নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

মমত্ববোধ

১৪ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৮

আমি যখন কাউকে অপমানিত, ভর্ৎসিত হতে দেখি,
তার অপরাধ প্রমাণিত হোক কিংবা অপ্রমাণিত,
আমার চোখের সামনে একটি ছবি ভেসে ওঠে-
জগতের কোন এক প্রান্তে নির্ভাবনায় থাকা
তার অচেনা মায়ের একটা কল্পিত ছবি।
আমার মনে হয়,
কোন ব্যক্তি যখন অপমানিত, ভর্ৎসিত, দন্ডিত হয়,
তার মায়ের মনে সাথে সাথে একটা ঘন্টা বেজে ওঠে।
তিনি যদি ক্ববরে থাকেন, তাও। আর জীবিত থাকলেও
অজানা এক আশঙ্কায় কেঁপে কেঁপে ওঠে তার বুক,
তিনি কিছুক্ষণ অকারণ এদিক ওদিক হাঁটাহাঁটি করেন।
এক সময় নিজেকে প্রবোধ দিয়ে তিনি বুকে ফুঁক দেন।
ভাবেন, দূরে থাকা তার যাদু সোনাটা ভালই আছে! আর-
সেই কালো মুখটি দেখে দেখে আমি ব্যথিত হতে থাকি!


ঢাকা
১৪ মার্চ ২০১৯

মন্তব্য ৫৪ টি রেটিং +১৭/-০

মন্তব্য (৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৪

নীলপরি বলেছেন: খুব ভালো লাগলো কবিতা ।

++++

শুভকামনা

১৪ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৩১

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রথম মন্তব্য এবং প্রথম প্লাসের জন্য অনেক, অনেক ধন্যবাদ, নীলপরি।
কবিতা ভাল লেগেছে জেনে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

২| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর কবিতা।
এই কবিতায় দশে দশ দিলাম। আমি কাউকে আজ পর্যন্ত দশে দশ দেই নাই।

ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

১৫ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৮:০৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: এই কবিতায় দশে দশ দিলাম। আমি কাউকে আজ পর্যন্ত দশে দশ দেই নাই - এই বিরল সম্মান পেয়ে অভিভূত হ'লাম। অনেক, অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!!!

৩| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:০৯

আমি মুক্তা বলেছেন: আমার তো ভাই কাউকে পাশ বা ফেলমার্ক কোনটা দেওয়ার ক্ষমতা নাই তবে হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া কবিতাটি এক কঠিন বাস্তবতা!

মা! যার হয়না তুলণা!
কবিতাটি তেমনি ভায়া
জাগায় হৃদয়ে মায়ের জন্য
শুধু ভালোবাসার প্রেরণা।

১৫ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:০৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার এ উচ্ছ্বাসভরা মন্তব্যটা পড়ে প্রীত হ'লাম। আমার কোন পোস্টে আপনি এই বুঝি প্রথম এলেন- আপনাকে সুস্বাগতম!
প্লাসে অনুপ্রাণিত। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা---

৪| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভীষণ টাচি মমত্ববোধে মুগ্ধতা । ++
বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

১৫ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:২০

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার মন্তব্যটাও স্পর্শ করে গেল, পদাতিক চৌধুরি। প্লাসেও অনুপ্রাণিত।
অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা----

৫| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:৫১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
কথা সত্য। প্রবাসে গিয়ে বিশেষতঃ মালয়েশিয়াতে গিয়ে দেখুন কত শ্রমিক চরম ভাবে অপমানিত হচ্ছে।

১৫ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:১৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। সবখানেই দুর্বলেরা সবলদের দ্বারা অপমানিত হয়, হতে পারে; তাদের দোষ থাকলেও হয়, আবার কখনো না থাকলেও হয়। কিন্তু দুর্বল আর সবল- উভয়ের মাতৃস্নেহই কিন্তু এক। দুর্বলদের প্রতি সব সময়েই আমার একটা সহানুভূতি থাকে। তাদের মায়েদের কথা ভাবলে সে মমত্ববোধটুকু আরো বেশী গাঢ় হয়।
মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা----

