নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সবাই যখন নীরব, আমি একা চীৎকার করি \n--আমি অন্ধের দেশে চশমা বিক্রি করি।\n

গিয়াস উদ্দিন লিটন

গিয়াস উদ্দিন লিটন › বিস্তারিত পোস্টঃ

‘তিন পুরুষের রম্য কথা’ বইটি প্রকাশ করা হয়নি, জানতে পারিনি ‘এক রঙ্গা এক ঘুড়ি’ প্রকাশনীর এই অমানবিক আচরণের হেতু!

০৭ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৯



আমার প্রথম বই ‘প্রবাসে বাংলাদেশী গুণীজন’ প্রকাশ করে দিব্য প্রকাশ। বইটি প্রকাশের ব্যাপারে প্রকাশক শ্রদ্ধ্যেয় মইনুল আহসান সাবের স্যারের সাথে আলাপ করলে বিষয়বস্তুর প্রতি তিনি খুব আগ্রহ প্রকাশ করেন। জানান, বইটি নিয়ে আমরা বইমেলা পর্যন্ত অপেক্ষা করব না। আমরা বইটি এক্ষুনি ছাপাব, আপনি পান্ডুলিপি পাঠিয়ে দিন।সেই হিসাবে আমার প্রথম বইটি প্রকাশ হয় মে ২০১৬ সালে।

বইটি সম্ভবত ভাল চলেছিল, এই থেকে অনুমান করছি যে,২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে স্যার আমাকে জানান এই টাইপের আরেকটি পান্ডুলিপি তৈরি করার জন্য যা বইমেলা ২০১৭ উপলক্ষে ছাপা হবে।এখানে উল্যেখ করা দরকার ইতোপুর্বে সামুতে প্রকাশিত আমার গুণীজন সিরিজটিতে আমি প্রায় ৩০০ জন গুণীকে নিয়ে পোস্ট করেছি বলে স্যারকে জানিয়েছিলাম।সেই মতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বীয় মেধায় ব্যাপক আলোচিত বাংলাদেশি ২২জন ক্ষুদে জিনিয়াসকে নিয়ে ছাপা হয় আমার দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘ক্ষুদে জিনিয়াসদের কথা’।

১৭এর বইমেলার মাঝামাঝি সময়ে আমি মেলায় গেলে স্টলে গিয়ে স্যারের পাশে বসলাম। স্যার বললেন- ক্ষুদে জিনিয়াসদের কথা প্রায় শেষের পথে। আমরা বইটির দ্বিতীয় মুদ্রনে যাবো।আরো জানালেন একটা পাঠ চক্র থেকে উনারা ক্ষুদে জিনিয়াসদের কথা এক হাজার কপির অর্ডার পেয়েছেন। তবে ক্রেতা পক্ষ চাইছে বইটি যেন ৭৬ পৃষ্ঠা থেকে ১০০ পৃষ্ঠায় উন্নিত করা হয়। আমি যেন বর্ধিত অংশের পান্ডুলিপি তৈরি করে পাঠাই। আমি তাই করলাম।

২০১৮ সালে সংকলন গ্রন্থ ‘লেখাজোকা’র সম্পাদনার দায়িত্ব দেয়া হয় আমি এবং শায়মাকে। আমাকে বলা হয় প্রকাশনীর সাথে আলাপ করার জন্য। পুর্বের পরিচয়ের সুত্রে আমি মইনুল আহসান সাবের স্যারকে ফোন দেই।বিষয় শুনে তিনি বললেন- আমরা এ বই ছাপাব না। আমি বললাম এ ক্ষেত্রে প্রকাশের খরচটা আমরা দেব।তিনি জানালেন- টাকা নিয়ে আমরা বই ছাপাই না। কথাটা শুনে আমার রাগ হওয়া উচিত ছিল। বাস্তবে তা না হয়ে একজন প্রকৃত প্রকাশকের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরো বেড়ে গেল।

দিব্য প্রকাশ ‘টাকা নিয়ে বই ছাপায় না’, আবার অনেক লেখকের অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায় এমন প্রকাশকের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয় যারা আক্ষরিক অর্থেই ‘টাকা নিয়েও বই ছাপায় না।‘

২০১৯ সালের মে মাসে ‘এক রঙ্গা এক ঘুড়ি’র পক্ষে ব্লগার,কবি নীল সাধু পোস্ট দিয়ে জানান তাঁরা ২০২০ বইমেলায় প্রকাশকের খরচে ১০০ বই ছাপাবেন। অন্য প্রকাশনায় দেয়ার জন্য আমার একটা পান্ডুলিপি তৈরি ছিল। নীল’দা ব্লগার মানুষ, তিনি আমাদেরই লোক। তাছাড়া বই মেলায় গেলে আমরা প্রায় ব্লগার ‘এক রঙ্গা এক ঘুড়ি’ স্টলের সামনেই আড্ডা দেই।তাই ভাবলাম পান্ডুলিপিটি নীল’দাকেই পাঠাই।ভাবনা মত ১৯শে মে ২০১৯ তারিখে আমি নীল’দাকে ‘তিন পুরুষের রম্য কথা’র পান্ডুলিপিটি পাঠাই। বিষয়বস্তু দেখে তিনি ফিরতি মেসেজেই আমাকে জানালেন, এই বই অবশ্যই তিনি ছাপবেন।

যারা লেখালেখির সাথে জড়িত তাঁরা জানেন প্রকাশক যদি বলেন ‘আপনার বই ছাপা হবে’, এই সংবাদ টা অনেকটা ‘আপনি পিতা হতে যাচ্ছেন’ সংবাদের মতই আনন্দময় হয়ে থাকে। শুরু হল আমার ‘সন্তান ভূমিষ্ঠ’ হবার সময়ের অপেক্ষার মত আনন্দময় অপেক্ষার পালা।

পরবর্তিতে ব্লগার নীলসাধু ও প্রকাশক শিমুল আহমেদ ‘এক রঙ্গা এক ঘুড়ি’,থেকে যে বইগুলি প্রকাশ হবে তার তালিকা জানিয়ে পুনঃ পুনঃ পোস্ট দেন। দেখলাম সেখানে ‘তিন পুরুষের রম্য কথা’র নাম রয়েছে।
১৩ই ডিসেম্বর তারিখে তাঁরা বইটির প্রচ্ছদ প্রকাশ করেন।প্রচ্ছদ সহ বইটির বিষয়বস্তু নিয়ে নীল’দা একটি পোস্ট দেন আরো লিখেন-মেলার প্রথম দিন থেকেই বইটি ‘এক রঙ্গা এক ঘুড়ি’,আত্মজা,ও মেঘফুলের স্টলে পাওয়া যাবে।

আমার ‘তিন পুরুষের রম্য কথা’ বইটি আগামী বইমেলায় আসছে জানিয়ে আমি ব্লগ ও ফেসবুকে পোস্ট দেই। এতে পাঠকের বেশ সাড়া পাই।এক ফেসবুকেই আমি ৩৩ টা বইয়ের অর্ডার পাই। পরবর্তিতে দেয়ার জন্য আমি আরো কয়েকটা পোস্ট তৈরি করে রাখি।

অবশেষে শুরু হল ২১শে বইমেলা ২০২০। আজ আসছে কাল আসছে করে আমার বই আর মেলায় আসেনা। ৭ তারিখে নীল’দা জানালেন মেলা পুরোদমে শুরু হয় ১৪/১৫ ফেব্রুয়ারীর পর থেকে তার আগেই ‘তিন পুরুষের রম্য কথা’ প্রকাশিত হবে। ১৭ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করে নীল’দাকে ফোন দিলাম। তিনি জানালেন-২২ তারিখে আমরা লেখক,ব্লগার আড্ডার ঘোষণা দিয়েছি, এর আগেই ‘তিন পুরুষের রম্য কথা’ বের হবে।

২২ তারিখ লেখক,ব্লগার আড্ডার দিন মেলায় যাওয়ার জন্য আমি প্রস্তুতি নেই।ইতোমধ্যে আরো অনেকেই বইয়ের জন্য আমাকে নক করেন। অনেকে মেলায় গিয়ে বই না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে আসেন। সকলকে আমি জানিয়ে দেই ২২ তারিখে বই বের হবে। যারা আমার কাছ থেকে সংগ্রহ করতে চান তাঁরা ২৩ তারিখে বই পাবেন।

২২ তারিখ পর্যন্তও আমার বই প্রকাশ হয়নি।৬ বছরের ভিতর এই প্রথম আমারও বই মেলায় যাওয়া হলনা, দেখা হলনা জাদিদ ভাই, বিদ্রোহী ভৃগু,কাওসার চৌধুরী,অগ্নি সারথি,কাজী ফাতেমা ছবি,লিলিয়ান আপু সহ অনেক প্রিয় মুখের সাথে।

মেয়ের কয়েক বান্ধবী মেলায় গিয়ে বই পায়নি, আরো কয়েকজন বই নিতে চাচ্ছে,তার স্যাররাও বইয়ের খোজ খবর নিচ্ছে। মেয়ের সাথে আমিও লজ্জায় পড়ে যাই। সবচেয়ে বেশি লজ্জায় পড়ি- আমার এক প্রবাসী আত্মীয়া মেলায় গিয়ে বই না পেয়ে প্রবাসে চলে যান। যাওয়ার আগে উনার ভাই মারফত কিছু টাকা পাঠিয়ে জানান, আমি যেন উনার ভাইয়ের কাছে কিছু বই দেই।

লজ্জায় পড়ে, লজ্জার মাথা খেয়ে আবার নীল’দার সাথে আলাপ করি।মেসেজ পাঠাই তিনি যেন অন্তত ৫০ কপি বই হলেও ছাপান। এবং এই ৫০ কপি বই আমি নিয়ে আসার জন্য এডভান্স পে করারও প্রস্তাব দেই।
সিন হলেও এই মেসেজের কোন রিপ্লাই পাইনি। এবং আমি এখনো জানতে পারিনি,প্রায় ১০ মাস আগে পান্ডুলিপি পাঠানোর পরেও আমার ‘তিন পুরুষের রম্য কথা’ বইটি বইমেলা ২০২০এ কেন প্রকাশিত হয়নি, জানতে পারিনি আমার প্রতি প্রকাশকের এই নিষ্ঠুর আচরণের হেতু!

পুনশ্চঃ অনেকেই ইনবক্সে বইটির খোঁজখবর নিয়েছেন, কেন প্রকাশিত হয়নি জানতে চেয়েছেন।কোন কারন জানতে পারিনি বিধায় আমি নিরুত্তর থেকেছি।আজ এই পোস্টের মাধ্যমে জবাব দিলাম। সাথে যারা বইটি সংগ্রহ করতে চেয়েছেন তাঁদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ক্ষমা প্রার্থনা করছি।


মন্তব্য ১২৫ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (১২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:


বড় রম্য হলো, "বরীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জাপান ভ্রমণের একশত বছর পর, প্রকাশক নীলসাধু জাপান পৌঁচলেন"।

উনার অতিভক্তি সমস্যা আছে

০৭ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: প্রথম অবস্থায় বইটির নাম ছিল- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জাপান যাবার ১০৩ বছর পর কবি নীলসাধু পৌঁছালেন!

২| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


উনার বইয়ের বান দিতে গিয়ে, রবীঠাকুরের নাম যোগ করে, এমন হাস্যকর নাম দিয়েছেন; এই বইয়ের নাম যিনি পড়েছেন, তিনি এই বই পড়ার সম্ভাবনা কম; উনি নিজেই প্রকাশক, সেজন্য কিছু না ভেবেই এই কাজ করেছেন, মনে হয়।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সেটা লেখক, প্রকাশকই ভাল জানেন ।

৩| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


টাইপো:
উনার বইয়ের *নাম দিতে গিয়ে, রবীঠাকুরের নাম যোগ করে, এমন হাস্যকর নাম দিয়েছেন; এই বইয়ের নাম যিনি পড়েছেন, তিনি এই বই পড়ার সম্ভাবনা কম; উনি নিজেই প্রকাশক, সেজন্য কিছু না ভেবেই এই কাজ করেছেন, মনে হয়।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পুনঃ পুনঃ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নিন গাজী সাহেব।

৪| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




অন্যান্য ব্লগারগণ কি নিজ খরচে বই প্রকাশ করেছেন নাকি উক্ত প্রকাশনী তার নিজ খরচে প্রকাশ করেছেন?

বাই দ্যা ওয়ে আমি জাপানে প্রথম যাই ১৯৯৩ সনে। আজো নতুন জাপান দেখে মনে হয় না এটি কোনো ভালো দেশ। জাপানের নোংরা যাদের পছন্দ তাদের কাছে জাপান ভালো লাগতে পারে।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন:
অন্যান্য ব্লগারগণ কি নিজ খরচে বই প্রকাশ করেছেন নাকি উক্ত প্রকাশনী তার নিজ খরচে প্রকাশ করেছেন? সেটা আমি জানিনা ঠাকুরমাহমুদ । তবে আমার কোন বই নিজে টাকা দিয়ে ছাপাইনি।
জাপান থেকে এসে অনেকে আমাদের দেশ নিয়ে নাক সিটকায়। তাঁরা নিট এন ক্লিন। ম্যাচের কাটি, সিগারেটের গোড়া রাস্তায় না ফেলে পকেটে পুরে। আর আপনি জাপান সম্পর্কে এসব কি বলছেন?

৫| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: এটা করা মোটেও ঠিক হয়নি। নিশ্চয়ই উনি ব্যাখ্যা দিবেন। উনাদের অনেক ভাল কাজ তো নিয়মিত চলে। যেমন - শীতার্তদের শীতবস্ত্র, জাকাত, কোরবানীর ব্যবস্থা ইত্যাদি...

০৭ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: উনাদের ভাল কাজগুলির আমি একজন একনিষ্ঠ সমর্থক।

৬| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আপনার বই না পাওয়ার হতাশা নিয়ে থাকতে হলো।
আপনার বই পাঠক প্রিয় হতো। দেখা যাক অপেক্ষায় থাকলাম। অনেক বই মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে। মন খারাপ করবেন না।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: মন খারাপের চেয়েও যেটা আমাকে কাবু করেছে সেটা হচ্ছে লজ্জা। জীবনে এরকম বিব্রতকর অবস্থায় পড়িনি সেলিম ভাই।

৭| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:০৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: মানুষদের বিব্রত করার ফলাফল ভালো হয় না। বুমেরাং হতে পারে। যেমন কর্ম তেমন ফল। আপনি ভালো থাকবেন।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:৪২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমিন। আন্তরিক মন্তব্যে আপ্লুত হলাম। আল্লাহ আপনাকেও ভাল রাখুন সেলিম ভাই।

৮| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:০৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি এক সময় বই প্রকাশ করার প্রবল ইচ্ছে ছিলো, কিন্তু যায় যায় দিন বিখ্যাত শফিক রেহমান স্যার টাকার উত্তাপ সহ্য করতে পারেন নি, টাকার উত্তাপ হজম করা সহজ কাজ না। সবাই এই উত্তাপ হজম করতেও পারেন না। শক্ত ক্যালিবার প্রয়োজন পরে। শফিক রেহমান স্যারের শক্ত ক্যালিবার ছিলো কিন্তু বসুন্ধরা এইচআরসি’র চেয়ে কয়েক হাজার গুন কম। যা হবার তাই হয়েছে তিনি ও তার যায় যায় দিন কে ১২ জনে মিলে হত্যা করেছে। আর আমরা যারা তার সাথে শ্রম দিয়েছি আমাদের স্বপ্নও সেদিন হত্যা হয় যায় যায় দিন এর সাথে।

অনেকে ছাপরা ঘর ভাড়া নিয়ে প্রকাশনী করেন যাদের নিজস্ব ছাপাখানা নেই। এখন প্রকাশনী ও ছাপাখানা করার সামর্থ্য থাকলেও সেই পথে আর না। ১। প্রকাশনীতে ব্যাবসা নেই। ২। প্রকাশনী ও ছাপাখানার প্রতি আর ইচ্ছে নেই।।

৥৥৥ যা হয়েছে ভুলে যান। ২০২১ সনের বই মেলাতে আপনার বই অবস্যই অবস্যই ছাপা হবে। আর আপনার বই আরো ভালো করবে কারণ আপনি ধাক্কা খেয়েছেন এবার বই তীর হয়ে ছুটবে - এই আশা ব্যক্ত করছি।

শুভ কামনা রইলো গিয়াস উদ্দিন লিটন ভাই।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:৪৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদাই, আপনি কি যায়যায়দিনের সাথে যুক্ত ছিলেন?
যায়যায়দিনেই আমার লেখার হাতে খড়ি। সম্ভবত ২০০২ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি আমি যায়যায়দিন লেখক সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলাম।
যা হয়েছে ভুলে যান। অনেক সহব্লগার বইটি কেন ছাপা হলনা জানতে চেয়েছিলেন, তাই এই পোস্ট।
২০২১ সনের বই মেলাতে আপনার বই অবস্যই অবস্যই ছাপা হবে। আর আপনার বই আরো ভালো করবে কারণ আপনি ধাক্কা খেয়েছেন এবার বই তীর হয়ে ছুটবে - এই আশা ব্যক্ত করছি। ভরসা ও অনুপ্রেরনা বোধ করছি। কৃতজ্ঞতা ও শুভ কামনা জানবেন।

৯| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:১৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




জাপানিজরা পরকীয়া তে অভ্যস্ত। আর জাপানে অবস্থানরত বাংলাদেশী সেই নিয়মে চলে এক অপার স্বর্গীয় আনন্দ (!!!) অনুভব করেন - কি বুঝলেন। সীমাহীন নোংরামি যাকে বলে। যিনি জাপানের গল্প বেশী বেশী বলবেন মনে করবেন তিনি জাপানের আসল মজা পেয়েছেন। তৃতিয় বিশ্বের দেশ বাদে সব দেশ নিট এন্ড ক্লিন এটি বলার জন্য ডাক ঢোল পিটিয়ে নাক সিটকাতে হয় না।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:৫৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমার এক ভাতিজা জাপান থাকে । তার কাছে শুনেছি সেখানে বূড়ো বুড়িরা অমানবিক জীবন যাপন করে। তার সাথে ফ্রি নই বিধায় পরকিয়ার ব্যাপারটা জানতে পারিনি।
পুনঃ পুনঃ মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ঠাকুরমাহমুদ ।

(১০ নং মন্তব্যকারী আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম ভাইয়ের অনেক লেখাও যায়যায়দিনে পড়েছিলাম)

১০| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:২৭

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: মাসুদ ভাই (নীলসাধু) সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নেতিবাচক। এর বেশি কিছু বলতে চাচ্ছি না। আপনি আগামী বইমেলা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আপনার বই প্রকাশিত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৯:০১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনার বই প্রকাশিত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। আপনার মন্তব্যে অনুপ্রাণিত ও সাহস পেলাম।
অনেক ধন্যবাদ নিন জনাব আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম ভাই।
৯ নং প্রতিমন্তব্যে আপনাকে স্বরন করেছি। ভাইজান, আপনার লেখা কি যায়যায়দিনে পড়েছি নাকি মৌচাকে ঢিলে ?

১১| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:৫১

প্রেক্ষা বলেছেন: দুঃখ পাবেন না,জীবনে এরকম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে কম-বেশী সবারই পড়া লাগে,আশা করি আপনি তা সামলে উঠতে পারবেন।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৯:০৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনুপ্রেরনাদায়ী মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ নিন প্রেক্ষা ।

১২| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:৫৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: এসব হচ্ছে এখন আমাদের জাতীয় আচার আচরন। কথা দিয়ে কথা না রাখা, ঝুলিয়ে রাখা, কোন ব্যখ্যা না দিয়ে উল্টো ইগনোর করা। এই জাতীয় আচরন আপনি বিদেশিদের মাঝে একেবারেই দেখতে পাবেন না।

আপনার বই এর জন্য শুভকামনা রইল।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৯:১০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমরা প্রকাশকদের জাতীর এলিট অংশ মনে করি। উনাদের কাছ থেকে এ জাতীয় আচরণ কারোই কাম্য হবার কথা নয়।
ঢাবিয়ান ভাই, আসলে কি কারনে বই প্রকাশ হলনা তা না জানানো বা ইগ্নোর করা একজন লেখকের (যদিও আমি নিজেকে লো রেঞ্জের লেখক মনে করি) জন্য অপমানকরও বটে।
আপনার জন্যও শুভ কামনা।

১৩| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৯:১৫

ইসিয়াক বলেছেন:
আশা করি আগামী বইমেলাতে আপনার বই ইনশাআল্লাহ প্রকাশিত হবে।
শুভকামনা রইলো ভাইয়া।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৩৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ জানবেন ইসিয়াক ।

১৪| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৩৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আহেন ভাই বুকে লাগি!!

আপনিতও গুনি মাুনষ। গুনিজন নিয়ে বেইটা আসলেই অসাধারন ছিল। ক্ষুদে জিনিয়াসদের কথা্ও একই।
আপনার সাথে এমন করাটা খুবই অন্যায়।

আমার সাথে হয়েছে এটা ভিন্ন। আমি প্রথমবার বই করতে যাচ্ছিলাম। প্রকাশক নভেম্বরে পান্ডুলিপি নিয়ে বইয়ের কাভার আমাকে দিয়েই করিয়ে পোষ্ট দিয়ে -একই রকম বিব্র্তকর অবস্থায় পড়েছি। তা্ও কষ্ট কম। কারণ আমার প্রথম ইস্যু।
মিসক্যারেজ হয়েছে :P ব্যাপার না! ;)

কিন্তু আপনার বইয়ের কাভার এবং বিজ্ঞাপন সাধু দার পোষ্টে দেখে দেখে আমরা নিশ্চিত ছিলাম এবং অপেক্ষায় ছিলাম।
জীবনে অর্জন করতে যায় যুগের পর যুগ। ধ্বংস হয় এক পলকে। মুরুব্বীরাতো এভাবেই বলেছেন। শিখিয়েছেন।
শেষ ব্লগ ডেত্ওে সাধুদার সাথে অনেক কথা হলো। ছবি হলো। উনি বলেছে্ওে ব্লগারদের জন্য উনার বিশেষ সফট কর্ণার রয়েছে।
সেখানে এমন হ্ওয়াটা খুবই অনুচিত। আশা করি সাধু দা অবশ্যই উনার অবস্থান ক্লিয়ার করবেন। একজন ব্লগার সম্পর্কে আমরা কোনভাবেই কোন মন্দ ধারনা পোষন করতে চাই না।

আর ঐ যে কথা শিখছো কোথায়? ঠেকছি যেথায়!
এই শিক্ষা আপনার আজীবন কাজে লাগবে। আশা করি আপনার বই শীঘ্রই প্রকাশিত হবে।
এবং আপনার ক্ষুরধার লেখনি দিয়ে আপনি আরো ব্যাপক ভাবে পাঠকদের মন জয় করতে সক্ষম হবেন।
শুভকামনা রইল ভায়া

