নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হে মানব! আর নয়তো দেরী; জেগে তুলে বিবেকের তরী করো হিংসার বলিদান। জন্মান্ধ হয়ে থেকো নাকো তুমি;মানুষ বলে হও বলিয়ান ।

তুমি জীবন খুঁজো সুখের নীড়ে, আমি জীবন খুঁজি দুঃখের ভীরে।,,, রহমান লতিফ,,,,

› বিস্তারিত পোস্টঃ

দ্যা হিপোক্রেসি - নরকের কীটের সাথে সহবাস

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৪২


পর্ব -৮
----------
পারস্পরিক সম্পর্কের পৌরাণিক প্রলেপ মাখা নিয়মের 'আপন'- 'পর' এই দুই ধারাপাত জপতে জপতে অভ্যস্ত মানুষ আমি। হরহামেশাই ভূলে যেতাম রক্তের বাঁধন ছাড়াও কেউ কেউ ধরণীর বুকে আপন হয়ে যায়। অবশেষে বুঝতে পারলাম সম্পর্ক আসলেই ঐশ্বরিক যা মানব মনে গেঁথে যায় আবেগ আর অনুরাগের মাখামাখিতে। এই যেমন বানেছা বিবি নিজের দু'ছেলেকে খেয়ে না খেয়ে অনেক কাঠগড় পুড়িয়ে লন্ডনে নিয়ে এসেছিলেন তাদের উভয়েই এখন বিয়ে করে মা'কে ছেড়ে আলাদা বাসায় চলে গেছে। বিদেশ বিভূঁইয়ে স্বামীহারা ও সন্তানদের চরম অবহেলার স্বীকার হয়ে যখন বানেছা বিবির চরম দুঃসময় ঠিক সেই সময়ে সন্তানের উপযুক্ত আদর সমাদর থেকে কোনভাবেই এই বঙ্গমাতাকে বঞ্চিত হতে দিলাম না। এই আমি হয়ে উঠলাম বানেছা বিবির একমাত্র ছেলে। একান্ত বাধ্যগত ছেলের মতো বানেছা বিবিকে মা'য়ের মতো আদর,সমাদর, সেবা যত্ন করতে লাগলাম । যদিও বানেছা বিবি কোন ভনিতা ছাড়াই আমার চোখের সামনে মাছের মাথা কিংবা গোশতের বড় টুকরোটি জাহাঙ্গীর ভাইয়ের পাতে তুলে দিতেন। আমি কষ্ট করে রান্না বান্না করে মন যোগাতে একপ্রকারে অপারগ হয়ে গেলাম। মানুষের মন জয় আর এভারেস্ট বিজয় যে একই বিষয় তা সেই সময় হলফ করে বুঝতে পারলাম। চাপা কষ্টের আঘাত সহ্য করেই চলেছে সাধের লন্ডন জীবন ৷ বেয়ারা কষ্টগুলো ভুলিয়ে দিতে মা'কে পেতাম সবসময় অনুপ্রেরণার বাতিঘর হিসাবে।
মা বলতো বিদেশে ভালো না লাগলে দেশে চলে এসো আমাদের যা আছে তা দিয়ে চলে যাবে ৷আর যদি না আসতে চাও তবে ধৈর্য ধরে থাকো একদিন সব হয়ে যাবে ৷সময়মতো সবকিছু হয়ে যাবে। একদিন তুমি লাল পাসপোর্ট পেয়ে যাবে। মায়ের কথামত সময়ের সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বেলে আমি হররোজ বিদেশের অন্ধকার পথে চলতে থাকি। সময়ের সবচেয়ে ভয়ংকর রূপ তখনই বুঝা যায় যখন শরীরে সঞ্চারিত হয় অসুখের বীজ । সময় গড়ার সাথে সাথে আমার হবু শাশুড়ী বানেছা বিবির শরীর দিন দিন খারাপ হতে লাগলো। একসময় তিনি স্বাভাবিকভাবে চলতে ফিরতে অক্ষম হয়ে গেলেন। বেনিফিটের টাকায় সংসার চলে না। আমি যা রোজগার করি তা বানেছা বিবির সংসার, বাঁধনের জন্য সলিসিটর ও ইউকে তে আবেদন, নিজের কেইসের এ্যাপিলের জন্য সলিসিটরের ফিস। আর তার উপর প্রতিমাসে হবু স্ত্রীর হাত খরচের টাকা পাঠানো যেমন একটা নিয়ম ঠিক তেমনি শাশুড়ীকে ডাক্তারে নিয়ে যাওয়া, ঔষধ পথ্য খাওয়ানো, এছাড়া আমার শাশুড়ীর জন্য প্রতিদিন রান্না করা, কাপড়চোপড় ধোয়া এইসব রুটিনের দৈর্ঘ্য প্রস্ত শুধু বাড়তেই থাকলো। রুটিনমাফিক মানব সেবা দিতে দিতে যাদের হাত ধরে পৃথিবীর বুকে মানব হয়ে বেড়ে ওঠলাম সেই সাত রাজার ধন নিজের মা বাবাকে নূন্যতম খরচের টাকা পাঠানোর সামর্থ্য হতো না !

