনিয়া
ভাবছিস বসে তুই কি নিয়া?
যৌবন বয়স তাই বুঝি তাই-উছলে পড়ে রূপ তোর
ফুটে থাকিস রঙ দেখিয়ে-একলা তুই রোজ চুপ ভোর।
রূপ বিলাচ্ছিস অহম মনে-বুক ফুলিয়ে তুই কি?
তোকে দেখে হিংসায় মরে-লতানো সেই পু্ঁই কি?
বল্ না আমায় ও জিনিয়া
মন নিবি কি মোর কিনিয়া?



৩। #শুনো_আমার_টিয়া_পাখি
রেগে গেলে আমায় নাকি-লাগে সুন্দর অতি
শুনে তোমার এমন কথা-হলাম প্রজাপতি।
প্রজাপতি মন যে আমার-উড়ে ঘুরে হাওয়ায়
দেখো তুমি মনোযোগে-বসে দখিন দাওয়ায়।
প্রজাপতি হতে হতে-মন হয়ে যায় পাখি
পাশে উড়তে মন বাড়িয়ে-যাচ্ছি তোমায় ডাকি!



৪। ভাঁটফুল_জীবন
ভাঁটফুলেরও কি ঘ্রাণ আছে! মিষ্টি কি তিতে!
তবুও মেঠোপথ জুড়ে ওরা সাদা আলো জ্বালিয়ে চোখ দেয় ধাঁধিয়ে
এখানেই যেনো গাঁথা আছে আমার জোনাক জ্বলা প্রহর,
ভেজা মাটির পথগুলোতে উঁকি মেরে মেরে ওরা চুপ দাঁড়িয়ে
সুন্দর বিলিয়ে ঝরে পড়ে পাপড়ি-লাল টুকটুকে ফল
পাতায় পাতায় বাসা বাঁধে জোনাক পোকার দল।



৫। ভালোবাসি_প্রভু_তোমার_সৃষ্টি
জল আয়নায় ক্লান্তি ছেড়ে দিয়ে আমি শান্তি কুঁড়াই
এই শহরের ইট সুড়কির পথে হাঁটলেই রোদ্দুর আমায় পুড়ায়-
খুব পুড়ায়-ঠিক দুপুর যখন!
আমি তখনো হেরে যাই না, ঝরা পাতায় চোখ রেখে মুগ্ধতা ছুঁই।
কষ্টগুলো ঝেড়ে ফেলে-গাছের ছায়ায় পথিক হই
আর আমার প্রভুর সৃষ্টির সুন্দর উপভোগ করি নি:শ্বাস টেনে।
এই যে চোখের আলো-আল্লাহ তোমার দান
দৃষ্টিতে দিয়েছো আলো-আর এই প্রকৃতি জুড়ে দিয়েছো মুগ্ধতার রঙ
কি করে বলো চোখ ফেরাই নিরস বদনে!
নীল আকাশ করে দাও কখনো বিবর্ণ
কখনো ভরে দাও নীলে
আবার কখনো শুভ্র মেঘেদের ছেড়ে দাও আকাশের বুকে!



৬। সূর্যমূখী নোস কি-রে তুই -যেনো সূর্যমূখী
হেসে থাকিস ঠাঁয় দাঁড়িয়ে-মুখটি করে সুখি।
হলুদ রঙের শাড়ি পরে-সেজে থাকিস হেসে
যায় না থাকা তোকে বাপু-ভালো'টা না বেসে।
খয়েরি টিপ কপালেতে-হলুদ চুড়ি হাতে
সূর্যমুখী কন্যারে তুই-ফুটিস কি রোজ প্রাতে?
নাম দিলাম তোর হলুদ কন্যা-হলুদ বরণ রঙে
থাকিস সেজে রোজ বিকেলে-চোখ বাঁকিয়ে ঢঙে।