০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৫৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ভৃগু'দা, আমি পোস্টেও বলেছি- নীল’দা ব্লগার মানুষ, তিনি আমাদেরই লোক। বই মেলায় গেলে আমরা প্রায় ব্লগার ‘এক রঙ্গা এক ঘুড়ি’ স্টলের সামনেই আড্ডা দেই। সেই ভাবনা থেকেই পান্ডুলিপিটি নীল’দাকেই পাঠানো।
নীলদা যেদিন ঘোষণা দিলেন তার ২ দিন পরেই আমি পান্ডুলিপি পাঠিয়ে দেই। (বই মেলার প্রায় ১০ মাস আগে) এ থেকে উনার নিশ্চয় ধারনা হয়েছে পান্ডুলিপিটি আগ থেকেই তৈরি ছিল, এবং সেটা অবশ্যই এক রঙা এক ঘুড়ির জন্য নয়। শ্রেফ নীল'দাকে আপনজন ভেবেই সেটা দিয়েছিলাম।
এক রঙা এক ঘুড়ির জন্য নয় এটা বলছি এই কারনে, আমি জানতাম ঘুড়ি নিজেদের খরচে বই ছাপায় না। আর নিজে খরচ দিয়ে লেখক সাজার ইচ্ছা আমার কোন কালেই ছিলনা।
সুন্দর এবং দীর্ঘ মন্তব্য ! ক্লেশ স্বিকার করে পাঠোত্তর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ নিন ভ্রাতা।
(ব্লগডের অনুষ্ঠানে বুকে জড়িয়ে যে চিপাটা আপনি দিয়েছিলেন, আন্তরিকতার আতিশয্যে আমার ৮২ প্রকার বাত এতে সেরে গেছে। বড় আশা ছিল এবার বইমেলায়ও আপনার আরেকটা চিপা খাই। কোন দিন বই বেরুয় তার আশায় থেকে থেকে আমার আর চিপা খাওয়া হলনা :D :D )

১৫| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৫২

মোঃমোজাম হক বলেছেন: ঘটনাটি সত্যিই দুঃখজনক। একজন অপরিচিত প্রকাশক এমন করলে হয়তো এতোটা দুঃখ পেতেননা।
শুভকামনা আগামীর জন্য

০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১০:০৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: একজন অপরিচিত প্রকাশক এমন করলে হয়তো এতোটা দুঃখ পেতেননা। আমার দুঃখের জায়গাটা আপনি ধরতে পেরেছেন মোজাম ভাই।
আপনার জন্যও শুভ কামনা রইল।

১৬| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: অত্যন্ত দুঃখজনক।
নীলসাধু ভাইয়ের এরকম করা মোটেও উচিত হয় নাই। উনি যদি বই না-ই ছাপাবেন স্পষ্ট করে মানা করে দিবেন। এত তাল বাহানা কেন? তার কাছে এরকম আশা করি না। অবশ্যই তার দুঃখপ্রকাশ করা উচিত।

সাবের ভাই ভালো মানুষ।
অন্য রকম ভালো মানুষ। তার মন মানসিকতা অনেক উন্নত মানের। উনি একজন হৃদয়বান মানুষ। তার মতো লোভহীন মানুষ এই সমাজে খুব কম আছে।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১০:০৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: প্রথম কাজগুলি সাবের স্যারের সাথে করায়, সকল প্রকাশক সম্পর্কেই আমার উচ্চ ধারনা তৈরি হয়েছিল নুর ভাই।
একজন অপরিচিত প্রকাশক হয়ে একজন অখ্যাত লেখকের প্রতি যে মমতা তিনি দেখিয়েছেন তার উনার জীবনে হাজার গুনে ফেরত আসুক এই কামনা রইল।
আপনার মন্তব্য পেয়ে প্রাণটা ভরে গেল নুর ভাই। অনেক ধন্যবাদ জানবেন।

১৭| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১০:১১

মা.হাসান বলেছেন: লিটন ভাই, কষ্ট পেলাম।
আজ দুপুরেও খাওয়ার পরে আপনার নাম দিয়ে রকমারিতে সার্চ করে দেখছিলাম বইটা এসেছে কিনা।

গত বইমেলায় ব্লগারদের আড্ডার জম্পেশ হয়েছিল । এবারও সেই লোভে ২২ তারিখে হাজির হয়েছিলাম । কবি জাহিদ অনিক , অপু দ্য গ্রেট, আপনিসহ অনেককেই দেখি নি।বিশেষভাবে আপনার এবং আরেকজন সিনিয়র ব্লগারের কথা জানতে চাইলে আর একজন ব্লগার জানান ২২ তারিখ পর্যন্ত আপনাদের বই না আসায় আপনারা দুজনই মনোকষ্ট থেকে আড্ডায় অনুপস্থিত ছিলেন ।

সাধারণত মেলায় একবারের বেশি যাওয়া হয়না । এবার বিশেষ কারণে চারবার যেতে হয়েছিল। প্রতিবারই আপনার বইটা খুঁজেছি,প্রকাশনা সংস্থা থেকে জানানো হয়েছে এখনো আসেনি । নীলসাধু ভাইয়ের নিজের বইটাও সম্ভবত ২২ তারিখ এসেছে । ফাহমিদা বারী আপার বইটাও ওইদিনই জোগাড় করতে পেরেছি । মাহবুবুল আজাদ ভাইয়ের বইটাও মেলার শুরুর দিকে পাই নাই শেষের দিকে এসে জোগাড় করেছি। এবারের মেলা গতবারের চেয়ে অনেক কম জমজমাট , বেশি অগোছালো মনে হয়েছে । অনেক প্রকাশনা সংস্থার ই নিজেদের প্রেস নেই, বাহিরের প্রেস থেকে বই ছাপিয়ে আনেন । এবার সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের পোস্টার ছাপানোর কাজে প্রেস গুলো জানুয়ারির অনেকটা সময় ব্যস্ত ছিলো। কোন কোন প্রকাশনা সংস্থা সম্ভবত এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নীল সাধু ভাই আশাকরি খুব সুন্দর ব্যাখ্যা দেবেন।তবে যে কারণেই এটা হয়ে থাক না কেন আপনার ভাবমূর্তির যে ক্ষতি হয়েছে তা ওই ব্যাখ্যায় পূরণ হবে বলে মনে করি না।

স্টোরের নাম্বারিং থেকে দেখেছি এবার ৮০০র উপর স্টল বরাদ্দ ছিল । এদের মধ্যে প্রকৃত প্রকাশক কতজন সন্দেহ আছে । ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি লেখক-প্রকাশকের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তি থাকা দরকার।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১০:২৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমার ক্ষিন একটা ধারনা, আমার বই যদি মাত্র এক কপি চলে সেটার ক্রেতা হবেন মা হাসান ভাই। মন্তব্য সেটার প্রমান পেয়ে খুব ভাল লাগছে।
নীল দা সম্পর্কে আমার উচ্চ ধারনা ছিল। আসলে ভাবমুর্তি,লজ্জা, বিব্রতকর অবস্থায় পড়া ছাড়াও নীলদার আচরনে বেশ অপমানিতও বোধ করেছি।
নীল'দা আমার এতই প্রিয় একজন মানুষ যে উনার সাথে চুক্তি করার কোন প্রয়োজনই আমি অনুভব করিনি।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানবেন সুপ্রিয় মা.হাসান ভাই।

১৮| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১০:১৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আমার মনে হয় নীল'দার কোন ব্যাখ্যা আছে।
আমি তার সাথে বহুদিন যাবত মিশে এটুকু
বুঝতে সক্ষম হয়েছি যে তিনি এমন কাজ করতে
পারেন না। দৈব বিপাক বলে একটা কথা আছে
সম্ভব্ত তেমন কোন ঘটনা আছে!! এক রঙ্গা এক
ঘুুড়ির তিনিই কি কর্ণধর নাকি অন্যকেউ তার সাথে
আছে ?
আমাকে অনেকে উৎসাহ দিয়েছেন গুণীদের নিয়ে আমি
যেন একটা বই প্রকাশ করি। আসলে আমি সাহস পাইনা,
প্রকাশকদের সাথে লেখকের সম্পর্কটাযে খুব একটা ভালো
যায়না তা অনেক গল্প কাহিনী ও নাটকে দেখেছি। তাই ওই
পথ মাড়াইনি। আপনার জন্য সহমর্মিতা জানাচ্ছি। আজ নয়তো
কাল , বই আপনার প্রকাশিত হবেই ইনসাআল্লাহ। আপনার জন্য
শুভকামনা রইলো।

০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১০:২৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: প্রকাশকের কোন ব্যাখ্যা থাকলে সর্বাগ্রে তা লেখকের জানা উচিত।
আমাকে সে রকম কিছু জানানো হয়নি।
আপনি গুনি লেখক, আমরা চাই আগামীতে আপনার বই মলাটবন্ধী হোক। এবং আমি হতে চাই আপনার বইয়ের প্রথম ক্রেতা।
ব্লগ ডেতে আপনি ছিলেন অথচ কেউ পরিচয় করিয়ে দিল না। তাই আপনার সাথে পরিচিত হওয়া থেকে বঞ্চিত হলাম।
শুভ কামনা জানবেন নুরু ভাই।

১৯| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১০:২৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: গিয়াস উদ্দিন লিটন ,




ব্লগ থেকে জেনে গেছি কোন ষ্টলে আপনার বইটি পাওয়া যাবে। সেমতো ১৪ই ফেব্রুয়ারী'২০ তারিখে একরঙা'তে গিয়ে জানতে পারি বইটি তখনও আসেনি, আসবে নাকি একহপ্তা পরে!
পরে আর যাওয়া হয়নি বইমেলায়, আপনার বইটিও তাই কেনা হয়ে ওঠেনি। এখন তো দেখছি গেলেও কাজ হতোনা।

ব্যাপারটি দুঃখজনক...................

০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১০:৩৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: একহপ্তা, দুই হপ্তা কোন হপ্তা পরেই আমার বই আসেনি।
মোটামুটি ১৪ তারিখ থেকে মেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত বিরাট উতকন্ঠা আর পেরেশানিতে দিন কাটিয়েছি আহমেদ জী এস ভাই ।
খুব লজ্জার ভিতর দিয়ে যাচ্ছি , দুঃখের কথা কি চিটাগাং থেকে আজকেও দুই ফেসবুক ফ্রেন্ড এসেছে আমার বইয়ের জন্য।
সহানুভুতির সাথে পাশে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ নিবেন জনাব আহমেদ জী এস ।

২০| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১১:০০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভুল-বোঝাবুঝি হোক বা যেটাই ঘটুক, দুজন সম্মানিত ব্লগারের মধ্যে এমন সম্পর্ক নিঃসন্দেহে অনভিপ্রেত। উভয়ের সম্মানের পক্ষে লজ্জাজনকভাবে বৈকি।

০৮ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:২৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পদাতিক দা, আমি আমার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেস্টা করেছি। আমি এমনও প্রস্তাব করেছি জে মেলার পরে হলেও আমাকে কিছু বই দেন। অন্তত আমার ইজ্জত বাছে। তাই মেলা সেশ হওয়ার পরেও আরো ৭ দিন অপেক্ষা করে আমি এই পোস্ট দিয়ে।

২১| ০৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১১:৩৩

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন: এটা বিজনেস স্ট্র্যাটেজি হতে পারে। আপনার বই মেলার স্টলের সাথে সাথে রকমারীতেও ভালো চলবে বলে হয়তো তিনি ধারণা করেছেন।

০৮ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ১১:১৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমার বই রকমারীতে ভাল চলবে এই বিশ্বাস আমারও আছে।
সেদিন ব্লগার সাহিদা তানিয়া রকমারিতে আমার বই চেয়ে পাননি। রকমারি ফিরতি মেসেজে জানিয়েছে বইগুলি রকমারি বা প্রকাশকের কাছে অবশিষ্ট নেই। অর্থাৎ রকমারিতে যা দেয়া হয়েছিল সব সেল হয়ে গেছে,তাঁরা প্রকাশকের কাছে তালাশ করেও পায়নি।
শুভ কামনা জানবেন শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan's Tuition)