বছরের পর বছর যায় বাঁধনের ইউকে তে আসার বাঁধা শেষ হয় না। এ্যাপলিকেশন আর সাফল্যের মুখ দেখে না। আশার আলোকবর্তিকায় কাঁচা পয়সার পুঁটলি নিয়ে সলিসিটর ফার্মে আলো জ্বালতে লাগলো আর আমার জীবনে লালবাতি জ্বলতেই থাকলো। বিলেতের মাটিতে পরিচিত অনেকেই আমার জন্য বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসতে লাগলেন। আমি এমনিতেই এদেশের মেয়েদের পোশাক,চলাফেরা অবাধ মেলামেশা, সিগারেট ও নেশা করা দেখে ভয় পেয়ে গেলাম। আর অন্যদিকে নিজের প্রতিজ্ঞায় হিমালয় সমান দৃঢ়তা নিয়ে অকুতোভয় দুঃসাহসী বীরের মতো মনে মনে ভাবলাম কোন লোভই ভাঙতে পারবেনা পরমানন্দের এই সম্পর্কে বাঁধন। আশার সলতেতে বাঁধা মঙ্গল দ্বীপ একদিন জ্বলজ্বল করে জ্বলবেই। পরম বিশুদ্ধ বিশ্বাস নিয়ে বাঁধনের জন্য আমার আরাধনা চলতেই লাগলো।
আমার মতো ভার্জিন হবে আমার হবু স্ত্রী বাঁধন। আজ হোক কাল হোক একদিন আমাদের সফল পরিণয় হবেই। আর এভাবেই প্রতিজ্ঞা আর প্রতিক্ষার এক যুগ পরিয়ে গেলো। জীবনের সোনালি হরফে লেখা স্বাদ আহ্লাদের সময়গুলি এভাবেই বছরের পর বছর গড়িয়ে চলছিলো। এভাবেই কেটে যাচ্ছে সময়, কেটে যাচ্ছে পরবাসের বনবাসী আমার মধুর মিলনের অস্হির দিনরাত্রি। এতকিছুর পরও মাঝে মধ্যে কাজ থাকতো না। তখন নতুন কাজ যোগাড় করার জন্য হাহুতাশ শুরু হয়ে যেতো। এদেশে হোম অফিসে কোন আবেদন না থাকলে যেকোনো সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ কান ধরে দেশে পাঠিয়ে দিতে পারে এই ভয়ে হিউম্যান রাইটসের এ্যাপলিকেশন কয়েকবার রিফিউজ হওয়ার পরও একটার পর একটা আবেদন করে আছি যাতে থাকার জন্য কোন সমস্যা না হয় ৷আমার শেষবারের আ্যাপিলটি অনেকদিন থেকে ঝুলে আছে। কিছু দিন পর পর সলিসিটর ফোন করে এই কাগজ সেই কাগজ এসব করে পাউন্ড নেওয়ার ফন্দি করে। আমিও কোন উপায়ান্তর না পেয়ে বাধ্য হ'য়েই যেভাবে ম্যানেজ করতে পারি সেভাবে কিছু পাউন্ড সলিসিটরের হাতে ধরিয়ে দিয়ে আসি। আজ হঠাৎ সলিসিটর ফোন দিয়ে খুব জরুরি ভিত্তিতে তার অফিসে যেতে বললেন....