৭। #এসো_বসি_সভ্যতা_ছুঁয়ে
দু'দন্ড শান্তি না হয় এখানেই পেয়ে যাই-
দৃষ্টিতে মুগ্ধতা না থাকলে সব রঙ বিবর্ণ ছাই,
বিকেল ছুঁয়ে চলো বসি শান বাঁধানো ঘাটে
জলে পা ডুবিয়ে-ছুটি দিয়ে সকল কর্ম পাঠে!
ব্যস্ততার নাও খানা দাও ডুবিয়ে দাও এবেলা
মুগ্ধ প্রহর আসে না হরপল-করো না অবহেলা।
মুগ্ধ হয়ে তাকাও
মনে এক লহমা সুখ আঁকাও
বন্ধ চোখে দেখো তুমি আমি ফিরে যাই সেই সভ্যতায়
এখানে নেই আমি তুমি-সেই সেই রাজকুমার তুমি
বেঁধে রেখেছো আমায় প্রেম সূতায়!



১০। আবোল_তাবোল_ইচ্ছে
লাল ফড়িংয়ের দেশে লো-নীল ফড়িংয়ের দেশে
কে কে যাবি সঙ্গে আমার-আয় না হেসে হেসে লো
আয় না হেসে হেসে!
সবুজ ঘাসের ডগায় ডগায়-ফড়িং বসে রোদ পোহায়
বুনোফুলের ঘ্রাণে মাতাল-কি মায়াবী মোহ হায়...
যাই ভেসে যাই সুখে লো
আমি যাই সুখে যাই ভেসে।
এই যে আমার সোনার দেশে বৃক্ষ তরুর ছায়ায়
সুখাবেশে ধরে রাখে খুব মায়ায় লো
রাখে ধরে খুব মায়ায়।



মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

করুণাধারা বলেছেন: সবগুলো ছবি খুব চমৎকার! আমার সবচাইতে ভালো লেগেছে শেষ দুটি ছবি! পাখির ছবি তুললেন কোথায়?

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৬

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: জাজাকিল্লাহ খাইরান আপি। পাখি দুটির ছবি তুলেছিলাম, ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে একটা পার্ক
থেকে, পার্কের নাম ভুলে গেছি। জয়নুল আবেদিন মিউজিয়ামের কাছেই। ছোট ছ
চিড়িয়াখানআ আছে সেখানে।

২| ১৬ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: কবিতা ও ছবি খুব সুন্দর হয়েছে।

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: থ্যাংকস ভাইয়া। ভালো থাকুন সাথেই থাকুন

৩| ১৬ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৬

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: পাখি দুটোর জন্য মন খারাপ লাগছে

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: কথা ঠিক, চিড়িয়াখানায় বন্দি দশায় আছে :(, ধন্যবাদ

৪| ১৬ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩

আরোগ্য বলেছেন: ৭ নং ছবিটা কোথাকার আপু?

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: জাজাকাল্লাহ খাইরান ভাইয়া
এই ছবিটি নারায়নগঞ্জের সোঁনারগাও থেকে তুলেছি।

৫| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৩

জুন বলেছেন: আমার কাছে প্রচুর সুন্দর সুন্দর ছবি আছে কাজী ফাতেমা কিন্ত অসাধারন কোন কবিতা লেখার যোগ্যতা নেই আপনার মত /:)
তাই তারা মোবাইলের ভেতরেই গুমড়ে গুমরে মরছে :-/
ভালো থাকুন অনেক অনেক :)
+

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১০

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আপি ছবি দেখে তোমার যা মনে আসে (তুমি করে বললে আপন লাগে, অনুমতি না নিয়েই তুমি বলে ফেললাম সরি) তাই লিখে প্লিজ ছবিগুলো আমাদের দেখার সুযোগ করে দাও, ছবি দেখে ক্যাপশন না হয় আমি লিখে দেব ইনশা আল্লাহ।