৬| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:১৯

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: একদম ঠিক। সুন্দর লিখেছেন ভাইয়া

১৫ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:২৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: কী ঠিক?
কবিতা পড়ার জন্য ধন্যবাদ। মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত।

৭| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


সন্তানের অপমানে মা যেই ধরণের ব্যথা পান, এটা আমি বিবিধভাবে অনুভব করার চেষ্টা করেছি, এটা আমাকে হতবুদ্ধি করে দেয়।

অক্ষম মা যখন দেখে একটি কিশোরী গাড়ীতে স্কুলে যায়, আর তাঁর কিশোরী মেয়েটি ভিক্ষা করে, সেই মা কত কষ্ট পান , সেটা ভাবার সময় আমার মগজকে অকেজো হয়ে যায়।

আপনি মায়েদের এই কষ্ট টুকুকে অনুধাবন করেছেন, আমি আপনার কথাকলির মাঝে নিজের ভাবনাটুকু খুঁজে পেলাম।

১৫ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনি তিন ভাগে আপনার মন্তব্যটাকে বিভক্ত করেছেন, তিন অনুচ্ছেদে। প্রতিটিই অনবদ্য, প্রতিটিই আপনার এমপ্যাথেটিক মনের পরিচয় বহন করে, এবং তা দেখে আমি মুগ্ধ। সুন্দর করে কথাগুলো বলেছেন, স্পর্শ করে গেল!
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৮| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:

টাইপো---"আমার মগজকে অকেজো হয়ে যায়।"
সঠিক---"আমার মগজ অকেজো হয়ে যায়।"

১৫ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: জ্বী, বুঝতে পেরেছিলাম। তবুও সংশোধনের জন্য ধন্যবাদ।

৯| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৯

নজসু বলেছেন:



মা মানে বেঁচে থাকার অকল্পনীয় প্রেরণা।
জীবন গড়ার সোপান।
স্বপ্ন দেখার ঘুম।
.................
কবিতায়
হৃদয় ছুঁয়ে গেলো।

১৭ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:১৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: চমৎকার বলেছেন, বিশেষ করে 'স্বপ্ন দেখার ঘুম" কথাটা খুব ভাল লেগেছে আমার।
মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা---

১০| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৭

নতুন নকিব বলেছেন:



বিমলিন সত্যের দারুণ প্রকাশ। +++

১৭ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:৫০

খায়রুল আহসান বলেছেন: অল্প কথায়, একটি ছোট্ট মন্তব্যে কবিতাকে সমৃদ্ধ এবং কবিকে উৎসাহিত করে গেলেন, অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!
প্লাসে অনুপ্রাণিত।

১১| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:০৮

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: অসাধারণ হয়েছে ভাই... অসম্ভব ভাল লাগা রেখে গেলাম...


মায়ের মত আপনজন ত্রিভুবনে নাই।

১৭ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। উচ্ছ্বসিত মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হ'লাম।
শুভেচ্ছা জানবেন।

১২| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩৭

করুণাধারা বলেছেন: শেষ লাইনে এসে বুঝতে পারলাম কবিতার মূল কথা!!

মা আর সন্তান এক অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা থাকে সব সময়, একেই হয়তো নাড়ির টান বলে। সন্তানের যে কোন অমঙ্গল আশঙ্কায় মায়ের মন কম্পিত হয়, উতলা হয়। চমৎকারভাবে এই কথাগুলো কবিতায় প্রকাশ করেছেন।

১৭ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৪২

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, করুণাধারা। খুব সুন্দর করে কবিতাটিকে ব্যাখ্যা করেছেন।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

১৩| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:২০

নাসির ইয়ামান বলেছেন: আমার কোন কওয়ার নেই,কারণ বুদ্ধির পর থেকে "মা"য়ের দেখা নাই!

১৭ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: মায়ের স্নেহমমতা থেকে আপনার "বুদ্ধির পর থেকে" বঞ্চিত হবার কথা জেনে ব্যথিত হ'লাম। আপনার এ অভাব পৃথিবীর আর কোন কিছু দিয়ে পূরণ হবার নয়। আল্লাহ আপনার সহায় হউন এবং উত্তম বিনিময় দান করুন!