২২| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ রাত ২:৫৮

জাহিদুল ইসলাম ২৭ বলেছেন: বাংলায় একটা প্রবাদ-প্রবচন আছে---"সাধু সাবধান!"আপনিও এখন থেকে সাবধান হয়ে যান।

০৮ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ১১:২৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমি নীল সাধু দাদাকে প্রবাদের 'সাধু' মনে করিনি।
ধন্যবাদ জাহিদুল ইসলাম ভাই।

২৩| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ৮:২১

খায়রুল আহসান বলেছেন: দুঃখ পেলাম আপনার এ নিদারুণ প্রতারণামূলক অভিজ্ঞতার কথা জেনে। ব্লগারমহলে এমনটি অবশ্যই প্রত্যাশিত নয়। তবে আপনাকে আশ্বস্ত করতে চাই এই বলে, যে আপনার শ্রম বৃথা যাবেনা। আগামীতে আবার কোন ভাল প্রকাশকের আনুকূল্য পেয়ে আপনার এ বই নিশ্চয়ই প্রকাশিত হবে, কারণ আপনি পাঠক সমাদৃত একজন লেখক।
সংশ্লিষ্ট প্রকাশকের নিকট হতে অন্ততঃ একটা কৈফিয়ত আপনার অবশ্যই প্রাপ্য ছিল, সেটা না আসাতে আপনার সাথে সাথে আপনার পাঠকগণও বোধকরি নিজেদেরকে বঞ্চিত মনে করবেন।
নিরন্তর শুভকামনা লেখক গিয়াস উদ্দিন লিটনের প্রতি....

০৮ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ১১:৪৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অন্যরা যাতে প্রতারিত না হয় এজন্য নিজের অভিজ্ঞতার শেয়ার করলাম।
আমার প্রতি আপনার উচ্ছ ধারনা ও আন্তরিক মন্তব্যে আপ্লুত হলাম। অনেক ধন্যবাদ জানবেন জনাব খায়রুল আহসান ।

২৪| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:২৬

নীল আকাশ বলেছেন: লিটন ভাই,
আপনার বই স্টলে না দেখে আমি বেশ অবাক হয়েছি। সাধারণত মেলায় খুব বেশি যাওয়া হয় না দুরত্বের জন্য। এবার ঠেকায় পরে তিনবার ছুটিরদিন গিয়েছিলাম। কোনবারই আপনাকে না দেখায় কিছুটা হতাশ হয়েছিলাম। আপনার এই বই খুব ভালো হতো প্রকাশ হলে।

আরেকটা বিষয়, আপনি মনে হয় জানেন না। এক রঙ্গা এক ঘূড়ি থেকে প্রকাশিতব্য একটা বই'তে (নাম এখানে বলতে চাইছি না) হুমায়ুন আহমেদের নাম, নায়ক, থীম এবং প্রচ্ছদ নিয়ে বেশ ঝামেলা হয়েছে। সম্ভবত আরেকটা প্রকাশনি এবং লেখক-স্ত্রীর পরিবার থেকে অবজেকশন এসেছে। খুব ভয়াবহ ঘটনা ঘটছে। এখনও এটা সলভ হয় নি। আপনার'টাও একই ঘটনা নাকি কে জানে?

নীল সাধু ভাই আশাকরি খুব সুন্দর করে ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। আমরা পুরো বিষয়টা উনার কাছ থেকে শুনি। নিশ্চয় উনারও পয়েন্ট অফ ভিউ আছে। উনি একজন সামুর ব্লগার, সামুর জন্য উনার যথেষ্ঠ সিম্প্যাথি আছে বলেই আমার মনে হয়েছে।

আপনার লেখাটা পড়ে আমার মন খারাপ হলো। ব্যক্তিগত ভাবে আপনাকে আমি শ্রদ্ধা করি একজন সিনিয়র ব্লগার হিসেবে।
ধন্যবাদ।

০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:৩৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আন্তরিকতা বশে আমার লিখার প্রতি অনেকেই উচ্চ ধারনা পোষণ করেন যদিও আমি সে মানের লেখক নই। আপনার মত তারাও আমার বই স্টলে না পেয়ে অবাক হয়েছেন। আপনি সহ তাঁদের সকলের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।
এক রঙ্গা এক ঘূড়ি থেকে প্রকাশিতব্য একটা বই'তে (নাম এখানে বলতে চাইছি না) হুমায়ুন আহমেদের নাম, নায়ক, থীম এবং প্রচ্ছদ নিয়ে বেশ ঝামেলা হয়েছে। সম্ভবত আরেকটা প্রকাশনি এবং লেখক-স্ত্রীর পরিবার থেকে অবজেকশন এসেছে। খুব ভয়াবহ ঘটনা ঘটছে। অবজেকশন এর ব্যাপারটি কতটুকু সঠিক আমি জানিনা। তবে হুমায়ুন আহমেদের ছবি সহ প্রচ্ছদ দিয়ে হুমায়ুন আহমেদ ,হিমু ও মিসির আলিকে নিয়ে প্রচুর বই মার্কেটে আছে। ১৯ বইমেলায় এরকম অন্তত ১০ টা বই আমি বইমেলাতেই দেখেছি।

২৫| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: প্রথম কাজগুলি সাবের স্যারের সাথে করায়, সকল প্রকাশক সম্পর্কেই আমার উচ্চ ধারনা তৈরি হয়েছিল নুর ভাই।
একজন অপরিচিত প্রকাশক হয়ে একজন অখ্যাত লেখকের প্রতি যে মমতা তিনি দেখিয়েছেন তার উনার জীবনে হাজার গুনে ফেরত আসুক এই কামনা রইল।
আপনার মন্তব্য পেয়ে প্রাণটা ভরে গেল নুর ভাই। অনেক ধন্যবাদ জানবেন।

সাবের ভাইকে আমি দীর্ঘদিন ধরে চিনি।
উনি কতটা হৃদয়বান এবং আধুনিক তা আমি জানি।

নীলসাধু ভাই কই? তিনি কিছু বলছেন না কেন??

০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:৪৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সাবের স্যারের মত একজন প্রকাশক আমার প্রথম বই বের করেছেন, আমি নিসসন্দেহে ভাগ্যবান।
সে সময় তিনি আমাকে বলেছিলেন- 'লিটন, এ বই আপনার শেষ বই নয়'। কথাটি এখনো আমার কানে বাজে।

২৬| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ১১:৪১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: এদেশে তারকা তৈরি হয়না তারকা পতন হয়।এর জন্য দায়ী কে? হুমায়ূন আহমেদ স্যার কোন মানের লেখক নয় এমন মতের লোকের এদেশে অভাব ছিলনা । প্রকাশকদের দায়বদ্ধতা থাকা উচিৎ। মডারেটরদেরও । বক্তিগত সম্পর্কের উর্দ্ধে ওঠে কাজ না করতে পারলে তা ভালো ফল বয়ে আনে না। আপনার মঙ্গল কামনা করি।

০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:৫৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সামুতে পথচলার প্রথম দিক থেকেই আপনার আন্তরিকতায় শিক্ত হচ্ছি।
অব্যাহত আন্তরিকতা ও পুনঃ মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ সেলিম ভাই।

২৭| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:০৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
দুঃখজনক। নীলদার উত্তর কামনা করছি।

০৮ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৩৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ জানবেন জনাব মোঃ মাইদুল সরকার ।

২৮| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:২৩

নীলসাধু বলেছেন: পোষ্ট দেখে আমি অবাক হলাম।
আমরা প্রকাশনী হিসেবে আমাদের বই যে কোন সময় ছাপাতে পারি। আপনিতো টাকা দিচ্ছেন না। ঠিক? তবে এই পোষ্ট দিয়ে প্রকাশক ও প্রকাশনীর সুনাম ক্ষুণ্ণ করলেন কেন?

০৮ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:২২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: টাকার কথা আসছে কেন নীল'দা। আমি কি পোস্টে কোথাও টাকা দিয়েছি বলেছি? বা আপনাকে কি টাকা দেয়ার কথা ছিল? প্রকাশনার খরচে ছাপাবেন বলে কি আপনি এনাউন্স করেন নি?
লেখকের সামাজিক মান মর্যাদার চেয়ে কি টাকাটাই আপনার কাছে বড় হল? প্রকাশকের কথা দিয়ে কথা না রাখা কি প্রকাশনীর সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য যথেষ্ট নয়? শুধু মাত্র প্রকাশক টাকা মেরে দিলেই লেখক পোস্ট দিতে পারবেন এরকম কি কোন অলিখিত বিধান আছে?
লেখক টাকা দেয়ার পরেও যদি আপনি টাকা বা বই কোনটাই লেখককে না দেন তবেই কি লেখক পোস্ট দিতে পারবে?

দাদা, আন্তরিক ভাবে বলছি আপনার সন্মান আমার কাছে অনেক উপরে। আমি পোস্টটা ফেসবুকে বা সামুর গ্রুপে দেইনি। ফেসবুক ফ্রেন্ড আর ব্লগার সম্পুর্ন আলাদা মেজাজের। উভয়ের জ্ঞান গাম্ভির্জের ব্যাপারটাও এক নয়। ফেস বুকে পোস্ট দিলে অনেকে এমন মন্তব্যও করে বসতে পারে যা আপনার সন্মানের পক্ষে হানিকর হবে।এ ধরনের কিছু আমার জন্যও সন্মানের নয়। এই ভেবে আমি ফেসবুক বা গ্রুপে পোস্ট না দিয়ে ব্লগে পোস্ট দিয়েছি। এখানে আমরা বেশির ভাগ সমমনা ব্লগার, যাদের অনেকেই আমার কাছে বই বের না হওয়ার বিশয়টা জানতে ছেয়েছেন।

২৯| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:২৫

নীলসাধু বলেছেন: কারো প্রশ্ন থাকলে করুন।
আমি মাত্রই পোষ্ট দেখলাম।

৩০| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:২৭

নীলসাধু বলেছেন: আমি বইটি নিয়ে সর্বশেষ জাদিদের সাথে আলাপ করেছিলাম। জাদিদ জানিয়েছিলো লিটন ভাইয়ের সাথে এ নিয়ে কথা হয়েছে তার। তার সাথে আলাপের পর আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যা লিটন ভাই জানেন। তারপরেও এই পোষ্ট - আমি বিস্মিত।

০৮ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:৩১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: দাদা, জাদিদ ভাইয়ের বিষয়টা পোস্টে এনে আমি উনাকে বিব্রত করতে চাইনি। জাদিদ ভাই আমাকে জানালেন শেষ সময়ে প্রিন্টাররা বেশি ডিমান্ড হাঁকছে। তাই দাদা তাদের থেকে সরে এসেছেন। জাদিদ ভাইয়ের সাথে আমার যা আলাপ হয়েছে উনি তা হুবহু নিচে কমেন্টে তুলে ধরেছেন।
আমার প্রশ্ন- সকলের আগে (প্রায় ১০ মাস) পান্ডুলিপি দেয়ার পরেও আমার বই বেশি ডিমাড করা ইলেভেন্থ আওারে প্রেসে গেল কেন? কথাতো ছিল মেলার প্রথম দিন থেকেই বই তিনটা স্টলে থাকবে। এই 'কথা থাকা'টা যদি কথার কথা হয় তাহলে আমার বলার কিছু নাই।

