নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পরের বাড়ির পিঠা খাইতে বড়ই মিঠা ।

কিরকুট

আমি মানুষ, আমি বাঙালি। আমার মানবিকতা, আমার সংস্কৃতির উপর আঘাত হানতে চাওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাওয়া প্রাণী মাত্রই আমার কাছে পিশাচ। আমার দেশের উপর আঘাত হানতে চাওয়া প্রাণীদের পালনকারী, প্রশ্রয়দানকারী মাত্রই আমার কাছে পিশাচ, রাক্ষস। হোক সে যে কোনো সাম্প্রদায়িক কিংবা ঢেঁড়স চাষ পরামর্শক।

কিরকুট › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমেরিকায় বাংলাদেশি পণ্যের উপর ৩৭% ট্যাক্স: এটা আমাদের রপ্তানির জন্য কফিনে শেষ পেরেক নয় তো?

০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ ভোর ৪:৫৯




সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের উপর সর্বোচ্চ ৩৭% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছে, আর আমাদের দেশের গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও রপ্তানিকারকদের ঘুম উধাও। এমনিতেই বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা ভয়াবহ রকম কঠিন হয়ে উঠেছে, তার উপর এই ট্যাক্স—সোজা কথায়, মাথায় হাত।

এই ট্যাক্স আসলে কী?

৩৭% ট্যাক্স মানে হচ্ছে, যদি কোনো বাংলাদেশি পণ্য ১০০ ডলারে আমেরিকায় প্রবেশ করে, সেটার উপর ৩৭ ডলার অতিরিক্ত শুল্ক দিতে হবে। মানে পণ্যের দাম দাঁড়াবে ১৩৭ ডলার। এখন প্রশ্ন হলো, সেই বাড়তি দাম দিয়ে কে কিনবে?

উত্তর: কেউ না, যদি না সেটা কোনো যাদুর পণ্য হয়।

এর প্রভাব কী হতে পারে?

১. বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতা কমবে।
ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ভারত, সবাই বসে নেই। তাদের সঙ্গে পেরে ওঠা কঠিন হবে।

২. রপ্তানির পরিমাণ কমবে।
ব্যবসায়ী যে পণ্য আমেরিকায় পাঠাতে চায়, সে যদি জানে তার পণ্য দাম বাড়ার কারণে বিক্রি হবে না, সে আর পাঠাবে না। এই সহজ অংকটাই অনেকে বুঝে না।


৩. কারখানা ও শ্রমিক সংকটে পড়বে।
রপ্তানি কমলে উৎপাদন কমবে, আর উৎপাদন কমলে চাকরি যাবে, এখানে কারও মনে দয়া কাজ করবে না।



বাংলাদেশ কী করতে পারে?

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় আলোচনায় বসা দরকার।
কোনো না কোনোভাবে GSP সুবিধা ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করতে হবে, যদিও সেটা এখন স্বপ্নের মতো শোনায়।

বিকল্প বাজার খোঁজা দরকার।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন, এশিয়ার উদীয়মান বাজার, এগুলো আমাদের নতুন লক্ষ্য হওয়া উচিত।

উৎপাদনে বৈচিত্র্য আনতে হবে।
শুধু গার্মেন্টস নয়, চামড়া, হস্তশিল্প, জাহাজ নির্মাণ, এসব ক্ষেত্রেও নজর দিতে হবে।


শেষ কথা

আমেরিকার এই ৩৭% শুল্ক অনেকটাই এক ধাক্কায় আমাদের রপ্তানি সম্ভাবনাকে নাকানি-চুবানি খাওয়াচ্ছে। তবে আমরা যদি এটাকে একটা রিয়েলিটি চেক হিসেবে নেই, তাহলে এটাও হতে পারে বদলের সূচনা। নয়তো, আমাদের শুধু ‘Made in Bangladesh’ লেখা ট্যাগই থাকবে, ক্রেতা থাকবে না।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ ভোর ৬:২০

রিফাত হোসেন বলেছেন: বাংলাদেশ আমেরিকা থেকে কতটুকু আর কি হারে ক্রয় করে?

২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৯:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: ৩৭% শুল্ক নিয়ে এত অস্থির হওয়ার কিছু নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.