১৪| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৩১

বলেছেন: চমত্কার শব্দের সমারোহে সমৃদ্ধ কবিতা---

১৭ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৪৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যটাও অতি চমৎকার! অনেক, অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা...

১৫| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:৫৮

আখেনাটেন বলেছেন: নিগূঢ় উপলব্ধি। বেশ ভালো লাগল।

আপনার এই ভাবনাগুলো কবিতার চেয়ে গদ্য আকারে মনে হয় বেশি আকর্ষনীয় হত। অবশ্য এটা আমার মত।

১৭ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:১৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আসলে আমি ততটা সিরিয়াস লেখক নই। যখন যেভাবে চিন্তাগুলো মাথায় আসে, সেভাবেই প্রকাশ করে থাকি। কবিতাটা অনেকটা এভাবেই মাথায় এসেছিল, তবে যেভাবে প্রথমে এসেছিল, লিখতে লিখতে তার গতিপথ কিছুটা পরিবর্তন হয়ে গেছে। এজন্যেই হয়তো অনেকের বুঝতে কিছুটা অসুবিধে হয়েছে, এবং তা হবারই কথা।
আমার সামনে যখন কাউকে অপমানিত হতে দেখি, কিংবা শাস্তি পেতে দেখি, তখন তার প্রতি আমার একটা মায়া জন্মে, এবং তার মায়ের জন্যেও, কারণ আমি জানি তার এ দুরবস্থার কথাটি তার মা ঠিকই টের পেয়ে যাবেন, করুণাধারা যেটাকে বলেছেন 'নাড়ির টানে'।
মন্তব্য এবং প্লাসের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

১৬| ১৫ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১:০৬

সোহানী বলেছেন: এই একটি বিষয়ে আমি কথা বলিনা। কারনটা হয়তো কোন একদিন বলবো।

১৭ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: এই একটি বিষয়ে আমি কথা বলিনা - ঠিক কোন বিষয়ে?
কারনটা হয়তো কোন একদিন বলবো - আচ্ছা।

১৭| ১৫ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১:২৩

শাহিন বিন রফিক বলেছেন:



আমি ইচ্ছে করেই মাঝেমধ্যে মাকে একদিন দুইদিন ফোন দেই না তারপর ফোন দিলে অভিযোগের লিস্ট ......।
মা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ।

১৭ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৫২

খায়রুল আহসান বলেছেন: মা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ - অবশ্যই, অবশ্যই!
মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা---

১৮| ১৫ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:১৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আহা!
মায়ের মমত্বের কাছে স্বর্গও বোধকরি মাথা নুইয়ে থাকে!

হৃদয় ছোঁযা কাব্যে ভাললাগা একরাশ!

ও মা, তুমি কই? আজোকি কাঁদো ওপারে বসে
যখন আমার মন বিষন্ন হয়,
কিংবা তোমার স্মরনে
চোখ ঝাপসা হয়ে আসে!
অলখে হাত বাড়িয়ে দাওকি মমতায় -
-আহা বাছা আমার! বলে মাথায় হাত বুলাবে বলে!


১৮ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৩১

খায়রুল আহসান বলেছেন: আবেগপূর্ণ, প্রেরণাদায়ক মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। প্লাসে অনুপ্রাণিত।
শুভকামনা নিরন্তর---

১৯| ১৫ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:১৬

ম্যাড ফর সামু বলেছেন: এ অদৃশ্য বন্ধন স্বয়ং আল্লাহর সেরা উপহার মানবজাতির জন্য। একে বিজ্ঞান বলে টেলিপ্যাথি, যা প্রতিটি মানুষের মধ্যে বর্তমান। কিন্তু আমরা আমাদের না চেনার জন্য এ ক্ষমতা সম্পর্কে অনেকেরই পুরো ধারণা বা আইডিয়া নেই।

ধন্যবাদ এক গভীর হৃদয়ছোঁয়া পোষ্ট দিয়ে!