৩১| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৩৫

নীলসাধু বলেছেন: এবার আমাদের নিজ অর্থায়নে প্রকাশিতব্য ৬টি বইয়ের কাজ শেষ করতে পারিনি। সংশ্লিষ্ট লেখকদের কাছে মার্জনা চাইছি। এখানে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আশা করছি সুবিধাজনক সময়ে সেই বইগুলো আমরা দ্রুতই প্রকাশে সামর্থ্য হবো। আমরা মনে করি চেষ্টা, একাগ্রতা, আন্তরিকতা থাকলে কোন কাজেই আটকে যাবার সম্ভাবনা থাকে না। তবু যা হয়েছে তাতে আমাদের সীমাবদ্ধতা ছিল সেটা বুঝতে পেরেছি - আগামীতে এসব কাটিয়ে উঠে আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারবো এই বিশ্বাস আস্থা আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছি।


আমরা এই নোটিশ দিয়েছি ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখে।
লিটন ভাই মনে হয় দেখেননি।

০৯ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:০৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: দেখিনি, দেখলেও যেখানে প্রতিনয়ত প্রকাশকের সাথে আমার যোগাযোগ হচ্ছে এবং ২২ তারিখ পর্যন্ত আস্বস্ত হয়ে যাচ্ছি সেখানে গনবিজ্ঞপ্তি মারফত আমাকে জানতে হবে এরকম ধারনা ছিল না।

৩২| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৪০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বিব্রতকর পরিস্থিতিতে নিজেকে সামলে নিন ।
এটাই জীবন চলার অভিজ্ঞতা,

...................................................................
সঠিক পথটি বেছে নিন যেন
পরবর্তী সময়ে প্রকাশনা ঠিক সময়ে প্রকাশ পায় ।

০৮ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জানবেন স্বপ্নের শঙ্খচিল ।

৩৩| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৪৪

নীলসাধু বলেছেন: আপনি পোষ্ট দেয়ায় অনেকেই অনেক মন্তব্য করেছে দেখলাম। জানা থাক্লো। জানার শেষ নেই। তবে আমাদের সমস্যা নেই কোন। আমি কি করছি না করছি আমার আশেপাশের এবং এই ব্লগের অনেকেই জানেন এবং যুক্ত আছেন। আমরা চাইলেও অনেক কাজ সময় মতন করতে পারি না। কারণ কাজগুলো করছি আমরা। আমাদের সামর্থ্য না থাকলে তা করতে পারি না। তবে চেষ্টা থাকে। থাকে বলেই বহু কাজে ব্লগারদের সম্পৃক্ত করি।
আপনার বইটি সহ আর ও ৫টি বই আমরা প্রিন্ট করতে পারিনি। এই ব্লগের কানিজ ফাতেমা ও হামিদ আহসান এর বই আছে সেখানে। আছে কবির ভাইয়ের বই। কিন্তু তারা কেউ আলাদা করে পোষ্ট দেয়নি। আপনি দিয়েছেন। অথচ আপনার বইটি নিয়ে আমি সবচেয়ে আগ্রহী ছিলাম। আপনি নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছেন বই প্রকাশে আপনার আগ্রহের বিষয়টি এসেছে। আমি চেষ্টা করেছিলাম মেলায় আপনার বইটি যেন প্রকাশ হয়। সেটা হয়নি কিন্তু আমরা যথাযথ ভাবে জানিয়েছি। ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখে ফেসবুকে এই নিয়ে আমাদের পোষ্ট আছে। তা আপনি হয়তো খেয়াল করেননি। এই পোষ্ট দিয়ে আমাদের সুন্মা ক্ষুন্ন করা ছাড়া আর কি লাভ হল জানাবেন।

ভালো থাকুন।

০৮ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনি পোষ্ট দেয়ায় অনেকেই অনেক মন্তব্য করেছে দেখলাম। জানা থাক্লো।
এট ভিন্নার্থ প্রকাশ করে। এরশাদ সাহেব একবার দিনকাল সম্পাদককে উনার নিজের প্যাডে লিখেছিল- দিনকাল আমার বিরুদ্ধে ভালই লিখছে, ব্যাপারটা জানা থাকল।
সত্য প্রকাশে যদি কারো সুনাম ক্ষুন্ন হয় সেখানে সত্য প্রকাশকারীর দোষ কতটুকু? হলফ করে বলতে পারি আমি পোস্টে কোন প্রকার মিথ্যাচার করিনি।
কেবল শুভাকাংখি সহব্লগারদের বিস্তারিত জানাতেই এই পোস্টের অবতারনা।

৩৪| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৪৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: নীলসাধুদা বলছেন @ আশা করছি সুবিধাজনক সময়ে সেই বইগুলো আমরা দ্রুতই প্রকাশে সামর্থ্য হবো।
...............................................................................................................................................
২১ শে বই মেলায় প্রকাশ আর সুবিধাজনক সময়ে প্রকাশ এক কথা নয় ।
আমরা সবাই সামুর একই পরিবারের সদস্য তাই, সুন্দর ভাবে
বিষয়টির সমাধান হোক তাই কাম্য ।

০৮ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ২১ শে বই মেলায় প্রকাশ আর সুবিধাজনক সময়ে প্রকাশ এক কথা নয় । জথার্থ বলেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল । 'সুবিধাজনক সময়' কথাটা অনির্দিস্টকাল নির্দেশ করে। সেটা ২,৫,১০দিন বা ১০ বছরও হতে পারে।

৩৫| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৫৬

নীলসাধু বলেছেন: আপনার ভীষণ এই মানবিক পোষ্টের জন্য ভালোবাসা রইলো।

ভালো থাকবেন।

০৯ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:৫৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কারো সাথে আমার ঘটনার পুররাবৃত্তি না ঘটলে আপনিও ভাল থাকুন ।

৩৬| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: নীলসাধু ভাইজান-
বই যথাসময়ে ছাপাতে না পেরে আপনার যেমন মন খারাপ হয়েছে তার চেয়ে হাজার গুন বেশি মন খারাপ হয়েছে লিটন ভাইয়ের।

০৮ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সঠিক বলেছেন রাজীব নুর ভাই।

৩৭| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:৩৭

তারেক ফাহিম বলেছেন:

আমি মেলায় না গেলেও বড় ভাইয়ের মাধ্যমে এ বইয়ের খোঁজ নিলাম।

লেখক এবং প্রকাশক উভয়ের জন্য সহমর্মিতা জানাচ্ছি।

০৮ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমার বইটি আপনার আগ্রহ সৃষ্টি করেছে জেনে আনন্দিত। ধন্যবাদ নিন তারেক ফাহিম ।

৩৮| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:৪২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: সামগ্রিক বিষয়টি দুঃখজনক। আমি মনে করি, আমাদের সকলের পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির আরো সুযোগ আছে। কিছু বিষয়ে ব্যক্তিগত কথা চালাচালি বা এই জাতীয় রেফারেন্স প্রদান কোন সমস্যার দায়মুক্তি প্রদানে নিশ্চয়তা প্রদান করে না।

এই বিষয়টি প্রথমে আমার নজরে আনেন লিটন ভাই। তিনি জানান, যে কোন কারনেই হোক তিনি নীলদার সাথে যোগাযোগ করতে পারছেন না। ভাইয়া প্রচন্ড ব্যস্ত থাকার কারনে হয়ত ফেসবুকে সব সময় পাওয়া সম্ভব নয়। এই ক্ষেত্রে আমি নীল দার সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাই। তিনি জানান, বইটি সম্পাদনা করা শেষ, ডিজাইনও চুড়ান্ত। কিন্তু প্রিন্টারর্স থেকে স্বাভাবিক মুল্যের চাইতে প্রায় দ্বিগুন মুল্য চাওয়ায় তিনি সেখান থেকে রাগ করে সরে আসেন। পরবর্তীতে আমি প্রস্তাব দেই, তাহলে কি অন্য কোন প্রিন্টারের সাথে আমি কথা বলে দেখব কি না?

এই প্রেক্ষিতে নীল দা জানালেন, বই মেলার শেষে হলে তিনি চেষ্টা করতে পারেন, কিছু কপি বই প্রদান করার জন্য।
অন্য দিকে লিটন ভাই জানালেন, মার্চের ৪/৫ তারিখের মধ্যে হাতে পেলেই হবে।

আমি নীল সাধু ভাইয়ের ফোন নাম্বার লিটন ভাইকে জানিয়ে বলি - আপনারা নিজেরা কথা বলে সব ফাইনাল করে নেন।
এটাই আমার পক্ষ থেকে শেষ যোগাযোগ। পরবর্তীতে লিটন ভাই ও নীল দায়ের মধ্যে কথা হয়েছিলো কি না তা আমার সঠিক জানা নেই।

আমার পরামর্শ হলো, প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিকে বই প্রকাশ করার সময় একটি বৈধ চুক্তি সম্পাদন করা। এতে পরবর্তীতে সকলের জন্য সুবিধা হয়। যদি কেউ কোন কাজ সঠিক ভাবে করতে না পারেন, তাহলে সেই ক্ষেত্রে দুইপক্ষ মিলে একটি সমাধানে আসাই উত্তম।

০৮ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: এই প্রেক্ষিতে নীল দা জানালেন, বই মেলার শেষে হলে তিনি চেষ্টা করতে পারেন, কিছু কপি বই প্রদান করার জন্য।
অন্য দিকে লিটন ভাই জানালেন, মার্চের ৪/৫ তারিখের মধ্যে হাতে পেলেই হবে।
আমি আরো বলেছিলাম ৫০ কপি বই আমি টাকা দিয়ে নিয়ে আসবো, চাইলে এডভান্স করতেও আমার আপত্তি নেই।
৪/৫ তারিখের বদলে আমি ৭ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করে তবেই এই পোস্ট দিয়েছি।
আপনার পরামর্শটি বাস্তবায়ন লিখকদের জন্য কিছুটা কঠিন, এ ব্যাপারে প্রকাশকগনের আন্তরিক হওয়া দরকার।

৩৯| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৩:০৩

জাহিদ হাসান বলেছেন: :( :( :(( :(( :((

০৮ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ জাহিদ হাসান ।

৪০| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৩৬

নীল আকাশ বলেছেন: @ কাল্পনিক_ভালোবাসা'কে অসংখ্য ধন্যবাদ পুরো বিষয়টাকে খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে বলার জন্য, যেটা খুব দরকার ছিল।
শুভ কামনা রইলো।

০৯ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কাল্পনিক_ভালোবাসা' ভাইকে ও আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৪১| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


@নীলসাধু,

আপনার বইটা (বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জাপান যাবার ১০৩ বছর পর কবি নীলসাধু পৌঁছালেন! ) কি প্রকাশিত হয়েছে?