জাজাকিল্লাহ খাইরান আপি ভালো থাকুন অনেক

৬| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: যে সব ছবিতে আকাশ দেখা যাচ্ছে- সেই সব ছবিতে সমস্যা আছে। আকাশ জ্বলে গেছে। আকাশ সাদা দেখা যাচ্ছে।

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:০৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ভাইয়া এমন সিজনে ছবি উঠাই যে সিজনে আকাশের কোন রঙ থাকে না, বিবর্ণ আকাশ তাই সাদা আসছে জ্বলে নাই। ধন্যবাদ আপনাকে।

৭| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৪৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাজী ফাতেমা ছবি,



কখনও ফুল, কখনও পাখি,কখনও সবুজ প্রান্তরে ধানের শীষের সোনালী হাসি নিয়ে ঘাস ফড়িংয়ের মতো নেচে নেচে যাওয়া একটি পোস্ট।
ভাটফুল আর ধানের শীষ এর ছবি দু'টি অপূর্ব!

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:০৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: বাহ্ মন্তব্যেও কী সুন্দর ছন্দ, ভালো লাগায় ভরপুর, সুন্দর মন্তব্যএ মুগ্ধ আমি। জাজাকাল্লাহ খাইরান ভাইয়া ভালো থাকুন অনেক

৮| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৫৯

নজসু বলেছেন:



অসাধারণ।

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১০

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: জাজাকাল্লাহ খাইরান ভাইয়া ভালো থাকুন অনেক, সাথেই থাকুন

৯| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বাহ চমৎকার! ভীষণ ভালো লাগলো ছবিগুলি। ++
শুভকামনা প্রিয় আপুকে।

১৭ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১০:৩৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: জাজাকাল্লাহ খাইরান
অনেক ভালো থাকুন ভাইয়া
শুভেচ্ছা সতত

১০| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:০৯

মুক্তা নীল বলেছেন:
ছবি আপা ,
প্রতিটি ছবি খুব সুন্দর হয়েছে সেইসাথে কাব্য কথা গুলো।
পাখি দুটো ও একদম শেষের ছবিটা খুব ভালো লেগেছে আমার।
কয়েকটা অভিমানী কাব্যকথা দারুন হয়েছে। +++

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৬

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবা মুক্তা পি.... আমি জানি আর কেউ মন্তব্য না করুক আপনি আসবেন ইনশাআল্লাহ :) খুব ভালো লাগে আপনার বিচরণ আমার ব্লগ বাড়িতে । জাজাকিল্লাহ খাইরান ভালো থাকুন অনেক অনেক

১১| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:২২

এমজেডএফ বলেছেন: এতো কবিতা নয়, পুরো কাব্যগ্রন্থ!

ধানের শীষের কাব্যিক বর্ণনা ভালো লেগেছে, তবে এবার কৃষকেরা ধানের ভালো দাম পায় নাই তাই একটু মন খারাপ।
জিনিয়া ফুলের ছবিটি সুন্দর, তবে বড়ই একা, বিষন্ন, অবসাদগ্রস্থ মনে হলো!
টিয়া পাখি সবদিক দিয়ে ঠিক আছে।
ভাটফুলের ছবি ক্যানভাসে শিল্পীর আঁকা পেইন্টের মতো সুন্দর হয়েছে। সাদা ভাটফুলের ফলের রং যে লাল হয় সেটাও জানলাম।
জলে শ্বেত হংস-হংসীর যুগল ছবি নিঃস্বর্গ সবুজের মধ্যে দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।
সূর্যমূখী ফুল সূর্যের মতো দীপ্তমান - কোনো সন্দেহ নেই।
শান বাঁধানো ঘাটে কলসী কাঁখে কোন রমণী থাকলে আরো সুন্দর হতো।
ফড়িংয়েরও লাল নীল বিভিন্ন রং হয় - আগে জানা ছিল না! জানলাম।

আপনার জীবন কবিতার মতো ছন্দময় হউক, নিঃস্বর্গ প্রকৃতির মতো সুন্দর ও নির্মল হউক।
ধন্যবাদ।

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: এত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পোস্ট পড়েছেন খুবই ভালো লাগলো, কৃত্জ্ঞতা স্বীকার করছি
সুন্দর মন্তব্য সুন্দর পোস্ট দিতে আগ্রহী করে....