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: একবার প্রবাসে যারা থেকে যান তারা দেশের জন্য আনফিট। তারপরও কখনো দেশে প্রত্যাবর্তন করার চিন্তা যদি থাকে আমাকে জানাবেন প্লিজ।

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:১৫

বলেছেন: এমন ভালোবাসায় রইলো সাতটি ঋতুর সাতরঙা শুভেচ্ছা।।।


শিকড় এতটাই ডালপালা মেলেছে যে, চাইলেই হইবেনা ফেরা, হবেনা অসময়ে প্রত্যাবর্তন


""পড়ন্ত বেলায় পুড়ন্ত শিশুমন চাইলে নিজগৃহে হোক আমার নিবাস """


ভালো থাকুন।।।

২| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:২৪

ইসিয়াক বলেছেন: আসলেই মানুষের মন জয় আর এভারেষ্ট বিজয় একই বিষয় ।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
শুভসকাল।
আবার আসবো পড়া শেষ হয়নি.........।

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:২৮

বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই,,,


শুভ সকাল।।।। ভালোয় কাটুক সকলের দিনগুলো।।।।।

সময় নিয়ে পড়ার জন্য এবং আবারো পড়তে আসবেন এমন মায়াময় উপলব্ধির জন্য অশেষ ধন্যবাদ।।।
ভালো থাকুন।।।

৩| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৩০

আনমোনা বলেছেন: এ পর্ব বেশ গতিশীলভাবে চলে শেষে সলিসিটরের অফিসে এসে থমকে দাঁড়ালো। আমরা পাঠকেরাও দাঁড়িয়ে আছি।

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৪১

বলেছেন: ধন্যবাদ ম্যাডাম,

আপনি এই লেখাটার প্রথম থেকে আপনার মন্তব্যও মূল্যবান মতামত জানিয়ে আসছেন তাই টুপি খোলা অভিবাদন।


ভালো থাকুন সবসময়।।।

৪| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৩১

ইসিয়াক বলেছেন: তারপর......।পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
ভালো লেগেছে।
শুভসকাল

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৪৪

বলেছেন: সময় নিয়ে পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।।


ভালো থাকুন।।।

৫| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: খুব সুন্দর
লেখা ভালো লাগলো

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৩৮

বলেছেন: অনিঃশেষ ধন্যবাদ প্রিয় ছবি আফুউ।।।।।।।

ভালো থাকুন।।।।

৬| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: যারা প্রবাসি তারা আর এদেশে বাস করে প্রশান্তি লাভ করেন না। সেজন্য অনেকে দেশে আর ফেরেন না । মানে গন গনা গন গন ।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৪০

বলেছেন: সহমত কবি।।।

৭| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২০

রাজীব নুর বলেছেন: প্রবাসীরা যখন দূর থেকে দেশের জন্য ভালোবাসা দেখান, সেটা আমার বেশ ভালো লাগে।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৪১

বলেছেন: আপনি একজন প্রকৃত অর্থে দেশপ্রেমিক।।।।

অন্যের জন্য ভালোলাগাতে মনে হয় আপনি একজন প্রকৃত মানবহিতৈষী ।।।।


বিনম্র শ্রদ্ধা রইলো।।।।

৮| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১১

আরোগ্য বলেছেন: এভাবে প্রতিজ্ঞা আর প্রতিক্ষার এক যুগ পেরিয়ে গেল।

স্যালুট এমন প্রবাসীকে।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৪৪

বলেছেন: সেলুটটি প্রবাসীকে পৌঁছে দেবো নেক.......