০৯ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: গাজী সাহেব, বইটা প্রকাশিত হয়েছে বলে জেনেছি।

৪২| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৬

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
নীল দা ও জাদিদ ভাইয়ের কথা থেকে বোঝা গেলো লিটন ভাইয়ের সাথে
এক রঙ্গা এক ঘুড়ির সুতা কেটে যায়নি। তারা সূতার এপাশ আর ওপাশে
ছিলেন। সকল বিষয়ে উভয়ে অবগত ছিলেন। যা হোক বাস্তবতা আর কল্পনা
সব সময় সমন্বয় করা সম্ভব না। তাবে আন্তরিকতার ঘাটতি হলে মনোকষ্টের
কারণ হয়ে দাড়ায়। আমার মনে হয় নীল দার আন্তরিকতার অভাব আগেও
ছিলনা, এখনও নাই। তবে আপানার কষ্টও বুঝতে পেরেছি। আশাহত তবেন না
আগামীতে সব ভুল বোঝাবুঝির অবশান হব্। আপনার আশা পূরণ না হওয়া ও
নীল দার কথা না রাখতে পারার জন্য আপনাদের উভয়কে সমবেদনা জানাচ্ছি।

০৯ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: 'সুতা কেটে যায়নি' ধারনা পেতে ৪৭ নং মন্তব্য দেখতে পারেন।

৪৩| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:০৮

নীলসাধু বলেছেন: চাঁদগাজী কি খবর আপনার?
আমার বই নিয়ে বিরাট উত্তেজনায় আছেন মনে হচ্ছে। বয়স হয়েছে। এতে শারিরীক সমস্যা হতে পারে। শান্ত থাকুন।
ধন্যবাদ।

০৯ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সম্ভবত উনি এক কপি কিনতে চাইছেন।

৪৪| ০৮ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:১৫

নীলসাধু বলেছেন: কথা দিয়েছিলাম বই প্রকাশে তার পাশে থাকবো। সে কথা রাখতে পারিনি তার জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি। এতে ব্লগার লিটন ভাই মনে কষ্ট পেয়েছেন। আমরাও এতে সমব্যাথী। তার মান সম্মান শেষ। বিপরীতে তিনি আমাদের মান সম্মান বাড়াতে চেষ্টা করেছেন তার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা জানাই। কষ্ট পেয়ে বিষয়টি রাষ্ট্র করে তিনি শান্তি পেয়েছেন আমরাও এতে আনন্দিত। সকলে ভালো থাকুন।
ধন্যবাদ।



অফ টপিক উপরে নৃ মাসুদ রানা নামের পাগলের মন্তব্যের প্রতি ব্লগ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আশা করছি ব্লগ কর্তৃপক্ষ এমন অসত্য অশালীন কদর্য মন্তব্যের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ।

০৯ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কোন ব্লগারের নাম ধরে ব্যাক্তিগতভাবে আক্রমন করে তাকে পাগল সম্বোধন করাও ব্লগিয় নীতিমালা পরিপন্থী হওয়ার কথা।

৪৫| ০৯ ই মার্চ, ২০২০ ভোর ৪:৩৭

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: চাঁদগাজী,
" রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জাপান ভ্রমণের শতবর্ষ পর নীলসাধু পৌঁছলেন" এমন একটা বই রকমারিতে দেখেছি।

০৯ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: চাঁদগাজী ভাই বইটির জন্য অধীর হয়ে আছেন।

৪৬| ০৯ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:১০

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আমার বেলায়ও এবার তাই ঘটেছে। অপেক্ষা কী জিনিস তা বুঝেছি এবার হাড়ে হাড়ে। মনটাই দুর্বল ছিলো পুরো মাস। অপেক্ষা করে করে শেষ পর্যন্ত বইমেলা যাই ২৮ তারিখ তাও বড় ছেলের জন্য গিয়েছিলাম। কত ম্যাসেজ দিয়েছি উত্তর পাইনি। অবশ্য আমার বইটা মেলার পরে প্রকাশিত হয়েছে। আমার প্রকাশক উনি দু;খ প্রকাশ করেছেন। আসলেই প্রকাশকদের ব্যস্ততা কতটুকু তা আমরা বুঝতে পারি অনুধাবন করতে পারি। একা হাতে সব সামলানো অনেক কঠিন ব্যাপার। বুঝি তো কষ্ট কিন্তু মন তো আবেগী। বইমেলাতে বই বের হলে সবাই কিনে এবং পড়ে। পরবর্তীতে কেউ কিনতে চায় না। আমার বইখানা এখনো হাতে পাইনি।

ব্যস্ততা বেড়েছে খুব নিজের বইয়ের খবরও নিতে পারিনি ঠিক মত। গত মাসে আমার বড় ছেলের পরীক্ষা ছিলো ।

প্রকাশকদের প্রতি অনুরোধ লেখকদের মনে এভাবে কষ্ট না দেওয়ার জন্য। অবশ্যই বলে দিতে পারেন অক্ষমতা এবং সরাসরি। তাতে দু:খ হলেও মেনে নেয়া যায়। আশা করি নীল দাও এমন করবেন না আগামীতে । কথা দিয়ে কথা রাখতে হয় অবশ্যই । না রাখতে পারলেও অকপটে কেন প্রকাশ হবে না তার কারণ সহ বলে দেয়া উচিত বলে মনে করি। আপনার বই ইনশাআল্লাহ ভালো চলবে। আল্লাহ ভরসা। কষ্ট মনে রাখবেন না ভাইয়া।

০৯ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ছবি, আপনি আমার চেয়ে ভাগ্যবান। আপনার বই মেলার পরে হলেও প্রকাশিত হয়েছে। অন্য সোর্স থেকে জেনেছি প্রকাশক আপনার কাছে এ জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন।
'চোরের কিল খাওয়া' বলে একটা প্রবাদ আছে। আমার হয়েছে সেই দশা !!

৪৭| ০৯ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:৫৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: নীল'দা, পরমত সহিষ্ণুতা,ধৈর্য, আন্তরিকতা ও পেশারিত্বের পরিচয় তুলে ধরেছেন।
তিনি ঘোষণা দিয়ে আমাকে ফেসবুকে আনফ্রেন্ড করেছেন ! =p~

৪৮| ০৯ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৩৬

নীলসাধু বলেছেন: ভাই আপনাকে আনফ্রেন্ড করেছি। তার আগে আমার অবস্থান জানিয়েছি। আপনি কি আশা করেন এর পরেও আপনাকে আমি বুকে জড়িয়ে ধরবো? এতো উদার হইনি -
আপ্নারা চালিয়ে যান। আমরা আছি। দেখা যাক আগামীতে আবার কোথায় কিভাবে দেখা হয়। নীলসাধু পিছিয়ে থাকার দলের মানুষ নয়। সামনেই দেখা হবে :)

ভালো থাকুন।

০৯ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: এতো উদার হইনি - আপনি যে সেটা নন এতক্ষনে পাঠকদের সাথে সাথে আমিও বুঝে গেছি।
এবার দেখি ফেসবুকের পাঠকরা কি বলেন !
যে সব কর্মের জন্য আগে মানুষ লজ্জায় পিছিয়ে থাকতো এখন সেই চল নেই।
ব্লগডে,বইমেলা,ব্লগ যখন দুজনেরই বিচরন ক্ষেত্র তখন দেখা অবশ্যই হবে ইনশাআল্লাহ।

৪৯| ০৯ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৪০

নীলসাধু বলেছেন: তিনি ঘোষণা দিয়ে আমাকে ফেসবুকে আনফ্রেন্ড করেছেন !
হা হা হা - ভাইরে নিজেকে বড় ভাবা ভালো।
আমি আপনাকে আনফ্রেন্ড করার ঘোষণা দিতে যাবো কেন? আপনি কে? বার্তায় জানিয়েছি যেহেতু আপনি দাবী করেন আমার মান সম্মান নিয়ে বহু ভাবেন তাই আনফ্রেন্ড করলে আবার পোষ্ট দিয়ে বসতে পারেন। আপনরা আমনে কষ্ট পেলে কত কি করেন।
তাই বার্তায় জানিয়ে ভদ্রভাবে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি। নাকি তাতেও সমস্যা?
জ্বালা দেখি!

০৯ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: বার্তা দিয়ে কেউ কাউকে আনফ্রেন্ড করে এটা জানা ছিলনা।
তবে আমার নিউজফিড খুব হালকা হালকা লাগছে !
ফেজবুক ইউজারগন কিছু ফেসবুক ফ্রেন্ডকে জঞ্জাল বলে মনে করে। এরা নিজ থেকে সরে গেলে পুলক বোধ হয়।
আমি অবশ্য আপনাকে কখনো সেরকম মনে করিনি।

৫০| ০৯ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আশা করছি নৃ মাসুদ রানার অভিযোগের বিপক্ষে সাক্ষ্য প্রমান পেয়ে(?) কতৃপক্ষ ৩৯/৪০ নম্বর কমেন্ট মুছে দিয়েছেন।

৫১| ০৯ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:০০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: নৃ মাসুদ রানা ভাই, আপনার পোস্টের রিপ্লাই দিতে পারিনি।
আপনার অভিযোগ ভয়ংকর ! সত্য মিথ্যা জানতে হবে।
আপনার কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে আমি ব্লগ ও ফেসবুকে আলাদা পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা রাখছি।

১০ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনি আমার সাথে যোগাযোগ করুন।

৫২| ০৯ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:২৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আজ মনে হচ্ছে সত্যিই একটা কালো দিন।
ব্লগ এবং ব্লগার নিয়ে যে গর্ব অনুভব করেছি তাতে যেন কালিমা লেগে গেল!

নীল দাকে জানি একজন ব্লগার হিসেবেই। ব্লগ ডেতে দুইবার সাক্ষাত্ও হয়েছে। আন্তরিকতায় মাখামাখি সবাই সবার সাথে।
সব সময় অনুভব করেছি ব্লগ যেন এক পরিবার। এবং ব্লগারগণ সেই পরিবারেরই সদস্য।

নীল দার সামাজিক কাজের জন্য ফেসবুকে সবসময়ই উনার পেইজে লাইক দিয়ে যাই নিরবে।
ভাল সামাজিক উদ্যোগ এবং তার সাথে প্রকাশনার দারুন সমন্বয় এবং প্রকাশনার লভ্যাংশ এনজিওতে ব্যায় হয় জেনে শ্রদ্ধা আরো বেড়েছে।

কিন্তু লিটন দার ঘটনাটায় মর্মাহত হয়েছি খুব।
যদিও বিষয়টা নিয়ে নিলদার সাথে কথা বলার সুযোগ হয়নি- এখন উনার ব্যাখা আর লিটনদার বক্তব্য তুলনামুলক করলে পুরো বিষয়টা ক্লিয়ার হয় বৈকি।

বিষয়-১
- উনি পান্ডুলিপি নিয়েছেন- ১০ মাস আগে। টার্গেট বইমেলা।
- উনার বইয়ের প্রচ্ছদ হয়ে গেছে বহু আগে যা নিয়ে নিয়মিত ফেসবুকে এবং ব্লগেও পোষ্ট এসেছে।
- একজন লেখকের স্বপ্ন থাকে সন্তানের মতো বইটা কখন হাতে পাবে।
- লেখক, পাঠক এবং শুভ্যানুধ্যায়ীদের প্রত্যাশা থাকে বইটি সংগ্রহের । কবে আসবে প্রশ্ন বাণে জর্জরিত হতে হয় লেখকে।
- সবশেষে যখন বই না আসে তখন তা রীতিমতো চপেটাঘাতের চেয়ে বেশি অবমাননাকর। কষ্টের। লজ্জ্বার।

বিষয়-২
- প্রকাশক চেয়েছেন বইটি প্রকাশ করতে।
- প্রচ্ছদ করেছেন, বিজ্ঞাপন দিয়েছেন, প্রচার করে বইয়ের চাহিদা বাড়িয়েছেন
- মেলার শেষদিন পর্যন্ত বইটি মেলায় আসেনি।
- প্রকাশক কথা রাখেন নি, রাখতে পারেন নি।

বিষয়-৩
- প্রকাশক ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবার আমাদের নিজ অর্থায়নে প্রকাশিতব্য ৬টি বইয়ের কাজ শেষ করতে পারিনি। সংশ্লিষ্ট লেখকদের কাছে মার্জনা চাইছি। এখানে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আশা করছি সুবিধাজনক সময়ে সেই বইগুলো আমরা দ্রুতই প্রকাশে সামর্থ্য হবো। দু:খ প্রকাশ করেছন।

- আমরা প্রকাশনী হিসেবে আমাদের বই যে কোন সময় ছাপাতে পারি। আপনিতো টাকা দিচ্ছেন না। ঠিক? তবে এই পোষ্ট দিয়ে প্রকাশক ও প্রকাশনীর সুনাম ক্ষুণ্ণ করলেন কেন?