ফড়িং আসলেই অনেক রঙের হয়, গ্রামে গেলে দেখা যায়। ক্যামেরা নিয়ে স্বস্তি নিয়ে কখনো ছবি তুলতে পারি না। হুটহাট তোলা ছবিগুলো আপনাদের ভালো লেগেছে এতেই আমি খুশি মহা খুশি।

জাজাকাল্লাহ খাইরান ভাইয়া । আপনার জীবনও হোক প্রকৃতির মত নির্মল, মুগ্ধতায় বাধা থাকুক জীবন।

১২| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৩২

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: অনেক সুন্দর সুন্দর কাব্যগুলোকে আরো সুন্দর করেছে ছবিগুলো। কথা যেমন ছবিও তেমন। ভাল থাকুন সবসময়।

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকুন অনেক অনেক

১৩| ১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ইশ ফড়িং টা এত জীবন্ত এসছে !!
ভালোলাগা আপু :)

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৩

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আপু বোটানিক্যাল গার্ডেনে এত এত ফড়িং, ইশ তুমি দেখলে অবাকই হবে। কিন্তু সেদিন আমড়ার ক্যামেরা ফোকাস করতে পারছিল না ফড়িংগুলোকে, এখনো আফসোস লাগে।

ধন্যবাদ আপি

১৪| ১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ৩:৩০

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ভাটফুল আর টিয়া পাখির ছবি দুটি পছন্দ হয়েছে। সাথে কবিতার মিশেল নতুন মাত্রায় যোগ করেছে ভালো লাগা।মেঘ আর বৃষ্টির ছবি চাই।

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ মেঘ ভাইয়া ভালো থাকুন

১৫| ১৭ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১০:২৪

নীল আকাশ বলেছেন: সবগুলো ছবি খুব চমৎকার! তবে টিয়া পাখির টা দুর্দান্ত লেগেছে।
ব্লগে আপনিই মনে হয় সবচেয়ে বেশী ছবি পোস্ট দিন।
৭ নাম্বার ছবিটা কোথাকার?
ধন্যবাদ।

১৭ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১০:২৯

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: জাজাকাল্লাহ খাইরান ভাইয়া । হতে পারে.. অনেক ছবিই তো জমা হয়ে আছে কি আর করা দিয়ে দেই এখানেই।

৭ নম্বর ছবিটা সোনারগাও নারায়নগঞ্জের

১৬| ১৭ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:১৯

বলেছেন: মুগ্ধ হয়ে তাকালাম
এক লহমা সুখ পেলাম।।

ছবির মতো মেয়ের যত ছবি আর কথায় ভালোলাগা।।

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: জাজাকাল্লাহ খাইরান ভাইয়া
ভালো থাকুন অনেক অনেক

ছবির মতো মেয়ে হাহাহাহা

১৭| ১৭ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার তোলা ছবি যতো দেখি, ততোই মুগ্ধ হই। তুলনায় আমার তোলা ছবি দেখে কান্না পায়! :(

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:২২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ছবি তুলতে আসলে সময়ের প্রয়োজন। যা আমি বা আপনি তেমন পাই না। হুটহাট তোলা সব ছবিই। তারপরও আপনাদের ভালো লাগে এটা আমার জন্য বিরাট পাওনা।

আপনার আজকের ছবিগুলো ভালো হয়েছে :)