কেউ কেউ আরো দীর্ঘ সময় প্রতীক্ষার প্রতীক হিসেবে রয়ে আছে হয়তো জানা নেই, কেউ রাখে না খবর।।।।


বরাবরের মতো কৃতজ্ঞতা রইলো।।।।

৯| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২১

মুক্তা নীল বলেছেন:
ল 'ভাই ,
আপনার এই গল্পের ইন্টারেস্টিং ক্যারেক্টার হচ্ছে আমার কাছে বানেছা বিবি । আগ্রহ রয়ে গেলো পরের পর্ব পড়ার । এত দেরি করে দেন কেনো ?
অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা ।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৪৬

বলেছেন: আপনিই আমার কাছে ইন্টারেস্টিং --- হুম

আপনার মন্তব্য চুম্বকের মতো টানে।।।।।

আর দেরী হবে না -- ওকক্কে।।।

ভালো থাকুন বেশ করে।।।।

১০| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আহারে যাতনাময় প্রহর!!!!!!

শেষ হোক শোষ হোক শেষ হোক!

তারচে শংকা বাঁধনের বাস্তবতায় না জানি কি হয়!!!
না ফিরে পাবে সেই হারোনো ১২টি বছর!
না পাবে স্বপ্নের ভার্জিন বাঁধন!! (আশংকা) ;)
সইতে পারবেতো নায়ক?

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫০

বলেছেন: আশংকা ---!!!!

কবির বচনের মহাশূন্যে বিলীন হোক।।

শুনলাম বাংলাদেশ কোর্ট আইন করে "ভার্জিন"বয় কুমারী বাদ দিয়ে শুধু অবিবাহিত রাখছে।।।।

মহামান্যরা যা বলেন তার প্রতিফলন ঘটুক।।।।।

১১| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৪২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় লতিফ ভাই,

প্রথমে বিলম্বিত মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। ইনবক্সে বলবো, কেন এতো দেরি হল কমেন্ট করতে।

পোষ্ট প্রসঙ্গে, এই পর্বের সবচেয়ে সুন্দর হয়েছে আজকে পর্বটি। যেমন ঘটনা বিন্যাস, শব্দচয়ন ও যথাযথ আবেগের বহিঃপ্রকাশে পর্বটি এখনো পর্যন্ত অনন্য। অস্বীকার করব না যে সব পর্ব সমান গতিশীল হয় না কিন্তু এই পর্বে আপনি যে মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন সেটিকে আমরা আগামীতেও পেতে চাই।

বাঁধন হৃদয়ের সম্পৃক্ত যা কখনো কাটার নয়।

শুভকামনা জানবেন।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫৪

বলেছেন: আহ!!! দাদা,


আপনার মতো শিক্ষকের কাছে এতটুকু ভালো লেগেছে জেনে উৎসাহিত হলাম।।।।

তবে যেদিন আপনি বলবেন, লেখাটি পড়ে নিজের অজান্তে অশ্রু ঝরে পড়লো সেদিন হবে সার্থকতা আর সেদিনের অপেক্ষায়.......


ভালোবাসা অহর্নিশ।।।।

১২| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১৮

এমজেডএফ বলেছেন: গল্প আরো একটি পর্ব এগিয়ে গেল। ভালো হয়েছে পর্বটি। খুব অল্প কথায় এক যুগের কালপ্রবাহে কাছের মানুষ ও পারিপাশ্বিকতার পরিবর্তনগুলো সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