- আমি চেষ্টা করেছিলাম মেলায় আপনার বইটি যেন প্রকাশ হয়। সেটা হয়নি কিন্তু আমরা যথাযথ ভাবে জানিয়েছি। ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখে ফেসবুকে এই নিয়ে আমাদের পোষ্ট আছে। তা আপনি হয়তো খেয়াল করেননি।

বিষয়-৪
-২১ শে বই মেলায় প্রকাশ আর সুবিধাজনক সময়ে প্রকাশ এক কথা নয় । 'সুবিধাজনক সময়' কথাটা অনির্দিস্টকাল নির্দেশ করে। সেটা ২,৫,১০দিন বা ১০ বছরও হতে পারে।
- টাকার কথা আসছে কেন নীল'দা। আমি কি পোস্টে কোথাও টাকা দিয়েছি বলেছি? বা আপনাকে কি টাকা দেয়ার কথা ছিল? প্রকাশনার খরচে ছাপাবেন বলে কি আপনি এনাউন্স করেন নি?
- জাদিদ ভাই আমাকে জানালেন শেষ সময়ে প্রিন্টাররা বেশি ডিমান্ড হাঁকছে। তাই দাদা তাদের থেকে সরে এসেছেন।
আমার প্রশ্ন- সকলের আগে (প্রায় ১০ মাস) পান্ডুলিপি দেয়ার পরেও আমার বই বেশি ডিমাড করা ইলেভেন্থ আওারে প্রেসে গেল কেন? কথাতো ছিল মেলার প্রথম দিন থেকেই বই তিনটা স্টলে থাকবে
-নীল দা জানালেন, বই মেলার শেষে হলে তিনি চেষ্টা করতে পারেন, কিছু কপি বই প্রদান করার জন্য। অন্য দিকে লিটন ভাই জানালেন, মার্চের ৪/৫ তারিখের মধ্যে হাতে পেলেই হবে।
- আমি আরো বলেছিলাম ৫০ কপি বই আমি টাকা দিয়ে নিয়ে আসবো, চাইলে এডভান্স করতেও আমার আপত্তি নেই।

বিষয় -৫
- অনেকেই অনেক মন্তব্য করেছে দেখলাম। জানা থাক্লো।
- চাঁদগাজী কি খবর আপনার?
আমার বই নিয়ে বিরাট উত্তেজনায় আছেন মনে হচ্ছে। বয়স হয়েছে। এতে শারিরীক সমস্যা হতে পারে। শান্ত থাকুন।
- আপ্নারা চালিয়ে যান। আমরা আছি। দেখা যাক আগামীতে আবার কোথায় কিভাবে দেখা হয়।

বিষয়টা সরল করলে দাড়ায় টাকা নিয়ে প্রকাশিত বইয়ের প্রতি সময় দিতে গিয়ে নিজস্ব প্রকাশনা পিছিয়ে পড়েছে। এবং কথা দিয়ে কথা রাখতে পারেন নি। ফেসবুকে নোটিশ দিয়ে যার ক্ষতিপূরণ হয় না। আবার আলোচনার মাঝখানে টাকার প্রসংগ আসায় বোঝা গেল টাকা দিলে হয়তো সময়মতো প্রকাশিত হতো!!!
শেষ বেলাতে লেখক টাকা দিয়েই ৫০ কপি নিতে চাইলেও তা পাননি।

প্রফেশনাল লোকদের অজুহাত দিতে হয় না। দেয় না। কমিটমেন্ট করার আগেই ভেবে নিতে হয় দূর ভবিষ্য।
এনজিওর প্রয়োজনেই ধরে নিলাম টাকা নিয়ে প্রকাশীত বই গুলো প্রথম তালিকায় ছিল, সেই ক্ষেত্রে ১০ মাস কিন্তু দীর্ঘ সময়।

এদিকে দেখি আবার আমরাও সম্মানীত প্রকাশকের শ্লেষের আওতায় পড়ে গেলাম! জানা থাক্লো বলে বলায় ;)
যাই হোক।
নীল দা প্রকাশক হিসেবে কমিটমেন্ট রাখতে পারেন নি। অজুহাত দুর্বলের অস্ত্র। আশা করি তিনি অতটা দুর্বল নন।
নিজের ব্যার্থতা স্বীকারেই নাকি মহত্ত।
লেখক তার আকুলতায় তার স্বপ্নের জন্য সূদীর্ঘ অপেক্ষার পর কষ্ট না পাওয়াটাই অস্বাভাবিক।
তাঁর পাঠক, স্বজন, বন্ধু, শুভ্যানুধ্যায়ীরা বই খুঁজে খুঁজে ফিরে গেছে- বিষয়টা চরম বিব্রতকর।
মেলার পরো অপেক্ষা এবং নগদ মূল্যে অগ্রিম মূল্যে বই কিনে নেয়ার আগ্রহ প্রতিশ্রুতি তার আন্তরিকতার পরিচায়ক।

বাকীটা যার যার অনুভব দিয়ে বুঝে নিতে হবে। সত্য একটাই হয়।
ব্যাক্তিগত রেষারেষি বা অহমের স্থান ব্লগ নয়। ব্লগের পারষ্পারিক সহমর্মিতা, আন্তরিকতা অনন্য মাত্রার।
তাই আমরা টুকি টাকি খুঁচাখুঁচির পরো সবাই সবাইকে বুকে জড়িয়ে ধরি দেখা হলে।

লিটন ভায়ার শিক্ষা হলো যথেষ্ট খেসারত দিয়ে। নীল দারও শিক্ষা হলো প্রতিশ্রুতি রাখতে না পারার যাতনা দিয়ে।
সকলেই নিজ নিজ শিক্ষায় ভবিষ্যতে যার যার পথে চলুন সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতার জ্ঞানে। আনফ্রেন্ড করার মতো ছেলমানুষির বয়স বোধকরি আমাদের কারোরই নাই। সাধুদের হতে হয়, সাধারনের চেয়ে অনেক বেশী উদার! অনেক বেশী ধৈর্যশিল। নইলে যে সাধু নামের মান থাকে না। আশা করি নামের যথার্ত বিচার করবেন নামের কলংক না লাগিয়ে ;)

এই পোষ্টেই শেষ হয়ে যাক সকল মান-অভিমান, কষ্ট, মন খারাপের অনুভব।
লেখক প্রকাশক সকলেই চুক্তির মধ্য দিয়ে কাজ করুন। উভয়ের জন্য মঙ্গল।




১০ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:০৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু ভাই, আপনি আমার মর্মবেদনাটা অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করেছেন এজন্য আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।
অভিযুক্ত পক্ষ থেকে এর ছিটেফোঁটা পেলেও আমার এ নিয়ে আর সামনে আগানোর চিন্তা ভাবনা ছিলনা।
আপনি পোস্ট ও পক্ষ বিপক্ষের মন্তব্যের সারমর্ম অনেক সময় ও শ্রম দিয়ে এক মন্তব্যে অত্যান্ত সুচারু ভাবে তুলে এনেছেন।
মেধা ও প্রজ্ঞাবান একজন বিদ্রোহী ভৃগুর প্রতি আমার শ্রদ্ধা অনেক বেড়ে গেল।

৫৩| ১০ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ৮:২৩

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: পোস্ট খানি পড়িলাম। সেই সাথে মন্তব্য গুলো গভীর মনোযোগ সহকারে পাঠ করিয়া ৫২ নং মন্তব্যে আসিয়া দীর্ঘ সময় ব্যায় করিয়া খুশি হইলাম এই ভাবিয়া যে এইবারের বই মেলা শুরু হওয়ার পূর্বেই আমি ঢাকা ত্যাগ করিয়া সঠিক করিয়াছি।

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:

আনফ্রেন্ড করার মতো ছেলমানুষির বয়স বোধকরি আমাদের কারোরই নাই। সাধুদের হতে হয়, সাধারনের চেয়ে অনেক বেশী উদার! অনেক বেশী ধৈর্যশিল। নইলে যে সাধু নামের মান থাকে না। আশা করি নামের যথার্ত বিচার করবেন নামের কলংক না লাগিয়ে

তাহার এই কথায় সহমত রইল ।

১০ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:১১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ক্লেশ স্বিকার করে আপনি মন্তব্য সহযোগে পোস্টটি পড়েছেন জেনে আনন্দিত।
আসলে আপনাদের মত শুভাকাঙ্ক্ষীদের অবহিতকরনার্থেই এই পোস্ট দিয়েছিলাম।
অনেক ধন্যবাদ জানবেন বুবু।

৫৪| ১০ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:৩৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: নীল সাধু এবং তার প্রকাশনী নিয়ে এই বইমেলায় এ পর্যন্ত তিনটি অভিযোগ শুনলাম। নৃ মাসুদ রানা নামে একজন ফেসবুকে পস্ট দিয়েছিলো, তাকে দেখি উলটা ধমকাধমকি করতেছে! এ কেমন সাধু?

১০ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৩৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: হাসান মাহবুব ভাই, আমার কাছে আরো তিনজন নানা অভিযোগ করেছেন । ব্লগ ডেতে একজন পাব্লিশ অথর যখন জানলেন, আমি বইটা এক রঙ্গা এক ঘুড়িকে প্রকাশ করতে দিয়েছি। শুনেই তিনি বললেন- সর্বনাশ ! কার পাল্লায় পড়েছেন টের পাবেন।
আসলে সেদিন থেকেই আমি কিছুটা টেনশন বোধ করছিলাম।
মন্তব্যগুলি পড়লে নিশ্চয় ধরতে পেরেছেন, এখানেও তিনি প্রচ্ছন্ন ভাবে কম ধমকাধমকি করেন নি।
অনুমতি সাপেক্ষে নৃর বিষয়টা নিয়ে আমি আরেকটা পোস্ট দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
ধন্যবাদ জানবেন হাসান মাহবুব ভাই।

৫৫| ১০ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: সত্য একটাই হয় (৫২ নং মন্তব্য)- এটাই ধ্রুব সত্য।
এই পোস্টে আলোচ্য এবং আলোচিত বিষয়গুলোর সারাংশ এবং কিছুটা ব্যাখ্যা মাত্র একটি মন্তব্যে (৫২ নং) তুলে আনার জন্য বিদ্রোহী ভৃগু কে অশেষ ধন্যবাদ।
এখানে লেখক এবং প্রকাশক, উভয়েই এই ব্লগের পুরনো ব্লগার এবং উভয়েই আমাদের প্রিয়। প্রকাশকের ব্লগিং বয়স ১১ বছরেরও বেশী, লেখকের প্রায় নয় বছর। উভয়ের রচনাবলী এ ব্লগকে সমৃদ্ধ করেছে। যে কারণেই তাদের মধ্যকার সম্পর্ক এমন অপ্রীতিমূলক পর্যায়ে গড়াক না কেন, তাদের উভয়কে এর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে, কেননা এতে ব্লগের সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
তবে তারপরেও, নিরপেক্ষ বিবেচনায় না বলে পারছিনা যে এখানে লেখককে যে অসামান্য বিব্রতকর অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়েছে, তা মোটেও তার প্রাপ্য ছিল না। ১০ মাস আগে পান্ডুলিপি গ্রহণ করেও, এবং প্রচ্ছদ ইত্যাদি চূড়ান্ত করে প্রকাশনীর খরচে বইটি অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশ করা হবে এমন ঘোষণা দিয়েও, তা যখন করা যাবেনা বলে বুঝা গেল, তখন লেখককে এ সম্পর্কে আরো আগেই জানানো সমীচীন ছিল। ২৫ ফেব্রুয়ারী সেটা জানানোর সঠিক সময় মোটেই নয়। ততদিনে তো লেখক হিসেবে তার মান সম্মানে যে আঘাত আসার তা এসেই গিয়েছিল। আর টাকার খোটাটাও পরে মন্তব্যে এসে না দিলে ভাল হতো, এতে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেয়া হয়েছে। টাকা না দিলে বই প্রকাশে অগ্রগণ্যতা খোয়া যাবে, কিংবা বই প্রকাশ করা না গেলে এ নিয়ে কথা বলা যাবেনা, এটাই যদি বক্তব্য হয়ে থাকে তবে তা আগে ভাগেই ক্লীয়ার করে নিলে ভাল হতো। ১০ মাস তো কম সময় নয়। সদিচ্ছা থাকলে এমন পরিস্থিতির উদ্ভব হতো না বলে মনে করি।
যাই হোক, আশাকরি প্রকাশক তার ভুলটুকু বুঝতে পারবেন, এবং তা যদি তিনি পারেন, তবে লেখকও যথেষ্ট বিচক্ষণতার সাথে বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখে ব্লগীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে উদার ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।