১৮ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: এ অদৃশ্য বন্ধন স্বয়ং আল্লাহর সেরা উপহার মানবজাতির জন্য। একে বিজ্ঞান বলে টেলিপ্যাথি, যা প্রতিটি মানুষের মধ্যে বর্তমান। কিন্তু আমরা আমাদের না চেনার জন্য এ ক্ষমতা সম্পর্কে অনেকেরই পুরো ধারণা বা আইডিয়া নেই - আপনার এ কথাগুলো বেশ কয়েকবার পড়লাম এবং অভিভূত হ'লাম। খুব সুন্দর করে বলেছেন কথাগুলো।
ধন্যবাদ এক গভীর হৃদয়ছোঁয়া পোষ্ট দিয়ে - আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি এমন চমৎকার, প্রেরণাদায়ক মন্তব্য এখানে রেখে যাবার জন্য।
শুভকামনা---

২০| ১৫ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ সন্ধ্যা,
মা কে নিয়ে লেখাটা মন ছুয়ে গেল।
তবে আখেনাটেন ভাইয়ের মতো আমারও মনে হলো গদ্য আকারে লিখল আরও চমৎকার হতো।
ধন্যবাদ।

১৮ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:০১

খায়রুল আহসান বলেছেন: কবিতা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।
তবে আখেনাটেন ভাইয়ের মতো আমারও মনে হলো গদ্য আকারে লিখল আরও চমৎকার হত - এ আশাবাদ ব্যক্ত করার জন্য ধন্যবাদ। এর উত্তর কিছুটা আখেনাটেন এর মন্তব্যের উত্তরে দিয়েছি।
শুভেচ্ছা জানবেন।

২১| ১৬ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ২:২০

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: তিনি যদি ক্ববরে থাকেন, তাও
বাস্তবতা হলো, মৃত্যুপর মানুষ আর দুনিয়াবি খবর রাখার সুযোগ পান না।

এছাড়া প্রতিটি কথাই বাস্তব।সত্যিই বাস্তব।

১৮ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৪২

খায়রুল আহসান বলেছেন: বাস্তবতা হলো, মৃত্যুপর মানুষ আর দুনিয়াবি খবর রাখার সুযোগ পান না - সেটাতো জানি এবং বিশ্বাসও করি। তারপরেও, পোয়েটিক লাইসেন্স বলে একটা কথা আছে।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা জানবেন।

২২| ১৬ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৪০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনার উপলব্ধিতে ভালোলাগা!
অনেক সুন্দর লেখা।

১৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, এ ভাল লাগার জন্য। মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম।
শুভেচ্ছা রইলো----

২৩| ১৮ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৬

জুন বলেছেন: খায়রুল আহসান,
আপনার কবিতার মায়ের মতই অনুভব হয় যদি কখনো সন্তানকে ঘিরে কিছু ঘটে থাকে। আয়তুল কুরসি পড়ে অনেক দূরে থাকা সন্তানের উদ্দেশে ফু দেই ঠিক আপনার কবিতার মায়ের মতই। বড় আবেগপূর্ণ কবিতায় বড় ভালোলাগা রইলো।
+

২০ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: বড় আবেগপূর্ণ কবিতায় বড় ভালোলাগা রইলো - অনেক ধন্যবাদ, জুন। আমাদের সব মায়েরাই বুঝি এমন। কিছু কিছু বাবারাও।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনেক অনুপ্রাণিত হ'লাম।
শুভেচ্ছা জানবেন। কব্জী ঠিক হয়েছে?

২৪| ১৮ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৪৪

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: বাস্তবতা হলো, মৃত্যুপর মানুষ আর দুনিয়াবি খবর রাখার সুযোগ পান না - সেটাতো জানি এবং বিশ্বাসও করি। তারপরেও, পোয়েটিক লাইসেন্স বলে একটা কথা আছে।


প্রিয় স্যার আপনি আবার রাগ করেন নিতো?