"মানুষের মন জয় আর এভারেস্ট বিজয় যে একই বিষয় তা সেই সময় হলফ করে বুঝতে পারলাম। "
এভারেস্ট একবার জয় করতে পারলে সেই বিজয় মুকুট সারা জীবনের জন্য রেকর্ড হয়ে থাকে। হারাবার আর কিছু থাকে না। কিন্তু মানুষের মন জয় করা যেমন কঠিন, তার চেয়ে আরো বেশি কঠিন সে বিজয় ধরে রাখা।

গল্পে এক যুগের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন:
হবু শাশুড়ী বানেছা বিবির শরীর দিন দিন খারাপ হতে লাগলো। একসময় তিনি স্বাভাবিকভাবে চলতে ফিরতে অক্ষম হয়ে গেলেন। নায়কের কাজের রুটিন ও দায়িত্বের পরিসর বাড়তেই থাকলো। চাপা কষ্টের আঘাত সহ্য করেই চলেছে সাধের লন্ডন জীবন এবং লাল পাসপোর্ট ও বাঁধনের জন্য অপেক্ষার পালা।

গল্পে শুরু থেকেই হবু স্ত্রী বাঁধন কিছুটা উপেক্ষিত! এক যুগ ধরে প্রবাসী মা ও হবু স্বামীর কাছে আসার প্রতিক্ষায় থাকা বাধঁনের একাকী দিনগুলো বাংলাদেশে কিভাবে কাটলো তার কিছু ইঙ্গিত দিতে পারতেন। তাছাড়া নায়ক ও বাঁধনের দীর্ঘদিনের ফোনালাপ থেকে কিছু বাছাইকৃত সংলাপ গল্পে উল্লেখ থাকলে সবদিক দিয়ে গল্পের ভারসাম্য থাকতো এবং পাঠকের আগ্রহ আরো বাড়তো।

শুভকামনা রইলো, সেইসাথে নায়কের সলিসিটর অফিস থেকে ফিরে আসা পর্যন্ত পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:০৩

বলেছেন: ফারুক ভাই, আশাকরি ভালো আছেন।।।
আপনার মন্তব্যতে ১০০ টা লাইকের ব্যবস্হা থাকলে সেটাই দিতাম।।।।

এভারেস্টের বিজয় মুকুট এই লাইনগুলো অদ্ভুত সুন্দর ---- --
এভারেস্ট একবার জয় করতে পারলে সেই "বিজয় মুকুট " সারা জীবনের জন্য রেকর্ড হয়ে থাকে। হারাবার আর কিছু থাকে না। কিন্তু মানুষের মন জয় করা যেমন কঠিন, তার চেয়ে আরো বেশি কঠিন সে বিজয় ধরে রাখাার।


""আপনার মন্তব্যগুলি আমাকে যথেষ্ট সুযোগ করে দেয় ভূল শোধরাবার, সুযোগ পাই নিজের লেখার কিছু রিভিউ করার।।। ভালোবাসা রইলো।।।


ধন্যবাদ প্রিয় ভাই।।।

১৩| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ম্যারাথন লেখা চালাইছেন ... আর শেষ হয় না!

একেক দেশের ওকালতি পেশা এক এক নাম।
ব্রিটেনে সলিসিটর = আমেরিকায় কাউন্সিলার = বাংলাদেশ-ভারতে 'মোক্তার'
ব্রিটেনে ব্যারিষ্টার = আমেরিকায় এটর্নি = বাংলাদেশ-ভারতে এডভোকেট বা 'উকিল'।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:০৭

বলেছেন: বাহ!! একেই বলে অভিজ্ঞতা।।।

আমার সহোদর আমেরিকা থাকে যে প্রায় এটর্নি বলতো তখন ঠিক বুঝতাম না ভাবতাম "সরকারি উকিল" মনে হয়।।।

আপনার তথ্যটিকে সবার জন্য উপকারী।।।।


ধন্যবাদ নিরন্তর।।।

১৪| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:২৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: এক নজর দেখে গেলাম , পরে সময় করে আবার আসব ।
শুভেচ্ছা রইল

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৩

বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় ভাই।।।।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.