১০ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: জনাব, খায়রুল আহসান ভাই,বইটি প্রকাশের ব্যাপারে আমার পক্ষ থেকে আমি চেস্টার কোন ত্রুটি করিনি। শেষ দিকে এডভান্স পে করতে চেয়েও প্রকাশকের সাড়া পাইনি।
সেই সময়ে জাদিদ ভাই জানিয়েছেন, তিনি অন্য প্রেস থেকে বই ছাপানোর ব্যবস্থা করে দিবেন। জাদিদ ভাইকে আমি ছাপাতে বলেছি। তখনও আমার প্রকাশনা পক্ষের লোক বাগড়া দিয়েছে, বলেছে মেলার কয়েকদিন পরে তাঁরাই বই ছাপিয়ে দিবেন। এতেও আমি আপত্তি করিনি।
তার পরেও আমার বই ছাপানো হয়নি। এটা কি ধরনের পেশাদারিত্ব আমার বুঝে আসেনা।
এই পোস্টেও কোন প্রকার নমনীয়তার লেশমাত্র না পেয়ে আমি বাংলা একাডেমীর স্বরন নিচ্ছি। পাশা পাশা আইনি কোন পদক্ষেপ নেয়া যায় কিনা এব্যাপারেও আলাপ চলছে।
দোয়ার দরখাস্ত রইল খায়রুল আহসান ভাই।

৫৬| ১০ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:৫০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনি কি আশা করেন এর পরেও আপনাকে আমি বুকে জড়িয়ে ধরবো? (মন্তব্য ৪৮)
উনি বিষয়টাকে অনেকটা ব্যাক্তিগত পর্যায়ে নিয়ে গেছেন।
আমি বিষয়টার নিয়মতান্ত্রিক সমাধানের দিকে যাচ্ছি। উচ্চপদস্থ মামাতো ভাইয়ের মাধ্যমে বিষয়টা নিয়ে অমর একুশে গ্রন্থমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব স্যার এর সাথে আলাপ করা হয়েছে।
তিনি চুক্তি হয়ে থাকলে চুক্তিপত্র অথবা প্রকাশক বই ছাপাবেন বলেছেন এধরনের প্রমান পত্র (মেসেজ,ইমেইল,ফোন কল) সহযোগে লিখিত আকারে অভিযোগ করতে বলেছেন। সাথে বাংলা একাডেমীর ওয়েবসাইটে Click This Link অভিযোগটা দিয়ে রাখতে বলেছেন।
সকল প্রমান পত্র সহযোগে আমি সে পথেই এগুচ্ছি।


১০ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমি এর শেষ দেখতে চাই। সকলের নিকট দোয়ার আবেদন রইল।

৫৭| ১০ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:২০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পরবর্তি পদক্ষেপে সঙ্গত কারনে প্রকাশক মহোদয়াকে সংযুক্ত করতে হচ্ছে। আমার এ অক্ষমতার জন্য উনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
নৃ মাসুদ রানা, আপনার ফেসবুক পোস্টটি আমি প্রিন্টাকারে অভিযোগের সাথে সংযুক্ত করতে চাইছি। আপত্তি থাকলে জানাতে পারেন।

১০ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: এখানে না হলে নৃ মাসুদ আমার সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করুন।

৫৮| ১০ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:০৩

নতুন নকিব বলেছেন:



পোস্টটি দেয়ার পরপরই একবার দেখে গিয়েছিলাম। যদিও মন্তব্যে আসার মত সুযোগ তখন ছিল না। কাঙ্খিত সময়ে কথামত বইটি না পাওয়ার কষ্টটা সত্যিই দুঃখজনক।

১০ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পুনর্বার এসে মন্তব্যে সহানুভুতি জানিয়ে যাওয়ায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি জনাব নতুন নকিব ।

৫৯| ১০ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৩৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: ''বইমেলার অধিকাংশ বই এখন ভাল মন্দের মানদন্ডে নয়, টাকার মানদন্ডে প্রকাশিত হয় '' এই অভিযোগ বহু আগেই শুনেছিলাম। আপনার পোস্টটি এই অভিযোগের সত্যতা প্রমান করেছে। প্রকাশক মন্তব্যে এসে নিজেই তার প্রমান দিয়েছেন। বাংলা একাডেমীরও অনেকখানি দায় আছে। সাহিত্যকে এরা সবাই মিলে চাইনিজ প্রোডাক্টের পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে । আপনি নিয়মতান্ত্রিক সমাধানের যে পথে যেতে চাইছেন তাতে সমর্থন রইল। বই প্রকাশের প্রধান মানদন্ড যে কোন মূল্যে হতে হবে বই এর মান, টাকা কোন অবস্থাতেই নয়। একজন পাঠক হিসেবে আমি বই কিনে প্রতারিত হতে চাই না।

১০ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: টাকা দিয়ে বই ছাপিয়ে লেখক সাজার ইচ্ছা আমার কখনো ছিলনা।
আমি ভাগ্যবান, মন থেকে এ ধরনের লেখক হতে চাইনি বলেই মনে হয়, আমার প্রথম বইগুলি প্রকাশকের খরচেই ছাপানো হয়েছে।
কিছু প্রকাশক সাহিত্যসেবার জন্য প্রকাশনা খুলেছেন, কেউ খুলেছেন নিছক টুপাইস কামানোর খেয়ালে। আমি সম্ভবত দু ধরনের প্রকাশকের সাথেই পরিচিত হয়েছি।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নিন ঢাবিয়ান ।

৬০| ১০ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০০

মা.হাসান বলেছেন: নীল সাধু ভাই আমার একজন অত্যন্ত শ্রদ্ধার মানুষ।এক রঙ্গা এক ঘুড়ি'র ব্যানারে উনি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য যা করছেন তাতে উনাকে সেলুট । তবে এই পোস্টে উনি যে মন্তব্য করেছেন তা আমার কাছে পেশাদার মনে হয় নি ।

লিটন ভাই, আপনার অধিকার আছে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে অগ্রসর হওয়ার । তবে এক্ষেত্রে শুধু নিজের অভিযোগ নিয়ে অগ্রসর হওয়াই ভালো বলে মনে করি। অন্য কেউ যদি সংক্ষুব্ধ থাকে তিনি তার নিজের অভিযোগ নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন । অনধিকার চর্চা হয়ে গেছে মনে হলে সকলের কাছে আগাম ক্ষমাপ্রার্থী।

১০ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৯:১৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: মোটেই অনধিকার চর্চা হয়নি মা.হাসান ভাই।
মুল্যবান মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ জানবেন।

৬১| ১০ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৮:৪০

জাহিদ হাসান বলেছেন: পাগলাটে ছেলে জাহিদ হাসান শিশির অনার্স শেষ করার পরে আমেরিকা পৌছালো!

B-) B-)

১০ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৯:১৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: :P :P :P

৬২| ১১ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:৫৯

শামছুল ইসলাম বলেছেন: জাহিদুল ইসলাম ভাইয়ের মন্তব্যটা ভালো লেগেছে:

বাংলায় একটা প্রবাদ-প্রবচন আছে---"সাধু সাবধান!"আপনিও এখন থেকে সাবধান হয়ে যান।

১১ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ জনাব শামছুল ইসলাম ।

৬৩| ২০ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১১:৪০

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: অনেক দিন পরে লেখাটা চোখে পড়লো।, প্রায় সব কমেন্ট পড়ে আসলাম। একজন ব্লগার হিসাবে বলবো, লিটন ভাই আপনি আপনার অবস্থানে সঠিক আছেন।

নীল সাধু ভাইকে বলবো, বই প্রকাশ ভাল কাজ, এর পর আবার টাকা ছাড়া বই প্রকাশ করছেন সেটাও আরো গুনের কাজ। তবে আমার মনে হয়েছে, আপনি যদি লেখককে সময় মত একটা কারন জানিয়ে দিতেন, তবে এত কথা আজ উঠত না। আপনি সময়ে একটা চমতকার কারন দেখিয়ে লেখককে বলে দিলেই হত।

লেখক তার লেখায় আপনাকে এতটা অভিযুক্ত করেন নাই, তিনি শুধু ঘটনার বর্ননা দিয়েছেন, সেটা যেই পড়বে সেই বুঝতে পারবে। নীল সাধু ভাই, প্রকাশক হিসাবে আপনার সামনে আরো অনেক সময় আছে, শান্ত হউন।

১৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:৫৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সাহাদাত ভাই, টাকা ছাড়া বই প্রকাশ করেছেন এটা সম্পুর্ন ভুয়া বলে অনেকে আমাকে জানিয়েছেন।
ঘুড়ির খরচে মাত্র একটা বই ছাপানো হয়েছে বলে জেনেছি- সেটা রবিন্দনাথ ঠাকুরের জাপান ভ্রমনের পরে কে যেন জাপান গেছেন এরকম একটা বই।
ধন্যবাদ জানবেন সাহাদাত উদরাজী ভাই।

৬৪| ২৪ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:৫৩

ধ্রুবক আলো বলেছেন: ২৬ নং কমেন্ট থেকে, জানতে ইচ্ছুক, নীল সাধু কি টাকা ছাড়া কারো বইবের করে না?
যদি না করে সেটা জানায় দিলেই তো পারে। উনি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পাণ্ডুলিপি আহ্বান করেছিলেন যে প্রকাশনীর খরচে বই বের করবেন। এরপর লোক মুখেও শুনেছি যে উনি টাকা ছাড়া বই বের করে না। তাহলে এই ঘটনা। সেটা পোষ্টে বলে দিলেই তো পারতো। কাউকে আশা দিয়ে সময় নষ্ট করার কি দরকার।

১৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:৫২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: উনি প্রকাশনার খরচে যাদের বই ছাপানো হয়েছে বলে দাবী করছেন , তাঁদের অনেকের সাথে আলাপ করে জেনেছি কথাটা সর্বাংসে মিথ্যা। একজনকে জিজ্ঞেস করলাম- ভাই আপনার বইটা ছাপাতে কি আপনার কাছ থেকে খরচ নেয়া হয়েছে?
তিনি উত্তর দিলেন- ভাই বাদ দেন, বাটপারের কথা বলতে ইচ্ছা করতেছেনা

৬৫| ২৬ শে মে, ২০২০ রাত ৯:৩৭

ডার্ক ম্যান বলেছেন: লিটন ভাই , ২০১৮ সালের অক্টোবরের পর থেকে এই প্রকাশনীর বই কেউ আমারে মাগনা দিলেও আমি নিই না । যাই হোক , আপনার জন্য শুভকামনা । কখনো নিজের টাকায় বই ছাপানোর সক্ষমতা হলে আপনাকে অবশ্যই জানাবো ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.