১৮ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: নাহ, কোন প্রশ্নই ওঠে না। :)

২৫| ২০ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:১৩

জাহিদ অনিক বলেছেন: বাহ ! কবি হৃদয়ের কুসুম আবরণ থেকে বের হয়ে আসা লেখা।
সুন্দর ও চমৎকার।

২১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: কবি হৃদয়ের কুসুম আবরণ থেকে বের হয়ে আসা লেখা। সুন্দর ও চমৎকার - কবিতার এমন সুন্দর প্রশংসা একজন যথার্থ কবির কলম (মন) থেকেই বের হয়ে আসতে পারে। অনেক ধন্যবাদ, এমন চমৎকার কথায় কবিতাটির প্রশংসা করে যাবার জন্য।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত।

২৬| ২০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:১৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
স্যার, ব্লগার গিয়াস উদ্দিন লিটনের মাহাথির বিষয়ক একটি পোস্টে আপনার এই মন্তব্যটি দেখলাম-

খায়রুল আহসান বলেছেন: এত চমৎকার একটা তথ্য অনেক পাঠকের মত আমারও জানা ছিল না।
আমরা উনাকে মরিয়ম নগরে আনবো একদিন - চাঁদগাজী সাহেবের এ প্রত্যাশার কথা জেনে প্রীত হ'লাম। আশাকরি, উনি যতটুকু পারেন, রাজনীতিতে ওনার প্রভাব খাটিয়ে এ আশাবাদকে সত্যে পরিণত করার চেষ্টা করে যাবেন। উনি (মাহাথির) মরিয়মনগরে এসেছেন, এটা দেখতে পেলে আমি খুশী হবো।
১,৫ এবং ২১ নং প্রতিমন্তব্যগুলো ভাল লেগেছে।
পোস্টে প্লাস + +

মাহাথির এই জাতীয় কথা বলেছেন তার কোন প্রমাণ নেই। আমি উনার পূর্ব পুরুষ নিয়ে বই খুজেছি। তাতে যা পাওয়া গেছে তাতে উনি বলেছেন- উনার পূর্বপুরুষরা ভারত থেকে আগত। সেটা পাকিস্তানও হতে পারে। তবে গবেষকগণ মোটামুটি এক মত যে উনার পূর্বপুরুষ ভারতের কেরালা থেকে আগত।

এ ব্যাপারে একটি পোস্ট দেয়া দরকার। কিন্তু সময় পাচ্ছি না।

মাহথিরের সাথে বাংলাদেশের সব চেয়ে ভালো সম্পর্ক ছিল - মালয়েশিয়াতে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত জনাব ফারুক সোবাহান ও জনাব একেএম আতিকুর রহমান সাহেবের। পরের জন তো মাহাথিরকে নিয়ে একটি বই রচনা করেছেন। তবে উনাদের সাথে ঢাকার সাংবাদিকরা চেষ্টা করলে কথা বলতে পারেন। অযথা অনুমানের ভিত্তিতে পত্রিকাতে যা তা প্রকাশ করে বাংলাদেশীদের এখন ধারণা হয়েছে যে মাহাথির আমাদের নাতি।
নাজিব হেরে যাবার পর শ্রমিকরা বলতো- এবার আমাদের নাতি প্রধানমন্ত্রী। আমাদের আর পায় কে? কিন্তু মাহাথির নিজে বিদেশী শ্রমিক কমানোর পক্ষে। দাদারা এবার হতাশ।

২১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: এ তথ্যগুলো জানাবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ফারুক সোবহান সাহেব এ দেশের সর্বকালের বিবেচনায় একজন অত্যন্ত দক্ষ এবং স্বনামধন্য কূটনীতিক, এতে কোন সন্দেহ নেই।

২৭| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৩১

চন্দ্ররথা রাজশ্রী বলেছেন: খুব করে ছুঁয়ে গেল।

মায়ের কাছ থেকে দূরে থাকি বলে কবিতাটা আরও বেশি করে অনুভব করতে পারলাম।
কবিতায় প্লাস।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৪৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: কবিতাটি পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। কবিতা পড়ে ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা এখানে উল্লেখ করাতে প্রীত হ'লাম।
প্লাসে অনুপ্রাণিত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.