জাজাকাল্লাহ খাইরান

১৮| ১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সুন্দর হয়েছে ছবি সাথে মনোমুগ্ধকর কাব্য কথন । নদীর ধারে পথ , পথের ধারে মাঠ , মাঠের পরে মাঠ পেরুলেও সবুজ ফুরায় না । প্রজাপতি , পাখি , ফুল সাথে কবি মন কি নেই পোষ্টটিতে ।নেকক্ষন বুদ হয়ে থাকা যায় ছবি পানে চেয়ে আর সুললিত কাব্য কথন পাঠে ।

প্রথম মন্তব্যটির নীচে আপনার প্রতুত্তরে সুত্র ধরে সবিনয়ে জানানো যাচ্ছে যে ময়মনসিংহ জেলা শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্র নদের কূল ঘেঁষে থাকা যে পার্ক তথা উদ্যানটি হতে পাখীর ছবি তুলেছেন তার পুরোনো নাম ছিল সাহেব কোয়ার্টার পার্ক। পার্কটির পাশেই রয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা এখন এই পার্কটিকে জয়নাল আবেদিন উদ্যান নামকরন করা হয়েছে ।

যাহোক পার্কটির নীচ দিয়া প্রবাহমান ব্রম্মপুত্র নদ নিয়ে প্রসঙ্গক্রমে দুচারটি কথা আপনার করকমলে নিবেদন করে গেলাম ।
রবীন্দ্রনাথের ‘বীর পুরুষ’ কবিতার একটি লাইনে বলা হয়েছে, ‘ওই দেখা যায় মরা নদীর সোঁতা। তাঁর কথা সত্যি হয়ে ওঠে ময়মনসিংহের সেই পার্কের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া এক সময়ের প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র নদের বর্তমান অবস্থা দেখলে। এক সময় ব্রহ্মপুত্র নদের তর্জন গর্জনে রাতে ঘুমাতে পারত না তার তীরবর্তী এলাকার মানুষ। সেই সময় নদের তীরে দাঁড়ালে চারদিকে দেখা মিলত শুধুই জলরাশি। বিশাল জলরাশি ঘূর্ণি তুলে ধাবমান ছিল সাগর পানে। কিন্তু এসব কেবলই অতীত। নাব্যতা হারানো ব্রহ্মপুত্র মাত্র এখন শুধুই ধুধু বালুচর।

নদটি হারিয়ে ফেলেছে তার হাজার বছরের ছন্দময়ী খরস্রোত। এক সময় ব্রহ্মপুত্র নদ দিয়ে চলাচল করত বড় বড় পণ্যবাহী নৌকা, স্টিমার, লঞ্চসহ মালবাহী ট্রলার। এ নদ দিয়ে ওই সময়কার বৃহত্তর ময়মনসিংহের টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ছাড়াও উত্তরাঞ্চলের বগুড়া, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও সিরাজগঞ্জ জেলার মানুষ যাতায়াত করত।

নদটি এখন নিছক মরা খালে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে নদটি জেলার মানচিত্র থেকে মুছে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে ।সারা বছরই নদ শুকনা থাকে। বর্ষা মৌসুমে হঠাৎ কয়েক দিনের জন্য আসা বন্যার পানির প্রচন্ড স্রোতে বাড়ি-ঘর, ক্ষেতের ফসল জনপথ ভাসিয়ে নিয়ে যায়। ভেঙে যায় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। তখন গৃহহীন বন্যার্ত হয়ে লোকজনকে আশ্রয় নিতে হয় রাস্তার ওপর বা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে। তখন দুর্ভোগের সীমা থাকে না। বিআইডব্লিটিএ কার্যালয় সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার মেঘনা নদীর মোহনা থেকে ময়মনসিংহ হয়ে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার খোলাবাড়ির চর যমুনা নদীর মোহনা পর্যন্ত পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদটি ড্রেজিং করা হবে। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ ড্রেজিং প্রকল্প নামে গৃহীত এ প্রকল্পটির দৈর্ঘ্য হবে ২৭৫ কিমি। এ প্রকল্পে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ব্রহ্মপুত্রের মাধ্যমে যমুনা নদীর সঙ্গে মেঘনা নদীর সংযোগ ঘটবে। এতে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম ও রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সঙ্গে নৌযোগাযোগ স্থাপিত হবে। ফলে এই নৌরুটে আগের মতো খুব সহজেই মালবাহী জাহাজ, স্টিমার, কার্গোসহ নানা ধরনের নৌযান চলাচল করতে পারবে।

আর ঐ জলের রকেটে চড়ে আপনিও মনের সুখে তুলতে পারবেন মনোরম ও সুন্দর সুন্দর ছবি । তাই প্রকৃতি প্রেমী বাংলার একজন কবি হিসাবে এখনই যদি আপনার ক্যমেরায় এই নদটির অতীত ও বর্তমান জীবন গাথা নিয়ে কিছু ছবি তুলে তার অতীত গৌরবময় ও হালের করুন চিত্রকথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরতে পারেন তাহলে কতই না উপকার হয় । মানুষজন আপনার দেয়া সুন্দর সুন্দর ছবিগুলি দেখার সাথে সচেতন হবে , জানতে চাইবে কতৃপক্ষের কাছে তাদের প্রকল্পটির অগ্রগতি কতদুর , কখন এটার কাজ শুরু হবে এবং কখন এটার কাজ শেষ হবে , আর স্বার্থক হবে আপনার সচিত্র কাব্য কথন ।

শুভেচ্ছা রইল

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:২১

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আপনার মন্তব্য মানেই অনেক কিছু জানা,

আমি আসলে ভুল করেছি এই পার্কটির অনেক ছবি আছে জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালার ছবিও আছে কিন্তু তাৎক্ষনিকভাবে মনে করতে পারছিলাম না । পিসিতে ছবি আর বাসায় মোবাইলে উত্তর দিয়েছিলাম। কালে ক্রমে তিন চার বার গিয়েছি সেখানে। নৌকায় ঘুরেছি এক ঘন্টা এক বার....। ছবি তুলেছি শত শত, কত নৌকার ছবি তুলেছি। এখানে মিনি চিড়িয়াখানায় একটা গাধাও ছিলো তার ছবিও তুলেছি। কিন্তু এসবই পিসিতেই রয়ে গেলো। সাজিয়ে গুছিয়ে লেখার টাইম নাই । :(

আপনার মন্তব্য পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম । নদীরা মরে যাচ্ছে -এটা খুবই কষ্টজনক।


এই যে একটা ছবি হাহাহা

জাজাকাল্লাহ খাইরান শ্রদ্ধেয়

১৯| ১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৪০

মুক্তা নীল বলেছেন:
ছবি আপা ,
এতো প্রাণচঞ্চল ছবি ও কবিতা পোস্ট দেন ,না এসে পারি ?
এত সুন্দর করে মন্তব্য করলেন, যাই হোক আমার ভালোলাগার মানুষ আপনি সেটা বুঝতে পেরেছেন , এটাই আমার সার্থকতা।
ভালো থাকুন সবাইকে নিয়ে ।

১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৩১

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: :) এই মন্তব্যের প্রতিউত্তর আমার জানা নাই আপি। কেবল ভালোবাসা রইলো। ভালো থাকুন পাশেই থাকুন পাশে আছি সাথেই থাকুন সাথে আছি :)

২০| ১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:১৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আপনার ছবি তোলার হাত অনেক ভালো। প্রসংসা করার মতো। আপনার ক্যামেরাটি ক্যানন জানতে পেরেছি, অনুগ্রহ করে জানাবেন ক্যামেরার রেজুলেশন কতো পিক্সেল?

১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৩০

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: Megapixels 18.0
Total Pixels 18.7
Sensor Size 22.3 x 14.9mm
Pixel Dimensions 5184 x 345

সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ঠাকুর দা । ভালো থাকুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.